এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৪)

    s
    নাটক | ২৩ মে ২০১৬ | ১৩১১২৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • amit | ০৯ জুন ২০১৭ ১৪:৫৪713128
  • ক্যাবিনেট নিতে হয় চেয়ার ভরাতে, যাতে ফাঁকা না লাগে। নাহলে তিনোদের তো একটাই পোস্ট, বাকি সব ল্যাম্প পোস্ট।
  • Mmu | ১০ জুন ২০১৭ ০৩:৫৩713129
  • ণমেঃ ট

    ঈ আদ্দ্রেস্স ঃ ২১৩।১১০।২৪২।২৪ (*) ডতেঃ০৩ যুন ২০১৭ -- ১১ঃ৩১ আ

    "সরকারের বয়স ছ’বছর হয়ে গেল। অথচ বড় শিল্পের দেখা প্রায় নেই!। ।।।।।। মাঝারি ও ছোট শিল্পের প্রতিনিধি গৌতম রায় উৎপাদন শিল্পের প্রসঙ্গ তোলেন। মমতা তাঁকে বলেন, ‘‘আপনারা উৎপাদন শিল্প নিয়ে আসুন না। আমাদের তো ১০০০ একর জমি রেডি আছে গোয়ালতোড়ে। কোনও অসুবিধা হবে না।’’

    গোয়ালতোড় থেকে কলকাতার দূরত্ব ১৬০ কিমির মত!!

    **
    পিটি দাদা,
    কোথায় শিল্প হলে ভাল হয় ? বিবাদি বাগ, ধর্মতলা নাকি পার্কস্টিট ?
  • Mmu | ১০ জুন ২০১৭ ০৩:৫৪713130
  • পিটি দাদার লেখা থেকে
  • akash | ১০ জুন ২০১৭ ১৪:১১713131
  • একটা রাজ্য রসাতলে যাচ্ছে। লেফট ডেভিয়েশন এর ফলে সিপিএম এর বারোটা বেজেছে, আর সেই ফাঁকে কিছু রাইটিস্ট এসে ক্ষমতার দখল নিয়েছে, দু হাতে চুরি করছে।
    মাওবাদী দেড় বিরুদ্ধে ছিদ্র পুলিশ লেলিয়ে একদিন খুব বাহাদুরি দেখানো হচ্ছিলো। এখন তার ফল হাতেনাতে পাওয়া গেলো তো। সেদিন যদি সমস্ত বামপন্থী রা একসাথে মিলে লড়াই তা করতেন, এ দিন আসতো না। তাত্বিক মতভেদ থাকতেই পারে, তাই নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসা যায়। বাম ঐক্য আগেও সম্ভব হয়েছিল। লেফট ডেভিয়েশন এর লাইন ছেড়ে সিপিএম তেভাগা তেলেঙ্গানার ইতিহাস কে স্মরণ করলে এই দিন আসতো না।
    চিদু বহু মানুষের রক্ত ঝরিয়ে এখনো বহাল তবিয়তে আছে। বলি কি, চিদু দের দলের সাথে জোট না করে বাম দলগুলির সাথে জোট করুন। শেষ অব্দি এটা একটা ক্লাস ওয়ার, ভুলে যাবেন না। যদি ভুলে গিয়ে থাকেন, মার্কস টা ঝালিয়ে নেওয়ার সময় এসেছে।
  • PT | ১২ জুন ২০১৭ ০১:৩৪713132
  • এ হে হে, মুখে গামছা পেঁচিয়ে যিনি জঙ্গল মহলে দক্ষিণপন্থী দলের হয়ে কসাইখানা চালিয়ে শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর নাম পর্যন্ত অগ্রীম ঘোষণা করে দিলেন তাঁর শ্রেণীশত্রু কে ছিল?
  • PT | ১২ জুন ২০১৭ ১৪:১০713133
  • যারা এখনো লেফ্ট ডেভিয়েশন (সংশোধনবাদ?) ও সিপিএম নিয়ে আপিমের মৌতাত চালিয়ে যাচ্ছে তারা এই লেখাটা একবার চেখে দেখতে পারেঃ
  • কল্লোল | ১২ জুন ২০১৭ ১৮:০০713134
  • প্রত্যকটি কথা অক্ষরে অক্ষরে সত্যি।
    নকশালবাড়ির কৃষক আন্দোলন আদতে ছিলো একটা জঙ্গী অর্থনৈতিক আন্দোলন।
    ১৯৬৭ মে। খড়িবাড়ি অঞ্চলের কুখ্যাত জোতদার নগেন রায়চৌধুরীর বাড়ি ঘেরাও করেন দুহাজার কৃষকের এক সশস্ত্র বাহিনী। যুগ যুগ ধরে যে কাগজের তাড়াগুলি কৃষকদের ভূমিদাস বানিয়ে রেখেছিলো, দাউ দাউ করে জ্বলে উঠলো দাসত্বের কাগুজে শিকল।
    ২৪ মে। ট্রাকে ট্রাকে পুলিশ আসে এবার। জবরদস্তি ঢুকে পরে গ্রামে। কৃষক জনতা ঘিরে ফেলে পুলিশের দলটাকে। আছড়ে পড়ে তীরের ঢেউ। এফোঁড়-ওফোঁড় হয়ে লুটিয়ে পরে ও।সি। সোনাম ওয়াংদি।
    ২৫ মে ১৯৬৭। প্রসাদু জোতে পুলিশের গুলিতে এগারোটি প্রাণ বরণ করে শহীদের মৃত্যু।
    পুলিশের সাথে সশস্ত্র লড়াই লড়ছে কৃষক। রাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধই তো। কিন্তু দাবী তো সেই অর্থনৈতিক। জমির অধিকার। যে জমিতে ঘাম রক্ত ঝরাই সম্বচ্ছর, সে জমির অধিকার চাই। জান কবুল। কিন্তু এতো মুক্তাঞ্চল গড়ে তোলার লড়াই নয়। বিপ্লবী সরকার প্রতিষ্ঠার লড়াই নয়। যতো সশস্ত্র বা জঙ্গী হোক না কেন এ লড়াইয়ের দর্শন, সম্পদের অধিকার ব্যক্তির হাতে, বড়জোর সঠিক বা আসল মালিকের হাতে, নিয়ে আসার। শ্রেণী হিসাবে সর্বহারার হাতে নয়। এমনকি ১৯০৫এর পিটসবার্গের মতো বা ১৯১১ হুনানের মতো পাল্টা সরকার গড়ার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়াও নয়। নকশালবাড়ির সেদিনের আন্দোলনকে চীনা পার্টি যতোই বসন্তের বজ্রনির্ঘোষ আখ্যা দিক না কেন, তা আদতে ছিলো জঙ্গী অর্থনৈতিক আন্দোলনই। সে ভুলের কথা খোদ চীনা পার্টি ১৯৭৩এর দশম কংগ্রেসে স্বীকার করে নিয়েছে। নবম কংগ্রেস যে যুক্তি ছিলো, আজ মাওয়ের যুগ। এ যুগেতে লেনিন জানায় মাওয়ের গলায় আহ্বান। সেদিনের গেরিলা লড়াইয়ের ডাক, ক্ষমতা দখলের ডাক, তা ছিলো লিন পিয়াওয়ের অতিবাম বিচ্যুতির ফসল। তাই সেদিনের নির্বাচন বয়কটের ডাকও ছিলো ভুল। আরও ভুল ছিলো নির্বাচন বয়কটকে নীতিগত সিদ্ধান্ত হিসাবে দেখা। মনে করা হয়েছিলো এখন মাওয়ের যুগ। লেনিনিয় সংগঠন ভাবনা থেকে লড়াইয়ের কায়দা সবই আলাদা হতে হবে। নির্বাচন এখন বুর্জোয়া আর নয়া সংশোধনবাদীদের হাতিয়ার হয়ে গেছে। গণতন্ত্র বলে আজকের দিনে আর কিছু হয় না। প্রকৃত গণতন্ত্রের পতাকা এখন ধূলায় লুটাচ্ছে, সাম্রাজ্যাবাদ আর সামাজিক সাম্রাজ্যাবাদের বুটের তলায়। মাওয়ের নেতৃত্বে সেই পতাকা তুলে ধরেছে শ্রমিক শ্রেণী। সে পতাকা নয়াগণতন্ত্রের পতাকা, জনগণতন্ত্রের পতাকা। তাই নীতিগতভাবে নির্বাচন বয়কট। গণসংগঠনের জায়গা নেবে গেরিলা গ্রুপ। কারন ট্রেড ইউনিয়ান, কৃষকসভা, ছাত্র-যুব সংগঠন আজ প্রতিক্রিয়াশীলদের কব্জায়। চরম ভুল ছিলো সে সব সিদ্ধান্ত। সেই পর্বতপ্রমাণ ভুলের মূল্য চুকিয়েছি আমরা। জীবনের বিনিময়ে মৃত্যু কিনেছি।
    পরে কানুবাবুর "নকশালবাড়ি প্রসঙ্গে আরও" নিবন্ধটিতে স্বীকার করেন চারুবাবুর দেখানো পথে চটেরহাট ইসলামপুরের আন্দোলন মুখ থুবড়ে পড়ে। নকশালবাড়ির আন্দোলন সফল হয় চারুবাবুর দেখানো পথকে বিরোধীতা করেই।
    কিন্তু কানুবাবুর নামেই প্রচারিত তরাই রিপোর্টে লেখা হয়েছিলো চারুবাবুই নকশালবাড়ির স্রষ্টা। সেটা কেন? কানুবাবু কোন জবাব দিতেন না।
  • cm | ১২ জুন ২০১৭ ২০:৪৯713135
  • এগারোর ভুল বুঝতে কদিন লাগবে কে জানে!
  • PT | ১২ জুন ২০১৭ ২২:৫৯713136
  • "সেই পর্বতপ্রমাণ ভুলের মূল্য চুকিয়েছি আমরা।"
    তাহলে সিপিএম-কে সংশোধনবাদী আখ্যা দিয়ে দক্ষিণপন্থী দলের হাত শক্ত করার যে প্রবণতা সিদ্ধার্থরায়ের আমলে চালু হয়েছিল তার রেশ এখনো চলছে সেই ভুল রাজনৈতিক লাইন ধরেই? কংশাল হয়ে এখন নকশালদের একটা নজর কাড়া অংশ তিনোদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে সেই ২০০৬/২০০৭ থেকে সেই ভুল রাজনৈতিক লাইন ধরেই? আর মাওবাদীরা আশ্রয় নিয়েছে তিনোতে নাম লিখিয়ে সেই ভুল রাজনৈতিক লাইন ধরেই? আর গামছায় মুখ ঢেকে ভোটের আগেই মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষনা করা হয়েছে সেই ভুলভাল রাজনৈতিক শিক্ষা থেকেই?

    সিপিএমের নেতৃত্বে যেটুকু বামপন্থার চর্চা চালু ছিল, অন্ততঃ যেটা টিকে ছিল বেশ কয়েক দশক ধরে, সেটাকে চারুচ্যালারা ধ্বংস করার জন্যে দক্ষিনপম্থীদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে সেই ভুল রাজনৈতিক রাস্তা ধরেই? অর্থাৎ কিনা মাওবাদীরা ও মাওব্যথীরা সেই পর্বতপ্রমাণ ভুলের থেকে বিশেষ কিছুই শিক্ষা নেয়নি। নাকি তারা আরো ৫০ বছর সময় নেবে ২০১১-র চরম রাজনৈতিক ভুলকে মেনে নিতে?
  • T | ১৩ জুন ২০১৭ ০৭:২৪713138
  • বাপরে, দুহাজার একষট্টিতে ভুল স্বীকার। অদ্দিন বাঁচবো না।
  • s | ১৩ জুন ২০১৭ ১৭:২৭713139
  • খামোখা ২০১১ র জন্য ভুল স্বীকার করতে কেউ যাবেই বা কেন? সিপিয়েম ক্ষমতা থেকে গেছে আপদ বিদায় হয়েছে। শেষদিকে তো বাম সরকারের অবস্থা নিধিরাম সর্দারের থেকেও খারাপ ছিল।
    পিটিদা আর কান্নাকাটি করবেন না। অনেক দিন হলো।
  • PT | ১৩ জুন ২০১৭ ১৮:১৬713140
  • তাহলে চারু মজুমদারের মৃত্যর সময়টাকেও নকশাল নামক "আপদ বিদায়" বলে চিহ্ণিত করা যেত। সেভাবে আপদ বিদায় করা যায় না বলেই অলোচনা চলতেই থাকে-৫০ বছর পরেও চলতে থাকে। নাহলে ইতিহাস নামক বিষয়টি কব্বে উবে যেত!!
    সেই জন্যেই আরো ৫০ বছর পরে হলেও ইতিহাস বালখিল্যদের "২০১১ র জন্য ভুল স্বীকার করতে" আরেকবার সুযোগ দেবে যেমন কিনা এখন সুযোগ দিয়েছে নকশালদের আগের ভুল স্বীকার করতে।
    "After 350 Years, Vatican Says Galileo Was Right"
  • sm | ১৩ জুন ২০১৭ ১৮:৩১713141
  • রুদালি ;রুদালি।
  • কল্লোল | ১৩ জুন ২০১৭ ২২:৩৭713142
  • নকশালেরা ভুল করেছিলো, এ নিয়ে কোন প্রশ্ন নাই। তার উল্টোদিকে যারা ছিলেন তারাই যে ঠিক ছিলেন, এমনটাও নয়। তাদের দ্বিচারিতা পাহাড় প্রমান।
    ফলে যুক্তফ্রন্ট সরকারের ৫০ বছর নিয়ে কোন কথা হয় না। সিপিএমও বলে না। অথচ নকশালবাড়ির ৫০ নিয়ে আজও আলোচনা। কোথাও একটা অচলায়তনের ঝুঁটি ধরে নাড়া দিয়েছিলো নকশাল আন্দোলন - আদ্যন্ত ভুলভাবে হলেও।
  • T | ১৩ জুন ২০১৭ ২৩:৩৫713143
  • তা ভুলগুলো কি ছিল যা সেইসময় বোঝা যায় নি এবং পঞ্চাশ বছর পর বোঝা যাচ্ছে।
  • T | ১৩ জুন ২০১৭ ২৩:৩৯713144
  • মানে যে জিনিস ঠিক না ভুল বুঝতে পঞ্চাশ বছর লাগে সে তো তার মানে প্রায় বিরাট কমপ্লেক্স হোপলেস হেক্সাগনের ভিতর সালফার হেক্সাফ্লুওরাইড ও মিথেনের ঘ্যাঁটের মধ্যে ব্যাকটেরিয়া খুঁজে তার সাথে দূর্গাপুরের নেংটি ইঁদুরদের যোগসূত্র বার করার মতন ব্যাপার।
  • বাঘা বাইন | ১৪ জুন ২০১৭ ০১:০২713145
  • "এ টই পড়লে পরে দক্ষিণপন্থীরা সব সিপিআইএমপন্থী, থুড়ি, বামপন্থী হয়ে যেত' রে....."
  • PT | ১৪ জুন ২০১৭ ০৮:১৪713146
  • "আদ্যন্ন্ত ভুল" হলে তার আদিতেও ভুল আর আর অন্ততেও ভুল।

    তাহলে এই হচ্ছে ভুলের শুরুঃ
    "১৯৬৪ সালে সিপিআই থেকে বেরিয়ে সিপিএম -এ যোগ দিলেও দেখলাম এই নতুন দলেও সেই একই ব্যাপার, একই ধরনের চিন্তা -ভাবনা৷ দুই দলের নেতাদেরই সংশোধনবাদী বলে মনে হয়েছিল৷ আমরা সেই সময়ে সিপিএম নেতাদের বলেছিলাম, যে ভাবে পার্টি চালাচ্ছেন, তা চলবে না৷ পার্টি শেষ হয়ে যাবে৷"
    সিপিএম এখনো শেষ হয়নি। বরং নকশালরাই উবে গিয়েছে রাজনীতি থেকে আর নাহয় দক্ষিণপন্থী দলের সঙ্গে মিশে গিয়ে বা সমর্থন করে নিজেদের সংশোধন করে নিয়েছে। অর্থাৎ কিনা প্রমোদ দাশগুপ্তই তাহলে ঠিক কথা বলেছিলেন? "প্রমোদ দাশগুপ্ত নাকি চারু মজুমদারকে বলেছিলেন, ‘মশাই, আপনি দেখছি বাড়ির ছাদ থেকে বিপ্লবকে দেখতে পাচ্ছেন ৷'"

    তবে এই শুরুর ভুল থেকে থেকে বর্তমানের খুচরো নকশাল নেতারা বিশেষ শিক্ষা নিয়েছেন বলে মনে হয়না। যিনি অনেক বক্তিমে ঝেড়েও বিহারে সিপিআই-এর ছেড়ে যাওয়া এক বর্গইঞ্চি জায়গাও দখল করতে পারেননি তাঁর বিচারে শেষতম ভুলঃ "সিঙ্গুর থেকে শুরু করে নিয়মগিরি, বহু জায়গাতেই কৃষক ও আদিবাসী জনতার প্রতিরোধের কাছে সরকার ও কর্পোরেট পুঁজিকে নতিস্বীকার করতে হয়েছে৷" চাকরী সৃষ্টি করার জন্য সিঙ্গুরে কারখানা করতে চাওয়ার এইরকমের একটা অপব্যাখ্যা দিতে পারার ক্ষমতা ঐ ভুলের দলে নাম না লেখালে সম্ভব নয়। আর নকশালবাড়ির আন্দোলনের বহু আগেই নীল বিদ্রোহের মত অনেক কৃষক বিদ্রোহ হয়েছিল। কাজেই কৃষকরা জমি নিয়ে আন্দোলন করলেই সেটকে নকশাল আন্দোলনের এক্সটেনশন ভাবাটাও সম্পুর্ণ ভুল।

    আমার মনে হয় নকশালেরা সিপিএম-কে কাঠি না করে যদি নিজেরা কিছু করার চেষ্টা করত তাহলে হয়ত তারা আরো বেশীদূর এগোতে পারত। সিপিএম যা ভুল করেছে সেগুলো তাদের নিজস্ব সৃষ্টি। তার সমালোচনা হোক। কিন্তু নকশালদের আদ্যন্ত ভুল রাজনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে সেগুলোর বিচার করার কোন প্রয়োজন নেই।

    (সূত্রঃ জুন ৪-এর এই সময় রবিবারোয়ারি)
  • s | ১৪ জুন ২০১৭ ০৮:৪১713147
  • নকশালেরা যে ভুল করেছে তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ আছে নাকি? রোমান্টিসিসমটা বাদ দিলে পুরোটাই বিশাল গান্ডুর মত কাজকারবার ছাড়া অন্য কিছু মনে হবার চান্সই নেই।
    নকশাল আন্দোলন/বাওয়াল পশ্চিমবঙ্গকে অন্তত ২৫ বছর পিছিয়ে দিয়েছে। আর ২০ বছর পিছিয়েছে সিপিয়ুম। দিদি সবে ৫ বছর পিছিয়েছে। মোট ৫০ বছর ল্যাগে চলছে পঃবঃ।
  • T | ১৪ জুন ২০১৭ ০৮:৫৫713150
  • s এর একটা সোনার স্কেল হোক। এত সুন্দর মাপেন...
  • বাঘা বাইন | ১৪ জুন ২০১৭ ১৩:৩৩713151
  • কী দাপট !
  • akash | ১৫ জুন ২০১৭ ১০:১১713152
  • পৃথিবীর সমস্ত রাজনৈতিক আন্দোলনের দোষত্রুটি থাকে। তদানীন্তন সোভিয়েত রাশিয়ারও ত্রুটি ছিল কিছু। চেয়ারম্যান মাও, বিশাল মাপের নেতা ছিলেন, কিন্তু তিনি নিজেও রুখতে পারেননি, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। যাদের এতটুকু ইতিহাসবোধ আছে, তারা জানে এই সমস্ত ঠিক ভুলের মধ্যে দিয়েই ইতিহাস এগিয়ে চলে।
    সিপিএম এর মতো একটা গলা পচা দলের কাছে মাওবাদীদের ইতিহাস শেখার দায় নেই। সারা ভারতে প্রায় নিশ্চিহ্ন হতে বসেছে দলটা। ভারতে বাম আন্দোলন আজকে যদি বেঁচে থাকে সেটা মাওবাদীদের হাত ধরেই। বিহার, ছত্তিসগড় অন্ধ্র প্রদেশ থেকে আরম্ভ করে ভারতের বহু জায়গায় মাওবাদীরা শক্তিবৃদ্ধি করেছে। এতটাই যে সিপিএমের জোটসঙ্গী মনমোহন সিংহ কে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় বলতে হয়েছিল যে ভারতের সবচেয়ে বড় ইন্টারনাল শত্রু মাওবাদীরা।
    চারুবাবু সহ সেই সময়ের নেতৃত্বের ভুল আছে, কিন্তু মনমোহন কিংবা মোদীদের রাতের ঘুম এখনো কেড়ে নিচ্ছে এদের ভূত। রাষ্ট্রের গায়ে এভাবে কাঁপন ধরানোটা যে কোনো কমিউনিস্ট পার্টির কাছে গর্বের ব্যাপার। যাদের দৌড় বৃহৎ পুঁজির দালালি করে কিছু মধ্যবিত্ত কে চাকরি পাইয়ে দেওয়া অব্দি, তারা এসব বুঝবে আশাও করি না।
    নক্সালবাড়িতে ২৩ তা বন্দুক ছিল বলে পাড়ার মোড়ে খিল্লি করার ছলে যারা প্রবন্ধ লিখছে, এবেলা বলে একটা ট্র্যাশ পেজ থ্রি কাগজে, তাদের বলবেন একটু ছত্তিশগড়ে রেড করিডোরে কটা বন্দুক আছে গুনে যেতে, যদি ধক থাকে তো। নকশালবাড়ি তে হয়তো পুলিশ ঘিরে ফেলেছিলো, কিন্তু তার থেকে শিক্ষা নিয়ে আরো অনেক বড় মাপের আন্দোলন গড়ে তুলেছে মাওবাদী রা। অনেক গ্রীন হান্ট ইত্যাদি করেও রাষ্ট্র কুল কিনারা পাচ্ছে না। দু পয়সার প্রবন্ধকার সেসব মনেহয় জানেন না।
    এখনো সময় আছে। সিপিএম কে অনুরোধ করবো radical রাজনীতির কথা ভাবতে। নইলে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবেন।
  • রোবু | ১৫ জুন ২০১৭ ১০:২০713153
  • ভাবচি।
  • j | ১৫ জুন ২০১৭ ১০:৪০713154
  • আআহা .... এ গান শুনলে রাজা আমদের ছেড়ে দিতেন রে....
  • PT | ১৫ জুন ২০১৭ ১০:৫৬713155
  • "বিহার, ছত্তিসগড় অন্ধ্র প্রদেশ থেকে আরম্ভ করে ভারতের বহু জায়গায় মাওবাদীরা শক্তিবৃদ্ধি করেছে।"
    অবিশ্বাস্য! অবিশ্বাস্য!! এই তালিকা থেকে পশ্চিমবঙ্গ বাদ!!! এখানকার মাওবাদীরা অবিশ্যি এখন তাদের প্রকৃত শ্রেণীমিত্র তিনোদের হয়ে নাচা-গানা নিয়ে ব্যস্ত।
    "এক সময় দল বেঁধে যাঁরা বন্দুক চালানোর তালিম নিতেন, জঙ্গলে মাইন পুঁতে উড়িয়ে দিতেন গাড়ি, তাঁরাই আসর মাতাবেন ঝুমুর গান আর আদিবাসী নাচে। শিলদায় রাজ্যস্তরের হুল উৎসবে এ বারের প্রধান আকর্ষণই হল আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।"
    http://www.anandabazar.com/district/mednipore/former-maoists-are-join-the-hul-festival-1.628499?ref=mednipore-ft-stry
  • cm | ১৫ জুন ২০১৭ ১২:১৪713156
  • কালচারাল রিভোলিউশন!
  • j | ১৫ জুন ২০১৭ ১৩:১৯713157
  • ওদিকে গুন্ডা কন্ট্রোলের জেরে পাহাড় এক্কেরে ফ্যাক্ফ্যাক করে হাসছে
  • Atoz | ১৫ জুন ২০১৭ ২১:৫৩713158
  • বাঃ বাঃ দেখুন তো কী সুন্দর নাচগান, সাজগোজ, খানাপিনা, বন্ধুতা করছে !
  • PT | ১৫ জুন ২০১৭ ২৩:১৫713159
  • সবই ঠিক আছে........
    .......শুধু পব-তে সেই কংশালের আমল থেকে এখন পজ্জন্ত কে কার শ্রেণীশত্রু/শ্রেণীমিত্র এই ব্যাপারাটা যদি কেউ এট্টু বুঝিয়ে দ্যান.....
  • PT | ১৭ জুন ২০১৭ ১৪:৫১713161
  • "অন্য দিকে সেন্ট জোসেফ কলেজের সামনে পুলিশের গুলিতে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি মোর্চার। মোর্চা নেতা বিনয় তামাং-এর দাবি, আরও পাঁচ মোর্চা সমর্থক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। যদিও গুলি চালানোর কথা স্বীকার করেনি পুলিশ। উল্টে মোর্চা সমর্থকরাই গুলি চালিয়েছে বলে দাবি এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) অনুজ শর্মার। ঘুমেও পুলিশ গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ।"

    সত্যি সত্যি যে কে গুলী চালায় তা সেই, নন্দীগ্রাম, ভাঙ্গর হয়ে দার্জিলিং-এও বোঝা যায় না!! আচ্ছা যারা ২০১১-র আগে দার্জিলিং আলাদা রাজ্য হোক বলে বাইটের পর বাইট খরচা করত তারা সব এখন কোথায় সেঁধিয়েছে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন