এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PT | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:৫৬407670
  • সবই প্রত্যাশামাফিক ছিল কিন্তু হিটলারের সঙ্গে করমর্দন করে ঘেঁটে ফেললেন সবকিছু।
  • Du | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:৫৫407669
  • আমি এদিকে ভেবে যাচ্ছি ভাগ তো হতই -- তিন ভাগ হতে হত। পাকিস্তান, ভারত আর হিন্দুস্তান।
  • Ishan | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:৫২407668
  • এবার আপনারা জিগাবেন, আমার দাবীটা ঠিক কী। বহু কিছুর মতো এ নিয়েও আমি বিস্তর ভেবেছি। কিন্তু না জিগালে বলবনা।
  • Ishan | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:৪৮407667
  • তবে যেটা আমি মোটেও পছন্দ করিনি, সেটা হল আজাদ হিন্দ ফৌজের যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে রোমান হরফে হিন্দুস্তানি চালু করা (হিন্দি নয় কিন্তু)। আমি থাকলে সুভাষের সঙ্গে ফাটাফাটি হত। আশা করছি পরে উনি আমার দাবী মেনেও নিতেন (স্বপ্নেই যখন ঘি খাচ্ছি ইত্যাদি)।
  • Ishan | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:৪৫407666
  • ধর্মটা কেয়ারফুলি করা। প্র‌্যাকটিকালি আজাদহিন্দ ফৌজের বিচারের সময় একজন হিন্দু একজন মুসলমান এবং একজন শিখের বিচার -- পুরো সাররিয়েল হয়েছিল ব্যাপারটা। সুভাষ বসুও সঙ্গে এলে ভালো হত। কিন্তু ওই আর কী, বড়কর্তারা যা চান তাইই তো হবে। আমার ইচ্ছেয় বর্তমানই চলেনা তো অতীত।
  • sm | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:৩০407665
  • ভারতের স্বাধীনতা পাবার আগে থেকেই, কতিপয় ব্যবসায়ী গোষ্ঠী নিজেদের ভালোভাবে গুছিয়ে নিতে পেরেছিলো।এঁরা ছিল খুব চালাক। বাংলায় যাকে বলে কানিং।ওপরে মেকি স্বাধীনতা প্রেমী দেখালেও, কয়েকজন মিলে দেশ টাকে লুটে পুটে খাওয়াই উদ্দেশ্য ছিল।
    এঁরা তৎকালীন রাজনীতিবিদ,যথা গান্ধী, নেহেরু এঁদের উঠতে যথাসাধ্য চেষ্টা করে গেছে।লবি করেছে।
    বিনিময়ে স্বাধীনতার পরে যা চেয়েছে, তাই পেয়েছে।লাইসেন্স রাজ্ এর অন্যতম। মনোপলি চালানোর সু বন্দোবস্ত।যা, আজ অবধি চালু আছে।
    রাজনীতিবিদরা ছিল বোকা ও অপরিণত।রাজনীতিবিদদের যা সহজাত ধর্ম ;অর্থাৎ লেঙ্গি মারা তা, তাঁরা পালন করতে পারে নি।ব্যবসায়ী দের বশংবদ হয়ে গেছে। অর্থাৎ প্রকৃত ক্ষমতা রাজনীতিবিদ দের হাত থেকে ব্যবসায়ী দের হাতে চলে গেছে।
    এনারাই অন্তরাল থেকে দেশ চালিয়েছেন ও পলিসি নির্ধারণ করেছেন।এই নাগপাশ থেকে তাবড় নেতারাও বেরিয়ে আস্তে পারছে না।মহান ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ও নয়।গুড গভর্নেন্স শিকেয় উঠেছে।
    অথচ এই গুড গভার্নেস ই ইউরোপ আমেরিকা, জাপান কে শীর্ষে তুলে দিলো।
    নেতাজি হোক বা বল্লভ ভাই,,এই জিনিসটি করায়ত্ব করতে পারলে, সফল হতেন ই।
  • aranya | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:২০407664
  • একটা কারণে নেতাজি-কে আমার খুবই ভাল লাগে - আজাদ হিন্দ ফৌজে বিভিন্ন ধর্মের সৈনিকের উপস্থিতি আর তাদের ধর্মীয় ভেদাভেদের ওপরে উঠে একসাথে কাজ করা
  • Ishan | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:১৭407663
  • বাংলা ভাগ হবার, বা পাঞ্জাবও ভাগ হবার অ্যাজ সাচ কোনো কারণ ছিলনা। এখন যেমন চিরস্থায়ী যুদ্ধাবস্থা চলার কোনো কারণ নেই। কিন্তু সবই কর্তাদের ইচ্ছে।
  • Amit | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:১৪407662
  • না না, দেশভাগ হতোই, ও ঠেকানো যেত না। কিন্তু বাংলা ভাগটা হয়তো কিছুটা এড়ানো যেত, বা অন্য রকম হতে পারতো। যাকগে।
  • Ishan | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:০৮407661
  • প্ল্যানিং কমিশনের শুরু নেতাজির হাতে। ৩৭ সালে। ফলে অর্থনীতি সমাজতান্ত্রিক ঘেঁষাই ছিল। নেতাজির বাম ঘেঁষা মনোভাবও অজানা কিছু না। নেতাজির অর্থনীতিও বামঘেঁষাই হবার কথা।

    আর আমরা বই বটে দেশভাগ নেতাজি থাকলে হতনা। আমিও বলি। কিন্তু উনি মনে হয় চুক্কি খেতেনই। যার যা নেচার। :-)
  • Atoz | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:০৪407660
  • ব্রিটিশ আমলে এক রাশিয়ান একবার একজন ভারতীয়কে বলেছিলেন, "দেখুন আপনাদের উচিত রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব করে আমাদের সাহায্য নিয়ে ব্রিটিশদের তাড়ানো।" ভদ্রলোক বলেছিলেন, "তারপরে কাদের সাহায্য নিয়ে আমরা আপনাদের তাড়াবো?"
    ঃ-)
  • Ishan | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:০৩407659
  • আপাতত আমার বায়াস আছে। বিড়লা, বাজাজ এরা ছিলেন গান্ধি আর প্যাটেলের ডানহাত। বিড়লা প্রচুর টাকা দিতেন, বিড়লা হাউসের দ্বার প্রায় অবারিত ছিল কংগ্রেসের জন্য। বাজাজ তো রীতিমতো আন্দোলন টনও করেছেন। ছিলেন ঠাকুরদাস। এবং অবশ্যই টাটা। তিনি অবশ্য ইংরেজেরও স্নেহধন্য, তার নানা কারণ ছিল। টাটাকে বাকিদের মতো ইংরেজ, কংগ্রেস ব্যালেন্স করে জাতিয়াতাবাদি এবং বামবিরোধী হতে হয়নি। এঁরা দীর্ঘদিন ধরে নানা পলিসি তৈরি করে আসছেন। সেটা সম্পূর্ণ রূপ পায় মিশ্র অর্থনীতিতে, যেটা বেসিকালি ক্রোনি মনোপলি ক্যাপিটালিজম উইথ সোভিয়েত ফেস।
    এইটা আমার থিয়োরি। সমস্ত এভিডেন্স পেয়ে নিঃসংশয়ে এবং নির্মোহ ভাবে ঠিক বা ভুল বা এও-হতে-পারে-ওও-হতে-পারে স্ট্যান্ডে পৌঁছতে সময় লাগবে।
  • Amit | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:৫৯407658
  • নেতাজির ইকোনমিক পলিসি নিয়ে কিছু জানা নেই, তবে পার্সোনালি আমার মনে হয় দেশ ভাগের সময় ওনার লেভেলের কোনো বাঙালি নেতা থাকলে হয়তো বাংলা ভাগ হওয়াটা এড়ানো যেত কিছুটা। অল ইন্ডিয়া লেভেল এ দেশবন্ধু আর নেতাজির পরে সে রকম ইনফ্লুয়েনটিয়াল বাঙালি নেতা আর কেও ছিল না। সুরাবর্দি, ফজলুল হক থেকে শ্যামাপ্রসাদ, সবাই মোটামুটি রাজ্য লেভেলেই।

    তবে ওই আর কি। সব ই কল্পনা। যে গ্যাম্বলটা তিনি জার্মানি বা জাপান কে সাথে নিয়ে খেলেছিলেন, সেটা সফল হলে ইন্ডিয়ার কি হাল দাঁড়াতো কেও জানে না। এটা নিয়ে টেনে কোনো লাভ নেই। সবই মায়া।
  • lcm | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:৫৩407657
  • এগজ্যাক্টলি, মিশ্র অর্থনীতির পলিসি যেটা স্বাধীনতা-উত্তর ভারত নিয়েছিল সেটার ছক বহুদিন ধরেই হচ্ছিল, যে স্বাধীন হলে এক্দম সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন এলে কীভাবে কী করা হবে। সেই সময়ে আর তেমন অপশনই বা কোথায়, মানে ঐ স্ট্রাক্চারের মধ্যে।
    এখন ঈশান এটা নিয়ে গুছিয়ে লিখুক।
  • Ishan | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:৩৮407656
  • ১৯৩৭ এ নেতাজি কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তখন দেশে আইনসভা ছিল। সীমিত ক্ষমতার। কংগ্রেস প্রেসিডেন্টকে আনঅফিশিয়ালি রাষ্ট্রপতি বলা হত। তিনি নিজের মতো পলিসি নিতেন। সেটা থেকে নেতাজির পলিসি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

    বস্তুত মিশ্র অর্থনীতির পলিসিও স্বাধীনতার আগেই তৈরি। শিল্পপতি আর নেতারা মিলে খসড়া করেছিলেন। কে কে ছিলেন, ভুলে গেছি। দেখে বলতে হবে।
  • b | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:২৯407655
  • হে হে। যদি হিটলার ১৯৩৮ এ মারা যেতো, তাহলে নাকি ও জার্মানীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নেতা হত।
  • Ekak | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:১৭407654
  • জাতীয় হিরো থাকা খারাপ কিছুনয়তো। এবং সেই হিরো যত সময় থাকতে থাকতে কোনো বড় ক্যাচাল না বাধিয়ে টপকে যান, ক্রিকেট ক্যাপ্টেন্সি ছাড়ার স্টাইলে, সেই জাতির ততই মঙ্গোল। এদিক দিয়ে বোস একদম ঠিকঠাক।
  • Atoz | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:১৩407653
  • আমাদের অজপাড়াগাঁয়ের স্কুলে ও আমরা নেতাজীভক্ত ছিলাম খুব। স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্রদিবস শহীদ দিবস ইত্যাদিতে অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পড়লেই আমাদের নেতাজীভক্ত ছাত্রী নেত্রী বক্তৃতা দিতেন, যার শেষে থাকতো নেতাজীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান, "তোমার আসন শূন্য আজি, হে বীর পূর্ণ কর"। নেতাজী থাকলে বাঙালির ভাগ্যাকাশে দুর্যোগের ঘনঘটা কেটে গিয়ে সৌভাগ্যের সূর্য উদিত হত, এইটিই মূল বক্তব্য ছিল। দেশভাগ হত না, দুঃখদুর্দশা হত না, ভারত জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন নিত ---এইরকমই বলা হত বক্তৃতায়।
  • Ekak | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:০৭407652
  • নেহাত রেসিস্ট বা হেট্ মঙ্গার না হলে এরকম লোকজনকে আমি এন্টারটেইনমেন্ট হিসেবেই দেখি :)) আফটার অল সবই তো থট মডেল, কী হলেকী হতো। উনি একটু বেশি বীররসে সিঞ্চিত হয়ে গ্যাছেন।
  • Atoz | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:০৬407651
  • ভদ্রলোকের হিন্দিতে লেখা উচিত। অথবা লেখাটার হিন্দি অনুবাদ করানো উচিত। ঝাঁপ দিয়ে পড়বে চাড্ডিরা। ঃ-)
  • Amit | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৭:০১407650
  • খুব একটা সাড়া পাননি বলে মনে হয়, তাহলে ওভাবে ঝুলোঝুলি করতে হতো না হয়ত। তবে গত বারের পুজোর পর থেকে দেখি আজকাল অনেকেই ওনাকে দূর থেকে দেখলেই কেটে যান। কার সময় আছে ওনার নেতাজি কে নিয়ে ভাট শোনার ? সময় থাকলেও শুনতে আমার অন্তত ইচ্ছে নেই।

    তবে ভদ্রলোক নিজেই বড়ো লেভেলের চাড্ডি। উনি নাকি আবার ফেকুর ওয়েবসাইট-এ দেশের নানা সমস্যা র সমাধান নিয়ে কিসব মূল্যবান সাজেশন দিয়ে এক খানি প্রশংসা সূচক রিপ্লায় পেয়েছেন, সেটা এখানে সবাইকে ফোন এ দেখিয়ে বেড়ান।
  • Atoz | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:৪৬407649
  • তবে যাই হোক না কেন, থ্রিলার এর জবাব নেই। কীরকম সাড়া পান? চাড্ডিরা কিনে পড়েন? ঃ-)
  • Atoz | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:৪৩407648
  • নেতাজী শেষ মুহূর্তে কান ঘেঁষে বেঁচে গেছেন। একেবারে ছটকে পালিয়েছেন। নইলে এই টেবো ট্যারা নাড়ু হারু এবং স্বপনকুমার এর গাড্ডায় এসে পড়লে যে কী হত ! ঃ-)
  • Amit | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৫:৫০407647
  • নেতাজিকে নিয়ে উলুত পুলুত বিদেশে বাঙালি দের মধ্যে ভালোই আছে। আমি যে শহরে থাকি, সেখানে একজন নেতাজির মৃত্যু রহস্য নিয়ে এক খানি বই ও নামিয়ে ফেলেছেন। তারপর সেটা কেনার জন্য গত বার পুজোর সময় সবাইকে ধরে ঝুলোঝুলি, এই সব এমন পার্সোনাল পর্যায়ে চলে যায় যে কিনতেই হলো গাঁটের কড়ি খসিয়ে। আদ্যন্ত ট্র্যাশ, পুরো হিচককের থ্রিলার টাইপের এক খানা নামিয়েছেন নেহেরু কে ভিলেন সাজিয়ে, বলিউড হার মেনে যায়। তো সে সব তথ্য পেলেন কোথায় জিগাতে তিনি বেশ কটি চাড্ডি ওয়েব সাইটের লিংক বলে দিলেন। জাস্ট প্রোপাগান্ডা সাইট সব, একটাও কোনো ভেরিফাইড ডাটা নেই। সেটা বলাতে আবার কি রাগ তেনার, গুগল কে পর্যন্ত নাকি বিশ্বাস করিনা আমরা, নেহেরু আর গান্ধী এতটাই বিষিয়ে দিয়েচে আমাদের।

    নেতাজি বেঁচে থাকলে কি হতো সেতো ফিক্শন, যা ইচ্ছে বলা যায়, কোনো বেসিস নেই। বিদ্রোহী নেতা হওয়া আর ক্ষমতা হাতে পেয়ে কিছু করার মধ্যে অনেক তফাৎ আছে। সাউথ আফ্রিকার স্বাধীনতায় নেলসন মেন্ডেলা একা যা রোল নিয়েছিলেন, হয়তো ভারতের জন্য নেহেরু বা গান্ধীর থেকেও অনেক, অনেক বেশি। কিন্তু ২০০৪ এ একবার ওখানে যেতে হয় কাজের সুবাদে। তখন দেখা, কালো বা সাদা, সবাই উঠতে বসতে ওনার চরম বাপান্ত করছে চারিদিকে কোরাপশন আর স্বজন পোষণের এর জন্য।
    এর থেকে বাঙালির ট্রাজিক হিরো হয়ে নেতাজি বেঁচে গেছেন।
  • Atoz | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৪:২১407646
  • তবু যে নর্থ কোরিয়া হয়ে যেত বলেন নি। তাহলে ইয়া ইয়া বোম নিয়ে ---- ঃ-)
  • lcm | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০৩:১১407645
  • এই প্রসঙ্গে, এর মধ্যে একদিন এপাড়ার এক আড্ডাতে এক ভদ্রলোক সেই - ভারতের কিস্যু হবে না, গান্ধী ফ্যামিলি ভারতের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে এসেট্রা, নেতাজি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হলে দেশ অন্যরকম হত।
    জেনারেলি এসব শুনে যাই, তো ভাবলাম জিগ্গেস করেই দেখি
    * দেশ কিরকম হত?
    - এই এখন যেমন সাউথ কোরিয়া
    * ঠিক আছে, ধরুন ১৯৫০ সালে নেতাজি ভারতের প্রধানমন্ত্রী, তাতে করে কীভাবে ২০১৯ সালে দেশ সাউথ কোরিয়া-র মতন হয়ে যেত
    - কীভাবে মানে? যা যা নেহেরুরা করেছেন সেগুলো করতেন না!
    * ঠিক আছে, কিন্তু তার বদলে কি করতেন?
    - কলোবাজারী বন্ধ করতেন
    * কীভাবে?
    - কীভাবে আবার! সব অসাধু ব্যবসায়ীদের চাবকে সিধে করে দিতেন
    * নেতাজি প্রধানমন্ত্রী হলে অসাধু ব্যব্সায়ীদের চাবুক মারতেন, এবং যে সব ব্যবসায়ীদের কুঁজ আছে, বা কোনো কারণে শরীর বেঁকে আছে তাদের কে সিধে করে দাঁড় করিয়ে দিতেন!
    - হ্যাঁ করতেন, কারণ তিনি তো ধান্ধাবাজ ছিলেন না বাকীদের মতন ... ... ইত্যাদি [ মিনিট খানেক ]
    * নেতাজি কিন্তু কাউকে ফিজিক্যালি হ্যারাস করেছেন বলে তেমন শোনা যায় না, একমাত্র প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ্যাপক ওটেন বাদে। যারা ওটেন-এর গায়ে হাত তুলেছিলেন তাদের নাম বলতে অস্বীকার করেন নেতাজি, কিন্তু তিনি নিজে মেরেছিলেন কিনা জানা যায় না।
    - [ কিছুক্ষণ চুপ করে ] ওটা কথার কথা, চাবকাতেন মানে, তাদেরকে জেলে ভরে দিতেন
    * ঠিক আছে, ১৯৫১ সালে নেতাজি কিছু অসাধু ব্যবসায়ীকে জেলে ভরলে ২০১৯ সালে ভারত কি করে কোরিয়া হয়ে যেত সেটা বুঝতে পারছি না
    - আপনাকে আর বুঝতে হবে না, অনেক বুঝেছেন, যান।

    ( ইনি মনে হল বেশ ডাকাবুকো এন`আর`আই)
  • S | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০২:৫৬407644
  • Atoz | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০২:৩৬407643
  • কিংবা অনেক রবিন হুড ফিল্ডে নেমে গেলে।
    ভবানী পাঠকের পলিসি। দেবী চৌধুরাণীকে দিয়ে দান খয়রাত করাতো। দেবী আসার আগে নিজেও করতো।
  • একক | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০২:২৫407642
  • তর্কের জায়গা অবশই আছে। কিন্তু চেক লিখে দিলে ক্ষতি কিছু নেই।

    লংটার্ম পলিসি শুনতে ভালো। কিন্তু একটা আদ্যন্ত করাপ্টেড সিস্টেমে কিসের পলিসি ? কিভাবে ইমপ্লিমেন্ট হবে ? খানিকটা হনেস্ট আর ইন্টিগ্রিটি ওয়ালা লোকজন মিনিস্ট্রি তে এলে তবে তো ? কবে আসবে সেরকম প্রার্থী রা ? স্বপ্নে ? এদেশে তো হনেস্ট লোকের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। গুন্ডারা মিনিস্টার হয়। কেন বারবার করাপ্টেড লোকেরা ভোট পায় ? জনগণ গান্ডু বলে ? না।

    দেশে, ট্রেডার আর দালাল এই দুটো অর্থবান সেকশন বাদ্দিলে, কোরাপশনের পরিমণ্ডলকে সবচে বেশি সাপোর্ট দেয় গরিব মানুষরা। কারণ তাদের ক্ষমতা নেই আপনাদের পাঁচশালা পলিসি এফোর্ড করার। কবে সে জিনিস সাকসেসফুল হবে তদ্দিনে তারা মরে ফৌত হয়ে যাবে। কাজেই তারা ভুলেও অনেস্ট-ভিশনারি লোককে সিলেক্ট করেনা। করে তাকে যাকে দিয়ে কিছু আশু সমস্যা সমাধান হতে পারে। সন্তানের একটা পিওনের চাকরি, কয়েক লরি স্টোনচিপ্সের বরাত, খুচরো দালালি - কয়েক কিলো চাল ডাল মাস গেলে তার ওপরে ভরসা করলে তারা কটা দিন বেঁচে থাকতে পারে।

    আর এইগুলো পাইয়ে দিতে পারে একজন করাপ্টেড নেতা। যে ফান্ডের টাকা সামান্য খরচ করে আর এদিক ওদিক রোবিনহুদিগিরি করে কেস সালটে দেয়। এদের হাতেই পুরো খুচরো ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম।

    এর থেকে বেরোবার সম্ভবত একটাই রাস্তা। ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে সরাসরি টাকা ডিস্ট্রিবিউট করে দাও গরিবকে যেন তারা কোনোমতে বেঁচে থাকার বেসিক সুবিধেটা পেয়ে যায়। নেতাদের হাত থেকে ডিস্ট্রিবিউশন সরিয়ে নিয়ে শুধু ডিসিশন মেকিংটা রেখে দিলে, অর্ধেক করাপ্টেড নেতার নেতা হওয়ার ইচ্ছে চলে যাবে। তখন এখনকার চে বেশি অনেস্ট লোকেরা রাজনীতিতে আসবে।

    আর গরিব মানুষ বেসিক বেঁচে থাকা টুকু ওপরের সেকশনের ট্যাক্সের পয়সায় চালিয়ে নিতে পারলে, তখন গিয়ে স্বাস্থ -শিক্ষা-নাগরিকের অধিকার নিয়ে মাথা ঘামাবে, মানে ঘামাতে বাধ্য হবে। এই, লেভেলিং টুকু ঠেলা দিয়ে করে দেওয়া দরকার। একদম চেক লিখে দিয়ে, বা কেতাবি ভাষায় বেসিক মিনিমাম ইনকাম দিয়ে। এটা না করলে, একটা বড় অংশের লোক পিরামিড বেয়ে উপরে উঠতে চাইবে না। কেনই বা চাইবে ?
  • Du | ১২ এপ্রিল ২০১৯ ০০:৫৯407641
  • চেক লিখে দেওয়ার ফান্ডা তো ফেসবুক ইত্যাদিরা আর ফিনল্যান্ড ট্রাই করে দেখেছে। যথেষ্ট ফিসিবল বলছে। আমার আইডিয়া নেই কিন্তু পড়লাম।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত