এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • মমতার আগ বাড়িয়ে বলা কথা

    upal mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৫ মে ২০২৪ | ৪৫৬ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • লোকসভা ভোটের বাজারে মমতার দুটো আগ বাডিয়ে বলা কথা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। প্রথমটা হল বাইরে থেকে ইন্ডিয়া জোটের সরকারকে সমর্থন করার কথা। দ্বিতীয়টা কার্তিক মহারাজের বিরুদ্ধে আনা সরাসরি রেজিনগরে দাঙ্গার অভিযোগ আর রামকৃষ্ণ মিশন ও ভারত সেবাশ্রম সংঘের বিরুদ্ধে দিল্লীর চাপে বিজেপির হয়ে নির্বাচনী প্রচারে প্রত্যক্ষ ভাবে হাওয়া দেওয়ার অভিযোগ। ক্রনোলজি মেনে দুটি কথা রাখলাম। যদিও গুরুত্ব বিচারে পরেরটা নিয়ে আগে আলোচনা করব।

    আমি বেশ কয়েকবার ভারত সেবাশ্রমের বালিগঞ্জ কার্যালয়ে ত্রাণের জিনিসপত্র দিয়ে এসেছি। কোন দুর্যোগ হলেই বাঙালি সমাজে সেবার কালচার আছে। সকলে সরাসরি দুর্যোগ পীড়িতদের কাছে যেতে পারে না। তখন সর্বজনমান্য সমাজ সেবার প্রতিষ্ঠান ভারত সেবাশ্রমে ত্রাণের জিনিস দেওয়া হয় আর ওনারা সে সব নেনও। তার মানে এই নয় আমি ওই সংস্থার ভক্ত টক্ত। তবে আমার আত্মীয়রা কেউ কেউ ওই প্রতিষ্ঠানে যুক্ত আর তাদের সঙ্গে আমার বেশ মাখোমাখো সম্পর্ক । একইভাবে ভাবে নিজের ফাঁকিবাজ ছেলেকে রামকৃষ্ণ মিশনের ইস্কুলে ভর্তি করার কথা ভেবেছি কিন্তু হয়ে ওঠেনি। বড্ড শক্ত পরীক্ষা কিনা! তবে ছেলের জন্ম হয়েছিল রামকৃষ্ণ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানে।

    এই কথাগুলো বললাম এই কারণে যে বাঙালি সমাজ বেশ আষ্টেপিষ্টে জড়িয়ে আছে এই দুটো প্রতিষ্ঠান, এই কথা একবার নিজের আয়নায় দেখার জন্য। কিন্তু এখানে একটা অন্য গল্প আছে। সেটা হল কেন্দ্র ও রাজ্যের সরকারগুলোর সঙ্গে এই দুই প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনের সম্পর্ক আছে। দুটোই সরকারী আইনে এনজিও। সে কারণে সরকারী পলিসি অনুযায়ী দিল্লী আর নবান্ন সরকারের প্রচুর টাকা পায় এরা হাসপাতাল, মেডিক্যাল-নার্সিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি চালানোর জন্য। আমাদের সরকারগুলোকে এখনো সরকার বাহাদুর বলা হয় ।এসব বলার অভ্যাস মোঘল আমল থেকে চলছে । ব্রিটিশরাও এসব লব্জ মেনে নিজেদের বাহাদুরি জাহির করতে অভ্যস্থ ছিল ।সে সময় তারা কিছু তল্পিবাহককে মোঘল ঢঙ্গে সাহেব, বাহাদুর এইসব বলত । সবচেয়ে বড় কথা দেশে গণতন্ত্র এলেও আমরা এখনও সরকারকে যে নির্বাচিত করি এসব ভুলে তল্পিবাহক হয়ে লালা ঝরাই ।ওইজন্য সরকারও ঘাড়ে চেপে বসে ।যে সরকারের যত ক্ষমতা তত ঘাড়ে চাপে ।সে হিসেবে কেন্দ্রের সরকারের হম্বিতম্বিই বেশি হওয়ার কথা।

    রামকৃষ্ণ মিশন আর ভারত সেবাশ্রমের মহারাজরাও ভালোই জানেন যে সরকারের ঘর থেকে টাকা বের করতে কত হম্বিতম্বি সহ্য করতে হয়। সরকার টাকা দিলে শর্ত চাপাবে আর সেটা সরকারকে রাজনৈতিক সমর্থনের শর্ত কিনা সেটাই প্রশ্ন। মমতা এই অভিযোগটাই করেছেন। প্রমান হিসেবে তিনি ওই দুই প্রতিষ্ঠানের দীক্ষিতদের কিছু হোয়াটস্যাপ গ্ৰুপে বিজেপির হয়ে প্রচারের কথা বলেছেন। রামকৃষ্ণ মিশন নীতিগত ভাবে রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশ নেয় না, এই বলে তারা প্রতিবাদও করেছে। ভারত সেবাশ্রম সংঘের এরকম কোন ঘোষিত অবস্থান আছে কিনা জানি না। তবে তাদের কার্তিক মহারাজের বিরুদ্ধে তো সরাসরি আইন ভাঙার অভিযোগ, অবশ্য সে অভিযোগকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করে উকিলের চিঠি দিয়েছেন অভিযুক্ত সন্ন্যাসী ।একটা যুক্তিতে, মুখ্যমন্ত্রী নিজে পুলিশ দেখেন তাই তাঁর কথাই পুলিশের কথা ধরে নেওয়া যেতে পারে। সাধারণ কোন নাগরিকের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ থাকলে তাকে টানতে টানতে জেলে পোরা হতো। তবে প্রত্যক্ষ প্রমান থাকলে মমতার পুলিশ এক্ষেত্রে তা করছে না কেন? সন্ন্যাসীদের নৈতিক রক্ষাকবচ থাকলেও, কোন আইনি রক্ষাকবচ আছে কি? আসলে এই আইনি ব্যবস্থা না নিতে পারা অথচ সর্বসমক্ষে অভিযোগ করা, উভয়পক্ষের মধ্যে একটা জটিল সমীকরণের আভাস। সবাই জানে রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ যথাযথ কারণেই মমতার রাজ্য সরকারের অনুদান পায়। মমতা যাকেই যথাযথ কারণে টাকা পয়সা দেন, তাকে "আমার" বলে সস্নেহে সম্বোধন করেন, যেমন "আমার কর্মচারী", "আমার পুলিশ" ইত্যাদি। তিনি হয়ত "আমার রামকৃষ্ণ মিশন" বা "আমার ভারত সেবাশ্রম সংঘ" বলে মনে করেন। আমার ছেলে যদি বিগড়োয়, আমি তো খেপবোই! তবে এই দুই সংস্থা সম্পর্কে মমতার ক্ষোভ কী ''নুন খাবে অথচ গুণ গাইবেনা" - এ জাতীয় মনোভাবের প্রকাশ? মমতার উক্তিতে সবচেয়ে বেশি প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন আরও বড় সরকার বাহাদুরের প্রধান মোদিজি। তাঁর অভিযোগ সন্ন্যাসীদের আক্রমণ করে টিএমসি সরকার সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। সম্প্রতি কলকাতায় এক ভুঁইফোড় সংগঠনের সন্ন্যাসী মিছিলে মোদীজির কথারই প্রতিধ্বনি শোনা গেল। সেখানে কার্তিক মহারাজ উপস্থিত থেকে মমতার ভোটব্যাংক রাজনীতির সমালোচনায় বেশ এক রাজনৈতিক ভাষণও দিলেন। প্রথমে মমতা ওই অভিযুক্ত মহারাজকে সরাসরি রাজনীতিতে নামার কথা বলছিলেন, তিনি যখন সত্যি সত্যি তা করার কিছু নমুনা পেশ করলেন তখন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন সন্ন্যাসীদের পুজো টুজো নিয়ে থাকাই ভালো অর্থাৎ এমন নয় তো যে কার্তিক মহারাজ মুর্শিদাবাদেই সীমাবদ্ধ থাকলে তাঁর সঙ্গে নরমে গরমে ডিল করতে সুবিধে হবে? এইরকমই অভিযোগ অধীর চৌধুরীর কারণ হয়ত এমন যে এইবার মুর্শিদাবাদের ভোটে চূড়ান্ত সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের প্রত্যক্ষ বলি হতে পারেন তিনিই। সত্যিই এই সন্ন্যাসী মিছিলের কী এরকমই ভয়ংকর বার্তা যে, কাল যা মুর্শিদাবাদে ঘটেছে পরশু তা দক্ষিণবঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে রাজ্য জুড়ে নির্বাচনে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ ঘটাবে ?
    আমার ব্যক্তিগত মত হল ধর্মের থেকেও দলীয় সাম্প্রদায়িকতাই পশ্চিমবঙ্গের প্রধান বিপদ। ধর্মীয় অনুভব পার্টি অনুভবের সঙ্গে বিচিত্র ভঙ্গিতে মিশিয়ে দেবার খেলাটাই আজ সুভাষ, মুজাফ্ফর, বিধান, জ্যোতি এমনকি চারু মজুমদারের বাংলার ট্র্যাজেডি। তাই মমতা বা মোদিভালোই জানেন এই ভয়ংকর ন্যারেটিভ আর তার কাউন্টার ন্যারেটিভের কথা বলার খেলা কী ভাবে খেলতে হয়। মমতা আগ বাড়িয়ে সংঘ দুটি এবং সন্ন্যাসীদের আক্রমণ করার এজেন্ডা এনে তারই সূচনা করলেন আর তা দক্ষিণবঙ্গের ভোটের ঠিক আগেই। বিজেপি সেটা ছাড়ে কেন !

    এবার মমতার আগ বাড়িয়ে বলা আরেক কথায় আসা যাক । ভোটের ফলাফল জানার আগেই তিনি সম্ভাব্য ইন্ডিয়া জোটের সরকারে তাঁর বাইরে থেকে সমর্থনের কথা বলে বিশেষ করে সিপিআইএমের সমালোচনা আর অধীরের উষ্মা বাড়িয়েছেন। এই এজেন্ডায়ও তিনিই কি এগিয়ে গেলেন না ? সিপিএময়ের মমতা সমালোচনার কতটা ভিত্তি আছে ? তাদের নিজেদেরই তো কেন্দ্রে কোন জোট সরকারের শরিক হওয়ার উদাহরণ নেই। ভবিষ্যতেও থাকবে এরকম বাস্তবতা কোথায় ? আর অধীর আগ বাড়িয়ে বলায়, হাই কম্যান্ডের ধমক ও পিঠ চাপড়ানি দুই পেয়েছেন। তার মধ্যে ধমকের সুরটাই কি বেশি কানে বাজে নি?

    এইভাবে মমতা তাঁর নিজের ভঙ্গিতেই আগ বাড়িয়ে কথা বলে নানা ন্যারেটিভের এজেন্ডা সামনে আনছেন, যাতে তাঁকে ঘিরেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি আবর্তিত হয়। বাস্তবে কতটা হল তা অবশ্য ভোটের ফলাফল আর তার পরের পরিস্থিতি দেখেই বোঝা যাবে।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অসিতবরণ বিশ্বাস | 2409:4061:4ec9:a34c::d349:5104 | ২৫ মে ২০২৪ ১২:৫১532307
  • পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের স্বার্থের বাইরে কিছুই করেন না। যখন যা বললে নিজের সুবিধা হয়, তিনি তাই বলবেন। মতুয়াদের বড়মার জন্য তিনি অনেক কিছু করেছেন বলে দাবী করেন, বড়মা কিছু রিটার্ন দেননি? বড়মা বলেছেন, 'মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী দেখতে চাই।' অনেক প্রতিদান পেয়েও মমতা গুরুচাদ উচ্চারণ করলেন 'গরুচাঁদ' বলে। কী নির্মম পরিহাস করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
    কার্তিক মহারাজকে বললেন দাঙ্গাবাজ। তাহলে গ্রেপ্তার করেননি কেন? প্রশাসনের কর্ত্রী তো তিনিই। বাবুল সুপ্রিয়কে তৃণমূলই বলেছিল দাঙ্গাবাজ, আজ বাবুল কোথায়? 
    যাক গে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন