এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ? | ০৯ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০৬421560
  • https://en.wikipedia.org/wiki/Wikipedia:List_of_online_newspaper_archives#United_States
    এখান থেকে খুঁজে খুঁজে সেসময়ের কাগজে বিবেকানন্দের উল্লেখ আছে এমন নিউজপেপারের কাটিং পত্র এক জায়গায় করে রাখা যায়, ধরা আক একটা ব্লগ বানিয়েই। কিন্তু এসব কে কেনই বা করবে?

    যেমন ধরুন
    Weekly Pantagraph, Volume 47, Number 37, 15 September 1893 Page 2 & Page 4
    The True Republican, 16 September 1893 Page 1

    এবার অলরেডি ডকুমেন্টেড জিনিসপত্র -
    1. শিকাগোর যেসব সংবাদপত্র ১২ সেপ্টেম্বর ১৮৯৩, ধর্মমহাসম্মেলনে স্বামীজীর উদবোধনী বক্তৃতা ছাপিয়েছিল সেগুলি হল - "হেরাল্ড", "ইন্টারওসান", "ট্রিবিউন" এবং "রেকর্ড"। 'হেরাল্ড"-এর রিপোর্টই সবচেয়ে সম্পূর্ণ। - মেরি লুইজ বার্ক, তথ্যপঞ্জী, দ্বিতীয় অধ্যায় - (৪৮) "ধর্মমহাসম্মেলনে'
    শঙ্করীপ্রসাদ বসু – বিবেকানন্দ ও সমকালীন ভারতবর্ষ। সপ্তম অধ্যায়। ভারতের নবজাগরণ, বিবেকানন্দের ভূমিকা। ২. সাফল্যসংবাদ কোন্‌ আকারে ভারতীয় কাগজে বেরিয়েছিল।
    2. বস্টন ইভনিং ট্রান্সক্রিপ্ট (ফ্রান্সিস অ্যালবার্ট ডাউটি) [টাইমস অব ইন্ডিয়া, বোম্বাই, ৪ নভেম্বর ১৮৯৩; স্টেটসম্যান ৯ নভেম্বর; ইন্ডিয়ান মিরর ১১ নভেম্বর; হিন্দু, মাদ্রাজ ১৭ নভেম্বর; লাইট অব দ্য ইস্ট পত্রিকা নভেম্বর সংখ্যা] - “ধর্মমহাসভায় বিবেকানন্দ অতিশয় প্রিয় – তাঁর চিন্তার ঔদার্যের জন্য, অবয়বের মহিমার জন্যও বটে। মঞ্চে পদার্পণমাত্রে তাঁকে সংবর্ধিত করা হয়, আর সহস্র সহস্র মানুষের এই উচ্চারিত সমাদরকে তিনি শিশুর আনন্দে গ্রহণ করেন, তাতে অহঙ্কারের লেশমাত্র থাকে না।“
    3. পাইওনীয়ার ৮ মার্চ, ১৮৯৪ (মারউইন মারী স্নেল, ধর্মমহাসভার বিজ্ঞান শাখার সভাপতি – পত্রপ্রবন্ধ) [হিন্দু ৬ মার্চ, মিরর ৯ মার্চ, ট্রিবিউন ২১ মার্চ, অমৃতবাজার ১০ মার্চ, থিয়জফিক থিংকার ৭ এপ্রিল]– “স্বামী বিবেকানন্দ কী শ্রদ্ধা ও সম্মানের সঙ্গে এখানে গৃহীত হয়েছেন, কী প্রভাব তিনি বিস্তার করেছেন, কী মঙ্গলকার্য তিনি সম্পাদন করেছেন সে বিষয়ে কথা বলার আমি অধিকারী। ... যে কোনো হিসাবে হিন্দুধর্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং নিজস্ব প্রতিনিধি ছিলেন স্বামি বিবেকানন্দ, যিনি নিঃসন্দেহে ধর্মমহাসভার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। ... প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি খ্রীষ্টান বা প্যাগান যেকোনো প্রতিনিধি অপেক্ষা অধিকতর উদ্দীপনার সঙ্গে গৃহীত হয়েছেন। তিনি যেখানেই যেতেন লোকে দলবেঁধে ধাওয়া করত এবং তাঁর মুখোচ্চারিত প্রতিটি শব্দের জন্য হাঁ করে অপেক্ষা করত। ধর্মমহাসভা শেষ হওয়ার পরে ...[বক্তৃতা দিতে] যেখানেই গেছেন সোৎসাহে সংবর্ধনা পেয়েছেন।”
    4. ডেইলি ক্রনিকল (ইংলন্ডের যাজক এইচ আর হাউইস্‌) [মিরর ২৮ নভেম্বর ১৮৯৩]
    5. আমেরিকার প্রেস [মিরর ৩০ নভেম্বর ১৮৯৩] – “এই বৃহৎ সমাবেশের কাছে সবচেয়ে আকর্ষক ব্যক্তিদের অন্যতম হলেন হিন্দু তাত্বিক এবং বিরাট পন্ডত অধ্যাপক স্বামী বিবেকানন্দ। ... তিনি এমন ভাষন দিলেন যে সশর্ম-কংগ্রেসকে যেন একেবারে জয় করে নিলেন। সেখানে সকল খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের বিশপ ও মিনিস্টাররা উপস্থিত ছিলেন – তাঁদের যেন উড়িয়ে নিয়ে গেলেন। মানুষটির বাগ্মিতা, তাঁর পীতাভ মুখে মাখা মনস্বীতার দীপ্তি, তাঁর কাল-সম্মানিত ধর্মমতের সৌন্দর্য উন্মোচনের অনবদ্য ইংরেজি ভাষা – সবকিছু সম্মিলিত হয়ে শ্রোতাদের উপর গভীর প্রভাব বিস্তার করল। এই অসাধারণ অধ্যাপক যদিন প্রথম ভাষন দিলেন ... তারপর থেকে সর্বত্রই আঁর পিছনে জনতা ছুটতে লাগল। কংগ্রেস ভবনের ভিতরে বাহিরে যাত্রাকালে প্রতিদিন শত শত নারী তাঁকে ঘিরে ফেলত, যারা তাঁ সন্নিকট হবার ও করমর্দন করার জন্য কার্যত পরস্পর যুদ্ধ করত। ... এইসকল ভাষন যথেষ্ট শিক্ষিত পন্ডিত ব্যক্তিদের কাছেও আশ্চর্যজনক... এরা কিন্তু অধ্যাপক বিবেকানন্দকে নিয়ে নাচানাচি করে মহিলাবৃন্দ নন।“
    6. নিউইয়র্ক ক্রিটিক [মিরর ২৭ নভেম্বর ১৮৯৩]
    7. নিউইয়র্ক হেরাল্ড [মিরর ২৭ নভেম্বর ১৮৯৩] – সেই আলোচিত দুই লাইন
    8. বে সিটি ট্রিবিউন[মিরর ১৭ আগস্ট ১৮৯৪]
    9. শিকাগো ইন্টারওশান [হিন্দু ১৪ নভেম্বর ১৮৯৪] – “ধর্মমহাসভায় স্বামী বিবেকানন্দের তুল্য সৌজন্যপূর্ণ মনোযোগ আর কেউ আকর্ষন করতে পারেন নি।“
    10. ইন্ডিয়ান নেশন ৩১ জানুয়ারি, ১৮৯৪ [মিরর ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৫]
    11. ব্রুকলিন স্ট্যান্ডার্ড [হিন্দু ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৫]
    12. হাইফোর্ডস ডেইলি টাইমস [মিরর ১৯-২১ এপ্রল ১৮৯৫]
    13. রাদারফোর্ড অ্যামেরিকান [মিরর ৫ মে ১৮৯৫] “শিকাগো ধর্মমহাসভার এই সন্ন্যাসীর উচ্চ চিন্তাপূর্ণ বাগ্মিতা কেবল সেইখানকার শ্রোতাদের উপরেই নয়, সমগ্র ধর্ম পৃথিবীর উপরে প্রচন্ড প্রভাব বিস্তার করেছিল।“
    14. ফ্রেনলজিকাল জার্নাল (এডগার সি বীল, এম ডি) [লাইট অব দি ইস্ট সেপ্টে ১৮৯৫; থিয়জফিকাল থিংকার ৫ অক্টোবর ১৮৯৫; মিরর ৫ অক্টোবর ১৮৯৫, অমৃতবাজার ২০ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৭] – তাঁর দৈহিক সৌন্দর্যের বৈজ্ঞানিক বন্দনা
    15. নিউইয়র্ক হেরাল্ড [মাদ্রাজ মেল ১২ মার্চ, ১৮৯৬] – “নিউইয়র্ক সোসাইটির একাংশে, সম্পদে বা মনস্বিতায় অগ্রগণ্য মানুষেরা যার অন্তর্ভুক্ত, স্বামী বিবেকানন্দ নামটি এখন মোহমন্ত্রস্বরূপ”
    16. নিউইয়র্ক হেরাল্ড [মিরর ৯ এপ্রিল ১৮৯৬]
    17. ডেট্রয়েট ইভনিং নিউজ [বেঙ্গলী ২৫ এপ্রিল ১৮৯৬]
    18. বস্টন ইভনিং ট্রান্সক্রিপ্ট [ব্রহ্মবাদিন ১৫ মে ১৮৯৬]
    19. বস্টন ট্রান্সক্রিপ্ট [মাদ্রাজ মেল ২৭ মে ১৮৯৬]
    20. হিন্দু ৬ জুলাই ১৮৯৬, (আমেরিকার সুপরিচিত কয়েকজনের স্বাক্ষরিত পত্র)
    21. ব্রহ্মবাদিন ৬ জুন (আম্রিকান সংবাদপত্রের সংবাদ সংকলন) ১৮৯৬ [মিরর]
    22. হেলেন হান্টিংটন ব্রুকলিন এর পত্র [মিরর ৭ মে ১৮৯৭] মাদ্রাজ টাইমস এর উপর সম্পাদকীয় লেখে
    23. ইনটিরিয়র শিকাগো
    24. ক্রিটিক
    শঙ্করীপ্রসাদ বসু – বিবেকানন্দ ও সমকালীন ভারতবর্ষ। সপ্তম অধ্যায়। ভারতের নবজাগরণ, বিবেকানন্দের ভূমিকা। ৩. আমেরিকান কাগজ থেকে আরও কিছু সংবাদে সংকলন। (মিসেস বার্কের গ্রন্থ থেকে?)
    25. নর্দাম্পটন ডেইলি হেরাল্ড, ১১-৪-১৮৯৪
    26. উইসকনসিন স্টেট জার্নাল, ২১-১১-৯৩
    27. ডেস মইনস্‌ নিউজ ২৮-১১-৯৩
    28. আওয়া স্টেট রেজিস্ট্রার
    29. সেন্ট লুইস রিপাবলিক ৩১-১০-৯৪
    30. মেমফিস্‌ কমার্শিয়াল ১৩-১-৯৪
    31. অ্যাপীল অ্যাভালেঞ্চ ১৪-১-৯৪
    32. অ্যাপীল অ্যাভালেঞ্চ ১৫-১-৯৪
    33. মেমফিস্‌ কমার্শিয়াল ১৭-১-৯৪
    34. অ্যাপীল অ্যাভালেঞ্চ ১৮-১-৯৪
    35. অ্যাপীল অ্যাভালেঞ্চ ২১-১-৯৪
    36. মেমফিস্‌ কমার্শিয়াল ২১-১-৯৪
    37. ডেট্রয়েট জার্নাল ১৪-২-৯৪
    38. ডেট্রয়েট ফ্রি প্রেস
    39. মেরী ফ্রাঙ্কির স্মৃতি
    40. ফ্রি প্রেস ১৮-২-৯৪
    41. ডেট্রয়েট ট্রিবিউন ১৮-২-৯৪
    42. ডেট্রয়েট নিউজ ২০-২-৯৪
    43. ডেট্রয়েট জার্নাল
    44. মিসেস বাগ্‌লির পত্র
    45. মিসেস ফ্রাঙ্কির স্মৃতি
    46. নর্দাম্পটন ডেইলি হেরাল্ড ১৪-৪-৯৪
    47. নর্দাম্পটন ডেইলি হেরাল্ড ১৬-৪-৯৪
    48. লীন সিটি আইটেম ১৩-৪-৯৪
    49. কনস্ট্যান্স টনির স্মৃতি
    50. মাগভিনা হফম্যানের স্মৃতি
    51. বাল্টিমোর আমেরিকান ১২-১০-৯৪
    52. সানডে হেরাল্ড ১৪-১০-৯৪
    53. ব্রুকলিন স্ট্যান্ডার্ড ইউনিয়ন ৪-২-৯৪
    54. লিয়ন ল্যান্ডসবার্গের স্মৃতি
    এরপরে আরো আছে সাড়ে নয় পাতা জুড়ে ভারতে ইংরেজদের সংবাদপত্রে ছাপা সবিস্ময় প্রশংসার খতিয়ান

    যাইহোক এই অশেষ অতল বিদেশী সংবাদমাধ্যমের বা বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের স্মৃতিকথার স্বীকৃতির কোনোটিই বলা উচিত প্রামাণ্য নয়, যেহেতু আমাদের হাতে তাদের কাটিং নেই, নেই কোনো স্ক্যানড কপি আর মিশনের ধামাধারী ও ভক্তবৃন্দে দেশ বিদেশ পরিকীর্ণ। ফলে যদি বাকি ৫৩টি খবর (এবং আরো অসংখ্য বা বার্ক বা শঙ্করীপ্রসাদ বা অন্যরা খুঁজে পেতে সংকলন করে ওঠেননি) এসব কাগজে ছাপা হয়ে থাকে, আমি মনে করি কোনো এক “হেরাল্ড”এ ওই দু লাইনও ছাপা হয়েছিল।
  • রাজাগোপাল | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:৪৫421559
  • তাই বুঝি আমার লেখা একটা বইও না পড়ে আমাকে 'গর্দভ' বললেন গাম্বাটচূড়ামণি?
  • sm | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:১৫421558
  • এ্যানালিসিস কি চাট্টি খানি কতা,অর্জুন বাবু!কাদা লেপে দেওয়া বরঞ্চ বেশ সোজা কাজ।
    একটি লোক কিছু ভালো কাজ করেছেন,চমৎকার কিছু বাণী দিয়েছেন,একটি নেতিয়ে পড়া যুব সমাজ কে তুলে ধরেছেন।তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কাটা ছেঁড়া না করলেই নয়?
  • abcd | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ২২:৫৫421557
  • Swami Vivekananda: A Reassessment - Narasingha Sil.

    এই বইটার সফটে সন্ধান আছে কারুর কাছে?
  • অর্জুন | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ২২:৪১421556
  • ভক্তি আর শ্রদ্ধার মধ্যে যোজন প্রমাণ তফাত। কারো প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা থাকতেই পারে, সেটা ব্যক্তিগত পছন্দ। কিন্তু অ্যানালিসিস হীন হয়ে পড়লে তা শ্রদ্ধা হয়না, হয়ে যায় ভক্তি বা বলা ভাল অন্ধ ভক্তি। সমালোচনায় একটা ব্যক্তিত্বের ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক ধরা পড়ে। সেটা খুব স্বাস্থ্যকর। স্বয়ং ভগবানও এর থেকে মুক্ত নন।
  • Ekak | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ২২:২৪421555
  • পুরো পপ কাল্চর দান্রিয়ে ভক্তিবাদের ওপর। পাস্চাত্যে ভক্তি নেই ?? ঃ)
  • অর্জুন | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ২২:০১421554
  • আজকের দিনে একটু গান শুনুন।

    বিবেকানন্দ'র গাওয়া রামকৃষ্ণ'র প্রিয় গান।

  • sm | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৫৬421553
  • ভক্তি আর শ্রদ্ধার মধ্যে পার্থক্য আছে।আমার কাছে বিবেকানন্দ ভক্তির সামগ্রী নয়,শ্রদ্ধার জিনিষ।
    ভক্তি মানুষ ভয় পেয়েও করে থাকে।
    বিবেকানন্দ এর চরিত্রের দৃঢ়তা, নেতৃত্ব দেবার ক্ষমতা,পাণ্ডিত্য,বাগ্মিতা,পরোপকারী মনোভাব এগুলো খুব আকৃষ্ট করে।ঈশ্বর বিশ্বাসী বিবেকানন্দ ন য়।কারণ ওরকম ঈশ্বর বিশ্বাসী প্রচুর মানুষ মেলে।
    এবার কেউ যদি বলে, উনি কোন পণ্ডিত ব্যক্তি ছিলেন না,কারণ স্টুডেন্ট লাইফে রেজাল্ট সাধারণ।কিংবা উনি মিথ্যেবাদী,কারণ রাজাগোপাল বলেছে। তখন একটু উষ্মা আসে বই কি!
    ইওরোপীয় দেশে যীশু ভক্তির চেয়েও ধর্মে ভয় ভাব বেশী।
    কারণ প্রচুর জনতা মৃত্যুর আগে কনফেশন করে থাকে।
    আমাদের ভক্তিভাবে একটা চট চটে ভাব আছে, ওদের আছে ভয় জনিত ভক্তি ভাব।
    এই চট চটে ভাবের স্বাদের জন্য কিছু লোক ইসকন, ওশো, মেশো এই সব আখড়ায় ভিড় করে।
  • ? | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৪৩421552
  • Chicago Herald এর আর্কাইভ পাওয়া গেলে বেশি কাজ হবে মনে হয়।
    রাজাগোপালের বই গুগুল বুকস থেকে ফ্রি তে পুরোটাই ডাউনলোড করা যায়।
  • মস্তিষ্ক রি প্রক্ষালন | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৩৯421551
  • মস্তিষ্ক রি প্রক্ষালনএর কি দর্কার আছে? এই ঝামেলাগুলো মাঝেমধ্যে না উঠলে মানুষগুলো ভগবান হয়ে যান, তাতে সাধারন মানুষের ক্ষতি হয় বলেই মনে হয়!

    প্রসঙ্গটা উঠ্ল বলে প্রশ্নটা রেখে যাই - সাধারন মানুষ তো সব জায়্গাতেই সাধারন, পশ্চিম কি পুব! তবে পুবে ভক্তিবাদের এতো প্রাবল্য কেন?
    প্রথাগত ধর্ম খুব বুঝি না, তবে মনে হয়েছে রামকৃষ্ণ চৈতন্য এদের হিসেবে ভক্তি হচ্ছে আধ্যাত্মিকতার সবচেয়ে সোজা রাস্তা, সাধারন মানুষের জন্য উপকারী। হয়ত সত্যি, তবু প্রশ্ন আসে পশ্চিমের যিশুভক্তি কি পূর্বের সর্বগ্রাসি ভক্তির সমতুল?
  • ? | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ২১:২০421550
  • বইয়ের লেখক পরিচিতি থেকে -
    Rajagopal Chattopadhyaya (b. 1957) did his Master’s in Chemistry from I.I.T. Kanpur and his Ph.D. from the University of California, Los Angeles. His scientific work at Bose Institute earned him a mention in the Encyclopedia Britannica Book of the Year, 1996.

    নেট থেকে -
    Rajagopal Chattopadhyaya, Indian biochemist, historian. Grantee, Indian Government, since 1994. Member of International Union of Crystallography.

    Background : Chattopadhyaya, Rajagopal was born on November 20, 1957 in Calcutta, India. Son of Jnantosh and Chhaya Chatterjee.

    Education : Master of Science, Indian Institute of Technology, 1980. Doctor of Philosophy, University California, 1987.

    Career : Teaching assistant University of California at Los Angeles, 1981—1982, research assistant, 1983—1987, postdoctoral fellow, 1987—1988, University California, Berkeley, 1988—1990. Howard Hughes fellow Baylor College of Medicine, Houston, 1990—1993. Lecturer Bose Institute, Calcutta, India, 1993—1996, senior lecturer India, 1996—2001, reader India, 2001—2007, professor, since 2007.

    Achievements: Rajagopal Chattopadhyaya has been listed as a noteworthy biochemist, historian by Marquis Who's Who.

    Membership : Member of International Union of Crystallography.

    Connections : Married Moushumi Mukherjee, December 10, 1982 (deceased April 30, 2006). Children: Rajarshi, Vyasdeb. Married Atasi Pal, June 20, 2007.

    Father: Jnantosh Chatterjee
    Mother: Chhaya Chatterjee
    Spouse: Moushumi Mukherjee
    Spouse: Atasi Pal
    child: Vyasdeb Chattopadhyaya
    child: Rajarshi Chattopadhyaya

    বসু বিজ্ঞান মন্দিরের সাইটের যে পাতা এখন আর নেটে দেখতে পাবেন না -
    Rajagopal Chattopadhyaya
    Professor, Biochemistry
    PhD: Chemistry and Biochemistry Department, University of California, Los Angeles, 1987
    Previous appointments:

    During October 1987 through April 1988, was postdoctoral in the same laboratory under Prof. Richard E Dickerson at UCLA to finish up writing papers.

    During April 1988 through July 1990, postdoctoral at U.C. Berkeley under Prof. Stuart M. Linn, Biochemistry Department, on DNA damage.

    During July 1990 through October 1993, HHMI postdoctoral at Baylor College of Medicine under Prof. Florante A. Quiocho, protein crystallography.

    Research interests:

    This section describes only my current and future research interests being carried out, while the rest is given below in detail.

    The 1.74Å crystal structure of the dietary storage protein, a lectin from Colocasia esculenta was been solved and deposited to the PDB in August 2015 (code 5D5G). Recently, our paper describing that structure is in the press (publication #43). Two more papers are being prepared about the same lectin : one about the biophysical properties and another about the crystal structure of the same lectin when complexed with mannose (PDB ID 5D9Z).

    Efforts are continuing to solve the crystal structure of the transcription-activator protein C1 of bacteriophage P22 in complex with PRE promoter element, which was crystallized and X-ray data collected by Avisek Mondal in 2014 (publication #37 is a preliminary report), by molecular replacement and some progress was made in 2016 by noting the Patterson function. Have to get the R-factor down !

    Contact:

    Address: Department of Biochemistry
    Centenary Campus
    Bose Institute
    P-1/12 C.I.T. Scheme VII-M
    Kolkata - 700054, India
    E-Mail: raja[at]jcbose.ac.in
    Phone: +91-33-25693239
  • S | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ২১:১৫421549
  • "বিবেকানন্দের প্রথম সম্ভাষনে সিস্টারস অ্যান্ড ব্রাদারস অফ অ্যামেরিকা বলার পরে বিশাল অ্যাপ্লাউস হয়েছিল"
    এটা তাহলে প্রমাণিত।

    "After hearing him we feel how foolish it is to send missionaries to this learned nation"
    এই বিষয়ে তিনি যে সেই সময়ে আম্রিগায় বেশ কিছু বক্তৃতা দিয়েছিলেন, সেটা আমিও জানি। কালকেই ঐ আর্কাইভগুলো দেখতে গিয়ে খেয়াল করলাম। এবং সেই বক্তব্যের কিছু সমালোচনাও হয়েছিলো দুয়েকটা কাগজে।

    নিউ ইয়র্ক হেরাল্ড কাগজের আর্কাইভ নিয়ে মনে হয় একটা সমস্যা আছে। আমিও পাইনি।
  • PT | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৯:১৯421548
  • কাউকে গর্দভ বলা উচিত নয় বিশেষতঃ তিনি যখন উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম দশের একজন।
  • অর্জুন | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৭:৪৩421547
  • প্রতিমা পড়ল জলে আর আমি পড়লাম জ্বরে।

    'গুরুচন্ডা৯' র সকলকে শুভ বিজয়ার আন্তরিক শুভেচ্চা ও নমস্কার।
  • sm | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৭:০৩421546
  • রাজা গোপাল নামক গর্দভ কি জীবিত আছেন।তিনি নিজে ভুল স্বীকার করে,দু লাইন না লিখলে এলেবেলে র মস্তিষ্ক রি প্রক্ষালন সম্ভব নয়।
  • ? | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:৩৫421545
  • বড়েস কি বুঝেছেন যে এখন প্রবলেম স্টেটমেন্টটাই পাল্টে গেছে? বিবেকানন্দের প্রথম সম্ভাষনে সিস্টারস অ্যান্ড ব্রাদারস অফ অ্যামেরিকা বলার পরে বিশাল অ্যাপ্লাউস হয়েছিল কিনা সেটা একেবারেই আর আলোচ্য নয়। সেটা কোনো খবরের কাগজে লেখা হলেও হয়েছিল, না হলেও হয়েছিল। কারণ ওয়ার্ল্ডস পার্লামেন্ট অব রিলিজিয়ন এর তরফ থেকে প্রকাশ করা অফিশিয়াল বিবরণী পুস্তক সমূহে এবং মহাসভার রিভিউ পুস্তক সমূহেই এই অ্যপ্লাউসের উল্লেখ রয়েছে।

    ১) The World's Parliament of Religions : an illustrated and popular story of the world's first parliament of religions, held in Chicago in connection with the Columbian Exposition of 1893
    by Barrows, John Henry, 1847-1902 - volume 1, পৃষ্ঠা ১০১,
    https://archive.org/details/worldsparliament01barruoft/page/n128

    ২) Neely's history of The parliament of religions and religious congresses at the World's Columbian exposition - by World's Parliament of Religions, Chicago, 1893; Houghton, Walter R. (Walter Raleigh), 1845-1929 পৃষ্ঠা ৬৪
    https://archive.org/details/cu31924029062664/page/n83

    ৩) Review of the world's religious congresses of the World's congress auxiliary of the World's Columbian exposition. Chicago, 1893 - by Mercer, L. P. (Lewis Pyle), 1847-1906; World's Parliament of Religions (1893 : Chicago, Ill.) পৃষ্ঠা ৪৪, https://archive.org/details/reviewworldsrel00mercgoog/page/n58

    আপনার খুঁজে পাওয়া ২০ ডিসেম্বরের কাগজে এই অ্যপ্লাউসের উল্লেখ করেছেন MAUD MAPLE MILES, Renaissance Woman, Maud D. Mapple (Chariton, Iowa, February 11, 1871 - Wilmette, Illinois, 1944) [married David Anderson Miles] সম্ভবত তিনি আপিশিয়াল বিবরণী থেকেই এক্সট্র্যাক্ট করেছেন, কারণ ভাষার সাযুজ্য।

    সমস্যাটা অন্য একটা কোটেশন নিয়ে। "He is undoubtedly the greatest figure in the Parliament of Religion. After hearing him we feel how foolish it is to send missionaries to this learned nation" এইটা বিবেকানন্দ "দিওয়ানজি সাহেব" (Haridas Viharidas Desai) কে একটি চিঠিতে জানান "Herald (the greatest paper here)" এ বেরিয়েছিল বলে। সেখানে তিনি স্পষ্টই জানান, Please do not publish it. I hate notoriety in the same manner as I did in India.

    কিন্তু, ইন্ডিয়ান মিরর কাগজে ২৭ ডিসেম্বর ত্রিগুণাতীত লিখিত যে চিঠি (To The Editor of The Indian Mirror) প্রকাশিত হয়, তাতে এই দুলাইনের আগে লেখা ছিল, "The New York Herald says :-"
    ত্রিগুণাতীত সেই চিঠি শুরুই করেছেন "extracts from two of the leading American papers, viz., The New York Critique and The New York Herald regarding Vivekananda" উপস্থাপন করার জন্য, যা কিনা তাঁর চিঠিতে, "will, I am sure, prove interesting to your many readers. "

    (কেন গুরুভাইদের তরফে "রামকৃষ্ণের শিষ্য" হিসেবে বিবেকানন্দের সাফল্যকে দেখানোর তাৎক্ষণিক চেষ্টা হয়েছিল, তা শঙ্করীপ্রসাদ বসু দেখানোর চেষ্টা করেছেন, সে আলোচনায় যাচ্ছি না। কিন্তু Please do not publish it লেখার পরেও কীভাবে তা ছাপার অক্ষরে বেরোয় তা বুঝতে ওটুকু পড়ে নিলে ভালো। বিশেষত যেহেতু ত্রিগুণাতীত কথিত নিউ ইয়র্ক ক্রিটিক এর কোটেশন টুকুও বিবেকানন্দের চিঠির বয়ানেরই সমতুল)

    এরপরে হাজার হাজার বইতে লাইনদুটি নিউ ইয়র্ক হেরাল্ডে প্রকাশিত বলে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু দেখলাম অন্তত একটা জায়গায় এটি শিকাগো হেরাল্ডে ছাপা হয়েছিল বলে উল্লিখিত। Encyclopedia of American foreign policy : studies of the principal movements and ideas [3 v. (xii, 1201 p.) ; 29 cm] - Alexander DeConde,
    Publication date 1978
    Publisher New York : Scribner
    Volume 2
    পৃষ্ঠা ৪৩৫
    https://archive.org/details/encyclopediaofam0002unse/page/435
    (এটা লগ ইন করে borrow করে দেখতে পাবেন)
    "But the Chicago Herald probably expressed the predominant sentiment of those who heard Vivekananda's lectures when it wrote,"

    এখন রাজাগোপাল নিউইয়র্ক হেরাল্ডের ঙ্কিছু আর্কাইভ রিপ্রোডিউস করেছেন, যেখানে এই লাইনদুটি তিনি পাননি, কিন্তু ধারাবাহিক মাইক্রোফিল্ম আর্কাইভ যা তিনি অন্য কয়েকটি কাগজের ক্ষেত্রে দেখেছেন বলে জানিয়েছেন, তা নিউ ইয়র্ক হেরাল্ড কাগজের জন্য তিনি দেখতে পেয়েছেন এমন দাবি করেননি। এমনকি শিকাগো হেরাল্ডের আর্কাইভের ক্ষেত্রে তিনি অবশ্য এ ও লিখেছেন বইতে যে, September 22, 23 and 24 : Microfiche was missing the Herald reports of these dates. তিনি এও লিখেছেন রিপোর্টস ইন দি শিকাগো হেরাল্ড ওয়ার দ্য মোস্ট ভলুমিনাস। বিবেকানন্দ চিঠিটি লেখেন ১৫ই নভেম্বর। সুতরাং অন্তত ১৫ই নভেম্বর অবধি সমস্ত কাগজ খুঁটিয়ে দেখা দরকার ছিল। কিন্তু রাজাগোপালের খোঁজ তাঁর বইতে ২২ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর অবধি কাগজের রিপোর্টের পুনরুল্লেখেই শেষ হয়েছে।

    বিবেকানন্দ চিঠিতে মিথ্যে কথা লিখেছেন, নিজে নিজের নামে বানিয়ে কোটেশন লিখেছেন একথা প্রমাণ করতে হলে আমেরিকার যে ক'টি খবরের কাগজের নামে "হেরাল্ড" আছে সব কাগজের ওই ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ নভেম্বর ১৮৯৩ পর্যন্ত দুমাসের আর্কাইভ খুঁটিয়ে দেখতে হবে। সে আজ ১২৬ বছর পরে আর কারো পক্ষে করা সম্ভব বলে মনে হয় না। মজার কথা হল, রাজাগোপাল নিজে ওই দু লাইন খুঁজে পাননি অবধি লিখে ক্ষান্ত দিয়েছেন। কিন্তু ওই যে, রাজা যত বলে পারিষদগণে বলে তার শতগুণ। এই ঢপবাজ, মিথ্যেবাদী, ভ্রান্ত তথ্য এসব তারই ফলশ্রুতি।
  • Kaju | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:২৯421544
  • একটি বালিকাকে ফেবুতে কেউ শুভ বিজয়া বলতে গিয়ে শুভ বিবাহ বলে ফেলেছে কেউ শুনলাম। কীসব লোকজন মাইরি।
  • Kaju | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:২৪421543
  • মোষ কেউ খান নি ক্কেউ না এই গুরুতে?? এ কী করে হয়?
  • অমিত | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ১২:৫২421542
  • ঠাকুরদার খবর তো পাওয়া গেল। কিন্তু আজকাল কি হয়? মোষ বলি এখনো হয় কিনা জানিনা, কিন্তু ক বছর আগেও তো হত।
  • বিবেক | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ১২:০৫421541
  • অ আমাকে নিয়ে আলুচোনা হলে পিটির আপত্তি নেই অথচ দেড়শ দুশো বছর আগের লোকদের নিয়ে আছে? কেন শঙ্কর লেখেননি বলে? ঃ
  • Kaju | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ১২:০৪421540
  • মোষ বলি হত যখন সে কালে মোষ খাবারও লোক ছিল। আমাদের ঠাকুরদাদের ঠাকুরদাদের ঠাকুরদা-রা গোটা একটা মোষ একা খেতেন।
  • Amit | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ১১:৩৬421539
  • আমার এক খান কোশ্নো আছিলো।

    অনেক মন্দিরে বা পুজোতে যে মোষ বলি হয়, বলির পরে সেটার কি গতি হয় ? বলির পাঠা যেমন প্রসাদী করে পেঁয়াজ রসুন ছাড়া রান্না হয়, মোষ গুলো কি সে রকম করে সবাই খায় - ?
  • মণি ভৌমিক | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ১০:৩৭421538
  • ১,২ ও ৩এ আমি সবই গুল মেরেছি। বিবেক ভক্তরা আমার বই পড়ে কেমন দিলুম ভাব দেখায় আর মুড়ি বোদে গিলে রামকৃষ্ণ সাজে।
  • sm | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ১০:৩০421536
  • ন্যাড়া র সঙ্গে একমত নই।আজকের জীবনে মরাল ও স্পিরিচুয়াল প্রোডাক্টিভিটি সবথেকে বেশি ইম্পর্ট্যান্ট।
    ক্যাপিটালিস্ট সমাজ সাধারণ মানুষের উপর একটা মোটা আস্তরণ বিছিয়ে রেখেছে।এই জটিল কুয়াশা থেকে বেরোনোর কোন উপায় ও নেই।মানুষের বোধ বুদ্ধি পর্যন্ত লোপ করে দিয়েছে।
    ধর্মের নামে হানা হানি ও মারামারি দেখে ধর্ম সম্পর্কে মানুষ আতঙ্কিত।বিবেকানন্দ বা চৈতন্য দেবার মত সংস্কারক ই এই আবিলতা দূর করতে পারে।
    সারা পৃথিবীতে মানুষ স্পিরিচুয়াল ও মরালিটি এই দুটো দিক দিয়ে অসুস্থ।
    একটা আমেরিকান ফ্যামিলি ফিজিশিয়ান অর্গানাইজেশন এর বক্তব্য রাখলাম।
    https://www.aafp.org/afp/2001/0101/p89.html
  • lcm | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ০৯:৩৬421535
  • ন্যাড়া,
    ঠিক। কিন্তু, একটা পরাধীন জাত, যে জাতের শিক্ষা-সংস্কৃতি-আচার-পোশাক কোনো কিছুকেই সাহেবের দেশের লোকেরা হিসেবের মধ্যে ধরতেন না - প্রায় ভিখিরির মতন ট্রিটমেন্ট - সেই সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে বিবেকানন্দ একটু জোশ এনেছিলেন, মানছি সেটি জাতীয়তাবাদের জোশ - কিন্তু পরাধীন দেশের লোকেদের ক্ষেত্রে, যাদের আত্মবিশ্বাস থেকে আত্মসম্মান সমস্ত "আত্ম"-ই যখন অবহেলিত - সেটি একটি টোটকার মতন।
  • :-( | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ০৯:৩৪421534
  • বিবেক সেলসম্যানের দল পারলে বিবেকএর গুটাও সোনার গু বলে। ততটা#ভাল#নয় কিছু বললেই সেলসম্যানগুলো তেড়ে আসে। থামাথামির সিনই নেই।
  • ন্যাড়া | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ০৯:২৮421533
  • বিবেকানন্দ ভাল বাগ্মী ছিলেন, এবং অসাধারণ অর্গানাইজার ছিলেন। বাকিটা আনপ্রোডাক্টিভ। বিশেষতঃ আজকের বিচারে, যেখানে মরাল ও স্পিরিচুয়াল প্রোডাক্টিভিটির দাম নেই।
  • PT | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ০৯:২৭421532
  • গত এক দশকে কলকাতার রাস্তাঘাটে যত মূর্তি খাড়া করা হয়েছে আর বাসস্ট্যান্ডগুলোতে যত ছবি লটকানো হয়েছে সেগুলোর বেশীরভাগই প্রায় দেড়শ-দুশো বছরের পুরনো মানুষজনের। কাজেই বিবেকানন্দ যে বাঙালীর আলোচ্য বিষয় হয়েই থাকবেন তাতে আর আশ্চর্য কি?
  • lcm | ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ০৯:২১421531
  • অ্যাকচুয়ালি, ওই একটা ছোট্ট বক্তৃতা দিয়ে বিবেকানন্দর ক্যালি বিচার করাটা চেষ্টাটা শুধু ভুলই নয়, তাঁর ওপর কিছুটা অবিচারও। জনগণের দাবীতে ঐ সম্মেলনে পরের দুদিন আরও দুটো বক্তৃতা দেন বিবেকানন্দ। কিন্তু সেগুলো মূল ব্যাপার নয়। কটা লোক হাততালি দিয়েছিল, কটা লোক হয়েছিল, কাগজে ক লাইন ছেপেছিল, কে কি বলেছিল - এসবের জন্য বিবেকানন্দ বিখ্যাত হন নি।
    বিবেকানন্দ যা করেছিলেন সেটি দেশে, আমেরিকায় নয়। কিন্তু আমরা চাই গপ্পো, হিরো-সুলভ গপ্পো, বেতাল বা টারজানের মতন ক্যালির গপ্পো - ঝড়ের রাতে দুরন্ত দামোদরে বিদ্যাসাগরের সাঁতার কাটার গপ্পো, সিনেমার স্পাইদের মতন নেতাজীর ছদ্মবেশে বৃটিশদের পুলিশের চোখে ধুলো দেবার গপ্পো - -- এইসব।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত