• টইপত্তর  বইপত্তর

  • ঐতিহ্যমন্ডিত বাংলা চটি সিরিজ

    sumeru
    বইপত্তর | ২৯ জানুয়ারি ২০১০ | ৩৭৬৬৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • h | 117.77.106.24 | ১৫ আগস্ট ২০১৭ ২০:৫৫434789
  • ওকে পিনাকি শেয়ার করে দেবো ভাবছিলাম একবার লেখক রা ছাড়া একবার ইপসিতা শুনে নিক জাক গে চাপ নেই । সব বিভিন্ন কন্ট্রিবিউটর কে একা কত সময় দেবে।
    অবিশ্যি যেকোনো ক্লিপ কে সম্ভাব্য কোনো রকম প্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা করার সোজা পদ্ধতি টা জানলাম, সেটা হল কেস টা লম্বা কোরে দেওয়া লোকে বোর হয়ে গিয়ে এইয়াক্ট করবে না, পহলাজ এর সঙ্গে এটা কেউ ট্রাই করলো না, হায়। ফোঙ্গে শেয়ার করা যাচ্ছে না, বাড়ি গিয়ে করছি।
  • pi | 57.29.246.211 | ২০ আগস্ট ২০১৭ ১৬:৪৬434792
  • ধনঞ্জয়ের ফাঁসি , আদালত , মিডিয়া ও সমাজকে প্রচুর প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়ে গেছে, যে প্রশ্নগুলো বহুদিনের গবেষণায় তুলে ধরেছেন, দেবাশিস সেনগুপ্ত, প্রবাল চৌধুরী, পরমেশ গোস্বামী। যে প্রশ্ন কিছু কিছু তুলতে শুরু করেছিলেন আরো কেউ কেউ, আরো আগে থেকেই। হালে মুক্তিপ্রাপ্ত ধনঞ্জয় সিনেমাতেও এসবের ভিত্তিতে নানা প্রশ্ন তুলে ধরা হয়েছে।
    যে প্রশ্নমালা একগুচ্ছ অসংগতির ুপাখ্যান।
    এসব পড়ে দেখে শুনে পাঠক দর্শকদের মধ্যেও মতামত তৈরি হয়েছে, আরো প্রশ্নও জেগেছে কারুর কারুর মনে।
    যাঁরা এখনো পড়েননি বা দেখেননি , তাঁদের মনেও অনেক প্রশ্ন।
    এরকম নানা প্রশ্ন, তার উত্তর, নানা মতামত, বিবিধ অভিজ্ঞতা ইত্যাদি প্রভৃতি এসব কিছু নিয়েই কাল কথাবার্তা বলতে আসছেন লেখক, অভিনেতা, পরিচালক, চিত্রসমালোচক, আইনজীবীরা।
    কাল, ২১ তারিখ বিকেলে ধনঞ্জয় এবং ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট শীর্ষক একটা আলোচনাচক্র অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, এলগিন রোডের স্টোরিতে। বিকেল ৫ঃ০০ টা থেকে।

    আপনাদের শোনার, প্রশ্ন করার থাকলে চলে আসুন।
    ফেসবুকে লাইভও করা হবে, যাঁরা যেতে পারবেন না, কাল বিকেল ৫ঃ০০ র সময় এখানে নজর রাখুন।

    প্যানেলিস্টঃ
    দেবাশিস সেনগুপ্ত, অধ্যাপক ও 'ধনঞ্জয়ের ফাঁসি , আদালত , মিডিয়া ও সমাজ' এর লেখক
    অরিন্দম শীল, 'ধনঞ্জয়' এর পরিচালক,
    সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়, অধ্যাপক ও চিত্রসমালোচক
    সঞ্জয় বসু, আইনজীবী
    কৌশিক গুপ্ত, আইনজীবী
    অঞ্জন দত্ত, পরিচালক ও অভিনেতা
    সুদীপ্তা চক্রবর্তী, অভিনেত্রী
  • pi | 57.29.246.211 | ২০ আগস্ট ২০১৭ ১৬:৪৬434791
  • আরে আমি তো পুরৌ শুনেছি। ইউটিউবে তোলা চলছে।
  • | ২৯ আগস্ট ২০১৭ ২০:৩৪434793
  • আচ্ছা পাইয়ের ২২শে জুলাই, 4.22 এর পোস্ট -

    "এবার বাড়িতে বসেই গুরুর সব বই পেয়ে যান। ডেলিভারি চার্জ ও লাগবে না।
    শ্রী তরুণ শ কে ফোন করে বললে উনি আপনার ঘরে পৌঁছে দিতে পারেন। কোলকাতা ও আশেপাশে। ওনার নং টা রইল। একটা ফোন করলেই আপনার চাওয়া বই আপনার হাতে।
    তরুণদার নং ঃ ৯৮৩১২ ০১৪০২"

    এই ডেলিভারি চার্জ লাগবে না কথাটা ঠিক নয় যা দেখলাম। আমি সম্প্রতি কলকাতায় ধানাঞ্জায় ডেলিভারি করালাম। তরুণ শ ৬০/- টাকা চার্জ করেছেন। ১১০ টাকার বইতে ৬০ টাকা ডেলিভারী চার্জ বেশ বেশী কিন্তু। অথচ তরুণবাবুর সম্পর্কে স্ক্রল ডট ইনে পড়েছিলাম উনি নিজেই নাকি সাইকেল নিয়ে ডেলিভারী করে আসেন, কাজেই চার্জ লাগে না ইত্যাদি। দেখা যাচ্ছে সেসব ঠিক নয়।
  • | ২৯ আগস্ট ২০১৭ ২০:৩৮434794
  • হ্যাঁ কোন্নগরে ডেলিভারীতেও বেশ হেফটি চার্জ করেছেন, তবে সেক্ষেত্রে আরো অন্য পাবলিশারদের বইও ছিল। একটি বইয়ের মলাট ছেঁড়া অবস্থায় পৌঁছেছে।

    এটা এখানে জানিয়ে রাখলাম কারণ যাঁরা তরণবাবুকে অর্ডার দেবেন তাঁরা যেন এইগুলো খেয়াল রাখেন। বই উনি অর্ডিনারি পোস্টে পোস্ট করে দেন। কাজেই সেসব স্নেল মেলে এক দেরহ সপ্তাহ সময় নিয়ে পৌঁছায়।
  • | ২৯ আগস্ট ২০১৭ ২০:৩৯434795
  • *দেড় সপ্তাহ
    ড্যমেজ হয়ে পৌঁছয়
  • pi | 57.29.203.108 | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৬:৫৯434796
  • হ্যাঁ, উনি ডেলিভারি চার্জ নিচ্ছেন, লোকজনের কাছে শুনলাম, এখানে আপডেট দেওয়া হয়নি।
  • i | 212.159.161.169 | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১৮:১৮434798
  • h এর বক্তব্যঃ
  • pinaki | 90.254.154.105 | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ২২:২৬434800
  • দুটো আলাদা ইউটিউব চ্যানেল গুরুচন্ডালি নামে। এরকম কেন? একটা হলেই তো ভালো হত।
  • pi | 57.29.206.10 | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০১:৪১434801
  • বড় ফাইল আপলোড করতে চাপ হয়, নেট স্পিড অনেকেরই ভাল না। এত আর কোঅর্ডিনেট করা যায়না।
    এমনিতেও বিস্তর চাপ।
    এটা আনতেই কতদিন লেগে গেল।
  • π | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১০:২৪434803
  • নির্বাচিত গল্পাপাঠ নিয়ে

  • π | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১০:২৪434802
  • নির্বাচিত গল্পাপাঠ নিয়ে

  • π | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১২:৪০434804
  • বন্দরের সান্ধ্যভাষা নিয়ে কুলদা রায়।

  • π | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১২:৪৩434805
  • বিপুল দাসের বই নিয়ে ইন্দ্রাণী ঃ

  • পাই | 24.139.221.129 | ১৩ অক্টোবর ২০১৭ ০২:০২434806
  • 'ভ্রমণকাহিনিই, তবে শুধুমাত্র ভ্রমণকাহিনি নয়। এ বই আসলে সাধারণ্যের ঘুম থেকে জেগে ওঠার গপ্পো। নিজের সামনে নিজেরই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেবার গপ্পো। বেড়ানোটা তো তার সাথে উপরি।
    পায়ের তলায় সর্ষে নিয়ে যারা বেঁচে থাকে, সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ে, শেষরাতের নির্জন হাইওয়ে যাদের হাতছানি দেয়, তাদেরই একজন লিখে ফেলেছে অতিসাধারণ এই বইটা। সব ঠিকঠাক চললে, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই প্রকাশিত হবে এ বই। আলাদা করে নেমন্তন্ন যাবে আপনাদের কাছে।
    আর, সেখানে দেখা না হলে, জানুয়ারি মাসে কলকাতা বইমেলা তো আছেই। দেখা হবেই। পথেই হবে এ পথ চেনা।
    আরও আপডেট আসবে ধীরে ধীরে। সঙ্গে থাকুন।'
  • পাই | 24.139.221.129 | ১৩ অক্টোবর ২০১৭ ০২:০৩434807
  • প্রচ্ছদ ঃ সায়ন কর ভৌমিক
    আলোকচিত্র ঃ লেখক
  • pi | 24.139.221.129 | ১৩ অক্টোবর ২০১৭ ০২:০৬434808
  • আগামী ২৩ নভেম্বর প্রকাশিত হতে চলেছে,

    স্বাস্থ্য (অ)ব্যবস্থা ঃ সম্পাদনা পুণ্যব্রত গুণ
    ------------------------------------------------
    স্বাস্থ্য ভারতীয়দের মৌলিক অধিকার নয়। তদুপরি '৪৭ পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে যে কল্যাণকর ভূমিকা পালন করার উদ্যোগ ছিল, রাষ্ট্র তার থেকে সরে আসছে গত শতকের নব্বই-এর দশকের শুরু থেকে। স্বাস্থ্য এখন মূলত পণ্য, পুঁজির চারণক্ষেত্র এবং মৃগয়াভূমি।
    এই অদ্ভুত ব্যবস্থায় নাগরিকের ক্ষোভ মেটাতে রাষ্ট্রের কোনও কার্যকর উদ্যোগ নেই, পরিবর্তে আছে কেবল একের পর এক ফাঁপা ঘোষণা। আর স্বাস্থ্যকর্মীদের, বিশেষ করে চিকিৎসকদের জনগণের রোষের সামনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া। যেন একমাত্র তাঁদের দোষেই মানুষ যথাযথ পরিষেবা পাচ্ছেন না।
    এই সংকলনে লিখেছেন চিকিৎসকরা, জনস্বাস্থ্য আন্দোলনের কর্মীরা, নীতিনির্ধারকরা।।।।যাতে বাস্তবটাকে বোঝা যায়, এবং সেই অনুযায়ী চলার পথ ঠিক করা যায়।



    প্রচ্ছদঃ চিরঞ্জিৎ সামন্ত, সায়ন কর ভৌমিক
  • পাই | 57.29.220.107 | ১৩ অক্টোবর ২০১৭ ১৫:৪৩434809
  • বিপুল দাসের কামান বেবির পাঠ-প্রতিক্রিয়াঃ অধ্যাপক রাজদীপ্ত রায়।

    কিছু কথা ছোটবেলা থেকে কোনও দিন কারও কাছে বলা হয়নি। যেমন বলা হয়নি যে ওয়ার্ডসওয়ার্থ পড়তে আমার কখনো ভালো লাগেনি। যেমন প্রতিটি বাংলা রোম্যান্টিক কবিতার আড়ালে আমি একটা না-বলা ইংরেজি কবিতা দেখতে পেতাম। যেমন খুব মৃদুভাবে লেখা, নরম, কুয়াশা কুয়াশা গন্ধমাখা পংক্তিগুলোর ফাঁকে নিরন্তর দেখতে পেতাম অভ্যস্ত চর্যার অসতর্ক অথচ অপ্রাণ প্রতিবিম্ব। এইসব লেখাগুলোতেই বড্ডবেশি চেনাবাঁক থাকত/ থাকে, আর তার আড়ালে কবিতাচর্যার কখনওই শেষ না হওয়া, ওই তাতুর ঠাম্মার আশরীর "ধুলোর গন্ধ... নারকোলের ভেতরে শাঁস পচে গেলে যেমন একটা তেল তেল গন্ধ হয় - তেমন" বাসি "মড়ার গন্ধ" বুঝি গমকে গমকে পাক খেতে থাকে। বললাম কবিতা ঠিকই, কিন্তু এই কাব্যদোষে দুষ্ট আমার বাংলা বুলির আপামর গদ্যময়তাও। এ সব ভেবেছি। বলা হয়নি। অস্বস্তি হয়েছে। শুধু গলা ছেড়ে চিৎকার করে উঠতে পারিনি। জানতাম এই ভাবনা, অসৎ ভাবনা, এ কথা কুকথা। বলতে নেই। মনে এলেও গিলে ফেলতে হয়। হঠাৎ অসাবধানে কাশির দমকায় মুখে চলে আশা কফের দলার মত। বেরিয়ে এলেই অপ্রস্তুত। একরাশ অপ্রতিভ বোকা ছেলে মার্কা দাঁতক্যালানো হাসি। ধরা পড়ে যাওয়া বেকুব বেহায়া। এ সবই হ'ত, এ সবই হয়েছে। আজীবন। সংকোচে। গোপনে। বুঝতেও পারিনি, অন্তত অবয়বে এতদূর বড় না হয়ে ওঠা পর্যন্ত, যে এই কুণ্ঠা-শরম মাখামাখি পাঠবোধ, বা আরোও খুলে বললে, এই guilt ridden anxiety of a failed reader আদতে আমার নীরবে বইতে থাকা অভ্যাস-ভূতগ্রস্থ পাঠ নিয়তি। যে উপনিবেশের শিক্ষাসংস্কার আমার পাঠচিত্র তৈরি করে, তার ঈজেলের একদিকে যদি আমি পাঠক সসংকোচ, গুটিসুটি, তবে ওই একই ফ্রেমের মাঝখানে আলো করে আমার রহস্যময়ী মোনালিজা বাঙালি লেখকের দুশোবছরের আভা আভা স্ফটিক স্ফটিক ইতিহাস বিস্তার। যে বিপন্নতার এতক্ষণ কাঁদুনি গাইলাম, এ পটচিত্রে তার পাহাড় পাহাড় কৃষ্ণ-দলনি স্তনপেষন থেকে না আছে মুক্তি লেখকের, না আছে তা পাঠকের। অতএব যে guilt উপনিবেশের genre-specific পাঠাভ্যাসে অমোঘ নিয়তি, তার শ্বাসরোধকারি খারাপ/ভালো মিশ্রিত কিছু একটা লাগা থেকে আমাদের কারোও অচেতন মুক্তি সম্ভব নয়। বড় হলাম। অনেক ভুল ভাঙল। বুঝলাম এ জন্মে লেখালেখি এই বান্দার হবে না। পাঠ নির্ভর প্রতিবন্ধী বোধে তাতুর মত শব্দ আর ভাষা আর অর্থ আর ম্রিয়মান সংশয়ে দগ্ধে দগ্ধে বিপন্ন অভিজ্ঞতায় নিজের অজান্তে খুঁজে মরতে হবে সারাজীবন নিজেকেই। আড়ালে প্রশ্নরা বুড়বুড়ি কাটবেই - কেন হয় আকাশের রঙ লাল? কেন অযথা anticipated ইমেজ লেখেন কবি? কেন ইনিয়েবিনিয়ে প্রেম আসে প্রতিবার? কেন বেড়ে ওঠার গল্পগুলোতে আমার সকাল থাকেনা? কেন বিভূতিবাবুর লেখার আড়ালে ভীড় করে আসে অনেক না-বলা কথা, বাক্য, অনুপস্থিত অভিজ্ঞতা? অথবা, কেনই বা ছোটবেলা থেকে শুনে আসা সমস্ত বাংলার মাস্টারমশাইদের কাছে অপুর বেড়ে ওঠাটাই আদর্শ জেনে বারে বারে শিউরে ওঠা, অপরাধ বোধে ভোগা!
    কারণটা, পরে, অনেক পরে, তলিয়ে দেখলাম এই আমাদের স্বাভাবিক, সিদ্ধ এবং/অতএব কাব্যিক বলে চালাতে চাওয়া, ভীষন repressive, ভীষন ঔপনিবেশিক সাহিত্য অভ্যেসের গেঁজে যাওয়া সংস্কৃতিটার হাড়ে মজ্জায় নিহিত। আমাদের সাহিত্য চর্চার একটি দিক খুলে দিয়েছিল ইংরেজি সাহিত্যের স্পর্শ। আমাদের কবি মানসে রোম্যান্টিক বিশুদ্ধতার বোধের বোধনও অনেকটা সেই স্পর্শের কাছে আভারী। কিন্তু গোলমালটা আবার বাঁধলও ওই স্পর্শের কারনেই। ইংরেজের রোম্যান্টিকতা অদ্ভুতুড়ে রকমের জীবনবিমুখ। সেখানে জীবনের কাব্য আছে, ঠিক, কিন্তু একইসঙ্গে আছে জীবনবোধের মধ্যিখানে এক অলম্বুষের মত দন্ডায়মান ক্ষমতা রাজনীতির সুচারু পদচারনা; সেখানে হৃদয় অন্তস্থ বোধের বা অনুভূতিগুলির মাঝে বৈষম্য তৈরি করা হয়; নিক্তিতে মাপা হয় প্রবৃত্তিদের। ঘোষণা হয় এরা এরা ভালো, সুতরাং কাব্যে বিবেচ্য, অথচ এরা এরা, যেমন যৌনতার বোধ, অশৈল, সুতরাং কাব্যে নৈব নৈব চ। অর্থাৎ আমরা শিখলাম যে কবিতায় বা গল্পে বেলাগাম প্রেমের বা যৌবন উন্মেষের ইমেজ নির্ভর সিম্বলিক চারুবর্ণনা থাকবে কিন্তু কখনওই শিউরে-ওঠা যৌনতার প্রথম জ্ঞানের শিরশিরে অপরাধময় এপিফ্যানি থাকবেনা। ফলাফল, আমরা পথের পাঁচালি পেলাম, অপুর বাসা ও ট্রেন গাড়ি খুঁজে পেলাম নিজের ভেতরে, অথচ নিজের বেড়ে ওঠার কূট-ন্যারেটিভে স্কুলের দেওয়ালে লেখা বা আঁকা নারী/পুরুষ অংগের অতিসরলিকৃত ইটের রেখাচিত্র দেখে ফেলার কোন অপরাধ বোধ অপুর ভেতরে কোথাও নেই দেখে একটা সময় নিজেকে অ-বাংগালি, বা নরাধম ভাবতে আরম্ভ করেছিলাম অনেকদিন ধরেই।
    বিভূতিবাবুকে সামনে রেখে বাঙালীর শৈশব নির্মাণ একটি একরৈখিক গড়ন, অসামান্য রোম্যান্টিক ও কাব্যিক - সন্দেহাতীত - কিন্তু ততটাই নির্দিষ্ট স্থান-কাল-পাত্র নির্ভর, নিরপেক্ষ নয় এবং, সর্বোপরি, বাংলা নামক বিস্তৃত জনপ্রদেশের সমস্ত বহুজনতা বা বহুরৈখিক অভিজ্ঞতার ধারকপাত্র নয়। কথাটা জোরের সংগে বলব বলেই এই লেখাটার বা বলা ভালো এই আত্মকথনটির প্রাথমিক ভাষ টুকু প্রয়োজন ছিল। এই একরৈখিকতার দায় কোনভাবেই বিভূতিবাবুর নয়। তিনি যেভাবে ইংরেজ পরিপুষ্টি তে দেখতে বা ভাবতে অভ্যস্ত ছিলেন, তাই লিখেছেন। দায়টা আমাদের, পাঠকদের এবং আমাদের এই বাঁধাগতের সংস্কৃতি নির্মানের অভ্যাসের। বাঙালি, অন্তত এই সেদিন পর্যন্ত এতে নিরাপদ বোধ করত। আমি নবারুণকে সেলাম করি তিনি নির্দ্বিধায় এই নিরাপদ repression-এর নিগড় থেকে ভারতীয় সমাজবোধকে মুক্তি দিয়েছেন বলে। নবারুণে, আমি মনে করি, ভারতীয় বামপন্থার চিত্তশুদ্ধি ঘটেছে। তেমনিই, আমি মনে করি, তোমার হাতে, হয়ত আরোও এক-দুজনেরই মতো যদিও সেসব লেখকেরা সংখ্যায় নেহাতই কম, বিভূতিবাবুর মডেল শৈশব নির্মাণের কালশুদ্ধি ঘটেছে। Repression-এর ছুঁতমার্গ কাটিয়ে, সাবলীল শৈশব শৈল্পিক অথচ নির্ভার কথা ফুটিয়েছে আন্তর্গ্রন্থীয় মরমী ন্যারেটিভে। অসামান্য কাজ তোমার এই "কামান বেবি"। আমার ইন্দির ঠাকরুন আমি অবলীলায় পেয়ে যাই তাতুর ঠাম্মির মধ্যে। আমার সুপারিগাছের সারিভরা ডুয়ার্স শৈশব গুনগুন করে বাতাসির পলাশ-শিমুলের চরে। আমার দুর্গাদিদিরা অবৈধ সংসর্গের রাত্রি যাপন করে ভয়ে আশংকায় কাঁটা হয়ে। আর আমি, তাতু বা অপু বা আরোও আরোও অন্য অনেক এই প্রত্যন্ত বাংলাপ্রদেশের কোনে কোনে পাতাকুড়ানির দেহবল্লরীতে চুরি করে দেখে ফেলা অপার বিস্ময় দেখতে দেখতে ক্রমান্বয়ে ডিসপ্লেসড হতে থাকি, হতেই থাকি এ ভব অরণ্যের আনাচে কানাচে। একবার, বার বার, বহুবার। আমার আর guilty-feeling হয়না বিপুলদা। আমি এখন জানি যে অপুর নিটোল পাপগন্ধহীন শৈশব আমার না হলেও তাতুর un-repressed ন্যারেটিভটি অন্তত আমার শৈশবের কথা বলে। আর আমি এও জানি এখন যে, সারল্য শুধুমাত্র কিছুকথাকে ট্যাবু করে না বললেই রক্ষিত হয়না। সব কথা নির্ভার বলেফেলার মধ্যেও একই নিষ্পাপতা, সারল্য থাকে, যা বলতে জানতে হয়।
    "আচ্চজ্জ ঘটনা"।

    _---------------------------------
    বইটি পাওয়া যাবে কলেজ স্ট্রীটে ধ্যানবিন্দু, দেজ, উবুদশ, দে বুক স্টোরে।

    অনলাইনে এ

    এছাড়াও, এবার বাড়িতে বসেই গুরুর সব বই পেয়ে যান।
    শ্রী তরুণ শ কে ফোন করে বললে উনি আপনার ঘরে পৌঁছে দেবেন। ওনার নং টা রইল। একটা ফোন করলেই আপনার চাওয়া বই আপনার হাতে।
    তরুণদার নং ঃ ৯৮৩১২ ০১৪০২
  • পাই | 57.29.218.255 | ২১ অক্টোবর ২০১৭ ১৭:৪০434811
  • অভিষেক সরকার গুডরিডসে লিখেছেন,

    এ বই শিল্পবিপ্লবোত্তর ইউরোপের আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়ার ডায়াস্পোরা নিয়ে এক আশ্চর্য ভাষ্য। লেখক খুব সরল কথায় তুলে এনেছেন ওই যুগের ইউরোপীয় মানসিকতার অহং এবং প্রবৃত্তির অংশগুলো। যা তারপরে নিয়ন্ত্রণ করে চলবে বিশ্বজুড়ে ইউরোপের কলোনীগুলোকে। এবং তাদের আধুনিক বহমান হালহকীকতকে।
    লেখকের মেধাবী কলমের আঁচড়ে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে পোস্ট কোল্ড ওয়ার যুগের দুনিয়াব্যাপী অবস্থান।ইউরোপকেই মানদন্ড ধরে আধুনিক বিশ্বমুখীনতার নামে যে ইউরোপকেন্দ্রীক বোধ ও ভাবনা তার সূত্রপাতে এশিয়ার কলোনীরা য্যামোন হয়ে উঠেছে 'উচ্ছিষ্ট ইউরোপ' ত্যামোনই আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়া হয়ে উঠেছে খোদ ইউরোপেরই উদ্বৃত্ত শক্তি। এই আলো আঁধারের মধ্যেই আজও যে বিগত ইতিহাসের স্বর ভেসে যায় সিডনি কিম্বা নিউ ইয়র্কের বন্দরে তারই খোঁজ করেছে এই বই।
    এ বই আরও বড় হতে পারে আরো বড় পরিসর ব্যাপ্ত করে , ভবিষ্যতে লেখক যদি চান। কিছু সরলীকরণ তাহলে আরও বিস্তৃত হতে পারে আমাদের মতন সাধারণ পাঠকের জন্যে।
    যারা এই রিভিও পড়বেন তাঁদের বলবো পারলে এই বই সংগ্রহ করে পড়ুন, পড়ান। সরল সমাজতত্ত্বের বাংলা বই সহজবোধ্য নয় সচরাচর। এই লেখকের কলমে কিন্তু সে গুণ আছে।

    https://www.goodreads.com/review/show/2158447231!
  • pi | 57.15.11.155 | ২৯ অক্টোবর ২০১৭ ১৪:২০434812
  • কাল প্রকাশিত হতে চলেছে।

    প্রকাশিত হচ্ছে কাল। মৌলালি যুবকেন্দ্রে স্বাস্থ্য নিয়ে কনভেনশনে। বিকেল চারটে থেকে।
    স্বাস্থ্য ভারতীয়দের মৌলিক অধিকার নয়। তদুপরি '৪৭ পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে যে কল্যাণকর ভূমিকা পালন করার উদ্যোগ ছিল, রাষ্ট্র তার থেকে সরে আসছে গত শতকের নব্বই-এর দশকের শুরু থেকে। স্বাস্থ্য এখন মূলত পণ্য, পুঁজির চারণক্ষেত্র এবং মৃগয়াভূমি।
    এই অদ্ভুত ব্যবস্থায় নাগরিকের ক্ষোভ মেটাতে রাষ্ট্রের কোনও কার্যকর উদ্যোগ নেই, পরিবর্তে আছে কেবল একের পর এক ফাঁপা ঘোষণা। আর স্বাস্থ্যকর্মীদের, বিশেষ করে চিকিৎসকদের জনগণের রোষের সামনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া। যেন একমাত্র তাঁদের দোষেই মানুষ যথাযথ পরিষেবা পাচ্ছেন না।
    এই সংকলনে লিখেছেন চিকিৎসকরা, জনস্বাস্থ্য আন্দোলনের কর্মীরা, নীতিনির্ধারকরা।।।।যাতে বাস্তবটাকে বোঝা যায়, এবং সেই অনুযায়ী চলার পথ ঠিক করা যায়।
    প্রচ্ছদ ঃ চিরঞ্জিৎ সামন্ত, প্রচ্ছদ সহায়তা ঃ সায়ন কর ভৌমিক
  • pi | 24.139.221.129 | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:১৯434813
  • গুরুর বইচই।
    ৯ ডিসেম্বর ২০১৭ বিকাল সাড়ে ৪টে।

    কল্লোলের 'কারাগার বধ্যভূমি ও স্মৃতিকতকথা' নিয়ে বলবেন শিবাংশু দে।
    আলিসিয়া পার্টনয়ের 'দ্য লিটল স্কুল'এর ভাবান্তর জয়া মিত্রের কলমে, 'অবান্তর পাঠশালা', আর্জেন্টিনার
    গোপন বন্দিশালার ডায়রি, বইটি নিয়ে বলবেন অভিষেক সরকার।
    দীপ্তেনের 'আমার সত্তর' নিয়ে বলবেন, তাপস দাশ।

    কল্লোল লাহিড়ীর ‘গোরা নকশাল’ প্রাকাশিত হবে। প্রকাশ করবেন জয়া মিত্র, বই নিয়ে বলবেন শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য।

    প্রকাশিতব্য বই , মিঠুন ভৌমিকের কাশ্মীর রাজনৈতিক অস্থিরতা, , জনমত
    এবং কল্লোলের তক্কোগুলি, চরিতাবলী ও আখ্যানসমূহ থেকে পাঠ

    কাশ্মীর ও সত্তর নিয়ে আলোচনা ঃ সুজাত ভদ্র, জয়া মিত্র ও আরো অনেকে।

    সঞ্চালনাঃ প্রতিভা সরকার।

    স্থান ঃ কমলা কুটির। বইচই এখানে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে রাজ আড্ডার সৌজন্যে ।
    এটি রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশনের কাছে। ভবানী সিনেমার উল্টো দিকের রাস্তা চিন্ময় চ্যাটার্জি সরণী। একটু এগোলেই ডান দিকে।

    সবার নেমন্তন্ন।

    অনুষ্ঠান সংক্রান্ত প্রশ্ন, বক্তব্য, পথনির্দেশ, যেকোন কিছু নিয়ে যোগাযোগ ঃ ৯৯০৩২৬৫৩৭৬
  • | 144.159.168.72 | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১০:০৯434815
  • আচ্ছা, টিমি র বইটা কাশ্মীর কবে থেকে কলকাতায় পাওয়া যাবে?
  • pi | 24.139.221.129 | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:৫২434816
  • উদ্বোধন জানুয়ারিতে।
  • i | 147.157.8.253 | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৪:০৯434818
  • জানুয়ারির কবে? বইমেলায় না তার আগে?
  • i | 147.157.8.253 | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৪:০৯434817
  • জনুঅরির কবে? বৈমেলায় না আগে?
  • pi | 57.29.197.116 | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:২৮434819
  • বইমেলার আগেই ইচ্ছা ছোটাইদি, ১০ ই জানের পরে। তারিখ এখনো ঠিক হয়নি।
  • pi | 24.139.221.129 | ০৮ ডিসেম্বর ২০১৭ ২০:০০434820
  • কালকেই অনুষ্ঠান। তুললাম।
  • tuhin bhowmick | 122.133.246.130 | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৬:০১434822
  • একটা বই ডাউনলোডের সাইট কিছু দিন আগে দেখেছিলাম। দয়া করে কেউ কি ঐটা আরেকবার দেবেন ?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
    • কি, কেন, ইত্যাদি
    • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
    • আমাদের কথা
    • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
    • বুলবুলভাজা
    • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
    • হরিদাস পালেরা
    • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
    • টইপত্তর
    • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
    • ভাটিয়া৯
    • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
    গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


    পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন