এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ishan | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৯:২৮380431
  • একদল বলেন, মেয়েরা একটু দুর্বল, তাই ওদের একটু বেশি প্রশংসা করতেই হবে। ঠিক সমতুল্য ভবলে চলবেনা। 'দ্যাকো দ্যাকো মেয়ে হয়েও কিরকম আপিসার হয়েছে' টাইপের। এঁদেরকে 'রক্ষণশীল' 'রিগ্রেসিভ' ইত্যাদি বলা হয়।

    আরেকদল বলেন, মেয়েরা 'বর্তমান আর্থসামাজিক পরিস্থিতিতে' একটু দুর্বল, তাই মেয়েদেরকে একটু বেশি প্রশংসা করতেই হবে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না থাকায় সমান ভাবা যাবেনা। 'দ্যাকো দ্যাকো মেয়ে হয়েও কল্পনা চাওলা কীরকম চাঁদে গেল' টাইপের। এঁদেরকে 'আধুনিক' 'লিবারাল' ইত্যাদি বলা হয়।

    এই দুই প্রকারের অবলাবান্ধবতায় আমি কোনো তফাত খুঁজে পাইনা। 'এসসি হয়েও কীরকম আপিসার হয়েছে' আর 'মেয়ে হয়েও কীরকম ইংলিস বলছে' একই রকম লাগে। আমি মেয়ে না, তফশিলি ও না। কিন্তু মফঃস্বলের ছেলে। আমাকে যদি কেউ 'দেকেচ মফঃস্বলের ছেলে হয়ে কেমন এমেরিকা গেছে' বলে আমার ওই রকমই লাগবে। তার মানে এই না শহর-গ্রামে কোনো বঞ্চনার অসমীকরণ নেই। পুরুষ-নারীর দেশজুড়ে একই অবস্থা এসে গেছে। তফশিলী রা সমমর্যাদায় উত্থিত। তেমন কিছু না। কিন্তু তারপরেও এগুলো অপছন্দ করি। অপছন্দের থাম্বরুল একটাই। যেখানে যেটুকু সংরক্ষণ প্রয়োজন, যেটুকু ঠেকনা দেওয়া দরকার, সর্বত্রই সমর্থন আছে, প্রয়োজনে সিস্টেমের সমালোচনা সহ। কিন্তু যিনি আমার সঙ্গে আপিসে কাজ করেন, আমার সঙ্গে ট্রেনে যাতায়াত করেন, সামনাসামনি আমার 'সমমর্যাদা'য় আসীন, তাঁকে 'আহারে ও তো মফঃস্বলী' বলে আহাউহু করা সাবহিউম্যান ভার চেয়ে আলাদা কিছু ন।

    নাইট ইন শাইনিং আর্মার বা অবলাবান্ধবতা, দিনের শেষে একটি প্রচন্ড গ্লোরিফায়েড চাড্ডিপনা ছাড়া আর কিছু তো না।
  • h | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৯:১৮380429
  • কর্পোরেট অ্যাড যখন বিরাটের ঈদ দেখায়, বা লেসবিয়ান বিয়ে দেখায়, সেটা প্রগতিশীল হলে মেয়েদের খেলা দেখানো টা, খেলা দেখে আহা উহু করাটা কেন প্রগতিশীল নয় বুঝলাম না, আর অত বুঝি না, খেলা ভালো লেগেছে মিটে গেল। ক্লিয়ারলি টিভি তে দেখিয়েছে বলেই ভালো লেগেছে। পুনম রাউথ ঝুলন গোস্বামির স্টোরি তো উমেশ যাদব এর মতই ফ্যাসিনেটিং। মিতালি আই পি এল এর কথা বলেছে আমার সেটা ভালো লাগে নি, কারণ আমার আই পি এল ভালো লাগে না। উনি ওনার স্পোর্টের মেয়েদের ফিনান্শিয়াল সিকিউরিটির জন্য বলেছেন, সেটাকে না রেসপেক্ট করার কিছু নেই, আনন্দবাজারের কলামনিস্ট এর অনুমতি নিরপেক্ষে।
  • pinaki | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৯:১৫380428
  • হনুদা এপ্রসঙ্গে আমি কিছুদিন আগে আম্রিকার একটা অ্যানালিসিস শুনছিলাম। সেখানে বলছে ওখানকার যে এলিট উচ্চশিক্ষেত বিশেষতঃ অ্যাকাডেমিক জগৎ তার পুরোটাই প্রায় ডেমোক্র্যাট সাপোর্টার এবং সেই দুনিয়ায় রেসিজম, সেক্সিজম, মিসোজিনি, ইসলামোফোবিয়ার মত বিষয়গুলোতে কারুর বক্তব্যে সামান্যতম ইঙ্গিত পেলেই এমন রিডিকিউল তাকে করা হয় যে সেই পীয়ার প্রেসারের সামনে লোকে মন খুলে কথাও বলতে পারে না রিগ্রেসিভ স্ট্যাম্প লেগে যাওয়ার ভয়ে। এতে করে দুটো জিনিস হয়েছে - এক) নিজেদের তৈরী করা এই পলিটিকাল কারেক্টনেসের বাবলের মধ্যে বাস করতে করতে বাকী দুনিয়ার তাবৎ সাধারণ লোক কীভাবে ভাবছে (যেটা কিনা প্রতি মুহূর্তেই তুমুল পলিটিকালি ইনকারেক্ট ডিসকোর্সের জন্ম দিচ্ছে) সেটা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে হয় আর সেই জায়গাটা দখল করে ট্রাম্পের মত লোকজন। দুই) পলিটিকাল কারেক্টনেসের পীয়ার প্রেসারে এধরণের বিষয়গুলো ডিসকোর্স থেকে হারিয়ে গেলে এই পলিটিকাল কারেক্টনেস গড়ে ওঠার যে একদম ফান্ডামেন্টাল লজিকের জায়গাগুলো, অর্থাৎ কেন ইসলামোফোবিয়া খারাপ জিনিস, বা ভারতের কনটেক্সটে কেন সংরক্ষণ জরুরী - এই ধরণের বেসিক যুক্তির জায়গাগুলো এবং ডিবেটগুলোও হারিয়ে যায় আলোচনা থেকে। নতুন জেনারেশন এই ডিবেটগুলোকে না জেনে বড় হয়। আর তারপর ওয়ান ফাইন মর্নিং ঘরের কাছে একটা টেরর অ্যাটাক হলে ট্রাম্পের বক্তব্যকে তার বেশী কাছের মনে হয়। এই অ্যানালিসিসটায় পয়েন্ট আছে বলে আমার মনে হয়েছে। এগুলো খুব চন্দ্রিল প্রসঙ্গে বলছি না। প্রগতিশীলতার পীয়ার প্রেসার প্রসঙ্গে বলছি।

    তুমি যে উদাহরণগুলো দিলে, সেগুলো মেইনলি অ্যাকশনেবল আইটেম। সেখানে ডেমোক্রেসি মানে বার্গেনিং এবং কম্প্রোমাইজ। কিন্তু আমি যেটা বলছি সেটা মূলতঃ ডিসকোর্সের প্লেনে। সেখানে সবরকম বক্তব্যকে প্রায় সমান মেরিট দিয়ে আলোচনা সমালোচনা করতে করতে এগোনো উচিৎ বলে মনে হয়। যোগেন্দ্র যাদবের একটা ইন্টারভিউ দেখেছিলাম। সেখানে উনি বলছেন ভারতের কনটেক্সটে সেকুলারিজম এবং সংরক্ষণ - এই দুটো বিষয়কে দীর্ঘদিন সেক্রেড কাউ এর মত ট্রীট করা হয়েছে। প্রগতিশীল মহলে এগুলোর সমস্যা বিষয়ক কোনো বক্তব্যকেই বিতর্কযোগ্য বলে মনে করা হয়নি। এবং একটা টানা সময় এটা না করা ডানপন্থীদের উত্থানকে প্রবল অক্সিজেন দিয়েছে, কারণ তারা সেসময়টায় এগুলো নিয়েই আলোচনা করেছে এবং লোককে নিজেদের পক্ষে টেনেছে।

    তো বিভিন্ন দিকে এইসব খাপচা খাপচা দেখে আমার মাঝে মাঝে মনে হয় নারীবাদ, পরিবেশবাদ - এগুলোরও এরকম সেক্রেড কাউ হয়ে ওঠার প্রভূত সম্ভবনা রয়েছে। সেইজন্য 'পীয়ার প্রেসারে নারীবাদী' ব্যাপারটাকে ভালোভাবে দেখা উচিৎ না খারাপভাবে - সে নিয়ে আমি খুব একটা নিশ্চিত নই।
  • h | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৯:১৩380427
  • আমার একজন পুনম রাউথ, হরমিন্দার দুজন কেই দুর্দান্ত লেগেছে। ইন ফ্যাক্ট মিথালি র থেকে ভালো লেগেছে। আমি অবশ্য মিতালির বড় ম্যাচ দেখিনি আগে। টু বি হনেস্ট ওপেনার বাঁ হাতি ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর দিন অসাধারণ খেলেছিল, ফাইনের দিন বলটা জাস্ট বোঝে নি। পা পেছনে যায় ই নি। সেমি ফাইনালে ফিল্ডিং ও ভালো করেছিলো। ঝুলন এর কোন প্রশংসা ই যথেষ্ট না। আগের দিনের আউট সুইংগার টা আর এদিনের তিনটের মধ্যে দুটো উইকেট ব্যাপক। একটা আমি হলে দিতাম না।
  • Arpan | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৮:২৪380426
  • এই পার্ফরম্যান্স ধরে রাখতে পারলে কর্পোরেট টাকা ঢালবে। ফাইনালের দিন দেখি অ্যাডে অ্যাডে ছয়লাপ। মেয়েরা কুস্তির আখড়া থেকে এসে বিউটি সাবান মেখে পরিষ্কার (ফর্সা) হচ্ছে। ট্যাগলাইন হল "কিচড় মে ভি কমল খিলতি হ্যায়"। ফাইনালের জন্য চটজলদি বানানো ঃ)

    এদিকে দুদিন আগে নিউজিল্যান্ডকে যখন ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দিচ্ছিল তখন অ্যাডের নামগন্ধ ছিল না। ওভারের মাঝে স্টেডিয়াম, ক্রাউড এইসব দেখাচ্ছে।
  • S | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৮:১৮380425
  • ধুর এসব আলোচোনা করে কি হবে? ভালো খেলেছে কি? আমার অন্তত ভালো লাগেনি, অস্ট্রেলিয়ার দিন অনেক ভালো খেলেছিলো। তবে আবারো বলছি ঝুলনের স্পেলটা জাস্ট ভুলবো না - দুদিনই। স্পীড কম, কিন্তু ঐরকম লাইন লেঙ্গথ মেইন্টেইন করে ওভারের পর ওভার বল করে যাওয়া ভাবা যায়্না। স্পীনাররাও ভালো বল করেছে ফাইনালে। ফিল্ডিঙ্গ ভালো হয়নি। ব্যাটিঙ্গটা ছন্নছাড়া ছিলো। মিতালি রাজের রানাউটটা বাজে ছিলো।

    মেয়েদের ক্রিকেটের উন্নতির সম্ভাবনা আছে। কারণ ১) এটি ক্রিকেট - ইন্ডিয়াতে লোকে ক্রিকেট দেখবেই, ফলে পয়সা আসবে আর ২) মিডিয়া এই ব্যাপারটা বুঝেছে, অতেব এইবারে ভালো করে ফলো করবে।

    আমি সারাবছর ধরে মহিলা ক্রিকেট টীম কি করলো জানিনা কিন্তু পুরুষদের টীম কি করছে জানি তার মানেই আমি পুরুষবাদী বা নারী বিরোধি নই। সেক্ষেত্রে পুরুষদের হকি টীমের কোনো খোঁজই রাখিনা, তাতে আমার হকি বিরোধিও হয়ে যাওয়ার কথা। ইন্ডিয়ার ফুটবলের কোনো খোঁজও রাখেনা, অথচ বিদেশি ফুটবল দেখে ফাটিয়ে দেওয়া লোক্জনকে তাহলে দেশোদ্রোহী বলতে হয়। ভালো খেলা হলে লোকে নিজেরাই দেখবে - এইসব নারিবাদী ধোঁয়া তুলতে হবেনা।

    আর লোকে দেখতে শুরু করলে খেলায় টাকা আসবে। মনে রাখবেন এটা প্রফেশনাল স্পোর্টস। তখন ঐ ১৯ সেকেন্ডে রিভিউ বা ফ্রি হীটে রানাউটের মতন ভুল করবে না কারণ জানবে জেতা আর হারার মধ্যে পার্থক্য পকেটে কয়েক কোটি টাকার।
  • Arpan | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৮:১৬380424
  • ধুর।

    মেয়েদের বিবিএল চালু হয়ে গেছে। একটা মেয়েদের আইপিএল চাই। টপ ডাউন অ্যাপ্রোচ। তাতেই হবে।

    চন্দ্রিল একা মরশুমি সমালোচক না। দঙ্গলে মহাবীর সিং ফোগতের চরিত্রটা কী ভয়ানক নারীবিদ্বেষী আর রিগ্রেসিভ সেই নিয়ে থিসিস নেমে গেল।
  • h | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৭:৪০380423
  • *আমি নিজে প্লেবিসাইট পন্থী হলেও দেখবো না।
  • h | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৭:৩৯380422
  • স্ববিরোধ / হিপোক্রাসি / কন ফিউসন/ মিসপ্লেসড দেশপ্রেম সব আছে। আমি আর আপনি ভালো, বাকি সব খারাপ এটা প্রত্যেক কনভারসেশনে দাবী করা যায়। ইসুটা হল, কোন ধরণের কজে, কটা লোক আসছে। ছেলেদের ক্রিকেট নিয়ে এত হই চই, রঞ্জি কটা লোক দেখে। তো এসব থাকবে, তাই বলে কি ম্যাচের দিন চেচাবো না নাকি?

    অমি বাংলা বুঝি, পরম শত্রু দের ও যদি চাপ দিয়ে প্রগতিশীল কথা গেলাতে পারি, আমি আছি। কমিউনিস্ট পার্টি কে নির্বাচন লড়ানো যদি সঠিক পদক্ষেপ হয়, হামাস কে যদি ফাতার সঙ্গে কথা বলানো যায়, চক্ষুলজ্জার খাতিরে যদি মহিলা সংরক্ষন বাড়ানো যায় আমি তাতে আপত্তির কারণ দেখি না। সুষমা স্বরাজ লজ্জা পেয়ে বা ডিপ্লোমাটিক পয়েন্ট স্কোর করার জন্য পি ও কে র লোকের চিকিৎসায় রাজি হলে, আমি চিন্তা করবও না এখনি কাশ্মীর নিয়ে ফুল ফ্লেজেড ডায়ালোগ সাকসেসফুল হচ্ছে না কেন, হ্যাঁ সেটা প্লেবিসাইট পন্থী হলেও দেখবো না। ডেমোক্রাসি ইজ অল অ্যাবাউট রিজনেবল অ্যান্ড প্রেফারেবলি আনরিজনেবল কম্প্রোমাইজ।
  • h | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৭:২৭380421
  • আর এই হনেস্টির নামে গাঁটামোর দাবীটাও মেনে নেওয়া গেল না। আমি ভীষণ হনেস্ট, তাই আমি মনে করি, মুসলমান অ্যাপিজমেন্ট হচ্ছে, আমি ভীষণ হনেস্ট তাই মনে করি মেয়েদের প্রতি পজিটিভ ডিসক্রিমিনেশনের হদ্দুমুদ্দ হচ্ছে, এবং ঠিক তখনি আমার হনেস্টি বেড়ে যায় যখন পে ইকুয়ালিটি নিয়ে কথা হয়, গ্লাস সিলিং নিয়ে কথা হয়, আমি ভীষণ হনেস্ট তাই হিন্দু বাংলাদেশী হল অত্যাচারিত আর ডিসক্রিমিনেটেড, আর চাকমা আর মুসলমান হল অনুপ্রবেশ কারী, এই হনেস্টির ব্যাপারে এরকম ভ্যালু পজিশন ও কম দেখলাম না। ক্লান্তি কিসে লাগবে সেটা অবশ্য নিজের ব্যাপার মাইরি। খেলার কথা হচ্ছে, তার মধ্যে ও মা দেখ নাক খুঁটচে বলাটা জাস্ট ন্যাকামো লাগলো। এই লেখাটায়।
  • h | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৭:২২380420
  • পারফর্মান্স কিন্তু খুব বাজে না। ৯ রানে হেরেছে। একজন ৮০ র উপরে করেছে। ছেলেদের বাজে ভাবে হারাতে আমরা অভ্যস্ত ছিলাম, কয়েকটা প্যাচে তারা বড় ম্যাচ বের করেছে।

    আমার এই লেখাটায় যেটা ইরিটেটিং লেগেছে এই লেখাটায়, সেটা হল খেলা নিয়ে আলোচনা কম, লোকে কি ফেসবুকে বল্লো সেই নিয়ে আলোচনা। বুঝলাম না কেউ যদি ন্যাকামো করেও, চক্ষুলজ্জার খাতিরে একটা সঠিক প্রগতিশীল ভাবনার মিছিলে যোগ দেয় তাতে ক্ষতি কিসের? ফেসবুক টুইটার আরব রিভোলিউশন করতে পারে, শাহবাগ করতে পারে, মেয়েদের টিম কে সাপোর্ট করলে পিটপিটানি কিসের। এই বাজারে ছুৎমার্গর টাইম নেই, বিশুদ্ধ প্রগতিশীল দের জন্যো টাইম নেই।
  • Pinaki | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৭:০৬380419
  • চন্দ্রিলের লেখাটাতে সরলীকরণ আছে, প্রীচিং টোন আছে (আজকাল ওটা খুবই বেশী থাকে), 'সমান ভাবলেই যেন সমানাধিকার এসে যাবে' - এরকম একটা ঝোঁক আছে - সেসব মেনে নিয়েও একই সাথে কিছু সত্যিও আছে। চন্দ্রিল লোকেদের যে হিপোক্রিসিটার দিকে পয়েন্ট আউট করেছে - সেটা খুবই বাস্তব সত্যি। আমার স্কুলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেই আমি দেখি দিন রাত্তির সেক্সিস্ট জোক চলছে, তারাই আবার হঠাৎ করে মেয়েদের ক্রিকেট নিয়ে খুব উদ্বেল হয়ে পড়েছে। প্রথমটায় এটা খুবই পজিটিভ বলে একটা বিভ্রম হয়। কিন্তু দুদিন যেতেই বোঝা যায় ওটা আসলে ফ্যাশন। এদের কেউই পয়সা দিয়ে টিকিট কেটে মাঠে গিয়ে মেয়েদের ক্রিকেট কোনোদিন দেখবে না, যদি না বিশ্বকাপ ফাইনাল টাইনালের মত ম্যাচ হয় এবং মিডিয়া সে নিয়ে সাফিশিয়েন্ট ধুয়ো তোলে। নিজেদের মেয়েদের ক্রিকেট খেলতেও কটা লোক পাঠাবে খুবই সন্দেহ। বিশ্বকাপের সময় বাদে বাকী সারাবছর মেয়েদের ক্রিকেট ইনফ্রাস্ট্রাকচারের কী উন্নতি হল না হল সে নিয়ে এদের প্রায় কারুরই মাথাব্যথা থাকবে না। এবং সবচেয়ে বড় কথা এই 'অনুকম্পা'র অ্যাঙ্গলটা ভেরি মাচ রয়েছে। এটা এই লেখার পাঠককুলের মেজরিটির কথা হচ্ছে। সচেতন নারীবাদীদের কথা হচ্ছে না। তো তাদের হিপোক্রিসিকে পয়েন্ট আউট করা খুব ভুল কাজ বলে আমার মনে হয় না। আমার পড়ে মনে হয়নি চন্দ্রিলের এই লেখা পড়ে একটা সাধারণ পাঠক কাল থেকে 'ধুস্সালা মেয়েদের ক্রিকেট আর দেখব না বা উৎসাহ দেব না' এটা ভাববে। বরং সে সৎ হলে নিজেকে প্রশ্ন করবে সত্যিই আমি মেয়েদের ক্রিকেটকে রেসপেক্ট করছি, ভালোবাসছি, নাকি ফ্যাশনে গা ভাসাচ্ছি। কিন্তু টোন নিয়ে অবশ্যই সমালোচনা করা যায়, কারণ নারীবিদ্বেষীরা বা নারীবাদ বিরোধীরা এটা ব্যবহার করতে পারে তাদের এজেন্ডায়, যেটা কাম্য নয়। আর একটা বড় প্রবলেম ওই আগে যেটা বললাম - যে এগুলোকে অজুহাত করে 'সমান ভাবলেই সমানাধিকার আসবে' এই বক্তব্যকে সামনে রেখে মেয়েদের যেকোনোরকম বাড়তি সুযোগসুবিধার বিরুদ্ধে যুক্তি সাজানো হতে পারে।

    তবে হনুদার এই বক্তব্যটা - যে মেকী প্রগতিশীলতাও কাম্য - এটাতে একেবারেই একমত হলাম না। লং রানে সেটা খারাপই ফল দেয়। যেকোনো বিষয়কে স্যাক্রোস্যাংক্ট করে সমালোচনার ঊর্দ্ধে তুলে দিলেই প্রগতিশীলতার পীয়ার প্রেসারে সে নিয়ে কেউই মুখ খুলতে সাহস করে না। এতে করে প্রতিক্রিয়ার শক্তিগুলো বিরোধিতার স্পেসটাকে খেয়ে নেয়। ভারতে মোদী আর আমেরিকায় ট্রাম্পের উত্থান দেখে টেখে আমার মাঝেমধ্যেই এই কথা মনে হয়।
  • de | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৭:০০380418
  • বিসিসিআই "নেকুপনা" করে ৫০ লক্ষ টাকা দিতে "বাধ্য" হলে, সেটাকে বহু কমপিটেন্ট মেয়ের অপমান বলে মনে করি। নেকুপনা নয়, বাধ্য হয়ে নয় - যতটুকু রাইট, গুনেগেঁথে ঠিক ততটুকু দেওয়া হোক - তার একটুও বেশী বা কম মেয়েদের চাই না!
  • d | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৬:৫৯380417
  • ক্ষেত্রবিশেষে একটু তফাৎ হয় তো। জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি আর জেন্ডার ইক্যুইটি একটু আলাদা। ইদিকে লোকে "লিঙ্গসাম্য" বলতে যে কি ছইপাঁশ বোঝে সে আর কহতব্য নয়।

    ন্যায়বিচার ভাল হবে না।
  • Rabaahuta | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৬:৫১380416
  • সাম্য আর সমানাধিকারে কি সামান্য পার্থক্য আছে?
  • মানে | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৬:৪৮380415
  • সাম্য/ন্যায়বিচার
  • d | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৬:৪৬380414
  • আচ্ছা কেউ একটু হেল্পাও না। ইক্যুয়ালিটি আর ইক্যুইটি এই দুটোর বাংলা কী কী হবে? বাংলায় সাধারণত দুই ক্ষেত্রেই সাম্য ব্যবহার করা হয়। কিন্তু তাতে সবসময় তো ঠিক মানেটা বোঝায় না।
  • Uff | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৬:৪১380413
  • আজকের ভারতের পুরুষ ক্রিকেটিম আর মহিলা ক্রিকেট টিমের মধ্যে তুলনা ঐ চন্দ্রিল-ই করতে পারেন, সিরিয়াসলি এদের কে দেয়?

    তিরাশির ফাইনালে ভারত হারলে এই ধরণের আহা উহু মার্কা লেখা-ই বেরোত। আর এই মেয়েরা যদি জেতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখে, তু দিন বছরের মধ্যে এরাও তেড়ে গাল-ই খাবে। তবে গাল আমি এবছরই খেতে দেখেছি, কারণ যে দিচ্ছিল সে আদ্যোপান্ত ক্রিকেট পাগল, বছরে প্রায় সব সন্ধ্যায় টিভিতে ক্রিকেট দেখা-ই যার প্যাশন। চন্দ্রিল মার্কা মরসুমি সমালোচক এদেরকে চেনে না।
  • S | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৬:০১380412
  • ফাইনালে ঝুলনের বোলিং (খুব) ভালো লাগলো। রানিঙ্গ বিটুইন দ্য উইকেট আর ফিল্ডিঙ্গে অনেক উন্নতি করা যায়। রবিকে তো এই টিমটার দায়িত্ব দিতে পারতো।

    আর ওয়ার্ল্ড কাপটা জিতলে ভারতে মেয়েদের ক্রিকেটেরই উন্নতি হতো।

    তবে একটা জিনিস প্রমাণিত। সেই দঙ্গালের স্টাইলে বলতেই ইচ্ছে করে "ক্রিকেট তো ক্রিকেট হোতা হ্যায়, তার আর ছেলে আর মেয়ে"। ভারতে ক্রিকেট চলবেই, সে ছেলেরা খেলুক আর মেয়েরা। অতেব খেলার মানের উন্নতি হলে মেয়েদের খেলাটাও বেশ চলবে। স্টার স্পোর্ট্স মনে হয় ফাইনালেই সব টাকা তুলে নিয়েছে।
  • S | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৫:৫৪380411
  • ফ্রি হিটে রানাউট হয়েছে না?
  • pi | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৫:৪৯380410
  • মেয়েদের ক্রিকেট টিমকে সমর্থন করা উচিত না, এরকম কিছু লেখা আছে নাকি লেখাটায়? একঝলক নজর বুলিয়ে আমার তো মনে হল শেষ ম্যাচে বাজে খেলে জেতা ম্যাচ হারার সমালোচনা কেন করা হচ্ছেনা, তার বদলেও প্রশন্গ্সাই হচ্ছে, তাও শেষ ম্যাচের প্রসম্গে। তো মেয়ে বলে এই ফাইনালে বাজে খেলে সমালোচনা না শুনে নাচা কেন, সেই নিয়ে প্রশ্ন। তার আগের পার্ফর্ম্যান্স, বা তারা কতদূর এগিয়েছে, সেটা এমনি বলা নিয়ে আপত্তি আছে কি?
  • sswarnendu | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৫:৪৩380409
  • d
    না গুরুতে মেয়েদের ক্রিকেট নিয়ে ঝড় চোখ পড়েনি। তবে তখন গুরুতে আসতাম কিনা জানিনা। আমি গুরুতে আসছি বোধহয় কমবেশি ২০১২ থেকে, তবে আমি নিয়মিতভাবে অনিয়মিত, যখন সময় পাই প্রায় রোজই ঢুঁ মারই, আবার যখন সময় থাকেনা মাসখানেক কি মাসদুয়েক সাইট এ আসিনি-ও হয়েছে।
  • sswarnendu | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৫:৪০380408
  • সমর্থন জানানো শিভ্যালরি বলিনি তো! ৪৪ বলে ৩৮ রান দরকার অবস্থা ( আবারো, আমি খেলা দেখিনি, ফেসবুকে এক পোস্টে দেখলাম এই অবস্থায় ছিল এক সময় ম্যাচ, হাতে অনেক উইকেট ও ছিল) থেকে পরের ২৮ রানে ৫ উইকেট পড়ে গিয়ে ৯ রানে হারাকে 'লড়ে হেরেছে', 'দারুণ লড়াই করেছে' 'আরে সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার মত টিম-কে তো হারিয়েছে' এগুলো শিভ্যালরি ছাড়া আর কি?
  • h | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৫:১৭380406
  • পে ইকুআলিটি চাই। মেয়েদের আলাদা ক্রিকেট বোর্ড না হওয়া অব্দি সেটা হবে না। শিভালরি টা মেয়েরা ডিনাই করুন, টিম ডিনাই করুক, অসুবিধে নেই, কিন্তু তাঁদের সমর্থন জানানো মানেই শিভালরি এটা ভাবার কারণ কি? সকলে চাট্টি ফেসবুকে পোস্ট করলে তো পরের বল্টা সোজা আসবে না কোন ম্যাচে, তাতে হারলে হারবে জিতলে জিতবে, কিন্তু মেয়েদের খেলা জিনিসটা র প্রফেশনাল স্ট্রাকচার গড়ে উঠছে আসতে আসতে তার পপুলার অ্যাকসেপটান্স বাড়ছে, একটা টেলিভিশন প্রোডাক্ট হিসেবেই না হয় গড়ে উঠছে, তবু তো লোকে স্পন্সর পা্ছে। এতে অশুবিধে কি? বললাম তো বিসিসিআই নেকুপনা করে ৫০ লক্ষ টাকা দিতে বাধ্য হলে, আমার আপত্তি নেই। টাকা পেলে যদি প্লেয়ার রা প্র্যাকটিসে মন দিতে পারবে, টিম টা উঠছে, একটা টিমে দু জন ছাড়া সবাই জুনিয়র, তাও ঝুলন রিটায়ার করে গেল, এই টিম টাকে সাপোর্ট করা টা কেন মিথ্যাচার হবে বুঝলাম না। চন্দ্রিলের দাবী টা কি?
  • h | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৫:১৭380407
  • পে ইকুআলিটি চাই। মেয়েদের আলাদা ক্রিকেট বোর্ড না হওয়া অব্দি সেটা হবে না। শিভালরি টা মেয়েরা ডিনাই করুন, টিম ডিনাই করুক, অসুবিধে নেই, কিন্তু তাঁদের সমর্থন জানানো মানেই শিভালরি এটা ভাবার কারণ কি? সকলে চাট্টি ফেসবুকে পোস্ট করলে তো পরের বল্টা সোজা আসবে না কোন ম্যাচে, তাতে হারলে হারবে জিতলে জিতবে, কিন্তু মেয়েদের খেলা জিনিসটা র প্রফেশনাল স্ট্রাকচার গড়ে উঠছে আসতে আসতে তার পপুলার অ্যাকসেপটান্স বাড়ছে, একটা টেলিভিশন প্রোডাক্ট হিসেবেই না হয় গড়ে উঠছে, তবু তো লোকে স্পন্সর পা্ছে। এতে অশুবিধে কি? বললাম তো বিসিসিআই নেকুপনা করে ৫০ লক্ষ টাকা দিতে বাধ্য হলে, আমার আপত্তি নেই। টাকা পেলে যদি প্লেয়ার রা প্র্যাকটিসে মন দিতে পারবে, টিম টা উঠছে, একটা টিমে দু জন ছাড়া সবাই জুনিয়র, তাও ঝুলন রিটায়ার করে গেল, এই টিম টাকে সাপোর্ট করা টা কেন মিথ্যাচার হবে বুঝলাম না। চন্দ্রিলের দাবী টা কি?
  • Rabaahuta | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৫:০৯380405
  • হনুদার ১ঃ৫৭ তে প্রচন্ড ক।

    প্রচন্ড বললেই বৈদ্যুতিক বলতে ইচ্ছে করে। কিন্তু লোকে মন্দ বলবে। যেমন উনুন জ্বালানো ঠেলাগাড়ি আর বিনয়বাবু। যাগ্গে।
  • de | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৫:০১380404
  • শুধুই মিতালি রাজ? আর বাকিরা কি বানের জলে ভেসে এয়েচে?
  • d | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৪:৪৯380403
  • স্বর্ণেন্দু কি তখন গুরুতে আসতেন, এককালে মেয়েদের ক্রিকেট নিয়ে বিশাল ঝড় বয়ে গেছিল। :-)

    এদিকে চাড্ডিরা দেখলাম খুব উঠেপড়ে মিতালি রাজ এর ভ্রাট কোহলির সাথে ইক্যুয়াল পে'র দাবীতে উঠেপড়ে প্রচার করছে।
    ভালই।
  • de | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৪:৪৩380402
  • আর ছেলেদের এই শিভ্যালরি দেখলে আমার অন্ততঃ গা পিত্তি জ্বলে যায় - ইভন কাজের জগতেও এটা প্রভূত পরিমাণে ফেস করতে হয়।
  • de | ২৫ জুলাই ২০১৭ ১৪:৪০380400
  • মেয়েদের একজন প্রফেশনাল মানুষ হিসেবে দেখলে কোন স্পেশাল ট্রীটমেন্টের প্রত্যাশা না থাকারই কথা। ছেলেদের টীম হারলে যে ট্রীটমেন্ট পায়, মেয়েরাও তাই পাক। তবে তার আগে অবশ্যই পারিশ্রমিক, বিজ্ঞাপন থেকে আয় ইঃ কে সমান সমান করতে হবে। এই মেয়েরা কারো করুণার ধার ধারে না, করুণার দরকারও এদের নেই।

    আমি গাড়ি চালাতে চালাতে মাঝে মাঝে এফ এম শুনি - তো তাতে এই ফাইনালের আগে-পিছে কিছু ফোন কল ইঃ তে প্রচুর লোকেদের বলতে শুনেছি যে মেয়ে হয়েও এরা এতোদূর এসেছে, এটাই তো যথেষ্ট। এই লেখাটাকে সেই অ্যাসপেক্টে দেখলে, সমান ট্রীটমেন্টের দাবীটাও ফ্যালনা না।

    সহানুভূতি, সাপোর্ট, সংরক্ষণ সমাজের দূর্বল অংশের জন্য। আলাদা করে মেয়েরা সেই সংরক্ষণের প্রত্যাশী না হয় - এটা বুঝিয়ে দিলে মেয়েদের ভালোই হবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত