এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | ২২ মার্চ ২০১৯ ১৪:০১407100
  • পিতৃতন্ত্র হলো ইউনিভার্স। বাকি সব মন্ত্র তন্ত্র যন্ত্র সব ওর মধ্যেই পরে।
  • r2h | ২২ মার্চ ২০১৯ ১৩:৫৯407099
  • মতান্তরে, এই পাশ কাটিয়ে যাওয়ার ব্যাপারটাও পিতৃতান্ত্রিক ফাঁদ, নিকট ভবিষ্যতেই সেটা প্রকাশ পাবে।

    তবে খদা ফাঁদে পড়ে পাশ কাটাচ্ছে না পাশ কাটিয়ে ফাঁদ পাতছে তার মীমাংসা হতে সময় লাগবে।

    যেমন এসেমদার ফাঁদে লসাগুদা পড়ছে নাকি ফাঁদের জবাবে প্রতিফাঁদ পেতে দিচ্ছে এইসবও খুব জটিল প্রশ্ন।
  • lcm | ২২ মার্চ ২০১৯ ১৩:৫৮407098
  • পুরুষতন্ত্র, রাজতন্ত্র, ফাঁদ, প্রশ্নফাঁদ ---- সমস্ত কিছু মেসি স্টাইলে ডজ করছে - টোটাল ফর্মে আছে খ
  • sm | ২২ মার্চ ২০১৯ ১৩:৫৭407097
  • তো,এই সরকারের টাকা,ফেডেরাল ফান্ড এগুলো আসে কোত্থেকে? জনগণের ট্যাক্সের টাকা তো?
    তো,আয়ের সিলিং করে দিলে তো ট্যাক্স বেশি ওঠে।বেশি করে সোশ্যাল সিক্যুরিটি বা জনকল্যাণ মূলক কাজে বেশি টাকা সরকার ব্যয় করতে পারে।চাকুরী জীবীকে কম ট্যাক্স দিতে হয়।
    এবার আমার প্রশ্নের উত্তর দিন।ধরাযাক বিল গেটস 100 বিলিয়ন জমিয়েছে।সরকার কে প্রাপ্য ট্যাক্স দিয়েই। তাহলে তার জমানো টাকা ইচ্ছে মত উত্তরাধিকারীরা ভোগ করতে পাবে না কেন?তাদের 40 পার্সেন্ট ডেথ ট্যাক্স দিতে হয় কেন?সরকার টাকা গুলো নিয়ে কি করে?প্রশ্ন করা প্র্যাকটিস করুন।
  • | ২২ মার্চ ২০১৯ ১৩:৪৯407096
  • কিন্তু লসাগু এস এম দার পাতা পুরুষ তন্ত্রের ফাঁদে নিয়মিত পা দিচ্ছে।
  • | ২২ মার্চ ২০১৯ ১৩:৩৯407095
  • আমি যেহেতু পুরুষতন্ত্রের ফাঁদে পা দিতে চাই না, এবং আক্রান্ত মধ্যবিত্ত নই, সুবিধেভোগী মধ্যবিত্ত মাত্র তাই এস এম দার প্রশ্নের জবাব দিলাম না, দুর্দান্ত বুদ্ধি করে পাশ কাটিয়ে গেলাম ঃ-)))
  • lcm | ২২ মার্চ ২০১৯ ১২:৫৮407094
  • আবার আপনার কথা - এই সোশাল সিকিওরিটি নিয়ে -- কিস্যু বুঝলাম না।

    সোশ্যাল সিকিওরিটি ফান্ডে তো যারা চাকরি করে তারা দেয় (মাইনের ৬%) আর সরকার দেয় আরও (৬%)। প্লাস ফেডারেল গভর্নেমেন্টের ফান্ড। এর সঙ্গে তো বিল গেট্‌স্‌ বা ওয়ারেন বাফেট-এর কত টাকা আছে তার কোনো সম্পর্ক নেই।

    আর কি সব বললেন ইনহেরিটেন্স ট্যাক্স - প্রহসন --- সিলিং --- এসবের সঙ্গে সোশ্যাল সিকিওরিটির কি সম্পর্ক।

    এখন খানিকটা ধরতে পারছি কেন আপনি "প্রশ্ন" পছন্দ করেন না। কারণ আপনার উত্তরের সঙ্গে তো প্রশ্নের কোনো সম্পর্কই নেই।
  • sm | ২২ মার্চ ২০১৯ ১২:৪৭407093
  • আমার কোন জিনিষই গোলায় নি। আপনি যেই আইন করলেন,কোন ব্যক্তি অফুরন্ত সম্পদের অধিকারী হতে পারে,ওমনি আপনি সোশ্যাল সিকিউরিটির ওপর প্রশ্ন চিন্হ মেরে দিলেন। কারণ বাজেট সর্বদাই সীমিত।কয়েকজন ব্যক্তি অফুরন্ত সম্পদের অধিকারী হলে, এই সোশ্যাল সিকিউরিটির বরাদ্দ কমতে বাধ্য।
    এজন্যই ওইসব দেশে ইনহেরিটেন্স প্রপার্টি বা সম্পদের ওপর পুনরায় ট্যাক্স নেওয়া হয়।
    সুতরাং আয়ের ওপর সিলিং না থাকলে,ওটিকে প্রহসন বলা যায়।
    আবার মূল বক্তব্যে ফিরে আসি।পাবলিক পলিসি নিয়ে আমার বক্তব্য হলো, সরকার যতটা পারুক জনকল্যাণ মূলক প্রকল্পে ব্যয় করুক।
    কিন্তু যার পয়সা আছে সে বেসরকারি বেটার পরিসেবা টি কড়ি দিয়ে কিনে নেবে।এটুকুই।
  • lcm | ২২ মার্চ ২০১৯ ১২:৪৫407092
  • অফ কোর্স, সময় তো আছে, দেখতেই পাচ্ছ।
    কিন্তু এটা কি "প্রশ্ন" করলে? খেয়েছে, তাহলে তো এসএম আবার তিন প্যারা টাইপাবে।
  • lcm | ২২ মার্চ ২০১৯ ১২:৪৪407091
  • আচ্ছা আপনাকে প্রশ্ন করতে বলা আমার ভুল হয়েছে, "প্রশ্ন" শব্দটাতে আপনার এত এলার্জি আছে, এত টাইপ করে ফেলবেন বুঝতে পারি নি, আপনি যে একজন "কোনো প্রশ্ন নয়" টাইপের একান্ত অনুগত রাজতন্ত্রের ভক্ত সেটা বুঝতে পারি নি।
    ঠিক আছে ছেড়ে দিন, আপনার হয়ে আপনার ট্যাক্সের টাকা কেন কোথায় খরচ হয় সে সব প্রশ্ন না হয় আমিই করে দেবো।
  • সিকি | ২২ মার্চ ২০১৯ ১২:৪০407090
  • লসাগুদার হাতে প্রচুর সময়, না?
  • sm | ২২ মার্চ ২০১৯ ১২:৩৮407089
  • প্রশ্ন চালিয়ে যান।প্রশ্নের মধ্যে প্রশ্ন আসুক। আপনার প্রশ্ন নিয়ে আপনি নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করবেন।যেমন প্রশ্ন করলেন, আফ্রিকায় বা ল্যাটিন আমেরিকায় ফরেন এইড বাড়ানো হচ্ছে না কেন?
    ওমনি আপনি ই প্রশ্ন করবেন,ওই বাড়তি টাকা টুকু দিয়ে,কি এক্সট্রা কেয়ারার প্রোভাইড করা যেতো না,বুড়ো বুড়ি দের জন্য?
    সরবে প্রশ্ন করুন, সরকার আরো অর্থ ব্যয় করুক কার্বন ডাই অক্সাইড কমাতে। নীরবে প্রশ্ন করুন,এই টাকা দিয়ে শিশু শিক্ষায় বরাদ্দ কেন বাড়ানো যাবে না?আপনি প্রশ্ন করুন হাই স্পিড রেল করার জন্য এতো খরচা কেন?
    কিছুদিন বাদে প্রশ্ন করুন,হাই স্পিড রেল এর জন্য অর্থ বরাদ্দ হচ্ছে না কেন?এতে করে তো দেশের অর্থনীতি চড় চড় করে বাড়তো।
    প্রশ্ন প্রচুর আছে। দেখে শুনে বেছে নিয়ে, করলেই হয়।
  • lcm | ২২ মার্চ ২০১৯ ১২:২৬407088
  • এসেম,

    আপনি আবার গুলিয়ে ফেলছেন --- ক্যাপিট্যালিজ্‌ম, আর, পাবলিক পলিসি এই দুটো-তে, এক্কেবারে ঘেঁটে গেছে।

    আমেরিকায় এক্জন ব্যক্তি আইনিভাবে প্রচুর ব্যক্তিগত টাকা/অ্যাসেট/সম্পত্তি করতে পারে যা কিনা আরও লক্ষ লোকের অ্যাসেটের থেকে বেশি।

    আমেরিকায় একটি সরকারি পাবলিক পলিসি হল যে বৃদ্ধরা বিনে পয়সায় চিকিৎসা পাবে।

    এই দুটো আলাদা জিনিস।
  • lcm | ২২ মার্চ ২০১৯ ১২:১২407087
  • অফ কোর্স। প্রশ্ন হয়। আলবাত হয়। হওয়া উচিত। গণতন্ত্রে প্রশ্ন তো থাকতেই হবে, নইলে তো রাজতন্ত্র।

    এই যেমন ধরুন, সরকার ঠিক করল যে ট্যাক্সের টাকা দিয়ে হাইস্পিড রেল তৈরি হবে - ব্যস, ব্যালটে একটা কোশ্চেন চলে এল।

    বা, যেমন হোমলেস-দের জন্য ট্যাক্সের পয়সা দিয়ে এক্সট্রা শেলটার বানানো হবে কি না - ব্যালটে একটি কোশ্চেন।

    আপনার টাকা আপনি কো্শ্চেন করবেন না? অবশ্য আপনি যদি রাজতন্ত্রে বিশ্বাস করেন যে মুখবুজে রাজস্ব দিয়ে যাব, তাহলে ঠিক আছে।
  • অর্জুন অভিষেক | ২২ মার্চ ২০১৯ ১২:০৬407086
  • না না, কেজরিয়াল কেমন লোক ঠিক সেটা নয়! যোগেন্দ্র যাদবের মতে 'a lifetime opportunity that we missed', গণ্ডগোলটা তারা কোথায় করলেন বিশেষ করে কেজরিয়াল, সে সব নিয়ে।
  • sm | ২২ মার্চ ২০১৯ ১২:০৩407085
  • প্রশ্ন করুন না যত খুশী। চোয়াল ব্যথা হলেও করুন। যেমন ধরুন আমেরিকায় তিন জন ধনী কেন বাকি অর্ধেক লোকের সমগ্র সম্পদের চেয়েও বেশি সম্পদ হোল্ড করে রেখেছে?
    বেজায় ধনী হলে,প্রশ্ন করুন আমি মিলিয়ন্স ডলার ট্যাক্স দিচ্ছি,আর বেকার,অকর্মন্য,ইভন ড্রাগ এডিক্ট রা অবধি ডোল পাবে কেন?
    ডিফেন্সে এতো বিপুল ব্যয় কেন?
    ভারত হলে অনাদায়ী সম্পদ দশ লক্ষ কোটি ছাড়িয়েছে কেন?
    কৃষক দের ভর্তুকি,অধিকাংশ ধনী কৃষকরা পাবে কেন?
    প্রশ্ন করুন। ভাবুন আর প্রশ্ন করুন।
    প্রশ্ন করা সু অভ্যেস। মেন্টাল এক্সারসাইজ হয়।
  • lcm | ২২ মার্চ ২০১৯ ১১:৫৬407083
  • অর্জুন,
    কেজরিওয়াল কেমন লোক সেটা ধরো তেমন প্রাসঙ্গিক নয়, যেটা বলতে চাইছি দিল্লিতে অন্তত স্টেট ট্যাক্সের টাকা সরকারি স্কুলের উন্নতির কাজে লেগেছে, কিছুটা হলেও লেগেছে।

    এসএম,
    সবকিছু প্রাইভেট তো ঠিক আছে। যার পয়সা আছে সে তার সুবিধে মতন প্রাইভেট সার্ভিস অ্যাভেইল করবে। আমার প্রশ্ন তাহলে সরকারের দরকারটা কি, ট্যাক্স-ই বা দেবো না কেন?
  • অর্জুন অভিষেক | ২২ মার্চ ২০১৯ ১১:৫৬407084
  • কেজরিয়ালকে নিয়ে যোগেন্দ্র যাদবের এই ইন্টার্ভিউের লিঙ্কটা দিলাম।

    @Icm @Atoz

  • S | ২২ মার্চ ২০১৯ ১১:৫৩407082
  • "ইন্ডিয়া তে যাঁর পয়সা বেশি,সে,অধিক পরিষেবা মূল্যের বিনিময়ে খরিদ করবেন। তাতে অসুবিধে কোথায়?"

    অসুবিধা = ইন্ডিয়া তে যাঁর পয়সা বেশি না, সে অধিক পরিষেবা মূল্যের বিনিময়ে খরিদ করতে পারবেন না।
  • lcm | ২২ মার্চ ২০১৯ ১১:৫১407081
  • বোঝো!
    আপনি ট্যাক্স কেন দেন? সবই যদি বে-সরকার করবে তবে সরকারকে ট্যাক্স কেন দেবেন?আপনার টাকা, এই প্রশ্নটা অন্তত করুন। প্রশ্ন করা প্র্যাকটিস করুন।

    অবশ্য, যদি রাজতন্ত্রে বিশ্বাস করেন, তাহলে চোখবুজে রাজস্ব দিয়ে যান।
  • sm | ২২ মার্চ ২০১৯ ১১:৪৭407080
  • আমি কোন দেশের ই সোশ্যাল সিকিউরিটির বিপক্ষে কোথাও লিখেছি বলে মনে পড়ে না।সুতরাং এতো দেশের উদাহরণ দেওয়া অবান্তর।
    যেটা ইম্পরট্যান্ট সেটা হইল, ক্যাপিটালিস্ট দেশগুলো তেও ধনী দরিদ্র, অসাম্য বিরাট।এখানেও পয়সা বেশি থাকলে, বেশি গুড় কেনা যায়।
    সোশ্যালিস্ট কান্ট্রি গুলোতে সামান্য একটু অসুবিধে আছে।
    আসল বক্তব্য ছিল,ইন্ডিয়া তে যাঁর পয়সা বেশি,সে,অধিক পরিষেবা মূল্যের বিনিময়ে খরিদ করবেন। তাতে অসুবিধে কোথায়?
  • অর্জুন অভিষেক | ২২ মার্চ ২০১৯ ১১:৪৩407079
  • দিল্লীতে আপ কাজ ভালই করেছে কিন্তু বিজেপি ওদের কাজ করতে দেয়না বলেই শুনলাম। আর কেজরিয়াল লোকটা একটু ক্যামন যেন! না ঠিক মত ভিলেন না নায়ক।
  • sm | ২২ মার্চ ২০১৯ ১১:৪০407078
  • হানু,চাকরী বাকরী পার্মানেন্ট করার পেছনে পয়েন্ট বাই পয়েন্ট লিখুন। পাল্টা প্রশ্ন করে বিব্রত করবেন না,প্লীজ।
  • lcm | ২২ মার্চ ২০১৯ ১১:২৯407077
  • বাই দ্য ওয়ে, পৃথিবীর বৃহত্তম ইকনমির সঙ্গে এসবের কোনো সম্বন্ধ নেই,

    সুৎইজারল্যান্ড পৃথিবীর বৃহত্তম ইকনমি নয়, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া --- সব ক্যাপিটালিস্ট দেশেই পাবলিক পলিসি মোটামুটি এমনই - পাবলিক এডুকেশন, হেল্থকেয়ার, সোশাল সিকিওরিটি...
  • lcm | ২২ মার্চ ২০১৯ ১১:২৪407076
  • * এসএম-এর কথা বুঝলাম না
  • lcm | ২২ মার্চ ২০১৯ ১১:২৩407074
  • আপনার কথা কিস্যু বুঝলাম না।
  • | ২২ মার্চ ২০১৯ ১১:২৩407075
  • চাকরি পার্মানেন্ট হলেই লোকে আর কাজ করেনা। কারণ তারা সিপিএম বা আক্রান্ত মধ্যবিত্ত বা পুরুষতন্ত্রের ফাঁদ পাতায় ব্যস্ত পুরুষ অথবা নারী অথবা অন্যান্য যৌনতা। এই মোটামুটি কালকের সার। জাস্ট ইন কেস ডিডি দা ইজ ক্যাচিং আপ।
  • sm | ২২ মার্চ ২০১৯ ১১:২১407073
  • আমেরিকা পৃথিবীর সর্ব বৃহৎ ইকোনমি। তো, তাদের সোশ্যাল সিক্যুরিটি কিছু থাকবে না নাকি?
    দেশ চালাতে গেলে অল অর নান বলে কিছু হয় না।কারণ ভোটের ব্যাপার আছে। কিছু দানা পানি তো লোকজন কে দিতেই হবে।
    আপনি যদি পয়সাওয়ালা হন,তাহলে প্রাইভেট ইন্সটি তে ছেলেমেয়েদের এজুকেশনে দেবেন না না প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা করাবেন না?
    কিন্তু ওদেশেও তো অসাম্য সাগর আকাশ এর চেয়েও বেশি। এজন্যই তো লিংকটা পড়তে দিলাম
  • lcm | ২২ মার্চ ২০১৯ ১০:০২407072
  • এসেএম,

    দেখুন ক্যাপিটালিজ্‌ম বা পুঁজিবাদ, আর, (তথাকথিত) ক্যাপিটালিস্ট কান্ট্রি-র সরকার পরিচালন পদ্ধতি - এ দুটো ঠিক এক জিনিস নয়।

    আমেরিকা (ইউএস) এর কথা ধরুন, এক ক্যাপিটালিস্ট দেশ। তো এখানে,

    এডুকেশন -- K12 (KG থেকে 12 ক্লাস) এডুকেশন সিস্টেম ফ্রি, সরকারি ফান্ডের একটা বড় অংশ খরচ হয় এতে। কম্যুনিটি কলেজ সিস্টেম গভর্নমেন্ট সাবসিডাইজ্‌ড্‌। স্টেট ইউনিভার্সিটি গুলি সরকারি অনুদান পায়। রাজ্যগুলির সরকারি বাজেটের একটি বড় অংশ অংশ খরচ হয় এডুকেশনে। এখন কথা হল, এটা তো ক্যাপিটালিস্ট কান্ট্রি - তাহলে এখানে তো সবাই প্রাইভেট স্কুলে যাবে, ওপেন মার্কেটে প্রাইভেট স্কুলগুলির মধ্যে দারুণ কম্পিটিশন হবে, বেস্ট স্কুল জিতে যাবে। কিন্তু তাহলে, এরকম সরকারি অনুদান দিয়ে হাজার হাজার পাবলিক স্কুল পোষার কারণটা কি?

    তারপর ধরুন স্বাস্থ্য -- ৬৫-র বেশি বয়েসের সমস্ত নাগরিকের হেল্থকেয়ার ফ্রি (মেডিকেয়ার)। এছাড়া কম আয়ের লোকেদের জন্য আছে মেডিকেইড এবং রাজ্যস্তরে প্রোগ্রাম - সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত। আইন অনুযায়ী সরকারি কাউন্টি হাসপাতাল থেকে কোনো রোগীকে ফেরানো যায় না। হেল্থকেয়ার তো প্রাইভেট, যার পয়সা আছে সে চিকিৎসা পাবে, যার নেই সে পাবে না - সে বৃদ্ধ বা জোয়ান যেই হোক। সেরকমই তো কথা, তাহলে কেন এমন ব্যবস্থা?

    সোশাল সিকিওরিটি - ৬২-র বেশি বয়েসের অবসরপ্রাপ্ত সিটিজেনরা সোশাল সিকিওরিটি টাকা পান (ম্যাক্সিমাম ২০০০-২৮০০ ডলার প্রতি মাসে)। তাদের মাইনে থেকে ৬% কেটে নেওয়া হয় ঠিক, কিন্তু সরকারও তাতে আরও ৬% দেয় - একটি পুলে টাকা রাখে, সেই পুলে টাকা ফুরিয়ে গেলে কি হবে সবাই সে নিয়ে ভাবে। কিন্তু, এরকম সিস্টেম কেন থাকবে ক্যাপিটালিস্ট দেশে?

    ফার্মিং সাবসিডি - প্রতি বছর সরকার কোটি কোটি ডলার দেয় সাবসিডিতে।

    এই ওপরের পয়েন্টগুলো সাধারণ দৃষ্টিতে দেখলে প্রচলিত পুঁজিবাদের ধারণার বিপারীতপন্থী মনে হয়।

    তাহলে?

    কারণ, সমস্ত নাগরিকের বেসিক হিউম্যান কোয়ালিটি অফ্‌ লাইফ --- সেটি দেখা সরকার পোষার এটি একটি মূল কারণ, এর জন্য সরকার মানুষের থেকে ট্যাক্সের টাকা নেয়। ট্যাক্সের টাকাটা কোথায় খরচ হবে সেটা যারা ট্যাক্স দেয় তাদের জানার কথা। জানা উচিত।

    এর মানে এই নয়, এই সব দেশে বঞ্চনা নেই, সোশ্যাল ইনজাস্টিস নেই, বৈষম্য নেই, দুর্নীতি নেই - সেসব আছে, কিন্তু সিস্টেমের বেসিক পার্পাস হল হিউম্যান লাইফ কোয়ালিটি মেইনটেইন করা। বেসিক পার্পাস।
  • sm | ২২ মার্চ ২০১৯ ০৯:১৬407071
  • সরকারী স্কুলে শিক্ষক দের বেতন প্রাইভেট স্কুলের চাইতে দ্বিগুণের ও বেশি।কিন্তু পরিশ্রম বেশি করে বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকরা। তাই আউটপুট বেটার বেসরকারি স্কুলে।
    সরকারি হাসপাতালে সিনিয়র ডাক্তার দের বেতন লাখ টাকার ওপর,বেসরকারি হাসপাতালে এক -দুই লাখ বেতন ইন হাউস কনসালট্যান্ট দের সৌভাগ্য।
    যদুপুরে,আমাদের সময় একজন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রফেসর মেকানিক্সে ও ডিজাইনে সাকুল্যে সপ্তাহে 7 -8 তা ক্লাস নিতো।এখন হয়তো ওই প্রফেসর দের বেতন লাখ দুয়েক টাকা,মাস প্রতি।
    ওপরের উদাহরণ গুলো দিলাম এজন্য যে বেতন কয়েক গুণ বাড়লেও সরকারি ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতা কমেছে বই বাড়ে নি।
    ব্যাঙ্কিং, রেল, বিমান,রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থা গুলিতেও চিত্র টি অনুরূপ।
    এল সি এম এর কথা অনুযায়ী,জনগণ যদি ট্যাক্স এর প্রাপ্য বুঝে নিতে চায়,তাহলে তো,এইসব শ্বেত হস্তীদের পার্মানেন্ট হিসাবে রাখা মুশকিল।
    এবার আসি ফেবু বোদ্ধা দের কথায়।
    এনারা ঝেড়ে প্রাইভেটাইজেশন বা ক্যাপিটালিজম এর সমালোচনা করবেন, কিন্তু কাজের সময় নিজের পরিবারে লোকজন দের বেসরকারি কর্পোরেট হাসপাতালে চিকিৎসায় নিয়ে যাবেন,বেসরকারি ইংলিশ মিডিয়ামে পড়াবেন, বেসরকারি বিমানে চড়বেন,ইত্যাদি।
    হানু, বললো মফস্বলে বিকল্প শিক্ষার কথা। কিন্তু এখন মফস্বল শহর থেকে ঝেঁটিয়ে ছেলে মেয়ে কোটায় যাচ্ছে বা আকাশ,পাথ ফাইন্ডার এসব কোচিং নিচ্ছে।
    মফস্বল ও মেট্রোপলিটন সিটি থেকে 50 -60 লাখ টাকা দিয়ে লোকজন দ ভারতে ইঞ্জিনিয়ারিং বা ডাক্তারি পড়তে যাচ্ছে।
    আমাদের আমলে,তখন সবে দু চারটে প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং ও ডাক্তারি কলেজ রিকগনিশন পেয়েছে। সে আমলে,নরম ছিল,জয়েন্ট না পেলে, জনতা পর পর 3 -4 বছর জয়েন্ট দিতো।কিছু চালাক জনতা এতো পরিশ্রমের মধ্যে না গিয়ে সাউথ ইন্ডিয়ায় ভর্তি হতে যেতো। জনতা তাদের একটু উস্মার চোখেই দেখতো।কিন্তু দেখা গেলো, চটপট তারাই চাকরী বাকরী করতে শুরু করলো বা বিদেশ চলে গেল।
    আজও বাবা মায়ের পকেট থেকে 40 -50 লাখ খসিয়েই লোকজন আমেরিকা বা বিলেতে পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন করতে যায়। কেউ তো পেছন ফিরে তাকায় না,যে সব পরিবারের এই সামর্থ নেই, তাঁদের কি হবে?বরঞ্চ বিদেশে সেটল করার পর ফেবু তে উপদেশ ও পরামর্শে ভরিয়ে দেয়।
    আমার তো মনে হয়,বাবা মায়ের পয়সা ছিল বলে কিছু ছেলে মেয়ে, উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে পারলো বা দেশেই ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারিং, ম্যানেজমেন্ট পড়তে পারলো।
    পড়াশোনায় ইনভেস্টমেন্ট সর্বদাই বেটার ইনভেস্টমেন্ট বলে মনে হয়।
    প্রসঙ্গত আর একটা কথা, বিলেত, আমেরিকা তেও পয়সা থাকলেই প্রাইভেট স্কুলে পড়া যায়।আমেরিকাতে তো স্বাস্থ্য একটা বাজারী পণ্য ছাড়া কিছু নয়। ফেলো কড়ি মাখো তেল।ব্রিটেনে বা ইউরোপে তাও সরকারী স্বাস্হ্য ব্যবস্থা।এবং উন্নত মানের ও বটে।
    এই লিঙ্কটা পড়া যেতে পারে।

    https://www.google.com/amp/s/www.forbes.com/sites/noahkirsch/2017/11/09/the-3-richest-americans-hold-more-wealth-than-bottom-50-of-country-study-finds/amp/
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত