এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ela | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৬:৪৭419910
  • বাবুলকে ধাক্কাধাক্কি করা ঠিক হয়েছে কি না, কে আগে করেছে কে পরে করেছে এটা একটা আলাদা ব্যাপার, আর এই কৌশিক সেন-জাতীয়দের ন্যাকামো (আদত শব্দটা যেটা মাথায় আসছে সেটা অন্য, কিন্তু ভদ্রসমাজে উচ্চারণ করতে চাই না) একটা অন্য লেভেলে। সুজনবাবুর কথাটা পরে মানেটা বোঝা যাচ্ছে, একমত হওয়া বা না হওয়া পরের কথা। কৌশিকের বিবৃতি যেটা নয়নতারা এ পাতায় দিয়েছেন সেটা স্রেফ ভেগোলজি।
  • Atoz | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৬:৪৬419909
  • সবাই দেখি কাজ এগিয়ে রাখছে। বেশ "আগেভাগেই" শুরু করে দিচ্ছে। এ বলে আমায় দ্যাখ, ও বলে আমায় দ্যাখ।
  • অমিত | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৬:৪২419908
  • S এর সনগে একমত। কিন্তু তা হলেও কালকের গায়ে হাত তোলা শুরুটা ছাত্র রাই করেছিল। সেটাকে জাসটিফাই করতে গেলে পরের গুনডামি টাও যে কেও জাসটিফাই করতে পারে।
  • S | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৬:৩৪419906
  • বামেরা ৩৪ বছরের শাসনের পরে যে জায়্গায় পৌঁছেছিলো, দিদি-তিনোরা তার পাঁচগুন খারাপ কাজকম্ম দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন। বিজেপি ক্ষমতায় আসার ২ বছর আগে থেকেই তিনোদের সমান বদ কাজ করতে শুরু করে দিয়েছে।
  • Amit | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৬:৩৪419907
  • ও আচ্ছা। তাহলে তো বাবুল কে ধাক্কাধাককি ঠিক হলে পরের রাউন্ড এর মারামারি ও ঠিকই আছে। ওটা নিয়ে নাকিসুরে কান্না র কোন দরকার নেই। যা ইচ্ছে হোক।
  • মন্তিরি | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৬:২৮419905
  • Nayantara | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৬:১৫419904
  • খ এর লজিক কী? কেউ ধাক্কা মারলে তাকে বুকে টেনে নিতে হবে? কাঁচা খিস্তি দিলে ছাত্র বলে তাকে কিছু বলা যাবে না।
  • | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৬:১০419903
  • বাবুল সুপ্রিয় র মেন লজিক কি, তিনি যেহেতু নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি তাঁর যে কোন ক্যাম্পাসে সরকারী ভাবে, ভিসি সহ সকলের কাছে খাতিরদারী পাওয়া উচিত এমনকি তিনি প্রাইভেট অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত হলেও।

    বিশ্ববিদ্যালয় গুলির কোন স্বাধীনতা নেই, তাঁদের রাজনীতির তাঁবেদারী করতে হয় এই দুঃখে যাঁরা রেগুলার চোখের জল ফ্যালেন, তাঁরা একই সঙ্গে বাবুলের দুঃখে কাতর দেখে হাসিও পায়। আবাপ তো পাতি বিজেপি র দলীয় মুখপত্র হিসেবে কাজ করছে এই ইসু তে। খেলাটা ভালো টেলিগ্রাফ ইংরেজি ও লিবেরেল, আবাপ যথারীতি সাধারণ মানুষের কাছে আসতে গিয়ে বিজেপি, আর টিভি তো তুমি যেমনি চালাও তেমনি চলি সাগর নদী লংঘি।

    চাট্টি করে খেলেন ভাইপো রা।

  • | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৫:৪৮419902
  • ধাক্কা ধাক্কি হয়েছে। তো ধাক্কা ধাক্কি হলে কি হয়েছে। বাবুল সুপ্রিয় প্রচুর স্কাফল এ জড়িয়েছেন, আসানসোলে, মধ্য কলকাতায়, রাজনৈতিক নেতাদের কালো পতাকা দেখানো হয়েই থাকে, সমস্যা কোথায়।

    হেলমেট আর লাঠি কি বহিরাগত না ভেতরের এবিভিপি?

    আমি ওভারল ক্যাম্পাস ইউনিভার্সিটির বিরুদ্ধে। কি বিশাল লাভ হয় ক্যাম্পাস করে বিশেষ করে শহরের মধ্যে বুঝি না। এখানে যখন তখন যে কোনো লোক বহিরাগত হয়ে যায়। কিন্তু ঘটনা হল কচি গায়ক বাবু গরম বিবৃতি দেবেন আর তাঁকে ঘিরে প্রোটেস্ট হবে না এটা কোন কথাই না।
  • অমিত | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৫:২৯419901
  • সুজন বাবুর মন্তব্য ঠিকঠাক লেগেছে। প্রতিবাদ করতে গিয়ে গায়ে হাত তোলা ভুল কাজ। কোনভাবেই এটাকে জাস্টিফাই করা যায়না।

    এটাও মেডিয়াতে আসছে যে যারা মেরেছে তারা যাদবপুরের ছাত্রই নয়। সেটা সত্যি হলে আবার বহিরাগত থিওরি তে শান পড়বে।
  • S | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৫:২৫419900
  • সেটা বোধয় হয়েছে মন্তিরি মেয়েদের খারাপ কথা বলার পর আর মেয়েদের সঙ্গে ঠেলাঠেলি করার পর। বিজেপির কালচারটা তো একটু অন্যরকমের।
  • অমিত | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৫:২৪419899
  • বিজেপির বিরুদ্ধে যুক্ত ফ্রন্ট ? কাদের নিয়ে? এদিকে দিদি দিল্লি গিয়ে নিজের সেটিং করতে ব্যস্ত।
  • Nayantara | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৫:২১419898
  • না, ঠিক খবর হল —-

    বৃহস্পতিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপি-র একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। তাঁকে ঘিরে 'গো ব্যাক' স্লোগান দেয় ছাত্রদের একাংশ। কেন্দ্রীয়মন্ত্রীর নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে চড়াও হয় পড়ুয়ারা। তাঁকে ধাক্কা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এমনকি মাথার চুল ধরেও টানা হয়।। ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে যান বাবুল সুপ্রিয়। ছিঁড়ে যায় তাঁর জামার কলার। যাদবপুরের পড়ুয়াদের একাংশের এমন আচরণ সমর্থন করছেন না সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন,''দিলীপবাবুরা যখন গিয়েছিলেন যাদবপুর দখল করতে তখন ছাত্ররা প্রতিহত করেছিলেন। সেই স্পিরিট সমর্থনযোগ্য। একজন সেমিনারে গিয়েছিলেন, কালো পতাকা দেখানো যেত। কিন্তু গায়ে হাত দিয়ে হেনস্থা করলে তাঁকেই সুবিধা করে দেওয়া হয়। এমন আচরম সমর্থনযোগ্য নয়। প্রতিবাদের একটা ধরন আছে। এমন আচরণ সমর্থনযোগ্য নয়।''
  • S | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৫:১৮419897
  • প্যারালাল নবীনবরণ। মানে আরেসেসের রিক্রুটমেন্ট ক্যাম্প। যদুপুরে করতে না দিয়ে ভালই করেছে। অন্তত কিছুটা রেজিস্ট্যান্স দেখানো গেছে। আর বাংলায় বিজেপির বিরুদ্ধে একটা যুক্ত ফ্রন্ট তৈরী হয়েছে।

    সোশাল মিডিয়াতে, বাংলার বাইরে কে কি বললো তাতে কিস্যু যায় আসেনা। এই জনগণই তো ভারতের সবথেকে বড় গুন্ডাকে সিংহাসনে বসিয়েছে।
  • | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৪:৫০419896


  • একজন মন্ত্রী তিনি একটা প্রাইভেট অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে আসবেন, তাঁকে চাট্টি কালো পতাকা দেখানোর সঙ্গে সঙ্গে তিনি মেয়েদের টন্ট করবেন, ভিসি কে বলবেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এলে তাঁর আপনি আজ্ঞে করা উচিত, পেছন থেকে রাজ্য পাল, হেলমেট ধারী লাঠি হাতে লোকজন চলে আসবে, এটা আগে থেকে বুঝতে না পারাটা ব্লান্ডার। এর বিকল্প কি, টিভিতে আহ্বান পাবার অপেক্ষা করে সেখানে গিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে আসা? মানে বলতে পেলে? আর তার পরে অপেক্ষা করা সেটা দেখাবে কিনা? অথবা যে কোনো বক্তব্যেই শঙ্খ বাবুর সই য়ের জন্য অপেক্ষা করা? মানে একবিংশ শতকীয় মেথড বলতে কৌশিক সেন কি বলতে চান সেটা আমার কাছে ক্লিয়ার না। তিনি লোক ভালো, ক্লিয়ার করে দিলে আমাদের কথা না, ছেলে মেয়েরাই শুনবে, না শোনার কি আছে, তাঁকে লোকে অ্যালাই বলেই মনে করে। সুজন এস এফ আই এর ছেলে মেয়েদের ধমকাবেন বা কন্ডিসেন্ডিং জ্ঞান দেবেন, আমরা যেমন গজ গজ করে গৌতম দেব বা এই সুজনের কথাই শুনতাম (তখন বোধ্য এস এফ আই এর রাজ্য প্রেসিডেন্ট ছিল) সেরকম শুনবে, কিছুদিন পরে নতুন লোক অর্গানাইজেশনে আসবে। এতো চলবে। আমাদের সময়ে আমরা রাজনীতি ছেড়ে প্রথমে বিচিত্র কলকাতা রাজ্য আলিমুদ্দীন ইত্যাদি কেন্দ্রিক মুর্খ রা পার্টি করেছে এবং অবশেষে তৃণমূল এসেছে, এখন এন আর সি আসবে। আক্রমণ যেহেতু চুড়ান্ত, লিবেরাল রা ক্যাম্পাসে করনার্ড, তো সেখানে চাট্টি কালো পতাকা দেখানো যাবে না কেন সেটা বুঝলাম না, আর যাদবপুরে র মত ইনসিগনিফিকেন্ট জায়্গায়, সিয়াচেন তো না, বক্তৃতা না করতে পারলে, একজন পলিটিশিয়ান এর ক্যারিয়ার রাজ্য রাজনীতিতে যথেষ্ট গুরুত্ত্ব পূর্ন হবে না কেন সেটাও পরিষ্কার না। এবং রাজ্যপালের ঘুম হচ্ছে না, সমস্ত হায়ার লার্নিং এর জায়্গায় আর এস এস এর লোক না বসাতে পারলে শুধু না, সেটা তো ইচ্ছে করলেই যে কোনো দিন হয়ে যাবে, এবং হচ্ছেও, খুব ধীর গতিতে কিসু না, ছাত্র সংসদ দখলেও পরিশ্রম তাঁকে নিজেকে করতে হবে এই অধ্যবসায় মাইরি ভাবা যায় না, উনি টিভি, বিবৃতি, আর স্বপন দাশগুপ্তের সই এর উপরে পুরো ভরসা কেন রাখতে পারছেন না ক্লিয়ার না।

    অল্প বয়সী ছেলে মেয়েরা বাংলা গালাগাল ও ক্যাল খেয়েছে, বাবলুর সঙ্গে লোকজন এবং এবিভিপির যাদবপুরের সমর্থক রা ক্যাম্পাস ভাঙচুর করেছে, দোকান চালানো তড়িৎঅ অফ অল পিপল মার খেয়ে গেল, রাজ্যপাল পাতি ঢ্যামনামি করেছেন সেটার নিন্দে অন্তত ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টা করি, তার পরে আত্ম সমালোচনা করা যাবে।

    আমি যেটা তে ক্লিয়ার না, সেটা হল সিকোয়েন্স অফ ইভেন্ট্স, এত অপিনিয়ন বিল্ড করে, খবর টাই ঠিক করে পাবা যায় না।

    ১- গায়ক নেতা এলেন
    ২- বাচ্চা চিঁচি পার্টি কালো পতাকা দেখালো
    ৩ - গায়ক নেতা র সঙ্গে ছেলে মেয়েরা স্কাফল এ জড়িয়ে পড়লেন, ভিসি ও এসে ঝগড়া ঝাঁটির জটলার মধ্যে থাকলেন।
    ৪ - তার পরে হেলমেট পার্টি এসে ক্যাল দিয়ে জায়গা ক্লিয়ার করে, গেট ভেঙ্গে, ইউনিয়ন রূম আর ক্যাম্পাসে অন্যত্র ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দিল।

    তাইলে ৩ থেকে ৪ এর মধ্যে যেটা হতে হয়, সেটা হল ছেলে মেয়েদের ভিড় পাতলা হয়ে গেট থেকে সরে গেছিল, অথবা লাঠি শোঁটা নিয়ে আসা লোক আসার পরে ভয়ে পালিয়ে গেছিল বা ছত্র ভঙ্গ হয়ে গেছিল বা আগে থেকেই ওখান থেকে লোক জন কমে গেছিল।

    মানে আমার কথা হল, যখন ভাঙচুর হচ্ছিল ইউনিয়ন রুম, আগুন লাগানো হচ্ছিল সাইকেল স্ট্যান্ডে বা অন্যর্ত, তখন ছেলে মেয়েরা আর ভিসি আর বাবুল কোথায় ছিলেন, মানে গেটের স্কাফল না পেরিয়ে এসে তো এটা করা যাবে না, জাস্ট বোঝার চেষ্টা করছি। গেট ফাঁকা না হলে এ জিনিস হয় না, হতে পারে বেশির ভাগ ছেলে মেয়েই জানতো না বিজেপির প্রোগ্রামের কথা, বা কালো পতাকা দেখানো হচ্ছে তার কথা বা কেউ ই ক্যাম্পাসে ছিল না, অল্প কজন চিঁচি পাতি ক্যাল খেয়ে গেছে, ঘটনা কি এইটা?
  • | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৪:০৩419895
  • বাবুল কোন গন্ডগোল ফেস না করে বক্তৃতা দিলে ও বড় খবর হওয়া আটকাতো না। যখন বিজেপি ২ ছিল বা তাও ছিল না, তাকে প্রথমে প্রধান পরে একমাত্র প্রতি পক্ষ হিসেবে তুলে ধরার কাজে বাংলা মিডিয়া প্রচুর প‍রিশ্রম করে ছে।
  • Atoz | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৩:৫৫419894
  • ব্রতীন, আছো? তারপর কী হল? ঐ বাবুল টাবুলদের ?
  • Atoz | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০২:৩৩419893
  • কামাল কামাল কামাল। বহোৎ খুব। ঃ-)
  • Banalataa | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০২:১৯419892
  • বনলতিয়া সেইন
    (কবিবর চুস্তজিন্দগি দাসসাহিব কী মূল কাভ্য পর আধারিত)

    উসকি বাল হৈ কামাল
    আন্ধেরা ভিদিশাকে চাল
    সুরতমে শ্রাবস্তি নকশা
    কৈসা হৈ কামাল
    দূর কোই সমন্দরকা
    নৈয়া আকেলা এক লড়কা
    আইল্যান্ড যাকে দালচিনি খাকে
    দেখে সমন্দরি ফেন
    বৈসি প্রীত মেরে দিল মে জগাঈ
    নাট্টুরবালী বনলতিয়া সেন।
  • observation | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০২:১৫419891
  • হতে পারে, হতেই পারে। কিন্তু কেন জানি আজকাল মেয়েদের নাম কেউ বনলতা রাখে না, পার্নো রাখে।
  • Atoz | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০২:০৫419890
  • পরে না, পারে
  • Atoz | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০২:০৪419889
  • একটা ভালো খাবারের পত্রিকার নাম হতে পরে, "রসনার রসলোক" অথবা "সু-রসবতী"। ঃ-)
  • হ্যাংলা | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০২:০০419888
  • যারা পিছিয়ে পড়েছেন তাদের জন্য তথ্য - হ্যাংলা হচ্ছে বাঙ্গালির খাদ্যবিবর্তনের tool জনপ্রিয় food mag
  • hyaanglaa | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:৫৬419887
  • এই সব কারণে পূজো স্পেশাল হ্যাংলা ম্যাগাজিন ই এ যুগের সেরা সাহিত্য
  • Atoz | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:৪৯419886
  • আচ্ছা, পুজোর সময় এইসব নানারকম বিপ্লবাত্মক খাবারের ফেস্টিভ্যালের আইডিয়া কবে থেকে দেখা দিল? আগে তো লোকে এমনি এমনি সেজেগুজে বেড়াতো, প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঠাকুর দেখত, খাবারের স্টলে বন্ধুরা বন্ধুরা মিলে খেত। বামপন্থীরা পুজোপ্যান্ডেলের পাশে বইয়ের স্টল দিলে সেইসব বইপত্রও নেড়েচেড়ে দেখত কেউ কেউ। কিন্তু আগে কি এরকম বিশেষ বিশেষ খাবারের বৈপ্লবিক ফেস্টিভ্যাল হত? (খাওয়াদাওয়ার মতন একটা ভালো জিনিসের মধ্যে "তুই বেড়াল মুই বেড়াল" এনে ফেলা যে কী বিশ্রী! আমাদের ফুচকা এগ্রোল জমানাই বরং ভালো ছিল। )
  • Atoz | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:৩৭419885
  • ব্রতীন, তোমার এত বুদ্ধি ? সময় থাকতে থাকতে সুইস ব্যাঙ্কে কিছু কিছু করে পাঠাতে থাকো। ঃ-)
    এলেবেলে, হ্যাঁ, "শারদীয়া" এবং "শারদীয়" তো আছেই। তার বাইরেও "শারদসংখ্যা" ও বের করেন কেউ কেউ। এছাড়াও আরো নানা নামে "বার্ষিকী" ও তো বার করেন অনেকে এইসময়ে। কারণ এইসময়েই তো আমাদের "রূপলোক ও রসলোকে" বর্ষিত হয় "নব ভাবমাধুরীর সঞ্জীবনী"। ঃ-)
  • অর্জুন | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:০৮419884
  • আরে @এলেবেলে যে। হ্যাঁ ঠিক। সঠিক তথ্য প্রদানের জন্যে ধন্যবাদ।

    দূর- নিকট তো মনের ব্যাপার।
  • এলেবেলে | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:০২419883
  • উঁহুঃ, সব পত্রিকাই 'শারদীয়া' সংখ্যা বানায় না; কেউ কেউ 'শারদীয়' সংখ্যাও বানায়। আতোজ ভালো জানবেন।
  • অর্জুন | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:৫৮419882
  • বেশ কিছু ছোট পত্রিকা ভাল শারদীয়া সংখ্যা বানাচ্ছে। ব্যাপার হল অখ্যাত লোকেদের লেখা কেউ পড়তেই চায় না।
  • এলেবেলে | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:৫৬419881
  • যদুপুর নিশ্চিন্দিপুর থেকে বহু দূর। তায় আবার এক হাপ্প্যান্ট মন্ত্রী।

    শুধু তথ্যের খাতিরে জানিয়ে যাই, অর্জুন ভলতেয়ারের বাণী বলে যেটা লিখেছেন ওটা আদৌ ভলতেয়ারের নয়।

    এটা ১৯০৬ সালে 'The Friends of Voltaire' গ্রন্থে লিখেছিলেন Evelyn Beatrice Hall, যাঁর ছদ্মনাম ছিল S. G. Tallentyre যিনি ছিলেন ভলতেয়ারের জীবনীকার।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত