এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Pi | ০২ মে ২০১৭ ১৭:৫২378120
  • ঝোল ছাড়া এরকম টেস্টের মান্গ্স হলে ?
  • sm | ০২ মে ২০১৭ ১৭:২৬378119
  • কিন্তু একটা উত্তর তো পাওয়া গেলো না।৯০ -১০০ শতাংশ কোটা হলে কি বৈষম্য আরো কমতো ? এই নিয়ে আপনার কি মতামত?
  • একক | ০২ মে ২০১৭ ১৭:০৭378118
  • ঝোল আগে। কম্পিটেন্স কামস বিফোর কম্প্রিহেন্ষণ :):)
  • T | ০২ মে ২০১৭ ১৭:০৪378117
  • কত্তা এইখানে আমার একটা ডিম আগে না মুরগী আগে সমস্যা হচ্ছে। মানে ঝোলের ছবি দেখে কচি পাঁঠা নাচছে এই কল্পনার মধ্যে। খুবই জটিল ;)
  • sinfaut | ০২ মে ২০১৭ ১৬:৫৩378116
  • আজকেই ভাবছিলাম একক গেলে কোথায় অনেকদিন আসো নি।
  • একক | ০২ মে ২০১৭ ১৬:৪৭378115
  • কী রোমান্টিক ঝোলেরছবি !!!! যেন একটা কচি নধর পাঁঠা নিকোনো উঠোনময় নেচে নেচে গাইচে : তুমিখুশী থাকো আমার পানে চেয়ে চেয়ে ......আর বারান্দার জলচৌকিতে বসে চাকুতে শান দিচ্চি আর তার গোশ্ত মাপচি .......উল্স লুপ লুপ লুপ্স
  • T | ০২ মে ২০১৭ ১৬:২৬378114
  • উফফ কি মাটন কারি খেতে ইচ্ছে করছে।
  • pi | ০২ মে ২০১৭ ১৬:২২378113
  • আচ্ছা, বৈষম্য দূর করার জন্য বৈষম্য দূর করার দরকার নেই।
    আপনি নিজে যা লেখেন, তার মানেটা নিজে বুঝলেও চলবে।
  • sm | ০২ মে ২০১৭ ১৬:০৯378112
  • এতো মহা মুশকিলে পড়া গেলো। কি কনটেক্সট এ কি লেখা হয়-পড়েনা বা বোঝে না।
    জাতপাত ভিত্তিক সংরক্ষণে বৈষম্য দূর হয়েছে এমন প্রমান আপনার কাছে আছে কি?
    যদি না থাকে তাহলে আরো বেশি বছর এক্সটেন্ড করার পক্ষে সওয়াল করছেন কেন?
    আমিতো বরাবর ই আর্থিক অনুদান বা বরাদ্দ বৃদ্ধির জন্য বলে এসেছি।
    সরকার তার পয়সা গরিবের চিকিৎস্য,স্বাস্থ্য শিক্ষা ইত্যাদিতে ইনভেস্ট করলে বেটার রেসাল্ট পাবে।
    বৈষম্য দূর করার কথা তো বলিনি। হতে পারে প্রান্তিক মানুষ যত বেশি সুস্বাস্থ্য, শিক্ষার অধিকারী হবে জাত পাত নির্বিশেষেশে। ততো নিজেদের ক্ষুদ্র বা পিছিয়ে পড়া শ্রেণী কম ভাব বে।
  • pi | ০২ মে ২০১৭ ১৪:২০378111
  • নিজে কী লিখছেন সেটা নিজেই পড়ে নিলে অন্যদের এইসব ভুলভাল প্রশ্ন করতে হয়্না।
    আপনি নিজেই লিখেছেন বৈষম্যের কোন সমাধান আপনি দেন নি। অথচ প্রশন্টা বৈষম্য নিয়ে ছিল। সে আমি খবরগুলো দি বা না দি, বৈষম্য আছে।
    তো, কী বুঝে কী নিয়ে কেন কথা বলছেন, আপনিই জানেন।

    name: sm mail: country:

    IP Address : 52.110.167.47 (*) Date:02 May 2017 -- 11:17 AM

    টিবি চিকিৎস্যায় জাতীয় স্বাস্থ্যের ম্যান ভালো হতো।প্রান্তিক মানুষরা কিছুদিন সুস্থ সবল শরীরে বাঁচতেন।বৈষম্য দূর করার কথা আপনার কল্পনা।
  • de | ০২ মে ২০১৭ ১৪:১৩378110
  • থ্যাংকু স্যান! আমায় দুদিনের জন্য লুরুর কাছাকাছি কোথাও একটা ভালো ঘোরার জায়গা বার করতে হবে - জুনের সেকন্ড উইকে। তাই খুঁজচি!
  • San | ০২ মে ২০১৭ ১৪:০৭378109
  • দে দি, আমি গেছি তবে বছর দশেক আগে। বেশ ভালো লেগেছিল।
  • de | ০২ মে ২০১৭ ১৩:৫৫378108
  • কেউ কূর্গ অরেঞ্জ কাউন্টিতে গেছে? আমার এক কলিগ ঘুরে এসে খুব প্রশংসা করলো!
  • sm | ০২ মে ২০১৭ ১৩:৪৯378107
  • পাই, খামোখা মাথা বেশি ঘামাচ্ছেন। আর্থিক অনুদান বৃদ্ধি আমার একমাত্র বিকল্প।ইটা আগে অনেক বার ই বলেছি।
    আপনি ই বললেন সংরক্ষণে বৈষম্য কমেছে কিনা জানেন না।আপনি ই কিন্তু থেকে থেকেই বৈষম্যের লিংক দিয়ে থাকেন।
    নিজেই বলেন, সিস্টেম টা হাজার গলতা তে ভরা।
    অথচ এ ও মনে করেন ইট কুড হ্যাভ বিন ওয়ার্স।
    কিন্তু স্বপেক্ষে প্রমান নাই।
    আমার যুক্তি ৭০ বছরে যখন বৈষম্য কমার প্রমান পাই নি তখন বিকল্প পথ টিকে বেছে নিতে আপত্তি কোথায়?
    এবার বলুন তো যুক্তির অভাব কি দেখলেন বা বুঝলেন?
  • goutam dutt | ০২ মে ২০১৭ ১৩:৪৭378106
  • বিসর্জন -
    ======

    বেশ অনেকদিন পর একটা নিটোল বাঙলা বই দেখলাম। কৌশিক গাঙ্গুলী নির্দেশিত, এ বছরের বাঙলা ছবি বিভাগে রাষ্ট্রীয় পুরষ্কার প্রাপ্ত “বিসর্জন”।

    সদ্য চলে যাওয়া আমার খুব প্রিয় কালিকাপ্রসাদ এ ছবির সুরকার। কাহিনী, চিত্রনাট্যও কৌশিক গাঙ্গুলীর নিজের। অল্প কয়েকটি চরিত্রকে নিয়ে বাঙলাদেশে’র এক বাঙালী হিন্দু পরিবারে’র এক সদ্য বিধবা যুবতী’র সাথে ইছামতীর বুকে বিজয়া দশমী’র বিসর্জনে, ভেসে যাওয়া এক ভারতীয় বাঙালী মুসলমানের আদরে আর প্রেমে মানুষ হয়ে ওঠার এক অপূর্ব কাহিনী। যা দেখার পরে আমার মনে হয়েছে যে, প্রেম ভালবাসা কিংবা আদরের জন্য কোনো দেশ, জাত, ধর্ম কিছুই আবশ্যিক নয়। সেটা আপনিই আসে দুটি নরনারীর মনের গহনে, তার আপন পথেই।

    মূল এই গল্পের সাথে কৌশিক জুড়ে দিয়েছেন মাঝবয়সী আর মাতব্বর এক মানুষের চরিত্র’কে। অবিবাহিত এবং অসুন্দর এই মানুষটির মনের অন্দর জুড়ে রয়েছে ওই বিধবা যুবতীর রুপের প্রতি এক মোহ আর ভালবাসা। যার জন্যে এই ক্ষমতাবান মানুষটি তার সমস্ত সত্তা আর ক্ষমতা দিয়ে আগলে রাখতে চায় এক বৃদ্ধ শ্বশুর আর বিধবা বৌমা’র ছোট্ট সংসারটি, আর মনের মধ্যে পোষন করে চলে ওই যুবতীকে নিজের বৌ করে তোলার আশা। এই ত্রিকোন অথচ এক গোপন প্রেমের এক অসামান্য উপন্যাস রচনা করে দেন কৌশিক, সিনেমার ভাষায় আর নিজস্ব শৈলীর যাদু দিয়ে। এক বিধবা যুবতী’র প্রেমে এক হয়ে যায় ইছামতীর দুই পার। গল্প শেষ হয় এক অপরূপ অনির্বচনীয়তায়।

    মূল এই তিনটি চরিত্রে’র সাথে সংযুক্ত হয়েছে আরো কিছু চরিত্র। ঝকঝকে ঋজু ভঙ্গিতে কৌশিক তরতর করে এগিয়ে নিয়ে গেছেন এই সিনেমাটিকে যা আমাদের ঋদ্ধ করে। নতুন করে ভাবতে শেখায় যে সত্যিই “সাম্প্রদায়িক” বলে কোনো শব্দ হয় কি না !

    গল্প শুরু হয়েছে ইছামতী’তে বিজয়া দশমী’র বিসর্জন দিয়ে। কালিকাপ্রসাদের লোকসংগীত আর বাঙলার ঢাকের আওয়াজের সুরে প্রথম দৃশ্যেই চমক আনে আমাদের। অপূর্ব মায়াময় এই ছবিটির ফোটোগ্রাফি। বিশেষ করে রাতের দৃশ্যগুলির ফোটো রিলিফ মনকে ছুঁয়ে যায়। ইছামতীর অপর পারের বাঙলাদেশের এক ছোট্ট গ্রামকে কৌশিক তুলে আনেন নিপুন দক্ষতায়। দু’পারের বাঙলা ভাষার কথ্যভঙ্গী এক প্রেমের কাছে মিলেমিশে এক হয়ে যায়। শৌভিক বসুর অসামান্য চিত্রগ্রহন এ ছবির এক অসামান্য সম্পদ।

    কালিকাপ্রসাদ আমার মন ভরিয়ে দিয়েছেন। বাঙলার নিজস্ব লোকসংগীত এবং ঢাক, কাঁসর, বাঁশি ইত্যাদি যন্ত্রের ব্যবহারে মন মাতিয়ে দিয়েছেন কালিকাপ্রসাদ। খুব কষ্ট হয় এইজন্যে যে কালিকাপ্রসাদ তাঁর সৃষ্টি’র সৃজন আমাদের সাথে অনুভব করে নিতে পারলেন না।

    এডিটিং এ ছবির এক বড় অংশ। এত নিপুন, এত সুশৃঙ্খল, এত পরিমিত এডিটিং আমি অনেক দিন বাদে দেখলাম বাঙলা ছবিতে। এক ভালবাসার মানুষ-মানুষীর ছাড়াছাড়ি হবার ঠিক এক ঘন্টা আগে তাদের প্রেমের যে পরিণতি নির্দেশক কৌশিক যে ভাবে তুলে আনলেন এই ছবিটিতে তা অননুকরনীয় হয়ে থাকা উচিৎ ভবিষ্যতের পরিচালকদের জন্যে। শুধুমাত্র একটি ঘরের দরজা বন্ধ হয়ে আর ঘরের আলোটি নিভে গিয়ে একটা তুমুল ভালবাসার যে ছবি শুধুমাত্র একটি ‘জরুল’ চিহ্ন দিয়ে পরিচালক কৌশিক আমাদের বুঝিয়ে দেন, তা এই সর্বগ্রাসী অবক্ষয়ের যুগে একটা মাইলস্টোন হয়ে থাকা উচিৎ, এ আমার বিশ্বাস। কিছু না দেখিয়ে, কিছু না বলেও যে একটা সঙ্গমদৃশ্য মনের গভীরে গেঁথে দেওয়া যায় এর জন্য আমি কৌশিক গাঙ্গুলী’কে স্যালুট জানাচ্ছি।

    এবারে শেষ করি অভিনয় প্রসঙ্গ দিয়ে।

    বিধবা যুবতী পদ্মা’র চরিত্রে বাঙলাদেশী শিল্পী জয়া আহসান যে পরিমিত অভিনয় প্রতিভার স্বাক্ষর রাখলেন এ ছবিতে তা অনেক তাবড় শিল্পীর কাছে দৃষ্টান্ত। অনেকগুলো ছোট ছোট দৃশ্যে শুধুমাত্র মুখের ব্যবহারে জয়া এই চরিত্রটিকে একটি চরম নান্দনিকতায় পৌঁছে দিলেন তার জন্যে আমি কৃতজ্ঞ তাঁর কাছে। দৃশ্যকল্পগুলো নিঃসন্দেহে কৌশিকের অবদান কিন্তু তাকে ফুটিয়ে তোলার জন্যে যে নির্বাক অভিনয়ের সাহায্য প্রয়োজন ছিল নির্দেশকের, তা ষোলো আনার বদলে আঠারো আনায় ভরে দিয়েছেন জয়া। আমি শুধু একটি দৃশ্যের কথাই উল্লেখ করবো, যেখানে আশ্রিত ওই মুসলিম যুবককে সিগারেট কিনে এনে দিয়ে জয়া জানান দিয়ে যান যে একটা ভালবাসার মানুষের জন্য সবকিছু করা যায়। তারপরে যখন ওই যুবক সিগারেটটা ধরায় আর সেই ধোঁয়ায় ভরে যায় ঘর, তখন পদ্মা জলভরা চোখে বেরিয়ে আসে ঘরের বাইরে। স্মৃতি আর মনের গহন টানের এক মায়াময় পরিবেশ রচিত করে দেন জয়া এই ক্ষণিক মুহূর্তটুকুতেই।

    ভারতীয় মুসলিম যুবক নাসির আলির চরিত্রে আবীর’কে আমার খুব অসহায় লেগেছে। হয়তো কিছুই করার ছিল না তাঁর। তবুও কেন জানিনা আমার মনে হচ্ছিল আমাদের এখনকার এক প্রাজ্ঞ অভিনেতার যুবক বয়সের কথা। ‘অভিযান’ সিনেমার ‘নরসিং’-কে।

    বাঙলা সিনেমায় খচ্চর চরিত্রে’র অভিনয় প্রসঙ্গ উঠলেই প্রথমেই যাঁর নাম মনে পড়বে ‘অমানুষ’ ছবির ‘মহীম ঘোষাল’-কে। কিন্তু নির্দেশক কৌশিক গাঙ্গুলী এই ছবিতে গনেশ মণ্ডলের চরিত্রে অভিনয় করে যে এক নতুন অভিনয়শৈলী আমাদের উপহার দিলেন তা অসামান্য শুধু নয়, বিরল। ভিলেন অথচ স্বাদুপ্রেমিকের চরিত্রে’র এই অভিনয় আঙ্গিক কৌশিক তাঁর ওইরকম চেহারা দিয়েও যে অনায়াস দক্ষতায় উপস্থাপিত করলেন তা বাঙলা চলচিত্রে এক উদাহরণ হয় রইল।

    এছাড়া লাউ, লক্ষী, ডাক্তারচাচা আর পুরোহিত মশাই-এর অনবদ্য অভিনয় ও এ ছবির এক বড় সম্পদ হয়ে রইল।

    আশা রাখব ভবিষ্যতে কৌশিক গাঙ্গুলী আমাদের বাঙলা সাহিত্যের অনেক সিনেমা না হওয়া ভাল গল্প বা উপন্যাসের দিকেও একটু চোখ ফেরাবেন। তাতে আর কিছু না হোক, বাঙলা সিনেমা আবার তাঁর পুরোনো দিনে চোখ মেলতে পারবে।

    পরিশেষে সবাইকে অনুরোধ করবো যে, ইচ্ছে হলে এই সিনেমাটা আপনারা যে কোনো ভাল সিনেমা হলে গিয়ে দেখুন বড় পর্দায়, না হলে অনেক কিছুই অদেখা রয়ে যেতে পারে...

    ©গৌতম দত্ত।
    ২৯-০৪-২০১৭
  • pi | ০২ মে ২০১৭ ১৩:৩২378105
  • হ্যাঁ, সত্যিই, বড় দাড়ি আঁকতে না পারার জন্য হাসা একেবারেই উচিত হয়নি।
  • প্রবঞ্চক পানকৌড়ি | ০২ মে ২০১৭ ১৩:২৬378104
  • ত্রৈরাশিক না ভগ্নাংশ?
  • অমৃতা | ০২ মে ২০১৭ ১৩:০৭378103
  • ছোটোবেলায় যে স্কুলে পড়তাম তার নামটা ছিল এক মাইল লম্বা - 'খামারপাড়া জাতীয় ক্রীড়া ও শক্তি সংঘ নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয়'। সবাই চিনত 'মধুকুন্ডু স্কুল বা মধুকুন্ডুর স্কুল' নামে। আমি যেদিন এই স্কুলটিতে ভর্তির পরীক্ষা দিতে যাই সেদিনই স্কুলের মাঠ দেখে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হই যে এই স্কুলেই আমাকে পড়তে হবে। তখন এতো ভয়ানক পড়াশোনার চাপ ছিল না তায় আবার ক্লাস ওয়ানে ভর্তি হব তো পরীক্ষা বলতে শুধু এক প্যারা শ্রুতিলিখন। বাবাকে অফিস ঘরে বসিয়ে রেখে দিদিমণি আমায় নিয়ে গেলেন কেজি টুর ঘরে। যেতে যেতেই জেনে নিলেন নাম, বাবার নাম, আগে কোথায় পড়তাম সব কিছু।
    মস্ত বড় হলঘরে শতরঞ্চির ওপর বসে গোটা কুড়ি ছানা। আমায় সবার পিছনে বসিয়ে দিয়ে বললেন - "ওই দিদিমণি যা বলছেন শুনে শুনে খাতায় লিখে ফেল কেমন! পারবে তো?" পারব মানে পারতেই হবে! ওই মাঠে না খেলতে পেলে আমার জীবনই বৃথা! ঘাড় নাড়লাম -"হ্যাঁ পারব!"। শুরু করলাম লেখা। একটা বাক্য শেষ হতেই দিদিমণি বললেন -"এবার দাড়ি দাও।" দাড়ি দেব মানে? লেখায় দাড়ি কোথায় পাবো রে বাবা! ভাবা শেষ হওয়ার আগেই দিদিমণি অন্য বাক্যে চলে গেছেন। আমি তাড়াতাড়ি লেখা শুরু করলাম। কি কান্ড! আবার বলে -"দাড়ি দাও।" কি জ্বালায় পড়লাম! দিদিমণিকেই জিজ্ঞাসা করব? কিন্তু পরীক্ষা বলে কথা জিজ্ঞাসা করলে যদি ভর্তি না নেয়! অগত্যা যা বুদ্ধিতে কুলাল করে দিলাম। যথাসময়ে পরীক্ষা শেষ হল। আমি আবার দিদিমণির হাত ধরে বাবার কাছে ফিরে এলাম। মিনিট পাঁচেক বসতে না বসতেই দিদিমণি হাসতে হাসতে এসে বাবাকে বললেন -"আপনার মেয়ে খুব মিষ্টি, আর লিখেছেও ঠিক। ওকে আমরা ভর্তি নেব। আপনি কাল এসে টাকা জমা দিয়ে ডায়রি নিয়ে সব কিছু জেনে যাবেন।" তারপর আমার দিকে আমার সেই কালান্তক খাতা এগিয়ে দিয়ে বললেন -"এটা কি করেছিস?" আমি কিছু বলার আগেই বাবা খাতাটা টেনে নিলেন আর তারপর দুজনের কি হাসি! আমি ভয়ানক রেগে গিয়ে বললাম -"এতো হাসার কি আছে এতে? ওই দিদিমণি দাড়ি দিতে বলেছিল বাক্যের শেষে, আমি ছোট্ট করে দাড়ি এঁকে দিয়েছি। একটা লাইনে ধরাতে হবে তো বড় দাড়ি কি করে আঁকবো?"
  • অভিষেক | ০২ মে ২০১৭ ১২:৫৫378102
  • সংরক্ষণ থেকে কিছু সুবিধেভোগী মানুষ যারা কিনা জেনেরেশানের পর জেনারেশন এর সুবিধে ভোগ করে যাচ্ছেন তাদের পিনপয়েন্ট করার আগে ঢের বেশী জরুরী নয় কি- জাতিভেদপ্রথাকে বে আইনি ঘোষণা করা?
    সমস্ত কাজ সবাইকে করতে দেওয়ার স্বাধীনতা আসুক,গুচ্ছ গুচ্ছ শঙ্কর বিবাহ হোক- তারপরে না হয় জাতিভিত্তিক সংরক্ষণ তুলে দিয়ে এই বিশেষ ক্রিমি স্তরের থেকে ট্যাক্সো তুল্লে হবেখন..
  • dc | ০২ মে ২০১৭ ১২:৫১378101
  • আমি ৯৫% কনফিডেন্স ইন্টারভালের দাবী জানালাম।
  • dc | ০২ মে ২০১৭ ১২:৫০378100
  • সংরক্ষন আর আর্থিক অনুদান এক জিনিস না, বড়োজোর বলা যায় একতা কমপ্লেক্স রোগের দুভাবে চিকিত্সা। আর এই চিকিত্সা দুটো মিউচুয়ালি অক্সক্লুসিভও না, যে একটার বদলে অন্যটা করতে হবে বা একতা করলে অন্যটা সংঘাত তৈরি করবে। জাতপাতের সমস্যা আমাদের দেশে এমন যে শুধু আর্থিক অনুদান দিয়ে সেটা দূর করা সম্ভব না। আর্থিক অনুদান দিলেও সেটা পিছড়েবর্গের মধ্যে পৌঁছাবে না। যেখানে বিয়ীতে আনন্দ করার জন্য কুয়োতে কেরোসিন ঢেলে দেওয়া হয়, বা উঁচু জাতের কুয়ো থেকে জল আনতে গেলে পেটানো হয় (এই খবরগুলো দুয়েকদিন আগেকার) সেখানে আর্থিক অনুদান দিয়ে কি করবেন? সংরক্ষন ব্যপারটা চালু হয়েছিল জাতপাতভিত্তিক ডিসক্রিমিনেশান কমানোর জন্য, যাতে পিছড়েবর্গের মানুষরাও "নর্মাল" সুযোগ সুবিধা পান। অবশ্যই সংরক্ষন প্রথাকে ভোট ব্যাংক পলিটিক্সের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু তার মানে এই না যে ব্যবস্থাটাই ভুল। সংরক্ষন আর অর্থনৈতিক সাহায্য, দুটোরই দরকার আছে।
  • pi | ০২ মে ২০১৭ ১২:৪৯378099
  • ৯৫.৬৭ % দাবি তুললে ভেবে দেখব খন।
  • T | ০২ মে ২০১৭ ১২:৪৭378098
  • আমার দাবী ৯১.২ শতাংশ। পাইদি উত্তর দাও। :)
  • pi | ০২ মে ২০১৭ ১২:৪৪378097
  • আপ্নার সাথে তর্ক সত্যিই করা চাপের ব্যাপার। তর্কের জন্য মিনিমাম কিছু যুক্তি তো অপর পক্ষ থেকে লাগে !
    তাও শেষ বারের মত বলছি, সমস্যা যখন বৈষম্য আর টিবি চিকিৎসার জন্য অনুদান বৃদ্ধি জাতীয় আপ্নার প্রস্তাবগুলো আপনারই কথা অনুযায়ী যখন বৈষম্যের সমাধান করবে না ( আমি জানতে চেয়েছিলাম, কী করে এগুলো বৈষম্য ঘোচাবে, তাতে আপনি বললেন, আপনি নাকি বলেননি বৈষম্য ঘোচাবে, আপনি এরকম কিছু মিন করেছেন ভেবে থাকলে সে আমার কল্পনা), তো, এখন সেটা 'বিকল্প প্রস্তাব' কীকরে হয় ? মানে, প্রস্তাবটা আইডেন্টিফায়েড সম্স্যার সমাধানের জন্য হতে হবে, পৃথিবীর যেকোন সমস্যার সমাধনের জন্য একটা প্রস্তাব দিয়ে দিলেই সেটাকে বিকল্প প্রস্তাব বলে এগোতে হবে ?
    তো, আমিও বললাম আরো বৃক্ষরোপণ করলে পৃথিবীর খুব ভাল হবে, বায়ুদূষণ কমালে ভাল হবে, সিগারেট স্মোকিং কমালে ভাল হবে। নিন, এগুলো সবই 'বিকল্প প্রস্তাব' দিলাম।

    আর ৯০-১০০ শতাংশ কোটা করার কথা আমি বলিইনি অথচ এটা করলে কী হবে, সেটা আমাকেই বলতে হবে, এরকম বিচিত্র দাবি কম দেখেছি ঃ(
  • sm | ০২ মে ২০১৭ ১২:৩০378096
  • কেন এই তো কতো প্রশ্ন আসছে -আপনি ৯০ -১০০ শতাংশের কথা তুললেন তো আপনি উত্তর দিন না কেন?চমৎকার!
    প্রশ্ন করলে উত্তর ও আমাকেই দিতে হবে?এটুকুর উত্তর দিতে এতো কষ্ট?হ্যা বা না বললেই তো হয়।
    আর্থিক অনুদান বৃদ্ধি তো আমার বিকল্প।
    আপনি তো আরো বহু বছর কোটা রেখে দিতে চান।
  • pi | ০২ মে ২০১৭ ১২:২৩378095
  • ৯০-১০০ শতাংশ কোটার কথা তো আপনি বলেছেন, আমি না। তাই কমবে কিনা সেটাও আপনি বলুন।

    আর এত কিছু বলার পরে 'খালি আর্থিক অনুদান বৃদ্ধি তে কি এমন অসুবিধে হবে?' পড়ে সাতকাণ্ড রামায়ণ পড়ে সীতাকে নিয়ে করা প্রশ্ন ছাড়া আর কিছু মাথায় আসছে না ঃ(
  • sm | ০২ মে ২০১৭ ১২:০৭378094
  • যাক তাহলে বোঝাই যাচ্ছে;সিস্টেমে হাজার গলতা ও ফাঁক।কিন্তু বিকল্পে অনীহা। কিন্তু কেন?খালি আর্থিক অনুদান বৃদ্ধি তে কি এমন অসুবিধে হবে?
    ৯০ -১০০ শতাংশ কোটা করলে কি মনে হয় বৈষম্য আরো কমবে?
  • pi | ০২ মে ২০১৭ ১১:৩২378093
  • ফাঁকগুলো দেখানোর পরেও না বুঝলে আর কী বলি বলুন। হচ্ছে বৈষম্যের সমস্যা নিয়ে কথা। আপনি এলেন গরীবের জন্য স্বাস্থ্য নিয়ে। এভাবে কি তর্ক হয় ? গরীবের জন্য, সবার জন্যই স্বাস্থ্যের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আপনি বলবেন, তারপর আমি ভাবব এটা করা দরকার, ব্যাপারটা ঠিক এমনও নয়। মানুষের ফ্রি তে চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আমি সত্যিই কোন দ্বিমত রাখিনা, আর এইনিয়ে এতবার লেখার পরেও আপনি এরকম কথা বললে আর কী বা বলার থাকে। এখন ফ্রিতে টিবির চিকিৎসা শুধু নয়, ডায়গনসিসও হয়ে থাকে। ডায়গনসিসের অন্যতম বড় সমস্যা রুগির নিজের বহিদিন ফেলে রাখা বা কিছু ডাক্তারদেরো এমনি আন্টিবায়োটিক চালিয়ে যাওয়া, টিবি টেস্ট না করিয়ে।
    এবার স্পুটাম টেস্টের থেকে জিনেক্স্পার্ট বেটার, এলে ভাল, বিশেষ করে এম ডি আর টিবির জন্য, সে তো ঠিক আছে। কিন্তু সেটা হলে যখন বৈষম্য কমবে না, আর বৈষম্যও সমস্যা, তো সেটা সেটা হওয়ার সাথে সাথেই বৈষম্য দূর করার ব্যব্স্থাও নিলে এদের মধ্যে বিরোধিতাটা কোথায় ?
    গরীবদের জন্য স্কিমে তে কেউ আপত্তি করেনি। কিন্তু গরীবদের মধ্যেও নিচু জাতের লোকজন আরো বেশি বৈষম্যের শিকার, আর অনেকে গরীব না হয়েও। এই জাতের কারণে। তো, গরীবীর সাথে সাথে জাতভিত্তিক বৈষম্য দূর হবে কীকরে ? পজিটিভ ডিস্ক্রিমিনেশন তো একটা স্টেপ বটেই।

    আর আমি তো বলেইছি, ইম্প্লিমেন্টেশনে অনেক গলতা আছে। যার মধ্যে অন্যতম মনে করি, যাদের প্রয়োজন নেই, তাদেরো পেয়ে যাওয়া। মাছি মারা কেরানির মত একটা পলিসিকে অন্ধভাবে সর্বত্র ইম্প্লিমেন্ট করে যাওয়াকে ভুল মনে হরি, ভারতের মত দেশে ওয়ান সাইজ সবাইকে ফিটও করেনা, সব জায়গার জন্য এক পলিসি হতে পারেনা, হওয়া ঠিক নয়ও মনে করি। কিন্তু এর সাথে এও মনে করি, মাথাব্যথা হলে মাথা কেটে দেওয়াটা খুবই খারাপ সমাধান আর কি। আর আপনি ওটাই বলছেন ঃ(
  • sm | ০২ মে ২০১৭ ১১:১৭378092
  • টিবি চিকিৎস্যায় জাতীয় স্বাস্থ্যের ম্যান ভালো হতো।প্রান্তিক মানুষরা কিছুদিন সুস্থ সবল শরীরে বাঁচতেন।বৈষম্য দূর করার কথা আপনার কল্পনা।
    এটা গাজরের চেয়ে বেশি কার্যকর বলে মনে করি।
  • sm | ০২ মে ২০১৭ ১১:১১378091
  • কি রকম ফাঁক? কোটা সিস্টেম তো ক্রমশই ক্রিমী লেয়ার তৈরী করে তুলেছে। একজন এই এ এস/ডাক্তার /অফিসার হবার পর ও তার পরের প্রজন্ম সেম সুবিধে পাচ্ছে।এটা কি সমর্থন যোগ্য মনে করেন?পরিষ্কার উত্তর দিন।
    আবার প্রশ্ন, ৯০ -একশো শতাংশ করলে কি বিদ্বেষ কমবে বলে মনে হয়?
    বিদ্বেষের লিংক গুলো কিন্তু থেকে থেকে আপনি ই দিচ্ছেন।
    এর থেকে যদি গরিব ও প্রান্তিক মানুষদের আর্থিক সুযোগ সুবিধে বৃদ্ধি করা হতো তাতে কি বেটার রেসাল্ট পাওয়া যেত?
    দ্বিতীয অপশন চাখতে অসুবিধে কি?অলরেডি প্রথম সিস্টেম টি যখন ৭০ বছর চালু আছেই।
    টিবি সম্পর্কে কিছু ইন্টারেস্ট আছে দেখে ভালো লাগলো। ডটস হলো ঔষধ খাবার প্রোগ্রাম।
    আমি টেস্ট এর কথা বলছি। আধুনিক হু রেকোমেন্ডেড জীন এক্সপার্ট টেস্ট ;যার প্রাইভেট এ খরচ প্রায় ২০০০ টাকা।
    এটা কয়েক ঘন্টায় টিবি ডায়গনোস করে থাকে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত