এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:৩৪419250
  • কিন্তু সেই ব্যাটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় লন্ডনে অনেক বোম ফেলতো যে!!!!! ইয়ার্দোস্তদের উপরে অমন ইয়ার্কি করাটা কি ভালো?
  • এলেবেলে | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:২৭419249
  • হিটলার যে নর্ডিক ইংরেজদের ইয়ার দোস্ত ভাবে সেটা সবাই জানত, শুধু সুভাষ জানত না? অপরিণামদর্শিতা, রাজনৈতিক অজ্ঞতা, হঠকারিতা, উচ্চাকাঙ্ক্ষা --- কোনটা ছিল না সুভাষের? ট্রেড ডিসপিউট বিল পাশ হল ড্যাং ড্যাং করে, তখন কংগ্রেস সভাপতি কে? আইন অমান্য আন্দোলনের সময় যতীন সেনগুপ্তের সঙ্গে কোন্দল করা ছাড়া তাঁর অন্য কোনও ভূমিকা জানা আছে?
  • Atoz | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:২৬419248
  • সুভাষচন্দ্র দেশ স্বাধীন করার লড়াইয়ে সাহায্য চাইতে যাচ্ছিলেন নাকি রুশদেশে, সেইরকমই প্ল্যান ছিল। কিন্তু দূতাবাসে রুশ দূতের কাছ থেকে নাকি বিরুদ্ধতা পেলেন, ঢুকতেই পারলেন না। তখন জার্মানির দূতাবাসে গিয়ে---
    এই ব্যাপারটা কেউ একটু বিস্তারিত লিখতে পারেন? ঠিক কী হয়েছিল সেই সময়?
  • এলেবেলে | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:২০419247
  • বাঙালি এই একটি জায়গায় এখনও স্কুলপাঠ্য ইতিহাসে মুখ গুঁজে থাকতে ভালোবাসে। নেতাজি বীর আর নেহরু-গান্ধী ভিলেন। এই হাস্যকর বাইনারি থেকে দেখলাম পিটি মুক্ত আছেন। ওঁর ঐতিহাসিক প্রজ্ঞার ওপর আরও একবার শ্রদ্ধাশীল হলাম।
  • এলেবেলে | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:১৭419246
  • ঈশানের ব্লগে গান্ধী-সুভাষের লেখাটিতে এই অধ্ম সুভাষকে শুইয়ে দিয়েছিল। তাহার পর উনি আর জাগেন নাই! পারিলে @অর্জুন এবং বাকিরা জাগাইয়া তুলিতে পারেন!!

    বিপান চন্দ্র ভগৎ সিং সম্পর্কে সঠিক মন্তব্য করেছেন 'মার্ক্সিস্ট ইন মেকিং' কথাটা বলে।
  • অর্জুন | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:১৫419245
  • কিছুক্ষণ আগে আপনার করা নেতাজী সংক্রান্ত একটা মন্তব্য আমার ভাল লাগল @ব
  • | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০১:০২419244
  • হমমম !!

    দাদা অঙ্ক কী কঠিন!!
  • অর্জুন | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:৩৩419243
  • ভগত সিংকে নিজেদের লোক বলে দাবী করাটা কমিউনিস্টদের আরেকটা নোংরামো।

    ভগত সিং ছিলেন এক উজ্জ্বল মেধার সাহসী যুবক, এক ব্যতিক্রমী তরুণ। ঐ ২৩-২৪ বছর বয়েসে সে চাইছিল তার রাজনৈতিক মতাদর্শে শান দিতে, আরো পড়তে, বুঝতে, জানতে, তাকে এই সব বিশেষ পার্টি অন্তর্ভুক্তি থেকে মুক্ত করা হোক। আজও যারা একটা সিস্টেমকে প্রশ্ন করে তিনি তাদের কাছে একজন great source of inspiration।

    ভগৎ সিংএর ideology hack করে পপুলার পার্টি আইকন বানানোর কাজ টি অজয় ঘোষের নেতৃত্বে ১৯৫৩ সালে সিপিআই শুরু করে। যে অজয় ঘোষ তেনার পুস্তক Bhagat Singh and His Comrades, এ ১৯৪৫ সালে লিখেছিলেন "it would be an exaggeration to call Bhagat Singh a Marxist."

    অর্থাৎ যে অজয় ঘোষ লিখেছিলেন ভগৎ সিং কে মার্ক্সিস্ট বলা অতিকথন মাত্র সেই ভগৎ সিং ১৯৫৩ এর পরে হঠাৎ কি ভাবে মার্ক্সিস্ট আইকন হয়ে গেল,বা মার্ক্সিস্ট বলে দাবী করা শুরু হয়ে গেল?

    হুমম
  • Atoz | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:২৪419242
  • ব্রতীন হে, আছি। এই এলাম। কাল ছিলাম না, এখন চাঁদে চড়ে ফিরলাম। ঃ-)
  • lcm | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:২২419241
  • ভগৎ সিং - সিপিআই জয়েন করেন নি (সেরকম পড়ি নি,শুনি নি কোথাও), তবে কম্যুনিজ্‌ম্‌ এ-এর কনসেপ্টে আকৃষ্ট ছিলেন পড়েছি।

    গুগল করে দেখলাম সিপিঅই প্রতিষ্ঠা হয় ১৯২৫ সালে কানপুরে, আর ভগৎ সিং মারা যান ১৯৩১-এ।
  • অর্জুন | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:২০419240
  • এখানে একটা অদ্ভুত মন্তব্য পড়লাম। হিটলার নিজের হাতে একটা মাছিও মারেননি আর কারো টাকাও চুরি করেননি। তিনি কি বলতে চাইলেন? হিটলার ৬ মিলিয়ন ইহুদীকে হত্যা করিয়েছিল, অর্থাৎ উনি বলতে চাইছেন নিজে তো আর মারেননি, তার কথায় অন্যেরা মেরেছিল?

    হিটলার যখন বুঝেছিল যে পালাবার বিশেষ পথ নেই তখন জার্মানির রেল লাইন, টেলিফোন কানেকশন এবং সরকারী বিল্ডিং সব উড়িয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছিল এবং দেওয়াও হয়েছিল।

    হিটলার মনে করত, হিটলার= জার্মানি। । ও নেই মানে জার্মানির কোনো অস্তিত্ব নেই।
  • S | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:১৪419239
  • ভগৎ সিং মার্ক্সিস্ট ছিলেন না?
  • lcm | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:১২419238
  • বাম বলতে, এই মুহুর্তে ভারতে বাম বলতে যেটি প্রধান দল, অর্থাৎ সিপিএম পার্টি - সেটি তো তৈরি হয় ষাটের দশকে (১৯৬৫ বোধহয়)। সুতরাং, স্বাধীনতা আন্দোলনে তাদের ভূমিকার প্রশ্ন নেই।

    আর, সিপিআই দলটি প্রতিষ্ঠা হয় বিশের দশকে, তারা প্রাথমিকভাবে উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন মার্ক্সিজ্‌ম্‌-লেনিন্‌জ্‌ম তত্ত্বে। সেই সংগঠন বৃটিশ-বিরোধী তো ছিল বটেই, বৃটিশের চোখে বেআইনি। তবে শুরুর দিকে অগোছালো ছিল সংগঠন।

    এছাড়া, আর বাকীটা মানিক বলে দিয়েছে, ব্যক্তি হিসেবে অনেকেই বৃটিশের বিরুদ্ধে লড়ে জেল খেটেছেন, ইত্যাদি।
  • | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৩419237
  • ও হে আটোজ কোথায় গেলে?
  • অর্জুন | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০২419236
  • '৩৯ এ ত্রিপুরী কংগ্রেসের ঘটনার পরে সুভাষচন্দ্রের পিঠ ঠেকে গিয়েছিল, এ ব্যাপারে সন্দেহ নেই। ফরোয়ার্ড ব্লক তো আমার মনে হয় নামকা-ওয়াস্তে গঠন করা। ওটা নিয়ে ওঁর বিশেষ আশা- ভরসা ছিলনা।

    এখন যেমন বিজেপিকে হঠাতে আমি যেকোনো পার্টিকে সমর্থন করতে পারি (সিপিএম দের করব কিনা জানিনা, করলেও with stringent terms and conditions) সুভাষচন্দ্রেরও তাই হয়েছিল। এখানে হাঁপিয়ে উঠেছিলেন প্লাস ভিয়েনায় রয়েছেন এমিলি শেংকেল।
  • অর্জুন | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:৫৬419235
  • বাহ! নেতাজী বিতর্ক জমে উঠল আমার হাত ধরেই! ঃ-)

    বাড়িতে গেস্ট ছিল তাই অনলাইন হতে পারিনি। দু পেগ খেয়েছি, জানিনা কতক্ষণ অনলাইন থাকব!

    নেতাজীর মধ্যে একটা স্ববিরোধিতা তীব্র ছিল এবং তার রাজনৈতিক পরিকল্পনা একেবারেই বাস্তব সম্মত ছিল না অনেক সময়ে।

    ১৯৩৪ র জুনে নেতাজী যখন মান্দালয়ের জেল থেকে মুক্তি পেয়ে বেশ অসুস্থ হয়ে চিকিৎসার খাতিরে ইউরোপ গেলেন তখন এক বছর মত হয়েছে হিটলার পাওয়ারে এসেছে। নেতাজী সেবার জার্মানি নয় অস্ট্রিয়ায় ছিলেন, রাজধানী ভিয়েনা শহরে। অস্ট্রিয়া, জার্মানি একেবারে প্রতিবেশী দেশ। নাৎসীদের প্রকৃত স্বরূপ তখনো চেনা যায়নি। সুভাষ বাবু মেজদাদাকে নাৎসীদের কর্ম তৎপরতা ও সামরিক ব্যবস্থার প্রশংসা করেছেন কিন্তু দুবছর না ঘুরতেই ফুহেরারের আসল মুখটা আন্দাজ করতে পেরেছিলেন। খুব সম্ভবত একটা সংবাদ পত্রে নাৎসীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদও করেন।

    সুভাষ বাবুর বেশ কিছু ইউরোপীয় বান্ধবী ছিলেন এবং সকলেই খুব গুণী মহিলা। তার মধ্যে কেউ অপেরা সিঙ্গর, তো কেউ সাংবাদিক। এঁদের নিয়ে একটা ইণ্ডো- অস্ট্রিয়ান সোসাইটিও গড়েছিলেন। ওখানে এক চেক মহিলা ছিলেন। তিনি পরে নেতাজী ভবনে ওরেশন দিতেও আসেন। সেই মখিলা নাকি বলেছিলেন সেই '৩৫। '৩৬ সালেই নাকি সুভাষচন্দ্র তাকে ও তার স্বামীকে অস্ট্রিয়া ছেড়ে মার্কিন মুলিকে চলে যেতে বলেন, বলেছিলেন জার্মানি সে কোনো মুহূর্তে অস্ট্রিয়া ও ইউরোপের অন্যান্য দেশ আক্রমণ করবে এবং হিটলারের সব ডিসেন্টারদের ইহুদীদের মতই পরিণতি হতে পারে!

    সেই সুভাষচন্দ্র তার পাঁচ বছর পরে জার্মানি গেলেন নাৎসীদের সঙ্গে হাত মেলাতে!
  • sm | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:৫৫419234
  • অর্ধ সত্যের চর্চা।তখনকার দিনে বন্দী সোলজার দের ওপর অত্যাচার পৃথিবীর প্রায় সব দেশ ই করতো।এখন ও করে।
    তবে এটা ঠিক,ব্রিটিশ রা দুশ বছর দেশ কে পরাধীন রেখেছিল।
    জাপ সরকার বন্দী ইন্ডিয়ান সোলজার দের মুক্তি দিয়েছিল।
    ব্রিটিশ দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গেলে,কাদের নিয়ে যুদ্ধ করতো? গুপী বাঘা কে নিয়ে?
    এই জন্যই বুঝি বামেরা সমর্থন করেছিল,যাতে ইন্ডিয়ান সোলজার গণ ব্রিটিশ দের হয়ে,জাপানী দের সঙ্গে যুদ্ধ করে।
    পরে যখন ইন্ডিয়ান সোলজার রা যুদ্ধ বন্দ্দী হন,তখন তাঁদের জন্য কোন কিছু না করে, তাদের উদ্ধার করেছিলেন যে ব্যক্তি, তাকে তো তোজোর কুকুর সম্মোধন করাই যায়!
    আবার জাপান যে ইন্ডিয়া কে কলোনী বানিয়ে আরো খারাপ অবস্থা করে দিতো বা জার্মানির সঙ্গে ক্ষমতার বাটোয়ারা হতো,এসব অলীক সুখের কল্পনা বামেরা ছাড়া আর কাদের মাথা থেকে আসবে?
    যার আর একটা ক্ষুদ্র প্রতিফলন দেখা গেছে সাম্প্রতিক পরমাণু চুক্তির জন্য সরকার ফেলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে।
  • মানিক | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:৫১419233
  • ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে বামেদের ভূমিকা নিয়ে লেখার যোগ্যতা আমার নেই। তবে কমিউনিস্ট নেতাদের অনেকেই স্বাধীনতা সংগ্রামী। ডাঙ্গে, মুজাফফর আমেদ, গণেশ ঘোষ, লক্ষী সায়গল আরো অনেক অনেক নাম।
  • | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:৪৪419232
  • আচ্ছা আপনার বক্তব্য শুনলাম।

    এবার একটু অন্য প্রশ্ন মানিক বাবু, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনেে বাম দের ঠিক কী ভূমিকা ছিল। এ ব্যাপারে আমি
    জানি না। কিন্তু জানতে চাই
  • | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:৩৮419231
  • পিটি দা, আগ্রাসী জার্মানি কে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হবে কিনা নিশ্চয়ই বিবেচ্য বিষয়। কিন্তু
    আমরা তো আমাদের ইমিডিয়েট বেনেফিট দেখবো ( পুর্ন স্বরাজ)। আর নাথিং কামস ফ্রী!!
  • মানিক | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:৩৪419230
  • ব বাবু, জাপানীদের সাথে সুভাষ বসুর মৈত্রী নিয়ে অনেকগুলো কথা আছে।

    এক, তখনকার জাপানী সরকার একটি ফ্যাসিস্ট সরকার। যুদ্ধে জিতলে তারা ভারতকে তাদের কলোনী হিসেবে রাখত সেটা নিয়ে সন্দেহের জায়গা খুব কম। যে সমস্ত এশীয় দেশ জাপানীরা জয় করতে পেরেছিল তার সব কটিতেই জাপানীরা কলোনিয়াল শক্তি হিসেবে অকথ্য অত্যাচার করেছিল। ভারতে আন্দামান নিকোবরে জাপানীরা কিছু কম অত্যাচার করেনি। সেগুলো খুব ভালোভাবেই ডকুমেন্টেড। কাজেই জাপানের সাথে বন্ধুত্ব করে ভারতের স্বাধীনতার চেষ্টা রাজনৈতিক অপরিপক্কতার পরিচয়। কুকুর ইত্যাদি বলে ব্যক্তিগত আক্রমণ গ্রহণযোগ্য নয় অবশ্যই। যতদূর জানি এই কুকুর কথাটা একটা কার্টুনে ছিল, সিরিয়াস রাজনৈতিক আলোচনায় নয়। কিন্তু মোদ্দা কথা হল, সুভাষ বোসের আত্মত্যাগ যাই হোক, রাজনৈতিক অপরিপক্কতা দর্শনীয়।

    দুই, দ যেটা বলেছেন। এই তোজোর কুকুরের কথাটা বারেবারে তোলাটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। নেতাজীর প্রতি শ্রদ্ধার চেয়ে কমিউনিস্ট বিরোধীতাই এর কারণ। তা না হলে কংগ্রেসের নেতাজী বিরোধিতা নিয়ে অনেক বেশী কথা হত।

    তিন, এই কুকুর কথার প্রচারকদের বস্তুনিষ্ঠ ঐতিহাসিক ভাবারও কোন কারণ নেই। গান্ধীর রেসিস্ট আচরণ নিয়ে কথা তুলতে এদের বড়ই অনিচ্ছা।

    এইটুকুই।
  • lcm | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:৩১419229
  • নেতাজি স্তালিনের কাছেও হেল্প চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন -
    Netaji wrote two letters to Russian Communist leader Joseph Stalin, seeking help to fight against the British. One was in 1941, and the other in 1943. However, he didn’t receive any response.

    এর আগে, ১৯১৯-১৯২১ সালে যখন নরেন ভট্টাচার্য (এম এন রায়) যখন মস্কো-তে গিয়ে লেনিন-এর সঙ্গে দেখা করেন, এবং গান্ধীর বৃটিশ বিরোধিতার পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন করেন, তখন লেনিন তাকে বলেন - “Is Gandhi opposing British imperialism or not? If the answer is ‘yes’, you have to work with him.”
  • | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:২৬419228
  • এস এম দা, @১১ঃ১৯ স্পট অন।
  • PT | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:২১419227
  • সম্পক্ক আছে।
    ব্রিটিশকে ভাগাতে গিয়ে জারমানিকে সুবিধে করে দেওয়া হয়ে যাবে কিনা সেটা একটা বিরাট কনসার্ন ছিল।
    অমাদের অবিশ্যি এখন বিরাট স্প্যানে ভাবা মুশকিল। বহুদিন ধরে লালু-আরাবুল-কেষ্টা ইত্যাদির আলোচনা করতে করতে অনেকগুলো প্যারামিটার নিয়ে ভাবার অব্বেশটাই চলে গিয়েছে।
  • sm | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:১৯419225
  • নেতাজী স্বাধীনতা প্রেমী।২০০বছর ব্রিটিশ দের আন্ডারে থাকা ভারত কে স্বাধীনতা দেবার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
    ওই সময় ব্রিটিশ দের শত্রু হলো জাপান ও জার্মানি।
    ব্রিটেন এর মতো শক্তির সঙ্গে যুদ্ধ করতে গেলে জাপান ও জার্মানির সাহায্য লাগবে, এতো জানা কথা।
    যদ্দুর জানি ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি গঠন করেন রাসবিহারী বসু।
    উনি ছিলেন জাপানী সমর নেতাদের ঘনিষ্ঠ।ওনার কৃতিত্বেই মালয় ও বর্মা ওয়ারে বন্দী ইন্ডিয়ান সোলজার দের মুক্তি দে য় জাপ সরকার। যেটা পরে আই এন এ বলে পরিচিত।
    অর্থাৎ রাসবিহারী বসু না থাকলে ইন্ডিয়ান ন্যাশণাল আর্মি তৈয়ারী হতো না।
    উনিই সুভাষ বোস কে জাপানে আমন্ত্রণ করেন। যোগ্য উত্তরসূরী হিসাবে সুভাষের হাতে আই এন এ র পুরো দায়িত্ব তুলে দেন।
    এই নেতাজী কে তোজো র কুকুর বামেরা বলবে না তো কে বলবে?
  • | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:১৯419226
  • আচ্ছা বুঝলাম, পিটি দা @ ১১ঃ১৪।

    মুখে কুলুপ আঁটলুম।
  • | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:১৬419224
  • দু দি কলকাতায় কতদিন? বেলুড় মঠে আসবে নাকি?
  • | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:১৫419223
  • দেখুন নেতাজীর জনপ্রিয়তা, নেতৃত্ব
    দেবার ক্ষমতা আরো অনেক গুনের জন্যে নেহেরু আর তার পরমপিতা গান্ধী এক সময় নেতাজী কে ভয় করতে শুরু করেন। অনেক কায়দা করে নেতাজী কে সাইড লাইন করে দেন। এত সবার জানা সত্য। একথা কেউ কি অস্বীকার করেছে?

    কিন্তু তার সাথে বাম দলের আরেক টি ঐতিহাসিক ভুলের ঠিক কীরকম সম্পর্ক ঠিক বোধগম্য হচ্ছে না।
  • PT | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:১৪419222
  • খচিনি।
    নেতাজী-সিপিএম-তোজো এই তক্কটি এতটাই ক্লিশে যে সেই তুলনায় সিঙ্গুর- ন্যানো-সিপিএম অনেক বেশী সপ্রতিভ দেখায়!!
  • | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:০৮419221
  • পিটি দা, খচে গেছেন। আমাকে বাবু বলছে!!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত