এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • নামটা কী ছিল ভুলে গেছি | ২০ মে ২০১৭ ১১:৪১378810
  • ওসব এই বছর কয়েকের মধ্যে হয়ে যাবে। অন্তত পাওয়ারপয়েন্টে :-p

    কিন্তু আমার নামটা কী ছিলো সেটাই যে ভুলে গেছি ঃ-(
  • T | ২০ মে ২০১৭ ১০:৩০378809
  • মুশকিল হচ্ছে যে, এই রেঞ্জ কভার করতে গেলে 900 MHz ব্যান্ডের রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেম লাগবে যেটা ভারতে ব্যানড, যদ্দুর জানি। নয়তো স্পেশাল পারমিশন করাতে হয়।
    আদারওয়াইজ এই দুজায়গার মাঝখানের একটা বেশ বড়োসড়ো অংশ রেডিও কভারেজের বাইরে থাকবে। অর্থাৎ ড্রোনটা কোথায় আছে কি করছে সেটা বেস স্টেশনে বসে জানা যাবে না। ড্রোন অটোনমাসলিই উড়বে, তাতে অসুবিধে নেই। এটা যদি অ্যাকসেপটেবল হয় তবে ওয়ান কেজি পে লোড বহনে সক্ষম লং ডিস্ট্যান্স টপ গ্রেড ফিক্সড উইং অটোনমাস ড্রোন বানাতে খরচ পড়বে সত্তর থেকে আশি হাজার টাকা। ইনক্লুডিং এভরিথিং। খরচটা আরো কমানো যায়।

    একটা অসুবিধে হচ্ছে, ড্রোনের ব্যাটারী। ভারতসরকার লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারীর ইম্পোর্টে বড়সড় গ্যাঁড়াকল করে রেখেছে। আগের মতো চাইলেই পাওয়া যাবে এমন নয়। তবে পাওয়া যাবে।
  • pi | ২০ মে ২০১৭ ১০:২৫378808
  • মানে যেখান থেকে জিনিস পাঠানো যায়।
  • Pi | ২০ মে ২০১৭ ১০:১৬378807
  • ৪০ ৫০ কিমি।
  • T | ২০ মে ২০১৭ ১০:০৯378806
  • দূরত্বটা বলো।
  • pi | ২০ মে ২০১৭ ১০:০০378805
  • বহুদিন বলতে আমাদের দেশে জিগেশ করছি, শুরু হয়েছে কিনা। এখানে তো কিছু দেখিনি। এই ম্যালেরিয়ার এপিডেমিকের সময় এরকম কিছু করা হলে অনেককে বাঁচানো যেত মনে হচ্ছে। লোকজন ম্যালেরিয়ার রুগীকে পিঠে করে চার পাঁচ ঘণ্টা হেঁটে, পাহাড় জঙ্গল পেরিয়ে হাসপাতাল এসেছে, এমনও হয়েছে। এখনো হয়। এমন সব জায়গায়, যাওয়ার রাস্তা অব্দি নেই !
    জুমচাষে চলে গেলে সেসব লোকজনের সাতেহ যোগাযোগ যে কী হ্যাপা !
    এখানে অনেক এলাকাতেই আগে খালি হেলিকপ্টার করে যাওয়া যেত, এখনো চলে। ধর এরকম এলাকায়, কিছু দরকারি জিনিস, হপ্তায় হপ্তায় পাঠাতে হলে কেমন খরচ পড়তে পারে ? আর কতটা ওজন নিতে পারে ?
  • T | ২০ মে ২০১৭ ০৯:৫৪378804
  • হ্যাঁ, হ্যাঁ বহুদিন। খরচের হিসেব তো অনেক ফ্যাক্টরের উপর দাঁড়িয়ে আছে। যেমন কন্টিন্যুয়াস সারভেইলেন্স চাও কিনা, বা পে লোড হিসেবে কি রাখা হচ্চে, তার ওজন, অল ওয়েদার কন্ডিশন চাইছ কিনা এইসব ইত্যাদি। দূর্গম জায়গায় ওষুধপত্তর পাঠানোর জন্য ব্যবহার করাই যায়। পয়েন্ট টু পয়েন্ট সার্ভিস হিসেবে। ধ্বস বা বন্যা ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত জায়গায় সিচ্যুয়েশনাল অ্যাওয়ারনেস হিসেবে ব্যবহার অবশ্যই করা যাবে।
  • pi | ২০ মে ২০১৭ ০৯:৩৬378803
  • টি, আচ্ছা। এইরকমের সারভেইলান্সে ব্যবহার শুরু হয়ে গেছে ? খরচ কেমন পড়বে ? তারপর ধর, একটু দুর্গম জায়গা, যেখানে ওষুধপত্তর দেবার অসুবিধা, খাবারদাবারও। সেগুলো করা যায় ? ধস নামলে বন্যা হলে, ভূমিকম্প বিধ্বস্ত জায়গাগুলোয় ?

    অরণ্যদা, মোটামুটি।
  • avi | ২০ মে ২০১৭ ০৮:৫২378802
  • শ্বাশুড়ি অর্থে তো দাদাঠাকুর বহুদিন পূর্বেই বলিয়াছেন, যাঁহাকে দেখিলে নববধূর শ্বাস উড়িয়া যায়।
  • T | ২০ মে ২০১৭ ০৮:৩৪378801
  • এই ধরো ট্র্যাফিক মনিটরিং। বা ফ্যাক্টরি কম্পাউন্ড মনিটরিং। অয়েল পাইপ ইন্সপেকশন। ফরেস্ট ফায়ার হটস্পট ডিটেকশন এইরম বিবিধ।
  • aranya | ২০ মে ২০১৭ ০৮:২৭378800
  • পাই, গলা কেমন ?
  • pi | ২০ মে ২০১৭ ০৮:১৮378798
  • টি, মিলিটারি ছাড়া, আর কীরকম সার্ভেইল্যান্স ?
  • pi | ২০ মে ২০১৭ ০৮:১৮378799
  • শাশুড়ি কি রাহু না কেতু ?
  • avi | ২০ মে ২০১৭ ০৭:৫৯378797
  • হুঁ। শাস্ত্রে বলে জামাতা দশম গ্রহ। শ্বশুর বোধ হয় একাদশ।
  • Atoz | ২০ মে ২০১৭ ০৭:৪৯378796
  • তারপরে আবার শুনলাম একজন শিবের শ্বশুর দক্ষকে দিয়ে পিরামিড তৈরী করিয়ে ছেড়ে দিয়েছেন।
    এইসব শ্বশুরে জামাইয়ে মিলে দক্ষযজ্ঞ শুরু হয়ে গেলে আর দেখতে হবে না। আমাদের বঙ্গঘেঁষা জরাসন্ধবাবু ও তো শ্বশুর, স্বয়ং মামা কংসের।
    ঃ-)
  • avi | ২০ মে ২০১৭ ০৭:৪৩378795
  • জনকের নামে কিছু বলছেন নাকি? তাঁর জামাইয়ের নামেই রক্ষে নেই দেশে, শ্বশুরকে টানলে ম্যাও সামলানো যাবে না।
  • Atoz | ২০ মে ২০১৭ ০৩:৩৬378794
  • আর জনকরা? তেনারা কী বলেন? তেনারা বুঝি "হেঁ হেঁ গৃহিণী যা বলেন তার বাইরে যাই কী করে ?" বলে ইয়ে নাড়েন? আর, বৃদ্ধাশ্রমে পিতাগণ নাই বুঝি?
  • Souvik Bez | ২০ মে ২০১৭ ০২:২৮378793
  • পশ্চিমবঙ্গে বাংলার অবস্থা শোচনীয় | আজকাল কেউ বাংলা ভাষা ভালবাসে না, বাংলা বই পড়ে না, বাংলা গান শুনতে ভালবাসে না | বাংলার নাম শুনলেই বর্তমান জননীরা নাক শিটকান | বাংলা তে নাকি আধুনিক ও শিক্ষিত ব্যপারটা নাই, এটি কেবল একম-এব-অদ্বিতীয়ম
    ইংরাজী ভাষাতেই আছে | কালিদাস ত গাছে বসে গাছের দল কেটেছিল মাত্র, আমরা তো নিজেদের শিকড় কাটতে মেতে উটেছি |

    আজ মাতৃভাষা আর মা দুজনেরই স্থান ঘরের বাইরে বৃদ্ধাশ্রমে | হায় বাঙলি হায় !

    বি দ্র : আমি কোনো ভাষার বিরোধী নই, কিন্তু আমার বিশ্বাস নিজেকে জানলে যেমন অপরকে জানা যায়, তেমনি নিজের মাতৃভাষা সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান থাকলে তবেই অন্য ভাষা শেখা যায় |
  • T | ১৯ মে ২০১৭ ২৩:৫৭378792
  • এইসব, এবং আরো কিছু জিনিসের কথা চিন্তা করে এফ এ এ যা রুল বানিয়েছে তাতে আমাজনের কাত হওয়া ছাড়া উপায় নেই। ওরা জানে এইগুলো স্রেফ স্টান্ট, তার থেকে অন্যভাবে ব্যবসা বাড়ানোর কথা ভাবা ভালো। গুগুলও এইরকম কিছু প্রচেষ্টা চালিয়েছিল। কিন্তু সুবিধে করতে পারে নি। আমার গত দশবছরের এই জিনিস ঘাঁটাঘাঁটির অভিজ্ঞতায় বলতে পারি, স্পেসিফিক মিলিটারী বা সার্ভেইলেন্স ইউজ ছাড়া এর আর কোনো ভবিষ্যত নেই।
  • T | ১৯ মে ২০১৭ ২৩:৫২378791
  • সমস্যা ৭. মাল্টিপল ডেস্টিনেশন প্রবলেম। একটা লোকের পিঠের ঝুড়িতে আমি খানদশেক বইপত্র দিয়ে বলতে পারি যাও, অমুক অমুক জায়গায় ডেলিভারী দিয়ে এসো। সেখানে নানান সাইজের, নানান ওজনের প্যাকেজ বক্স থাকতে পারে। কিন্তু ড্রোনের ক্ষেত্রে পে লোডের রেস্ট্রিকশন থাকবেই কারণ গুচ্ছ পে লোড নিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই আকাশে ওড়া যাবে না। তো, সেইখানে একটা সমস্যা হবে। মাল্টিপল পে লোড ডিপ্লয়মেন্টের মেকানিজমে ঝামেলা থাকবে বিস্তর, এবং জায়গাই বা কোথায়। কার্গো সাইজের ড্রোন তো আর ওড়ানো যাবে না। এরফলে প্রত্যেক প্যাকেজ পিছু একটি ড্রোন বরাদ্দ কত্তে হবে। তা হলেই ডিজিটাল ইন্ডিয়ার স্বপ্ন চুরচুর হইয়া গ্যালো আর কি।
  • T | ১৯ মে ২০১৭ ২৩:৪৫378790
  • সমস্যা ৬. মামলাবাজ জনতা। আধঘন্টায় ডেলিভারী দিয়ে দেব এইরম প্রমিস করে রাখলে যদি ফেল হয়, তো গ্যালো। তারমানে প্রতি ডেলিভারী অ্যাসাইনমেন্টে একটি অল্টারনেট অ্যারেঞ্জমেন্ট করে রাখতেই হবে। এতো ডবল খরচ।
  • T | ১৯ মে ২০১৭ ২৩:৪১378789
  • সমস্যা ৫. এইজন্য সেফটি পাইলট হিসেবে কাউকে থাকতেই হবে। কিন্তু এই ধরুন দু তিনশো মিটার দূরে চলে গেলে সে তো আর নিজের চোখে দেখতে পারবে না যে কি হচ্ছে। তাহলে একটা ক্যামেরা ফিড রাখতে হবে। যেটা গ্রাউন্ড স্টেশনে আসবে। এখানেও রিডান্ডেন্সি রাখতে হবে, কারণ ফেইলসেফ। তো, পাইলট এবার গ্রাউন্ড স্টেশনে বসে সমস্ত ঘটনাই দেখছে। কিন্তু যেকোনো সময়ে আকাশে উড়ন্ত একটি ড্রোন পিছু একটি সেফটি পাইলটকে অ্যাসাইনড থাকতেই হবে। তো সেই যদি একজনকে চেয়ারে বসিয়েই রাখব, তো তার চেয়ে তাকে দিয়েই ডেলিভারীটা কত্তে পাঠালে হয়।
  • T | ১৯ মে ২০১৭ ২৩:৩৭378788
  • সমস্যা ৪. মাঝরাস্তায় বিপদ হলে কি হবে? জনবহুল এলাকার উপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় কোনো কারণে যদি সেটি মাটিতে আছড়ে পড়ে তখন ক্ষয়ক্ষতির দায়িত্ব কে নেবে। সেটাকে এড়াতে হলে সিস্টেমে রিডান্ডেন্সি ঢোকাতে হবে। ফলে দাম বাড়বে অনেকগুণ। তারপর ড্রোন যখন ল্যান্ড করছে তখন পাড়ার ছোঁড়া যদি সটান এসে ঠ্যাঙ টেনে নিয়ে পালায়?
  • T | ১৯ মে ২০১৭ ২৩:৩৩378787
  • সমস্যা ৩. ঠিকানা চেনা। কিভাবে জানবে যে কোথায় ডেলিভারী দিতে হবে। জিপিএস মারফত নিশ্চয়ই। কিন্তু জিপিএস অ্যাকুরেসি পাঁচ থেকে দশ মিটারও হতে পারে। গয়নার বাক্স আপনার ছাদের বদলে পাশের ছাদে পড়লে কে দায়িত্ব নেবে? সুতরাং ক্যামেরা মারফত আরো অ্যাক্যুরেট প্রিসিসং ল্যান্ডিং করতেই হবে। করাই যায়। কিন্তু রাত্তির বেলা? তখন তো হবে না। তাহলে ঐ একক যেমন বলছে সেরকম রেডিও সিগন্যাল ট্রান্সমিটার মতো কিছু রাখতে হবে। সেক্ষেত্রে ইউনিক আইডেন্টিফায়ারও তাহলে কিছু থাকতে হবে। কিন্তু পাশের বাড়ীর ছাতে যদি কেউ সেম ফ্রিকোয়েন্সির টর্চ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। সিগন্যাল সমেত সমস্ত ডিকোডীং গুলিয়ে যেতে বাধ্য। হিংসুটে লোকেদের অভাব নেই।
  • T | ১৯ মে ২০১৭ ২৩:২৬378786
  • উপায় কি তাহলে ফ্ল্যাটল্যান্ডে ডেলিভারী দেওয়া, যেখানে অমন উঁচু উঁচু বাড়ী নেই। হাওয়ার গতিবিধি না হয় কোনোমতে সামলানো গেলো। বেশ তাই ধরা যাক।
  • T | ১৯ মে ২০১৭ ২৩:২২378785
  • সমস্যা ২. বাতাস। এর ধাক্কায় ঘায়েল হওয়া কিছু বিচিত্র নয়। ম্যানহ্যাটান স্কাই লাইনের মত জায়গায়, মাটি থেকে শদুয়েক ফুট উঁচুতে বাতাসের গতিবিধি খুবই খামখেয়ালী। কারণ ঐ বিশাল বড়ো বড়ো বিল্ডিং। বিবিধ রকমের ওয়েক চলাফেরা করে। ফিক্সড উইং ড্রোন ঐ চক্করে পড়ে গেলে গ্যালো। সমস্যা এড়াতে আপনি উঁচুতে ঘোরাফেরা করবেন ভাবলেন, কিন্তু ডেলিভারী দেওয়ার জন্য নীচে তো নামতেই হবে।
  • T | ১৯ মে ২০১৭ ২৩:১৭378784
  • কিন্তু তাহলে কি কোনো উপায় নেই? উপায় আছে। ভার্টিকাল টেকঅফ করার পর ফিক্সড উইং এরোপ্লেনের মতো যেতে হবে। ফিক্সড উইং এয়ারক্রাফটের এন্ডিওরেন্স অনেক বেশী আপনারা জানেন। তো সেইরম কিছু না হয় ডিজাইন হল। কিন্তু তাতেও সমস্যা।
  • T | ১৯ মে ২০১৭ ২৩:১৬378783
  • ড্রোন ডেলিভারীর ব্যবসা দাঁড়াবে না, কারণ

    সমস্যা নম্বর ১. ড্রোন হিসেবে যেরম বোঝায়, অর্থাৎ একটা ক্রস মার্কা ফ্রেমের চারকোনায় চারটে রোটর মত, সেই জিনিসের এন্ডীওরেন্স বা ওড়ার ক্ষমতা বেশ কম। একটা পাঁচশো গ্রাম ওজনের বাক্স বয়ে নিয়ে যেতে হলে বড়জোর দশমিনিট উড়তে পারবে। উইদাউট স্পেক এটা খুব জেনারেল রিমার্ক হল, কিন্তু মোটের উপর এটা ঘটনা।

    তারমানে আপনাকে আমাজন সার্ভিস পাওয়ার জন্য এই ধরুণ আমাজন ওয়্যারহাউসের কিলোমিটার পাঁচেকের মধ্যে বাড়ি কত্তে হবে। বিধুশেখরের এতে আপত্তি আছে।
  • T | ১৯ মে ২০১৭ ২৩:০৭378782
  • :)
    বিজনেস হিসেবে ড্রোন ডেলিভারীর ব্যবসা দাঁড়াবে না।
  • ঈশান | ১৯ মে ২০১৭ ২২:৫৩378781
  • করতে বললাম ডেলিভারির বিজনেস, করতে চলল লঞ্চিং/ল্যান্ডিং প্যাডের ব্যবসা। দশটা ড্রোন বানাতে কী এমন খরচা পড়ত রে বাবা। বাঙালির এই জন্যই কিছু হয়না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত