এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ৩০ আগস্ট ২০১৯ ০১:১১417960
  • মোটে দু'জনে আর কী বা করবে? সপ্তরথী দিয়ে ঘিরলে নাহয় কথা ছিল একটা। ঃ-)
  • এলেবেলে | ৩০ আগস্ট ২০১৯ ০১:০৫417959
  • কুরুক্ষেত্র ঘটবে এবারে! ওই আম্বেদকরের ব্যপারে অমর্ত্য-আশিসের বক্তব্য অর্জুন না জানালে!! ভারী ভরকম নাম আউড়ে পালিয়ে যেতে দোবো না!!!
  • Atoz | ৩০ আগস্ট ২০১৯ ০০:৫৭417958
  • ভীষ্মের সাত দাদা। আহা। সবাই থাকলে কতই না ভালো হত। কত আগেই কুরুক্ষেত্র কান্ড ঘটে যেত। ঃ-)
  • এলেবেলে | ৩০ আগস্ট ২০১৯ ০০:৪৮417957
  • মহাভারতে অষ্টবসুর জন্ম বিবরণ:

    হস্তিনা-নগরে রাজা শান্তনু হইল।
    ক্রমে তাঁর গুণরাশি পৃথিবী পূরিল।।
    ধর্ম্মেতে ধার্ম্মিক রাজা মহা-ধনুর্দ্ধর।
    মগৃয়া করিয়া ভ্রমে বনের ভিতর।।
    জাহ্নবীর দুই তটে ভ্রমে রাজা একা।
    পাইল দৈবাৎ তথা জাহ্নবীর দেখা।।
    পদ্মের কেশর-বর্ণ সুসিক্ত বসনা।
    রূপেতে নিন্দিত যত বিদ্যাধরাঙ্গনা।।
    আশ্চর্য্য কন্যার রূপ শান্তনু দেখিয়া।
    জিজ্ঞাসিল নরপতি নিকটেতে গিয়া।।
    কে তুমি দেবের কন্যা অপ্সরী কিন্নরী।
    কিম্বা নাগকন্যা হও কিম্বা বিদ্যাধরী।।
    অনুপম রূপরাশি, বর্ণিতে না পারি।
    তোমাতে মজিল মন, হও মোর নারী।।
    কন্যা বলে, ভার্য্যা রাজা হইব তোমার।
    একটী নিয়ম তবে আছে যে আমার।।
    আমার নিয়ম যদি করিবে পালন।
    তবে পরপতি আমি করিব বরণ।।
    আপন ইচ্ছায় আমি করিব যে কাজ।
    আমারে নিষেধ না করিবে মহারাজ।।
    যে যদি বলিবে মোরে কোন কুবচন।
    সে দিন হইতে নাহি পাবে দরশন।।
    ত্যাগ করি তোমারে যাইব নিজ স্থান।
    স্বীকার করিল রাজা তাঁর বিদ্যমান।।
    যা কিছু তোমার ইচ্ছা কর নিজ সুখে।
    কখন নিষেধ-বাক্য না আনিব মুখে।।
    রাজার বচনে গঙ্গা স্বীকার করিল।
    গঙ্গারে লইয়া রাজা হস্তিনা আইল।।
    দিব্য রত্ন ভূষণ বসন আনি দিল।
    যতনে ভার্য্যার মন তুষিতে লাগিল।।
    অনুগত হইয়া থাকেন নরপতি।
    মনোসুকে কেলি করে গঙ্গার সংহতি।।
    মুনি-শাপে বসুগণ জন্ম নিল আসি।
    জন্মিল গঙ্গার পুত্র লয়ে গঙ্গা গেল গঙ্গাজলে।
    জলেতে ডুবিয়া মর পুত্র প্রতি বলে।।
    দেখিয়া শান্তনু হৈল বিরস বদন।
    ভয়েতে গঙ্গারে কিছু না বলে বচন।।
    তবে কত দিনে আর এক পুত্র হৈল।
    সেই মত করি গঙ্গা জলে ডুবাইল।।
    পূর্ব্ব সর্ত ভয়ে রাজা কিছু নাহি বলে।
    নিরন্তর দহে তনু পুত্র শোকানলে।।
    এক দুই তিন চারি পাঁচ ছয় সাত।
    একে একে গঙ্গাদেবী করিল নিপাত।।
    পুত্রশোকে শান্তনুর দহে কলেবর।
    কত দিনে হৈল জন্ম অষ্টম কুমার।।
    পুত্র লৈয়া গঙ্গাদেবী যায় নিজ জলে।
    ক্রুদ্ধ হৈয়া নরপতি গঙ্গা প্রতি বলে।।
    কেমন মায়াবী তুমি এলে কোথা হৈতে।
    তব সম নিন্দিতা না দেখি পৃথিবীতে।।
    আপনার গর্ভে যেই জন্মিল কুমার।
    কেমনে এমন পুত্রে করিলা সংহার।।
    পাষাণ শরীর তব বড়ই নির্দ্দয়।
    এত বলি কোলে নিল আপন তনয়।।
    গঙ্গা বলে, পুত্র বাঞ্ছা কৈলে নরপতি।
    পূর্ব্বের নিয়ম পূর্ণ হৈল মহামতি।।
    তোমায় আমায় আর নাহি দরশন।
    এ পুত্র পালিহ রাজা করিয়া যতন।।
    এবে পরিচয় মম দিব নরপতি।
    আমি হই জাহ্নবী ত্রিলোকে মোর গতি।।
    আমার উদরে যত হৈল পুত্রগণ।
    বশিষ্পের শাপে এই বসু অষ্টজন।।
    মুনি-শাপে বসুগণ হইয়া কাতর।
    আমারে মিনতি করি মাগিলেন বর।।
    গর্ভেতে ধরিব বলি করি অঙ্গীকার।
    সে কারণে হইলাম বণিতা তোমার।।
    রাজা বলে, কহ শুনি পূর্ব্ব-বিবরণ।
    বসুগণে বশিষ্ঠ শাপিল কি কারণ।।
    গঙ্গা বলে, সেই কথা শুন নরপতি।
    বরুণের পুত্র সে বশিষ্ঠ মহামতি।।
    হিমালয়-পর্ব্বতে মুনির তপোবন।
    নানা-ফল-ফুলেতে শোভিত তরুগণ।।
    দক্ষকন্যা সুরভি সে কশ্যপ-গৃহিণী।
    কামদুঘা ধেনু হৈল তাহার নন্দিনী।।
    সেই ধনু প্রাপ্ত হৈল বরুণ-নন্দন।
    বৎসের সহিত থাকে মুনির সদন।।
    দৈবে একদিন তথা বসু অষ্টজন।
    ভার্য্যার সহিত তথা করিল গমন।।
    আপন আপন ভার্য্যা সহ অষ্টজনে।
    ক্রীড়া করি ভ্রমে সবে মুনির কাননে।।
    দিব্যবসু-ভার্য্যা কামদুঘা গবী দেখি।
    একদৃষ্টে চাহে কন্যা অনিমিখ-আঁখি।।
    সুন্দর দেখিয়া গবী কহিল স্বামীরে।
    কাহার সুন্দর গবী দেখ বনে চরে।।
    দিব্যবসু বলে এই বশিষ্ঠের গবী।
    কশ্যপের অংশে জন্ম জননী সুরভি।।
    ইহার যতেক গুণ কহনে না যায়।
    এক পল দুগ্ধ যদি নরলোকে পায়।।
    পান কৈলে জীয়ে দশ সহস্র বৎসর।
    সুচির যৌবন থাকে, শরীর নির্জ্জর।।
    স্বামীর বচন শুনি বলিল সুন্দরী।
    এ গবীর দুগ্ধ যদি হয় হিতকারী।।
    নরলোকে সখী এক আছয়ে আমার।
    উশীনর-কন্যা জিতবতী নাম তার।।
    তাহার কারণে তুমি গবী দেহ মোরে।
    যদ্যপি থাকয়ে স্নেহ তোমার আমারে।।
    বিনয় করিয়া কন্যা বলে বারে বারে।
    স্ত্রীবশ হইয়া বসু ধরিল গবীরে।।
    ভার্য্যা-বোলে গবী ধরে, পাছে না গণিল।
    কামদুঘা ধেনু লয়ে নিজ গৃহে গেল।।
    কতক্ষণে মুনিবর আইল আশ্রমে।
    গবী না দেখিয়া মুনি তপোবন ভ্রমে।।
    না পাইল গবী মুনি, ভ্রমিল বিস্তর।
    গবীর বিহনে হৈল ব্যথিত অন্তর।।
    ধ্যান করি দেখে তবে বরুণ-নন্দন।
    জানিল হরিল গবী বসু অষ্টজন।।
    ক্রোধেতে বশিষ্ঠ শাপ দিল ততক্ষণে।
    মনুষ্য হইয়া জন্ম লহ অষ্টজনে।।
    বশিষ্ঠ দিলেন শাপ, শুনি বসুগণে।
    করযোড়ে স্তুতি করে মুনি বিদ্যমানে।।
    মুনি বলে মোর বাক্য না হয় খণ্ডন।
    বৎসরেক গর্ভবাসে রবে সাতজন।।
    বৎসরে বৎসরে ক্রমে হইবে মুকতি।
    সবে না হইবে তাহে একই সুকৃতি।।
    তোমা সবা মধ্যে গবী নিল যেই জনে।
    নরলোকে রহি মুক্ত হবে বহুদিনে।।
    মুনিশাপে বসুগণ হইয়া কাতর।
    স্তুতি করি আমারে মাগিল এই বর।।
    জন্মমাত্র আমা সবে ডুবাইবে জলে।
    অঙ্গীকার করিলাম তা সবার বোলে।।
    সে কারণে ভার্য্যা আমি হৈলাম তোমার।
    এই তো কুমার রাজা বসু-অবতার।।
    মায়ের বিহনে পুত্র দুঃখিত হইবে।
    সে কারণে আমার সহিত পুত্র যাবে।।
    পালিয়া সুতে পুনঃ যৌবন সঞ্চারে।
    তোমারে আনিয়া দিব কত দিনান্তরে।।
    এত বলি সুত লৈয়া হৈল অন্তর্ধান।
    কান্দিতে কান্দিতে রাজা গেল নিজস্থান।।
    মহাভারতের কথা অমৃত-সমান।
    কাশীরাম দাস কহে, শুনে পুণ্যবান।।
  • এলেবেলে | ৩০ আগস্ট ২০১৯ ০০:৪৫417956
  • আমি একবারের জন্যও বলিনি যে, আম্বেদকর কাস্ট নিয়ে শেষ কথা বলার অধিকারী। আমি যেটা বলতে চেয়েছি সেটা হল সেই বইয়ের ভূমিকা কে লিখলেন তা আমার কাছে ম্যাটার করে না। করে না কারণ আমি মূল বইটার শরণাপন্ন হব, ভূমিকা লেখকের নয়। বরং আমি প্রায় দু'ঘন্টা আগে থেকে জানতে চাইছি এ ব্যাপারে অমর্ত্য-আশিসের বক্তব্যের নির্যাস। আপনি কি জানাবেন আমাদের?
  • অর্জুন | ৩০ আগস্ট ২০১৯ ০০:৩৯417955
  • ওন দ্য কন্ট্রারি আমার 'বোধ' বলছে আপনি যথেষ্ট ওয়াকিবহাল, সম্ভবত মত বিনিময় চাইছেন। বইটিতে আম্বেদকরের কাস্ট নিয়ে কথা শেষকথা হলে কাস্ট নিতে গান্ধীর নিজের কথাই শেষ হওয়া উচিত। তাহলে 'অমর্ত্য-আশিস' কেউই ম্যাটার করছেনা। আমার মত সাধারণ পাঠককে ভূমিকা বেশ সাহায্য করে মূল বিষয়ে ঢুকতে।

    টইয়ে হই চই সব সময়ে স্বাগত।
  • র২হ | ৩০ আগস্ট ২০১৯ ০০:৩১417954
  • এই বসুরাই তো বোধয় ভীষ্মের জলে ফেলে দেওয়া ভাই সব। অমর চিত্র কথায় ছবি ছিল সব হাঁস হয়ে উড়ে যাচ্ছে।
  • এলেবেলে | ৩০ আগস্ট ২০১৯ ০০:১৮417953
  • @আলফা, একে তাকে জিজ্ঞাসা না করে সংসদের অভিধানটা খুললেই পেয়ে যেতেন। মহাভারতে এঁদের জন্মবৃত্তান্ত আছে যদিও তা সামান্য আলাদা।
  • এলেবেলে | ৩০ আগস্ট ২০১৯ ০০:০৮417952
  • সে সব যে আমি আদপেই জানি না সেটা ধরে নেওয়া 'বোধহয়' ঠিক নয়। অমর্ত্য-আশিস আম্বেদকর-গান্ধী বিতর্কে ঠিক কী লিখেছেন আমাদের জানান। বইয়ের ভূমিকা কে লিখবেন তা নিয়ে আমার অন্তত মাথাব্যথা নেই। আম্বেদকরের মূল লেখাই যথেষ্ট। আমি অমর্ত্য-আশিসের বক্তব্যটা জানতে চাইছি। দরকার হলে আলাদা টই খুলুন। অযথা নেমড্রপিং করে লাভ নেই। হ্যাঁ, পারলে রামচন্দ্র গুহের মতটাও জানাবেন।
  • অর্জুন | ৩০ আগস্ট ২০১৯ ০০:০১417951
  • @Ela 'ওপেন টু অল' বলতে আমি বুঝিয়েছি ডিসিপ্লিন যদি ইন্টারপ্রিটেটিভ হয় তাহলে সেই বিষয়ের বিশেষজ্ঞ ছাড়াও অন্যান্য লেখকদের সুযোগ থাকছে নিজের পারস্পেকটিভ দেওয়ার।

    @এলেবেলে, গান্ধীর কাস্ট ডিসকোর্স নিয়ে বলার যোগ্যতম ব্যক্তি কে এটা আমি সঠিক বলতে পারছিনা। অমর্ত্য সেন গত দুদশক ধরে গান্ধী বিষয়ে তাঁর লিখিত ও মৌখিক বক্তব্য রেখেছেন বিভিন্ন জায়গায়। ইন্টারেস্টিংলি উনি গান্ধীর সমালোচনা ও অ্যাডমিরেশন দুটোই করেছেন। তাতে আমার মনে হয়েছে এই বইটিতে তিনি একটি ভূমিকা অনায়াসে লিখে দিতে পারতেন। আশিস নন্দী একজন নোটেড সমাজতাত্ত্বিক। গান্ধী নিয়ে প্রচুর কাজ করেছেন। অপ্রাসঙ্গিক হলেও বলছি ইন্টারেস্টিংলি তাঁর গডসেকে নিয়েও একটি ভাল গবেষণা আছে। তবে এঁদের দুজনের গান্ধীর কাস্ট ডিসকোর্স নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে হলে একটি টইয়ের প্রয়োজন।
  • এলেবেলে | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৫৬417950
  • প্রায় দেড় ঘন্টা আগে জানতে চেয়েছি গান্ধী- আম্বেদকর কাস্ট ডিসকোর্সের ভূমিকা সম্পর্কে আশিস নন্দী এবং অমর্ত্য সেন কী বলেছেন। অর্জুন কি জানাবেন?
  • Ishan | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৫৩417949
  • পঞ্চবাণ। থ্যাংকু।
  • অর্জুন | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৪৭417948
  • আজ পর পর অনেকগুলো মেসেজ করতে হচ্ছে।

    ‘ফাইনালি, সাগরিকা ঘোস, পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ জার্নালিস্ট দের মধ্যে একজন, যে কোনো আলোচনা ই যে ডিনারের সময়্কার আড্ডা র ভাষায় দেওয়া যায় না, এটা ওঁকে কেউ বোঝায় নি’।

    এ ব্যাপারে দ্বিমত নই একেবারে। সাগরিকা এ কথাটা বলেছিল মধু ত্রেহানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে। তার বক্তব্য অনুযায়ী অরুন্ধতী যখন তার প্রথম উপন্যাসের পরে বিখ্যাত হয়েছেন সেই সময় মিডিয়ায় তাকে যারা প্রাসঙ্গিক করছেন সাগরিকা তাদের মধ্যে একজন। যাইহোক অরুন্ধতী যে সময়ে পাব্লিক ডিসকোর্সে ঢুকছেন সেই সময় ‘সেক্সি ইন্টেলেকচ্যুয়াল’ ব্যাপারটা কিন্তু খুব ইম্পরট্যান্ট ছিল তরুণ প্রজন্মের বা বলা যায় অরুন্ধতী ইণ্ডিয়ান মেট্রোপলিসের মধ্যে যে কস্মোপলিটন বলয়ের মধ্যে অ্যাডমায়ার্ড হচ্ছেন। সাগরিকার মন্তব্য বলেই নয়। আমি এটাকে কিন্তু কমপ্লিমেন্ট বলেই দেখব। ঐ বলয়টা অরুন্ধতীকে গ্রহণ করেছিল এবং অরুন্ধতীও সেই বলয়টার খিদে কেটার না করে স্বাধীন ভাবে কলম চালিয়ে অন্য একটা সাহিত্যের স্বাদ গ্রহণে সাহায্য করেছেন। জানিনা ঠিক বোঝাতে পারলাম না। এই পারস্পারিক ব্যাপারটার সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হল যে এটা দ্বিপাক্ষিক ভাবেই ভেসটেড নয়। এখানে একটা ডায়লগের সুযোগ ঘটেছে। অরুন্ধতী কি লিখবেন সেটা এই আরবান ক্রাউড ঠিক করে দেবেনা। তারা পড়ে কি ভাবে রিঅ্যাক্ট করবে তাতে অরুন্ধতীর কিছু হাত নেই।

    লাস্ট বাট নট দ্য লিস্ট, কমিউনিজমের মরা গাঙে আপনি যাদের নাম করলেন ‘অরুন্ধতি, যোগেন্দ্র যাদব আর সম্ভবত প্রকাশ আম্বেদকর’ বিশেষত প্রথম দুজনই কিন্তু অনেকটাই কমিউনিজমকে জিইয়ে রাখলেন তার কঠোর সমালোচক হয়েও।

    @খ বাবু, এই টুকু এক্সপেক্ট করব আমার কষ্ট করে লেখা মতামত গুলো পড়ে আপনার মতামত জানাবেন। ঃ-)
  • আলফা | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২৩:০৭417947
  • অসংখ্য ধন্যবাদ @এলেবেলে। বহু বছর ধরে একে তাকে জিজ্ঞেস করেছি কিন্তু উত্তর পাই নি। আজ পেলাম।
  • এলেবেলে | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২৩:০৫417946
  • যথাক্রমে সম্মোহন, উন্মাদন, শোষণ, তাপন, স্তম্ভন। চলন্তিকা অনুযায়ী।
  • এলেবেলে | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২৩:০৩417944
  • পঞ্চবাণ - মদনের
  • Ekak | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২৩:০৩417945
  • এরো।
  • Ishan | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২২:৫৮417943
  • পাঁচে কী মনে পড়ছেনা কেন?
  • এলেবেলে | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২২:৫২417942
  • দক্ষকন্যা বসুর আট পুত্র - ভব, ধ্রুব, সোম, বিষ্ণু, অনিল, অনল, প্রত্যুষ আর প্রভাস।
  • আলফা | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২২:৪৭417941
  • আচ্ছা, একে চন্দ্র, দুইয়ে পক্ষ, তিনে নেত্র, চারে বেদ ইত্যাদি ইত্যাদির পর আটে অষ্টবসু। এই অষ্টবসু টা কি জিনিস কেউ বলতে পারবেন?
  • এলেবেলে | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২২:৩৪417940
  • অর্জুন লিখেছেন --- "গান্ধী- আম্বেদকর কাস্ট ডিসকোর্সের ভূমিকা লেখার অনেক উপযুক্ত লেখক আছেন- যাদের নাম মনে পড়ছে আশিস নন্দী, যোগেন্দ্র যাদব, অমর্ত্য সেন, রাম গুহ, গোপালকৃষ্ণ গান্ধী এবং অন্যান্য।" আমি এঁদের আলোচনাটা সামান্য সংক্ষেপে জানতে চাই বিশেষত আশিস নন্দী এবং অমর্ত্য সেন-এর। অর্জুন কি জানাবেন আমাদের?
  • অর্জুন | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২২:১৭417939
  • 'অরূনধতি একজন ব্য ক্তি, রাষ্ট্র নন, রাষ্ট্রের প্রতি নিধি ও নন। '

    একদম ঠিক। তিনি কোন দেশের পক্ষ নিয়ে বলবেন এবং কার বিপক্ষে সেটাও সম্পূর্ণ তার। কিন্তু উদাহরণ হিসেবে তিনি এমন একটি দেশের উল্লেখ করেছেন যে সবচেয়ে বড় ভারত শত্রুও খুব কনফিডেন্টলি এটায় সায় দিতেও দ্বিধা করবেন। অরুন্ধতী এটা তার বাড়ির সান্ধ্য আলোচনায় কফি খেতে খেতে বলেননি। একটা প্যানেল ডিসকাশনে বলেছেন। এটাও যদি ধরে নিলাম যে তিনি কনফিডেন্টলি বলেছিলেন এবং এখানে অ্যাপলজির মত বিষয় আসতেই পারেনা তাহলে এখনও সেই কনফিডেন্স পূর্ণ ভাবে রেখে
    দিতে পারতেন, অ্যাপলজির দরকার ছিল না।

    আট বছর আগে বলেছিলেন
    Indian state has deployed its Army against people in regions including Kashmir, the northeast, Telangana, and Goa. “…Pakistan has not deployed its army against its people the way India has…”,

    এখন বললেন
    She added that she has been clear about her views on Pakistan’s actions through her writings.

    তারপরেই আবার বলছেন Roy clarified that at some point in their lives, people inadvertently “say something thoughtless or stupid”.

    অবশেষে “Still, it is a matter of enormous consequence and I apologise for any momentary confusion the clip may have caused.”

    এই অতি কথনে অবস্থাটা সত্যিই টালমাটাল তার এবং ছিদ্রান্বেষীদের সুবর্ণসুযোগ।

    অরুন্ধতী আমার অন্যতম প্রিয় লেখিকা ও ব্যক্তিত্ব। আশা করব, তিনি এই সংকট কাটিয়ে উঠবেন শিগগিরি।
  • অর্জুন | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২১:৩৩417938
  • Annihilation of caste বইয়ে তার ভূমিকা doctor and the saintর ওপর একটি অ্যামেরিকান টেলিভিশন অরুন্ধতীর সাক্ষাৎকার নিয়েছিল। অত্যন্ত আশ্চর্যের ইন্টার্ভিউয়ার অলমোস্ট বইটা সম্পর্কে কোনো হোমওয়ার্ক ছাড়াই ইন্টার্ভিউ নিলেন। সেখানে অরুন্ধতী স্বাভাবিক ভাবেই গান্ধীর কাস্ট ডিসকোর্স নিয়ে তার নেতিবাচক মতামত প্রকাশ করে গেলেন। সমস্যা সেখানে একেবারেই নয়। কিন্তু এর পরেই ইন্টার্ভিউয়ার ডিরেক্টলি চলে গেলেন গান্ধী মহিলাদের মতামত ছাড়াই নগ্ন হয়ে তাদের সঙ্গে শয়ন করতেন। এই জায়গায় চলে আসার পরেই আলোচনাটা লক্ষভ্রষ্ট হয় এবং ডিসপিউটেড হয়ে যায়। আলোচনা গান্ধীর পুরো জীবন নিয়ে ছিল না, ছিল না তাঁর ব্যক্তিগত জীবনচর্যা বা সেক্সচ্যুয়ালিটি সংক্রান্ত, তাহলে এই প্রসঙ্গ আসে কি করে! অরুন্ধতী কিন্তু উত্তর দিয়ে গেলেন। একজন অডিয়ান্সের মনে হতেই পারে she is all set to demoralise Gandhi (in whatever way possible।

    অরুন্ধতীর ঐ চ্যানেলকে এ ব্যাপারে আপত্তি জানানো উচিত ছিল। ইন্টার্ভিউটা এডিট করার বিশেষ দরকার ছিল বিফর ব্রডকাস্ট।

    এ ব্যাপারগুলো তার মত নামী ব্যক্তিত্বের যথেষ্ট থরো হওয়া উচিত বলেই আমি মনে করি।
  • | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২১:২৩417937
  • এদিকে অনেক দিন থেকেই কথা চলছিল। আজকে তাতে শীলমোহর লেগে গেল।

    ইন্ডিয়ান এয়ার লাইনসের বেসরকারীকরণ।
  • dc | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২১:১৬417936
  • একক :d
  • Ela | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২১:১৪417935
  • গবেষকরা নিজেদের মতামত তো যোগ করতেই পারেন, তাতে কোনও সাবজেক্ট ওপেন টু অল হয়ে যায় না। দিনের শেষে সেই প্রশিক্ষণের ব্যাপারটা থেকেই যাচ্ছে। বৈজ্ঞানিকরাও তো একে অন্যের থিয়োরি পরিবর্ধন, পরিমার্জন করেন।

    রাষ্ট্র, সরকার ও রাজনৈতিক দলের মধ্যে পার্থক্য ঘুচিয়ে দেওয়ার একটা চেষ্টা সতত থাকে। কিন্তু প্রকৃত প্রস্তাবে এ সবই আলাদা এনটিটি। আপনি যতক্ষণ একটা নেশন-স্টেট ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে থাকছেন, ততক্ষণ রাষ্ট্রের বিরোধিতা করা বেআইনি, সোজাসুজি সংবিধান পরিপন্থী। আপনি নিজেও সেই স্টেট ফ্রেমওয়ার্কের একটা পার্ট। কিন্তু সরকারের সমালোচনা করা আইনস্বীকৃত, যতক্ষণ না একটা গণতান্ত্রিক সরকারকে আপনি বেআইনিভাবে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।
  • অর্জুন | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২০:২৩417934
  • আমি কালকেই একটা মেসেজে বলেছিলাম যে হিউম্যানিটিজ বা সোশ্যাল সায়েন্স largely interpretative discipline। এখানে নিশ্চয় থিওরিটিক্যাল প্রশিক্ষণ লাগে, কিন্তু গবেষকরা থিয়োরির মাধ্যমে সেই বিষয়ে তাদের নিজস্ব মতামত, দৃষ্টিভঙ্গি ও ভাবনা যোগ করেন। তাই ক্ষেত্রটা Open to all থাকে। কোনো বিখ্যাত বই নূতন করে যখন পুনঃপ্রকাশ হচ্ছে এবং এখনকার প্রকাশনার রীতি অনুযায়ী (আমি সেই রীতি খুবই পছন্দ করি) বইটাকে পাঠকের কাছে introduce করার জন্যে একটা ভূমিকার প্রয়োজন তখন সেই বিষয়টির ওপর অথরিটি বা তা নিয়ে চর্চা করছেন বহুকাল এমন কোনো গবেষক (known for her/his expertise on the subject) দিয়ে লেখালে ভূমিকাটা নূতন মাত্রা পায়।

    প্রকাশকদের সাধারণত ঝোঁক থাকে এমন কাউকে দিয়ে লেখানো যার খ্যাতি বেশী। আমার ব্যক্তিগত অভিমত এটা একটা সমস্যার। পাঠক নানারকমের কিন্তু তার মধ্যে যদি দুরকমের ধরি, সাধারণ পাঠক এবং স্পেশালাইজড পাঠক, সেখানে ফল দুরকমের এবং এ ক্ষেত্রে ফল ইতিবাচক হয় না। সাধারণ পাঠক অরুন্ধতী রায়ের কথাকে বেদ বাক্যের মত মানবেন এবং গান্ধীর কাস্ট কনসেপ্ট নিয়ে ভুল ধারণা করবেন আর স্পেশালাইজড পাঠক নিরাশ হবেন। যদি এও মনে করি এর মাঝামাঝি পাঠকও আছে কিন্তু বিষয়টার ওপর অরুন্ধতীর চর্চা সীমিত সেটা তাদের বুঝতে খুব অসুবিধের হবার নয় বা সেটার কোনো এফেক্টই হবেনা। সে ক্ষেত্রেও ফলাফল পজিটিভ হল না। এর আগেও অরুন্ধতী নোয়াম চমস্কী রিডারের ভূমিকা লিখেছিলেন। সে বইয়ের রিভিউ করেছিলেন অশোক মিত্র আউটলুক ম্যাগাজিনে। তিনি একেবারেই সন্তুষ্ট ছিলেন না অরুন্ধতীর লেখা ভূমিকায়।

    গান্ধী- আম্বেদকর কাস্ট ডিসকোর্সের ভূমিকা লেখার অনেক উপযুক্ত লেখক আছেন- যাদের নাম মনে পড়ছে আশিস নন্দী, যোগেন্দ্র যাদব, অমর্ত্য সেন, রাম গুহ, গোপালকৃষ্ণ গান্ধী এবং অন্যান্য।
  • Ekak | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২০:২০417933
  • গান এন্ড শেল টা মনে হচ্ছে কোন গুজ্জু দালালের হাতে যেতে চলেছে। পুরো ঘটি বাটি বেচার স্টাইলে বিক্রী হচ্চে সব।

    ডিসি দেখো যদি এনেইচএআই টা কিনে নিতে পারো ☺️
  • dc | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২০:০২417932
  • একক আর সিএস দুজনের সাথেই একমত। বিশেষ করে এখন যেখানে। একজন ব্যক্তিকে টেরোরিস্ট বলে দাগিয়ে যাচ্ছে।
  • সিএস | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২০:০১417931
  • পাঁচজন কাশ্মীরী ফেসবুকে নাকি ফেক খবর ছড়াচ্ছে, অতএব পুলিশ কেস। আজকেই খবরটা দেখলাম। তাদের পাসপোর্ট নাকি ক্যান্সেল করা হবে ! এই তো দেশের অবস্থা, আইন আর লোকের অধিকার ব`লে কিছু নেই, কমপ্লিট impunity সরকার আর পুলিশের।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত