এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১২:৩৩381210
  • সুমনা সান্যাল লিখেছেন ঃ'প্রথমে প্রহ্লাদ যোশী। অস্ত্রটা ইনিই প্রথম ধরেছিলেন গৌরী লঙ্কেশের বিরুদ্ধে। ২০০৮ এ প্রকাশিত গৌরীর একটি লেখা,যেখানে বিজেপি সাংসদ প্রহ্লাদ যোশী আর উমেশ ধুসি কে খুনে ডাকাত বলেছিলেন গৌরী লঙ্কেশ। কেস ঠুকে দিলেন ভক্ত প্রহ্লাদ। ২০১৬ তে কোর্টের রায় লঙ্কেশের বিরুদ্ধে গেলো। সেটাই স্বাভাবিক। গদিতে মোদী ম ম করছে। জরিমানা আর অ্যান্টিসিপেটরি বেইল এ জেল এর বাইরেই ছিলেন গৌরী লঙ্কেশ। এরপর, সম্প্রতি আসরে নামলেন ভারতীয় জনতা পার্টির ইনফরমেশন টেকনোলজি সেইল এর প্রধান, ফেক নিউজ এর দুষ্টচক্রের মাথা অমিত মালব্য। একটি ট্যুইটে গৌরী সমেত তাবৎ মিডিয়াকুল কে চেতাবনি দিয়ে লিখলেন এরপরে বিজেপির বিরুদ্ধে লিখলে কী হবে, সেটা যেন গণমাধ্যম মনে রাখে। গৌরী একটা উদাহরণ মাত্র। খুন হয়ে গেলেন সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশ। বাড়িতে ঢুকে গুলি করে মেরে ফেললো উগ্র হিন্দুত্বের বিজেপির পোষা গুণ্ডারা। প্রতিক্রিয়া? কিস্যু না। যত্তোসব ফালতু নিউজ! এরকম তো কতোই হয়। কালবুর্গী হয়নি? তো?
    এ বঙ্গের নামজাদা মিডিয়া আর সাংবাদিকরাও আশ্চর্য শীতল, নিস্পৃহ। যেনো কিছুতেই কিছু এসে যায়না। আর আমরা? যারা দিনরাত্তির "বিকিয়ে যাওয়া" আনন্দবাজার, এবিপি আনন্দ, বর্তমান, ২৪ ঘন্টার মুণ্ডপাত করি? আমরাই বা ক'জন বললাম,বলতে পারলাম আজ সারা ভারতবর্ষের গণমাধ্যমের টুঁটি চেপে ধরে শ্বাসরোধ করেছে একদল ক্ষমতাবান উগ্র উন্মাদ বিষাক্ত ধর্মান্ধ? এ বঙ্গের একজন সাংবাদিকও কালো ব্যাজ পরে রাস্তায় নামলেন না। প্রেস ক্লাবেও কিছু হোলো কি? আপনাদের একটাও প্রতিবাদপত্র কি পৌঁছেছে দিল্লীর মসনদে? জানিনা। আতঙ্ক হচ্ছে,যন্ত্রণা পাচ্ছি আপনাদের নীরবতায়,প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুরা। ধৃষ্টতা মার্জনা করবেন। কিন্তু প্রতিবাদে দেখতে চাই আপনাদের।
    সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশের বর্বরোচিত হত্যায় আমি লজ্জা পাচ্ছি। যন্ত্রণা পাচ্ছি।'
  • aranya | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১০:৪৮381209
  • ব্লগার হত্যার মতই - কালবর্গি,দাভোলকর, পানেসর,গৌরী
  • Du | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৯:১০381208
  • raamarahim byaaTaake ebipi baabaa bale rephaar kare chalechhe kramaagata :D
  • Ananya | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ২৩:৪২381207
  • মিশর এর ভ্রমণ নিয়ে একটা টই ছিল সেটার লিংক টা কেউ দেবেন।
  • pi | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ২২:৩২381206
  • কালবুর্গি খুনের ঘটনাতেও পড়লাম এখনো কোন গ্রেপ্তার হয়নি ! কর্ণাট্কে এরকম জঙ্গী চাড্ডিত্ব এত প্রবল ! বাংলাদেশের ব্লগার হত্যার থেকে আর আলাদা কী ?
  • ganesh | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১৫:৫৪381204
  • কোনও একজন শেফার্ড স্পেসশিপ চালিয়েছিলো শুনেছি।
    কিন্তু..., স্পেসশিপ কি এরোপ্লেন? আর ওই শেফার্ড কি অরিজিনালি জার্মান, কে জানে।
  • aranya | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৯:৫২381203
  • খুবই ভাল লাগল সম্রাজ্ঞীর লেখা
  • হ্যাংওভার | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৯:৫১381202
  • জার্মান শেফার্ড কী এরোপ্লেন চালাতে পারে?
  • পাই | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৯:০৫381201
  • আরেকটা খবর পড়ে মন ভাল হয়ে গেল। বহু শিক্ষক শিক্ষিকার কাছেই পরিকাঠামো আর নানান অব্যবস্থা নিয়ে নানা সমস্যার কথা শুনি। সমস্যা আমাদের সিস্টেমেই আছে, ঠিক করতে গেলে সিস্টেমেই মেরামত দরকার। তবু যা আছে, তাকে ইম্পলিমেন্ট করতে আআর এর মধ্যেও যতটা করা সম্ভব, তার জন্য এএরকম সব উদ্যোগ আর তার সাফল্য দেখলে সত্যি ভাল লাগে!

    https://epaper.ebela.in/details/12713-145517875.html
  • Uff | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৭:৪৫381200
  • খালি I, Me, Myself, উফ্ফ!!
  • পাই | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৬:৪১381199
  • সকাল সকাল Samragnee Banerjee র এই লেখাটাা পড়ে এত ভাল লাগল!

    'বিদেশিদের বাংলা পড়াই। কবিতা লেখা ছাড়া এইটাই আমার অনেকদিনের পরিচয়। কিন্তু এই কাজটার আগে অনেকরকম কাজের মধ্যে আমি টানা সাত আট বছর যে কাজটা করেছি তা হল টিউশনি। প্রয়োজন নয়, একেবারেই শখে পড়াতাম। মদ সিগারেট গাঁজা কোনোটারই অভ্যেস ছিল না, এমনকী ক্যাফে যাওয়া বা জামাকাপড় কেনার শখটুকুও ছিল না সেদিন। তাই মা বাবার দেওয়া বাস ভাড়া, খাওয়ার টাকা পেরিয়ে পয়সার বা হাতখরচের দরকারই ছিল না। পড়াতাম কারণ পড়ানোটাই একটা আদর্শের মত ছিল। মাথা চেবানোর উপায় বলে ওইটেকেই বেছেছিলাম। সুযোগও পেয়েছিলাম চেবানোর। কে কত টাকা দিত মনে থাকত না, দিত কিনা তাও মনে থাকত না। আমি শুধু পড়িয়ে যেতাম, একফালি বাইরের একটা ঘরে। নাহ, বাংলা কিন্তু পড়াতাম না। পড়াতাম ইংরিজি। ইংরিজি মাধ্যম, বাংলা মাধ্যম, গরীব, বড়লোক, বাধ্য, ঠ্যাঁটা...সবরকম ছাত্র ছাত্রী পড়িয়েছি আমি। সে যুগে দিদিমণি হিসেবে বেশ কড়া ও রাগীইই ছিলাম। সেই সময়ের অনেক পদ্ধতিকেই ইদানীং ভুল বলেই মনে হয়। কিন্তু তখন ঘাড় ধরে শিখিয়ে দেওয়ার একটা প্রবণতা ছিল। আর ছিল অন্য একটা জীবনের,অন্য একটা পৃথিবীর স্বপ্ন তাদের চোখের সামনে এঁকে দেওয়ার ইচ্ছে। শুরুর দিকের টিউশনির একটা ভাগ ছিল আমার এক ছোট্ট কোচিঙে গিয়ে পড়ানো। সেখানে বেশিরভার ফার্স্ট জেনারেশন লার্নাররাই আসত। আমি তখন সেকন্ড ইয়ার। ক্লাস টেনের একটা ব্যাচ পড়াচ্ছি। ছেলেই বেশি। কেউ কেউ অনেকবার ফেল করে বোধহয় টেনে। লাল চুল, গলায় চেন। পড়া ধরেছি, পারেনি। আসলে দেখেছিলাম বসে বসে ঢুলছে। আমারও রক্ত গরম তখন। লাল চুলই হোক আর গোলাপী, আমার ক্লাসে এসেছ যখন ইংরিজি ব্যকরণ তোমাকে শিখতেই হবে! অতএব খুব বকা দিয়ে বলেছি " লাল চুল, গলার চেইন, ক্লাসে বসে ঢোলা! যখন পরীক্ষায় ফেইল করবে, চাকরি বাকরি পাবে না, তখন এত কায়দা কোথায় যায় দেখব! কী করো বাড়িতে?"। আসলে এভাবে ছাত্র ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলা যায়, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা আমাদের তাই শিখিয়েছে। এখনও মনে আছে, গলায় রঙ চটা সোনালী চেইনের ছেলেটি হঠাত মৃদু গলায় বলেছিল " সকালে কাগজ দিই আন্টি। চোখ লেগে গেছিল"...
    আজও লিখতে গিয়ে গলার কাছটা টনটন করে উঠছে!
    মনে পড়ছে সাগরিকা বলে একটি মেয়ে ক্লাসে ঢুলত, জেনেছিলাম, ওর বাবা ইলেক্ট্রিক বিল দিতে পারেনি বলে ওদের কানেক্সন কেটে দিয়েছে। উঠোনে ঘুমোয় ওরা! জেনেছিলাম সায়ন বলে একটি ক্লাস সেভেনের ছেলে, আমি যাকে ভাবতাম ক্লাস পালায় সে আসলে তার মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যেত ক্লাস কেটে। কারণ তার মা আয়ার কাজ করে, নাইট ডিউটি। সারা রাত দেখা হবে না, আর পরদিন মা যখন ফিরবে তখন সে স্কুলে!
    আজ ভাবতে গেলে মনে হয়, আমি কি পড়িয়েছি এদের? নাকি এরাই পড়িয়ে গেছে আমায়, জীবনের এক ভীষণ জরুরী পাঠ!
    আমার অনেক না পারা, আমার অনেক বকুনিকে ওরা ওদের বোধ দিয়ে ধারণ করেছিল!

    ভবানীপুরের গিরিশ মুখার্জি রোডের বস্তির পাশ দিয়ে কখনো হেঁটে গেলে এখনও একটা হাসি মুখ " আন্টি" বলে ডেকে ওঠে! সাগরিকা!
    সেদিন একটি ছেলে এসে প্রণাম করে বলল " চাকরি পেয়েছি"। বললাম, " শেষ করেছিলি পড়াশোনা?"। হেসে বলল " উচ্চমাধ্যমিক। আর পারলাম না। কাজের দরকার ছিল।" আমার কিন্তু হেরে যাওয়ার বোধ হয়নি কোনো, কারণ সোজা শিরদাঁড়ার ছিপছিপে ছেলেটিকে দেখে মনে হয়েছিল কাঁধের জোর আছে ছোকরার!

    তারপরও ছাত্র ছাত্রী পড়িয়েছি অনেক, বাংলা মাধ্যমের মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিকের ইংরিজি, নামী দামী ইংরিজি মাধ্যম স্কুলের নানা ক্লাসের ছাত্র ছাত্রী! অনেক শিখেছি তাদের কাছেও। তাদের কারো কারো চোখে বুনে দিতে পেরেছিলাম অন্য পৃথিবীর স্বপ্ন। কারো কারো চোখে পারিনি। কিন্তু সেই সমস্ত সাফল্য আর ব্যার্থতা পেরিয়ে এই যে আজ ঠান্ডা ঘরে বসে বিদেশিদের বাংলা পড়াই, অনেকটা ধৈর্য আর স্থৈর্য নিয়ে,
    তার শিক্ষার বীজ কিন্তু আমার ভিতর বুনে দিয়েছিল সেই সায়ন, সাগরিকা, রাজীবরা...!

    আজও যখন অনেক না পারায় ভরে উঠি, তখন কতগুলো মুখ আর কতগুলো "আন্টি" ডাক আমাকে অনেকটা বাঁচিয়ে দিয়ে যায়! সন্তোষপুর বিদ্যামন্দির ফর বয়েজে পড়াতে গিয়ে দেখেছিলাম অনেক শিক্ষক শিক্ষিকাদের মনে হয় ওদের পড়িয়ে সময় নষ্ট হয়। কেউই তো নাকি জীবনে দাঁড়াবে না!
    তাই ? হয় বুঝি ? কে জানে! জীবনে দাঁড়ানোই বা কাকে বলে ? আমরা কজন টাকা রোজগার করার সঙ্গে সঙ্গে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারি ? জানি না! কিন্তু আজ মনে হয় ওদের পড়ানোটা, ওদের চোখে স্বপ্ন বুনে দেওয়াটা বেশি জরুরী। আর আমি দক্ষিণা ছাড়া পড়ানোয় বিশ্বাস করি না জানেন তো! এই যে নানান এন জি ও। কে জানে, আমার আস্থা খুব কম। আমি বিশ্বাস করি, দশ টাকা হোক, পঞ্চাশ টাকা হোক, সেটা নিয়ে পড়ানো উচিত। তাহলে শিক্ষক বা ছাত্রর মধ্যে কোনো "দয়ার দান" ঢুকে পড়তে পারে না।

    আজকাল ছবি দেখি, গরীব বাচ্চাদের পড়াচ্ছেন কোনো এন জি ও দিদিমণি, তিনি দারুণ পোশাক পরে, দামী হার দুল...আর বাচ্চাটি নেহাতই না খেতে পাওয়া, ময়লা পোশাক! এতে হয়ত চট করে বোঝা যায় যে কেউ সমাজসেবা করছে। কিন্তু এই সমাজসেবাকে আমি সন্দেহ করি। ভীষণ রকম সন্দেহ করি।
    এটা কোনো গর্ব বা অহংকার নয় কিন্তু এটুকু বলতে পারি আমি ওদের পড়াতে যেতাম যখন চেয়ারে বসিনি কোনোদিন, ওদের সঙ্গে মাটিতে বসতাম। সন্তোষপুর বিদ্যামন্দিরে কোনোদিনও দামী শাড়ি পড়ে যাইনি, ওদের মিড ডে মিলের পাশে দাঁড়িয়ে কোনোদিনও অতিরিক্ত ভালো খাবার নিয়ে যাইনি, এমনকী স্কুল থেকে তেমন এক ফিস্টের আয়োজনও ভেস্তে দিয়েছিলাম।

    আসলে পাশে দাঁড়াতে গেলে আয়ানার কাছাকাছি তো যেতে হবে!

    আমার সেই সব ছাত্র ছাত্রীকে শিক্ষক দিবসের অনেক শুভেচ্ছা, যাদের থেকে আমি জীবনের এক বিশেষ পাঠ পেয়েছি, পেয়েছি জীবনকে নতুন করে অনুধাবন করার সুযোগ! যাদের জন্য আমি আজকের স্থৈর্য আর ধৈর্য নিয়ে বসতে পারি আমার আজকের ক্লাসরুমে। আর শিক্ষক দিবসের অনেক শুভেচ্ছা আমার বিদেশি ছাত্র ছাত্রীদের যাদের থেকে আমি শিখেছি, টেবিলের অন্যপারে থাকার জন্য কোনো বিশেষ শ্রদ্ধা শিক্ষক বা শিক্ষিকার প্রাপ্য নয় বরং তা প্রতিদিন তাঁকে অর্জন করতে হবে, তাঁর পড়ানোর বা শেখানোর দক্ষতা দিয়ে। আমি শিখেছি, ছাত্র ছাত্রীর অপারগতার ঠিক পাশে দাঁড়িয়ে থাকে শিক্ষকের অপারগতা। শিক্ষক কখনোই বলতে পারেন না "ও কিছুই পারে না" কারণ এ কথা বললেই শিক্ষককে প্রশ্ন করা হতে পারে "ও কেন পারে না? তুমি কী শিখিয়েছ তবে ? " আমি ভীষণ শ্রদ্ধা করি এই শিক্ষা ব্যবস্থাকে।

    আজ শিক্ষক দিবসের দিন আমার এতদিনকার সমস্ত ছাত্র ছাত্রীদের অনেক শুভেচ্ছা।

    Teaching is a teaching and learning process together.

    আমি প্রতিদিন শিখি। একজন শিক্ষক/শিক্ষিকার প্রথম কর্তব্য হল আজীবন নিজের ভিতর এক ছাত্র/ছাত্রীকে বাঁচিয়ে রাখা। নাহলে সে শিক্ষক মৃত!'
  • পাই | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১৩:০৩381198
  • খোঁজ নিয়ে দেখছি।

    ওদিকে সুলতান আহমেদ মারা গেলেন।
  • সুকি | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১২:৫২381197
  • আচ্ছা কারো কি Tata Medical Centre and Cancer Research Mumbai এর অভিজ্ঞতা বা কোন চেনাশুনা আছে? একটু দরকার ছিল খুব জরুরী।
  • সিংগল k | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১২:১৮381196
  • আপনাদের মধ্যে কেউ কি আজ কালের মধ্যে মুম্বাই থেকে কলকাতা আসছেন???
    আমার একটু সাহায্যের দরকার ছিল।
  • aranya | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১০:৫৬381195
  • আমি অবশ্য বহু ক্ষেত্রেই লেখা ভাল লাগলে জাস্ট 'ভাল লাগল' জাতীয় কমেন্ট-ই করি। তাতে অন্তত লেখক জানতে পারেন যে কেউ একজন পড়েছে ও তার পছন্দ হয়েছে।

    কেন ভাল লেগেছে লিখতে হলে বেশি খাটতে হয়, বিশ্লেষণ করতে হয় - খাটতে ইচ্ছে করে না।

    বিশ্লেষণ-টা করা উচিত, এ বিষয়ে একমত।
  • শান্তনু | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১০:৪৭381194
  • গুরুর লেখাগুলো সত্যই স্ট্যান্ডার্ড। অনেক সময় পড়ার বইএর মতই পড়তে হয়। আমার নিজেরই অনেক ধারণার পরিবর্তন হয়েছে। হচ্ছে। এমন অনেক লেখা আছে যেখানে কমেন্ট করার মত সাহস পাইনা। আর শুধু 'ভাল লাগল' জাতীয় কমেন্ট করতে ভাল লাগেনা।
    গুরুর কথা পরিচিত অনেককেই বলেছি। তাঁরা কেউ কেউ পড়েনও। হয়ত আমার মতই মন্তব্য করতে সংকুচিত।
  • aranya | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১০:৩৭381193
  • aranya | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৯:৩৬381192
  • আমার কাছেও শুধু মূল বই - উপন্যাস।

    এই একটা গল্প, অবসর ড্ট নেট থেকে পাওয়া, সো সো
    http://www.bengalimystery.com/Bengali_mystery_sujan-short.htm

    পাই, বলেছি এখানে লিখতে, আবারও বলব
  • anag | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৯:০৯381191
  • আর এদিকে লুরু ভেসে গেল নর্দমাকালো জলে। বাজার খুব খারাপ। ডিডিদা কি বুঝছেন?
  • anag | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৯:০৫381190
  • পাই, আমার কাছে স্ক্যান কপি নেই। তবে আমি মূল বই দান করে দিতে রাজি আছি, যদি লুরুতে কাউকে দেওয়া যায়। কলকাতায় বয়ে নিয়ে যাওয়া একটু চাপ।
  • pi | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৮:৫০381189
  • আর সুজনবাবুকেও এখানে লিখতে বলুন না অরণ্যদা।
  • পাই | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৮:১৬381188
  • সেই ধাঁধার টই কতদিন আপডেট হয়না। ওহে অভ্যু ...
  • aranya | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৮:১৪381187
  • সুজনের একটা ধাঁধার বইও আছে
  • pi | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৮:১১381186
  • হানুদা, চামার পপ আর ভিসাবাবা নিয়ে একটু লেখো। পড়ে হুব্বা হয়ে গেলাম !
  • pi | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৮:১০381185
  • একটা পড়ে দেখতে চাই।

    অনাগ, রিক্রিয়েশন ম্যাথসের কিছু নমুনা পাওয়া যাবে ?
  • aranya | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৭:২০381184
  • আহামরি আমারও লাগে নি, তবে বাংলা গোয়েন্দা গল্পের যা দুরবস্থা এখন, আমেলায় যা বেরোয়, সে তুলনায় ঠিক আছে।

    ভাল বাংলা গোয়েন্দা গল্প পড়তে ইচ্ছা হলে এখনও ব্যোমকেশ-এই ফিরে যেতে হয়
  • anag | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০০:০৭381183
  • সুজনবাবুর সব চেয়ে বড় কাজ ছিল নাদান বঙ্গভাষী বাচ্চাদের জন্যে সস্তায় ক্লাসিক রিক্রিয়েশন ম্যাথ্স ছড়িয়ে দেওয়া। ঐ বই গুলো, সেই সময়ে, অসাধারণ ছিল। আনন্দ এখন বোধ হয় একটা সমগ্র করেছে। 'এই বইএর নাম অন্য মলাটে' - অন্য বস্তু। আজকের দিনে ততটা দামি নয়, এখন সব-ই সস্তায়, প্রায় বিনা মূল্যে পাওয়া যায় - কিন্তু তখন এই কাজ অমূল্য ছিল।

    একেনবাউ ভালই, তবে আহামরি লাগে নি। ব্যক্তিগত মত - হৃদয়ে নেবেন না।
  • sch | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ২৩:১২381182
  • আর পারলে এই লেখাটাও পড়ে দেখবেন
    "Indian Summer Monsoon Rainfall: Implications of Contrasting Trends in the Spatial Variability of Means and Extremes"

    http://journals.plos.org/plosone/article?id=10.1371/journal.pone.0158670

    এই জার্নালটা বেশ সিরিয়াস জার্নাল কিন্তু - আবাপ গ্রুপের না। রিভার লিঙ্কিং প্রজেক্টের বেসিস হল এক জায়গায় জল বেশী অন্য জায়গায় কম - বেশি জলকে কম জলের দিকে চালান করা।
    কিন্তু এই বেশী কি সত্যি বেশী ? যদি সব কিছু করার পর দেখা যায় বেশী জল ছিল না। যার ভাণ্ডার থেকে জল নেওয়া হচ্ছে তারই জলের অভাব।

    খান ছয়েক কাবেরির মতো কেস সামলাতে পারবে তো সুপ্রীম কোর্ট?
  • sch | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ২২:৪৫381181
  • পাব্লিক ফোরামে লেখার একটা সুবিধে আছে - আমি কি জানি তার পরিচয় দেওয়ার প্রয়োজন পরে না। অন্যেকে কিছু ডাউন দেওয়া টাইপের কথা বললেই হয়।
    "চীনে এই একই রকম উদ্যোগ গত ১২- ১৩ বছর ধরে চলছে।
    জুজুবাদ প্রচার করার আগে একটু জানা বোঝা হলে মঙ্গল।"

    আশা করি যিনি এগুলো লিখেছেন তিনি একাধারে ইঞ্জিনিয়ার, পরিবেশবিদ, আবহাওয়াবিদ্যা বিশারদ ও নদী বিশেষজ্ঞ। তিনি এও জানেন যে এটা ঠিক চীনের চেয়ারম্যান আমাদের চেয়ারম্যান টাইপের ইয়ার্কি মারার ব্যাপার না। দুটো দেশের ভৌগোলিক অবস্থান আলাদা। জমি পাওয়ার সুবিধে অসুবিধে আলাদা - কোয়ালিটি অফ ওয়ার্ক্ম্যানশিপ আলাদা - ইত্যাদি ইত্যাদি
    একটা লিঙ্ক রইল। এটা IIT mumbai ও chennai এর কয়েকজন প্রফেসারের স্টাডি।
    খবরের কাগজের রিপোর্ট না - তারা কাজটা করার সময় কিছু জায়গার গত ১০৩ বছরের বৃষ্টির ডাটা এনাআলিসিস করেছেন

    http://www.climate.iitb.ac.in/en/breaking-news/surplus-river-basins-face-drop-rainfall-iit-study

    এটা একটু পড়ে নিন - তারপর না হয় জুজুবাদ বলে চেঁচামেচি করবে
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত