এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা   বিবিধ

  • একটি লেখা ও কিছু প্রত্যুত্তর

    দীপ
    আলোচনা | বিবিধ | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ২৯২ বার পঠিত
  • (১)
    ২১শে ফেব্রুয়ারি বাঙালীর ইতিহাসে এক পুণ্য দিন, পবিত্র দিন। শুধু বাংলার ইতিহাসে নয়, এই দিন আন্তর্জাতিক স্তরে পরিচিত, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রূপে স্বীকৃত। এই দিন আমাদের যেমন বেদনার্ত করে তোলে, তেমনি আত্মমর্যাদা ও গৌরববোধে প্রতিষ্ঠিত করে। এই দিন বাঙালীর গর্বের দিন।
     
    স্বাভাবিকভাবেই এইদিন বাংলাভাষা নিয়ে আলোচনার দিন। কিভাবে প্রতিকূল পরিবেশকে অতিক্রম করে বাংলাভাষা আরো সমৃদ্ধ হতে পারে, সে নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন। বিভিন্ন উৎসব-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাঙলা ভাষাকে সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার দিন, মাতৃভাষার মর্যাদারক্ষার জন্য শপথ গ্রহণের মাহেন্দ্রক্ষণ।
    কিন্তু আশ্চর্য হয়ে দেখলাম, এক পণ্ডিত (!!!) সেসব কিছুই করলেন না।‌ বাংলাভাষা নিয়ে কোনো যথাযথ আলোচনা তাঁর লেখায় পাওয়া গেলোনা। কিভাবে ঘরেবাইরে প্রতিকূল পরিবেশ অতিক্রম করে বাংলাভাষা আরো সমৃদ্ধ হয়ে উঠতে পারে; সে সংক্রান্ত কোনো আলোচনা তাঁর লেখায় পাওয়া গেলোনা! এর পরিবর্তে ঐ লেখাতে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালীদের উদ্দেশ্যে চূড়ান্ত ন্যক্কারজনক, কুৎসিত আক্রমণ করা হলো! স্বাভাবিকভাবেই ঐ লেখা বিস্ময়বিমূঢ় করে। তবে পুণ্যদিনে ঐ নোংরা লেখা নিয়ে কোনো আলোচনা করতে চাইনি। ভাষাশহীদদের পবিত্র স্মৃতিকে কলুষিত করার জন্য মন সায় দেয়নি। তাই আজ এই নিয়ে কিছু কথা লিখছি। গুরু কর্তৃপক্ষের সৎসাহস থাকলে লেখাটি যেন মোছা না হয়!
    লেখক পশ্চিমবঙ্গের বাঙালীদের উদ্দেশ্যে গালাগালি দিয়ে বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের বাঙালীরা বাঙলাভাষার জন্য কিছুই করেননি! আমার প্রশ্ন, লেখক(!!!) নিজে বাংলাভাষার জন্য কি করেছেন? দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে তিনি প্রবাসী। সেক্ষেত্রে মাতৃভাষা প্রসারের জন্য তিনি কি আদৌ কোনো অবদান রাখতে পারেন? সেক্ষেত্রে অপরের দিকে আঙুল তোলার কোনো অধিকার কি তাঁর আছে?
    লেখক পশ্চিমবঙ্গের বাঙালীদের "সুখী সুখী হিন্দু" বলে ব্যঙ্গ করেছেন। লেখক এর মাধ্যমে ঠিক কি বলতে চেয়েছেন বুঝতে পারলাম না। তবে এইটুকু জানি গত পঁচাত্তর বছরে এক কোটির বেশি মানুষ পূর্বপাকিস্তান বা বাংলাদেশ থেকে চলে এসেছেন। তাঁরা প্রত্যক্ষ করেছেন খাদ্য আন্দোলন, নকশাল আন্দোলন ও তার বিরুদ্ধে নৃশংস সরকারী দমনপীড়ন।‌ মরিচঝাঁপি থেকে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম‌‌‌ আন্দোলন তাঁরা দেখেছেন। সম্প্রতি সন্দেশখালির ঘটনাও আমরা জানতে পেরেছি। এই সমস্ত ঘটনার অভিঘাত যাঁরা সহ্য করেছেন, লেখক কি তাঁদের "সুখী সুখী হিন্দু" বলতে চেয়েছেন? তাহলে আর কিছুই বলার থাকেনা!
     
    (২)
    লেখক মহোদয়(!!!) তাঁর লেখায় পশ্চিমবঙ্গকে যেমন গালাগালি করেছেন, বাংলাদেশের তেমনি ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। উৎসাহের আতিশয্যে তিনি বিস্মৃত হয়েছেন প্রত্যেক সমাজেই ভালোমন্দ আছে, কোনো দেশ বা সমাজ এর ব্যতিক্রম হতে পারেনা! বাংলাদেশ নিয়ে অনেক কিছুই বলা যেতে পারে, তবে এটি অন্যপ্রসঙ্গ। তাই এনিয়ে বিস্তৃত আলোচনায় যাচ্ছিনা! শুধু মনে করিয়ে দিলাম, বাংলাদেশ কোনো ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র নয়, ইসলামিক দেশ। এই দেশে বিধর্মীদের উপর নৃশংস অত্যাচার হয়, প্রকাশ্য সভায় তাদের হুমকি দেওয়া হয়, তাদের দেশ ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়! ইন্টারনেটের দৌলতে আজকাল সবকিছুই জানা যায়, লেখক বোধহয় সেকথা বিস্মৃত হয়েছেন! বাংলাদেশের মৌলবাদী শক্তির বিরুদ্ধে লিখে তসলিমা নির্বাসিত! হুমায়ূন আজাদ আক্রান্ত হয়ে জার্মানিতে আশ্রয় নেন, সেখানেই প্রয়াত! গত কয়েক বছরে একের পর এক ব্লগার খুন হয়েছেন, কেউবা অন্যদেশে আশ্রয় নিয়েছেন! এসব নিয়ে লেখক অবশ্য একটি কথাও বলেননি!
     
    বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। ১৯৪৮ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের গণপরিষদে তিনিই সর্বপ্রথম বাংলাভাষার অধিকারের দাবিতে সরব হন। স্পষ্টভাষায় বলেছিলেন, বাঙালীদের উপর উর্দুভাষা চাপিয়ে দেওয়া চলবে না! ১৯৬৫ সাল থেকে তদানীন্তন পাকিস্তান সরকার তাঁকে কার্যত গৃহবন্দী করে রাখে। ১৯৭১ সালে ধীরেন্দ্রনাথ ও তাঁর বড়ছেলেকে বন্দী করে নিয়ে যাওয়া হয়, তারপর আর কেউ তাঁদের খোঁজ পায়নি! আশ্চর্য হয়ে লক্ষ্য করলাম, এই মৃত্যুঞ্জয় ভাষাশহীদ ধীরেন্দ্রনাথ নিয়ে একটি শব্দ‌ও লেখক ব্যয় করেননি! তার পরিবর্তে অপরের প্রতি বিষোদ্গার করতেই তিনি ব্যাপৃত ছিলেন! এই বিস্মৃতির কারণ বড়োই রহস্যজনক!
     
    আলোচনার স্বার্থে আরো কিছু কথা জানিয়ে রাখি। বাংলাদেশের জনসমষ্টির একটি বিরাট অংশ ভাষাআন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধাশীল তো নয়‌ই, বরং বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন নিয়ে তারা তীব্র ঘৃণা পোষণ করে! বাংলাভাষা তাদের কাছে নাপাক ভাষা, দেশে তারা শরিয়তী আইন চালাতে চায়! রামমোহন, বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ নিয়ে কুৎসিত কথা লেখে, ভিন্নধর্মী মানুষদের দেশ থেকে তাড়াতে চায়! পাকিস্তান, আফগানিস্তান তাদের চোখে আদর্শ রাষ্ট্র! লেখক অবশ্য এনিয়ে কিছুই বলেননি!
     
    (৩)
    ২১ শে ফেব্রুয়ারি যেমন বাংলাভাষার ইতিহাসে চিরস্মরণীয় দিন, এ‌ক‌ইভাবে ১৯শে মে আরেক পুণ্যদিন। ১৯৬১ সালের এই দিনে আসামের শিলচরে মাতৃভাষার মর্যাদারক্ষায় এগারো জন প্রাণ দিয়েছিলেন। এক‌ইভাবে মানভূমের ভাষাআন্দোলন আমাদের কাছে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয়। অতুলচন্দ্র ঘোষ, ভজহরি মাহাতো, লাবণ্যপ্রভা ঘোষ, ভাবিনী মাহাতো প্রমুখ ব্যক্তিত্ব এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ভাষার অধিকার নিয়ে আন্দোলন করে এঁরা পুলিশি অত্যাচার সহ্য করেছেন, কারাবরণ করেছেন। অবশেষে এঁদের আন্দোলন ও আত্মত্যাগের ফলে ১৯৫৬ সালে পুরুলিয়া পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে যুক্ত হয়। লেখক(!!!) কিন্তু এঁদের আত্মত্যাগ নিয়ে একটি শব্দ‌ও ব্যয় করেননি! বরং ব্যক্তিগত আক্রমণ করতেই নিয়োজিত ছিলেন!
     
    লেখক তাঁর লেখায় গঠনমূলক আলোচনার পরিবর্তে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও হিন্দু-মুসলিম বিভাজন নিয়েই বেশি উৎসাহী প্রকাশ করেছেন। অবশ্য এই ধরনের লেখা এই প্রথম নয়, এর আগেও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে এই ধরনের কদর্য আলোচনা তিনি করেছেন। ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে কোনো আলোচনা না করে তিনি হিন্দু-মুসলমান বিভাজনে উৎসাহিত হয়েছেন ! আসলে তিনি নিজেই সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন! সেজন্য‌ই এইসব কুৎসিত লেখা বের করতে পারেন! তাঁকে শুধু নজরুলের অসামান্য পঙক্তিদ্বয় মনে করিয়ে দিই;
    "হিন্দু না ওরা মুসলিম? ওই জিজ্ঞাসে কোন জন?
    কান্ডারী! বল, ডুবিছে মানুষ, সন্তান মোর মার।" 
     
    খুব স্পষ্টভাবে বলতে গেলে এই লেখাটি চূড়ান্ত উদ্দেশ্যমূলক ও ব্যক্তিগত আক্রমণে পরিপূর্ণ। ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি মমত্ববোধ, ভালোবাসা থেকে এই লেখা উৎসারিত হয়নি; লেখা হয়েছে সাম্প্রদায়িক বিভাজন সৃষ্টির উদ্দেশ্যে। এই লেখায় মাতৃভাষা প্রসার ও প্রচারের কোনো দায়বদ্ধতা নেই; শুধু আছে সাম্প্রদায়িক চিন্তার কুৎসিত উন্মাদনা! সেজন্যই সাহিত্যে তিনি হিন্দু-মুসলমান টেনে এনেছেন!
     
    লেখককে অনুরোধ, এই ধরনের সাম্প্রদায়িক মনোবৃত্তির প্রকাশ পরিত্যাগ করে যথাযথ গঠনমূলক কাজে আত্মনিয়োগ করুন। যদি সত্যিই মাতৃভাষাকে ভালোবেসে থাকেন, তবে মাতৃভাষার উন্নয়নে সচেষ্ট হোন।‌ ভায়ে ভায়ে বিরোধ সৃষ্টি করে মাতৃভাষার মর্যাদাবৃদ্ধি করা যায়না, বরং তার অসম্মান করা হয়! 
    সবশেষে গোরা উপন্যাসের সেই অসামান্য উদ্ধৃতি দিয়ে এই লেখা শেষ করছি, " নিন্দা পাপ, মিথ্যা নিন্দা আরো পাপ ও স্বজাতির মিথ্যা নিন্দার মতো পাপ অতি অল্প‌ই আছে।"
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • হেহে | 45.141.215.21 | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৭:১৯742378
  • স্লা চাড্ডিরপো শুয়োরের বাচ্চা এসে গেছে কোথায় বাংলাদেশের কোন্ কোণায় কে একপয়সা  খিস্তি মেরেছে তা নিয়ে চোদনাতে। স্লা তোদের বাপশা পরের পর আধার বাতিল করে বাঙালিকে টাইট দিতে চাইছে। তোর পেয়ারের দিলিপ হিন্দি মিশিয়ে বাঙালিকে অপমান করছে সে নিয়ে মুখে ল্যাওড়া গুজে বসে আছে। যা তোর নিজের ফেসবুকে হাগ গিয়ে যা।
  • :) | 2001:67c:6ec:203:192:42:116:194 | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৯:৫১742380
  • ভাল লেখা। তবে যে লেখকের লেখার প্রতিক্রিয়া তার ভক্তরা রেগে যাবে। বাংলাদেশে যতই ভারতীয় পণ্য বয়কট চলুক, একদল তাদের সুখ্যাতিতে গলা ফাটাবেই।
  • দীপ | 2402:3a80:196c:6b6:778:5634:1232:5476 | ১২ মার্চ ২০২৪ ১৭:৪৮742547
  • আজকাল সাম্প্রদায়িক ভেদবুদ্ধিকে আশ্রয় করে ভাষা ও সাহিত্যকে বিকৃত করবার যে চেষ্টা চলছে তার মতো বর্বরতা আর হতে পারে না। এ যেন ভাইয়ের উপর রাগ করে পারিবারিক বাস্তুঘরে আগুন লাগানো। সমাজের ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীর মধ্যে নিষ্ঠুর বিরুদ্ধতা অন্যান্য দেশের ইতিহাসে দেখেছি কিন্তু আজ পর্যন্ত নিজের দেশ-ভাষাকে পীড়িত করবার উদ্যোগ কোনো সভ্য দেশে দেখা যায় নি। এমনতর নির্মম অন্ধতা বাংলা প্রদেশেই এত বড়ো স্পর্ধার সঙ্গে আজ দেখা দিয়েছে বলে আমি লজ্জা বোধ করি। বাংলা দেশের মুসলমানকে যদি বাঙালি বলে গণ্য না করতুম তবে সাহিত্যিক এই অদ্ভুত কদাচার সম্বন্ধে তাঁদের কঠিন নিন্দা ঘোষণা করে সান্ত্বনা পেতে পারতুম। কিন্তু জগতের মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশ-প্রসূত এই মূঢ়তার গ্লানি নিজে স্বীকার না ক'রে উপায় কি? বেলজিয়মে জনসাধারণের মধ্যে এক দল বলে ফ্লেমিশ, অন্য দল ফরাসি; কিন্তু ফ্লেমিশভাষী লেখক সাহিত্যে যখন ফরাসি ভাষা ব্যবহার করে, তখন ফ্লেমিশ শব্দ মিশিয়ে ফরাসি ভাষাকে আবিল করে তোলবার কথা কল্পনাও করে না। অথচ সেখানকার দুই সমাজের মধ্যে বিপক্ষতা যথেষ্ট আছে। উত্তর-পশ্চিমে, সিন্ধু ও পঞ্জাব প্রদেশে হিন্দু-মুসলমানে সদ্ভাব নেই। সে-সকল প্রদেশে অনেক হিন্দু উর্দু ব্যবহার করে থাকেন, তাঁরা আড়াআড়ি করে উর্দুভাষায় সংস্কৃত শব্দ অসংগতভাবে মিশল করতে থাকবেন, তাঁদের কাছ থেকে এমনতর প্রমত্ততা প্রত্যাশা করতে পারি নে। এ রকম অদ্ভুত আচরণ কেবলই কি ঘটতে পারবে বিশ্বজগতের মধ্যে একমাত্র বাংলা দেশে? আমাদের রক্তে এই মোহ মিশ্রিত হতে পারল কোথা থেকে? হতভাগ্য এই দেশ, যেখানে ভ্রাতৃবিদ্রোহে দেশবিদ্রোহে পরিণত হয়ে সর্বসাধারণের সম্পদকে নষ্ট করতে কুণ্ঠিত হয় না। নিজের সুবুদ্ধিকে কলঙ্কিত করার মধ্যে যে আত্মাবমাননা আছে দুর্দিনে সে কথাও মানুষ যখন ভোলে তখন সাংঘাতিক দুর্গতি থেকে কে বাঁচাবে?
     
    -রবীন্দ্রনাথ
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে প্রতিক্রিয়া দিন