এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:৪৯420540
  • শ্যাল শব্দটা তো কতদিন হল শুনিইনি। এমনিতেই ফিউচার টেন্স নেই, থাকলেও সবই উইলে চলছে।

    আর আম্রিগাতে আরেকটা ব্যাপার হল এরা সবেতেই গুড ব্যবহার করে। আই অ্যাম ডুয়িঙ্গ গুড বা শুধু আই অ্যাম গুড। দ্য সিলেবাস লুক্স গুড। ডু ইউ লাইক দ্য মিউজিক? ইয়েস ইটস গুড। ডু ইউ নীড এনি মোর রাইস। আই অ্যাম গুড, থ্যান্ক্স। ইয়েস, নো, ভেরি গুড দিয়ে সত্যিই কাজ চালিয়ে দেওয়া যাচ্ছে।
  • ♪♪ | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:৪৮420539
  • একটা জিনিস গুরুতে এতবার বামি ইমি তক্কের পরও বুঝিনি। যেখানে গাদাকোটি ছেলেমেয়ে তিনমাস ছমাসের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স করে হাজার হাজার কলসেন্টার কাঁপিয়ে করেকম্মে খাচ্ছে, দেশবিদেশের সাহেবসুবো চমকাচ্ছে, সেখানে শিশুকালে পাঁচ ছ বছর ইংরিজি না-পড়ার হীনমন্যতা আর স্কুলজীবনের ক্লাসমেটদের সাথে ইংরিজিতে বাতেলা দিতে না পাড়ার গ্লানি কিছু লোককে সারাজীবন তাড়া করে বেড়ায় কেন? মাসকয়েকের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স করতে কি তাদের ইগোতে এত বেশি লাগে? ইংরিজি গ্রামার শিখে
    শব্দ বুঝে লিখতে তো বামির ততখানি অসুবিধে হয় না। হ্যাভক কিছু ইংরিজি চর্চা ঘরে বাইরে বুলিবাহুল্য, খবরের কাগজ, গল্পের বই, গান সিনেমা না শুনে দেখেও স্রেফ ডিকশনারি আর গ্রামার বইয়ের কল্যানেই যে তা হয়, নিজেকে দিয়েই বুঝি। যাবতীয় হায়ার স্টাডিতেও কোথাও আটকায় না। শুধু সমস্যা স্পোকেন ইংলিশের। যা কিনা আদতে কয়েক মাসের অভ্যাস!

    ছেলেমেয়েকে ইংরিজি মিডিয়ামে দেওয়ার গল্পটা কিন্তু অন্য। আমি যদিও এখনো দিইনি, কিন্তু জানি সমস্যাটা সহপাঠীদের আর্থসামাজিক অবস্থান আর সরকারী স্কুলের আনুষাঙ্গিক পরিকাঠামো ছাড়া অন্য কিছু মূলত নয়। আমরা যে স্যোশাল স্ট্যাটাসে এখন আছি, আমাদের ছোটবেলায় আমাদের বাবামায়েরা সেখানে ছিলেন না। এটা আগে অ্যাডমিট করতে হবে তো!
  • | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:৪৭420538
  • ও আর এই ২০১৩-১৪ নাগাদ একটা ছোটমোট প্রোগ্রাম (৬ -৭ টা প্রোজেক্ট ছিল ওটায়) আমরা নামিয়ে দিয়েছিলাম একবর্ণও ফ্রেঞ্চ না জেনে। ক্লায়েন্টের তরফে একটিমাত্র লোক ইংরিজি জানতেন। তিনিই যাবতীয় কনকল অ্যাটেন্ড করতেন। টেক টিমের থেকে সমস্ত ইমেল ফ্রেঞ্চে আসত আমরা গুগল ট্র‍্যান্সলেটার চালিয়ে পড়তাম। না বুঝলে সেই একজন ভরসা।

    তো অই আর কি আমাদের ইঞ্জিরি জ্ঞান কিস্যু কাজে আসে নি।
  • | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:৩৮420537
  • ধুস বিষয় না জানলে সেরেফ ইংরিজির জন্য চাকরি হয় না। আজ প্রায় তেরো চোদ্দ বছর হল অন এবং অফ ক্যাম্পাস ইন্টার্ভিউ নিচ্ছি। প্রথম যখন ইন্টারভিউ নিতে যেতাম সিনিয়ার প্রো-ম্যা বলেই দিতেন - দেখো এইচ আর কিছু ফটর ফটর কথা বলা ছেলেমেয়ে নিয়ে নিতে জোর করবে। কান দেবে না, যদি দেখো ঠিক করে ইংরিজিতে বলতে পারছে না তাহলে কাগজ পেন্সিল ধরিয়ে দিয়ে কোড লিখতে বলবে। আর এটা কোন একজন লোক বা একটা কোম্পানির গল্প নয়। আমি একাধিক কোম্পানিতে বিভিন্ন লোকের থেকে মোটামুটি এরকমই গাইডেন্স পেয়েছি। এখন নিজে দিই অন্যকে এই একই নীতি অনুসরণ করে।
  • Ela | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:২৭420536
  • প্যাসিভ ভয়েস কিন্তু ভুল কমিউনিকেশন টেকনিক হিসেবে কেটে দেওয়া হয়, তার সাথে ভাষার খুব একটা যোগ নেই। কাজের পরিভাষায় বলতে গেলে, প্রুফরিডার কাটবেন না, কিন্তু কপি এডিটর কেটে দেবেন। মানে ভাষা সোজা হচ্ছে না বলে কমিউনিকেশন টেকনিক পাল্টাচ্ছে বলুন।
  • এলেবেলে | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:২০420534
  • @বড়েস, বামি-র ইংরেজিতে এত বাংলা-বাংলা গন্ধ ছিল আগে যে ফিউচার টেন্স বলে একটি বস্তুর আমদানি হয়েছিল। ওটা আদতে নেই, লিঙ্গুইসটিকস পড়তে গিয়ে প্রথম ওটা জেনেছিলাম এবং ব্যাপক চমকে গিয়েছিলাম। আদতে মোডালকে ফিউচার টেন্সের মোড়ক পড়ানো হয়েছে এতদিন। সিম্পল ইংলিশই সেরা ইংলিশ, আগে শিক্ষকরা গুচ্ছের ফ্রেজ-ইডিয়ম ঢুকিয়ে দিতে বলতেন! আর হ্যাঁ, পাস্ট পারফেক্ট আজকাল পুরো বাতিলের দলে।
  • Ela | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:২০420535
  • আটোজ, ঘোষ/বোস/গুহ/মিত্তির কুলের অধিকারী, অভিমানে বালির দত্ত যান গড়াগড়ি!

    এতদিন অবধি জানতে পারলাম না শুধু বালির দত্ত কেন, আর অন্য দত্তরা কেন নয়?!

    আর মুখুজ্যে কুটিল অতি… ওটাও জানেন নিশ্চয়ই ঃ)
  • এলেবেলে | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:১৬420533
  • //এলেবেলে,আপনি ইংলিশ টিচার এর এস এস সি পরীক্ষায় মার্কস ডিস্ট্রিবিউশন কেমন থাকে লিখুন।
    কতো জন ইমি ও বা মি পরীক্ষায় এপিয়ার করে সংখ্যায় লিখুন।
    তিন শতকরা কতো শতাংশ বা মি থেকে ইংলিশ টিচার হয় জানিয়ে লিখুন।
    এ পর্যন্ত একটা তথ্য দিই নি যেটা ভ্রান্ত।//

    জ্যোতি বোস প্রাথমিকে ইংরেজি হটানোর মূল পাণ্ডা সেই তথ্যটা তো দেখি এখনও আউড়ে চলেন!

    ১) ইংলিশ টিচার এর এস এস সি পরীক্ষায় মার্কস ডিস্ট্রিবিউশন কিচ্ছু আলাদা নয়। একটা পরীক্ষা আর অ্যাকাডেমিক কোয়ালিফিকেশন অনুযায়ী নম্বর। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে ইমির শিক্ষকরা পিছিয়ে যান। বেশিরভাগই গ্র্যাজুয়েট, কতিপয়ের অনার্স। বি এড নেই। ইংরেজি কী লেখেন তা বাচ্চাদের খাতা কারেকশনের নমুনা দেখলে মালুম হয়।

    ২) কতজন অ্যাপিয়ার করেন তা বলতে পারব না তবে ইমির বেতনের চেয়ে বামির বেতন ও চাকরিজনিত নিরাপত্তা যে একশোগুণ বেশি সেটা তাঁরা জানেন।

    ৩) এক শতাংশ-ও হন না।
  • S | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:১৫420532
  • এলেবেলে, আমি কিন্তু বামির ছাত্র হয়েও কলেজে পড়ার সময় বেশ কিছু ইংরেজি থ্রিলার টিলার পড়েছিলাম। হোঁচট খাইনি একটুও। এখন সাহিত্য বলতে যদি একমাত্র ভিক্টোরিয়ান যুগের বঙ্কিমী লেখাপত্তর হয়, তাইলে মুশকিল। আর পরীক্ষা অন্য জিনিস, ওটি থাকলে আপনি কোনোদিনও কোনো বিষয়ের রসই আস্বাদন করতে পারবেন না।

    আর ইংরেজি তো এখন পুরোপুরি বদলে গেছে। অনেক সোজা হয়ে গেছে। ফিউচার টেন্স ব্যাপারটাই তো প্রায় তুলে দিয়েছে। প্যাসিভ ভয়েস ডিসকারেজ করা হয়, এডিটররা কেটে দেয়। মেট্রো রেলের ডোর্স আর ক্লোজিং সঠিক ইংরেজি ধরা হচ্ছে। সব নাউনকেই ভার্ভে পরিণত করে দেওয়া হচ্ছে। ছোটো বাক্য লিখতে বলছে।
  • এলেবেলে | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:১০420531
  • ৯০ শতাংশকে আমরা প্রথমেই এলিমিনেট করি তাদের অভিভাবকদের আর্থ-সামাজিক কারণে, বাড়িতে দেখাতে পারবেন না বলে নয়। আসলে আমাদের এবং আমদের শিক্ষাব্যবস্থার মাথাব্যথা ওই ক্রিমি দশ শতাংশ নিয়ে। বাকিরা উচ্ছন্নে যাক। সোজা কথা সোজা ভাষায় বলুন।
  • র২হ | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:০৯420529
  • কথা বলা দরকারী তো বটেই, তবে বলবে কে? শিক্ষকরাও অনেকেই পারবেন না। সেটা তাঁদের দোষও নয় ঠিক।
  • sm | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:০৯420530
  • এলেবেলে,আপনি ইংলিশ টিচার এর এস এস সি পরীক্ষায় মার্কস ডিস্ট্রিবিউশন কেমন থাকে লিখুন।
    কতো জন ইমি ও বা মি পরীক্ষায় এপিয়ার করে সংখ্যায় লিখুন।
    তিন শতকরা কতো শতাংশ বা মি থেকে ইংলিশ টিচার হয় জানিয়ে লিখুন।
    এ পর্যন্ত একটা তথ্য দিই নি যেটা ভ্রান্ত।
  • এলেবেলে | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:০৮420528
  • @বড়েস, প্রণয় রায়ের সময় আপনার ইস্কুল বয়স? অদ্য হইতে বুঝিলাম আমি বৃদ্ধ হইয়াছি!!
  • র২হ | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:০৭420527
  • ‘বাড়ীতে দেখানোর সুযোগ না থাকলে ই মি এর দ্বারা রুদ্ধ!অর্থাৎ আমি প্রথম ধাক্কাতেই নব্বই শতাংশ কে এলিমিনেট করে দিলাম।এবার আমায় রোখে কার সাধ্য!’ - না, এটা মানে নয়।

    শিক্ষাব্যবস্থা এমন হোক যে বাড়িতে দেখানোর দরকার পড়বে না। তবে সে আবার অন্য কথা।
  • S | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:০৩420526
  • আমি ইস্কুল বয়সে ইংরেজি শোনা আয়ত্ত করেছিলাম রোজ প্রণয় রায়ের টুনাইট দেখে। রোজই দেখতাম। কিন্তু তেমন বেশি কিছু বুঝতামই না। ঐ কিছু কমন ওয়ার্ডস আর ভিডিও আর ক্যাপশানিং দেখে যেটুকু বোঝা যায় আরকি। একদিন ঠিক করেছিলাম যে আজ বুঝবই কি বলছে, তারপর কয়েকদিন পর দেখলাম সবই বুঝতে পারছি।

    ইংরেজি বলার জন্য অভ্যাস লাগে। সেটা না থাকলে যে কেউ বলতে ভুলে যাবে। মাতৃভাষা আলাদা ব্যাপার, বাকি যেকোনও ভাষাতেই এটি ঘটবে।
  • avi | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:০১420524
  • বামির হাতের দীপের নিভে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া - এসব তো হবারই ছিল। ইমিই জিতবে শেষ অব্দি। :))
    ভালো কথা, নিজের বিষয়ে বক্তব্য রাখতে হলে যে ভাষায় সেটি পড়াশোনা হয়েছে, তাতে গড়গড় করে বলে যাওয়া যায়, অন্য ভাষা ব্যবহারে বিপত্তি আসে। আমি স্কুল জীবনে বামি ছিলাম, এখন যা করে খাই সেটি তো ইংরেজিতে শেখা, তো সেই বিষয়ে কিছু বাংলায় বলতে গেলে জনসমক্ষে দেখি রীতিমতো উদ্বেগ তৈরি হয়, হোঁচট খাই। অথচ বাংলা শব্দভাণ্ডারে বা বলার স্বাচ্ছন্দ্যে কোনো ঘাটতি থাকার প্রশ্ন নেই। এবং হোঁচট যে শুধু পরিভাষার ক্ষেত্রে খাই তাও নয়।
  • sm | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:০১420525
  • সঠিক যুক্তি।আমি আমার সন্তান কে ই মি তে পড়াবো।কিন্তু দ্বিতীয় বাক্য টি বুঝতে নারলাম।
    বাড়ীতে দেখিয়ে দেওয়া মানে কি?
    বাড়ীতে দেখানোর সুযোগ না থাকলে ই মি এর দ্বারা রুদ্ধ!অর্থাৎ আমি প্রথম ধাক্কাতেই নব্বই শতাংশ কে এলিমিনেট করে দিলাম।এবার আমায় রোখে কার সাধ্য!
    বস্তুত, দোষটা প্রচুর পরিমাণে টিচার দের।
    আমার সময়ে দেখেছি বা মির শিক্ষকরা পুরো ইংলিশ ক্লাশ বাংলায় নিতেন। ওনারা মূলত একটি পোয়েট্রি র বঙ্গানুবাদ করতেন।কিছু নোটস দিতেন।ও কিছু প্রশ্ন দিতেন। যার উত্তর মানে বই থেকে দেওয়া যায়।
    ইংলিশে কোন কনভার্সেশন ই চলতো না।
    ইংলিশ আমাদের দেশে সাফল্যের চাবি কাঠি।সৌরভ ও ম্যাচ শেষে ইন্টারভিউ দেবে, দিন্দাও দেবে।কাউকে ছোট করছি না।কিন্তু একজনের গ্রহণযোগ্যতা ভাষার জন্যই বেড়ে যায়।
    এর আগে একবার লিঙ্ক দিয়েছিলাম, রিজিওনাল ল্যাঙ্গু়েএজ এ পরীক্ষা দিয়ে কেউ কেউ আই আই টি তে পাঠ্যক্রম ফলো করতে পারছে না।
    এদেশে এখনও পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপ হয় ইংলিশে,চাকরীর ইন্টারভিউ হয় ইংলিশে, জাজ রায় দেন পর্যন্ত ইংলিশে।
  • এলেবেলে | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১:৫৯420523
  • @বড়েস লিখেছেন, //কিন্তু ইংরেজি সাহিত্যরস গ্রহণ করার জন্য যেটুকু ইংরেজি দরকার সেটা তো উচ্চমাধ্যমিকেই শেখানো হয়।//। হায়! তাই যদি হত!!

    আমাদের উমা-র সময় স্টিফেন লিকক, কিটস এসব পড়তে হত। ওরে বাবা, অনার্সে গিয়ে দেখি যাচ্ছেতাই কাণ্ড! ডান, শেরিডান, হার্ডি, ডিকেন্স, শ, ব্রাউনিং, শেক্ষপীর, সাহিত্যের ইতিহাস, ভাষাতত্ত্ব, মার্লো, ইয়েটস, এলিয়ট - সব মিলিয়ে জগঝম্প ব্যাপার। মাস্টার্সে আরও কেলো। ইংরেজি তো রইলই সঙ্গে জুড়ে গেল টলস্টয়-টমাস মান-বোদলেয়ার-র‍্যাঁবো-রিলকে-হুইটম্যান-ফ্রস্ট প্লাস চূড়ান্ত বোরিং প্লেটো-অ্যারিস্টটল। পাশ করেছিলাম কীভাবে মনে করলে গায়ে কাঁটা দেয় মাইরি!!

    @এসেম, ইদানীং আপনার সঙ্গে তক্কে জড়াই না কারণ আপনি রেফারেন্সহীন ভাবে অজস্র আপ্তবাক্য আউড়ে চলেন। //ইমি তে পড়ে কেন স্কুল টিচার এর চাকরী পান না।
    সহজ উত্তর,অধিকাংশ জনতা অন্যান্য প্রফেশনে জ করে, টেট পরীক্ষা অনেক টা বা মি র সিলেবাস অনুযায়ী হয়,তিন এখনও সামগ্রিক ভাবে বা মি র স্টুডেন্ট সংখ্যা অনেক বেশি।// হেহে, ইংরেজির পোস্টগুলোতে তো তাঁদের চাকরি বাঁধা থাকার কথা। তাঁদের মানে যাঁরা ইমিতে পড়ান-টড়ান। পান না কেন?

    //বাস্তবে যা দেখা যায়,ইমি তে পড়লে কনফিডেন্স বাড়ে অন্তত ইংলিশ কথোপকথন এ।
    তাই এরা চাকরীর ক্ষেত্রে এগিয়েও থাকে।// শুধু ইংরেজিতে চোস্ত কথাবার্তা বলে চাকরি বাগিয়েছেন এমন পরিসংখ্যান আপনার কাছে আছে? মানে ইংরেজি বলতে পারলেই চাকরি, আর কিছুই লাগবে না? ইমি-তে যারা গাড্ডু মারে তারা কমা ইমিতে যায় সেটা জানেন তো? তারাও অন্যান্য প্রফেশনে জয়েন করে বুঝি? সব ইমি ইমি নয়, কেউ কেউ ইমি। তাদের আলোয় বাকি ইমিগুলো উদ্ভাসিত হয়।
  • Atoz | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১:৫৪420522
  • জ্যোতি বোস নন্দ ঘোষ --- লক্ষ করুন, মিলটা লক্ষ করুন। ঃ-)
  • র২হ | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১:৪২420521
  • ছোটবেলা থেকে বাংলা শুনে বলে পড়ে আর্ধেক লোক বাংলাটাই দু লাইন শুদ্ধ লিখতে পারে না (এখানে কারো কথা বলছি না, কেউ আবার আপন হৃদয়ে না নিয়ে নেয়), বলতে গেলে আবার কিবোর্ডে ৎ নেই থেকে কামচাটকায় মেঘ করেছে পর্যন্ত হাজার অজুহাত, ওদিকে ইংরেজী নাকি ক্লাস ফাইভের দোষ।
    আমি ত্রিপুরা, ক্লাস ওয়ান থেকে ইং, সবাই দিগগজ হয়ে গেছে তেমন দেখিনি (নিজেও হইনি, তবে সে বললে লোকে মাৎ মাৎ করে বলবে তুমি তো পড়াশুনোই করনি, কী করে হবে)।

    আর নিজের ছানা ইমি আর পরের বাংলা, ব্যাপারটা ঠিক তেমন না। হ্যাঁ, আমি আমার মেয়েকে ইংরেজী মিডিয়ামেই পড়াবো। একই সঙ্গে চাইবো যে বাচ্চাটা প্রথম প্রজন্মের পড়ুয়া, বাড়িতে দেখিয়ে দেওয়ার কেউ নেই, সে যেন ইংরেজীর গুঁতোয় প্রাথমিকেই স্কুলছুট না হয়ে যায়।
    এই দুটি বিষয় পরস্পরবিরোধি তো নয়।

    বাকি জ্যোতিবাবুর কথা জানি না। তবে লক্ষ্য করি যাঁরা বলেন জ্যোতিবাবু ইংরেজী বা কম্পিউটার তাড়াননি, তাঁরা কিছু লিংক রেফারেন্স সেসব দেন। অন্য পক্ষ খালি বলেন সবাই জানে জ্যোতিবাবুর দোষ, তথ্য আবার কী।
    সে যাগ্গে, আমার কিছু যায় আসে না তাতে।
  • Atoz | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১:৩১420520
  • সিনেমা দেখে দেখে খুবই ভালো ভাষা শেখা যায় শুনেছি। হিন্দির ক্ষেত্রে অনেকে বলতেন হিন্দি সিনেমা দেখে দেখেই নাকি ভাষা শিখে ফেলেছেন দুর্দান্ত। বাংলা সিরিয়াল দেখে যদি বিদেশীরা বাংলা শেখেন, একটা চিত্তশিহরণকারী কান্ড হবে। ঃ-) ইংরেজী সিনেমা আর খবর ইত্যাদি মন দিয়ে দেখতেন এক চাইনিজ ভদ্রমহিলা, ইংরেজী শিখতেন ওভাবে (তাই দাবী করতেন)। কিন্তু আমি চাইনিজ সিনেমা দেখার চেষ্টা করেছিলাম একবার, সাবটাইটেল পড়তে পড়তেই কাল কেটে গেল, ভাষাটা শোনাই হল না। তবে বারে বারে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখলে কাজ হতে পারে মনে হয়। তামিল ভাষার ক্ষেত্রেও কাজ হতে পারে বলে মনে হয়।
  • Atoz | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১:১৭420519
  • আরে এলা, ঘোষ বোস গুহ মিত্র। কুলীন কায়স্থ। ঐ মন্দার বোসও যা, মন্দার মিত্রও তা। হিমানীশবাবু থাকলে বলতেন, কুলীনে কুলীনে কোলাকুলি। ঃ-)
  • Atoz | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১:১২420518
  • মাইল!!!!! আবিষ্কার!!!!! বিদ্যাসাগর!!!!!! ওরে বাবা!!!!!!!!
  • S | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২০:৪৯420517
  • কিন্তু ইংরেজি সাহিত্যরস গ্রহণ করার জন্য যেটুকু ইংরেজি দরকার সেটা তো উচ্চমাধ্যমিকেই শেখানো হয়। মানে কলেজে পড়ার সময় ইংরেজি বইটই পড়ে (সিলেবাসে বাইরের) তো কখনই অসুবিধে হয়নি।
  • PT | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৯:১৭420516
  • @এলেবেলে
    অম্মো তাই বলেই চলেছি। আর আমার যৎসামান্য জার্মান ও সুইডিশ শেখার অভিজ্ঞতা আছে। সেই শেখানোর ধরণটাই আলাদা। অনভ্যাশে এখন বিদ্যানাশ হয়েছে। কিন্তু শেখানোর পদ্ধতি যেরকম তাতে এদেশে ইংরিজি শেখাতে খুব বেশী হলে দু বছর লাগার কথা।
  • sm | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৮:৫০420515
  • #পড়ানো
  • sm | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৮:৪৯420514
  • ইমি ও বামির আলোচনার এই এক আদি অনন্ত সমিস্যে।আমি বা মি তে পড়েছি কিন্তু আমার বিশেষ অসুবিধে হয় নি।
    ওদিকে পোড়ানোর সময় ছেলে মেয়েদের ইমি তে ঢুকিয়ে দিচ্ছি।
    দু এক ব্যতিক্রমী নিশ্চয় আছেন।
    তাঁদের ধরছি না।
    দুই,ইমি তে পড়ে কেন স্কুল টিচার এর চাকরী পান না।
    সহজ উত্তর,অধিকাংশ জনতা অন্যান্য প্রফেশনে জ করে, টেট পরীক্ষা অনেক টা বা মি র সিলেবাস অনুযায়ী হয়,তিন এখনও সামগ্রিক ভাবে বা মি র স্টুডেন্ট সংখ্যা অনেক বেশি।
    ঠিক যেমন আই আই টি, বা নিট পরীক্ষায় বা মি র সাফল্য দেখলে চোখ কপালে উঠে যাবে। এতো সংখ্যক স্টুডেন্ট এপিয়ার করে এতো কম সাফল্য।
    তিন,বাচ্চা বয়েসেই ভিন্ন ভাষা সবচে ভালো শেখা যায়।৩-৪ বছরের বাচ্চারা টিভি ও মোবাইলে কার্টুন দেখে ইংরিজিতে ভাঙ্গা ভাঙ্গা বার্তালাপ চালিয়ে দিতে পারে।সর্বোপরি একসেন্ট টা অনেক নিখুঁত হয়।
    ক্লাশ ওয়ান থেকে ইংলিশ ইমি তে পড়ানো হয়।তারা কিন্তু গবেট তৈরী হয় না।
    আর ক্লাশ সিক্স থেকে ইংলিশ শিখে কেউ ইংলিশে পারঙ্গম হয়ে
    ওঠেনা।বাস্তবে যা দেখা যায়,ইমি তে পড়লে কনফিডেন্স বাড়ে অন্তত ইংলিশ কথোপকথন এ।
    তাই এরা চাকরীর ক্ষেত্রে এগিয়েও থাকে।
    কিছু বা মি র লোকজন সেমিনারে বলতে গিয়ে যা ছড়ায়,তাতে বাংলায় বলতে দিলে নি :সন্দেহে অনেক বেটার পারফর্ম করতো।কিন্তু তা তো হবার নয়।
  • Kaju | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৮:৩১420513
  • এটা ঠিক যে মাথায় বক্তব্য গোছানো না থাকলে বাংলা-তেও ঠিকমত বোঝানো যায় না। থাকলে ইংরিজিতেও ভালোই যায়। তবে ভোকাবুলারি একটা কনসার্ন তো বটেই, মনের ওপর দিকে থাকতেই হবে। তখন এটার সিনোনিম মনে পড়ছে না এইটা এক সেকেন্ড হলেও গাঁইগুই হয়ে যাসসেতাই হয়। ওই আঁ উঁ এড়িয়ে চলাটাই ইঞ্জিরি বলার আর্ট। বলার সময় একই ওয়ার্ড বারবার এলে খুব শ্রুতিকটু।
  • এলেবেলে | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৮:২৪420512
  • @কাজু, আমি ইঞ্জিরি পড়াই মানে ইঞ্জিরির বিষয়ে সবজান্তা - এমনটা ভাববেন না দয়া করে। আমরা আদতে পড়েছি ইংরেজি ও ইউরোপীয় সাহিত্য, পড়াচ্ছি ভাষা। কাজেই আমাদের দশা বুঝতেই পারছেন!

    আমার প্রেসক্রিপশন --- মাথায় বক্তব্যটা একেবারে গুছিয়ে নিন, পরিচিত শব্দ ব্যবহার করুন। শশী থারুর হতে চাইবেন না। পারলে যে শব্দগুলোতে আপনার খামতি আছে তার জন্য একাধিক শব্দের তালিকা আগে থাকতেই তৈরি করে নিন। তবে বাংলিশ শুধু নয়, হিন্দি বলার ক্ষেত্রেও আমরা হিংলিশ বলি তো। ভাষা আসলে এক্সপোজারের ব্যাপার। যত এক্সপোজারের মুখোমুখি হবেন, তত সমস্যা কমবে। ছাত্রাবস্থায় ক্লাসে মানে অনার্স-মাস্টার্সে বাংলা আমরা কেউই বলতাম না স্যারদের প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে। এখন সে অভ্যাস চলে গেছে। এই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই বললাম আর কি।
  • Kaju | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৮:১৬420511
  • এলেবেলেদা প্রশ্নটা হল - ইঞ্জিরি বলতে গিয়ে বক্তব্যটা যে বাংলায় ভাবি আর শব্দের ঠিক সিনোনিম-টা ঠিক জায়গায় অ্যাপ্লাই করতে যে বাংলিশ বলি সেগুলোকে টপ অব দ্য মাইন্ডে রাখার জন্যে (কারণ যত বেশি অ্যাপ্লাই করা যায় তত বেশি মনে থাকে কোনো সেখা) - এই প্রক্রিয়া কি ঠিক? যাদি না হয়, তবে কী করলে ভালো?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত