এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • গান্ধী না গডসে, ভাবছেন প্রাক্তন বিচারপতি গাঙ্গুলি

    kalyan sengupta লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৫ মার্চ ২০২৪ | ৫২৩ বার পঠিত
  • এক চরম হিতাকাঙ্খী টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলী কে প্রশ্ন করা হয় - কে আপনার পছন্দের, গান্ধী না গডসে? এর দ্রুত উত্তরে তিনি জানান যে, এটার জন্য আমাকে একটু ভাবতে হবে, এক্ষুনি এর উত্তর দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি সম্ভবত এখনও এটা নিয়ে ভেবেই চলেছেন এবং এর যথাযথ উত্তর তিনি এখনো পর্যন্ত কোথাও দিয়েছেন কিনা, সেটা এই অধমের অন্তত জানা নেই। আশা করবো ভবিষ্যতে এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হলে তিনি এবার নির্দিষ্ট উত্তরই দিতে সক্ষম হবেন। তাঁর রাজনৈতিক মেন্টর বা যোগ্য কোন পরামর্শদাতা এতদিনে নিশ্চয়ই এর যথাযথ উত্তর তাঁকে শিখিয়ে দিয়েছেন ভবিষ্যত মুখরক্ষায়। এই ঘটনা নিশ্চিত ভাবেই প্রমাণ করলো যে, তাঁর নিজস্ব বোধবুদ্ধি ও রাজনৈতিক জ্ঞান লক্ষ্যণীয় ভাবে সীমিত এবং তিনি  ব্যক্তিগত স্তরে যথেষ্ট সপ্রতিভও নন।

    অনেকের মনেই এখন এই প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক যে, কোন যোগ্যতায় তিনি বিচারপতির পদে আসীন হয়েছিলেন। আইন ব্যবসায়ী রূপে তিনি যে বিশেষ সফল ছিলেন না, সে সত্য আজ সর্বজন স্বীকৃত। সিপিএম সরকারের জমানায় তাঁর পারিবারিক পূর্বসূরিদের অতীত ভাঙিয়ে পেশাগত ভাবে কিছুটা সুবিধা লাভ করেছিলেন এবং পরবর্তীকালে এক গোবেচারার ভেক ধরে ও সবদিক রক্ষা করে ছাপ্পান্ন বছর বয়সে বিচারপতির পদটি হাসিলে সক্ষম হন। হাইকোর্ট চত্বরের সবাই জানতো তিনি সিপিএম নেতা বিকাশ ভট্টাচার্যের আশীর্বাদধন্য। বিকাশ বাবু যে মন্ত্রে তাঁকে দীক্ষিত করেছিলেন তাতে ফল দিচ্ছিল খুবই আশাব্যঞ্জক। আর পরবর্তীকালে বিজেপি সহ সব বিরোধিশক্তি ও মিডিয়ার প্রবল প্রচারে রাজ্যের শাসক দলের বিরোধী মানুষদের কাছে তিনি প্রায় ভগবান বা মসীহা রূপে পূজিত হতে লাগলেন। তাঁর তালজ্ঞান ক্রমশ লোপ পেতে লাগলো জনপ্রিয়তার নেশায়। বিচারপতিদের জন্য নির্ধারিত অনুশাসন বা ব্যাঙ্গালোর প্রটোকল কে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে তিনি অনায়াসে তাঁরই বাড়িতে বসে উক্ত টিভি চ্যানেলকেই এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিলেন। উক্ত টিভি চ্যানেলটির মালিক পক্ষ এখন খোলাখুলিই আর এস এসের পক্ষে গলা ফাটাচ্ছেন, অতএব এরা এখন সব আইনের উর্দ্ধে। আর তিনিও ক্রেমে ক্রেমে রাজনৈতিক ক্ষমতার হাতছানি পেতে শুরু করলেন এবং আকস্মাৎ বিকাশ বাবুকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে মোদীর শরণাগত হলেন। 

    তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সিপিএমের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ পূর্বতন সম্পর্ক থাকা সত্বেও তিনি কেন সিপিএমে যোগ না দিয়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন? এর উত্তরে তিনি যে উত্তরটি দিলেন তা একপ্রকার পাশ কাটিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে নির্জলা মিথ্যা ভিন্ন আর কিছু নয়। তিনি বললেন, আমি ঈশ্বর মানি ধর্ম মানি কিন্তু সিপিএম সেটা মানেনা, তাই ঐ দলে গেলাম না। পরবর্তী কালে ওই প্রশ্নেরই বিষদ ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেছেন, এরাজ্যে তৃণমূল ও বিজেপি দল আছে কিন্তু সিপিএম কংগ্রেসের তেমন কোন অস্তিত্ব নেই। সুতরাং তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়তে গেলে বিজেপি ছাড়া আর কোন কার্যকরী পথ নেই। সিপিএমের আরও কঠিন সমালোচনা করতে গিয়ে বলেছেন যে, তাঁর পরিবারের পূর্বসূরীরা সিপিএম কৃষক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন, কিন্তু পরবর্তীকালে বীতশ্রদ্ধ হয়ে দলের সংশ্রব ত্যাগ করেন। এবিষয়ে আরও বলেন  তাঁদের লেখা যে সমস্ত নোট তাঁর পরবর্তীকালে হস্তগত হয়, তা থেকে এটা স্পষ্ট যে সেই দল শেষে চূড়ান্ত নীতিবিচ্যুত হয়েছিল। কংগ্রেস দল সম্বন্ধেও তিনি কড়া সমালোচনা করে বলেন যে এদের নেতৃত্ব জমিদারী মনোভাব নিয়ে চলেন।

    অভিজিৎ গাঙ্গুলি কে প্রশ্ন করা হয়েছিল - আপনি রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়তে চান বলেছেন, কিন্তু এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আপনি কি মনে করেন যে বিজেপি দুর্নীতি মুক্ত দল? এর উত্তরে বলেন, সেটা আমি বলতে পারবোনা যে বিজেপি দুর্নীতি মুক্ত কি নয়, তবে এটা বলতে পারি, দল আমাকে যে দায়িত্ব দেবে দুর্নীতি মুক্ত রূপেই আমি তা পালন করতে চেষ্টা করবো। অর্থাৎ তাঁর এই উত্তর থেকে এটা স্পষ্ট হোল যে তিনি জোর গলায় সুস্পষ্ট জবাব দিতে ব্যর্থ হলেন যে বিজেপি সম্পূর্ন দুর্নীতি মুক্ত একটি দল। এথেকে আরও প্রমাণ হয় যে তিনি কোন দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামেননি, নেমেছেন তৃণমূল দলকে পরাস্ত করতে।

    তাঁর এই ব্যক্তিগত তৃণমল বিদ্বেষের পেছনে আছে সিপিএম রাজনীতির দীর্ঘ প্রভাব। বিচারপতি থাকাকালীন তাঁর বিভিন্ন রাজ্য সরকার বিরোধী রায় উচ্চতর বেঞ্চে গিয়ে খারিজ হয়ে গেছে। বেশ কিছুদিন পূর্বে তিনি হটাৎই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে এক অভিযোগ পত্র পাঠান যার বিষয়বস্তু ছিল যে, তাঁর অধিকাংশ রায়ই বাতিল হয়ে যাচ্ছে উচ্চতর বেঞ্চের দ্বারা, ফলে এর প্রতিকার চাই। এর সুফল কিছুটা হয়তো মিলেছিল, কিন্তু বিষয়টি সেসময় যথেষ্ট আলোড়ন তুলেছিল বিচারালয়ের প্রথাসিদ্ধ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে এমন সোচ্চার ক্ষোভ প্রকাশ করায়। তবে চিঠিটি তিনি লিখলেও বিষয়টি কার মস্তিষ্ক প্রসূত সেই কৌতূহলের নিরসন আজও হয়নি। এর পর থেকেই দেখা গেল তিনি একের পর এক সরকার বিরোধী রায় দিতে লাগলেন এবং রায় দিতে গিয়ে বিচারকক্ষে প্রচুর অযাচিত মন্তব্য করতে লাগলেন, যা সোৎসাহে প্রচার করে মিডিয়া বাজার গরম করতে লাগলো। সব মিলিয়ে সরকারী ব্যর্থতা ও শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে এমন এক বাতাবরণ তৈরি হোল যা সরকারকে যথেষ্ট ব্যাকফুটে নিয়ে গেল। বেগতিক দেখে সরকারও মুখ রক্ষায় নানাবিধ পদক্ষেপ নিতে লাগলো। জমে গেল তর্ক বিতর্ক। অভিযোগ উঠতে লাগলো বিচারপতি গাঙ্গুলির বিরুদ্ধে যে তিনি 'বায়াস' হয়ে রায় দিচ্ছেন, কোনরকম নিরপেক্ষতা বজায় রাখছেন না।

    এতদিন তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যেসব অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া সহজ ছিল, সেই পরিস্থিতি সম্পূর্ন বদলে গেল তিনি পদত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায়। এতকাল বিচারপতির আসনে বসে যে বাড়তি সুবিধা তিনি ভোগ করেছেন, সেটা এখন আর নেই। তিনি এখন একজন গড়পড়তা রাজনীতিকদের মতোই সুবিধা অসুবিধা দুটোই ভোগ করবেন। সরাসরি রাজনীতিতে যোগদানের ফলে তাঁর বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগগুলো এখন অনেকাংশেই মান্যতা পেয়ে গেল। অতীতে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে যেভাবে সিপিএম কংগ্রেস সোচ্চার সমর্থন করতো, এখন ঠিক তার উল্টোটাই ঘটবে নিশ্চিতভাবে। এবার হয়তো তাঁকে ভোটে লড়তে হবে শুভেন্দু অধিকারীর উপর সম্পূর্ন নির্ভরশীল হয়ে। ভোটে জিতে গেলে ঠিক আছে, কিন্তু কোন কারণে হেরে গেলে তাঁর ভবিষ্যত তখন কি দাঁড়াবে? এমনটা বোধকরি তিনি মনে স্থানও দেন না। কিন্তু রাজনীতিতো সম্পূর্ন অনিশ্চয়তার খেলা, সেটাও মনে রাখা জরুরি।

    তাঁর এই শিক্ষা লাভটুকুও জরুরি যে, এই দেশে ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় জাতির পিতা গান্ধীজিকে অস্বীকার করা বেশ কঠিন এখনও পর্যন্ত। তবে আগামী ভোটে মোদী পুনর্বার ক্ষমতায় ফিরলে গান্ধীজি ধীরে ধীরে ফিকে হতে হতে সম্পূর্ন অদৃশ্যই হয়তো হয়ে যাবেন। তবে আজকের দিনেও দাঁড়িয়ে গান্ধী না গডসে, এই প্রশ্নের উত্তর দিতে যিনি দ্বিধাবোধ করেন, তাঁর রাজনৈতিক পরিপক্কতা নিয়ে জনমানসে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • :|: | 174.251.161.89 | ১৬ মার্চ ২০২৪ ০৩:৩৯529431
  • আবারও? ছাপান্ন!! 
    "সবদিক রক্ষা করে ছাপ্পান্ন বছর বয়সে বিচারপতির পদটি হাসিলে সক্ষম হন।"
  • kalyan sengupta | ১৯ মার্চ ২০২৪ ১২:১৯529591
  • অনেক ধন্যবাদ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন