এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • T | ২৯ মে ২০১৯ ২২:৪২409890
  • ডিডিদা, সিকিদিকে নিয়ে চিন্তা করবেন না। একেবারে হর্সের মাউথের খবর, সে ভালো আছে। বেড়াতে গ্যাচে। দেশের পরিস্থিতিতে একটু হতাশ। আর সমস্তা বাইকাদি ঠিকাচে।
  • অর্জুন অভিষেক | ২৯ মে ২০১৯ ২২:৩৯409889
  • @আতোজ, আছেন ?

    আচ্ছা, @খ, Icm, dd, dc কি নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করছেন ?
  • dc | ২৯ মে ২০১৯ ২১:১৫409888
  • তবে অনন্ত ভালোবাসার ভাইরাসের হাত থেকে উদ্ধার পাওয়া কিন্তু সত্যি খুব মুশকিল। সারা পৃথিবীতে এ ব্যাটা জাল পেতে রেখেছে, একটু অসতর্ক হলেই ভালোবাসার ফ্লু ধরবে তারপর মাথাব্যথা জ্বর হাঁচি লেগেই থাকবে।
  • dd | ২৯ মে ২০১৯ ২০:৪৭409887
  • ফাইদিকে নিয়ে তো সত্তিই আর পারা যায় না।

    ও সব ডাগদার মাক্তারের কম্মো নয়। কামিখ্যাদেবীকে ভালো করে পুজো দিয়ে একটা সর্বরোগহর মাদুলী ধারন না করলেই নয়। কনিষ্ঠাতে তিন ভরির পোখরাজেও বেশ কাজ হয় শুনিচি। এ ছাড়া তো উপায় দেখি না।কাছাকাছি কোনো ভালো ওঝাও নেই?

    আর যেটা নিয়ে বেশ চিন্তিতো, আমাদের সিকি কোথায় গ্যালো?
  • Ishan | ২৯ মে ২০১৯ ২০:৩১409886
  • "সমস্যা হলো এক খানাও শালা প্রপার অপসিশন পার্টি ছিল না তখন যে চৌকিদার চোর হ্যায় বলে চেঁচাবে। "

    কমিউনিস্টরা কেরালায় রাজ্য সরকার গঠন করেছিল। নাম্বুদ্রিপাদ সরকার। অশোক মিত্তির তার অর্থনৈতিক নীতি তৈরি করতে চুপিচুপি কেরালা গিয়েছিলেন। এছাড়াও বর্তমান অন্ধ্রে কমিনুস্টরা খুব শক্তিশালী ছিলেন। রাজ্যটা অবশ্য তখনও তৈরি হয়নি। কিন্তু শ্রীরামালুর অনশনের পর আন্দোলনে কমিউনিস্টরা সক্রিয় ছিলেন। তার পরই অন্ধ্র রাজ্যটি তৈরি হয়।

    আর একটি বিরোধীদল যারা হতে পারত, তারা ছিল মুসলিম লিগ। কিন্তু দেশভাগের মূল ফান্ডাটাই ছিল, এরা যেন এসে বাগড়া না দেয়। কংগ্রেস আর মুসলিম লিগের আলাদা জমিদারি হবে, এই জন্যই তো ভাগাভাগি। সেই জন্যই ৬৭ পর্যন্ত ফাঁকা মাঠ। ইন্দিরা আসার পর থেকে অবশ্য আর ফাঁকা মাঠ ছিলনা এদেশে। আদি কংগ্রেস-নব কংগ্রেস ইত্যাদি হরেক রকম বাওয়াল।
  • lcm | ২৯ মে ২০১৯ ২০:১৬409885
  • খ,
    ওই - there is no political party... there is no left or right wing...ওটি টিভি সিরিজ-এর ডায়ালগ। আর ডিকলোনাইজেশন নিয়ে ওটাও অন্য জায়গায় পড়া।
    আমার নিজের কমেন্ট কিস্যু নাই, অত জ্ঞান নাই ঃ-)
  • Pi | ২৯ মে ২০১৯ ১৯:২৫409884
  • অনন্ত ভাইরাস ভালবাসা থ্র্ক্র উদ্ধর কিকোরে পাওয়া জাউ, টোটকা জানেন কেউ?

    আর কী কী ধরবে কে জানে, এবার ইন্ফ্লুয়েন্জা বি, তাও সিভিয়ার। বলছে গোটা নর্থ ইস্টে আমি এযাবত দ্বিতীয় ব্য়্ক্তি যার হল।

    আমাকে নিয়েই ভাইরোলজি ডিপের পেপারের পর পেপার হয়ে যাবে।
  • pp | ২৯ মে ২০১৯ ১৯:০১409883
  • এ বাবা গোরু এল কোদ্দিয়ে?
  • एकक | ২৯ মে ২০১৯ ১৮:০১409882
  • लानत हैं उन पे जो हिन्दी लिख़ने के लिये फिरेंगे का इस्तेमाल करते हैं।
  • gau | ২৯ মে ২০১৯ ১৭:৩৯409881
  • Hindu koum ki to mata hai Cow
  • | ২৯ মে ২০১৯ ১৬:৪৭409880
  • এল সি এম এর পোস্ট এর বক্তব্য টা খুব ই ডেঞ্জারাস এবং একেবারেই পরিষ্কার করে বলা উচিত, এই ধরণের ন্যারেটিভ যেটা করেছে, রাজনীতি কে ক্ষমতার খেলা হিসেবে দেখা তে গিয়ে মানুষ কে ডিসএনগেজ করেছে। এর দীর্ঘস্থায়ী নানা বিপদ রয়েছে এবং অলরেডি সেগুলো প্রতিভাত হচ্ছে, আমাদের পোস্ট ডেমোক্রাসি জগতে।

    তাতে এল সি এম এর কোন দোষ নেই। একটা কমেন্ট করেছে মাত্র, এবং রাজনীতির বহু আলোচনাই এই প্রিমাইস এ এসে শেষ হয় আজকাল। এই ন্যারেটিভ বদলানো র কাজটা নাগরিক দের ই। এবার একেকটা অ্যাপ বা টেলিভিসন চ্যানেল ভোটের খবর করেছে, স্রেফ ক্ষমতার রঙ্গমঞ্চ হিসেবে, ন্যুনতম গণতন্ত্রের উৎসব গোছের টোকেনিজম ও করেনি, বিজ্ঞাপনে বা প্রোগ্রামের প্রচারে, বিলবোর্ড এ সারা শহর ভরতি। এই ন্যারেটিভেই, বিরোধী পক্ষ অপ্রয়োজনীয়, গণতন্ত্র আসলে উন্নয়নে বাধা, এবং শেষপর্যন্ত দেশপ্রেম বস্তুটা র সঙ্গে দেশ এর সমস্যা ও সমাধান প্রচেষ্টার সঙ্গে সম্পর্করহিত। এই ক্রেডিবিলিটির সমস্যা গোটা সিস্টেমের, ফ্র্যাংকলি শুধু বামপন্থী দের না।
  • অর্জুন অভিষেক | ২৯ মে ২০১৯ ১৩:১৯409879
  • ১৯২৯ এর কংগ্রেস অধিবেশন হয়েছিল লাহৌরে।
  • অর্জুন অভিষেক | ২৯ মে ২০১৯ ১৩:১৫409878
  • @Icm সাধারণত বাঙালী পরিবারে নেহেরুকে যেভাবে নেক নজরে দেখা হয়, আমাদের বাড়িতে ছিল তার উল্টো। নেহেরুকে খুব অ্যাডমায়ার করা হত। গান্ধী, সুভাষচন্দ্র বসু কাউকে নিয়ে বিরুপ সমালোচনা দেখিনি বাড়িতে। বরং এরা সকলেই খুব বড় মাপের মানুষ ইত্যাদি। কিন্তু স্কুলে বা বাইরে প্রায় সব বাড়িতেই নেহেরু ছিলেন ভিলেন, গান্ধীও। বাঙালী নেতাজীকে কেন্দ্র করে গান্ধী ও নেহেরুর বিচার থেকে বেরোতে পারল না। গান্ধী নানাদিক থেকে বহুলচর্চিত। নেহেরুকে নিয়ে সেরকম আলোচনা বিশেষ দেখিনা বাংলায়।

    নেহেরু- গান্ধী লিগ্যাসির সুচনা অবশ্যই করেছিলেন মতিলাল নেহেরু। নেহেরু'রা এক হিসেবে খুব আকাট ফিউডেল পরিবার। এখানে 'আকাট' অর্থে নিরেট। নেহেরু স্বদেশী, রাজনৈতিক বিশ্বাসে সোশ্যালিস্ট, কন্যার জন্ম ১৯১৭ র নভেম্বরে বলে তাকে চিঠিতে 'daughter of revolution আখ্যা দিয়েছিলেন। পুরো পরিবার কংগ্রেসের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে জড়িয়ে ছিল। মতিলাল, জওহরলাল, কমলা, বিজয়লক্ষ্মী পণ্ডিত, তস্য স্বামী রণজিৎ পণ্ডিত, পরের দিকে ইন্দিরা ও ফিরোজ সকলেই কম না বেশী সময়ের জন্যে জেলে গেছেন। প্রতিটা সদস্যকে তা সেই তার মেরিট থাকুক বা না থাকুক, কংগ্রেসের অন্যান্য কর্মীরা যারা নিজেরাও ভাল মত ডিসটিংগুইশড, তারাও প্রয়োজনের বাইরে সমগ্র পরিবারকে গুরুত্ব দিত। তাই এখানে হয়ত সেই শুরু থেকেই একটা পারিবারিক ব্যাপার তৈরি হয়ে গিয়েছিল। নেহেরু নিজে এর থেকে কতটা মুক্ত ছিলেন আমি জানিনা। এটা নিয়ে তাকে দোষারোপও করছিনা। কিন্তু তার প্রধানমন্ত্রিত্বের কারণেই তার বোন ইংল্যান্ড ও আমেরিকার রাষ্ট্রদূত হচ্ছে, ইউ এন কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হচ্ছে এসব তো নিশ্চয় হয়েছে।

    সদ্য প্রয়াত প্রবীণ সাংবাদিক কুলদীপ নায়ার তার স্মৃতিকথায় লিখেছেন নেহেরুর ছোটবোন কৃষ্ণা হাতিসিং ব্যক্তিগত ভাবে জার্মানি বেড়াতে গেলে, জার্মান সরকার তাকে একটি মার্সিডিস উপহার দেয় কিন্তু সেটা দেশে আনতে গেলে কাস্টমস ডিউটি প্রচুর, গাড়ির দামের সমান কি তার বেশী। ভারত সরকার নিজের পকেট থেকে সেই কাস্টমস ডিউটি দিয়ে দেয়। নেহেরুর প্রায় সমস্ত বিদেশ সফরের সঙ্গী ছিল কন্যা। সরকার থেকে তার পুরো খরচ বহন করা হত। এই নিয়ে সাংসদেও কথা উঠেছিল। এসব নেহেরু জানতেন, তার অনুমতি বিনা তো হতে পারেনা। কিন্তু তার পরিবার একটি বিশেষ রাজসম্মান পায়, সে জন্যে তখন থেকেই 'ডিনেস্টি' বানিয়েছিলেন যাতে ভবিষ্যতে তার নাতি, পুতি করে খেতে পারে, তা কোনোভাবেই নন।

    নেহেরু এত মিডিয়কর বা মধ্যমেধার ছিলেন না। মধ্যমেধার ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। পরিবার তন্ত্র তিনিই শুরু করেন। নইলে সঞ্জয় গান্ধীর অকালমৃত্যুর পরে টেনে সম্পূর্ণ 'আ-পলিটিক্যাল' রাজীবকে আনতেন না।

    ১৯২৮ র বিখ্যাত কলকাতার কংগ্রেস অধিবেশনে মতিলাল নেহেরু কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট হন। মতিলাল নেহেরু সঙ্গে সুভাষচন্দ্র বসুর ছবিটি বিখ্যাত। সুভাষচন্দ্রের পরনে সামরিক পোশাক। দুজনেই স্যালুট রত অবস্থায়।

    এর ঠিক এক বছর বাদে ১৯২৯ এ শারীরিক কারণে মতিলাল কংগ্রেস প্রেসিডেন্টশিপ ট্রান্সফার করেন পুত্রকে এবং তার এই উপলক্ষে একটি বিখ্যাত উক্তি আছে। হাতের কাছে নেই। 'আই অ্যাম পাসিং অন দ্য ম্যান্টেল টু ...।

    ইন্দিরার জীবনীকার ক্যাথরিন ফ্রাঙ্ক লিখেছে সেই এই 'ডিনেস্টি' র সুচনা।
  • lcm | ২৯ মে ২০১৯ ১২:৪৬409877
  • ডিকলোনাইজেশন - পলিটিক্যালি ঠিক আছে, কিন্তু অন্য কিছু, মানে অতীত তো মুছে ফেলা যায় না, কলোনাইজেশন এর ইমপ্যাক্ট কিছু থাকবেই আমাদের জীবনযাত্রায়, সংস্কৃতিতে। যেমন আছে মুঘল সংস্কৃতি। মুসলিমদের আমদানি বলে আমরা এখন বিরিয়ানি খাওয়া বন্ধ করতে পারি না, ইউরোপ থেকে এসেছে বলে আলু খাওয়া বন্ধ করতে পারি না। পন্ডিতে বলছেন - decolonisation is both a necessary goal and a false one.
  • অর্জুন অভিষেক | ২৯ মে ২০১৯ ১২:৩০409876
  • @অমিত বাবু, পার্সোনালি কি নেব? একেবারেই না। এটা তো মত বিনিময়। অর্থনীতিকে বাদ দিলে সোশ্যাল সায়েন্সের আর সব বিষয়ে খুব ইন্টারেস্ট পাই আমার। এই বিষয়গুলোয় অজস্র ইন্টারপ্রিটেশন তাই আলোচনার জায়গা পাওয়া যায়। আমার বিষয় ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য, ইতিহাসে মাইনর সাবজেক্ট ছিল সেকেন্ড ইয়ার অবধি কিন্তু আমার সাহিত্যচর্চাও বেশীটাই ইতিহাস প্রেক্ষিত।

    কাল আমরা যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলাম সেটার জন্যে একটা পৃথক আলোচনা ক্ষেত্র দরকার। 'ডিকলোনাইজেশন' নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো সিধান্তে এখনও এসে পৌঁছতে পারেনি সমাজ বিজ্ঞানীরা।

    পোস্ট- কলোনিয়াল চর্চায়ও 'ডিকলোনাইজেশন' মডেলটা খুব পরিষ্কার নয়।
  • lcm | ২৯ মে ২০১৯ ১২:২৯409875
  • অর্জুন,
    নেহেরু-র সমালোচনা প্রচুর হয়েছে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে, এবং, অনেক ক্ষেত্রে বিতর্ক মেটে নি।
    একটি বড় অভিযোগ হল - যে নেহেরু নেহেরু-গান্ধী ডাইন্যাস্টি শুরু করেন। কিন্তু দেখো, মতিলাল নেহেরু হয়েছিলেন কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট, যদি "শুরু" করার অভিযোগ নিতান্তই করতে হয়, সেক্ষেত্রেও মতিলাল-এর দিকে পয়েন্ট করাই যুক্তিযুক্ত হবে ঃ-)

    রাম গুহ বলেছেন - According to Ramachandra Guha, "Nehru had nothing to do with ‘dynasty’. It was Indira Gandhi who converted the Indian National Congress into a family business."
  • Amit | ২৯ মে ২০১৯ ১১:৪৮409874
  • ধন্যবাদ অর্জুন। আমাকে রাতে পাবেন না টাইম ডিফারেন্স টা একটু বেশি। মাইনলি ওই জন্য সকালের দিকে পোস্ট করে বেড়াই।

    পার্সোনালি নেবেন না কিছু। মাঝে মাঝে হিস্ট্রি টপিকস গুলো নিয়ে তুমুল তর্ক জুড়তে ভালোই লাগে, আমার বেশ পছন্দের বিষয় গুলোর মধ্যে এটা একটা। কেও ভুল নয় এখানে, সবাই ঠিক, জাস্ট ডিফারেন্ট এঙ্গেল থেকে দেখা আর শেখা। এখানে অনেকেই এতো ভালো সব বিষয় নিয়ে লেখা লেখি করেন, সত্যি অনেক কিছু নতুন জানতে পারি। আর বেশ একটা চায়ের কাপে তুফান ফিলিং আসে আর একটু আধটু ঠাট্টা ইয়ার্কি।
  • lcm | ২৯ মে ২০১৯ ১০:৫৬409873
  • "There is no political party.
    There is no ideology.
    There is no left or right wing.
    Whoever is in charge must keep the wheel running.
    It is a pattern.
    Those who do not participate are spit out.
    The rich getting richer and the poor get poorer.
    This is the mechanism."

    - নেটফ্লিক্সে দেখছিলাম The Mechanism - আট নম্বর এপিসোডে এসেছি - তারই ডায়ালগ। ব্রেজিল এর সমসাময়িক সিস্টেম - রাজনীতি, দুর্নীতি - -
  • অর্জুন অভিষেক | ২৯ মে ২০১৯ ১০:৩০409872
  • *বলতে পারব না।
  • অর্জুন অভিষেক | ২৯ মে ২০১৯ ১০:২৯409871
  • @অমিত বাবু, কাল রাতে আপনাকেই খুঁজছিলাম। রাত দুটোর মধ্যেও অনলাইন না পেয়ে লগ অফ করে দিয়েছিলাম। গরমে বিশেষ কাহিল।

    আপনার সুচিন্তিত মতামতের জন্যে ধন্যবাদ। আমি সময় করে পড়ে দেখছি।

    @আতোজ, চন্দ্র বোস, টোসের কথা আমি জানিনা, বলতে পারব। উনি শরৎ বোসের আরেক নাতি বোধহয়। এদের নিয়ে সময় নষ্ট করছেন কেন? এদের কোনো বিশেষত্ব বা কনটেন্ট নেই। টিভির প্যানেলে কয়েকবার শুনেছি। আমার মনে হয় ওরা নিজেরা সবাই নিজেকে 'নেতাজী' ভাবে। আমি যেটুকু শুনেছি তাতে কিসসু নেই!
  • S | ২৯ মে ২০১৯ ১০:১৫409870
  • চট করে এটা দেখে ফেলুন।
  • PT | ২৯ মে ২০১৯ ০৯:৩৩409869
  • "সিবিআই সূত্র অবশ্য দাবি করছে, ‘‘আমরা রাজীব কুমারের গতিবিধির উপরে নজর রাখছি। ওঁর দু’টি মোবাইল ফোনই সুইচড অফ। তা সত্ত্বেও আমরা জানি, তিনি কোথায় রয়েছেন।’’

    কিছুদিন আগে ভারতী আর এখন ইনি। উচ্চপদের পুলিসকর্তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এমন সুশাসনের দিন শেষ কবে দেখ্ছে পব-বাসী?
  • Du | ২৯ মে ২০১৯ ০৯:৩১409868
  • এবারে সেটিং এর পালা।
  • S | ২৯ মে ২০১৯ ০৯:১৯409867
  • “রাজ্যের দুর্গাপুজোকে আর্ন্তজাতিক উৎসব হিসাবে ঘোষণা করার জন্য কেন্দ্র সরকার যাতে উপযুক্ত পদক্ষেপ করে, তার দাবি আমি সংসদে তুলব।”

    কে বলেছে বলুন তো এমন কথা?
  • Amit | ২৯ মে ২০১৯ ০৭:১১409865
  • S এর সাথে একমত। সেই সময় ইন্টারন্যাশনাল পরিস্থিতি যা ছিল, তাতে খুব বেশি অপসন হাতে কিছু ছিল না। একে তো ভাড়ার শুন্য, ১৯৪৮ এর যুদ্ধ। তার মধ্যেও নেহেরু সোভিএট্ রাশিয়া মডেল টাকে কিছুটা এডপ্ট করতে চাইছিলেন, স্টেট স্পন্সরড হেভি ইন্ডাস্ট্রি, যেটা ইন্ডাস্ট্রি বেস তৈরী করবে, আর তার ওপর ভরসা করা কনসিউমার ইন্ডাস্ট্রি। তার জায়গায় অন্য কেও এলে বিশেষ কিছু ইতর বিশেষ হতো বলে মনে হয়না, যেই আসুক, শিল্প পতিদের ফান্ড এর ওপর তাদের নির্ভর করতেই হতো আর কিছু সিবিধা দিতেই হতো।

    আজকে র দুনিয়া পুরো পাল্টে গেছে। ৭০-৮০ বছরে পরে ফিরে তাকিয়ে পোস্ট মর্টেম করে অনেক কিছুই বলা যায়, কিন্তু ওই সময় দাঁড়িয়ে যা হয়েছে, নেহেরু কে খুব বেশি দোষ দিতে পারছি না।

    ওনার মহিলা ঘটিত একটু বদনাম ছিল বটে, তবে হ্যান্ডসাম মানুষ, ওসব একটু আধটু ওসব থাকতেই পারে। আমাকে নিজে দেখতে ভালো হলে কি আমার ও একটু আধটু থাকতো না :( :(
  • S | ২৯ মে ২০১৯ ০৭:০৪409864
  • টাটা-বিড়লা প্ল্যান নিয়ে যেসব সমালোচনা করা হয় সেগুলো সব ঠিকই আছে। কিন্তু সেইসময় দাঁড়িয়ে কিছু অল্টারনেটিভও তো দেখিনা। মানে এরকম মনে হয়্না যে অন্যকিছু করলে খুব দারুন কিছু ভালো হতো। আর ৯০এর মুক্ত অর্থনীতির দিকেও প্রায় বাধ্য হয়েই যেতে হয়েছিলো। না করলে বিশ্বব্যান্ক বোধয় সাহায্য করা বন্ধ করে দিতো।
  • Amit | ২৯ মে ২০১৯ ০৬:৫৫409863
  • হ্যা, এবার ঠিক ঠাক পয়েন্ট আসছে। এগুলো নিয়ে ১০০-% নেহেরু কে গালাগাল দেওয়া যায়। হ্যা, জিডি বিড়লা নিজে কংগ্রেস এর মেম্বার ছিলেন, অতি ওঁচা লোক, পার্টিশন এর সমর্থন দিয়েছিলেন যাতে ইন্ডিয়ার মার্কেট এ পুরো মনোপলি থাকে ওনার। ইন ফ্যাক্ট লাইসেন্স রাজ্ এর উদ্দেশ্যই ছিল নেহেরু আর ইন্দিরা গান্ধীর কিছু পেটোয়া শিল্প পতিকে সুবিধা পাইয়া দেওয়ার।

    সমস্যা হলো এক খানাও শালা প্রপার অপসিশন পার্টি ছিল না তখন যে চৌকিদার চোর হ্যায় বলে চেঁচাবে। ৭৭ অবধি সব ফর্সা। অলমোস্ট ৩০-৩৫ বছর ওনারা মনোপলি করার সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে সেই দোষ টা ওনাদের একার নয়, দেশের পাবলিক আর বাকি পার্টি গুলো ও দায়ী।
  • Atoz | ২৯ মে ২০১৯ ০৬:৪৫409862
  • &%$#^W%%%X~~~ র বিকল্প থাকে না।
  • uj | ২৯ মে ২০১৯ ০৬:৪০409861
  • কোথাও পড়েছি, নেহেরু ইচ্ছা করেই মুক্ত অর্থনীতিকে গ্রহণ করেননি, হয়ত সেই সময়কার পুঁজিপতি দের কায়েমী স্বার্থে ঘা লাগবার ভয়ে, যাঁরা আবার কংগ্রেস পার্টি ফান্ডে চাঁদা দিত। রাশিয়ান প্যাটার্ন গ্রহণ করে, মুক্ত বাজারের দরজা বন্ধ করে দেন যাতে বিরলারা ফাঁকা মাঠে গোল দিতে পারে। সেই সময় দেশি জিনিসপত্রের মান খুবই খারাপ ছিল কারণ প্রতিযোগিতা ছিল না। নেহরুর কোন বিকল্প ছিল না, সে অবশ্য মোদির ও নেই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত