এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • রোহিত ভেমুলার মৃত্যুর বিষয়ে কয়েকটি প্রশ্ন

    সত্য সন্ধানী লেখকের গ্রাহক হোন
    অন্যান্য | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ | ১৮৮৮০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sch | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৮:১৬703770
  • একক প্রশ্নটা নরেন দত্ত কতোবড়ো দার্শণিক তা ছিল না তো। তিনি ব্রিলিয়ান্ট কি না তাই ছিল। তিনি বড়ো ফিলোসফার ছিলেন কি না সে নিয়ে তক্ক শুদু হয় নি তো। দেখুন সত্যসন্ধানীর ডিফাইনড ইউনিভার্সিটির ব্রিলিয়ান্ট চ হাত্রদের কেউ পরের বছর অব্দিও মনে রাখেন না - আপনার সো কলড ফেমাস দার্শনিকদের ক'জন চেনে সে আপনিই জানেন - এই লোকটার নাম আপনার বাড়ির ঝাড়ুদার থেকে বস অব্দি সবাই জানে - ঠগ জোচ্চর বলে না - very bright or talented personality বলে। তাই তিনি ব্রিলিয়ান্ট।
  • ranjan roy | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৮:১৯703771
  • একক,
    বালছাল শব্দালংকার নয়, সিরিয়াসলি জানতে চাইছি--বেদান্ত নিয়ে কিছু অরিজিনাল থিংকার হিসেবে তুমি অরবিন্দ ঘোষ ও নরেন দত্ত-- কাকে দশে কত করে দেবে? মানে তোমার অ্যানালিসিস?
  • Ekak | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৮:২৯703772
  • "এই লোকটার নাম আপনার বাড়ির ঝাড়ুদার থেকে বস অব্দি সবাই জানে - ঠগ জোচ্চর বলে না - very bright or talented personality বলে।"

    বাল জানে। দত্তফুলিয়া গ্রাম, ২০০২ সাল। খোদ পশ্চিমবঙ্গের বুকে গ্রামের লোকদের আলোচনা করতে শুনেছি ....এবার রামকৃষ্ণ মিশন কে ভোট দেব। কথা বলে জেনেছি তারা রামকেষ্ট ঠাকুরের ছবি দেখলেও নরেন দত্ত নাম টাও জানে না।

    আর আমার বস ? একটা তামিল ট্যামব্র্যাম। হুলিয়ে কাস্টইস্ট। ও শুধু নরেন দত্ত কেন, ওরকম ব্রাহ্মণ্যবাদ ঘেঁষা অনেকেরই নাম জানে যাদের সঙ্গে আপনার পেয়ারের নরেন দত্তর নাম নিলে আঁতকে উঠবেন :)

    শুনুন, যে লোক সত্যিকারের ট্যালেন্ট এড তাকে লোকে কোনো একট বিষয় বা চিন্তা দিয়ে চেনে। যার কোনো বিষয় বা চিন্তা কিছুই নেই কিন্তু অনেক লোকে নাম জানে তারা হলো লোক খ্যাপানো রাজনীতিবিদ, ধর্মীয় গুরুবাবা এই ধরনের লোকেরা। দে আর গুড শো ম্যান। ব্যাস।

    হাতে গরম প্রমান দিচ্ছি, হাজার জন কে জিজ্ঞেস করুন কিয়ের্কেগার্দ কে ছিলেন, কি লিখেছিলেন। মোস্ট প্রবাবলি সাড়ে নশো লোক নাম ই শোনে নি। কিন্তু যাঁরা জানে তারা বলে দেবে ওনার অরিজিনালিটি কোথায়।
    উল্টোদিকে ওই হাজার জন কেই জিজ্ঞেস করুন নরেন দত্ত কে ছিলেন। মিনিমাম পাঁচশ জন চিনতে পারবে। কিন্তু প্রচুর চেল্লামিল্লি হাব্রাহাব্রী করেও কোনো অরিজিনাল থট এর উল্লেখ করতে পারবে না যা তিনি দিয়ে গেছেন।

    এটাই পার্থক্য :)) নাম করা অব্স্ত্রেত্রিশিআন এর নাম যত লোক শুনেছে তার একশ গুন বেশি লোক ডি কে লোধ এর নাম ও ছবি চেনে মানেই ডি কে লোধ ব্রিলিয়ান্ট বা অরিজিনাল হয়ে জাননা :)))
  • Ekak | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৮:৫৭703773
  • রঞ্জন দা,

    এভাবে তুলনা করার অধিকারী আমি নই। আর দ্বিতীয়ত, অরবিন্দ কে একজন চিন্তাবিদ হিসেবেই দেখি "ফিলোসফি অফ রিলিজিওন" ফিল্ড এ। সেক্ষেত্রে ওনার যা লেখাপত্র পড়েছি, নরেন দত্তর সেরকম কোনো লেখা পাই নি। অরবিন্দ বোঝার চেষ্টা করছেন উপনিষদ এর সময় টা, কোড বাহায়ন্দ কোড ঘাঁটছেন। ভেরি স্ত্রাক্চার্দ থট প্রসেস যেটা ওই শতাব্দীর পাশ্চাত্য দার্শনিক দের চিন্তা পদ্ধতির সঙ্গেও যায়। অরবিন্দ একজন প্রামান্য সুত্রকার।
    সেখানে নরেন দত্ত দুটো সেন্টেন্স একটু গভীর কথা বলার চেষ্টা করেই আবার থার্ড সেন্টেন্স এ ধর্ম প্রচারক সত্বা নিয়ে চেগে ওঠেন ! কাজেই আদৌ অরবিন্দের সঙ্গে নরেন দত্তর তুলনা হয় কি ?

    আমার এখনো অবধি নরেন দত্তর লেখাপত্র পড়ে -কাজকর্ম পড়ে যা মনে হয়েছে : ওনার মাথায় শংকর হওয়ার ভুত সোয়ার হয়েছিল। শংকর নিজে যেমন ক্লোসেট বুধ্ধিস্ট হয়েও ব্রাহ্মণ্য উত্থান ঘটান একা হাতে, নরেন দত্ত ও ভেবেছিলেন মনে মনে চরম স্কেপটিক হয়েও উনি ভক্তিবাদের উত্থান দিয়ে জনগণ কে বাঁধবেন। এই করতে গিয়ে নিজের স্কলার সেল্ফ টা ধ্বংস করে ফেলেন। এবং পাতার পর পাতা পরস্পরবিরোধী বক্তব্য আর লোক তাতানো ডায়ালগে মজে যান। জোশিলা পুরুষ ছিলেন সন্দেহ নেই, প্রথম জীবনে ডিরোজিও দের উত্থান -সেখানে মেধাবী উচ্চবিত্ত দের ভীড়-এসব দেখে মনে পরতি বড়লোক পরিবারের সন্তান নরেন এর মনে একটা প্রতিশোধ কাজ করে থাকলে আশ্চর্য্য হবনা, তাই পারিবারিক-অর্থনৈতিক সংকট, বড় কিছু করার স্বপ্ন এসব একজায়গা হয়ে রামকৃষ্ণের থিওরি কেই আঁকড়ে এগিয়ে যান। কিন্তু ফাঁক টা রয়েই গ্যাছে। শংকর সবাই হয়না। মানে ভারতের ধর্ম -রাজনৈতিক ইতিহাসে ওই একজনই।
  • 0 | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৯:১৫703774
  • কয়েক বছর আগে নাস্তিকতা নিয়ে অভিজিতের একটা লেখায় কিয়ের্কেগার্দের ব্যক্তিভিত্তিক আস্তিকতার সমালোচনা দেখেছিলাম একজন পাঠকের কমেন্টে - তখন অল্প কিছু জেনেছিলাম। তাপ্পর এই আবার এককের লেখায় ওনার নাম দেখলাম :-)
  • ইয়ে | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৯:২৭703775
  • ভালো ডিসকোর্স হচ্ছে, মানে টুকটাক গালাগালগুলো সমেত। হেব্বি ভালো লাগছে পড়তে। দুজনকে একটাই অনুরোধ - গালাগালগুলোকে ফেস ভ্যালুতে নেবেন না, পার্সোনালি নেবেন না। আলোচনা হোক।
  • Robu | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২০:০৪703776
  • ঠিক। চলুক। ভাল লাগছে।
  • Robu | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২০:০৭703778
  • শুধু ঠসকো পাছা ব্যাপারটা কেউ যদি বুঝিয়ে দ্যান (ছবিসহ), ভাল হয়।
  • Robu | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২০:০৭703777
  • শুধু ঠসকো পাছা ব্যাপারটা কেউ যদি বুঝিয়ে দ্যান (ছবিসহ), ভাল হয়।
  • sch | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২১:৪২703780
  • কিয়ের্কেগার্দের নাম আমি শুনিনি - তাতে তিনি কম মহান বা আমি বেশী গাণ্ডু কোনোটাই প্রমাণ হয় না আবসলিউট স্কেলে। আর বিনা ভণ্ডামিতে স্বীকার করা ভালো ভারতীয় দর্শণে আমার জ্ঞান শূন্যের অল্প নিচে। কারণ আমি আগ্রহী নই বিষয়টিতে। তবে তাতে নরেন দত্ত'র ব্রিলিয়ান্স বিচার করতে অসুবিধে নেই। একক চাইছেন প্রমাণ করতে যে লোকটা একটা ফেইলড রিলিজিয়াস লিডার, শঙ্কর হতে চেয়ে হতে পারে নি। (এরকম কোনো স্টেতমেন্ট দিয়েছেন কি কোথাও নরেন দত্ত? career objective: becoming shankar)

    আমি মনে করি লোকটা ওসব কিচ্ছু করতে চায়ই নি - শুধু একটাই কথা বলতে চেয়েছিল লোকের জীবন বদলে দেওয়ার জন্যে কিছু করো বাবা। ভারতীয়রা পাতার পর পাতা থিয়োরী কপচাবে কিন্তু মাঠে নেমে কুটোটি নাড়বে না। সেই লোকগুলোকে ঘা মেরে জাগাতে চেয়েছিল। আর অদ্ভুত ব্যাপার সেই সময়েই যে কিছু লোকজন জেগেছিল শুধু তা নয় আজ দেড়শো বছর পরেও লোকে তার কথা পড়ে চেগে যায় - ওই কি জানি বলে বার খেয়ে কেউ সেবার কাজে ঝাঁপ দেয় কেউ আবার সন্নিসি টন্নিসি হতে যায়।

    এখন সমস্যা হচ্ছে কিয়ের্কেগার্দের বাণী ও রচনা পড়ে থম মেরে কিছুক্ষণ বসে থেকে দু'পেগ মাল খেলাম - একটু গাঁজায় টান দিলাম, টয়লেটে গিয়ে মাস্টারবেট করে ঘুমিয়ে পড়লাম আবার পরদিন অফিস গেলাম -- আর নরেন দত্তের লেখা পড়ে চেগে টেগে গিয়ে পরদিন মিশনে গিয়ে বললাম আমি আর তো কোনো কাজে লাগব না - একটা হাজার টাকার চেক দি আপনাদের ত্রাণ তহবিলে। কোনটা বেশী কাজের কে জানে। শুধু এই রামকৃষ্ণ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠান তৈরী করার জন্যেই তিনি ব্রিলিয়ান্ট। জাস্ট ব্রিলিয়ান্ট। এতো কলহপ্রিয়, কুচুটে ভারতীয়দের যে একটা working প্ল্যাটফর্মে আনা যায় সেই কাজের জন্যেই তিনি ব্রিলিয়ান্ট। ব্রিলিয়ান্ট লিডার, ইন্টিগ্রেটার, ব্রিলিয়ান্ট অরগানাইজার।

    সুভাষ বোসকে একক ফেইলড ওয়ার লিডার বা বুদ্ধিহীন পলিটিশিয়ান প্রমাণ করে দেবেন - কিন্তু সেই লোকটার আকাডেমিক্স কিন্তু বিলিয়ান্ট (ম্যাট্রিকে সেকন্ড, ICS এ 4th)। সেই লোকটা বলে কি না "‘আমার জীবনে যখন বিবেকানন্দের আবির্ভাব ঘটে, তখন সবে পনেরয় পড়েছি। তারপর আমার মধ্যে শুরু হলো এক বিপ্লব। ...।" কি গাণ্ডু মাইরি এই বোস - ফিলোসফির গ্রাজুয়েট হয়ে কিয়ের্কগার্ড না মাড়িয়ে গেল বিবেকানন্দ মাড়াতে। এই জন্যেই বোস নিয়ে পুড়কি ন্যালাখ্যাপা বাঙ্গালীর।

    কিন্তু মুস্কিল হচ্ছে আরেকটা বোস - সত্যেন বোস - সেমাইরি কিন্তু সত্যি ব্রিলিয়ান্ট ছিল রেজাল্টে - সব ফার্স্ট সেকেন্ড ছাড়া হত না - আবার কি সব আবিষ্কার করেছিল - সেও বলে কি না
    "wherever he went, people who had his contact could experience this life-force and were, consequently, rejuvenated. There hardly was anyone more capable than him to arouse the people of our country from their deep illusory"। শালা এও বলে কি না যে লোকটা চাজ্ঞিয়ে দিত।

    আরো একটা বোস, মানে জগদীস বোস - সায়েন্টিস্ট হিসেবে সে কিন্তু "ব্রিলিয়ান্টের" তকমাধারী - সেও নরেন দত্তকে নিয়ে উলুত্তপুলুত হত।

    বাঙ্গালীর বোস নিয়ে নালে ঝোলে হয় আর বোসেদের আবার দত্ত নিয়ে বাড়াবাড়ি।
    কিয়ের্কগার্ডের বাণী পড়ে নেতানো পুরুষাঙ্গও দাঁড়ায় না - স্বাভাবিক - কিন্তু এই নরেন দত্তের কথায় বার খেয়ে বেশ কিছু পুরুষ চেগে গেছিল। এই পার্থক্য আর কি।-

    আর ব্রাহ্মন্যবাদ প্রতিষ্ঠা তো করতেই চেয়েছেন - তাই নরেন দত্ত ফস করে বলে বসলেন - " “নূতন ভারত বেরুক, বেরুক চাষার কুটির থেকে, জেলে, মালো, মুচি, মেথরের ঝুপড়ির মধ্য থেকে, ভুনাওয়ালার উনুনের পাশ থেকে...” -শালা কি সাহস মাইরি। তারপরও কিন্তু কেউ তাকে জেলে ভরে বা একঘরে করে রাখতে পারল না। সুইসাইডও করল না। নিজের রাস্তায় হেঁটে গেল - ব্রিলিয়ান্ট মাইরি।

    একক কিন্তু এই সব কিছু জানেন - বিবেকানন্দের দশ খণ্ড আমার থেকে ঢের ভালো ভাবে পড়েছেন কিন্তু যেটা করছেন সেটা হারামিপনা - তক্কের খাতিরে।

    আর নরেন দত্তের এত দুর্দিন পড়ে নি যে আমার মতো নিম্নমেধার ছাগলকে তার ব্রিলিয়ান্স প্রমাণ করতে হবে - তবু লিখছি - ওই যে নিঊটনের তৃতীয় সূত্র মেনে - একসনের বিপরীত রিএকসান - এককের হারামিপনার কাউন্টার। আর লোকটাকে ভালোবাসি বলে। সে ভালোবাসাটা আসে লোকটার ব্রিলিয়ান্স দেখে - ট্যালেন্ট দেখে - মাইরি একা একা এতো কিছু করে ফেলল - অর্ণব গোস্বামী ছাড়াই এই হিন্দুবাদী গাণ্ডুগুলোর মুখে ঝামা ঘষে নিজের কাজ করে গেল!!!!

    ব্রিলিয়ান্ট মাইরি
  • সে যদি বলেন | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২২:০৫703781
  • অনেক তুখোড় ব্রিলিয়ান্ট লোক সাঁইবাবা জ্যোতিষ আংটি তিরুপতি ইত্যাদির ভক্ত। তাই দিয়ে কী প্রমাণ হয়, তারা ব্রিলিয়ান্ট নয়?
  • T | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২২:১২703782
  • কেষ্ট বলিতে লাগিল 'প্রেম সম্বন্ধে লোকের অনেক বড় বড় ধারণা আছে। চন্ডীদাস বলেছেন নিমে দুধ দিয়া এক্ত্র করি ঐছন কানুর প্রেম। রাশিয়ান কবি ভডোকাউস্কি বলেন প্রেম একটা নিকৃষ্ট নেশা। মেটস্নিকফ বলেন প্রেমে পরমায়ু বৃদ্ধি হয়, কিন্তু ঘোল আরো উপকারী। মাদাম দে সেঁইয়া বলেন প্রেমই নারীর একমাত্র অস্ত্র যার দ্বারাপুরুষের যথাসর্বস্ব কেড়ে নেওয়া যায়। ওমর খয়য়াম লিখেছেন প্রেম চাঁদের শরবত কিন্তু তাতে একটু শিরাজী মিশুতে হয়। হেনরি দি এইটথ বলেছিলেন প্রেম অবিনশ্বর, একটি প্রেমপাত্রী বধ করিলে আর দশটি এসে জোটে। ফ্রয়েড বলেন প্রেম হচ্ছে পশু ধর্মের ওপর সভ্যতার পলেস্তারা। হ্যাভেলক এলিস বলেন --'
  • sosen | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২২:৩২703783
  • এই লোকগুলোকে টেনে এনে লাভ কি? মানে নরেন দত্ত, রাকৃ, এদের কথা বলছি, এরা তো কারোর বিশেষ কোনো ক্ষতি করেন নি? বেঁচেও নেই। যাঁরা বিভিন্ন স্বার্থে প্রোজেক্ট করছেন তাদের ব্যাপার থেকে এতে চোখ সরেই যায়। আমার ডি কে লোধের সঙ্গে বিবেকানন্দের তুলনাটা বাড়াবাড়ি ঠেকছে।
  • cm | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২২:৩৯703784
  • সবিনয় নিবেদন নিউটনের তৃতীয় সূত্র ছাড়ান দেওয়া যায়?
  • এই | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২৩:০৩703785
  • এককের বডির নিচের দিকে শুয়োর চোদনার এত নজর। ঠসকো পাছার ওপরে বেশ লোভ আছে বোঝা যাচ্ছে।
  • sch | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২৩:০৬703786
  • সে যদি বলেন সাঁইবাবা তিরুপতিতে ভক্তি রাখা এক কথা আর "সে আমার পুরো চিনা বদলে দিল" বলা আরেকরকম। দুটোর মধ্যে কোনো যোগ আছে বলে তো মনে হয় না।
    আর অন্যদের প্রসংগ আসত না - ওই যে কিয়ের্কগার্ড চলে এলো ডিগবাজী খেতে - খেতে - অরবিন্দও চলে এলেন - তাই বাকিরাও। স্ট্যান্ড এলোন যুক্তিও কিছু দেওয়া হয়েছে মনে হয়।
  • b | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২৩:১০703787
  • 11:03 বেশ বাজে লাগলো।
  • চাপ নেবেন না | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২৩:২২703788
  • বাজে লাগার জন্যেই বলা। এই জীবটি মাঝে মাঝে এসে ঠিক এই লেভেলের খিস্তি মেরে যান, সরাসরি আলোচনায় অংশ নেন না। অ্যাড ব্রেক হিসেবে কনসিডার করে নিন।
  • lcm | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২৩:২৭703789
  • কিন্তু, কিয়ের্কেগার্ড এবং লোধ - এরা কারা? দার্শনিক?
  • ডি কে লোধ | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২৩:৩২703791
  • cb | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২৩:৩৩703792
  • ডি কে লোধ মানুষের জীবনে এক নতুন প্রাণশক্তির সঞ্চার করে চলেছেন বহুদিন ধরে, সুতরাং দর্শন ব্যাতীত ও ওনার প্রবল প্রভাব আছে বাঙ্গালীদের উপর

    কিয়েকের্গার্ড সম্বন্ধে জানি না
  • sch | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২৩:৩৫703793
  • @cb, ডি কে লোধ কি সত্যি কিছু করতে পারেন? মানে প্রমাণিত? না কি এটাও ওই ক'দিন আগে কুমুদির ক্যান্সার চিকিৎসার মতো একটা মিথ
  • cb | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২৩:৪০703794
  • ধুত, উনি তো মিথ। ওনার কাল্ট ফলোয়িং। কাজ করে কি না করে হু কেয়ারস? হাজরা মোড়ের পাবলিক মুতখানায় ওনাকে গত ১৭ - ১৮ বছর ধরে দেখে আসছি :P

    আমি তো লসাগুদাকে ব্যাখ্যান দিচ্ছিলাম। কোন শালা ছবি লটকে চলে গেল মাঝখান থেকে!!!
  • lcm | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২৩:৪৪703795
  • বোঝো!
  • sch | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২৩:৫২703796
  • তাহলে আরো কেউ আছ এ কিয়ের্কগার্ডের নাম শোনেনি - বাঁচলাম - নিজেকে অল্প কম মূর্খ মনে হচ্ছে
  • b | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২৩:৫৩703797
  • এই বৈদ্যরাজ হ্যানা ত্যানা, কিম্বা ডি কে লোধ, ইত্যাদি, এনাদের সম্পর্কে অ্যাকটা স্টাডি করলে হয়। এনারা সবাই কেন বিলো দ্য বেল্ট রোগের চিকিৎসা করেন? কাশি/সর্দি/ হাঁপানি/মেনিঞ্জাইটিস/গ্যাস্ট্রিক আলসার সবই এনাদের এক্সপার্টিজের বাইরে।
  • sch | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০০:০১703798
  • এ বাবা এটা আবার একটা প্রশ্ন - ওগুলোর রেজাল্ট শেয়ার করা যায় বা তো। ভাবুন তো একজন পেসেন্ট অন্যজঙ্কে বলছে আমার সেরকম কাজ হয় নি - অ থবা আমি খুব উপকার পেয়েছি। যে কোনোটা মানেই কিন্তু অনেক কিছু স্বীকার করে নেওয়া। :P
  • Ekak | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:৪৮703799
  • যথারীতি রাক্রিমি ভক্ত দের লাস্ট রিসর্ট ফিলানথ্রপি তে এসে ঠেকেছে :)

    সারা দেশে শত শত এনজিও ফিলানথ্রপি করে। তার মধ্যে অনেকেই কোনরকম ধর্মপ্রচার না করেও ফিলানথ্রপি করে। সাইবাবা র হাসপাতালে যে লেভেল চিকিত্সা হয় তা সেবা প্রতিষ্ঠান কোনদিন রীচ করতে পারবেনা। তাই বলে ওই সাইবাবা কে ব্রিলিয়ান্ট বলতে হবে ? ফিলানথ্রপি একটা কমপ্লিটলি আলাদা পার্ট। শুধু ফিলানথ্রপি করলে কেও রাক্রিমি নিয়ে এত কথা বলতনা।

    এটা এদের চেনা ছক। প্রথমে বললেন নরেন দত্ত কটা থান ইঁট বই লিখেছেন। বই বলতে তো সাবজেক্ট বোঝায়। কোন সাবজেক্টে ওনার ব্রিলিয়ান্স প্রশ্ন করায় কোনো উত্তর নেই। ঝোপে ঝাড়ে বাল বীচি বকেই চলেছেন। একটা বই ই বলুননা নরেন দত্তর লেখা যাতে এমনকি উনবিংশ শতাব্দীর নিরিখেই অরিজিনাল কিছু আছে। কিয়ের্কেগার্দ এর নাম নেওয়া এই কারণেই যে উনি ফিলোসফি অফ রিলিজিওন এর লোক। আর নরেন দত্ত কে রাক্রিমি ইন্ডিয়ান কালচার এন্ড রিলিজিওন এর ফিলোসফার হিসেবেই প্রমোট করে বড় বড় বক্তৃতায়। কিন্তু তাদের আকাশ অন্ধ করা বক্তৃতায় সামান্য এই সারটুকু ও প্রমান হয়না যে ভদ্রলোকের অরিজিনালিটি কি।

    আমি কেন তর্ক করছি সেটা আপনি বলে দেবেন না। করছি শুনুন, পাল্টা করতে পারলে করুন। সবাইকে নিজের মত আতা খ্যান্চা পাবলিক ভাবলে সমস্যা আছে। এই তর্কগুলো আমরা অনেক ছোট বয়েস থেকে করছি। বরানগর রামকৃষ্ণ মিশনে যেবার মহিলা শিল্পী কে আহবান জানিয়ে স্টেজে উঠতে দেওয়া হয়নি সেবার আমাদের ব্যাচের ছেলেরাই ঝামেলা পাকিয়েছিল। তারপর কাগজে লেখালেখি শুরু হয়। উদ্বোধন পত্রিকায় কী লেভেলের আজগুবি উদ্ভট লেখা বেরয় সে আর বলার নয়। এরা মুখে বলবে অমুক সমন্নয় তমুক সমন্বয় কিন্তু আদপে এদের উদ্দেশ্য নরেন দত্ত নামের একটা খড়ের বাছুর খাড়া করা এবং আজ কুমারী পূজা কাল ঠাকুরের তিরোধান এসবে মেতে থাকা।

    রাক্রিমির ছাত্ররা অনেকেই মুখ খুলতে ভয় পায়। ভায়চারা নষ্ট হয়ে যাবে। তাছাড়া এখন কালেকটিভ উল্লুক্পনার যুগ। সবাই সবার দল সামলাচ্ছে। রামকৃষ্ণ মিশন একশ বছর "টিঁকে" আছে, এটা যাদের বিশাল ব্যাপর মনে হয় তাদের চিন্তাভাবনা ওই তগাদিয়া -ভাগবত দের চেয়ে কিছুমাত্র উন্নত নয়। "টিঁকে " থাকাটা প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য নয়। আজ যদি রাক্রিমি তে ইন্টান্যাশনাল পলিটিক্স - ওয়েস্টার্ন ফিলোসফির চর্চা হত ...............তাহলে বড়জোর এটা হত যে একদল নতুন ডিরোজিও আবার মিশনের সো কল্ড "ঐতিহ্য " কে কাঁচকলা দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানের ঘটি উল্টে দিত । কিন্তু তাতেও মানুষ মনে রাখত যে এই প্রতিষ্ঠান আর নেই কিন্তু সেখান থেকে কিছু ঝাল লঙ্কা মার্কেটে বেরিয়েছে।

    তার পরিবর্তে, সুষ্ঠু -সুন্দর -"সমন্বয় " পূর্ণ প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ফলশ্রুতি এই হয়েছে যে প্রচুর প্রচুর রঙ্গীন স্বাদহীন পপিচু ক্যাপসিকাম পয়দা হয়েছে। তিন ধরনের পাবলিক সংখ্যাগুরু। এক যারা বহুদিন পাশ করে বেরিয়েছে - ফালতু মিশন নিয়ে সমালোচনা করার চাপ নিতে চায়না, বন্ধু-বান্ধব পুনর্মিলন নিয়ে দিব্য আছে । দুই, যারা আশা রাখে এদিক ওদিক করে মিশনের কোনো সেন্টার এ প্রাক্তনী হিসেবে চাগ্রি তে ঢোকা যাবে। আর তিন নম্বর দল হলো একেবারে নিকৃষ্ট : এরা টিপিকাল "ভক্ত "। যে কোনো উদযাপন অনুষ্ঠানে খাতা-পেন্সিল নিয়ে চাঁদা কাটে, এদের রোয়াব সন্ন্যাসী দের চেও বেশি এবং দিনের শেষে পোঁতলা ভর্তি প্রসাদ খাবার বাড়ি নিয়ে যায়।

    কাজেই, ফিলানথ্রপি বাদদিয়ে যা কিনা অন্য আরও প্রচুর এনজিও খুব ভালোভাবেই করে থাকে, রাক্রিমির এমন কিস্যু নেই যা দেখিয়ে বলা যায় নরেন দত্ত একটা ব্যতিক্রমী ব্রিলিয়ান্স এর পরিচয় রেখেছিলেন। অন্যদের চেয়ে এদের যেটা এক্সট্রা ভাট সেটা হলো ওই ফিলোসফি অফ রিলিজিওন নিয়ে গুচ্ছের বই আর নরেন দত্ত কে মাথার ওপর তুলে বক্তৃতা। কাজেই সেটাকেই বারংবার প্রশ্ন করব যে তার মধ্যে একচুয়াল ব্রিলিয়ান্স কী আছে যা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ধর্ম -দর্শন নিয়ে যা পেপারস - যা আলোচনা হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখের দাবি রাখে। সেই উত্তর দিতে না পেরে আল -বাল-ছোলার ডাল বকে কোনো লাভ নেই।
  • avi | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৬:০১703800
  • এই রাকৃমি আর বিবেকানন্দ নিয়ে গুরুতে আগে মহাভারত লেখা হয়েছিল না?
  • d | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৬:০৪703802
  • হ্যাঁ সেই থেকে 'নির্মোহ ব' গুরু ভোক্যাবে ঢুকে গেছে।

    রাক্রিমি নয় রে বাবা রাকৃমি কৃ কৃ
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন