এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৪:০৪420390
  • এই চীনা+ইন্ডিয়ান ডায়াস্পোরা বোধয় আম্রিগার প্রথম মেজর ইমিগ্র্যান্ট যারা আম্রিগাতে ঠিকমতন মিশতে পারেনি। আম্রিগার মেল্টিং পটের আইডিয়া ভেঙে পড়েছে। এরা দেখিয়েছে যে মেইনস্ট্রীমে থেকেও কিভাবে নিজেদের আইডেন্টিটি রাখা যায়। তার একটা কারণ এরা সকলেই খুব স্ট্রঙ্গ আর ডিস্টিনক্ট কালচার/সিভিলাইজেশান থেকে এসেছে। দুই, এরা প্রথম জেনারেশনেই মারাত্মক সাকসেসফুল।
  • অর্জুন | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:৫৭420389
  • আমি পলিটিক্স বুঝিনা তাই ওটা বললাম। ব্যুরোক্রেসি তো সব শেষ করে দেয়। তবে ওবামার ফোর ফ্রন্টে উঠে আসা মার্টিন কিংয়ের রাজনীতিই সম্ভব করেছে।

    @S America র Asian history বোধহয় এখন সবচেয়ে ইম্পরট্যান্ট। গত ৫০ বছর এই diaspora টা main stream Americaয় খুব উল্লেখযোগ্য।
  • S | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:৪৯420388
  • ওবামার পক্ষে ডঃ কিঙ্গের নাম বেশিবার নেওয়া মুশকিল। সবাই বলবে রেস কার্ড খেলছে। সেটা অবশ্যি কবীর সুমনের পক্ষে বোঝা মুশকিল। আর তিনি এখনও নোয়াম চমস্কিতেই পড়ে আছেন? বোঝো।
  • অর্জুন | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:৪৫420387
  • কবীর সুমন সেদিন একটা ট্র্যাভেল শো'তে খুব সুন্দর বললেন No one talks about this America. America of Noam Chomsky, Maya Angelou, Toni Morrison, Allen Ginsberg.

    Martin Luther KIng Jr.ও এখন অ্যামেরিকান পলিটিক্সে ফসিল হয়ে গেছেন। Obama hardly refereed his name.
  • S | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:৪২420386
  • আমার তো এইমুহুর্তে খেয়াল নেই। ১৮৬০ নাগাদ হবে বোধয়। যতদুর শুনেছিলাম চীনা শ্রমিকদের ব্যবহার করা হয়েছিলো সবথেকে ডিফিকাল্ট টেরেইনে রেইল লাইন পোঁতার কাজে। ওদের জন্যই রেইলে ইস্ট ওয়েস্ট লিন্ক হয়েছে। আগে একটা চাইনিজ চার্চে যেতাম, ওখানেই শুনেছিলাম।
  • অর্জুন | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:৪১420385
  • @Icm তথ্যের জন্যে ধন্যবাদ। যাদের নামোল্লেখ করলেন তাঁদের সকলের বিষয়েই অল্প, স্বল্প জানি, রবীন্দ্রনাথকে মার্ডার করার পরিকল্পনাটাও। ইণ্ডো- অ্যামেরিকান ইতিহাস নিয়ে কাজ হপচ্ছে। শিখদের একটা কমিউনিটি বহুকাল অ্যামেরিকায়। বাঙালীদের মধ্যে Bose Corporation র প্রতিষ্ঠাতা- কর্ণধার অমর গোপাল বসুর বাবা ননীগোপাল বসুও ১৯২০ তে জাহাজে খালাশি সেজে বোস্টনে আসেন। ওঁকে উদ্ধার করে আশ্রয় দিয়েছিল বন্ধু তারকনাথ দাস। ননীগোপালের কাছে কোনো পরিচয় ছিল না। বন্ধু তারকনাথ তাঁকে পোর্টে ছাড়িয়ে আনে নিজের কাজিন বলে। তারকনাথ এইরকম বেশ কিছু বিপ্লবীকে অ্যামেরিকায় নিয়ে এসেছিল এবং আশ্রয় দিয়েছিল। তারকনাথ দেশে বিপ্লবীদেরও অর্থ সাহায্য করতেন। তারকনাথ দাস ফাউণ্ডেশন এখন গবেষণার জন্যে টাকা দেয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে।
  • sm | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:৪০420384
  • b,,বোধ হয় ভুল করছেন।কংগ্রেস আমলেই বিষ্ঠা ক্যারি উঠে গেছে।
  • S | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:৩৪420381
  • আম্রিগায় চাইনিজদের প্রথম মাস মাইগ্রেশান হয়েছিলো রেইলরোডে কাজ করার সময়।
  • | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:৩২420380
  • চাইনিজ দের প্রথম ইমিগ্রেশন কলকাতা তে ১৮৯০ থেকে ১৯২০, হংকং আর সাংহাই থেকে। কিন্তু কেন ঐ সময়্টাতেই জানি না, আর ঐ সময় টাতেই ওয়েস্টেও কেন তাও জানি না। লসাগুর লেখা পড়লে জানতে পারবো, গুড গুড।

  • | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:৩১420379
  • আর কিছু লেখার আগে আমার রাজনৈতিক অবস্থান টা একটু স্পষ্ট করা দরকার।

    ৩৪ বছর শাসন কালের প্রথম ১৫-(রাফলি) বছর বাম দল ভালোই কাজ করেছিল ভূমি সংস্কার, পঞ্জায়েতি রাজ, শিক্ষক দের মাইনে একটা ভদ্রস্হ জায়গায় নিয়ে আসা সবই সদর্থক কাজ। আনি বহুবার সেকথা লিখেছি

    কিন্তু ছড়িয়েছে অনেক জায়গায়। কাজ চলে যাবার ভয়ে বিদেশী তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা কে তাড়ানো, ট্রেড ইউনিয়ন কে সরকারী ভাবে প্রমোট করে নানা ধরনের শিল্পে র তের টা বাজিয়ে দেওয়া ইত্যাদি প্রভৃতি।

    তাই বাম দলের প্রতি খানিকটা ভালোবাসা, বেশ খানিকটা ক্ষোভ বা অনেকটা রাগ আছে।

    কিন্তু বিজেপির প্রতি আছে শুধু আর কেবলমাত্র শুধু ঘৃণা। একটি বিশেষ ধর্ম সম্প্রদায়ের মানুষ কে যেন তেন প্রকারেন শেষ করে দেওয়া যাদের একমাত্র লক্ষ্য, আমাদের মতো ধর্ম নিরপেক্ষ দেশে তারা আইসোলিউট মেজোরিটি নিয়ে কীভাবে জেতে এটা আনার কাছে বিরাট প্রশ্ন। এবং অনেক ভেবেও তার যথাযোগ্য উত্তর আমি এখনো পাই নি।
  • PT | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:৩০420378

  • ১৯৯৭ পর্যন্তঃ উত্তর "না"
    ২০০০-এর পরেঃ হ্যাঁ।
  • | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:২৮420377
  • ভারতীয় দের যে আমেরিকা কে দেখতে হয় এটাই দুঃখের।

  • lcm | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:১৬420376
  • ১৯১০-১৯২৫ এর মধ্যে অনেক পাঞ্জাবী পরিবার এসে সেন্ট্রাল ক্যালিফোর্নিয়াতে জমি কিনে চাষবাস শুরু করেন। পরে এদের একটা কম্যুনিটি কানাডাতে যায়। এনাদের জীবনযাত্রা এখনও খুবই ইন্টারেস্টিং। পরে কখনও এটা নিয়ে লিখব। ধরো, সেন্ট্রাল ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রায় ১০০ বছরের ওপর পাঞ্জাবী চাষী পরিবারেরা। বা ধরো ১২৫ বছরের বেশি চাইনিজ পরিবার, অনেক জায়গায় কম্যুনিটি একটা মিনি চায়্না/হংকং বানিয়ে নিয়েছে।
  • b | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:১৫420375
  • "একটা সময় কোলকাতায় একদল লোক (অবশ্যই নিম্নবর্গের) বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বিষ্ঠা জোগাড় করে মাথায় ঝুড়িতে করে নিয়ে যেত। এইরকম একটা অমানবিক কাজ বহুদিন হল কোলকাতা কর্পোরেশনে বন্ধ হয়েছে"

    ইয়ে,
    ১। ওটা আমাদের মফস্বলেও হত আর ওটাও বন্ধ হয়েছে। ৮০-র দশকের শেষদিকে। সরকার থেকে খাটা পায়খানা বন্ধ করে স্যানিটারি বানিয়ে দিয়েছিলো।
    ২। আমাদে মিউনিসিপ্যালিটি বাম ছিলো। এটা এস এম এর পোস্টের বদলে বললাম।

    বাম কং লয়কো, বেসিকালি গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যান, ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্কের হুড়ো এগুলো কাজ করেছে। যে পয়্সা দিচ্ছে তার কথা তো শুনতে হবে একটু, না কি?
  • lcm | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:১০420374
  • অর্জুন,
    অনাবাসী ভারতীয়রা (এনারাই) ছিলেন, অবশ্যই সংখ্যায় কম। ১৯০০ সাল নাগাদই অনেক ভারতীয় ছিলেন। গাদার পার্টির ক্যালিফোর্নিয়া ব্রাঞ্চ স্ট্রং ছিল। স্যান ফ্রানসিস্কো-তে রবীন্দ্রনাথকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা হয়েছিল ১৯১৫-১৬ সাল নাগাদ।
    নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য (এম এন রায়) স্ট্যানফোর্ডে আসেন ঐ ১৯০০-১৯১০ নাগাদ, ঐ সময়ের ধন গোপাল মুখার্জি (আমেরিকায় ইংরেজিতে লিখে সাফল্য পাওয়া প্রথম ভারতীয় লেখক) ও ছিলেন, ওদের মধ্যে বন্ধুত্বও তৈরি হয়েছিল।
    বেসিক্যালি, লোকজন ছিল। বোস্টনে ভারতীয় ট্রেডারদের সঙ্গে একটা ঝামেলাও হয়েছিল।
  • S | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:০৮420373
  • হাউডি মোদির অন্যতম স্পনসর ছিলো ওয়ালমার্ট।
  • অর্জুন | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩:০২420372
  • @Icm ১৯৪৯ জওহরলালা নেহেরু যখন প্রথম মার্কিন সফরে গেলেন তখন NRI কমিউনিটি তৈরি হয়নি। ওটার ভিজিবিলিটি ও সূচনা সত্তরের প্রথম থেকে। তখন ভারতীয়রা পড়াশোনা করতে, চাকরি ও ব্যবসা সূত্রে কিছুকালের জন্যে গিয়ে চলে আসত।

    সেই সময় আমরা অনেক বেশী আন্তর্জাতিক ছিলাম। নেহেরু তাঁর প্রথম সফরে দেখা করেছিলেন অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের সঙ্গে, রবার্ট ফ্রস্টের সঙ্গে। নেহেরু এবং ইন্দিরা গান্ধীর কাছের বন্ধুদের মধ্যে ছিলেন ডরোথী নর্মান - czarina of the American art world। (এই ডরোথী নর্মানই পরে জরুরী অবস্থার সময় ইন্দিরা গান্ধীর বিরুদ্ধে একটা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ক্যাম্পেন চালান।)

    এরা admirer of each other, কেউ স্থাবক নয়। মোদীর স্তাবক দরকার কারণ নইলে ওর অসব জায়গায় জায়গা পাওয়া মুশকিল।

    ইন্দিরা গান্ধী অ্যামেরিকায় গেলে daughters of American revolutionর মত মহিলা সংস্থায় যেতেন।

    তখন ঠিক এক মাসল পাওয়ারের সঙ্গে আরেক মাসেল পাওয়ারের দেখা হত না। দুটো distinct দেশের নেতাদের সাক্ষাৎ। রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আদান প্রদান।
  • i | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১২:৫৯420371
  • দু,
    'কুমুদির রোমহর্ষক গল্পসমূহ'
  • S | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১২:৪৭420369
  • কট্টর ডেমকে জিগালে বলবে যে আই অ্যাম সিওর দ্যাট গ্লোবাল ওয়ার্মিং ইজ রিয়েল। কট্টর রিপাব্লিকানদের জিগালে বলবে আই অ্যাম সিওর দ্যাট গ্লোবাল ওয়ার্মিং ইজ ফল্স। আর যিনি মাঝে আছে (মানে আল্টিমেটলি রিপাব্লিকান পার্টিকেই ভোট দেবে, কিন্তু লজ্জায় বলতে পারছেনা) সে বলবে আই অ্যাম নট সিওর। এর থেকে প্রমান হয় যে লেফট-রাইট একরকম ভাবে?
  • S | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১২:৪৪420368
  • কি বলবো? সত্যি কথা বললে গায়ে লাগবে, পছন্দ হবেনা। এইযে বেশিরভাগ ভারতীয়রা যেভাবে আম্রিগাকে দেখে সেটা যে ল্যাজ দেখে হাতি চেনার মতন, সেটা না বুঝলে তো মুশকিল।
  • a | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১২:৪১420367
  • New study reveals people on the Left and Right are more similar than they think

    According to the neuropsychological literature, an individual who is cognitively rigid tends to perceive objects and stimuli in black-and-white terms, and this makes it difficult for them to switch between modes of thinking or to adapt to changing environments.

    We reasoned that individuals with a tendency towards cognitive rigidity in how they perceive and react to the world generally might be more likely to be rigid and dogmatic about their political beliefs and identities as well.

    In a recent published study, we invited 750 US citizens to complete multiple objective neuropsychological tests that allow us to measure their individual levels of cognitive rigidity and flexibility. We found that individuals who are extremely attached to the Democratic party or to the Republican party display greater mental rigidity on these cognitive tests relative to those who are only moderately or weakly attached. Regardless of the direction and content of their political beliefs, extreme partisans had a similar cognitive profile.

    https://theprint.in/politics/new-study-reveals-people-on-the-left-and-right-are-more-similar-than-they-think/294747/
  • | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১২:৩৭420366
  • ডিগনিটি অফ লেবার টা কাজের ডিমান্ড এর উপরে আর কে কত নতুন ইমিগ্রান্ট তার উপরে। আঅমাদের অর্থে জাতপাত বর্নাশ্রম তো নাই। কিন্তু ঐ আর কি বাগান করা আর প্লাম্বিং আর মকাই ক্ষেতে কাজ করার লোক অধিকাংশ ই স্প্যানিশ স্পিকিং কোথাও কোথাও। পূর্ব ইউরোপ পড়ে যাবার পর যেমন নারীদেহ, অংকের অধ্যাপক, আর বাড়ির কাজের লোক এগুলো খুব ই শস্তা হয়েছিল পশ্চিম ইউরোপে এবং কিছুদিন পরে আমেরিকায়। ভাষার ভিত্তিতে এমপ্লয়মেন্ট আনকম্ন না, যেমন ভারতীয় বড়লোক পরিবারে নেপালি বা বাঙ্লাদেশী বা কেরালার কাজের লোক বা গভরনেস। ইত্যাদি।

  • | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১২:৩৪420365
  • বোধি দা,।ক্লাস নিতে বেরোবো ১ টায়। পরে লিখছি।

    কিন্তু একবার পড়ে মনে হল " ভালোই দিয়েছো"
  • | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১২:৩২420364
  • *কমন কেস স্টাডি

  • | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১২:৩১420363
  • বিদেশি তো আমিও বেশ কয়েক বছর থেকেছি।

    ওখানে লোক জন সব কাজ ( যথা বাসন মাজা, কার্পেট পরিষ্কার করা, জামা কাপড় কাচা আর আয়রন করা, বাথরুম পরিষ্কার করা) এই সবই হাসি মুখে করে থাকে। তার কারণ শ্রম কে ভালোবাসা নয় ওটা কে আউটসোর্স করতে গেলে যা খরচ পড়বে সেরা বড়ই বেদনাদায়ক।
  • দু | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১২:৩০420360
  • কুমুদির বইয়ের নাম কি?
  • | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১২:৩০420361


  • ব্রতীন, এটা শুধু তোর যুঅপৎ তোর সঙ্গে শেয়ার করার জন্য আর বন্ধুত্ত্বপূর্ণ ভাবে ঝাঁট জ্বালানোর জন্য লিখছি ঃ-))))))))))))))))))))

    শোন এই অভিবাসী রাজনীতির কতগুলো বিষয় আছে (এমিগ্রে পলিটিক্স টার্ম টার এই বাংলাটা আমি করি, স্ট্যান্ডার্ড টার্ম জানি না)। আমেরিকায় এর কতগুলো ঐতিহ্য আছে। মানে সবটাই ভালো না। সাধারণ ভাবে নানা দেশ থেকে লোক গিয়ে দেশ টা হঠাৎঅ তৈরী করায়, নানা দেশের নানা ইন্টারেস্ট গ্রুপ বহুদিন ধরে ফর্ম করেছে, এবং সারা পৃথিবীর রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তার যোগাযোগ আছে। এবং আপাতত একেবারেই ঐতিহাসিক কারণে মাইনরিটি গ্রুপ গুলোর মধ্যে দিয়ে বেশি সক্রিয়।
    কয়েকটা উদাহরণ দিচ্ছি। সিভিল রাইটস মুভমেন্টে, যীশুর চার্চের যেহেতু দুটি ডিস্টিঁক্ট রং হয়, সাদা ও কালো, তাই, কালো দের চার্চ গুলো বিভিন্ন ধরণের কনগ্রিগেশন এর প্র্যাকটিস এর মধ্যে রাজনৈতিক প্রচার আনে। ডঃ কিং নিজেই ধর্মীয় যাজক ছিলেন, ধর তোর জেম্স বাল্ডউইন ও তাই। আজকের কালো বামপন্থী বুদ্ধিজীবি ডঃ কর্নেল ওয়েস্ট (বার্নি স্যান্ডার্স এর লোক) কে দেখে সেটা পুরোটা বোঝা যাবে না। এবার ধর এটার পূর্ব ইউরোপীয়, ইটালিয়ান, রাশিয়ান জিউ, হাংগারিয়ান বা পোলিশ জিউইশ, মেকসিকান, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান স্প্যানিশ ও ইংলিশ ভাষী আলাদা আলাদা, লাটিন আমেরিকান, ভার্সন আছে। আইরিশ ভারসন আছে। যেরকম ইমিগ্রেশন হয়েছে। তুই যদি বড় শহর গুলোর মিউনিসিপাল নির্বাচনের ইতিহাস গুলো একটু দেখিশ, দেখবি, আমাদের যেমন নানা ধরণের বাঙাল পাড়া, বাঘা যতীনে বরিশাল চট্টগ্রাম, বারাসতে খুলনা, শ্যামবাজারে মানিক তলায় ঢাকা বিক্রমপুর, ইত্যাদি, ঠিক সেরকম নিউ ইয়র্ক বা এল এ র পাড়ায় পাড়ায় এরকম আলাদা আলাদা সেটলমেন্ট আছে। এবার মূলতঃ সিভিক সুবিধে আদায়ের প্রয়োজনে রাজনৈতিক লবিং এর প্রয়োজন, আর স্থানীয় রাজনীতির লোক দের নির্বাচনী অ্যাকাউন্টেবিলিটির কারণে একটা লোকাল সভা করে একটা রাজনীতিবিদ কে ডেকে এনে কিছু বলিয়ে দেবা টা কমন পদ্ধতি। এই জন্যে ওদের প্রতিটি স্থানীয় থেকে জাতীয় আইন সভায় নানা ধরণএর রাষ্ট্রশক্তি ও ইমিগ্রান্ট লবির সমর্থক এবং বিরোধী গ্রুপ আছে। দেখবি কাশ্মীর প্রশ্নে এক সেনেটর এক বিল আনলেন, তো অন্য কংগ্রেস ম্যান অন্য বিল আনলেন, সেরকম ই আউটসোর্সিং প্রশ্নেও তাই।
    কেউ ইন্ফোসিস কেউ টিসিএস এরকম লবিস্ট ও আছে, কারণ লবিং টা লিগাল। এবার ম্যুলার রিপোর্টে একটু কয়েকটা প্রশ্ন চিহঁআ এসেহ্হে পল ম্যানাফোর্ট কে নিয়ে, সেটা ডিটেল চাইলে বলিশ দিয়ে দেব।

    অতএব এই কমিউনিটি বেসড কঙ্গ্রিগেশন ভারতীয় কমিউনিটি রিজিওনাল রাজনীতির এবং আমেরিকায় লবি রাজনীতির রিফ্লেকশন, এবং জড়িয়ে ধরে আর হাউডি বলে খুব বড় কোন চেঞ্জ কাশ্মীর ইসু তেও হবে না, আউটসোর্সিং এও হবে না, আর এনারাই দের স্বার্থ ভারতের জাতীয় স্বার্থ ইত্যাদি নাও হতে পারে, এবং এটা ব্যক্তিগত ইসু না, সামাজিক অর্থনৈতিক অবস্থানের ইসু।

    এখানে দাংগাবাজ দের সমর্থক লোক ওখানে গিয়ে অ্যান্টি রেসিস্ট কথা বলছে বা লেজিসলেশন ব্যবহার করছে তাতেও যেমন অবাক হবার কিছু নেই, এখানকার ভীষণ লিবেরালাইজেশন এর সমর্থক ওখানে পৌছেই জব প্রোটেকশন আর হোয়াইট কলার ইউনিয়নে নাম লেখাচ্ছে তাতেও অবাক হবার কিছু নেই। এখানকার রেজিমেন্টেড বাম পার্টি তে অভ্যস্ত লোকেরা ওখানে গিয়ে ভীষণ ইন্ডিভিজুয়ালিস্ট হতে গিয়ে ধীরে ধীরে দক্ষিন পন্থী হয়ে গেলেন বা ব্যক্তিগত সাম্যবাদী হয়ে রইলেন এসব খুব ই কম কেস স্টাডি।

    ট্রাম্প এর সমস্যা হল, তিনি নিজে মহত হতে চান, তিনি পলিসি করেন টুইটারে। অতএব ভারতীয় ডিপ্লোমাট রা বা মোদীজি যদি ভাবেন চারটি রোড শো করে কাশ্মীর কে আন্তর্জাতিক ইসু হওয়া থেকে ঠ্যাকানো যাবে, সেটা ভুল, কারণ ভারতের পক্ষে আমেরিকা কথা বললেই সেটা ইন্টারন্যাশনালিজড ই হবে। গরীব দেশের উপকার করার জন্য কেউ বসে নেই। এটা প্রতিবেশী রা নিজেরা বুঝলেই মঙ্গল। প্লাস রোড শো দিয়ে তোর ভিসা পলিসি কিছু বদলাবে না, ওদিকে ট্রাম্পের অ্যান্টি ইমিগ্রেশন ভোট বেস ই মেন ভোট বেস।

    অতএব, ইম্প্যাক্ট হল, চশ্মা বা জিলিপি র রঙ এর উপরে নির্ভরশীল। গদ গদ হতে চাইলে দারুন ইমপ্যাক্ট নইলে বড় কিসু না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত