এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বরফহীন কাশ্মীর ও কিছু জরুরি ভাবনা 

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৭ জানুয়ারি ২০২৪ | ২৬৯ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • বরফহীন কাশ্মীর ও কিছু প্রশ্ন



    তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রির ঘরে পৌঁছে গেলেই টলমল জল জমে বরফ। এই খবর চাউর হতেই পদযুগল‌ও চলচল করতে থাকে টহলদারির জন্য। আর টহলদারের আনাগোনা বাড়লেই ফুলেফেঁপে ওঠে অর্থনীতি, বাণিজ্য। এমনটাই যে সম্পর্কের সহজ সমীকরণ। এই সহজ হিসেবনিকেশের ওপর ভর করেই এতদিন বহাল তবিয়তে চলেছে মর্ত্যলোকে বিরাজমান বেহেস্তের মানুষজনের অর্থনীতি সমাজ ও সংস্কৃতি, এমনকি রাজনীতিও। এমনিতেই দেশের উত্তরতম রাজ্যটি দূর্গম পর্বতসঙ্কুল,যথেচ্ছ গমনাগমনের পক্ষে মোটেই অনুকূল নয়, তার ওপর অঞ্চলটি একটি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক হটস্পট। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের দৌরাত্ম্যে এই রাজ্যটিতে এমনিতেই অপরিসীম উত্তেজনা বিরাজ করছে দীর্ঘদিন ধরে তার ওপর এতো বছরের পরিচিত সমীকরণটাই হঠাৎ করে বদলে গেল পর্যাপ্ত পরিমাণ ঋতুকালীন বরফের অভাবে। তাহলে আব কেয়া হোগারে ….?



    একদম শুরুয়াতের এই একশো তিনটি শব্দ পড়েই সুধী পাঠকদের সকলেই হয়তো আন্দাজ করতে পেরেছেন যে ঠিক কোন রাজ্য থুড়ি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের কথা আজ আপনাদের শোনাবো, হ্যা ঠিক তাই।আজ আমরা কাশ্মীরের এক সমস্যার কথা বলবো।



    একটু পিছনে ফিরি। তখনও টেলিভিশনের পর্দায় এতশত চ্যানেলের রমরমা শুরু হয়নি। সবে বাড়ি বাড়ি বোকাবাক্স তার ঠাঁই খুঁজে পেতে নিচ্ছে। কালো সাদা রঙের ছবিকে ঘিরেই জমে উঠছে মধ্যবিত্ত পরিবারের সান্ধ্য বিনোদনের আসর।
    এই সময় দূরদর্শনের পর্দায় শুরু হলো এক নতুন ধারাবাহিক- গুল গুলশান গুলফাম । বেদ রাহী পরিচালিত এই ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন প্রখ্যাত অভিনেতা পরিক্ষিৎ সহানী। কাশ্মীরের অর্থনৈতিক জীবনে ডাল হ্রদের ভূমিকা অনন্য । হ্রদের জলে ভেসে থাকা হাউস বোটে ছুটি কাটানো বহু মানুষের কাছে এক স্বপ্নের মতো। গুল গুলফাম গুলশান হলো এমন‌ই তিনটি হাউস বোট । এদের ঘিরেই ধারাবাহিকের কাহিনি গড়ায় একটু একটু করে। অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত কাশ্মীরে শীতকালেই হামলে পড়েন সারা দুনিয়ার পর্যটন পিয়াসী মানুষেরা।



    গুলমার্গ, সোনমার্গ, পহেলগাও সব বরফে ঢাকা পড়ে যায় । সেই বদলে যাওয়া পটভূমিই স্থানীয় মানুষদের সম্বৎসরের খোরাক যোগায়। বিপুল সংখ্যক পরিযায়ী মানুষজনের ভিড়ে এই সময় ব্যস্ত হয়ে ওঠে কাশ্মীর উপত্যকা। এই বছরের গল্পটা কিন্তু বিলকুল আলাদা। দাপুটে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবার তেমন সক্রিয় নয়। উল্টে এল নিনোর প্রভাবে বৃষ্টি তথা তুষার পাতের এতদিনের চেনা শৃঙ্খলা একবারেই ভেঙে পড়েছে। ফলে দীর্ঘ ৪০ দিন ধরে স্থায়ী কাশ্মীরের কুখ্যাত শীতল আবহাওয়া যা চিল্লা-ই-কালান নামে পরিচিত তার কোনো দেখা নেই। এ যেন দুই বাঘের লড়াই। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা বনাম এল নিনো । এমনিতেই কাশ্মীর এ বছর জলভরা আর্দ্র বাতাসের দেখা সেভাবে পায়নি ফলে গোটা অঞ্চলে , হিসেব মতো ৭৯ শতাংশ বৃষ্টি বা তুষার পাতের ঘাটতি রয়েছে। এই যে তুষারপাতহীন অবস্থা তা কিন্তু কাশ্মীরের ইতিহাসে একদম নতুন ,তা হয়তো নয়। এর আগে ১৯৯৬ এবং ২০১৭ সালেও তুষারপাতহীন পরিস্থিতির শিকার হয়েছে উপত্যকা। এবারের ঘটনা তার‌ই পুনরাবৃত্তি। তবে ২০২৪ সালে জটিলতা অনেকটাই বেড়ে গেছে।



    আসলে কমে যাওয়া বৃষ্টিপাতের সমস্যা কেবল কাশ্মীরের একার নয়, গোটা ভারতবর্ষের অবস্থাই এমনটা হয়েছে। আমাদের সাধারণ অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি যে, এল নিনোর প্রভাবে মৌসুমী বায়ুর এতদিনের চেনা তাল লয় ছন্দটাই বিলকুল নষ্ট হয়ে গেছে। উপদ্বীপীয় ভারতবর্ষ বৃষ্টি ভেজা হয় জলভরা ভেজা সামুদ্রিক বাতাসের কারণে।



    সেই সামুদ্রিক বায়ুর জোগানে অনেকটাই ঘাটতি থাকছে এল নিনোর প্রভাবে সমুদ্র জলের উষ্ণতা বেড়ে যাওয়ায় জন্য। ফলে ম‌ওসিনরামের দেশে এখন বর্ষণ ক্ষমতাহীন শুখা বায়ুর বাড়বাড়ন্ত।
    দিন কয়েক আগে সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখছিলাম ঝিলাম নদীর বুকে বড়ো বড়ো চর জেগে উঠছে। এক‌ই হাল দুধগঙ্গা নদীর‌ও। এই নদীগুলো তাদের স্বাভাবিক প্রবহন সীমার নীচে ব‌ইছে মানেই হলো নদীর উজানে জলের জোগান ভাণ্ডার হ্রাস পেয়েছে তুষারপাত তথা হিমবাহ গলনের কারণে। এখানেও থাবা বসিয়েছে বিশ্ব উষ্ণায়ন।
    বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা এই তুষারপাত হীন অবস্থা যদি আরও লম্বা হয় তাহলে তার প্রভাব এই পার্বত্য জনপদের ওপর আরও গভীর প্রভাব ফেলবে। পর্যটনসূত্রে কাশ্মীরের আয়ের ঘাটতির পাশাপাশি দেখা দেবে পানীয় জলের সংকট। ইতোমধ্যে অনেক জায়গায় ত্রিয়াশ বা জলের ঘাটতি দেখা দিতে শুরু করেছে। কীভাবে এই সমস্যার সমাধান হবে তা খুব স্পষ্ট নয়।
    জলের জোগানে ঘাটতির প্রভাব পড়ছে উপত্যকার আপেল চাষের ওপর তথা কৃষির ওপর। মনে রাখতে হবে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক জীবনে আপেল,খোবানি,পেস্তা, জাফরানের প্রভাব‌ও কম নয়। অবশ্য সেখানেও থাবা বসিয়েছে তথাকথিত উন্নয়ন। পিরপঞ্জাল তথা হিমালয়ের ভঙ্গুর গর্ভে সঞ্চিত চুনাপাথর ও ডলোমাইট খনিজের সাহায্যে সিমেন্ট উৎপাদনের কারখানা স্থাপনের ফলে সূক্ষ্ম ধূলিকণায় ঢাকা পড়েছে ক্ষেতের ফসল। উৎপাদন অধোমুখী। ফল কৃষি ব্যবস্থার বিপর্যয়।
    এই বছর এখনও পর্যন্ত বরফের দেখা নেই বলে বিপুল সংখ্যক পর্যটক তাঁদের হোটেল বুকিং বাতিল করে দিয়েছে। গুলমার্গের আন্তর্জাতিক স্কী ময়দানে গরু,ভেড়া চড়ে বেড়াচ্ছে অবাক আনন্দে।



    বড়ো বড়ো হোটেলগুলো শুনসান, জনশূন্যপ্রায়। এবছর জাতীয় শীতকালীন খেলাধুলার আয়োজন করা হয়েছিল কাশ্মীর উপত্যকায়। সেই অনুষ্ঠান পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে কিছুদিনের জন্য। এক সর্বাত্মক নৈরাজ্যিক অবস্থা সন্দেহ নেই।



    আজ কার দিকে আঙ্গুল তুলে আমরা অভিযোগ জানাবো? “এ আমার তোমার পাপ “। পৃথিবীর গড় উষ্ণতা বেড়েই চলেছে। তার ওপর পর্যটন শিল্পের প্রসারের লক্ষ্যে নির্বিচারে চলছে প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করার আত্মঘাতী প্রয়াস। আমরা বৈশ্বিক ঘটনাপ্রবাহ থেকে কোনো শিক্ষা গ্রহণ করতে আগ্রহী ন‌ই। ভুলে যাই এই পরম সত্যকে যে রাজনৈতিকভাবে যত‌ই ভাগাভাগি করা হোক না কেন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল আসলে এক এবং অভিন্ন। তার পরিবর্তন একটা নির্দিষ্ট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকে না। সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে তার কালান্তক প্রভাব। কাশ্মীর,লাদাখ বা হিমাচল প্রদেশের বরফহীন অবস্থা আগামীদিনে উপমহাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক সর্বোপরি পরিবেশগত স্থিতাবস্থার ওপর গভীর প্রভাব ফেলবে ‌। আমরা কি তেমন আঘাতের সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত আছি?


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Arindam Basu | ১৭ জানুয়ারি ২০২৪ ২৩:১৮527712
  • "এই নদীগুলো তাদের স্বাভাবিক প্রবহন সীমার নীচে ব‌ইছে মানেই হলো নদীর উজানে জলের জোগান ভাণ্ডার হ্রাস পেয়েছে তুষারপাত তথা হিমবাহ গলনের কারণে। এখানেও থাবা বসিয়েছে বিশ্ব উষ্ণায়ন।" 
     
    এল নিনোর বছরগুলোতে সমুদ্রের জলের উষ্ণতার জন্য এমনিতেও ভারতীয় উপমহাদেশে কিছুটা শুষ্ক আবহাওয়ার প্রভাব পড়ছে মনে হল। সেটা একটা দিক। উষ্ণায়ণের প্রভাবে এল নিনোর প্রভাব বাড়ছে, লা নিনা (এর আর্দ্র শীতলায়ন অংশ ) কমছে। 
    আরেকটা খারাপ খবর সমুদ্রের জল গরম হবার কারণে ঘুর্ণিঝড় ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করছে।
     
    আসলে আমরা অনেক সময় মনে রাখিনা যে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করলে আখেরে ক্ষতি আমাদেরই। 
  • Somnath mukhopadhyay | ১৭ জানুয়ারি ২০২৪ ২৩:২৯527713
  • অরিন্দম বাবু, আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এতো দ্রুত মতামত জানানোর জন্য। এল নিনো ও লা নিনার দৌরাত্ম্য নিয়ে একটা লেখা তৈরি করার ইচ্ছে আছে।২০২৪ সাল আমাদের বিশ্ববাসীর জন্য কি উপহার নিয়ে আসছে তা এখন‌ই নিশ্চিত করে বলতে না পারলেও খুব ভালো কিছু যে ঘটবেনা সেবিষয়ে সবাই নিশ্চিত। ঘূর্ণিঝড় ফ্রেডি টানা চৌত্রিশ দিন এক অবস্থানে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে ছিল। এমন ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি।
    যাইহোক ভালো থাকবেন। কিছু ছবি দেবো।‌ লেখাটা ছড়িয়ে দেবার আন্তরিক অনুরোধ রইলো।
  • Arindam Basu | ১৮ জানুয়ারি ২০২৪ ০৫:২৫527717
  • সোমনাথবাবু, ২০২৪ এও এই ধরণের ঝড়ের পুনরাবৃত্তি ঘটবে, ধরে নেওয়া যেতে পারে | ঘুর্ণিঝড়ের প্রাবল্যের একটা বড় কারণ মহাসমুদ্রের উষ্ণায়ণ | শুধু তাই নয়, আর্কটিক এবং Antarctic shelf ভাঙছে, ফলে মহাসমুদ্রের জল এমনিতেই বহু দেশের তটরেখা ধ্বংস করছে | আমাদের এখানে যেমন বেশ কিছু প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ আর কয়েক দশকের মধ্যে সমুদ্রের তলায় হারিয়ে যাবে। এল নিনোর বছরগুলোতে এমনিতেই সেই জন্য ঘুর্ণিঝড় মারাত্মক আকার ধারণ করে। 
    ইউরোপীয় ইউনিয়ন সমুদ্র ও পৃথিবীর চমৎকার ডিজিটাল টুইন তৈরী করছে, এতে করে ভবিষ্যতের প্রেডিকশন মডেল আরো সমুদ্রের জলের উষ্ণতা। 
  • ritabrata gupta | ১৮ জানুয়ারি ২০২৪ ১৪:৫৩527730
  • ভাবার  বিষয় .  নিঃস্বন্দেহে  চিন্তাজনক .
  • পৌলমী | 2405:201:8000:b1a1:dcfd:5e3:d060:8e8a | ১৯ জানুয়ারি ২০২৪ ২০:৪৩527777
  • লেখক নিরলসভাবে লিখে চলেছেন এখানে ও অন্যান্য পত্রিকায়, আমাদের এমন সমস্যার গুরুত্ব বোঝানোর চেস্টা করছেন অথচ আমরা সকলেই শীতঘুমে ব্যস্ত। তবুও বলে যেতে হবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে প্রতিক্রিয়া দিন