এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • এখন নন্দিগ্রাম - ১৪ই মার্চের থেকে

    Binary
    অন্যান্য | ০৫ মে ২০০৭ | ৩২৩৩৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Arijit | ০৮ মে ২০০৭ ১৭:০৬384873
  • শুভজিতকে - না কংগ্রেস খুন করলেও জঘন্য, সিপিএম করলেও তাই, ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি করলেও তাই - অন্তত: হওয়া উচিত ছিলো। দুর্ভাগ্যবশত: অনেকেই এখনো জাস্টিফিকেশন দেখাচ্ছেন আর যারা একটু অন্যরকম ভাবছে বা বলছে তাদের...

    যাকগে।

    জনতা - EPW-র সাইটে একটা আর্টিকল আছে - পারলে পড়ে দেখো - Reflections in the Aftermath of Nandigram, লেখকের নাম A CPI(M) Supporter - নামাতে না পারলে মেলিও, পাঠিয়ে দেবো।
  • bhabuk | ০৮ মে ২০০৭ ২০:৫৬384884
  • লেখটা ভালোই। তবে লেখক CPM সাপোর্টার এর ছদ্মনামে মুখোশের আড়ালে কেন - মুখোমুখি কেন নয়?
  • Du | ০৮ মে ২০০৭ ২১:১৩384895
  • ফারাক আর কি, কোন নামই তো কোন সম্মান পাচ্ছে না।
  • Binary | ০৮ মে ২০০৭ ২২:০১384906
  • উফ, আবার সেই সিপিএম .. সিপিএম। আমার কাছে Establishment এর সং'ঘাটা এখনো পরিস্কার হচ্ছেনা,
    গুরুচন্ডালী-র সুধী জনগন বুঝিয়ে বলবেন কি ? Establishment যদি সরকারি সং'ঘা না হয়, তবে
    যেখানে-ই কোনো সরকারী কাজ (সুধী জনগন, আবার "উন্নয়ন", কথায় হাসবেন) হবে, সেখানে-ই 'ভুমি উচ্ছেদ কমিতি'
    তৈরি হবে, সেটাই বোধৈ বিপ্লবী সং'ঘা।

    অনেক অনেক নতুন নওজোয়ান, কৃষক দরদি হয়ে উঠেছেন, যাদের বসার ঘরে টেলিভিষনের পর্দয় 'কৃষি কথার আসর' দেখতে
    ভয়নক "Boring" লাগে। কে যেন কেন্দ্রিও মন্ত্রী বলেছিলেন, "বহু ফসলি জমি .... হঠাত করে তৈরি হয় না ... তইরি করতে
    হয়"। তার বক্তব্য-কে "পতিক্রিয়াশিল" বলে উড়িয়ে দিলে-ও, Establishment এর উত্তর কিন্তু এসে-ই যায়।

    'আজকাল'-এর Publication কে চাটুকারিত বললেও, 'আবার .. নন্দিগ্রামে বোমাবাজি করলো, সিপিএম-এর হারমদ-রা' বা গুলি খেয়ে খুন হওঅ নিরীহ কৃশক-কে 'বোমবকি করতে গিয়ে, নিহত সিপিএম-এর হারমদ' এর মতো রুচিশিল প্রেরনাদাতা
    বলা যায় না, যায় কি ?

    সরাসরি লিংক তুলে দিতে পারলামনা, তবে আজকাল-এ সুভেন্দু মাইতি-র (অবশ্য ইনি যদি ৭০/৭১ এর 'খোচোর' না হয়ে থাকেন)
    প্রতিবেদন-গুলো পড়ার ইচ্ছা থাকলে, বোঝা যবে, শান্তি-র কথাই সেখানে বেশী বলা আছে।

    বুলেট-কে অনেকেই Nostalgia-র ল্যবেনচুস হিসাবে দেখে্‌ছন, অনেকে-ই ভাবছেন, 'আরে, এতো ৭০-এর সেই কাশিপুর ....'। সেই
    বুলেট বিলসী আমরা-ই খবরের কাগজের নন্দিগ্রম পড়ে, চট করে Share Market-টা দেখে নি .......
  • Binary | ০৮ মে ২০০৭ ২২:৩১384917
  • EPW এর Article টা ভালো লাগলো .......
  • Arijit | ০৯ মে ২০০৭ ০২:৪৮384928
  • প্রতিবেদনগুলো পড়েননি এমন লোক মনে হয় নেই। কিন্তু "দালাল' কথাটার মধ্যে মনে হয় প্রগতিশীলতার ছাপ আছে, বা হয়তো ওই দালাল ছাপটা নিজেকে বাদ দিয়ে বাকি সকলের গায়ে চাপালে নিজেকে বেশি সহমর্মী বা মানবিক প্রমাণ করা যায়।
  • Arpan | ০৯ মে ২০০৭ ০৩:২৩384939
  • দালাল কথাটি বঙ্গভূমে নতুন কিছু নয়, একসময় মুড়িমুড়কির মত শোনা যেত নানাবিধ দালালদের পরিচয়, যথা সাম্রাজ্যবাদের দালাল, কংগ্রেসের দালাল, আমেরিকা তথা সিআইএ'র দালাল প্রমুখ।

    কিন্তু তখন আমরা বোধহয় জাতি হিসেবে এত সুসংস্কৃত হয়ে উঠিনি তাই ব্যবহারকারীদের রুচি নিয়েও কেউ প্রশ্ন তোলেনি।
  • Ishan | ০৯ মে ২০০৭ ০৯:৩২384950
  • দালাল কথাটা তো আমার শুনতে ভালোই লাগে। ওটা আর গাল নেই, একটা জীবিকা নির্বাহের উপায় মাত্র :-)। যথা পাটের দালাল, জমির দালাল, সিআইএর দালাল। তবে খেলা এখন শুধু এটুকুতে আটকে নেই। সুমনকে সেদিন বলতে শুনলাম "সুনীলবাবু ও তাঁর কুত্তারা...'। তার আগে বিনয়বাবু একটি সিরিয়াস প্রবন্ধে সুমন সম্পর্কে সুচিন্তিত মতামত জানিয়েছেন "বিয়ে করার জন্য ইসলাম ধর্ম নেওয়া' এক গায়ক বলে। ওদিকে আজিজুলের নিম্ফোম্যানিয়্যাক বিশেষণটিও বেশ মৌলিক।

    কিন্তু, মা মনসার দিব্যি, এর সঙ্গে দালালির কোনো সম্পর্ক নেই। সংস্কৃতির অবক্ষয় টবক্ষয়ও নয়। সব বর্ণের বামপন্থীরা এসব বহুদিন আগে থেকেই প্র্যাকটিস করে এসেছেন। অতুল্য ঘোষকে সেই কতকাল আগে বলা হত কানা অতুল্য। কি একটা প্রফুল্লও বলা হত যেন, অনেকদিন আগের কথা তো, ভুলে গেছি :-)। আর লিস্টে সবার উপরে আসবে যুক্তফ্রন্টের এক বামপন্থী মন্ত্রীর প্রবাদপ্রতিম বক্তব্য। গুলিতে লোক না মরায় রেগে গিয়ে তিনি "পুলিশের বন্দুকে কি নিরোধ লাগানো আছে?' বলেছিলেন।

    ডানপন্থীরা, বলতে নেই, গালাগালে তেমন পটু নন কোনো কালেই। ওনাদের মুখের চেয়ে হাত বেশি চলে। :) চিরকালই।
  • Arijit | ০৯ মে ২০০৭ ১৩:৫৮384961
  • হুঁ - এগুলো জানি। তবে লক্ষ্যটা অন্য ছিলো:-) আগের দুটো পোস্ট একসাথে মিলিয়ে পড়তে হবে।
  • LCM | ০৯ মে ২০০৭ ১৪:২৮384973
  • এই থ্রেডে 'সামাজিক দায়বদ্ধতা' নিয়ে কথা রয়েছে, যেমন, তপন মিত্র-র সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে সন্দেহ নেই...ইত্যাদি। কিন্তু 'সামাজিক দায়বদ্ধতা' বলতে কি বোঝায়?

    দালাল=middle man, সেই উৎপল দত্ত-র বোঝানো প্রদীপ মুখার্জী-কে। এক পাশে ক্রেতা, অন্য পাশে বিক্রেতা, মাঝখানে মিডিলম্যান। কিন্তু সেভাবে দেখলে সকলেই কমবেশী মিডিলম্যান।
  • d | ০৯ মে ২০০৭ ২২:০৮384984
  • ঈশান কি সুন্দর করে বোঝায়। বেশ ভাল লাগছে বটে শুনতে। তবে কাউকে যদি বলা হয় এই তুই অমুকের দালাল, সেটা গালাগালি দিয়ে, দিতে চেয়ে বলা হয়। (অ্যা: মনে হলেই থকথকে ঘেন্না .. )
  • Binary | ০৯ মে ২০০৭ ২২:৪২384995
  • দালালির প্রেক্ষিতে কিছু বলার ইচ্ছে ছিলো না। ৭০/৭১ -এ 'দালাল' সব্দটা বহুল প্রচারিত হয়েছিলো মতের প্রেক্ষিতে
    নয়, রাজনৈতিক প্রেক্ষিতে। তখনকার বহূল প্রচারিত বিশেষন এটাও ছিলো,
    "তেল চুক চুক গা, শোধোন বাদের ছা, গামছা পড়ে রাস্তা দিয়ে বিধান সভায় যা"

    কিন্তু, এখোনকার ফোকাস টা ভিন্ন। লোকে বিশ্বাসের চৌখুপিকে-ই দালালি হিসাবে দেখছেন। ১৪ই মার্চের দায় রাস্ট্রযন্ত্রের (এটা ৭০/৭১ থেকেই ধার করা শব্দ)
    বার্তালেও, জমি দখলের লড়াই-এ মানুষ খুনের চারমাস্যা, সরকারের ওপর বর্তায় না। এই লড়াইটাকে কেমন করে
    "শোষকের বিরুদ্ধে শোষিতের লড়াই ..." বলি বলুন্তো ?

    পাঁচ হাজার গ্রামছাড়া ভিটে ছাড়া মানুষ, আর গ্রামে অবরুদ্ধ (ইচ্ছায়, অনিচ্ছায়) জীবিকা হারানো মানুষের, কাকেই আপনি শোষক আর কাকেই
    আপনি শোষিত বলবেন ? আসলে লড়াইটা দুই দল বন্দুকবাজের, খানায় পড়েছে সাধারন মানুষ। অনেকটা রেমার্কের 'অল কোয়াইট ....' এর ফিলোজি্‌ফ-এর মতো।

    এইখানে সরকারের সদিচ্ছার (পারলে মেনে নিন না পারলে নয়) বিরুদ্ধে "অমুক শর্ত পুরন ছাড়া সর্বদলিয় বইঠকে যাব না ....." আর লড়াইটা জিইয়ে রাখা
    কোন আন্দলোনের উদ্দেশ্য, পরিস্কার নয়।

    "আজকাল"-এ সরকারের অন্তহীন চাটুকারিতা (অনেক সময় নির্লজ্জ) থাকলে-ও, উস্কানি মুলক প্রতিবেদন আছে বলে মনে হয় কি ? আর যদি কিছু থাকে, সেটা বঙ্গ ভাষায় প্রচলিতো
    আরো অন্য কাগজের থেকে বেসি কি ?
  • Ishan | ১০ মে ২০০৭ ০৯:৫১385006
  • না: বাইনারি, একমত হলাম না। বিশ্বাসের চৌখুপিকেই দালালি হিসাবে দেখা হয়েছে চিরকাল। "শোধনবাদ' মানেই "দালালি', এতো আমরা সবাই জানি। এখনও তাই। ঐ যে লিখেছেন "শোষকের বিরুদ্ধে শোষিতের লড়াই', ওর মধ্যেই এর বীজ আছে। শোষক পক্ষে থাকা মানেই "দালাল' আর শোষিত মানেই "বীর', এইরকম একটা সরল ধারণা থেকেই আসে ব্যাপারটা।

    আমার কি মনে হয় জানেন, "দালাল' বলা যে খারাপ এটা সবসময় মাথায় রাখা দরকার। শুধু আমাকে দালাল বললেই খচে যাব, কিন্তু অন্যকে অমি দালাল বললে কোনো দোষ নেই, এটা যদ্দিন থাকবে, তদ্দিন কিছুই বন্ধ হবে না। এই যে ধরুন, আপনি লিখেছেন পাঁচ হাজার লোক ঘরছাড়া, এটা একটা সংখ্যা। এই সংখ্যাটা নিয়ে আমি কোনো প্রশ্ন তুলিনি, কারণ আমার কাছে পাঁচশো বা পাঁচহাজার কোনো পার্থক্য তৈরি করে না।

    কিন্তু সেই প্রশ্নটাই আমি তুলব, যখন দেখব, আমার দেওয়া তথ্যকে চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে, সিবিআই রিপোর্টে আছে? হাইকোর্টের রায়ে আছে? এইসব বলে। তখন আমি ও জানতে চাইব, এই পাঁচ হাজার লোকের গল্প কি হাইকোর্টের রায়ে আছে? সিবিআই এর রিপোর্টে আছে? এর পরে আমি যদি শুনি, যে, মড়ার সংখ্যা নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে, তখন আমিও বলব, ঘর থেকে লোককে খেদানো নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে। এর পরের ধাপেই আসবে তুমি শালা মিথ্যেবাদী। আর তারপরেই দালাল।

    এই প্র্যাকটিসটা যে পাল্টানো দরকার, সে নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু বেড়ালের গলায় ঘন্টা কে বাঁধবে বলুন? কিভাবেই বা বাঁধবে?
  • ulpu sen | ১০ মে ২০০৭ ১০:৩৬385017
  • সমগ্র বিষয়ে আরো সমৃদ্ধ হওয়ার জন্য এই সাইট-টা দেখুন -- এ নৃপেন বন্দ্যোপাধ্যায়-র লেখা "প:বঙ্গের কৃষি-অর্থনৈতিক সমস্যা- এক টি স্মৃতি নির্ভর পরিক্রমা' এটি পড়ে দেখ তে পারেন।
  • Arijit | ১০ মে ২০০৭ ১৫:২৪385028
  • পাঁচশো বা পাঁচহাজারে যেমন পার্থক্য হয় না, তেমনি চোদ্দ বা চল্লিশেও হয় না। প্রবলেমটা আসে মেলোড্রামার জন্য বা ফায়দা লোটার জন্যে - যা কিছুর জন্যেই হোক - চোদ্দটাকে আটশো বা ওইরকম কিছু করা হয় - মানে কমনসেন্সও তাই বলে। তাও সেটা অবস্থার বিচারে অন্যভাবে দেখা যেতে পারে - যে একটা চুড়ান্ত বাজে ঘটনার নিন্দায় exaggeration হয়তো আসবে। কিন্তু পরে ঠাণ্ডা মাথায় আসল সত্যটাও বেরোবে।

    আমার সমস্যাটা অন্য জায়গায় - আজকাল চাটুকার, তপন মিত্র খোচর, শুভেন্দু মাইতি আরো অন্য কিছু, আজিজুলও তাই - যে আমার অবস্থান থেকে একটু অন্য জায়গায় রয়েছে বা আমার কথার থেকে আলাদা কিছু বলছে সেই-ই আমার চোখে অদ্ভুত এবং ঘৃণ্য কিছু একটা - এই মেন্টালিটিতে। আমার সাথে অন্য একজনের বক্তব্য না মিললেই তার দাম একেবারে তলিয়ে গেলো - এই মনোভাবে আপত্তি আছে। খুব সম্ভবত দেবেশ রায়েরই একটা মনে হয় লেখা আজকালেই দেখলাম কয়েকদিন আগে - অনেকটা এই ব্যাপারেই।

    আরো একটা আপত্তি হল রঙ দেখায় - মৃতদের বা ঘরছাড়াদের। এবং এটা প্রচণ্ডভাবে প্রকট - যেমন শঙ্কর সামন্তকে পোড়ানোর সময় সে কি অবস্থায় ছিলো - এই যুক্তিতে পোড়ানোটাকে জাস্টিফাই বা হালকা করার চেষ্টাও দেখলাম। পুলিশে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে নাড়িভুঁড়ি বের করে দিলেও যে স্বরে নিন্দা করবো, শঙ্কর সামন্তকে পোড়ানোর ক্ষেত্রেও তাই করা উচিত ছিলো - এটা না হয়ে দ্বিতীয় ক্ষেত্রে জাস্টিফাই করার চেষ্টা দেখলেই অন্য সন্দেহ দেখা দেয়। সেই জন্যেই সেই চার-তারকা পরিচয়টা জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেছিলাম একদিন - দেখে মনে হয় আমাদের অনেকের কাছেই।
  • J | ১০ মে ২০০৭ ১৫:৩৫385039
  • ইন্দিরা মাসি বাজায় বাঁশি
    প্রফুল্ল বাজায় ঢোল
    আয় অতুল্য খাবি আয়
    কানা বেগুনের ঝোল

    সম্ভবত: এটাই...
  • Arpan | ১০ মে ২০০৭ ১৮:৪৩385050
  • এই পোস্টটি অরিজিতের সাম্প্রতিকতম একটি মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে।

    এই পাতায় আজকালকে বা সেইসব লেখক যারা সেখানে উত্তরসম্পাদকীয় লিখছেন তাদেরকে ঘৃণ্য বা অদ্ভুত বলা হয়নি বোধহয়। হ্যাঁ, এই নিরবচ্ছিন্ন বুদ্ধসঙ্গীত হাস্যকর এবং তা করুণারই উদ্রেক করে, এ কথা বহুবার বলেছে নানাজনে, কিন্তু অদ্ভুত কখনো লাগেনি।

    কথাটা উঠেছে আজকালকে নিয়েই। আনন্দবাজার বহুযুগ ধরে উদার (বা বাজারি) অর্থনীতির একনিষ্ঠ সমর্থক, ১৪ই মার্চের পরেও তাদের সেই অবস্থান পাল্টায়নি। কিন্তু তা সঙ্কেÄও নন্দীগ্রাম এবং খেজুরি দুই জায়গারই খবর সেখানে গুরুত্ব দিয়ে ছাপা হচ্ছে। কৃষিজমিতে শিল্পস্থাপনের বিরোধিতা করে কেউ লেখা পাঠালেও সেটি সমান মনোযোগ পেয়েছে যতটা বার্কলের অর্থশাস্ত্রের একজন অধ্যাপকের লেখা। উদাহরণ আজকের তারিখে প্রথম সম্পাদকীয়, দ্বিতীয় উত্তরসম্পাদকীয় ও সম্পাদক সমীপেষু প্রথম চিঠিটি। ১৪ই মার্চের পরে এই আনন্দবাজারেই পাশাপাশি জয়দেব বসু এবং সুমন মুখোপাধ্যায়ের লেখা প্রকাশিত হতে দেখেছি এবং মনে হয়েছে সেটাই বোধহয় রাজনৈতিক বহুত্ববাদের মতাদর্শকে প্রতিষ্ঠা করে।

    ১৪ই মার্চের পরে এতদিন কেটে গেছে, কিন্তু আজকালে বহু খুঁজেও আমি বিনয় কোঙারের চরম উস্কানিমূলক মন্তব্যগুলির কোন সামান্যতম উল্লেখ বা প্রতিবাদ দেখিনি। যেমন দেখিনি ১লা মে শাঁওলী মিত্রদের উপর আক্রমণের কোন প্রতিবেদন। নন্দীগ্রামের গণহত্যার প্রতিবাদে যাঁরাই সরকারি পদক বা সম্মান প্রত্যাখান করেছেন তাঁদেরকেই বেছে বেছে নামোল্লেখ করে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয়েছে।

    এর পরেও একে দালালি বলবো না তো কি বলব। সিপিএমের তাঁবেদারি? সেটা ভালো শোনাবে? ব্লেয়ারসাহেবকে বুশবাবুর দালাল বা তাঁবেদার যাই বলা হোক মানেটা কি পাল্টায়?

    শেষে একটাই কথা। আজকালই ঠিক করুক ভবিষ্যৎ তাকে বর্তমান পত্রিকার সমগোত্রীয় হিসাবেই মনে রাখবে কিনা। সমকালীন সময়ে একটি সংবাদপত্রের (পার্টি মুখপত্র নয়) ভূমিকা ও অবদান নিয়ে আমরা তর্কটা চালাচ্ছি, ভবিষ্যৎ সেইটুকু বিলাসিতাও নাই দেখাতে পারে।
  • Arijit | ১০ মে ২০০৭ ১৯:১০385061
  • অর্পণ - একবার ডিকশনারী দেখে বোলো তো "খোচর' মানে কি? বা একটু পুরনো পোস্টগুলো উল্টে দেখো শুভেন্দু মাইতিকে গালি দেওয়া আছে কিনা, বা আজিজুলকেও। কেন? কারণ এঁরা কারো কারো পছন্দের কথা লেখেননি। আমার পোস্টটা আদপেই আজকাল-এ কি লেখা হয়েছে তাই নিয়ে নয় - ভালো করে পড়ে দ্যাখো। পুরোটাই লেখা এই খোচর, বা "মুচলেকা দিয়ে বেরোনোর সময় ব্যঘ্রশাবক মেরেছেন' ইত্যাদি নিয়েই। খুঁজে বের করতে কষ্ট হবে না - নন্দীগ্রামের তিনটে থ্রেডেই এরকম অনেক মন্তব্য আছে। কেউ ছাড়ান পাননি - তুষার কাঞ্জিলাল থেকে শুরু করে মল্লিকা সেনগুপ্ত অবধি - প্রত্যেকে, যাঁরা নন্দীগ্রামের ঘটনার নিন্দা করা সঙ্কেÄও একটু অন্যরকম অপছন্দের কথাও বলেছেন।

    শুভেন্দু মাইতি বা আজিজুল বা তুষার কাঞ্জিলালের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই - কিন্তু পছন্দের কথা না বললেই অনায়াসে খোচর বা দালাল বা এই জাতীয় আরো কিছু বলে দেওয়া যায় - সেটা এই নন্দীগ্রামের পরই দেখলাম। এই মন্তব্যগুলো থেকে একটাই জিনিস ফুটে বেরোয় - সেটা হল সেই আগে বহুবার বলা কথা - যে আমার পক্ষে নয়, সে...

    এই কথাগুলো প্রথম থেকে বলেছি বলেই এই ধরণের অনেক মন্তব্য আমার দিকেও আসে। এবং আনেক্সপেক্টেড কোয়ার্টার থেকে। কারণ "শর্তহীন আনুগত্য' দেখানো ব্যক্তিদের লিস্টের মধ্যে আমি নেই।

    আগে এই পোস্টটা পড়ো, তারপর একটু ভাবো - এর চেয়ে বেশি পরিস্কার করে লেখা সম্ভব নয়।
  • Arpan | ১০ মে ২০০৭ ১৯:২৬385072
  • অরিজিৎ,
    ব্যক্তিগত আক্রমণের তীর দুই তরফেই ছুঁড়েছেন এবং এখনো ছুঁড়ে চলেছেন। খোচরের উল্টোদিকে রয়েছে নিম্ফোম্যানিয়াক। ভুলে গেলে?

    উত্তেজিত পরিস্থিতিতে এরকম হয়, হয়েই থাকে। ভেবে এর থেকে বেশি কিছু আর বের করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আর এ খুব স্বাভাবিক মনুষ্যপ্রবৃত্তি। কাজেই আমার কাছে এই কাদা ছোঁড়াছুড়ির খেলায় কোন আবেগের স্থান নেই।
  • Arijit | ১০ মে ২০০৭ ১৯:৩৪385084
  • আমি যে তীরগুলোর কথা বলছি সেগুলো শুধু এখানে। এবং গুরু-র আইডেন্টিটি/ক্রেডিবিলিটি/সুনাম/দুর্নাম তার কϾট্রবিউটরদের ওপর নির্ভর করে। এটা হল এক নম্বর।

    দুই নম্বর - এই লোকগুলো সম্পর্কে যা বলা হয়েছে সেগুলো কতটা অথেন্টিক সেটা কেউই জানে না - তুমিও না, আমিও না। অজিত পাণ্‌ডে-শুভেন্দু মাইতির সম্পর্ক থেকে তপন মিত্র খোচর কিনা, বা আজিজুল কটা ব্যঘ্রশাবক মেরেছেন - এগুলো এই মুহুর্তে কুৎসা ছাড়া আর কিছু নয়, এবং হয় পাতি ফ্রাস্ট্রেশন থেকে, নয়তো অবশেসন থেকে...

    আর যখন ব্যক্তিগত সম্পর্ক আনুগত্যের দাঁড়িপাল্লায় মাপা হয়, তখন সেটা নিয়েও সন্দেহ হয়।
  • Du | ১০ মে ২০০৭ ২০:৪৩385095
  • ঈশান, একদম একমত এইকথার সঙ্গে যে খারাপ মানে খারাপই এখানে যাস্টিফিকশন এর প্রশ্নই আসে না।
    তাই ভবিষ্যতে দালাল বলা দেখলে ঘৃণা করবই, সে যে-ই বলুক।
    কিন্তু আগের বলাগুলো- বামপন্থীদের বলা সাম্রাজ্যবাদের দালাল ইত্যাদি- ভাবি, একটু কি পার্থক্য নেই দুটোতে ? ওটা বোধহয় তুলনীয় হত আজ যদি সিপিএমকে টাটাদের দালাল বলা হয় এবং বলা হয়েওছে তার সঙ্গে। কোন দলের সমর্থকের ওপর আঘাতকে আমার কাছে গনতন্ত্রের পরিপন্থী বলেই মনে হয়েছে, শুধু খারাপ আচরণ বলে নয়।
    বর্তমান কাগজটি আমি আজকাল রোজ পড়ার চেষ্টা করি - এবং এতেই পড়েছিলাম - ভালো সিপিএম সমর্থকদের প্রতি সাবধানবানী শোনানো হয়েছে - যে তারা যদি সিপিএমের হাত ছাড়েন তাহলে মানুষ অত বিচার করতে যাবে না যে তারা ব্যক্তিগত ভাবে কেমন - সবাইকেই শেষ করে দেবে- এইরকম ধরনের কিছু কথা। অর্পনের কথা মেনে ভাবার চেষ্টা করছি এটা শুধুই রাগের কথা - আর কিছু নয়, কিন্তু তা-ই কি? অন্যের অধিকারের ওপর একটা চরম অসহিষ্ণুতা কি লুকিয়ে নেই এর মধ্যে?

    যাই হোক, পশ্চিমবঙ্গ তাই পাবে যা সে চাইবে। আমাদেরই দায়িঙ্কÄ নিতে হবে আমাদের ভবিষ্যতের। এখানটায় আমরাও আবেগী জাতি বলে পূর্ব পশ্চিম দুই বাংলাতেই রাজনীতি মতামতে আটকে না থেকে হারাজেতায় দাঁড়িয়ে যায়। কিন্তু এতটা পথ পার হয়ে এখন হয়তো সময় এসেছে দেখার -- পক্ষ বাদ দিয়ে এই চাকাটা আমরা ঘোরাতে পারি কিনা। সরকারে থাকা মানেই নয় যথেচ্ছাচার করার স্বাধীনতা -- তেমনি সরকারে না থাকাটাও বহন না করুক কোন হেরে যাওয়ার তিক্ততা।
  • Du | ১০ মে ২০০৭ ২০:৪৪385106
  • হাত না ছাড়েন -হবে
  • Binary | ১০ মে ২০০৭ ২২:৫৮385117
  • ইশান,অর্পন কে

    কে দালাল কেই বা ব্যাঘ্র শিকার করেছেন সেই কূট তর্কে যাচ্ছি না। তবে সুধু মাত্র তপন মিত্র-র
    দৈনন্দিন রুটিন আমার নিজের অভিজ্ঞতায় দেখা। ২৪ পরগনার প্রান্তিক গ্রাম্‌গুলোতে সাক্ষরতা অভিযান, এবং
    সেখানকার ছাত্রদের শহরের শিক্ষা - কাজের সুযোগ করে দেওয়া, ওনার প্যশন ছিলো (এখন আছে কিনা, জানিনা),
    কর্পোরেট জগতের প্রধান থাকার সময়ে-ও। প্রান্তিক শীল্পের জন্য, অনেক কর্মহীন যুবক-কে নিজে থেকে সাহয্য করতে
    দেখেছি, অনেকবার।

    তপন মিত্রে-র গুনকীর্তন আমার লেখার উদ্দেশ্য নয়। তবে কিছু জানা, অনেকটা না জানা, মতবিরোধের ভিত্তিতে, কারো
    কুত্‌সা রটানো, -- এতে অসস্তি থেকেই যায়।

    বুদ্ধবাবুর -- 'আমদের ঠেকাবেকে ....', কে 'আমাদের ঠেকাবেকে শালা' না বলে ...'আমাদের বাংলা কে ঠেকাবে কে ...'
    এইভাবে বুঝিনা কেনো ...? বোঝাটা এক্টু ভালো লাগে, নয় কি ? শাঁওলী মিত্র-দের যে দলটা, নন্দিগ্রামে গিয়ে অপমানিত এবং
    অপদস্থ হয়ে এলেন, হতেই পারত, তাঁরা, খেজুরি-তে গিয়ে আর একটু বেশী লাঞ্ছিত হতেন .... তাঁদের উদ্দেশ্য নিয়ে তখন
    কেউ, লাল-সবুজ কেউ, প্রশ্ন তুলতে পারতো না।

    বিষয়টা, সিপিএমের তাঁবেদারি নয়, যাঁর যাঁর অবস্থান থেকে, তাঁদের উদ্দেশ্যগুলোর। যে মানমীয় রাজনৈতিক নেতারা,
    'কৃষিজমি রক্ষা কমিটি'--র নামে আন্দোলন করছেন, কোলকাতা শহরের বাইরে, তাঁদের, এই সেদিন পর্যন্ত কোন অস্তিত্বে দেখা
    গেছে পরিস্কার নয়।

    গুজরাটের পাতালগ'ঙ্গা-কে আইডিআল না রেখে, সুধু সরকারি সদিচ্ছায় যদি, কিছু শিক্ষিত কৃষক যুবক, যদি- বলি আবার,
    কল-কারখানয় কাজের সুযোগ পয়, তবে একটু, সমান্য হলেও ভালো লাগে। উদ্দেশ্‌য়্‌হীন (সুধুই উদ্দেশ্যহীন, অসত নয় কিন্তু) রাজনৈতিক
    জমি দখলের প্রবল ইচ্ছায় -- লড়াইতে সামিল হওয়া সেখানে একটু বেমনান লাগে কিন্তু।
  • bozo | ১০ মে ২০০৭ ২৩:৩৮385128
  • বাইনারি,
    বুদ্ধবাবুর কথা একটু ঘুরিয়ে বুঝতে হবে কেন? সে তো reading between the lines হবে।
    'শিক্ষিত কৃষক যুবক যদি কলকারখানায় চাকরী পায়'- এর মধ্যে অনেক কিছু ঢুকে গেল। শিক্ষিত, কৃষক এবং যদি।
    যাঁদের জমি গেছে তাদের মধ্যে কতজন হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালে চাকরী পেয়েছেন? না কি চাকরী হয়েছে যাদবপুর-শিবপুরের ইঞ্জিনিয়ার দের?
  • Ishan | ১০ মে ২০০৭ ২৩:৩৯385139
  • এইটা নিয়ে কুন্দেরার একটা ব্যাপক লেখা আছে। কাফকা সম্পর্কে একটা প্রবন্ধে। জিনিসটা হাতের কাছে নেই, ফলে কোন লেখা, কি বৃত্তান্ত জানতে চাইবেননা।

    গপ্পোটা কুন্দেরার এক ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে। তাঁর এক "বীর' বান্ধবীকে নিয়ে। কুন্দেরা বীর বলতে কি বোঝাচ্ছেন বোঝাই যাচ্ছে, কারণ আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত ভদ্রলোক পূর্ব ইউরোপের কমিউনিস্ট টোটালিটারিয়ানিজমের বিরুদ্ধে।

    তো, সেই বান্ধবী বীর, কারণ, তিনি ন বছর না ক বছর জেল খেটেছেন। মতাদর্শগত বিচ্যুতি না কি শ্রমিক শ্রেণীর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা, কি অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে সেটা মনে নেই। বিচারের সময় তাঁকে এবং তাঁর সহ অভিযুক্তদের সবাইকেই অভিযোগ স্বীকার করতে বলা হয়েছিল। বাকিরা সবাই স্বীকার করেছিলেন, ফলে তাদের দাঁড়াতে হয়েছিল ফায়ারিং স্কোয়াডের সামনে, আর ইনি স্বীকার না করায় এনার জেল হয়েছিল।

    জেল থেকে বেরিয়ে, এখন পুত্রসহ মহিলার বাস। একদিন সকালে কুন্দেরা গেছেন তাঁর বাড়িতে, গিয়ে দেখেন, মহিলা খুব উত্তেজিত। কি হয়েছে? না ছেলে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠেনি, না কি একটা সামান্য কারণে বাড়ি উথালপাথাল। এতো অল্প কারণে এতো উত্তেজিত হবার কি আছে? কুন্দেরা মহিলাকে বোঝাতে যান। কিন্তু ছেলে তখন বাধা দেয়। আমার মা একজন বীর মহিলা, সে বলে, তিনি এমনি এমনি বকাবকি করেন না। আসলে এটা ঘুম থেকে দেরি করে ওঠাই শুধু নয়, এটা একটা অপরাধ, জীবনের কর্তব্যের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা, ইত্যাদি ইত্যাদি।

    কুন্দেরা এরপরে লিখেছেন, ঘ্‌হুম থেকে দেরি করে ওঠার অভিযোগ থেকে ছেলেটি স্বীকারোতি করে ফেলল তার অপরাধের। কি? না জীবনের কর্তব্যের প্রতি অবহেলা। নিজের মায়ের কাছে, যিনি কিনা শত চাপের সামনেও "দেশের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা'র অভিযোগ স্বীকার করেননি। পরিস্থিতি সেই একই ছিল। একটি সামান্য ঘটনাকে নিয়ে একটি বড়ো অভিযোগ আনা হয়েছিল। বাকিরা স্বত:প্রণোদিত হয়ে সে অভিযোগ স্বীকার করেছিল। শুধু এই মহিলা করেননি। এবং তিনিই আবার তাঁর ছেলের উপর সেই একই কায়দা চাপিয়ে দিচ্ছেন।

    তো, বিশ্বাসঘাতকা, অভিযোগ, স্বীকারোক্তি, এই জাতীয় বড়ো বড়ো ঘটনাগুলো আসলে শুধু বড়ো বড়ো ফ্রেমে নয়, ছোটো ছোটো ফ্রেমেও একই সময়ে ঘটতে থাকে। সেই একই প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে চলে, শুধু আউটবার্সট না হলে আমাদের চোখে পড়েনা। সেই তারাপদ রায়ের গল্পের মতো। ছোটো কুকুরটাই আসলে বড়ো কুকুর। :-)
  • tan | ১০ মে ২০০৭ ২৩:৪২385150
  • কেনেলে ঢোকা/বেরোনোর দরজাও একটাই।:-)))
  • bozo | ১০ মে ২০০৭ ২৩:৪৩385161
  • অরিজিৎ দা
    আমার experience বলে আজকের প: বঙ্গে পার্টির রং ছড়া কিছু হয় না। গ্যাসের সিলিন্ডার থেকে পরীক্ষার রেজাল্ট অবধি।
    সর্বত্র পার্টির উপস্থিতি একদল মানুষকে সত্যি বীতশ্রদ্ধ করে দিয়েছে। আমরা বেশীর ভাগ ক্লীব ও একক বলের ওপর ভরসা নেই বলে প্রতিবাদ করি না।
    তুমি মানো বা না মানো পার্টি গ্রাম ও শহরতলি তে লোকের জীবন নিয়ন্ত্রন করে। ও প্লীজ বোলো না যে নীচের তলায় বেনোজল ও ইত্যাদি কিছু কথা। বড় নেতারা সব জানেন ও প্রশ্রয় দেন। কারন তলের এই লোক গুলো না থাকলে ভোটে জেতা যাবে না।
  • Ishan | ১১ মে ২০০৭ ০০:১৬385163
  • বাইনারি,

    বুদ্ধবাবুর ঐ বক্তব্যটিকে অন্যভাবে ইন্টারপ্রেট করা অসম্ভব। কারণ উনি স্পেসিফিক্যালি বলেছিলেন ওরা ২৩৫ আমরা ৩০। আমাদের ঠেকাবে কে।

    বাকি কথা পরে লিখছি। কতো পরে জানিনা :-)
  • Arpan | ১১ মে ২০০৭ ০০:৪৯385164
  • এ: ঈশান তাড়াহুড়ো করে উল্টে দিয়েছে পরিসংখ্যান। :-)
  • Arijit | ১১ মে ২০০৭ ০১:০৪385166
  • বোজো - তোমার না, আমার এক্সপিরিয়েন্সও তাই বলে - কিন্তু তার সাথে আমি যেটা লিখলাম সেটার রিলেশন খুঁজে পাচ্ছি না তো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল প্রতিক্রিয়া দিন