এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ১০:০০392969
  • পবের রাজনীতি নিয়ে জনগনের ধারণা খুবই কাঁচা দেখছি।
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ১০:০০392970
  • S, এগুলোর বেশিরভাগই তো মফস্বল এবং শহর। কোলকাতা, হাওড়া ইঙ্কলুডীং উলুবেড়ে, শ্রীরামপুর, রাণাঘাট, দমদম, কাঁথী, কৃষ্ণনগর, ব্যারাকপুর তমলুক ইত্যাদি। সবকটাতেই পৌরসভা এলাকার ব্যাপ্তি বেশ বড়ো।
  • sm | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৫৯392967
  • 2009আর তার আগে সমস্ত মিডিয়া বামেদের পা চাঁটতে ব্যস্ত ছিল। টিভি তে ২৪ঘণ্টা, তারানন্দ জোর প্রচার চালিয়েছে, ব্র্যান্ড বুদ্ধ নিয়ে। বুজিরা পাতার পর পাতা ভরিয়ে দিয়েছে, এসব ন্যানো কারখানা না হলে, শ্মশান হয়ে যাবে, পশ্চিম বঙ্গ। সালিম, টাটা এরা হল পব রক্ষা করতে আসা দেবদূত। বুদ্ধ হলো গিয়ে, মসিহা!সততার জ্যান্ত প্রতিকৃতি! মিডিয়ার চোখে মমতা তো ভাঙচুর কারি ছাড়া কিছু নয়!
    ৩০ বছর ধরে ঢপ আর স্বজন পোষণ আর চুরি দেখে জনতা তখন ক্লান্ত।
    মনে মনে বামফ্রন্ট কে বিদায় করতে বদ্ধ পরিকর।
    এতো অপদার্থ ও বাক সর্বস্ব পার্টি যে, আজও জনতা চায়না, বামেরা ফিরে আসুক। এদের কাছে তিনোমুল যদি ক্ষমতা থেকে চলেও যায়, বেটার বিকল্প বিজেপি।
    সিপিএম পার্টির লোকজন ৩৪বছরে প্রচুর গুছিয়ে নিয়েছে, এখন পাকা চাকরি চলে যাবার পর পেনশন পাবার জন্য কান্না কাটি করছে।
  • dc | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৫৯392968
  • পরে লিখব, এখন বেরোতে হবে।
  • S | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৫৭392966
  • "বেশীর ভাগ মানুষ নানান বাধ্যবাধকতায় পড়ে চিট ফান্ডে টাকা দিয়েছিল।"
    কি কি বাধ্যবাধকতা ছিলো, একটু শুনি? বসিরহাটের লোকেদের বা বারুইপুরের লোকেদের ঠিক কি বাধ্যবাধকতা ছিলো শুনি? তাছাড়া সেইজন্য বলিনি কথাটা।
  • dc | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৫৬392965
  • "ব্র্যান্ড বুদ্ধ ব্যাপারটাই আনন্দবাজারের তৈরি, জ্যোতি বোস কোনো কাজের লোক ছিলেন না"

    একদম ঠিক। এটা অব্শ্য আমারও মনের কথা।
  • dc | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৫৫392964
  • আবাপ সিঙ্গুর নিয়ে বুদ্ধবাবুর হয়ে বিরাট প্রচার করেছিল। প্রথম পাতা জুড়ে টাটাবাবুদের হয়ে লেখা থাকত।

    এবার আমিও কাটি।
  • S | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৫৪392963
  • ২০০৯ এর ইলেক্শনে তিনোরা পেয়েছিলো ১৯টা সীট।

    সেগুলো হলো কৃষ্ণনগর, রাণাঘাট, বনগাঁ, ব্যারাকপুর, দমদম, বারাসাত, বসিরহাট, ডায়মন্ড হারবার, যাদবপুর, মথুরাপুর, কোলকাতা উত্তর, কোলকাতা দক্ষীন, হাওড়া, উলুবেড়িয়া, শ্রীরামপুর, হুগলী, তমলুক, কাঁথী, আর বীরভুম।

    এগুলো মধ্যে কোনগুলো এবং কটা গ্রাম প্রধান এলাকা?
  • dc | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৫৩392962
  • "তা দুহাজার উত্তর জমানায় করাপশন গা সওয়া হয়ে গ্যাচে" - একমত। তবে দু হাজার না, মোটামুটি নব্বুই এর মাঝামাঝি থেকেই সিপিএম সমর্থকদের মধ্যে অনেকের তোলাবাজি আর প্রোমোটারি দেখে দেখে, আর নেতৃত্বের সব জেনেও চোখ বুজে থাকা দেখে, সাধারন লোকেদের অনেকেরই করাপশান গা সওয়া হয়ে গেছিল। যে আছে সেও খাচ্ছে, যে আসবে সেও খাবে, তাহলে নতুন কাউকে চান্স দিয়ে দেখি - এটা অনেকে ভেবেছিল।

    S 9:42 - একমত না ঃ) শুধু পার্টিনেতাদের কিনে নেবার জন্য পরিবর্তন আসে নি। পাতি সাধারন লোকও প্রচুর পরিমানে তিনোদের ভোট দিয়েছিল।

    "সিরিয়াসলি আই হ্যাভ নো সিম্প্যাথি ফর পিপল হু ওয়ের লুটেড বাই সারদা/দিদি। দে ডিজার্ভ ইট।"

    এটা একেবারেই মানতে পারলাম না। লোভে পড়ে সারদা/রোজ ভ্যালিতে টাকা জমিয়েছে, এরকম বোধায় কমই ছিল। বেশীর ভাগ মানুষ নানান বাধ্যবাধকতায় পড়ে চিট ফান্ডে টাকা দিয়েছিল।
  • lcm | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৫২392961
  • না, না - সিঙ্গুরের সময় আনন্দবাজার তো এক্কেবারে প্রো-হেভি-ইন্ডাস্ট্রি, ব্র্যান্ড বুদ্ধ-কে নিয়ে বিগলিত... (ব্র্যান্ড বুদ্ধ ব্যাপারটাই আনন্দবাজারের তৈরি, জ্যোতি বোস কোনো কাজের লোক ছিলেন না ... এসেট্রা) -- নন্দীগ্রামে গুলি চলার পর আবাপ পাল্টি খায়।
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৫১392960
  • কী বলছেন ডিডীদা! অন্য কোথাও লেখা হয়ে থাকতে পারে। সংহতি ইত্যাদি। কিন্তু দৈনিক স্টেটসম্যানের রইবারের পাতায় এসব বেরিয়েছিল। লেখা হয়েছিল যা দেখেছি তা বলতে গেলেই বমি উঠে আসছে মাথা ঘুরছে। কচি শিশু এবং কুমীর। আরেকজন লিখতেন। ভদ্রলোকের টাইটেল সম্ভবতঃ রায়। ইয়েস মনে পড়েছে অচিন রায়। ঐ সময়ের কাগজ খুললেই দেখা যাবে।
    আবাপ সিঙ্গুরের সময়ে ব্র্যান্ড বুদ্ধর পক্ষেই লিখতো। কিন্তু নন্দীগ্রাম অনওয়ার্ডস পুরোপুরি পার্টিজান হয়ে যায়। শুভাবাবু বুদ্ধবাবুর মাথায় শিঙ আর ড্রাকুলা দাঁত এঁকে বিখ্যাত হলেন তো আবাপ থেকেই। মেনস্ট্রিম খবরের কাগজ হিসেবে বর্তমান আর প্রতিদিন তো হাত খুলে লিখেছে। বর্তমান তো দশকের পর দশক ধরে হনু সাংবাদিকতার নামে আলফাল রাবিশ ছেপে গেছে। আর দুহাজার তিন অনয়ার্ডস প্রতিদিন ঘুরে গেছে মুলোদের দিকে। এর কারণ ছিল হলদিয়া ডকের মাল খালাসের টেন্ডার অনলাইন করে দেওয়া। সৃঞ্জয় বসুর ব্যবসা ঝাড় খায় এবং কুণাল ঘোষের নতুন অবতারে আবির্ভাব হয়। এ জিনিস নিদের মতো রপিষ্কার। গুচর লিংক দিয়ে ঢাকা যাবে না।
  • dd | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৪৯392959
  • এই শেষ কথা বলে, যাই আমি চলে।

    সারদা ইঃতে যেসব ভদ্র্লোকেরা টাকা রাখতেন তাদের উপর আমারো কোনো সিম্প্যাথি নেই। তারা জেনে শুনে লোভে পড়ে ঠকেছেন। জানতেন বেআইনী কাজ করছেন। তার জন্যই মিছিল টিছিলে খুব একটা বোধহয় ভীড় হতো না। চক্ষুলজ্জা।
  • S | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৪৮392958
  • ২০১১ অবধি আবাপ দিদির পক্ষেই ছিলো। কারণ তখন দিদি আর কঙ্গ একসাথে। আবাপ চিরকালই কঙ্গ যেদিকে, উনারা সেদিকে।

    আর ঐ নন্দেগ্রামের কাছে কোন নদীতে নাকি এতো লাশ ফেলা হয়েছে সেখান প্রচুর কুমীর ঘুরে বেড়াচ্ছে সেইসব লিন্ক এই গুরুতেই প্রচার করা হয়েছে। অ্যাডমিনরাও মিন মিন করে সেগুলো সহ্য করেছে।
  • dc | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৪৬392956
  • " দুহাজার নয়ের লোকসভা ভোটের রেজাল্টে ট্রিগার হয়েছে গ্রামবাংলা"

    এক্স্যাক্টলি। আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, তখন তারানন্দ আবাপ ইত্যাদিরা যে ইমেজ বিল্ডিং এক্সারসাইজ করেছিল (সততার প্রতীক, হাওয়াই চটি) তাতে কতো শতাংশ ভোট এদিক থেকে ওদিকে গেছিল? গ্রামগঞ্জে লোকজন কি সত্যি সেই ইমেজে বিশ্বাস করেছিল, বা আদৌ সেই প্রচার জানতে পেয়েছিল? নাকি তখনকার সিপিএমের কর্মীদের তোলাবাজি, জুলুম, করাপশান ইত্যাদি দেখে দেখে বিরক্ত হয়ে ঠিক করেছিল যে এবার অন্য পক্ষকে ভোট দিয়ে দেখাই যাক?
  • dd | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৪৬392957
  • আবার Tকে ঃ সারদার টাকা ২০০৯'তে কি করে হোলো? সিংগুর নন্দীগ্রামের সময়? তখন তো তখত এ তাউসে ব্র্যান্ড বুদ্ধ।

    হ্যাঁ, তারপরে হয়েছে। দিদি মসনদে বসবার পর ঐ সব অখাদ্য কাগজ বেড়িয়েছে সারদা ই" ইঃর টাকায়। দিদির পেইন্টিংও বিককিরি হয়েছে।

    কিন্তু দিদির বিরুদ্ধে কাউন্টার প্রোপাগান্ডায় সব থেকে সামনের মুখ ছিলো আবাপ গোষ্ঠী। কিন্তু লোকে শোনে নি।
  • S | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৪৫392955
  • শুধু তাই। অনেকে সারদার জন্য বামেদের দায়ী করেছে। লোকজন সেইসব ঢপ মাথায় নিয়ে মহানেত্যও করে চলেছে।
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৪২392953
  • সারদা, নারদা কেলেংকারীতে একটা দলের আগাপাশতলা জড়িত। লোকে হাঁ করে টিভিতে দেখল। পুলিশ কয়েকটাকে জেলে ভরছে দেখল। তারপর গিয়ে চুপচাপ ফুলে ছাপ মেরে এলো। দুহাজার ষোলো বিধানসভা নির্বাচনের আগে আমাদের ওদিকে জনসভা হচ্ছে। নেতামুলো ভাষণ দিচ্ছেন, 'আরে কার বিরুদ্ধে এইসব বলছিস, তা দ্যাক একবার। মমতা এসব করতেই পারে না।' খুবই আনন্দের কথা ও সইত্য। একপাল কচিমুলো হৈ হৈ করে হাত্তালি দিয়ে উঠল। তা দুহাজার উত্তর জমানায় করাপশন গা সওয়া হয়ে গ্যাচে। খেলেই বা কী, না খেলেই বা কী, কতই তো খাচ্ছে, যে যায় সে খায়। এইরকম।
  • S | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৪২392954
  • আরে ধুর ঐ সারদার টাকা দিয়ে গ্রামে গন্জের বহু পার্টিনেতাদের কেনা হয়েছিলো। গ্রাম সমিতিগুলো রাতারাতি পাল্টে গেছিলো। সেলেব্রিটিদের কেনা হয়েছিলো। তখন যিনি কাল অবধিও রাজনীতি কিওকেন জানতো না টিভিতে বামেদের নিন্দে মন্দ করতে নেমে গেছিলো। সিরিয়াসলি আই হ্যাভ নো সিম্প্যাথি ফর পিপল হু ওয়ের লুটেড বাই সারদা/দিদি। দে ডিজার্ভ ইট।
  • dd | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৪০392952
  • T'র, সেই যাকে বলে "ন্যারেটিভ ", আমার সাথে মিললো না।

    শিশুদের পা চিড়ে .... ইত্যাদি কোনো মেইন্স্ট্রিম খবরের কাগজে দেয় নি।ওটা SUC'র একটা ডাক্তারদের সংঘটনের নামে ইস্তাহার চালানো হয়েছিলো। আর ছোটোখাটো কাগজের ১০০% মিথ্যাচার গুজবের সে এক স্বর্ণযুগ। কুমীরের গল্পোতো কিংদবদন্তী। এখনকার ভাঙরের "হাইব্রীড বাচ্চ"দের মতনই আকাট একটা গল্প। কিন্তু কিছু বলার নেই, ওগুলো তো হাঁদামী নয়, প্রোপাগান্ডাও নয়। এ সবই "পোস্ট ট্রুথ"। জজে মানবে। সলিড বামপন্থী তাত্ত্বিক ফাউন্ডেশন রয়েছে।

    সেইসময়ে এই গুচতেই (সিংগুর/নন্দীগ্রাম) একাঢিক টই ইত্যাদি খোলা হয়েছিলো। Tকে বলি একবার সিপুএম সাপোর্টরদের দেওয়া লিংগুলো দেখবেন স্যার। আ বা'র লিংএ ভরপুর। উল্টোটাও আছে। কিন্তু আ বা তখন কোনো পার্টিজান ভূমিকা নেয় নি। অ্যাকচুয়ালি সোস্যাল মিডিয়া বিভিন্ন ছোটো ই বা ছাপা ম্যাগাজিনের থেকে অনেক বেশী বিশ্বাসযোগ্য ছিলো মেইনস্ট্রিম।
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৩৭392950
  • আর শহরে বামফ্রন্টের ভিত্তি গ্রামগঞ্জের মতো তো ছিল না। অপোজিশন হিসেবে কংগ্রেসের সেরকম কিছু মুভমেন্ট ছিল না যা ভোটে রিফ্লেক্ট হবে। মমতারও কিছু ছিল না। নন্দীগ্রাম সিঙ্গুরের কেসটায় মমতা নিজেকে আন্ডোলোন কারী হিসেবে প্রোজেক্ট করেছেন, সাথে মিডিয়ার হেল্প পেয়েছেন, বুজীরাও আকাশ থেকে নেমে এলেন, ফলে ব্যাপারটা মান্যতা পেয়ে ভোটে রিফ্লেক্ট হ'ল। দুহাজার নয়ের লোকসভা ভোটের রেজাল্টে ট্রিগার হয়েছে গ্রামবাংলা। কারণ দুহাজার আটের পঞ্চায়েত ভোটে রেশনে ঘাপলা বেশ এফেক্ট ফেলেছিল। এইরকম বলা যেতে পারে।
  • dc | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৩৭392951
  • সারদা অবশ্যই ভুলিনি। সারদা, রোজ ভ্যালি তো ছিলই। তবে আমার যতোটা মনে আছে, সেই ২০১১ এর আশেপাশেও সারদা আর রোজ ভ্যালি নিয়ে মাঝেমাঝেই এখানে ওখানে খবর বেরতো। পবতে যে বিরাট বড়ো চিট ফান্ড স্ক্যাম চলছে, সেটা তখনও আলোচনা হতো। বেষ কিছু মানুষ বোধায় জেনেশুনে দিদিকে ভোট দিয়েছিল।

    তাই মানুষ ছাগল না। মানুষ হলো #&*! - একমত :d
  • cm | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৩৫392949
  • "অপরপক্ষও জনতাকে ইকুয়ালি ধোঁকা দিয়েছে" আজকালে ইদানীং এসব লিখছে বুঝি!
  • S | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৩৪392948
  • এও একধরনের হিপনোটিজম। মানুষ জানে বোকা হচ্চি, আর তাতেই আনন্দ পাচ্ছে।
  • cm | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৩১392946
  • ওনার কোন বিষয়ে স্পষ্ট নীতিগত অবস্থান দেখেছেন? আমি দেখছিনা। ধান্ধাবাজি বাদে। কোনরকম নীতিগত অবস্থান সুস্পষ্ট না করে জেতা, বোকা বানানো ছাড়া কি?
  • S | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৩১392947
  • ইরাক যুদ্ধ নিয়ে কি মতামত ডিসিদার? আম্রিগাকে পুরো দুনিয়া বলেছিলো ওরে এবালে যাসনে। তখন বুশ বলেছিলো যে সবাইই নাকি টেররিস্টি। আম্রিগায় যারা আপত্তি করেছিলো, তাদেরকে ট্রেইটার ইত্যাদি বলা হয়েছিলো। কারণ তখন তেলের আশায় গেছিলো। হেরে ফিরে আসার পরে আজকাল সেইসব লোকজনই বলে যাওয়া উচিৎ হয়নি।

    জার্মানিতেই একই ঘটনা। তখন বিশ্বজয়ের স্বপ্নে সবাই হিটলারের পক্ষে। যুদ্ধে হারার পরে ভুল হইয়া গেছিলো।

    এখন মোদিকে নিয়ে বারাবারি করছে। একটা বড় দাঙ্গা টাইপের হয়ে গেলে তখন ভুল বুঝবে। ট্রাম্প নিয়ে কিছু লিখবো না।

    তাই মানুষ ছাগল না। মানুষ হলো #&*!
  • b | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৩০392943
  • হীরকরাণীর টইতে গিয়ে তক্ক করুন্না।
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৩০392944
  • সারদার টাকার কথাটা ভুলে যাবেন না। সেই টাকায় কতগুলো খবরের কাগজ চলত মনে করে দেখুন। নিয়ম করে লেফটকে গাল দিত সব। সকালবেলা, ভোরের কাগজ, প্রতিদিন, আজাদ হিন্দ, কলম, বেঙ্গল পোস্ট, প্রভাত বার্তা। মিডীয়া চ্যানেল হিসেবে চ্যানেল টেন, আর প্লাস। এ বাদে এস্টাব্লিশড কাগজগুলোর মধ্যে সেসময় উল্টোদিকে ছিল আনন্দবাজার গ্রুপের সবকটা কাগজ, বর্তমান, স্টেটসম্যান। এবং তখনকার তারানন্দ। উল্টোদিকে লেফটের ছিল চব্বিশ ঘন্টা আর আজকাল। পাল্লা কোনদিকে ভারী নিজেরাই ভেবে নিন। মনে করা যেতে পারে যে শিশুদের পা চিরে খুন করার ব্যাপারটা স্টেটসম্যান থেকেই ছড়িয়েছিল। আজকে ত্রিপুরাতে অমিত শাহ যে পদ্ধতি অ্যাপ্লাই করে জিতেছেন সেটার ভগীরথ কিন্তু রাণীমাই। কিন্তু দেকুন, অমিতশাহকে গাল খান আর রাণীমা ধন্য ধন্য হন।
  • dc | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৩০392945
  • S, অফ কোর্স। একটা বিশেষ সময়ে, বিশেষ পরিস্থিতিতে জনতা এদের কথা শুনেছে, এদের ভোট দিয়েছে। এদের কথা কেন শুনতে বাধ্য হয়েছে? বেশীর ভাগ জনতা শুনতে বাধ্য হয়েছে কারন অপরপক্ষও জনতাকে ইকুয়ালি ধোঁকা দিয়েছে। এদের কথা যে বেশীদিন চলবে না সেটা এরাও জানে।
  • dc | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:২৮392942
  • "জনতাকে বোকা বানানো" - এটা কি ঠিক? নাকি এক দিকের হিপোক্রিসি, ব্যার্থতা, করাপশান ইত্যাদি ইত্যাদিতে বিরক্ত হয়ে জনতা অন্য দিককে ভোট দিল, এটাই "জনতাকে বোকা বানানো"? নিজের দিকের কোন ভুল না দেখতে চেয়ে জনতার ঘাড়ে "দোষ" চাপিয়ে দেওয়া?
  • S | ০৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:২৫392940
  • হ্যাঁ আজকের জমানায় উনি অবশ্যই চলছেন। মোদিও চলছেন। ৮০র দশকে উনাদের কথাবার্তা চলতো না। তেমনি আজ থেকে ২০ বছর পরেও চলবে না। দেখছেন ন শারুকের সিনেমা এখন আর চলতেই চায়্না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত