এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রোবু | ২৯ মার্চ ২০১৬ ১২:২২702606
  • বর্তমানের লেখা? আগে বলতে হত!!
  • cb | ২৯ মার্চ ২০১৬ ১৩:০৮702607
  • পাত্থো বাবু নাকি এবার একটু নড়বড় করছেন বেহালা পশ্চিমে? কাল এক বন্ধুর কাছ থেকে শুনলাম। দুপক্ষের কিছু ক্যালাকেলি হয়েছে বেশ কিছুদিন আগে।

    হাতির শিং কি বলছেন?
  • Manish | ২৯ মার্চ ২০১৬ ১৫:৩২702608
  • সম্পত্তির যে declaration করা হয় candidate দ্বারা, তা কোন siteএ গেলে পাওয়া যাবে।
  • PM | ২৯ মার্চ ২০১৬ ২০:৪৬702610
  • ওদিকে ABP আনন্দের সমিক্ষার ফল আগের মতৈ--

    তিনো ঃ ১৭৮
    জোট ঃ ১১০

    ফুট নোট ঃ নারদা কান্ডের আগের সমীক্ষা। জোট পাকাপোক্ত হবার আগের সমীক্ষা।

    ( মনে হয় না খুব বড় ইম্প্যক্ট হবে এসবের ঃ আরো ৫ বছর মা-মাটি মানুষ জিন্দাবাদ ঃD, সুতরাং কাল্ল্লোলদা / রন্জনদার এতো মন খারাপ করে রাজনৈতিক আলোচনা থেকে সেচ্ছাবাসর নেবার কোনো দরকার নেই ঃD )
  • Mmu | ৩০ মার্চ ২০১৬ ০৪:০০702611
  • পিটি দাদা, পুরোনোতে এত আপত্তি কেন ? আর সাঁই বাড়ী ?
    যাক ওগুলো আপানাদের ঐতিহাসিক ভুল ছিল হয়ত !
    :)) :))

    ( হেমন্ত বসুর ঘটনাতে আপনাদের অ্যাকুস করেনি ওখানে । আমি শুধু আপনাকে পড়তে বলেছিলাম। *****এই সেই ' কংগ্রেস '
  • PT | ৩০ মার্চ ২০১৬ ০৭:৩৩702612
  • Mmu
    সাঁইবাড়ি নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে আর সেই মামালার ফল ওএবসাইটে পাওয়া যায়। আর বাম-কং বোঝাবুঝি এই প্রথম হল নাকি? অতীত বেষে পছ্ন্দের হলে ইতিহাস আরেকবার ঝালিয়ে নেবেন

    PM
    মনে করুন আবাপ-র সমিক্ষাই আসল রেসাল্ট। তাহলে আমার কাছে আরো দুটো সংখ্যাতত্ব খুব ইন্টারেস্টিং। % ভোট তিনোর ৪৫ আর জোটের ৪৪। অন্যদিকে বিজেপি খেয়ে নিচ্ছে ৫% আর অন্যান্যরা ৬%। এই অন্যান্যদের মধ্যে আছে সুসি আর লিবারেশন!!
  • d | ৩০ মার্চ ২০১৬ ১০:২৭702613
  • Manish | ৩০ মার্চ ২০১৬ ১১:৩৪702614
  • PT, Thank you।

    এরা কি সবাই মুলো দলের।
  • HUF | ৩০ মার্চ ২০১৬ ১৫:৪৯702616
  • সবাই মূলো। যেকোন দলের নেতাদের এগুলো কেবল নিজের নামে দেখানো সাদা টাকা। পরিবারের নামে এর অনেকগুণ থাকার কথা। বিশেষত বৌএর গয়নার খাতে প্রচুর থাকে যা না দেখালেও চলে। অন্য জায়গায় থাকা বাবা, মা, ভাই, বোন, শালা, শালি, প্যাসিভ ইন্ভেস্টমেন্ট ইত্যাদি ইত্যাদি .......।
  • হাতির শিং | ৩০ মার্চ ২০১৬ ১৫:৫৬702617
  • স্পাউসের সম্পত্তির পরিমাণও দেখাতে হয় মনে হয়।
  • quark | ৩০ মার্চ ২০১৬ ১৫:৫৮702618
  • এই পাঁচ জন কি "টপ ফাইভ"?
  • হাতির শিং | ৩০ মার্চ ২০১৬ ১৬:১১702619
  • মনে হয় চার তারিখের লিস্ট।
  • Mmu | ৩১ মার্চ ২০১৬ ০২:০৫702620
  • আ: বা: পত্রিকা ৩১ মার্চ ২০১৬
    ..................................................................................................................... ...........................................
    .................................................................... ......................................... ................................................
    ' অতএব ভরসা ভূত। ভূতের নৃত্য অবাধ করা যায় যদি, ভুতুড়ে ভোটারদের যদি ঝাঁকে ঝাঁকে নামিয়ে আনা যায়, তা হলেই নিশ্চিত হবে সিংহাসনের পথ। ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতে ভূতের ভূমিকা কতটা জরুরি, সম্যক বুঝছে তৃণমূল। '

    পি টি দা,
    এত পুলিশ / মিলিটারী ( কেন্দ্রীয় বাহিনী ) - তো ভূতের আবার ভয় কিসের !
  • Mmu | ৩১ মার্চ ২০১৬ ০৩:১১702621
  • শুরু হয়ে গেছে কমিশনের বিরুদ্বে :)) :)) :))

    '‌আজকাল পত্রিকা ৩০শে মার্চ '
    ...........................................
    কমিশনের বিরুদ্ধে বামেরা পক্ষপাতের অভিযোগ তুলল
    বুধবার ৩০ মার্চ, ২০১৬ ইং
    img
    আজকালের প্রতিবেদন: ‌পশ্চিম মেদিনীপুরের বহু জায়গায় ভোটের পরিবেশ নেই। জেলা প্রশাসন কোনও ব্যবস্থাই নিচ্ছে না। পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে নির্বাচন কমিশনও। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দপ্তরের সামনে অবস্থান–‌বিক্ষোভে বসবে বামফ্রন্ট। বুধবার এ কথা জানিয়েছেন সি পি এম নেতা রবীন দেব। তঁার অভিযোগ, পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর, পিংলা, সবংয়ে ভোটের পরিবেশ নেই। বিরোধীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। হুমকি চলছে। বারবার অভিযোগ করা সত্ত্বেও জেলাশাসক ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। পুলিস অফিসারেরা তৃণমূলকে সাহায্য করছেন। বামফ্রন্টের এক প্রতিনিধি দল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সুনীলকুমার গুপ্তাকে এ কথা জানিয়েছেন। দলে রবীন দেব ছাড়াও ছিলেন প্রবীর দেব, সুখেন্দু পাণিগ্রাহী, দেবব্রত রায়। বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর লেখা একটি চিঠিও তাঁরা জমা দেন। এই চিঠির প্রতিলিপি দিল্লির নির্বাচন কমিশনের উপনির্বাচন কমিশনার এবং রাজ্যসভার সদস্য সীতারাম ইয়েচুরিকে দেওয়া হয়েছে। রবীন দেব পরে সাংবাদিকদের জানান, আমরা যে সব অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে জানিয়েছি, তার কোনও ব্যবস্থা নেয়নি কমিশন। অবস্থান–‌বিক্ষোভে সামিল হওয়ার জন্য বিরোধী দলগুলিকেও আহ্বান জানান রবীন দেব। তঁার অভিযোগ, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক তাঁর দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করছেন না। এমনকী, অতিরিক্ত মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক দিব্যেন্দু সরকারও একই পথে হাঁটছেন। আমরা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে সুবিচার চেয়েছি। জানতে পেরেছি, কেন্দ্রীয় বাহিনী স্পর্শকাতর ও অতি স্পর্শকাতর এলাকা থেকে তুলে নেওয়া হবে। এ সব চলতে দেওয়া হবে না। কারণ তখন দুষ্কৃতীরা ঘুরে বেড়াবে। তাই আমরা সুনীলকুমার গুপ্তাকে বলে এসেছি, যেমন বুথে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রাখতেই হবে, তেমনই স্পর্শকাতর ও অতিস্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে টহল দিতে হবে। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী টহল দেওয়ার ফলে মানুষের মনোবল বেড়েছিল। আইন‌শৃঙ্খলার দেখার দায়িত্ব রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। আমরা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে প্রশ্ন করেছিলাম, আপনারা কেন রাজ্য সরকারকে আইন‌শৃঙ্খলা দেখার কথা বলেছেন। তার জবাবে সুনীলবাবু জানান, তৃণমূলের ৬ জন খুন হয়ে গেছেন। তার ওপর বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের সামনে মৃতদেহ নিয়ে আসবে তৃণমূল। সে কারণেই রাজ্য সরকারকে আইনশৃঙ্খলা দেখার বিষয়ে বলা হয়। রবীন দেব বলেন, মুকুল রায় এবং মুখ্যমন্ত্রী সভায় নির্বাচন কমিশনকে হুমকি দিচ্ছেন। অনুব্রত মণ্ডল কীভাবে এখনও বাইরে আছেন ?‌ এই বিষয়গুলিও বলা হয়েছে। আমরা নির্বাচন কমিশনে ১০৯টি চিঠি দিয়েছি। কিন্তু অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সাংবাদিক সম্মেলনে এ সব বিষয়ে কিছুই উল্লেখ করেন না। উনি তৃণমূলের কথা বলেন। শুধু তাই নয়, ভোটের সময়সীমা নিয়ে উনি জনমানসে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছেন বলে অভিযোগ রবীন দেবের। ‘‌আমরা এ সব বিষয় জানতে চেয়েছি।’‌ তিনি বলেন, ভারতী ঘোষের পোস্টিং নিয়ে চিঠি চালাচালি হচ্ছে। অভিষেক ব্যানার্জি বলেছেন, ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেবেন। নির্বাচন কমিশন তো কিছুই করছে না। এটা কি তাদের দুর্বলতা‌?‌ পশ্চিম ও পূর্ব মেদিনীপুর, নন্দীগ্রামের বিষয়ে আমরা চিঠি দিয়েছি। প্রার্থী মনোনয়নের সময় বাইক মিছিল করা যাবে না, এমনকী প্রচারেও বাইক মিছিলও নিষিদ্ধ করেছে কমিশনে। অথচ আমরা যখন নির্বাচন কমিশনে ঢুকছি, তখন দেখেছি বাইক মিছিল নিয়ে মনোনয়ন জমা দিতে যাচ্ছেন প্রার্থী। কলকাতা পুলিস প্রচারে মাইক ব্যবহারে বাধা দিচ্ছে। এখনও মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রী ও বিধায়কদের প্রতিশ্রুতির হোর্ডিং পুরোপুরি সরানো হয়নি। কিছু জায়গায় কাগজ সেঁটে দেওয়া হয়েছে। বামফ্রন্ট আমলে হোর্ডিংয়ে কাগজ সেঁটে দেওয়া হত। এমনকী কালো কাপড়ও দেওয়া হত। প্রাক্তন মন্ত্রী দেবলীনা হেমব্রম রানীবাঁধে যখন প্রচার করছিলেন, তখন তাঁর ওপর হামলা হয়েছে। কোনও ব্যবস্থাই নির্বাচন কমিশন নেয়নি। এমনকী তৃণমূল নির্বাচনী আচরণ মানছেন না। আমরা সব ক্ষেত্রেই ব্যবস্থা নিতে বলেছি। রবীন দেবের আরও অভিযোগ, পুরভোটের সময় আমরা দেখেছি রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সুশান্তরঞ্জন উপাধ্যায়ের ওপর সরকারের পক্ষ থেকে এমন চাপ তৈরি করা হয়েছিল যে, তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
  • ভূত | ৩১ মার্চ ২০১৬ ০৩:১৭702622
  • ভূত কি আগে দেখা যায় নি কখনো? মাকুরা কি ছাগোলের ভোটে জিতত এতকাল?
  • PT | ৩১ মার্চ ২০১৬ ০৮:০৪702623
  • এমন দিন কি হবে তারা?
    সাঁইবাড়ি, মরিচঝাঁপি, বিজন সেতু, ছোট আঙ্গাড়িয়া, কলকাতার রাস্তায় ১৩ জনের মৃত্যু, রিজানুর, তাপসী মালিক, নন্দীগ্রাম, নেতাই সব তদন্তের শেষ হয়েছে। শুধু এইটুকু ১% কাজ বাকি। সত্যি এই চর্মচক্ষে দেখতে চাই যে সার দিয়ে সিপিএমের বড়লোক নেতারা জেলে যাচ্ছে.......

    "সিপিএমের সম্পত্তির তদন্ত করাবেন মমতা"
    http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=22028&boxid=174744939
  • PT | ৩১ মার্চ ২০১৬ ০৮:১১702624
  • MmU
    এই নিন আপনার জ্যান্ত ভূতের দলঃ

    যাদের নিয়ে ভয়, তারাই ধরা -ছোঁওয়ার বাইরে৷ ভোটে গণ্ডগোল পাকাতে পারে জেনেও তাদের ধরার সাহস পাচ্ছে না পুলিশ৷ তার বদলে ভোটের আগে সাধারণ অপরাধীদের লকআপে পুরেই দায়িত্ব সারছে তারা৷ পুলিশের এই ভূমিকায় বিস্মিত ভিনরাজ্য থেকে আসা নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকরা৷

    নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা মেনে ভোটের অনেক আগে থেকেই সারা রাজ্যে গ্রেন্তারি পরোয়ানা কার্যকরে নেমেছে পুলিশ৷ যাদের বিরুদ্ধে জামিন -অযোগ্য গ্রেন্তারি পরোয়ানা রয়েছে, মূলত তাদেরই পাকড়াও করে আদালতে পেশ করা হচ্ছে৷ যার একমাত্র উদ্দেশ্য, ভোটের সময় শান্তি -শৃঙ্খলা বজায় রাখা৷ যাতে এই সব অপরাধীরা ভোট প্রক্রিয়ায় কোনও ভাবে বিঘ্ন ঘটাতে না পারে৷ কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৫ -র ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত এক লক্ষেরও বেশি জামিন -অযোগ্য গ্রেন্তারি পরোয়ানা কার্যকর করা হয়েছে৷ কিন্ত্ত সেটা শান্তিপূর্ণ ভোট করার ক্ষেত্রে কতটা কাজে দেবে, তা নিয়ে সন্দিহান কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা৷ তাঁরা জানাচ্ছেন, যাদের বিরুদ্ধে গ্রেন্তারি পরোয়ানা কার্যকর করা হচ্ছে তাদের বেশিরভাগই সাধারণ অপরাধী৷ চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইয়ের মতো মামুলি অপরাধে জড়িত৷ ভোটের সঙ্গে তাদের খুব একটা সম্পর্ক নেই৷ অথচ, যাদের বিরুদ্ধে অতীতে ভোট প্রক্রিয়ায় বাধাদানের অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনও গ্রেন্তারি পরোয়ানাই নেই ! সেই যুক্তিতে পুলিশ তাদের ধরারও উদ্যোগ নিচ্ছে না৷ ভোটে নজরদারির জন্য এ বার প্রতিটি জেলায় একাধিক কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন৷ ভোটের প্রাক্-প্রস্ত্ততি হিসাবে প্রতিটি থানা এলাকায় গ্রেন্তারি পরোয়ানা কতটা কার্যকর হয়েছে, তার পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব নিচ্ছেন তাঁরা৷ অনেকে নিজেদের উদ্যোগে রাজনৈতিক ‘দাগি ’দের তালিকাও সংগ্রহ করেছেন৷ কিন্ত্ত হিসাব মেলাতে গিয়ে তাঁরা রীতিমতো ঠোক্কর খাচ্ছেন৷ এ রকমই এক কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের কথায়, ‘যারা ভোটে গণ্ডগোল পাকাতে পারে বলে জেনে এসেছিলাম, এখানে এসে শুনছি, তাদের বিরুদ্ধে নাকি থানায় কোনও অভিযোগই নেই৷ যাদের গ্রেন্তার করা হচ্ছে তাদের বেশিরভাগই সাধারণ অপরাধী৷ বধূ নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে, এমন লোককেও গ্রেন্তারির তালিকায় ঢোকানো হয়েছে৷ অথচ, ভোটের সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক নেই৷ ’ এ নিয়ে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের প্রশ্নের মুখেও পড়তে হয়েছে জেলা প্রশাসনের কর্তাদের৷ রাজনৈতিক ‘দাগি ’দের নাম কেন গ্রেন্তারির তালিকা থেকে বাদ গেল, তা ডিএম -এসপিদের কাছ থেকে জানতে চাইছেন ওই পর্যবেক্ষকরা৷ ফলে অস্বস্তির মুখে পড়ছেন জেলা প্রশাসনের কর্তারা৷ এ ব্যাপারে উত্তরবঙ্গের এক জেলাশাসক জানান, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা যে ভাবে গ্রেন্তারি পরোয়ানা নিয়ে বিশদে খোঁজখবর নিচ্ছেন, তাতে বোঝা যাচ্ছে তাঁরা প্রস্ত্তত হয়েই এসেছেন৷ কিন্ত্ত ওঁরা হয়তো পশ্চিমবঙ্গের বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে ততটা ওয়াকিবহাল নন৷ বিহার -উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে দুষ্কৃতী এবং মাফিয়ারা ভোটে গণ্ডগোল পাকায়৷ কিন্ত্ত এখানে যাদের বিরুদ্ধে রিগিং -সন্ত্রাসের অভিযোগ ওঠে, তারা সবাই রাজনৈতিক নেতা৷ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শাসকদলের নেতাদের বিরুদ্ধেই এই অভিযোগ ওঠে৷ বাম আমলে তপন -সুকুরদের নাম শোনা যেত, এখন অনুব্রত মণ্ডলের নাম শোনা যায়৷ এই ধরনের নেতারা সরাসরি কোনও গণ্ডগোলে যুক্ত থাকেন না৷ ফলে নাগালের বাইরেই থেকে যান তাঁরা৷ এর জন্য আইনি দুর্বলতাকেও দায়ী করছেন আমলারা৷ এক জেলাশাসকের ব্যাখ্যা, ভোট ঘোষণা হওয়ার পর রাজ্যের প্রশাসন কমিশনের অধীনে চলে যায়, এটা ঠিকই৷ কিন্ত্ত প্রশাসনকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তাদের নেই৷ ভোট সংক্রান্ত বেশিরভাগ অপরাধের বিচার হয় ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুযায়ী৷ তাতে কড়া শাস্তির বিধান না থাকায় বেশিরভাগ অপরাধী জামিন পেয়ে যায়৷ তারাই বেরিয়ে এসে ভোটে গণ্ডগোল পাকায়৷ যেমন, ভোটের সময় উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখার জন্য যদি কমিশনে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়, তারও বিচার হয় আইপিসি ধরেই৷ এ ক্ষেত্রে পুলিশ বক্তৃতার রেকর্ড পাঠিয়ে দেয় কমিশনে৷ অনেক সময়ে স্রেফ ক্ষমা চেয়েই রেহাই পেয়ে যান অভিযুক্ত৷ হুমকির অভিযোগ আনলেও তা জামিনযোগ্য অপরাধ হিসাবেই বিবেচিত হয়৷ ফলে পিআর বন্ড দিয়েই ছাড়া পেয়ে যায় অভিযুক্তরা৷ তাই আইন সংশোধন করে ভোট দাগীদের নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত গারদে আটকে রাখার ব্যবস্থা করতে না পারলে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সোনার পাথরবাটি৷

    গ্রেন্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার বহরে বিস্মিত পর্যবেক্ষকরারাজ্যে গ্রেন্তারির সংখ্যা● মোট গ্রেন্তার ১, ০৯, ৪৫৭● দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১০, ৬১১● মুর্শিদাবাদ ১০, ৬০৬● বিধাননগর ১০০৯● ঝাড়গ্রাম ৭৯৩● বকেয়া ১৮৩৮৮(২০১৫ -র ডিসেম্বর থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত) ৷
    http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=22039&boxid=18034754
  • sm | ৩১ মার্চ ২০১৬ ০৮:৩২702625
  • চর্মচক্ষে আর কি কি দেখতে চান? ঠুলি পরে থাকলে অবিশ্যি অনেক কিছুই চোখে পড়বে না।যে ঘটনা গুলোর উল্লেখ করলেন;সেগুলো কি ঘটে নি? কঙ্কাল কান্ড বলে কি কিছু ছিল না?
    আমার ইচ্ছে, আপনার প্রিয় দল ক্ষমতায় এসে এগুলোর যথাযত তদন্ত ও বিচার করবে।কি তাইতো?
  • PT | ৩১ মার্চ ২০১৬ ০৮:৪৩702627
  • চর্মচক্ষে স-অ-ব প্রার্থীদের সম্পত্তির তদন্তও দেখতে চাইঃ

    প্রথম দু’দফায় রাজ্যের যে সব কেন্দ্রে ভোট হতে যাচ্ছে, সেই ৩১ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থীদের প্রায় অর্ধেকই কোটিপতি ! ......
    .....এর মধ্যে সর্বোচ্চ সম্পত্তির অধিকারী বাঁকুড়ার তালডাংরা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সমীর চক্রবর্তী ওরফে বুয়া৷ তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ৪০ কোটি টাকারও বেশি৷

    .....তৃণমূল প্রার্থীদের গড় সম্পত্তির পরিমাণ দেড় কোটি টাকারও বেশি৷
    ......সিপিএম প্রার্থীদের গড় সম্পত্তি সে তুলনায় মাত্র ১৯.৮৬ লক্ষ টাকা৷

    http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=22040&boxid=1827955
  • sm | ৩১ মার্চ ২০১৬ ০৮:৫৪702628
  • আপনার প্রিয় দলের সম্পত্তির পরিমান কত?
  • PT | ৩১ মার্চ ২০১৬ ০৯:০৫702629
  • কুসুম, তোমার লজ্জা নাই?
  • sm | ৩১ মার্চ ২০১৬ ০৯:৩৬702630
  • প্রিয় দলের সম্পত্তির পরিমান কত?
    রাগার কি আছে?;-)))
  • হাতির শিং | ৩১ মার্চ ২০১৬ ১০:১৬702632
  • মমির আন-এডিটেড ফুটেজঃ

  • PM | ৩১ মার্চ ২০১৬ ১২:২০702633
  • একটা জিনিষ নানা সমীক্ষায় আসছে---- সিপিয়েম সমর্থাকরা পয়োজনে কং কে সমর্থনের বেপারে যতটা উদার ( ৯০% +), কং সমর্থকরা বাম প্রার্থীকে প্রয়োনে ভোট দেবর বেপারে তত উদার নন ( ৭০-৮৫% মাত্র)

    এই ব্যাপারে কোনো মন্তব্য ?
  • cb | ৩১ মার্চ ২০১৬ ১২:৩২702634
  • আগে পোচুর ঠাপ খেয়েছে কংরা, তাই মনে রেখেছে :)

    সেই অনুযায়ী বামেদের অতটা চাপ হয় নি, তাই ঐ আর কি। তিনোদের ভোট দিতে বলুন না, ছাপায় ছাপ মেরে দেবে :)
  • pi | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১৮:৩৮702636
  • অনেকেই বলছেন দেখলাম, নির্বাচন স্থগিত রাখার দাবি আসুক।
  • .. | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ১৩:৪৪702638
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন