এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রহসন

    পিনাকী
    অন্যান্য | ০৯ এপ্রিল ২০১৮ | ২০৮৭৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পিনাকী | ০৯ এপ্রিল ২০১৮ ১২:৪০374150
  • ফেসবুকে লিখেছি। এখানেও দিলাম।
  • পিনাকী | ০৯ এপ্রিল ২০১৮ ১২:৪১374261
  • এবারের পঞ্চায়েতে নির্বাচনে তৃণমূল সরকার স্বৈরাচারের সব পুরোন রেকর্ড ভেঙে দেবে বলে ঠিক করেছে। যেখানেই ভোটে হারার বা নিদেনপক্ষে লড়াই হওয়ার ন্যূনতম সম্ভবনা দেখতে পাচ্ছে সেখানেই গুন্ডা লেলিয়ে বিরোধিদের মনোনয়ন জমা দেওয়া বানচাল করার চেষ্টা করছে। আর এই কাজে একেবারে খুল্লমখুল্লা ব্যবহার করছে পুলিশবাহিনীকে। শুক্রবার ভাঙড়ের আন্দোলনকারী জনতার প্রতিনিধিরা মনোনয়ন জমা দিতে গেলে অফিসের মধ্যেই তাদের প্রচণ্ড মারধোর করে মনোনয়ন জমা দেওয়া বানচাল করে দেয়। তারপর থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে আবার তাদেরই নেতৃত্বের তিনজন (অমিতাভ ভট্টাচার্য, শংকর দাস এবং বিশ্বজিত হাজরা)কে গ্রেপ্তার করে। সেখানেই শেষ নয়, গত রাতে ভাঙড় আন্দোলনের আর এক কর্মী রাতুলকে তার বাড়ী থেকে অ্যারেস্ট করা হয়। রাতুল অসুস্থ এবং বেডরেস্টে ছিল। এরকম ঘটনা লাগাতার ঘটছে। সিপিএমের কর্মী সমর্থকরাও মার খাচ্ছেন প্রায় সব জায়গায়, যেখানেই তৃণমূল মনে করছে তারা নির্বাচনে লড়াই দিতে পারে। এগুলো ঘটে চলেছে দিনের আলোয়, সবার চোখের সামনে। যেন এটাই ঘটবে। যেন এটাই নিয়ম। তৃণমূল এই বাড়াবাড়িটা নির্লজ্জের মত করার সাহস পাচ্ছে একটাই কারণে, সেটা হল পশ্চিমবাংলায় বিরোধী শক্তির এখন দুটো মেরু। একটা বাম আর একটা বিজেপি। এবং এদের মধ্যে জোট হওয়া সম্ভব নয়। জাস্ট এই প্রত্যয় থেকেই মিনিমাম রাখঢাকেরও প্রয়োজন মনে করছে না শাসকদল। কিন্তু মানুষ সবই দেখছে এবং বিরক্তও হচ্ছে। এবং বামেরা যেহেতু বাংলায় এখন সাংগঠনিকভাবে দুর্বল এবং বিজেপির পিছনে কেন্দ্রের সরকারী মদত, ব্যাবসায়ীদের টাকা এবং আরএসএসের সাংগঠনিক সাপোর্ট আছে, তাই তৃণমূলের এইসব স্বৈরাচারী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে ক্ষোভটা মূলত: বিজেপির ভোট বাক্সে সংহত হবে। অর্থাৎ যে বিজেপির বিরুদ্ধে মমতার এত হুংকার, কার্যক্ষেত্রে তাঁর দলের আচরণ সেই বিজেপির শক্তিবৃদ্ধিকেই ত্বরান্বিত করছে। এবং ঘটনা হল এটা একটা টিপিং পয়েন্টে পৌঁছোলে তারপর আর ব্যাপারটা তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। দু-তিন বছরের মধ্যে খেলা হাতের বাইরে বেরিয়ে যাবে।

    আর আমাদের পশ্চিমবঙ্গবাসীদের ভবিতব্য বোধহয় এটাই যে নির্বাচনের নামে এই চ্যাংড়ামোটা বছর বছর আমাদের দেখে চলতে হবে। সে যে দলই ক্ষমতায় থাকুক না কেন।
  • পিনাকী | ০৯ এপ্রিল ২০১৮ ১২:৪৫374372
  • আমার মতে এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনকে নিয়ে যা ঘটছে সেটা আগে কখনও এই মাত্রায় ঘটেনি। সমস্ত বিরোধী শক্তির একসাথে কিছু স্টেপ নেওয়া উচিৎ। দলমত নির্বিশেষে। এটা এলাও করা মানে শাসককে যা ইচ্ছে করার লাইসেন্স দিয়ে দেওয়া। সেরকম হলে সমস্ত দল মিলে এই নির্বাচন নামের প্রহসনকে বয়কট করে এটাকে সর্বভারতীয় ইস্যু করে তোলা উচিৎ।
  • T | ০৯ এপ্রিল ২০১৮ ১৩:০৪374483
  • এ তো কিছুই নয়। ভোটের সময় আরো বিশ্রী অবস্থা হবে।
  • j | ০৯ এপ্রিল ২০১৮ ১৩:২১374594
  • সুপ্রীম কোর্টের রায় এল যে কোনও হস্তক্ষেপ করবে না !

    তিনোগুন্ডাদের তো আরো পোয়াবারো, লুটে লে যত্ত চোরডাকাত সঙ্গে করে

    বিচারব্যব্স্থা মনে হয় মজা দেখবার মোডে আছে
  • | ০৯ এপ্রিল ২০১৮ ১৩:৩৫374816
  • আচ্ছা এখানে ছবিগুলো সব তুলে রাখতে হবে। যাতে হাইট অব অ্যাট্রোসিটি রেফার করতে গেলে সরাসরি এক জায়গা থেকে করা যায়
  • | ০৯ এপ্রিল ২০১৮ ১৩:৪৫374927










  • সিকি | ০৯ এপ্রিল ২০১৮ ১৫:০৯375034
  • ফেসবুকে কিছু ভিডিওও আছে। সেগুলো এখানে লিংক দিয়ে রাখা হোক।
  • de | ০৯ এপ্রিল ২০১৮ ১৫:৪৫374151
  • কি অবস্থা! বাপরে, এই ভদ্রমহিলা নাকি প্রধানমন্ত্রী হলেও হতে পারেন! সারা ভারতে তখন এই কালচার চলবে -
    সত্যি কথা বলতে, এই ধরণের গুন্ডাগার্দি কয়েকটা হাতে গোণা রাজ্যের কালচার - পব তাদের মধ্যে অলরেডি টপার -
  • T | ০৯ এপ্রিল ২০১৮ ১৬:১০374162
  • নির্বাচনের আগেই উন্নয়ন জিতে গ্যাচে। :) বীরভূম জেলা পরিষদ তৃণমূলের।
  • T | ০৯ এপ্রিল ২০১৮ ১৬:২৩374173
  • সূত্র আবাপ,

  • PT | ০৯ এপ্রিল ২০১৮ ১৬:২৭374184
  • অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটছে?
  • j | ০৯ এপ্রিল ২০১৮ ১৭:৩৪374195
  • একটা গোটা জেলা বীরভুমের সমস্ত ব্লক, এস ডি ও অফিস যেগুলো কিনা সো কলড প্রশাসনের মূল স্তম্ভ ক্যাম্প খাটিয়ে জল্লাদ লেলিয়ে মহিলাদের চুলের মুঠি ধরে রাস্তায় ফেলে আটকে দিল এস পি অফিসের সামনেই, একজনকেও জেলায় নমিনেশন ফাইল করতে না দিয়ে , বিশ্বরেকর্ডই হবে !!

    স্কোর আরও বাড়বে জেলায় জেলায়

    কদিন আগে কং শাসিত পাঞ্জাব, চাড্ডি খট্টর শাসিত হরিয়ানার বা শিবরাজের মধ্যপ্রদেশেও তো নির্বাচন হল, সবদল লড়েছে - যে যার মতই আসন পেয়েছে, যেটা হয়েছে কিছু আমাদের মত 'আলোকপ্রাপ্ত' বাঙালী ঢেঁকুর তুলেছে - 'দেখেচো চাড্ডি রাজ্য, খুব দুষ্টু ' ব্যাস এই
  • PT | ১০ এপ্রিল ২০১৮ ০৭:১৩374217
  • বর্ধমান নয় বারুইপুরে তিনোর গোষ্ঠীদ্বন্দে প্রার্থীর মেয়েকে আছাড়ঃ
  • PT | ১০ এপ্রিল ২০১৮ ০৭:৪৬374228
  • কি কান্ড!! প্রত্যাশা ছিল তো বিজেপির বিরুদ্ধে সিপিএম-তিনো জোটের!! মেলাবেন, একমাত্র তিনিই মেলাবেন!!!!!!
    Faced with an oppressive regime's signature violence and blatant subversion of law and order machinery ahead of next month's panchayat polls, a political equation is moving from "impossible" to "probable".
    It appears that at least at the panchayat level for 42,000 seats, the BJP, Congress and the Left may shelve their deep ideological and political differences to take on the might of the ruling Trinamool Congress.
    https://www.firstpost.com/politics/west-bengal-panchayat-polls-tmcs-violent-ways-might-fuel-coalition-between-bjp-congress-and-left-4424465.html
  • dc | ১০ এপ্রিল ২০১৮ ০৮:১১374239
  • তার মানে তিনো আক্রমনের বিরুদ্ধে সিপিএম, বিজেপি আর কং কর্মীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করবে?

    বিপ্লব প্রায় এসেই গেল, ইঞ্জিন প্ল্যাটফর্ম প্রায় ছুঁয়েই ফেলেছে।
  • s | ১০ এপ্রিল ২০১৮ ০৮:৩০374250
  • এখনেই দি। বাঙালী হিসেবে লজ্জা তো ছেড়েই দিলাম, এটা একটা সভ্য দেশ?
    ---------------------
    এর কিছুক্ষণ পর আদালতে আসার পথে দুষ্কৃতীরা আইনজীবী সৈকত ভট্টাচার্য, বিধান বৈদ্যের উপর চড়াও হয়৷ তাদেরকে মারধর করা হয়৷ ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষোভে ফেটে পড়েন আইনজীবীরা৷ এই সব কাণ্ড চলার মাঝেই এসডিও অফিসের চারপাশে জড়ো হওয়া দুষ্কৃতীদের কেউ কেউ মহকুমা খাদ্য নিয়ামকের অফিসের কলাপসিবল গেট বাইরে থেকে বন্ধ করে দেয়৷ অফিসের কর্মীরা দীর্ঘক্ষণ ভিতরে আটকে থাকেন৷ পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র্যাফ এসে বহিরাগতদের তাড়া করে৷ বিকেলের দিকে এসডিও অফিসের সামনে মোবাইল ফোনে ছবি তোলায় এক পর্যটককেও পেটায় দুষ্কৃতীরা৷ বাধা দিতে গেলে পরিবারের মহিলা সদস্যদেরও হেনস্থার মুখে পড়তে হয়৷ এত সব হলেও পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা মুখ খুলতে নারাজ৷ এ দিন রাত পর্যন্ত এসডিও অফিসের গেটের সামনে তৃণমূলের নেতা -কর্মীদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়৷ এছাড়াও বহু বহিরাগতও ছিল সেখানে৷ মাঝে মধ্যে হইহল্লাও পাকাচ্ছিল তারা৷ এমনকি জাতীয় সড়ক দিয়ে চলাচলকারী বাস যাত্রী ও পথচারীদের কটূক্তিও করা হচ্ছিল৷ এই বহিরাগতরা কারা ? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডায়মন্ড হারবারের এক তৃণমূল নেতা বলেন, ‘কটা দিন ভাড়া করা যে সমস্ত মাস্কেট বাহিনী বিরোধীদের মারধর করে এসডিও অফিসের কাছে পর্যন্ত ঘেঁষতে দেয়নি, আজ মনোনয়ন শেষে সেই বাহিনী একটু উল্লাসে মেতেছিল৷ আর কিছু নয়৷ ’ বিরোধীদের অভিযোগ, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া নিয়ে যা প্রহসন হল, তাতে ভোট কেমন হবে, বোঝাই যাচ্ছে৷ এক পুলিশকর্তা রসিকতা করে বলেন, ‘তৃণমূলের যুব নেতাদের উত্সাহে মাস্কেট বাহিনীর কড়া নজরদারির মধ্যে আজ মনোনয়ন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হল৷ ’ তবে জেলার যুব তৃণমূল নেতা মাহাবুবার রহমান গায়েন বলেন, ‘প্রার্থী না পেয়ে সিপিএম, বিজেপি ও কংগ্রেস যৌথ ভাবে নাটক করছে৷ মানুষ ভোটে তার যোগ্য জবাব দেবে৷ ’ বিরোধীরা বলছেন, ‘ভোট তো প্রায় হয়েই গেল৷

  • amit | ১০ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:১৯374262
  • কিন্তু একটা কারণে মব্যা কে আমার বড়ো ভালো লাগে। আপনেরা শুধু দিদির ভাই দের গুন্ডা গার্দি নিয়ে হল্লা করেন, ভালো জিনিস কিছু দেখেন না।

    আগে, বিশেষত বাম আমলে বাঙালি বুজি দের পা বিশেষ মাটিতে পড়তো না। গজদন্ত মিনারে বসে তারা করুণাচক্ষে নিচে বসে থাকা ভক্ত বৃন্দকে বাণী বিতরণ করতেন। সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের সময় এনাদের প্রতাপ দেখে কে। টিভি চ্যানেল চ্যানেল এ এনাদের জ্ঞানের বহরে ভিরমি লেগে যায় আর কি, জীবনে একটা ওয়ার্কশপ না দেখা কবি বা অভিনেতাও গাড়িরই কারখানার ইঞ্জিনিয়ারিং করে দিতেন, কোথায় লাগে টয়োটা, জেনারেল মোটর্স। মব্যা গত 7-৮ বছরে এদেরকে একেবারে রাস্তার নেড়ি কুকুরের স্তরে নামিয়ে এনেছেন, এখন লেড়ো বিসকুট ছুড়ে দিলেই এনারা ঘেউ ঘেউ করেন। সেই ঘেউ ঘেউ শোনার লোক ও নেই আর।

    আর বুজিদের বাদ দিন, আম বাঙালি দের নাক কিছু কম উঁচু ছিল না। পকেটে পয়সা না থাকলে কি হবে, বিহারি দের "খোট্টা", ওড়িয়াদের বামুন, মারবাড়ি দের মেড়ো, ইত্যাদি নানা ভাবে তাচ্ছিল্য করে এনারা নিজেদের গর্ব প্রকাশ করতেন, বাঙালি কিতাবী জ্ঞান এর অহংকার দেখাতেন, যে বাঙালির পয়সা না থাক, কালচার আছে :)

    এখন বাকি সবাই আমাদের কালচার দেখে কি বলে আর না বলাই ভালো, কোনো গ্যাদারিং এ মুখ লুকিয়ে বসে থাকতে হয়। সুতরাং যা হয়েছে, ভালোই হয়েছে। যার যা প্রাপ্য ছিল, সুদে আসলে ফেরত আসছে। যারা পারবেন তারা কেটে পড়বেন এই রাজ্য থেকে, যারা একান্তই পারবেন না, তাদের জন্য সমবেদনা ছাড়া আর কিছুই নেই।
  • sm | ১০ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:৪৬374273
  • যার নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিতে লজ্জা লাগে; সে নিজেকে বাঙালি না বলে অন্য কিছু পরিচয় নিতেই পারে। কোন বাধ্যবাধকতা নেই তো!
    সারা ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এর লোক ;বাঙালি দের -বঙ্গালি, মচলিখোর, বং নামে তাচ্ছিল্য করে। তো!কারো একতরফা অনুযোগ আছে নাকি?
    টাটা কারখানা কতো জমিতে হবে সে বিষয়ে সবচে এক্সপার্ট তো ছিলেন বুদ্ধবাবু বা নিরুপমবাবু রা। যাঁরা ৬০০একর জমির চাহিদা কে তাচ্ছিল্য করে ১০০০একর বহুফসলি জমি তুলে দিয়েছিলেন।আবার বলেছিলেন ওগুলো বেশিরভাগ বাদা জমি।
    এনিওয়ে একতরফা রিপোর্টিং এর জন্য বললাম।
    আর বামেরা সরকারে ছিল ৩৪ বছর।তখন তো বোস, ভচ্চাজ ছাড়া কেউ মুখ্যমন্ত্রী হয় নি। এমন কি, বড় বড় মন্ত্রী পোস্ট গুলো সামলেছেন, চ্যাটার্জি, সেন,মিত্র, ভচচাজ, চক্রবর্তী সমুহ। আজকে হঠাৎ পিছিয়ে পড়া শ্রেণী নিয়ে এতো সতস্ফুর্ততা কেন?
    একজন সাংসদ পাবলিক বাসে যাতায়াত করবেন,সেলাই করা ট্রাউজার পড়বেন আর একজন সংসদ অ্যাপেল আই ফোন ও ম ব্ল্যা পেন পকেটএ ঘুরে বেড়াবেন।এ কেমন তর কথা!
    একজন তার বেতন পুরোটা লেভি তে দেবেন আর কিছু পার্টির কর্তা দুধসাদা পাজামা-পাঞ্জাবী পরে গাড়িতে ঘুরে বেড়াবেন। এ কেমনতর কথা!
  • T | ১০ এপ্রিল ২০১৮ ১০:৩০374284
  • আজ এখানে ডিউটি দিচ্ছে যে বড়ো! ব্লক অফিস ঘেরাও এবং লুম্পেনগিরির কর্মসূচী নেই মনে হয়, অথবা হেলমেট কম পড়েচে।
  • dc | ১০ এপ্রিল ২০১৮ ১০:৩৪374306
  • দিদি যে বুজি স্পেস ঘেঁটে ঘন্ট পাকিয়ে দিয়েছেন এ ব্যাপারে একমত। আশি আর নব্বুইএর পুরোটা, আর দুহাজারেরও বেশ খানিকটা জুড়ে বামবুজিদের দাপট এইভাবে পুরো উবে গেছে। তবে বুজি ঘাঁটার প্ল্যান একা দিদির নাও হতে পারে, কারন আস্তে আস্তে একটা অল্ট বুজি স্পেস তৈরি করা, কনফ্লিক্ট তৈরি করার প্রসেসটা বেশ কিছুদিন জুড়ে হয়েছে আর অনেকটা এফর্টও দিতে হয়েছে। তবে যাই হোক, পবতে বামবুজিদের ইনফ্লুয়েন্স যে একেবারেই কমে গেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই।
  • S | ১০ এপ্রিল ২০১৮ ১০:৩৪374295
  • "বাঙালি কিতাবী জ্ঞান এর অহংকার দেখাতেন, যে বাঙালির পয়সা না থাক, কালচার আছে"

    জ্ঞানটাও ঠিকঠাক নেই।
  • S | ১০ এপ্রিল ২০১৮ ১০:৩৯374317
  • বুজি স্পেস ঘেঁটে ঘন্ট পাকিয়ে দেওয়াটা একটা ক্লাসিক দক্ষিন পন্থী চাল। মনে করুন দুজন পরিচালক সিনেমা বানিয়েছেন - একজন পথের পাঁচালী, আরেকজন বেদের মেয়ে জোছনা। এবারে লোকে সাধারণতঃ প্রথম জনের কথাকে মান্যি করে চলবে (যিনি সাধারণতঃ বাম পন্থী), বেদের মেয়ের পরিচালককে খিল্লি করবে (যাকে কিনে নেওয়া সুবিধে)। এইবারে দক্ষিনপন্থীরা এসে সেকেন্ড লোককে পুরষ্কার দেবে, ফিলিম ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর বানাবে। তাতে করে বেশ ঘেঁটে গেলো স্পেসটা। প্রথ্মজনের কথার দাম কমে গেলো।

    এবারে তাতে দেশের ভালো হলো কিনা সে নিয়ে এই লেখক নিজের বক্তব্য আপাতত নিজের কাছেই রাখছে।
  • dc | ১০ এপ্রিল ২০১৮ ১০:৪৪374328
  • "বুজি স্পেস ঘেঁটে ঘন্ট পাকিয়ে দেওয়াটা একটা ক্লাসিক দক্ষিন পন্থী চাল" - সে তো বটেই। সেজন্যই, পবতে ওটা দিদির একার কৃতিত্ব বলে মনে হয়না।
  • S | ১০ এপ্রিল ২০১৮ ১০:৪৭374339
  • দিদি টালিগন্জের ছাগল গুলোকে কাঁঠালপাতা খাইয়ে কাজ করিয়ে নিয়েছেন। তারানন্দে তারা যথাসময়ে খুব ব্যা ব্যা করেছে। এখন বেশি ট্যাঁ ফোঁ করলে সোজা কেটে কুকমির মশলা দিয়ে ঝোল বানিয়ে খেয়ে ফেলেন।
  • | ১০ এপ্রিল ২০১৮ ১০:৫৫374350
  • "এবারে লোকে সাধারণতঃ প্রথম জনের কথাকে মান্যি করে চলবে (যিনি সাধারণতঃ বাম পন্থী), বেদের মেয়ের পরিচালককে খিল্লি করবে (যাকে কিনে নেওয়া সুবিধে" -- কোন লোকরা খিল্লি করবে? তারা বাংলাভাষাভাষীদের কত শতাংশ?

    'বেদের মেয়ে জ্যোসনা' ১৯৮৯ এর সিনেমা। ভরপুর বাম আমলে কিরকম ব্যবসা করেছিল সিনেমাটি? মানে দিদি ইত্যাদিরা বুজি স্পেস ঘেঁটে দেবার ঢের আগে?
  • সিকি | ১০ এপ্রিল ২০১৮ ১১:০৮374361
  • প্রশ্নটা ব্যবসা দিয়ে নয়, কুমার শানুর ক্যাসেট চিরদিনই বড়ে গুলাম আলির ক্যাসেটের থেকে বেশি বিক্রি হয়েছে। দেশের স্বর্ণযুগেও দেশের থেকে সাপ্তাহিক বর্তমানের সার্কুলেশন বেশি ছিল - সেটা কথা নয়।

    বে-মে-জ্যো বেশি ব্যবসা করা সত্ত্বেও লোকে সত্যজিৎ রায়কেই বেশি সম্মান দিত, আমজনতাই দিত, বে-মে-জ্যো দেখতে যাওয়া বাঙালিরাই দিত, কিন্তু দেখত বে-মে-জ্যো। তখন সাব-অল্টার্ন জানত তারা মেনস্ট্রিমে মান্যতা পাবে না, তাই মেনস্ট্রিমকে দূর থেকে শ্রদ্ধাভক্তি করত। তারা তো বাঙালিই ছিল।
  • | ১০ এপ্রিল ২০১৮ ১১:১৪374373
  • কোন লোক? কোন আমজনতা? শহুরে ভন্ড দুমুখো বাঙালি?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন