এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • দারা শুকোহ আর জাহানারা

    upal mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    ০২ নভেম্বর ২০২৩ | ২১৮ বার পঠিত
  • শাহাজাদা সুজা বা ঔরঙ্গজেবের মতো মাঠে ময়দানে নানান সুবায় ডিউটি দিতে শাহাজাদাদারা শুকোহকেপাঠানো হয় না কিন্তু দরবারের নানা জরুরি কাজে তাঁকে শাজাহানকে সাহায্য করতে হয় নিরন্তর। তারই শৃংখলার ফাঁকেফোকরে তিনি পড়াশোনার জন্য একটু বেশি সময় চুরি করে নেন। এব্যাপারে তাঁর প্রিয় সঙ্গী হলেন বিদূষী শাহাজাদী জাহানারা।তাঁদের দুজনেরই বিপুল ক্ষমতা আর বৈভবের মাঝেও আধ্যাত্মিকতায় মন উড়ান দেওয়ার অভ্যাস চলছে পুরোদমে। দুজনে দুজনকে প্রভাবিত করছেন গ্রন্থ রচনায়। এ প্রশ্নে শাহাজাদী জাহানারা অনেক পষ্টাপষ্টি, তিনি অনেক কথা বলে গেছেন তার জীবনীগ্রন্থ রিসালা-ই-সাহিবিয়াতে।

    শাহী বহরের সঙ্গে আগ্রা থেকে শাজাহানাবাদ থেকে লাহোর, সেখান থেকে কাবুলের দিকে গিয়ে আবার লাহোরের পথে দীর্ঘ দীর্ঘ সব প্রাচীন যাত্রা পথে তারা দুজনে পড়ছেন আর লিখছেন। কী লিখছিলেন তাঁরা? মিয়াঁ মিরের সিলসিলার কারুর সঙ্গে অনেকদিন দেখা হয়নি শাহাজাদা দারা শুকোহর তিনি পড়ছেন সন্তদের জীবনীগ্রন্থের সব ফার্সি সংগ্রহ। এই বইগুলোতে জীবনী লেখা হতো কালানুক্রমে আর নির্দিষ্ট সিলসিলার পরম্পরা মেনে। ঢাউস সব সংগ্রহগুলোকে বলা হয় তাজকিরা গোত্রের বই। খুঁটিয়ে পড়ে দারা দেখছেন বেশ কিছু অসঙ্গতি আছে তথ্যে আর কালানুক্রমে, সেসব তিনি লিখে রাখছেন। আলোচনা করছেন শাহাজাদী জাহানারার সঙ্গে। দুজনেই পরস্পরের দ্বারা অনুপ্রাণিত হচ্ছেন, এই তাজকিরা গোত্রের বই লিখতে প্ররোচিত হচ্ছেন। নিশাপুরের সুফি সুলামির কোরানের গহীন পথের ব্যখ্যা, গজনীর সুফি অতীন্দ্রিয়বাদী হুজউইরির কাশ্ফ-উল-মাহজুব-গহীন পথের উন্মোচন ক্ল্যাসিক বইটা পড়ে ফেলছেন, গাজালির গ্রন্থাবলী পড়ে ফেলছেন তাঁরা। শিক্ষাবিদ আব্দ-উল-হকের অখবার-উল-আখয়ার পড়ে ফেলছেন জাহানারা। শাহী লাইব্রেরি থেকে বই নিয়ে এসে, দারার নিজস্ব লাইব্রেরির বই নিয়ে এসে, পড়াশোনা করছেন জাহানারা। ভাইজানের লেখা নিয়ে মতামত দিচ্ছেন।

    ষোলোশো আটতিরিশের মার্চ মাসে কান্দাহারের সাফাভিদ সেপাইসালার আলি মর্দান খান পারস্যের সাফাভিদ বাদশাহ শাহ সফির সঙ্গে ক্যাঁচালে জড়িয়ে মোঘল শিবিরে যোগ দিলেন। হারানো কান্দাহার দখল শাজাহানের এক বড় জয় বটে কিন্তু তাঁর সামরিক জ্ঞান বলছে এরপরই ঘোর সাফাভিদ আক্রমণ হবে। তুরন্ত শাহাজাদা শাহ সুজাকে পাঠানো হচ্ছে। তিনি কাবুলে ঘাঁটি গাড়লেন কিন্তু কোন আক্রমণ না হওয়ায় ফিরে এলেন। ষোলোশো উনচল্লিশে দিদবান -গুপ্তচররা খবর দিচ্ছেন শাহ সফি কান্দাহার দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এবার শাহাজাদা দারাকে যেতে হচ্ছে কাবুলে। দলবল, সেপাই লস্কর নিয়ে দারা রওনা দেবার প্রস্তুতি নিতে শাহাজাদী জাহানারার মুখ ভার হয়। ভাইজান কোথায় অজানার সন্ধানে চলে যাবেন, লড়াইয়ে পড়বেন, কী হয় কী হয় ভাব। পড়াশোনা মাথায় ওঠে তাঁর, কাজেকম্মে মন থাকে না শাহী দায়িত্ব পালন থেকে রেহাই নেই শাহাজাদাদের তবে যাবার আগে বোনের মন বুঝে, বই পড়তে দিয়ে যাচ্ছেন দারা - ভাবখানা ফিরে এসে পড়া ধরব ! শাহাজাদীর বর্ণনায় : কান্দাহার অভিযানে যাবার আগে শাহাজাদা দারা পারস্যের হেরাট নগরীর বাসিন্দে মহাপণ্ডিত জামির অনন্য বিস্তারি তাজকিরা নাফাহাত-উল-উনস - নৈকট্যের শ্বাস - দিয়ে যাচ্ছেন শাহাজাদী জাহানারাকে, উদ্দেশ্য বোনের একাকিত্ব ঘোচানো ।শাহাজাদী জাহানারা রইলেন বাবার কাছে। শাহাজাদা দারা উত্তর পশ্চিমে কাবুলের পথে বিশাল শাহী বহর নিয়ে চলেছেন সঙ্গে হাজারো লোক লস্কর, পালে পালে তাঁবু খাটানো হচ্ছে সেখান থেকে খাবারের খুশবু ভেসে আসে। তলোয়ার শান দিতে দিতে আমি পাদিগান-পদাতিক আর সওয়ার স্বপ্ন দেখে ভালো ভালো খাবারের যা তাদের কপালে নেই। কবিতা পাঠের আসর বসে, রাতের মেহফিলে নাচ গান হয় কিন্তু দারার মন এসবে নেই। তিনি জাহানারাকে চিঠিতে জানাচ্ছেন কোথায় কোন সুফি সন্তের সঙ্গে দেখা হল। শেখ দৌলত গুজরাটির সাক্ষাৎ পেলেন তিনি, নির্জনতা পিয়াসী তরুণ সাধক হাজি আব্দুল্লাহর সঙ্গে দেখা করলেন। বাবার সঙ্গে একই পথে রওনা হচ্ছেন জাহানারা, তিনিও ওই সব মহাত্মার সাক্ষাতপ্রার্থী হচ্ছেন। কাবুলে শাহী পরিবার আবার মিলিত হল। শাহাজাদা দারা আর শাহাজাদী জাহানারা আবার একসঙ্গে পড়াশোনা আর নানা সুফি শেখদের আর তাঁদের তরিকা বিষয়ে আলোচনায়, মত বিনিময়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।জাহানারার ভাষ্যে জানা যায় তিনি এইসময় এক অদ্ভূত বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হচ্ছেন। তাঁর হৃদয় উত্তাপ হারাচ্ছে,জাগতিক কাজকাম তুচ্ছ ঠেকছে তাঁর। এসব ইতিহাসে পড়ানো হয়নি এযাবৎ, শাহাজাদীর আত্মজীবনীর খাস বাত জানায়নি কলোনির হিস্ট্রি। সেই একান্ত সত্যি কথা কেমন ভাবে বলেছেন জাহানারা? একি এক মেয়েরও কথা? নানা শাহী তরিকায় আষ্টেপিষ্টে বাঁধা অশেষ ধনী আর প্রতাপের উৎসে থাকা সে মেয়ে প্রতাপের উর্ধে যাচ্ছে অকপট উচ্চারণে:

    ''এ আমার যৌবন কিন্তু দেখছি দিনে দিনে শরীর যেন আর বইছে না আর মাঝেমধ্যে সর্বাঙ্গে যন্ত্রণা হয়েই চলে। বুঝতে পারছি পলে পেলে দেহের শক্তি লুপ্ত হচ্ছে।"
    জাহানারা কিছু সান্ত্বনা পান হজরতের এই বাণী স্মরণ করে যা বলেছে, " মরার আগে মরণের কথা। ''The Emperor who never was, Dara Shukoh in Mughal India, page 104"। প্রাথমিক উৎস জাহানারার আত্মজীবনী রিসালা-ই-সাহিবিয়ার সুনীল শর্মার অনুবাদ পাতা ৯৭-৯৮।

    এইসময় কাবুলে দুর্ভিক্ষ দেখা দেওয়ায় শাজাহান সপরিবারে লাহোরের দিকে রওনা দিলেন, বিশাল ফৌজের রসদ জোগানো সম্ভব নয় কাবুলে থেকে তাই শাহী বহরও চলল লাহোর।সাফাভিদ আক্রমণের কোন খবর পাওয়া যাচ্ছে না ফলে কান্দাহার অভিযান পরিত্যক্ত হল।
    জাহানারা হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন, সম্ভবত দারার মনের ভাবও একই। তাদের যৌথ পড়াশোনা, আলোচনা, লেখালেখি চলতে থাকে। অবশেষে ষোলোশো চল্লিশের একুশে জানুয়ারি পবিত্র রমজানের সাতাশতম দিনে দুজনের দুটো বই লেখা শেষ হচ্ছে একই দিনে ।

    জাহানারার বইটার কথা আগেই জানা গেছে - মুনিস-উল-আরবহ - আত্মার আত্মীয়। ওই একই নামে হজরত মইনুদ্দিন চিস্তির একটা বই আছে। শাহাজাদী জাহানারা চিস্তি সিলসিলার অনুগামী ছিলেন তাই তাঁর এই তাজকিরাটা হজরত মইনুদ্দিন ও অন্য চিস্তি সন্তদের সম্পর্কেই সীমাবদ্ধ।

    তুলনায় শাহাজাদা দারা শুকোহর বইটা সাফিনাত-উল-আউলিয়া - সাধকের নাও - মিশ্র জেনারের, কখনো ধর্মতত্ত্ব, কখনো কবিতা হয়েও তাজকিরা হতে চেয়েছে। সেখানে দারা নিজে কাদিরি হয়েও চিস্তি, সুহরাবর্দি সহ অনেক সিলসিলার শেখ বা সন্তদের কালানুক্রমিক জীবনী লিখেছেন। অবশ্য নক্সবন্দিরা তাঁর বইতে জায়গা পাচ্ছে না। এমনকি দারা মহিলা অতীন্দ্রিয়বাদীদের সম্পর্কেও বিস্তারে লিখেছেন। হয়ত তিনি দেখাতে চেয়েছেন আধ্যাত্বিক উন্মোচনে মেয়েরাইবা কম কিসে। এটা বোন জাহানারার প্রতি তাঁর ট্রিবিউট- এরকম মনে করেন ইতিহাসকার সুপ্রিয়া গান্ধি।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • &/ | 151.141.85.8 | ০৩ নভেম্বর ২০২৩ ০১:৪৩525465
  • লেখাটা ভালো লাগল। জাহানারা সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য আমার খুবই আগ্রহ, আর নূরজাহান সম্পর্কেও। এঁদের দুইজনের মধ্যেকার ইন্টার অ্যাকশন নিয়েও। এঁরা তো নাতনি আর ঠাকুমা সম্পর্কে। তাই নয়? দু'জনেই কবিতা ইত্যাদি লিখতেন, শাসনব্যব্স্থায় অংশ নিতেন। তাই জানতে ইচ্ছে করে এঁরা দু'জনে দেখাসাক্ষাৎ হলে কী বলতেন টলতেন। মানে অফিশিয়াল ইতিহাস আর সিনেমা নাটক দ্বিজেন্দ্রলাল ইত্যাদির বাইরে সত্যিকারের মানুষগুলো কেমন ছিলেন, সেই ব্যাপারে আগ্রহ হয় জানতে।
  • upal mukhopadhyay | ০৩ নভেম্বর ২০২৩ ১৮:১৮525480
  • নূর জাহানের বিষয়ে রুবি লালের বইটা আপনাকে বইটা সাহায্য করবে। উনি কবিতা লিখতেন শুনিনি তবে জাহাঙ্গীরের মতোই  খুবই ভালো শিকারি ছিলেন, অনেক বাঘ মেরেছিলেন। প্রশাসক তো ছিলেনই, ছিলেন ভালো স্থপতি। আর জাহানারা রীতিমতো উচ্চমানের চিন্তক, প্রশাসক ও লেখক ছিলেন। আওরংজেব কিন্তু শাজাহানের মৃত্যুর পর ওনাকেই পাদশা বেগম করেন কাছের লোকে রোশেনারাকে নয়। 
    আমি পড়ে দেখছি মোঘল আমলের হারেমের মহিলারা কারুর থেকে কম ছিলেন না। সেটাই লিখেছি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে প্রতিক্রিয়া দিন