এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ০১ এপ্রিল ২০১৮ ০৪:১২392580
  • দেখে তো মনে হচ্ছে ঊনপঞ্চাশ পবনের নৃত্য চলছে। ঃ-)
  • Atoz | ০১ এপ্রিল ২০১৮ ০৪:১১392579
  • টইপত্তরে এমন ভয়ানক ঝঞ্ঝাবাত এল কখন?????
  • avi | ০১ এপ্রিল ২০১৮ ০৪:০৭392578
  • পরমেশ্বরদা আমার ড্রাইভারের নাম। খুব মাথা ঠাণ্ডা বডি ল্যাংগুয়েজ।
  • S | ০১ এপ্রিল ২০১৮ ০০:১৪392577
  • ম্যানেজমেন্টের কোন সাবজেক্টে বডি ল্যাঙ্গুয়ে পড়ানো হয়? নাকি এটাও গুচ্চের বেসলেস প্রি কন্সিভ নোশনের প্রতিফলন?
  • Ti | ০১ এপ্রিল ২০১৮ ০০:০১392576
  • কি করে বডি ল্যাংগুয়েজ বোঝা যায়?
    এখানে তো ঝাড়ি মারা বডি ল্যাংগুয়েজ ছাড়া কিছু বোঝা যায় না
  • T | ৩১ মার্চ ২০১৮ ২৩:২৬392575
  • না না, সব কেলোর কীর্তি একদিনে ফাঁস করা ঠিক হবে না। :)
  • | ৩১ মার্চ ২০১৮ ২৩:১৭392574
  • কিন্তু তোর যে একটা বঅডি আছে যা প্রেশার কুকার বহনে সক্ষম, সেই গল্পটাও হয়ে যাক।
  • T | ৩১ মার্চ ২০১৮ ২৩:০৫392573
  • :))
    আমার দাদু ছিলেন খুব এলিট মেজাজের মানুষ। রেলে চাকরী করতেন। অবসরকালে এলাহাবাদ ব্যাঙ্ক থেকে পেনসন তুলতেন। তো, মাসপয়লা আমি ওঁর সঙ্গী হতাম। কোনো এক স্নায়ুরোগে ওঁর হাত কাঁপত বলে আমাকে নিয়ে যেতেন নোটগুলো গোণার জন্য। ফিরতি পথে রিকশায় উঠবার আগে আমিসমেত শ্রী দুলাল চন্দ্র ঘোষের মিষ্টির দোকানে ঢুকতেন। আমি দুটো রসোগোল্লা খেতুম, উনি একটি সরভাজা। ওঁর বডি ল্যাঙ্গোয়েজ মাখনের মতো পেলব হয়ে থাকত।

    এইবার হয়েছে কি, আমাদের ইশকুল মানে, দি হাওড়া বিবেকানন্দ ইন্সটিটুউশন কোনোরকম এলিটিজম ইত্যাদির ধার ধারত না। মফস্বল স্কুল এবং স্বয়ং ওঁর নামাঙ্কিত হওয়ায় আমাদেরও কিসু ছোঁয়াছুঁয়ি সন্নিপাতিক নাক উঁচু ইয়ে সব ছিল না। মূর্খ ভারতবাসী, দরিদ্র ভারতবাসী ও চন্ডাল ভারতবাসীও একই সেকশনে লীন হতো এবং একই রকম প্যাঁদানি খেত। সে প্যাঁদানি যাকে বলে কহতব্য নয় আর কি। আমরা সকলেই সকলকে সমীহ করতাম এবং আমাদের বডী ল্যাঙ্গোয়েজ স্কুল চত্ত্বরের বাইরে কিঞ্চিৎ ছাড়া গরুর ন্যায় শোভা পেত।

    এইবার যেখানে এই দুটি ঘটনা মিলছে, অর্থাৎ মাস পয়লা পেনশন তুলতে দাদু তো নিয়ে গেছেন আমায়। এলাহাবাদ ব্যাঙ্কের সামনে দ্বাররক্ষীর বন্দুক ফুঁয়ে উড়িয়ে তুশ্চু করে ভেতরে ঢুকেছি। নোট গুণেছি। দাদু বেরিয়েচেন। শ্রী দুলাল চন্দ্র ঘোষের মিষ্টির দোকান থেকে যথারীতি রসগোল্লা ইত্যাদিও সাবড়ানো হয়েছে। এরপর বাহিরে শীতের রৌদ্র মেখে বিনম্র বডি ল্যাঙ্গোয়েজে আমরা রিকশায় উঠে বসেছি। অমনিও সেটি টুকটুক করে চলতে আরম্ভ করেছে।

    একটু পরেই দাদুর খেয়াল হ'ল। এইও, তোমাকে তো বলিনি কোথায় যাব? অ্যাঁ!
    -- চলুন না, ঐ তো খেলাঘর মাঠ যাবেন তো।
    -- অ্যাঁ! হ্যাঁ, তা তো বটেই! কিন্তু তুমি জানলে কী করে! অ্যাঁ।
    -- অই তো। অর সাথে একক্লাসে পড়ি তো। অর বাড়ী তো চিনি। অরে তো শিখাইছি চালানো।
    তবে রে হতভাগা, অ্যাঁ! রিকশাওলাও তোর বন্ধু। বাঁদর কোথাকার। ইত্যাদি মন্তব্য ও তৎক্ষণাৎ নিদারুণ বডি ল্যাঙ্গোয়েজ যা আমি আগে থেকেই আঁচ করে সটান সড়াৎ হয়েছিলাম। শ্রেণী ইত্যদির পূর্ব্বপাঠ হিসেবে এই ঘটনাই আমায় পরবর্ত্তীতে সিপিয়েম হওয়ার দিকে ঠেলে দেয়।

    সেইসব বডি ল্যাঙ্গোয়েজের দিনগুলি। :)
  • paps | ৩১ মার্চ ২০১৮ ২২:৫৩392572
  • ও মশায়/মহাশয়াগণ, আফনাদের ঢপের বডি ল্যাংগুয়েজের আলোচনার চোটে বিবির ঈশ্বর/পরমেশ্বর সংক্রান্ত পোশ্চেনটি হালে পানি পেল না যে।
  • একক | ৩১ মার্চ ২০১৮ ২২:৪২392571
  • গুচ্চের বেসলেস প্রি কন্সিভ নোশন তইরি হয় এবঙ্গ তত্সন্জাত অন্যকে " বুঝে ফেলা" র ঢপের কন্ফিডেন্স। যে কোন ভাষা আসোলে টোকেন মাত্র যাকে উভয় ভাষী একই বিনিময় মুল্যে চেনে। বডি ল্যাঙ্গুএজ বলে যে ঢপ টা ম্যানেজমেন্ট জনতা চলনোর চেশ্টা করে সেই টোকেন এ আগে উভয় কে শিক্খিত হতে হবে তবে তো সেটা ল্যাঙ্গুএজ। ওসোব ছোতো গোশ্টির মোধ্যে খাটে তার বাইরে ভুল্ভাল। টোকেন এর স্টান্ডর্ডাইএশন নেই তার আবর ল্যঙ্গুএজ।
  • b | ৩১ মার্চ ২০১৮ ২২:৩১392570
  • বডি ল্যাঙ্গুয়েজ জানা খুব জরুরী।একবার বাবা আমার দিকে ঘুষি বাগিয়ে তেড়ে আসছিলো। ঐ কোর্সটা করা থাকায় আগেই বুঝতে পারলাম, এক্ষুণি মার খাবো।সাথে সাথে দৌড়, নাগালের বাইরে।
  • paps | ৩১ মার্চ ২০১৮ ২২:২৫392569
  • মাইম চলবেক নাই?
  • cm | ৩১ মার্চ ২০১৮ ২২:১৮392568
  • বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, যেমন কথাকলি, ভারতনাট্যম!
  • h | ৩১ মার্চ ২০১৮ ২১:৪৭392567
  • আমার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ পোচোন্ডো ভালো কারণ আমার কাছে মা না থাগলেও অগাধ বডি আচে।
  • paps | ৩১ মার্চ ২০১৮ ২১:১৬392566
  • দ ঠিক বলেছেন। বডি ল্যাংগুয়েজ দারুণ কাজের জিনিস। তবে একই জেসচার দেশভেদে ভিন্ন অর্থ বহন করে। ফোনে ভয়েস মডিউলেশন বা অাওয়াজ শুনে বিভিন্ন বিষয়ে আঁচ করাটা কমন সেন্সের র‍্যাপার, তবে এটা structured way তে শেখান হয় এটা জানা ছিল না। ফোনের অপরপ্রান্তের মানুষটি যদি stoic personality হন তাহলে এই বিদ্য়া ভাল কাজ করবেনা হয়তো।
  • paps | ৩১ মার্চ ২০১৮ ২১:০১392565
  • ও তাই বলুন। পরমেশ্বর দারোগা! শালা বহুত খচ্চর লোক। বেটা আমার পাড়ার একটি ছেলের চুল বলপূর্ব্বক কাটিয়ে দিয়েছিল বড় চুল রাখার অপরাধে।
  • বিবি | ৩১ মার্চ ২০১৮ ২০:৫৪392564
  • না, বিদ্যাসাগর মশাই নন, ঈশ্বর অর্থাৎ পরমেশ্বর।

    এবং ঈশ্বর বলতে সবাই কি বোঝেন ?
  • paps | ৩১ মার্চ ২০১৮ ২০:৫১392563
  • আমি মশাই ভয়ানক ঈশ্বরবিশ্বাসী। তবে আমার বিশ্বাস অনুযায়ী ঈশ্বরের সংখ্য়াটা সাধারণত লোকে যতগুলো ঈশ্বর আছে বলে মনে করে তার থেকে একটি কম।
  • | ৩১ মার্চ ২০১৮ ২০:৪৮392562
  • বহুত
    একটা
  • | ৩১ মার্চ ২০১৮ ২০:৪৭392560
  • এই প্যাপস, আমার আগের এক আপিসে শিখিয়েছিল। মাইরি বাহুত কাজের জিনিষ। আর একাটা জিনিষ শিখিয়েছিল ফোনে গলার আওয়াজ, ভয়েস মড্যুলেশান ইত্যাদি শুনে বিভিন্ন ব্যপারে ধারণা করা।
  • b | ৩১ মার্চ ২০১৮ ২০:৪৭392561
  • কোন ঈশ্বর? সেই সংস্কৃত কালেজে পড়া পাকা ছোকরাটা?
  • T | ৩১ মার্চ ২০১৮ ২০:৪২392559
  • কী হবে?
  • বিবি | ৩১ মার্চ ২০১৮ ২০:৩৭392558
  • এখানে ঈশ্বর বিশ্বাসী কে কে?
  • paps | ৩১ মার্চ ২০১৮ ১৯:৩০392557
  • আমি মশাই বাংলা, ইংরাজি, রাশান, ফ্রেঞ্চ এসব শিখতে চাইনা। বডি ল্যাঙগুয়েজ শিখতে চাই; বি এ, এম এ তো বটেই মায় পিহেচডি অব্দি করতে চাই। সহৃদয় গুরুভাইবোনেরা উপযুক্ত কলেজ-ইউনিভারসিটির সন্ধান দিলে আজীবন ঋণী থাকব।
  • T | ৩১ মার্চ ২০১৮ ১৮:১৯392556
  • দেখুন, এই গানে নারীপুরুষ, পুরুষনারী, ঘোড়ার ডিম সবই আছে।
  • | ৩১ মার্চ ২০১৮ ১৮:০৫392555
  • ঘোড়ার ডিমের মুন্ডু।
  • Arunima Mandal Das | ৩১ মার্চ ২০১৮ ১৭:৫০392554
  • নারীবাদ ও পুরুষতন্ত্র -------/ অরুণিমা মন্ডল দাস

    আমাদের সমাজব্যবস্থা দুই শ্রেণীর মানুষ দিয়েই গঠিত --১)নারী ২)পুরুষ
    একটু লক্ষ্য করে দেখুন আগে কিন্তু নারী বলা হচ্ছে পরে পুরুষ --সাধারণত আমরা নারী পুরুষ বলি পুরুষ নারী কখনো বলি না --যেমন ভাবে “--লেখাপড়া
    পড়ালেখা ” কিন্তু বলছি না?
    তাহলে কি দঁাড়ালো নারী ই প্রথম নারী ই আদ্যাশক্তি নারী ই সৃষ্টির মূল নারী কামিনী নারী ই লীলাময়ী নারী যেমন ধ্বংসের দেবী তেমন প্রেমের দেবী সৃষ্টির দেবী --একজন পুরুষের জীবনে শুরুতেও যেমন নারী শেষতেও নারী-- পরিপূর্ণ একজন সফল পুরুষের পিছনে একজন নারীর হাত /অবদান অনস্বীকার্য--আবার একজন সফল নারীর পিছনে একজন সৎ ভালো পুরুষের অবদান থাকবেই---

    নারী--পুরুষ---একে অপরের যথার্থ পরিপূরক! একজন আর একজনকে ছাড়া বড্ড অসহায় ও বেমানন বলা যেতেই পারে--
    নারীকে অবহেলা কিন্তু পুরুষতন্ত্র নামে যন্ত্র করছে--পুরুষরা কি করছেন? পুরুষতন্ত্র মানে শুধু পুরুষ সব পুরুষকে কি বোঝায়? আপনি যদি পুরুষ হন আপনি কি চাইবেন আপনার মা, বোন খারাপ থাকুক বা যন্ত্রনায় অবহেলায় বঁাচুক! আপনি যদি সত্যিকারের পুরুষ মানুষ হলে বা হিঁজড়ে ও যদি হয়ে থাকেন আপনি কোনো দিনই চাইবেন না আপনার রক্তের সম্পর্কের কারোর কোনো অসম্মান হোক বা ক্ষতি হোক!

    পুরুষতন্ত্র বলতে মূলত গুটিকতক পুরুষ আর তঁার মাথার উপর বড় বড় মহিলাদের ছড়ি ঘোরানাকেই বুঝি? আসলে মেয়েরাই পুরুষদের চাকায় বসিয়ে পুরুষতন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন ? আপনি একটু লক্ষ্য করুন সমাজব্যবস্থা তাহলেই বুঝতে পারবেন --- মেয়েরাই পুরুষতন্ত্র কে টিকিয়ে রাখতে চায় তঁারা পুরুষের মাথায় নাচানো আ্যগ্রেসিভ মুড পুরুষের পাগলামি ছঁ্যাচড়ামি কে আদর ভেবে সারাজীবন চুমু খান আর রাণী মন্দোদরী হয়ে সিংহাসনে বসে থাকেন। সীতাদের কান্না মন্দোদরীর কানে ঠিকমতো পৌঁছলে রাবণের সাহস বাড়ত না পরস্ত্রী শৃ্ঙ্গারের খেলায় নিজেকে মদমত্ত করার---একদিকে নারীরা নিজেদের অসহায় বোধ করে কিন্তু আ্যকচুয়ালি অসহায় দুর্বল কখনো নয় !
    পুরুষতন্ত্র কি---

    --------------____----

    “ পুরুষতন্ত্র” কথাটাই কেমন মরদ মরদ বা গম্ভীর একরোখা পুরুষ পুরুষ ভাব লাগে --কিন্তু এই পুরুষতন্ত্র টা কি শুধুই পুরুষদের নিয়ে চলছে বা নারীদের একদম রোহেঙ্গা বানিয়ে দিনের পর দিন পারিবারিক ধর্ষন চলছে--? সেরকম সব পুরুষরাই করছেন কি? তা তো মনে হচ্ছে না---করছেন কারা? বেশীরভাগ ক্রিমিনাল টাইপ মানুষ,মানসিক রোগাক্রান্ত মানুষ, আর আছেন পেশাদার ধর্ষক গুন্ডা সমাজের একশ্রেণীর ডাস্টবিন পুরুষ বলা যায় --!

    ধর্ষন কেন হয়-------- ১) রেপ বা ধর্ষন আমাদের বিশ্ব দরবারের একটি নিত্যকার ঘটনা বলা যেতেই পারে --প্রথমত ধর্ষন হয় পুরুষের আক্রোশ, কামনার ক্ষুধা নোঁরা পাশবিক সুখ কে চরিতার্থ করার জন্য ধর্ষন হয়ে থাকে --অত্যাধিক রক্ষনশীলতা ধর্ষনের জন্য দায়ী মনে করি----মেয়েটি খোলাখুলি চলুক ক্যারাটে শিখুক বক্সিং শিখুক দশ জায়গায় যাক --বলিষ্ঠ স্মার্ট চেহারা মন হলে কারোর ক্ষমতা নেই তঁাকে ধর্ষন করার --স্মার্ট মানে খোলামেলা পোশাক উত্তেজিত পোশাক পরবেন সেটা কিন্তু বলছি না ----ইচ্ছে করে ডেসপারেট এক্সপোজার হওয়ার কোন দরকার আছে বলে মনে করি না ---
    ২) আপনি বিপদে পড়তে পারেন তঁার আশঙ্কা থাকলে অন্তত আধঘন্টা আগে পুলিশকে লোকেশান ম্যাসাজ করে প্রস্তুতি নিতেই পারেন-- ধরুন বডি স্প্রে চোখে দিয়ে পালানো --ধারালো কিছু দিয়ে আঘাত করা শরীরের বেশ কিছু এমন --সেখানে আঘাত করলে মানুষ সংগে সংগে অজ্ঞান হয়ে যায় --সেখানে আঘাত করা --সর্বোপরি ঘাবড়ে না গিয়ে নিজেকে প্রানপন উদ্ধার করা--
    ৩) পশ্চিমের দেশগুলি মাতৃতান্ত্রিক ---মেয়েদেরকে ছেলেরাই ভয় পায় --গায়ে হাত দেওয়া অপমান করা দূরে থাক তঁারা মেয়েদের যথেষ্ট সম্মানীয় বলে মনে করেন-- স্বাবলম্বী না হওয়া ---যার কারনে অনেক প্রকার টরচারের স্বীকার হতে হয় --শুধুমাত্র অপরিচিতরাই যে ধর্ষন করে তা নয় মেয়েদের নিজ অসহায়তার সুযোগে পরিচিতরাও দিনের পর দিন ধর্ষন করে যায় যার কোনো প্রমান নেই আর থাকলেও অনেক মেয়েরা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো বলে মনে করেন।

    ৪) দারিদ্রতা--অভাবের কারনে বেশীরভাগ মহিলাকেই শহরে আসতে হয় কাজের জন্য যার কারনে অনেকেই বেশ্যাবৃত্তিতে জড়িয়ে পড়েন আবার অনেকে ধর্ষনের স্বীকার হয়ে মুখ লুকিয়ে বেঁচে থাকেন--

    ৫) সমাজের কুসংস্কার গোঁড়ামির জন্য ও অনেককে ধর্ষনের স্বীকার হতে হয়--
    ৬)সবচেয়ে বড় কথা উপযুক্ত নারীশিক্ষার অভাব --
    ৭)সামাজিক বর্ণবৈষম্য

    পুরুষতন্ত্রের অবদান-----

    ---------------------
    ১) পুরুষতন্ত্র কি?কেন? কিভাবে? অনেক কিছুই বলা যেতে পারে-- মূলত পুরুষতন্ত্র বলতে কিছু মহিলাদের সাহিত্যের ভাষায় পুরুষদের একচেটিয়া অধিকারকেই বুঝি --মেয়েরা এখন তো অশিক্ষিত নেই--সবাই ইন্টারনেট ইউজ করছেন--স্বাধীন ভাবে থাকছেন মেয়েদের বাড়িতে থাকছেন মেয়েরা জব করছেন --- চ্যাটে হাই হ্যালো করছেন --নিজের নামে অনেক সম্পত্তি ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স আছে ইচ্ছে করলেই একা কাটাতে পারবেন অনায়াসে তাহলে পুরুষের কাছে আসছেন কেন? সেক্সটয় আছে? পুরুষজাতিকেই বা অনেকের মতে অসুরজাতিটারই বা দরকার কি? তাই নয় কি?
    কিন্তু বেশীরভাগ নারী ই পুরুষের অধীনে থাকতে স্বাচ্ছ্যন্দ্য বোধ করেন --উচ্চ শিক্ষিত মহিলাদের ও ভয় থাকে --তঁাদের ও সিকিউরিটি র প্রয়োজন? সেক্স নয় প্রকৃত ভালোবাসার প্রয়োজন-- একটা ছেলে একটা মেয়ের মধ্যে কিছু তো পার্থক্য আছে যাতে পুরুষকে একজন শক্তিশালী রোবট বানানো হয় পরিবারের প্রধান মেনে নেওয়া হয় --মানে কে? সেই একজন মেয়ে? মা---পরিবারের মায়ের আদেশেই প্রধান পুরুষগন সংসার প্রদেশ চালনাচালনা করে থাকেন থাকেন--

    তাহলে কি দঁাড়ালো পুরুষদের গালিগালাজ করে ~ কিছুই না শুধু আক্ষেপ আর নজরে এসে বেশী ভালোবাসা পাওয়া প্রকৃতপক্ষে মেয়েলি কিছু পুরুষদের ব্যাপার আলাদা--উনাদের কাজই হল ভদ্র মোলায়েম ব্যবহার দিয়ে মেয়েদের সংগে ফ্রি সেক্স করা আর বাইরে বড় বড় গর্জন করে মেয়েদের এই চাই সেই চাই গলাবাজি করে পত্রিকার ব্যবসা বাড়ানো-?
    কিছু মেন্টাল ধর্ষকের জন্য পুরো পুরুষজাতি তো ধর্ষক হয়ে যেতে পারে না--আবার মেন্টাল মহিলা ধর্ষকের জন্য মহিলা জাতি ও ধর্ষক নন?
    তশলিমা নাসরিন পুরুষদের পাশবিকতার দিক সমাজের কুসংস্কারের দিক তুলে ধরেছেন---তিনি কখনোই সব পুরুষদের পোড়ানোর কথা বা পুরুষ মাত্রই খারাপ সেটা কিন্তু বলেননি--তাছাড়া ব্যক্তিগতভাবে তিনি একজন নির্যাতিতা বলেই মনে করি ! তসলিমা নাসরিনের জায়গায় দঁাড়িয়ে দেখুন তিনি একটুকুও কাউকে অসম্মান করছেন না--শুধুই বাস্তব তুলে ধরেছেন--? এবারে পশ্চিমবঙ্গে হোক আর বাংলাদেশে হোক এইটুকু অধিকার সবার থাকা উচিত বলে মনে করি---

    খবর তৈরি হচ্ছে? করতে হচ্ছে? খবর হতে হচ্ছে ? যাই হোক একটা বিজনেস মাইন্ড এখানে কাজ করছে? সাংবাদিকদের ও একটু নাচানাচি দরকার তাই না শুধু সেলিব্রিটি নায়ক নায়িকা কবি লেখকরাই নাচবে তঁাদের ও একটু নাচার ইচ্ছে হয় ---তঁার ও চায় লোকে তঁাদের মুখ বারবার দেখুক আর থুথু গুলো ক্যামেরার বাইরে পড়ুক---

    পুরুষতন্ত্রের বিরুদ্ধে নগ্ন ভাষায় আক্রমন তসলিমা নাসরিন কে কারা মাথায় তুলে রেখেছেন---সেই পুরুষরাই কিন্তু---কারা তাড়িয়েছেন সেই পুরুষরাই--১) উদারপন্থী পুরুষজাতি ২) কট্টর মৌলবাদী

    মদত কারা দিচ্ছেন সেই আর একপদের অনুঘটক পুরুষদল---উনারা কোথায় আছেন--না তসলিমা পক্ষ না মৌলবাদী পক্ষ---তসলিমার পোস্টে কি হল! কি হল! হায় হায় করছেন আবার পিজনে মৌলবাদ উসকাচ্ছেন-- অণ্যের মেয়েকে প্যান্টিতে দেখে মজা নিচ্ছেন আর নিজের মেয়েকে রবীন্দ্রসংগীতের রস বোঝাচ্ছেন--? এটাই পুরুষতন্ত্র ?----আবার কিছু মহিলা তসলিমা নামক উত্তেজনা র চমকে নিজের প্যান্ডেল সাজাচ্ছেন---সেটা কেমন বলুন তো --- “ আমি এই আমি সেই আমি নারী হিসেবে কষ্ট পেয়েছি ” লম্বা জিরাফের হুঙ্কার পুরুষজাতি ভালো নয় এই ওই --- রাতের বেলা কোথায়---“ জানু, কাছে এসো না আমি তোমাকে ছাড়া বঁাচব না--- আমি না আমি না বিপ্লবকে ছেড়ে দিয়েছি তোমার জন্য, তুমি ছাড়া আমি কি করে ভালো থাকি বল--”--- এই হচ্ছে আদর্শ নারী চরিত্র--?
    আরো শুনুন উনারাই পিছনে মৌলবাদ উস্কিয়ে কি বলে থাকেন---“ তসলিমা নাসরিন ! ওই নারীবাদী বেশ্যা ডাক্তার ! তুমি কি করে বুঝলে আমি ওকে পক্ষ দেই---আমি তো জাস্ট কমেন্ট করেছি”---- এই হচ্ছে একপদের ঢঙি মহিলাবাহিনী---

    তাহলে পুরুষতন্ত্র মাতৃতন্ত্রে কেন রূপান্তরিত কেন হচ্ছে না? প্রথম ও লাস্ট পারফেক্ট উত্তর হল গোঁয়ার গোবিন্দ মেয়েরাই হতে দিচ্ছেন না--? তসলিমা নাসরিনকে আমি মন থেকে ভালোবাসি --সেটা কখনোই লোকদেখানো নয় ---বাইরেও যেমন ভিতরেও তেমন--তসলিমা নাসরিনকে বেশ্যা বলা সত্যিই লজ্জা! কারা সেটা মেনে নিচ্ছে সেই ঢঙি মহিলা সমাজ আর তঁার অনুচরেরা--

    নির্যাতিতা অসহায় মহিলা দের বেশ্যা বলা যায় না হায়নার স্বীকার বলা যায় --? বেশ্যা মিনস নিজের ইচ্ছায় শরীর বিক্রী ? কিন্তু যারা পরিবেশের চাপে ধর্ষিতা তঁাকে তঁাকে কোন আ্যঙ্গেলে“ বেশ্যা” বলবেন বলুন তো? কাল আপনার মেয়ে রাস্তায় ইভটিজিং বা ধর্ষন বা যেকোনো ফঁাদের স্বীকার হলে তঁাকে কি পরবর্তীকালে বেশ্যা বলবেন না বেশ্যালয়ে পাঠাবেন?

    তাই “পুরুষতন্ত্র” বলে চেঁচাবেন না !পারলে মাতৃতন্ত্র তৈরী করুন কুমোর মুচি মেথর কৃষক জেলে সবার বৌ মেয়েদের হাতে কলম ধরিয়ে দঁাড় করান--বোঝান যে “বিয়ে ” বাচ্চা জন্ম দেওয়া ছাড়াও মেয়েদের আলাদা একটা অস্তিত্ব আছে আলাদা একটা জগত আছে--যেখানে তঁারা স্বাধীন আর স্বাধীন কোন হঙ্কার কোন লক্ষীর ব্রত করবাচক ব্রত একাদশীর ব্রত করতে হয় না--মায়ের হুমকি শুনতেও হয় না---
    কিছু পুরুষদের হুঙ্কার আর কট্টরপন্থী মনোভাব সমাজকে পুরুষবিদ্বষী করে তোলে ---------কোন তরুণী ধর্ষন হলে সেটা যেমন হেডলাইন হয়ে যায় তেমনি কোন ছেলে মেয়ের হাতে ধর্ষন হলে সেটা কখনোই হেডলাইনে আসে না--? কারন সেই পুরুষ নাকি পুরুষজাতির লজ্জা--? পুরুষসিংহ রা কখনোই নাকি দুর্বল হতে পারেন না--?

    আবার কোন অপরিচিত গরিব অনামা মেয়ে যদি কোন নামী লোকের নামে আরোপ আনেন তখন তঁার ই মহিলা ফ্যানরাই অস্বীকার করে তুড়ি মেরে মেয়েটিকে অপদস্ত অপমান এমনকি সাংঘাতিক ক্ষতি করতেও পিছপা হন না---এই হচ্ছে বাংলার নারী---এখানে মেয়েরা ছেলেদের অন্যায় ঢেকে রাখে শুধুমাত্র শারিরীক তৃপ্তি বা ভালোলাগা বা ফেক ভালবাসার কারনে--“বাঃরে পুরুষ সিংহ তোমার জন্য একশো মহিলা প্রাণ রাখতে পারে বাজি--”

    একদিকে এই সিস্টেমের জন্য গরিব মহিলা ও পুরুষরাই বেশী শোষিত হচ্ছেন? গরিবীতে আটকে এদের জীবন বিষময় জ্বলন্ত অঙ্গার ! না পারছে সিস্টেমকে মানতে না পারছে সিস্টেমকে ছাড়তে--এক দূরবীন ভবিষ্যত কাজ করছে --যার দুদিক ই ফঁাকা ---শুধুই দেখা আর দেখা--?

    নারীবাদ ----------
    ----------------

    “আমি নারীবাদী”--- এই কথাটি বলতে কতশত উচ্চশিক্ষিত মহিলাগন লজ্জা পান। সবকিছু পারেন কিন্তু প্রকাশ্যে নারীবাদী বলে স্বীকার করতে পারবেন না---আসলে নারীবাদ জিনিসটা কি সেটা অনেকের কাছে বোধগম্য নয়। নারীবাদ বলতে অনেকেই পুরুষদের ঘৃণা করা অস্পৃশ্য ভাবা হেয় করা নারীর আন্দোলন ই বোঝেন--আদপে নারীবাদ বলতে সেটা কিন্তু নয় --“-নারীবাদ ” বলতে অসহায় নির্যাতিতা নারীদের অধিকার লড়াইয়ের জন্য আন্দোলন-- মোটকথায় একশ্রেণীর অবহেলিত সম্প্রদায়ের মানুষকে সম্মান ও মর্যাদা আদায়ের আন্দোলন ই নারীবাদ----নারীবাদী হলেন তঁারাই যারা সেই লড়াশইয়ের অংশীদারী---প্রশ্ন কারী? সমাজের জঞ্জালস্বরূপ কট্টর নারী-নীচুকারী প্রথার বিদ্রোহী---?
    আবার নারীবাদীদের ভাগ ও করা যায় ---১)ভালো নারীবাদী ২)খারাপ নারীবাদী

    একজন মেয়ে নারীবাদী কখন হবেন ?--কেন হবেন ? যখন তিনি পুরুষের সব কিছু জানবেন যেকোনো পুরুষকে ভালোবাসবেন কাছে থাকবেন--সংস্পর্শে থাকবেন--আম মিষ্টি কি টক কি ঝাল কখন জানব যখন আমটি খাব দেখব গন্ধ শুঁকব?--নারীবাদী মানেই যে একরোখা পুরুষহীন জীবনযাপন নয়---পুরুষের সংগে থেকেও সংসারে থেকেও আপনি নারীবাদী হতে পারেন --মেয়েদের অধিকারের জন্য লড়াই করে যেতে পারেন--¡

    নারীবাদী হওয়া মানেই যে লেসবো জীবনযাপন বা একঘরে বঁাচা নয়---কিছু মহিলা নিজেকে নারীবাদী বলেন না পাছে পুরুষের বুকে মাথা রাখতে অসুবিধা হয়?
    একজন ব্রিটিশ লেখিকা রেবেকা নারীবাদের ব্যাখ্যা খুব সহজ ভাবেই দিয়েছিলেন----“নারীবাদী বলে আমার কিছু জানা নেই তবে আমিকে যখন আবিষ্কার করি আর পাপোষ মোছার জীবন,বেশ্যা হওয়া থেকে নিজেকে আলাদা রাখি তখন আমাকে সবাই নারীবাদী বলে ওঠে---!

    নারীবাদী ওপুরুষতন্ত্র-------
    ------------------------------

    “সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই---”-------মানবধর্ম ই সব ধর্মের মূল ধর্ম--মানুষকে ভালোবাসা ই যেকোনো ধর্মের যেকোনো রাষ্ট্রের মূলমন্ত্র হওয়া উচিত।
    পুরুষতন্ত্রের উপর নারীবাদী আন্দোলনের প্রভাব সূদূর প্রসারী--মেয়েরা কোন ধর্ম ই যদি না মানে /নিজেকে সবাই স্বাধীন ভাবে সমাজের নীচু স্তরের সামাজিক কাঠামো য় চূড়ান্তকারী পরিবর্তন ঘটতে বাধ্য---
    ১) কিছু নারী দাবিয়ে রাখা প্রথার অবসান ঘটবে -- মেয়েরা মুক্ত বিলাসবহুল জীবনযাপন করবে ঠিকই অনেকে বিপথে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে---গোঁড়া ধার্মিক মহিলা পুরুষদের আঁতে ঘা লাগার সংগে মৌলবাদ সমাজ থেকে উঠে যাবে।
    ২) সামাজিক অভিযোজনে এক শ্রেণীর নারীর জন্ম হবে যঁারা না ছেলে না মেয়ে---
    পারিবারিক পরিকাঠামো বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।

    ৩)যতদিন মেয়েরা থাকবে, ততদিন পুরুষতন্ত্র থাকবে থাকবেই --মৌলবাদ, ধার্মিক গোঁড়ামি উচ্ছেদ হতে পারে,হিজাব ঘোমটা শাখা সিঁদুর তালাক বিবাহ প্রভৃতি সমাজে থাকবে না--
    ৪) এক আধা আধুনিক ব্যবস্থায় আমরা পর্যবসিত হব যেখানে একশ্রেণীর মানুষই সবরকম সুযোগ সুবিধা খ্যাতি যশ পাবেন--গরিব মধ্যবিত্তদের মধ্যে জটিল অবস্থা দেখা যাবে--! অভাগীর স্বর্গ মর্তেই বিদ্যমান থাকবে--?
    নারীবাদী কোন আগুনের ছাই---যা অনেক আগে থেকেই পুরুষতন্ত্রের আগুনে পোড়া দলা পাকা পিন্ড---?
  • T | ৩১ মার্চ ২০১৮ ১৬:৫২392553
  • কেন, ভালোই তো। ঈশ্বর আর সফটওয়্যার নিয়ে আছেন।
  • | ৩১ মার্চ ২০১৮ ১৬:০৮392552
  • সুমেরু রায়কে কেউ একটা ব্লগ খুলে দাও। বাবাগো।
  • h | ৩১ মার্চ ২০১৮ ১৪:২৪392551
  • থ্যা'ম্ক্স, তবে আমার যাই করি না কেন ৫ বছরের নীচে কিসু করার ইচ্ছা নাই। হয়তো সেই জন্যেই কিসু হল না হতে পারে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত