এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • শিশুশিক্ষা ও বিদ্যালয় অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যত

    rimi
    অন্যান্য | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮ | ২৩১৬৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • shrabani | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ১৬:৫৬402375
  • আমি এইজন্যে জানতে চাইছিলাম যে এর মানে আমাদের সমসাময়িকরা গ্রামের বা শহরের যারা বাংলা মিডিয়ামের তারা আগের পদ্ধতিতেই ইংরেজী শিখেছে।
    আমি এদের দেখেছি কলেজ ইউনিতে। বাংলা শুধু না সমস্ত স্টেটেরই vernacular মিডিয়মএর লোকেরা ইংরেজীতে বলতে লিখতে বেশ অসুবিধা করে এবং তারা নিজেরাও তা বলে বেড়ায় (এভাবেই আমি জানতে পারি তারা কোন মিডিয়মের)। এর উল্টোটাও আছে। ইংরেজী মিডিয়মের লোকেরা আবার তোমাকে অন্য ল্যাঙ্গুয়েজের বই পড়তে দেখলে বা লিখতে দেখলে নাক সিঁটকোয়, তোমার ইংরেজী জ্ঞান সম্পর্কে সন্দিহান হয়ে ওঠে এও আমি অজস্র দেখেছি।

    আমাদের অফিসে টফিসে হায়ার লেভেলে ওঠার আগে ম্যানেজমেন্ট ট্রেনিং এর সাথে সাথে ইংরেজী বলতে লিখতেও শেখানো হয় কারন এদের কাজে বাইরে যেতে হয়, বিদেশীদের সঙ্গে ডীল করতে হয়। এইসব লেভেলের আগে ইংরেজী নিয়ে কেউ মাথা ঘামায়না।
    আমাদেরই একজন এক্স ডিরেক্টরকে দেখেওছি কিভাবে ওনার পুরো ইংরেজী বলার ধরণ টরন বিহারী টোন থেকে চেঞ্জ দিব্যি হয়ে গেছিল।

    ১)ওরা যখন পড়াশোনা করেছেন তখন ইংরেজী মিডিয়ম ব্যাপারটার এত চল ছিলনা সমাজে। ওরা পুরনো পদ্ধতিতে শিখেছে এবং ভাল ছাত্র হওয়া সত্বেও ভাল শেখেনি। (এরা অধিকাংশই এঞ্জিনীয়ারিং ব্যাকগ্রাউন্ডের)।
    ২) ওরা যে শেখেনি তাতে ওদের ভাল চাকরি বা উন্নতিতে কোনো বাধা আসেনি।
    ৩) দরকার পড়লে ইংরেজী শিখে ওরা কাজ টাজ চালিয়ে ভালই নেয়।হয়ত নিজে লেখেনা তাই তবে বলাটা রপ্ত তো করে নেয়।
  • r | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ১৬:৫৭402376
  • লার্নিং ইংলিশ নিয়ে কিন্তু গয়ংগচ্ছ চলে নি। সেই যুগে এটা ছিল একটা বিরাট পোলিটিকাল ইস্যু। এই ইস্যুতে সুসির মেয়েরা মাঝেই মাঝেই শ্যালদা ইস্টিশনে লোকজনকে ধরে বোর করত। সুসির সবথেকে বড় মিছিলটাও মনে হয় এই ইস্যুতেই ছিল। ;-)
  • shrabani | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ১৭:০৯402377
  • আসলে পুরো দেশেই প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থাটা একটা ধুর। দেশের যে অঞ্চলেই যাও, গ্রামের স্কুলে ভাল টীচার নেই, পড়ানো হয়না এসব সব জায়গাতেই দেখা যায়। তবু ভাল ছাত্ররা আগের মতই কষ্ট করে উঠে আসে। কেউ পারে কেউ পারেনা।
    সরকারী ব্যবস্থা কোথাও ভাল নয়, যদি ভাল পরিকাঠামো থাকত, শেখানোর রকম ভাল হত, সিক্সেই শুরু করুক ওয়ানেই শুরু করুক ঠিক শিখে যেত। বুড়ো বয়সে লোকে নতুন দেশে গিয়ে নতুন ভাষা শিখে যাচ্ছে আর একটা ক্লাস সিক্সের বাচ্চা ইংরেজী শিখতে পারবেনা!
  • san | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ১৭:১০402378
  • হ্যাঁ এটা আমি আমার ছোটবেলার সময়ের কথা লিখেছি, তখন স্কুলে লার্নিং ইংলিশের কল্যাণে পাশ ফেল বড় ব্যাপার না, জয়েন্টে ইংরিজি নেই, বিপিও কেপিও কল সেন্টার নেই, আইটি - এম এন সি- মাল্টিন্যাশনাল-অনসাইট নেই। কোনো দিক দিয়েই ইংরিজির বিশেষ কিছু গুরুত্ব নেই। আর সত্যিই ইংলিশ মিডিয়ামের হুজুগ ও ছিলনা।বহুৎ উচ্চমধ্যবিত্ত-উচ্চবিত্তের ছেলেমেয়ে বাংলা মিডিয়ামে পড়ে ইত্যাদি। এক আধজন মন্ত্রীর মেয়েটেয়েও সরকারি ইস্কুলে পড়ত। হঠাৎ একসময়ে ওরে বাবা আমরা তো দশ বছর ধরে কিছুই ইংরিজি শিখলামনা আমাদের কি হবে রে করে চেল্লামেল্লি উঠলো। সেটা তারা এতদিন কেন বোঝেনি এটাও একটা কথা, মানে হঠাৎ ফরফরিয়ে ইংরিজি বললে চাকরি হচ্ছে দেখতে পাওয়ার পরেই সব্বাই একধারসে বুঝতে পারল লার্নিং ইংলিশ বড্ড খারাপ ছিল, কিচ্ছু শেখায়নি ;-)
  • r | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ১৭:১৫402379
  • মানে লার্নিং ইংলিশ খারাপ এটা আগেই বোঝা উচিত ছিল? ;-)

    শিবদাসবাদীরা বুঝেছিলেন।
  • shrabani | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ১৭:১৬402380
  • পশ্চিমবঙ্গে জানিনা কত ধনী, উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত মা বাপেরা বাচ্চাদের এখনো সরকারী স্কুলে পাঠায়,এইসব দিকে আমাদের সময়েও পাঠাতোনা, এখনও পাঠায়না, আগেও মনে হয় পাঠাবেনা। সে রাতারাতি সরকারী স্কুল একেবারে বদলে ভাল পড়াশোনা করাতে শুরু করলেও না।

    আমার জানা অনেকে তো KV তেও পাঠাতে চায়না যদি না ঘন ঘন ট্রান্সফারেবল জব হয়।
  • san | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ১৭:১৯402381
  • আহা গয়ংগচ্ছ টা অভিভাবকদের তরফ থেকে।পোলিটিকাল ইসুর কথা হচ্ছেনা।

    আমার বাবামার মত বহু পরিবার ছিলেন যারা সামর্থ্য থাকলেও আদর্শগত কারণে ইংরিজি মিডিয়ামে ছেলেমেয়েকে পড়ালেননা, লার্নিং ইংলিশ চলল, এবং নিজের উদ্যোগে ইংরিজিটা শেখানোর জন্যও তেমন কিছু ভাবলেন না। এবং দশ বছর পরে ছেলেপুলে ফরফরিয়ে ইংরিজি বলতে পারছেনা অথচ পারলে চাকরি পেত দেখে লার্নিং ইংলিশের আদ্যশ্রাদ্ধ শুরু করলেন।
  • san | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ১৭:২৫402382
  • হ্যাঁ র, বোঝা উচিত ছিল। এবং ছেলেমেয়ে দশ বছর ধরে ইংরিজি শিখলনা এটা যদি তাঁরা বারো বছর পরে হঠাৎ রিয়েলাইজ করেন, তো তাঁদের কর্তব্যপালনে ঘাটতি ছিল বাবামা হিসেবে। ছেলেপুলের পিছনে এইটুকু সময় দিতে না পারলে খামোখা জনসংখ্যা বৃদ্ধি করাটা উচিত কাজ হয়নি বলেই আমি মনে করি।আজ্জোদা এবং বাকিরা যা যা বলবেন বলুন। যে কর্তব্য করার সময় নেই, সেই দায়িত্ব নেবার আগে ভাবা উচিত ছিল, একশো বার বলব।
  • siki | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ১৭:৩৪402383
  • স্যান, তুমি ১৯৯৭ সালেও বুঝতে পেরেছিলে যে আর তিন বছরের মধ্যে আরবান ইয়ং পপুলেশনের বেশির ভাগ ছেলেমেয়ে কম্পিউটার শিখতে চলে আসবে দলে দলে, এবং ডস আর জিডব্লু বেসিক নয়, তারা জাভা ডট নেট স্যাপ ইত্যাদি শিখবে আর চার পাঁচ বছরের মধ্যে? ভাবতে পেরেছিলে দুহাজার সালেও, যে আর মাত্র দু বছরের মধ্যে প্রায় সবার হাতে হাতে ঘুরবে মোবাইল, আর কল রিসিভ করতে কোনও ইনকামিং চার্জ দিতে হবে না?

    পৃথিবীটা খুব খুব তাড়াতাড়ি পাল্টে যাচ্ছে স্যান, হঠাৎ করে। সেখানে দশটা বছর তো একটা বিশাল সময়! আমাদের পুরো স্কুলজীবনটা এক রকম ভাবে কেটেছিল, কেউ জানতেও পারে নি পৃথিবী পাল্টাতে চলেছে আর কীভাবে তা পাল্টাতে চলেছে। এখন সামনের বছর কী ঘটতে চলেছে তাও এখন বসে প্রেডিক্ট করা সম্ভব নয়। এই ফাস্ট চেঞ্জিং ব্যাপারটা ভারতীয় জীবনে নব্বই দশকের শেষদিক পর্যন্ত ছিল না।
  • san | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ১৭:৩৯402385
  • আমিও তো সেটাই বলছি। ইংরিজির গুরুত্বটা বেড়ে যাবে অভিভাবকদের প্রেডিক্ট করা সম্ভব ছিলনা, অতএব দোষ হল লার্নিং ইংলিশের।

    তবে বাচ্ছা কি শিখছে বা রাদার কি শিখছে না এটা প্রেডিকশনের ব্যাপার নয়। এটা দশ বছর চোখের সামনে দেখে কেউ বুঝলনা বললে তারা বোঝার চেষ্টাই করেনি। সেই চেষ্টা না করাটা তাদের দোষ। লার্নিং ইংলিশের নয়। বামফ্রন্ট সরকারেরও নয় :-)
  • siki | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ১৭:৪৩402386
  • হয় তো বুঝেও বুঝতে পারছো না। ব্যাপারটা কি অতই সোজাসাপ্টা? প্রেডিক্ট করতে পারি নি বলে আমরা বয়েসকালে কম্পিউটার শিখি নি। জ্যোতি বসুর জমানায় এক সময় আমার বাবাও পা মিলিয়েছিল মিছিলে, কম্পিউটার রুখছি রুখব বলে। আমরা তা নিয়ে রাজ্য সরকারকে বা কোনও কম্পিউটার রিলেটেড কারিকুলামকে দোষ দিই না। স্কুলে অংক বা ভূগোল ভালো করে না শেখালেও আমরা শিক্ষাব্যবস্থাকে তেমন দোষারোপ করি না। কিন্তু ইংরেজির বেলায় এত অভিমান করি কেন?

    ইংরেজি কীসে আলাদা এদের থেকে? ভাবো!
  • siki | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ১৭:৪৫402387
  • মাল্টাইন্যাশনালে চাকরি বিদেশভ্রমণ ইত্যাদি আমাদের যৌবনে হঠাৎ করে এসে গেল। উই ওয়্যার কট আন-অ্যাওয়্যার। আমার পজিশনে বাবা পড়লে কিন্তু এতটা ছড়াত না। কেন? বাবার যৌবনে মাল্টাইন্যাশনাল ছিল না, কিন্তু চাকরি শুরু হয়েছিল স্কটিশ ইঞ্জিনীয়ারদের সঙ্গে। বাবা ছড়ায় নি। আমি ছড়ালাম। কেন?
  • r | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ১৭:৪৬402388
  • ভাবো। :-))
  • san | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ১৭:৫২402389
  • ওটাই। we were caught unaware

    কেননা অংক, কম্পিউটার অমুকতমুক যখনই শিখেছি, নিজেরাও উদ্যোগ নিয়েছি, অংকে স্কুল থেকেই, কম্পিউটার তক্ষুনি না, কিন্তু যখন নিয়েছি ভালো করেই নিয়েছি - ইংরিজি পড়ার সময় সেই উদ্যোগ নিই নি কিনা,সেই না নেওয়াও তো ঢাকতে হবে, না কি !!
  • arjo | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ১৮:০৫402390
  • কবে এরা বলবে স্কুলেরই দরকার নেই তুলে দাও সেইটা শোনার অপেক্ষায় রয়েছি। হোম স্কুলিং চালু হোক দিকে দিকে। সরকারের টাকা বাঁচুক।

    বাবা মা র দায়িত্ব নিয়ে আর একটাই কথা বলার আছে। যাঁরা বাবা মা র দায়িত্ব র কথা বলছেন জানি না কতজনের কথা মাথায় রেখে বলছেন, কোন সমাজের কথা মাথায় রেখে বলছেন, কোন পরিকাঠামোর কথা মাথায় রেখে বলছেন। আমি এমন বাবা মা কে জানি যাঁরা রোজ সকালের ৬:৩০ র কৃষ্ণনগর লোকাল ধরে শিয়ালদহ পৌঁছন ৯:৩০ এ। চাকরী করেন ১০-৫ বা ৫:৩০। আবার ৬:৩০ এর কৃষ্ণনগর লোকাল ধরে বাড়ি পৌঁছন ৯:৩০। মা, শ্বশুর, শ্বাশুরি, ননদ, ভাজ নিয়ে বিরাট পরিবারে মুখ গঁজে লোকের মন জুগিয়ে চলেছেন। এর পরেও নিজেরা প্রথমে লার্ণিং ইংলিশ শিখে ছেলে মেয়েদের শেখাতে পারার মতন অবস্থায় না আসতে পারলে, তাঁদের সন্তান উৎপাদনই করা উচিত নয়? নিজ নিজ ব্যলকনিতে বসে একটু চিন্তা করুন প:ব: এর আর্থ সামাজিক পরিকাঠামোটা কেমন একটু ভাবুন, তাইলে এরকম হাজার হাজার উদাহরণ চোখে পড়বে।

    অরিজিত বললে বিদেশে নাকি গাইড লাইন দেওয়া হয় কি করে কি করতে হবে। তো, লার্ণিং ইংলিশের সাথে কি কি গাইড লাইন দেওয়া হয়েছিল?

    অরিজিতের ল্যাব এক্সপেরিমেন্ট টা শুনে মনে পড়ল। গাছে তুলে মই কেড়ে নেওয়ার কথা শুনেছি, কিন্তু গাছই নেই তাও মই খাড়া করার কথা এই প্রথম শুনলাম। আমার মনে হয় তুঘলকও এই কাজ করতেন না। :))
  • Blank | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ১৮:২৬402391
  • আর্য দার দাবী হলো ইংলিশ এডুকেশান হলো বেসিক ম্যান্ডাটরি শিক্ষার একটা, তাই তো?
  • san | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ১৮:৪৩402392
  • আজ্জোদার উদাহরণে : এক্কেবারেই উচিত নয়। নিজেরা সারাদিন সারারাত স্যাক্রিফাইস করছেন বলেই আরেকটি জীবনকে পৃথিবীতে এনে তাকে শুধু আল্লা এবং সরকারের ভরসায় বড় করার অধিকার গজায় না। এই অবস্থায় সন্তানসুখ পেতে চাওয়া মানে স্বার্থপরতা। অবভিয়াসলি আমার মত।

    আচ্ছা পরিবার পরিকল্পনার উদ্যোগটা কেন সরকার নিয়েছিল? যার সামর্থ্য নেই, সে দশটা বাচ্ছার জন্ম দিয়ে তাদের ভিখিরি বানালে বা শিশুশ্রমিক বানালে বাইরের কারুর উচিত অনুচিত বলার অধিকার থাকে, কি থাকেনা? আমি অনুচিত বলি। তা ভারতের মতন পরিকাঠামোবিহীন দেশে নিজেরা স্যাক্রিফাইস করেই হোক আর আমোদপ্রমোদ করেই হোক মোটকথা সন্তানের জন্য সময় বার করার সময় না থাকলে কেন পরিবার বাড়ানোকে অনুচিত বলবো না ? বাচ্চা বড় করতে টাকার মত পার্সোনাল কেয়ার জিনিসটাও তো জরুরি, নয়কি ? না রোজগারটা নিজের দায়িত্ব আর কেয়ার-টা সরকারের?

    ডি:, বাবামায়ের দায়িত্ব আছে বলার মানে সরকারের দায়িত্ব অস্বীকার করা নয়।
  • r | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ১৮:৫৫402393
  • স্যানের বক্তব্যের লজিকাল কনক্লুশন দাঁড়ায়: গরীব মানষের বাচ্চা পয়দায় কাম নাই। :-)
  • Ishan | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ২০:৫০402394
  • স্যানের কথাটা বুঝছিনা।

    বাপ-মার দায়িত্ব অতি অবশ্যই থাকে। অস্বীকার করার প্রশ্নই নেই। কিন্তু "ইশকুলে আমরা যা ঝুল মালই পড়াইনা কেন, বাড়িতে আপনারা মেক আপ করেন না কেন?' এইটা বোধহয় একটু পিঠ বাঁচানোর লজিক হয়ে গেল। তেমন হলে ইশকুল চালানোর দরকার টা কি? পুরোটাই হোম স্কুল করে দেওয়া হোক। বাড়িতে পড়েই পন্ডিত হবে। পরীক্ষা টরিক্ষা দেবে। বাচ্চারা মাঝে-সাঝে এক আধবার ইশকুলে যাবে। সোসালাইজ করার জন্য।
  • arjo | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ২১:০২402396
  • ব্ল্যাংকি কে হ্যাঁ। আর স্যান পোচোন্ডো রেগে গেছে। :D)
  • siki | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ২১:১১402397
  • "আরেকটি জীবনকে পৃথিবীতে এনে .... সরকারের ভরসায় বড় করার অধিকার জন্মায় না।' তাই তো, স্যান?

    তা হলে সরকারের কী অধিকার জন্মায় আমার কষ্টের কামাই থেকে ট্যাক্স কাটার? ট্যাক্সোও দেব না, সরকারের কাছ থেকে কিছু চাইবও না। ডিল?
  • san | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ২১:১৩402398
  • এ বাবা আমি খামোখা রাগবো ক্যানো ? আমি ইশকুল ও চালাইনা, সরকারের শিক্ষাবিভাগের কোনো হর্তা-কর্তা আমার কেউ হননা, লার্নিং ইংলিশ আমার ব্রেনচাইল্ড ও নয়, আর ইসে আমি অরিজিতের মত পার্টির নিবেদিতপ্রাণ সমর্থক ও না। কারুর পিঠ বাঁচাইয়া আমার কুনো লাভ নাই। দোষের মধ্যে এট্টু ঝগড়া কত্তে ভালোবাসি :-(

    ঈশানকে ; না বোঝার কি আছে হে ? বাড়ির একপিস দায়িত্ব আছে, ইশকুলের আরেক পিস। ইশকুলে না পড়ালে তারা ফাঁকি দিয়েছে, বাড়িতে না পড়ালে বাবামা ফাঁকি দিয়েছেন (যারা নিজেরা লেখাপড়া জানেন)। আর যারা কিসুই ইংরিজি শেখেনি তাদের ক্ষেত্রে নির্ঘাৎ দুই দিকেই ফাঁকি, কারণ যে কোন একদিকে পড়ালেই হয়ে যেত। তো দুই দিকের ফাঁকিকে দুই দিকেরই দোষ বলতে হবে, শুধু ইশকুলের নয়, শুধু বাড়ির নয়। এতো পাতি কথা।
  • Ishan | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ২১:২৮402399
  • যৌথ দায়িত্ব তো বটেই। অন্তত: কিছুটা। কিন্তু কথাটা হচ্ছে, কার দায়িত্ব প্রাথমিক, আর কার সেকেন্ডারি। পড়াশুনোতে ড্রাইভিং ফোর্স কি? ইশকুলের সিলেবাস? না বাপ-মার হোম স্কুলিং?

    এমনিতে যে সেকশনের ছেলেমেয়ের কথা হচ্ছে, তাদের বাপ-মা যেটুকু দেখার দেখেন। যাঁরা পারেন না তাঁরা প্রাইভেট টিউটর রাখেন। আমাদের কারোরই সেসবে খামতি ছিল বলে মনে হয়না। কিন্তু এশকুলের সিলেবাসের বদলে নিজস্ব একটা শিক্ষাপদ্ধতি চালু করে ফেলতে হবে বাপ-মাকে, এটা একটু আকাশ কুসুম হয়ে যাচ্ছে না কি?
  • Arpan | ২৭ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:৫২402400
  • তার মানে আমি লার্নিং ইংলিশের থার্ড ব্যাচ। :)

    না, আমার বাপ-মায়ে এখন বুঝছি প্রচুর কেয়ার নিয়েছেন আমাকে দ্বিভাষিক করে তোলার জন্য। আদর্শবাদী এবং কিছুটা অর্থনৈতিক কারণে বাংলা মিডিয়ামে দিয়েছিলেন। কিন্তু নিজেদের মত করে তারা "যত্ন' নিয়েছেন। ওয়ান থেকে ফাইভ অবধি হাফ-ইয়ার্লি বা অ্যানুয়াল পরীক্ষার পরে জোর করে বাংলা টু ইংলিশ ট্র্যানস্লেশন ও Tense টিক করার অ্যাসাইনমেন্টের রক্তচক্ষু থাকত। সারা সকাল বিকেল ক্রিকেট বল পিটিয়ে দুপুর বেলা বাংলা গল্পের বই গোগ্রাসে গিলে সন্ধ্যেবেলা বাবার ফেরার সময় হলেই সেইগুলি নিয়ে বসতাম। ক্লাস সিক্স থেকে ইংরেজি গল্পের বই কিনে দেওয়া শুরু হল। চার্লস আর অ্যালান ল্যাম্বের ছোটদের শেক্সপিয়ার ক্লাস সেভেনে পড়ে ব্যাপক লেগেছিল। জুল ভার্ন ব্যপক লাগত। আর জঘন্য লাগত ডিকেন্স (বাবার ফেভারিট ছিল)। সব abridged version যদিও।

    আর সেভেন থেকে ইংলিশের টিউটর জুতে দেওয়া হল। ব্যস। বেরিয়ে গেলাম। আর মাধ্যমিক অবধি পরীক্ষা দেবার মানে তো ছিল প্রচুর অবজেক্টিভ কোশ্চেনের টিক মারা নয় শূন্যস্থান পূরণ করা আর লাস্ট একঘন্টা জুড়ে গ্রামের বন্ধুকে গরমের ছুটিতে বেড়াতে আসার জন্য ইনিয়ে বিনিয়ে চিঠি লেখা।

    তো, এই কেসটা যদি প:বঙ্গের যাবতীয় বাপ-মা আর তাদের সন্তানাদির থেকে এক্সপেক্ট করেন তো কিছু বলার নাই। ঝগড়া করতে পছন্দ হয় তো অন্য কথা।
  • Arpan | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ০০:১০402401
  • থুড়ি, ফোর্থ ব্যাচ।

    তার মানে ন্যাড়া, পরমিতাদি, বোধি, রঙ্গন, এলসিএম এরা কেউ লার্নিং ইংলিশ পড়ে বেরোয়নি। আর আমি, ইশান, আজ্জো, সিকি, পাল্লিন এরা শুরুর দিকের "গিনিপিগ'। (ধরে নিলাম এরা সবাই বাংলা মিডিয়ামে প:ব: বোর্ডে পড়েছে)

    তো, এই প্রথম বর্গের লোকজনের কাছে একটি জিনিস জানার আছে। সেইসময় মা আর উমার ইংলিশ সিলেবাসের গুণগত পার্থক্য কতটা ছিল?
  • arjo | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ০০:২৫402402
  • হ্যাঁ আমি থার্ড ব্যাচ। শুরু হয়েছিল ১৯৮৯ মা থেকে। আমার নিজের কখনোই পরীক্ষা পাশ যেতে কোনো অসুবিধা হয় নি। আমার ব্যক্তিগত সমস্যা হয়েছে অনেক পরে। যখন নিজে নিজে চারপাতা ইংরিজি লিখতে হয়েছে বা যখন এদিক ওদিক বই পড়ার দরকার পড়েছে তখন। ভোকাবুলারি খুব উইক ছিল। আর নিজে এটা সব সময় উপলব্ধি করতাম বলে ভয়ে থাকতাম। ফলে অন্য অনেকরকম সমস্যা, বেশিটাই বোধহয় মানসিক ছিল, এখন মনে হয়।

    তবে বন্ধুদের অনেকেরই পরীক্ষা পাশ যেতেই কান্নাকাটি অবস্থা হয়েছিল। নোটস মুখস্ত করে কোনোক্রমে পাশ করে। আমারই এক বন্ধু সায়েন্সে সব বিষয়ে লেটার পেয়েছিল কিন্তু ইংরিজিতে ৯৫ পেয়েছিল। ওদিকে বাংলায় কিন্তু ভালোই করেছিল।
  • Arpan | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ০০:৩৪402403
  • ছি ছি, কী লিখেছি ঘুমচোখে।

    চার্লস আর মেরি ল্যাম্ব। অ্যালান ল্যাম্ব তো ক্রিকেটার ছিলেন। :(
  • Arpan | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ০০:৩৮402404
  • আমার চারপাতা ইংরেজি কেন চারপাতা বাংলা লিখতে গেলেও এখনো অসুবিধা হয়। তবে টেকনিক্যাল জিনিস হলে পার করে দেব।
  • arjo | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ০০:৫৫402405
  • ইয়ে মানে চারপাতা বাংলা লেখার কোনোদিন দরকারই হয় নি। তাই জানি না। :))
  • Arpan | ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ০১:০৪402407
  • ফন্ট সাইজ ৭২ করে টাইপালে অবশ্য বেশ কয়েক পাতা হয়ে যাবে। বাবা কম্পিউটারনাথের মহিমা। ;)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল প্রতিক্রিয়া দিন