এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ২৮ মে ২০১৯ ১৩:২১409830
  • লসাগুদা অনেকটাই বলে দিয়েছেন। খুব ধন্দ থাকলে এটার রেকো রইল, সবক'টা এপিসোড।

  • lcm | ২৮ মে ২০১৯ ১৩:১৫409829
  • * ভুল লিখলাম এক জায়গায় - পড়াশোনার মান নেমে যাবে বলে নয়, সংরক্ষণের ফলে ব্রাহ্মণরা সমান অধিকার পাচ্ছে না বলে অভিযোগ
  • lcm | ২৮ মে ২০১৯ ১৩:১১409828
  • ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারী চালু হল পৃথিবীর দীর্ঘতম এবং জটিলতম সংবিধান (৩৯৫ টি আর্টিকল)।
    পরের বছর ১৯৫১ এর এমেন্ডমেন্ট শুরু হয়।
    ---
    প্রথম এমেন্ডমেন্ট - ১০ই মে, ১৯৫১
    একগাদা সংশোধনী বিল পাশ হয়। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ছিল জমিদারি মালিকানার আইনত অবলুপ্তি। আর একটি ছিল - special provision for the advancement of any socially and educationally backward classes।
    এটির পটভূমিকায় ছিল একটি মামলা, চম্পাকান দুরাইরাজন নামের এক ব্রামহীন মহিলা অভিযোগ করেছিলেন যে সংরক্ষণের ফলে মেডিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পড়াশোনার মান নেমে যাবে।এরকম অভিযোগের ফলে সংরক্ষণ যাতে ব্যাহত না হয় তার জন্যে আমেনডেমেন্ট প্রস্তাব করা হয়। পক্ষে ছিলেন নেহেরু ও আম্বেদকর, বিপক্ষে শ্যামাপ্রসাদ।
    In this case, a Brahmin woman in Madras challenged the state's Communal General Order, which established caste quotas in government-supported medical and engineering schools, on the grounds that it denied her equality under the law; both courts had upheld her petition. Aside from Nehru, B. R. Ambedkar also spoke in support of the proposed amendment, while Shyama Prasad Mookerjee spoke in opposition to it

    তো এরকম এমেন্ডমেন্ট (সংশোধনী বিল) নেহেরু-র আমলে চলতেই থাকে - ১৯৫৩, ১৯৫৫ (৩ বার), ১৯৫৬ (২ বার), ১৯৬০, ১৯৬১, ১৯৬২, ১৯৬৩, ১৯৬৪ --- গাদা গাদা এমেন্ডমেন্ট হয় নেহেরু আমলে, বহু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা কিনা পরবর্তী ভারতের কাঠামো তৈরিতে সহায়তা করে।

    নেহেরু আমলে আইনব্যবস্থার কোনো সংশোধন হয় নি এই দাবি - ইয়ে মানে খুবই naive।
  • Amit | ২৮ মে ২০১৯ ১২:৩৮409827
  • ট্রাইবে আইন নিয়ে একমত। ব্রিটিশ দের তৈরি বেশ কিছু এরকম কয়েকটা আইন বহুদিন রয়ে গেছে।

    কিন্তু সংরক্ষণ, কাস্ট পলিটিক্স র জন্য নেহরুকে দোষ দেওয়াটা পরিষ্কার হচ্ছে না। আমাদের ভারতীয় সমাজে জাতপাত, বর্ণ প্রথা কি কলোনিয়াল লিগেসি ? আর সংরক্ষণ চালু করা হয়েছিল একটা দরকারি উদ্দেশ্য নিয়ে জেতার অবজেক্টিভ টাই ছিল ইকুয়ালিটি। ওটা না থাকলে লোয়ার কাস্তের লোকজন জীবনেও পড়াশোনার সুযোগ পেতো না। সেখানে decolonized মডেলটা ঠিক কি ? কোনো হিন্দুবাদী পার্টি এলে কি তারা জাতপাত সরিয়ে দিতো? কোন মডেল ফলো করা যেত ?

    সংরক্ষণ নিয়ে এবার ৭০ বছর পরে সেটা নিয়ে রাজনীতি হবে, সেটা কে জানবে ?
  • অর্জুন অভিষেক | ২৮ মে ২০১৯ ১২:৩১409826
  • @অমিত বাবু, আমি এই মুহূর্তে একটু ব্যস্ত আছি। তাই খুব বিশদে টাইপ করতে পারছিনা। একটা খুব ছোট কথা। যে সিস্টেমের বিরুদ্ধে ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের আন্দোলন ছিল, সেই সিস্টেমকে রিপ্লেস করা বা মডেল হিসেবে গ্রহণ করাটা contradictory শোনাচ্ছে না?

    এই নিয়ে আমার আরও কিছু বক্তব্য একটু করে দিচ্ছি।

    @Icm যেটা দিলেন ওটা kind of Nehru's rhetoric।
  • T | ২৮ মে ২০১৯ ১২:২৪409825
  • ঠিক ব্রিটিশ না, মানে কলোনিয়াল ব্যাপার স্যাপারে প্রভাবিত নেহেরু হয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু ব্রিটিশ না। স্প্যানিশ। বুঝতেই পারছেন 'উন্দের প্রিভিলেদ্গদ' এর দিকটা ধরার চেষ্টা কচ্চি...
  • lcm | ২৮ মে ২০১৯ ১২:১৭409824
  • "If anyone raises his hand against another in the name of religion, I shall fight him till the last breath of my life, whether from inside the government or outside."- J L Nehru (Hindustan Times, 4 October, 1951)
  • Amit | ২৮ মে ২০১৯ ১২:০০409823
  • এটা ইটসেলফ একটা বড়ো ডিসকাশন এর বিষয়। কিন্তু যেটা বুঝতে চাইছি নেহেরু র হাতে আর কি কি অপসন ছিল কেবিনেট র জন্য -? একটা দেশ নতুন ফর্ম করেছে, আম্বেদকর একটা ব্রিটিশ মডেল বেস করে একটা বিশাল সংবিধান নামিয়েছেন, সেটাকে ফলো করার জন্য তো একটু পড়াশোনা জানা লোক ও চাই। ফর বোথ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এন্ড পলিটিক্স। একটা পুরো ডাইনামিক্স শিফট হচ্ছে এতো বড়ো একটা দেশের। আর ওই সময় জন নেতা বলতে করা ছিলেন ? তারা সবাই ব্রিটিশ শিক্ষায় শিক্ষিত, মৌলানা আর দু একজনকে বাদ দিলে। এদিকে দেশের বেশির ভাগ মানুষ নিরক্ষর। যে গ্রাস ৰূট লেভেল পলিটিক্স এর কথা বলছেন, মাটি থেকে উঠে আসা নেতা, সেই সময় সেটা কোথায় ? ইভেন আজকের দিনেও গ্রাস ৰূট থেকে যেসব নেতারা আসেন তারা এখনো ব্রিটিশ শিক্ষায় শিক্ষিত (এটাই এখনো বলা যায়) অফিসার দের ওপরই ভরসা করে থাকেন কিছু সই করার আগে। আমাদের বেসিক এডুকেশন মেথড এখনো কিচ্ছু চেঞ্জ হয়নি, শুধু একটু আধটু ইতিহাস, ভূগোল পাল্টালে হয়না। আর পুরো দুনিয়াতেই সিমিলার এডুকেশন সিস্টেম টাই চালু হয়ে গেছে। সে জাপান, জার্মানি যে দেশি হোক না, একটু আধটু লোকাল কনটেন্ট ছাড়া।

    dowry কমিশন একটা পুরো অন্য বিষয়। এই গুলো একটু প্রবাদ বলে মনে হয় যে নেহেরু কিচ্ছু জানতেন না, একটা নাটক দেখে জানলেন। হয়তো সেটা দেখে তিনি খুব অভিভূত হয়েছিলেন, কমিশন বসেছিল, হলেও হতে পারে। কিন্তু এসব কমিশন এর এন্ড রেজাল্ট কি হলো ? এসব সোশ্যাল ইভিল লোকে নিজেরা না তাড়ালে কি সরকার এসে সবার ঘরে ঘরে তল্লাশি করবে ? ইভেন আজকের দিনে ও ইন্ডিয়া তে এভরি ইয়ার ২০০০০ র বেশি মহিলা মারা যান ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স এ, যার বেশির ভাগ ই dowry রিলেটেড। এখনো কি নেহেরু কে দেখানো হবে ?

    নেহেরু র ফরেন পলিসি নিয়ে নিশ্চয় অনেক প্রশ্ন তোলা যায়, কাশ্মীর নিয়ে তোলা যায়, চীন নিয়ে তোলা যায়, আরো অনেক কিছু আছে। কিন্তু decolonization এই টার্ম তা আমার কাছে ক্লিয়ার হচ্ছে না। আর কি কি করা যেত যেটা করা হয়নি ?
  • অর্জুন অভিষেক | ২৮ মে ২০১৯ ১১:৫০409822
  • *under priviledged
  • অর্জুন অভিষেক | ২৮ মে ২০১৯ ১১:৪১409821
  • '৪৭ র মধ্যরাতেই সম্ভব ছিল না নূতন মডেলে দেশের সরকার গড়া কিন্তু নেহেরু তার জীবদ্দশায় ঔপনিবেশিক মডেল থেকে বেরোতে পারেননি। অনেক পরে এটা তার মনে হয়েছিল যখন উনি দেখেছিলেন দেশ স্বাধীন হবার ১৫ বছর পরেও দেশের একটা larger উন্দের প্রিভিলেদ্গেদ (উন্দের প্রিভিলেদ্গেদ বললেও কম বলা হয়) মানুষের লোকসভা দূরে থাকুক, রাজ্যের এসেম্বলি গুলোতেও পৌঁছয়নি। যারা দেশ চালাতে এল তারা সব English educated (অধিকাংশই অক্সব্রিজ) elite anglophile। দেশের মানুষের সঙ্গে তাদের কি যোগ ছিল?

    কল্পনা করতে পারেন U.P. র বাসিন্দা হয়ে নেহেরু পণপ্রথা সম্পর্কে aware ছিলেন না। মৃণালিনী সারাভাই পঞ্চাশের দশকে যখন দিল্লীতে একটি নৃত্যানুষ্ঠান করতে আসেন ও তার কোরিওগ্রাফির বিষয় ছিল পণপ্রথা, সেই সময় নেহেরু এই ভয়াবহ প্রথার কথা জানতে পারেন এবং dowry commission বসে। প্রগ্রাম দেখতে দেখতে ওর চোখ ছল ছল করে উঠেছিল এবং উনি দেশের নানা সমস্যার সঙ্গে পরিচিত না হবার জন্যে অনুতাপ করতেন।

    নেহেরুকে দোষ বা দায়ী করা কারণ with him it began। পুরো সিস্টেমের decolonisation উনি সুরু করতেই পারতেন। ভাবতে পারেন ১৮৫০ র করা criminal tribe আইন
    রোধ হল ২০০২ তে। নেহেরুর আমলে এই জুডিশিয়ারির পরিবর্তন করা যায়নি?

    ওই সময় থেকে কাজ শুরু করলে আজ সংরক্ষণ, কাস্ট ব্যাসেড রাজনীতি এইরকম সঙ্গিন জায়গায় পৌঁছত না।
  • Amit | ২৮ মে ২০১৯ ১১:২৭409820
  • আর একটু বিশদে লিখলে ভালো হয়। তাড়া নেই, গুছিয়ে লিখুন।
  • অর্জুন অভিষেক | ২৮ মে ২০১৯ ১১:২৪409819
  • *তাই স্বাধীনতার পরে যতটা decolonisation দরকার ছিল সেটা করেননি, করার কথা ভাবেনওনি।
  • Amit | ২৮ মে ২০১৯ ১১:২৩409818
  • "Nehru's cabinet was a replacement of the British Raj."

    এটাতে অন্য অপসন কি ছিল ? নতুন দেশ হলে সবাই কোনো না কোনো প্রোভেন মডেল ফলো করে। ডেমোক্রেসি কনসেপ্ট টাই ইন্ডিয়াতে তখন নতুন। তার আগে তো সব ই রাজতন্ত্র।

    সে ভাবে দেখতে গেলে আমাদের লেজিসলেচার, জুডিশিয়ারি, মিলিটারি, এডুকেশন সিস্টেম সব ই ব্রিটিশ স্ট্রাকচার এর ছিল বা আছে। এখনো কি খুব বেশি মূলগত পরিবর্তন হয়েছে ? তাহলে নেহেরু কে ব্লেম করা কেন ? মানে করতে হলে অনেক কিছুই আছে, কিন্তু এই পয়েন্ট এ কেন ?
  • অর্জুন অভিষেক | ২৮ মে ২০১৯ ১১:১৫409817
  • Nehru was a stalwart. A statesman and a world leader. A man of letters. দেশের প্রধানমন্ত্রীর তালিকার মধ্যে উনি একজন কোহিনূর সন্দেহ নেই। কিন্তু democracy করেও উনি feudalism র বাইরে যেতে পারেননি এটা ওর ব্যর্থতা। আরেকটা হল উনি anglophile তাই স্বাধীনতার পরে যতটা দরকার ছিল সেটা করেননি, করার কথা ভাবেনওনি। জীবন সায়াহ্নে এসে '৫৮, '৫৯ সালের দিকে ওর এটা মনে হয়েছিল। Nehru's cabinet was a replacement of the British Raj. ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদকে তো এক হিসেবে পুজোই করত। ওর চারপাশে যে স্বজন পোষণে ভত্রে গেছে সেটা উনি হয় খেয়াল করেনি বা করেও কিছু করেননি। Feudal nature র লোকজন sycophancy উপভোগ করে। ওর কন্যা সেটাকে প্রায় legitimise করে দিয়েছিল।

    ইন্দিরা গান্ধীর মত vindictive নেত্রী খুব কম হয়েছে। আজকের নানা অরাজকতার ও দুর্নীতির উনি জন্মদাত্রী, পথ প্রদর্শিকা। ওর বিওগ্রফের রা বলেছে incomplete education, অবহেলিত মেয়েবেলা (মা অসুস্থ, বাবা জেলে, পিসিদের দুর্ব্যবহার) পরবর্তীকালে failed marriage ওকে খুব vindictive করে দিয়েছিল। কিন্তু সেগুলো কোনো সাফাই হতে পারেনা। ওর কোনো political philosophy ছিল না। নেহেরু-কন্যার এই অধঃপতন কল্পনা করা যায়না। ওর ওই স্বৈরাচারী স্বভাবের উপযুক্ত উত্তরসুরী ছিল ছোটছেলে সঞ্জয়।

    ইন্দিরা is a role model of Modi, Didi, Jayalalitha, Mayabati and et al.
  • Amit | ২৮ মে ২০১৯ ১১:১২409816
  • ইভিএম দোষ প্রমান করা বড়োই মুশকিল। যে কটা ভিভিপেট কাউন্ট করেছে, সেগুলো ঠিক বেরিয়েছে। আর যদি ম্যানিপুলেট করেও থাকে, এক্সিট পোল র সাথে এ রকম একুরেট প্রেডিকশন মিলিয়ে জালি করা বেশ শক্ত। এতো কয়েকটা হয়, হাজার হাজার মেশিন। ও রকম ভাবে কি ভাবে ম্যানিপুলেট করা যাবে ?

    আমি অবশ্য ধরে নিচ্ছি রিমোটলি কিছু করেনি, মেশিন গুলোতে ওই- ফাই চিপ আছে বলে মনে হয়না, সেন্ট্রাল সার্ভার থেকে সব কটাকে করা যাবে না। তাহলে লোকাল কোনো উসব বা নেটওয়ার্ক কেবল লাগিয়ে প্রোগ্রাম করতে হবে। কিন্তু এতো গুলো মেশিন এ কি করা যায় ? মিডিয়া কিচ্ছু টের পাবে না ?
  • dc | ২৮ মে ২০১৯ ১১:১০409815
  • S আর অমিত এর সাথে একমত। রাহুল গান্ধী অত্যন্ত ভদ্র, ব্যক্তিগত ভাবে বোধায় খুব ভালো। এগুলো রাহুল গান্ধীর অ্যাসেট। রাহুল গান্ধীর যেটা নেই সেটা হলো লিডারশিপ এবিলিটি, বা ন্যাশনাল লেভেলে পলিটিক্স খেলার মতো এবিলিটি, কংগ্রেসের মতো একটা মেনস্ট্রিম ন্যাশনাল পার্টি চালানোর এবিলিটি। কিন্তু সেটা একেবারেই রাহুল গান্ধীর দোষ কিছু না, এই এবিলিটি খুব কম লোকেরই থাকে।

    "মোদি আর বিজেপি ওকে আর ওর পরিবারকে যে ধরনের আক্রমণ করেছে, সেটা যাস্ট আন-অ্যাক্সেপ্টেবল" - ১০০% একমত। সিম্পলি আনয়াক্সেপ্টেবল।

    "এখানে দুইয়ের বদলে চার কেন চল্লিশ ফেরত দেওয়ার চল। বোধয় এই কারণেই রাহুল কখনো এদেশে সাফল্য পাবেনা।"

    এখানে দ্বিমত আছে। রাহুল এখানে কেন, কোন দেশেই কখনো সাফল্য পাবেনা কারন ন্যাশনাল লেভেলে পলিটিশিয়ান হিসেবে সাফল্য পেতে হলে যে এবিলিটি দরকার সেটা রাহুলের নেই। হি ইজ সিম্পলি নট এ ফ্রন্ট র‌্যাম্কিং পলিটিশিয়ান। আমেরিকা, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, কোন দেশেই রাহুল সাফল্য পাবেনা, কারন সেই লেভেলের পলিটিশিয়ান রাহুল না। সেটা আদৌ রাহুলের দোষ না, কারন সেই লেভেলের পলিটিশিয়ান সবাই হয়না।

    আর ভারতেও সবাই যে চারের বদলে চল্লিশ ফেরত দিয়েছে তা কিন্তু না। ধুরন্ধর পলিটিশিয়ান অনেকেই এসেছেন যাঁরা নোংরামো না করেও সফল হয়েছেন। আমি শিওর কংগ্রেসে যদি চার্ন হয় আর নতুন কোন লিডার নিজের ক্ষমতায় উঠে আসে তো সেও নোংরামো না করেও মোদির বিরুদ্ধে লড়তে পারবে।
  • সৈকত | ২৮ মে ২০১৯ ১১:০৯409814
  • রাহুল গান্ধী কংগ্রেস সভাপতিত্ব ছেড়ে দিলেই বা কী ? আমি একটা কথা ভাবছিলাম যা দেখছি লালুপ্রসাদ বলে দিয়েছেন। ঃ-) যে, অন্য কেয় সভাপতি হলেও, বিজেপি বলবে, সেও গান্ধী পরিবার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। অতএব ওটা লোকদেখানো।
  • S | ২৮ মে ২০১৯ ১১:০২409813
  • আমি না এখনো দিদির ইভিএম থিয়োরিটা মাথা থেকে সড়াতে পারছিনা। মানে হিসাবে অনেক গড়মিল পাচ্ছি।
  • S | ২৮ মে ২০১৯ ১০:৫৪409812
  • এই প্রত্যেকটা দলই দেশ আর রাজ্যের জন্য যাসব কাজকম্ম করেছে, তাতে ভর্তসনার যোগ্য। সে আপনি আমাকে যতই গাল দেন না কেন।
  • sm | ২৮ মে ২০১৯ ১০:৪৪409811
  • দেশের স্বাধীন নাগরিকের এটা চার নম্বর গালাগালির জায়গা হলো।এতদিন লিস্টে বিজেপি,তিনো ও বামেরা ছিল।এখন কংগ্রেস যোগ হলো।
    এটা ঠিক ই আমি কারোর পয়সায় খাই না।আমি সব্বাই কে গালি দেই।
    কি আপদ।পাড়ার পাগলা কেষ্ট ও রকে বসে সকাল থেকে সামনে যাকে পেতো, গালা গালি করতো।আর বিজ বিজ করে থুতু ছেটাতো
  • Amit | ২৮ মে ২০১৯ ১০:৪০409810
  • হ্যা, এটা ঠিক কথা। রাহুল এর যতই খামতি থাক, লিডারশিপ কোয়ালিটি থাক বা না থাক, লোকটা বেসিক্যালি একটা ভালো, নির্বিরোধী লোক মনে হয়েছে। ইভেন সোনিয়া গান্ধী ও।
  • S | ২৮ মে ২০১৯ ১০:৩২409809
  • আমি ব্যক্তিগতভাবে গান্ধী পরিবারকে দুচক্ষে দেখতে পারিনা। তাতে অবশ্যি গান্ধী পরিবার কেন আমার পাশের বাড়ির লোকেদেরও কিস্যু যায় আসেনা। নেহেরুকে যথেস্ট কনফিউজ্ড এবং খামখেয়ালি মনে হয়েছে। ইন্দিরা গান্ধী তো একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সন্জয় গান্ধী ওয়াস অ রিয়েল আগলি পিস অব ওয়ার্ক। রাজীব গান্ধী ছিলেন অকর্মণ্যের ঢেঁকি। সমস্যা তৈরী করতে জানতেন, সমাধান করতে নয়।

    কিন্তু সনিয়া গান্ধী যখন এক কথায় পিএমের পোস্ট ছেড়ে দিয়েছিলেন, তখন বেশ ইম্প্রেস্ড হয়েছিলাম। যে কারণেই হোক না কেন। কারণ ছোটোবেলা থেকেই দেখছি যে লোকে পারলে একদিনের জন্য হলেও পিএম হতে চায়। সেখানে একজন সেই পজিশান ছেড়ে দিলেন।

    আজকাল রাহুলকে দেখেও ভালো লাগে। হ্যাঁ হি ইজ নভিস ইন পলিটিক্স। অনেক কিছুই ভালো করে পারেনা করতে। কিন্তু খুব অনেস্ট মনে হয়। মানে যেটা করে সেটাতে কোনও ভনিতা নেই। আর কারোর প্রতি কোনো আক্রশ নেই। মোদি আর বিজেপি ওকে আর ওর পরিবারকে যে ধরনের আক্রমণ করেছে, সেটা যাস্ট আন-অ্যাক্সেপ্টেবল। খুব নোংরা লোকজন এবং ইতর না হলে ঐধরনের ভাষা লোকে ব্যবহার করেনা। কিন্তু রাহুল এই সেদিনও বলে গেলো যে আমাকে যত বেশি ঘৃণা দেবো, আমি তত বেশি ভালোবাসা দেবো। এজিনিস আমাদের দেশে অন্তত আমি কখনো কারোর মুখে শুনিনি। এখানে দুইয়ের বদলে চার কেন চল্লিশ ফেরত দেওয়ার চল। বোধয় এই কারণেই রাহুল কখনো এদেশে সাফল্য পাবেনা।
  • dc | ২৮ মে ২০১৯ ১০:২১409808
  • হ্যাঁ, রাহুল গান্ধী সত্যি সত্যি ছেড়ে দিলে বা ছাড়তে দেওয়া হলে সবচেয়ে মুশকিলে পড়বে বিজেপি।
  • Amit | ২৮ মে ২০১৯ ১০:১৯409807
  • রাহুল গান্ধী এখনো বলছে রিজাইন করবে। দেখা যাক, যতক্ষণ না হয় বিশ্বাস নেই। তবে অন্য কেও সত্যি আসা দরকার। একটা ১০০ বছরের পার্টি যদি একটা সিঙ্গেল ফ্যামিলি ছাড়া চলতে না পারে, তাহলে সেই পার্টি লাটে উঠে যাওয়াই ভালো। বরং এখনো গদি আঁকড়ে থাকলে মোদী শাহ সেই নামদার অভিযোগ নিয়েই ঘাড়ে চেপে থাকবে। রাহুল গান্ধী কে জোর করে লিডার বানানো হয়েছিল, এখন তার ফল বোঝা যাচ্ছে। তার থেকে অন্য কেও আসুক যার ইন্টারেস্ট আছে। কয়েক মাস হই হট্টগোল হলে হোক, নতুন কেও এসে আস্তে আস্তে একটা ক্যাডার বেস তৈরী করুক।

    বিজেপি প্রচুর টেনশন এ আছে যদিও। এ সত্যি সত্যি ছেড়ে দিলে ওদের বেশি মুশকিল :) :)
  • অর্জুন অভিষেক | ২৮ মে ২০১৯ ০৯:৩৫409806
  • ২০১৯ এ লোকসভায় ৪৩ শতাংশ সাংসদের ক্রিমিনাল রেকর্ড এবং তার মধ্যে ৪৭৫ জন কোটিপতি।
  • Atoz | ২৮ মে ২০১৯ ০৩:৪৭409805
  • তবে ভাটে এসে খুব সুন্দর একটা নাম পেলাম। বিশ্রামগঞ্জ। ধন্যবাদ হুতো। ঃ-)
  • Atoz | ২৮ মে ২০১৯ ০৩:৪৪409803
  • মানুষের তৃতীয় সন্তান তবু বেঁচে যায়, কিন্তু ছাগলের তৃতীয় সন্তান তো বাঁচেই না।
  • pp | ২৮ মে ২০১৯ ০৩:৪৪409804
  • রামের না রামছাগোলের?
  • S | ২৮ মে ২০১৯ ০৩:৪১409802
  • মোদিও তো তৃতীয় সন্তান।
  • Atoz | ২৮ মে ২০১৯ ০৩:২৫409801
  • আরে আয়ুর্বেদরা তো হাজার হাজার বছর ধরে বানাচ্ছে। তাতে কি রে রে রে রে করে ব্যবসা হচ্ছিল? এরা সেগুলোকে এরকম বিশাল ব্যবসায় তুলেছে, তবেই না মিডিয়া লগে লগে হয় হয় ধরেছে! নইলে কে পুঁছতো?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত