এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • গল্প @ জলের শব্দ

    Sandipan Majumder লেখকের গ্রাহক হোন
    ২২ অক্টোবর ২০২৩ | ৩১৬ বার পঠিত


  • মন খারাপ হলেই পুকুরটার কাছে চলে যাই আমি।
    এই পুকুরটা আমাদের ভাড়া বাড়ির পেছন দিকের রাস্তায় একটু গেলেই। আদ্ধেক পুকুর বোজানো অবস্থায় আছে। কিন্তু একটা ঘাট এখনো আছে যেখান দিয়ে নেমে জলের কাছে যাওয়া যায়। আমাদের পাড়ার দাদারা, যারা  ক্লাস টেন ইলেভেনে উঠেছে তারা লুকিয়ে সিগারেট খেতে অনেক সময় পুকুর পাড়ে আসে। আমাকে দেখলে ওরা কিছু বলে না। মা যদিও বলে আমি নাকি বড় হচ্ছি। আমাকে হাফ প্যান্ট পড়তে দেয় না, ফ্রক পড়ায় বড় ঝুলের। আমি অবশ্য সেভেনে উঠে গেছি। আমি কিন্তু ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ি। বাবা খুঁজে খুঁজে এই স্কুলটা  বের করেছে শহরের একটু বাইরে। এত সস্তা সি বিএস ই স্কুল নাকি আর হয় না। মাত্র তিন হাজার টাকা  ট্যুইশন ফি। বাবা বাইকে আমাকে পৌছে দেয় বলে  বাস ভাড়া লাগে  না। ফেরার সময়  অতীনকাকুর বাইকে চলে আসি আমার ক্লাসমেট  মেঘনার সঙ্গে। বাড়ি থেকে একটু দূরে নেমে হেঁটে ফিরি। বাবার সঙ্গে আমার  দিনে মাত্র একঘণ্টা দেখা হয়। বাবা তখন অ্যাপার্টমেন্টের সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি  থেকে ফিরে জলখাবার খায়। তারপর চা খেয়ে বাইকটা নিয়ে বেরিয়ে যায় খাবার ডেলিভারি দেওয়ার কাজে।  কত রাতে ফেরে আমি জানি না। মাও খেয়ে শুয়ে পড়ে। মাকে সকালে তাড়াতাড়ি উঠে রেডি হয়ে নিতে হয়। মা একটা ডায়াগনিস্টিক ল্যাবে কি একটা  রসিদ কাটার কাজ করে। মাসে  ছয় হাজার টাকা পায়। তাতে আমার স্কুলের মাইনে আর দুটো টিউটরের খরচ মেটানো হয়। বাবার টাকা থেকে বাড়িভাড়া আর অন্যান্য খরচ।বাবা রাত্রে বাড়ি ফেরার পর ঢাকা দেওয়া খাবার গরম করে খায়। এসব আমি জেনে গেছি।

    আমার  কাছে আমার বাবা মায়ের গল্প কেউ জিজ্ঞেস করে না। সবাই বোধহয় ভদ্রতা করে ভাবে আমি লজ্জা পাবো। আমার কিন্তু বাবা মায়ের গল্প করতে ইচ্ছে করে অন্যদের কাছে। কেউ জিজ্ঞেস  করে না বলে  আমি ডায়েরি লিখি মনে মনে। জলের কাছে বসে। এই যেমন লিখছি। আমার বাবার নাম তপনজ্যোতি  মন্ডল। আমার মায়ের নাম নিবেদিতা ব্যানার্জী। আমার বাবা মার ইনটার কাস্ট ম্যারেজ। এটা আমি  শিখেছি। আমার বাবা মা ফ্যামিলি প্ল্যানিং করে। সেটা কী জিনিস আমি ভালো করে বুঝি না। শুধু জানি সেটা করলে বেশি বাচ্চা  হয় না। অথচ  একটা ভাই বা বোন থাকলে আমার  কী ভালোই না লাগতো। আমার বাবা বা মা   কেউ হাসি, ঠাট্টা, ঝগড়া – কিছুই করেনা। শুধু ওই বিকেলে এক ঘণ্টা যখন আমরা একসঙ্গে থাকি তখন বাবা  আমার গালে চুমু খায়। আর মা তখন কেমন করুণ করে তাকায়।  আমি একদিন বলে ফেলেছিলাম, বাবা, দেখো মা  দুঃখ পাচ্ছে। তুমি মায়ের গালেও হামি দিয়ে দাও। সেইদিন বাবা আর মা চোখাচোখি করে হেসেছিলো। আমি দেখেছিলাম।

    আমার শুধু ভয় করে যে আমার গার্জেন কল না হয়। না, পড়াশোনার কারণে আমাদের গার্জেন কল হয় না খুব একটা। কিন্তু আমার বোধহয় একবার দুমাসের ট্যুইশন ফি বাকি পড়েছিলো। সেবার গার্জেন কলে এসে প্রিন্সিপালের ঘর থেকে বেরোনোর পর  বাবার চোখের দৃষ্টি  আমার  মরা বেড়ালছানার মত   লেগেছিলো।  এর ঠিক দুই মাসের মাথায় আমাদের বাড়িতে কাবলিওয়ালা এসেছিলো। সেদিন রাত্রিবেলা  এই প্রথম বাবা মায়ের চাপা গলায় তর্কাতর্কির আওয়াজে আমার ঘুম  ভেঙ্গে গিয়েছিলো। বাবার ওরকম চোখের দৃষ্টি দেখেছিলাম সেই যেবার আমরা দীঘা বেড়াতে গিয়েছিলাম  বিজয়া দশমীর পর তিন দিনের ছুটিতে। সেই প্রথম আমাদের বেড়াতে যাওয়া।  দীর্ঘ বাস জার্নিতে ক্লান্ত শরীর নিয়ে আমরা একটার পর একটা হোটেলের কাছে যাচ্ছি  আর বাবা রিসেপশনের কাছ থেকে বেরিয়ে এসে মাথা নাড়ছে। চোখে সেই মড়া বেড়ালছানার  মত গতিহীন দৃষ্টি। শেষমেষ আমরা যে ঘরটায় থেকেছিলাম আমাদের স্যাঁতসেঁতে এক ঘরের ভাড়ার বাড়িটাও বোধহয় তার চেয়ে ভালো।  এখন আমি শুনছি যে সামনের বছর নাকি ক্লাস এইট থেকে পাঁচ হাজার টাকা  ট্যুইশন ফি হবে। বাবা কী করবে কে জানে। আমাকে ছাড়িয়ে নিলেও বাংলা মাধ্যমের স্কুলে  তো আর ভর্তি করতে পারবে না।  স্কুলও  নেবে না, আমিও পারবো না।



    স্কুলের টিউশন  ফি বেড়ে  একেবারে সাড়ে চার হাজার টাকা হয়েছে। কিন্তু আমাকে স্কুল ছাড়তে হয় নি। আমি টেনে পড়ছি এখন।  কিন্তু মায়ের সঙ্গেও এখন আমার দেখাই হয় না প্রায়। মা আমি স্কুল থেকে ফেরার আগেই  ট্রেনে করে কলকাতা চলে যায়। ওখানে একটা বড় নার্সিং হোমের রিসেপশনে বসে মা । টাকা এখানে যা পেত তার  দ্বিগুণ। মাকে ভালো করে সাজগোজ করে যেতে হয় । স্কুল থেকে ফিরে আমি নিজেই খাবার গরম করে নি। বাবা এলে ওই একঘন্টা একটু বাবাকে কাছে পাই। বাবা আগের থেকে আরো একটু চুপচাপ হয়ে গেছে। আমার ভালো লাগে না। আমি  সি বিএস ই পাশ করে গেলেই বাংলা মিডিয়াম স্কুলে চলে যাবো। মার ইচ্ছে  আমি  নিট দিয়ে  ডাক্তারি পড়ি। নিট ক্র্যাক করতেই  হবে আমাকে। কিন্তু স্পেশাল কোচিং ফোচিং ছাড়া পারবো কিনা, সে ভয়টাও আছে। আসলে আমার কেমন একা একা লাগে আজকাল। আগে মাকে সব কথা বলতাম । পিরিয়ডের ব্যথার সময় মা গায়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেই ব্যথা কমে যেতো। এখন সবকিছু দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করতে হয়।

    গভীর রাতে মা  যখন আমার কাছে শুতে আসে তখন এক এক দিন আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়। মাকে জড়িয়ে শুতে পারি না এখন। মায়ের গায়ে খুব সেন্টের গন্ধ থাকে। ঘুমের মধ্যেই একদিন টের পেলাম মা আমাকে চূমো খাচ্ছে। কিন্তু মায়ের মুখে একটা এমন ঝাঁঝালো গন্ধ পেলাম যে আমি  ঘুম ভেঙ্গে বলেই ফেললাম, কিসের গন্ধ মা তোমার মুখে।
    মা ঘুমজড়ানো গলায় বললো, হোমিওপ্যাথি ওষুধের রে। ভীষণ ঠাণ্ডা লেগেছে আমার।
    আমি বললাম, তাহলে কাজে যেও না কাল।
    না রে যেতেই হবে। এই কাজে অমন দুমদাম ছুটি নেওয়া যায় না।
    এক এক রাতে চাপা গলার আওয়াজে ঘুম ভেঙ্গে যায় আমার। মনে হয় ঘরের মধ্যে একটা রাগী বেড়াল গর গর আওয়াজ করছে যেন। আমার এক বন্ধুর কাছে শুনেছিলাম বেড়ালের যখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায় তখন  নাকি খুব হিংস্র হয়ে যায়, লাফিয়ে টুঁটি ছিঁড়েও  নিতে পারে। মায়ের গলার খুব কাছেই যেন ঘুর ঘুর করছে  রাগী বেড়ালটা। আমি ভয়ে চিৎকার করে উঠে বলি ‘ মাগো’।  মা আমাকে ধরে নাড়িয়ে দেয়। বলে, ‘কি হয়েছে? স্বপ্ন দেখছিস?'
    আমি অন্ধকারের মধ্যে  জ্বলজ্বল করতে থাকা বেড়ালের চোখদুটো দেখতে পাই।  ফিসফিস করে  মাকে সেকথা বলি। মা হেসে উড়িয়ে দেয় আমার কথা। বলে , তুই নিশ্চিন্তে ঘুমো।
    বহুদিন পর মায়ের  বাহুর ওপর মাথা দিয়ে আমি চোখ বুজলাম। বাইরে বৃষ্টি পড়ছে তখন।

    শুয়ে শুয়ে তখন ভাবছি  আমাকে নিট ক্র্যাক করতেই হবে । আচ্ছা, এমন যদি হয় মা যে নার্সিং হোমে কাজ করে আমি সেখানেই ডাক্তার হয়ে জয়েন করলাম। মায়ের প্রেস্টিজ কেমন বেড়ে যাবে ওখানে। মা নিশ্চয় একটা প্রোমোশন পেয়ে যাবে ততদিনে। আর বাবাকে তখন আর ওইসব রাতবিরেতে  কাজ করতে দেবো না। দিনের বেলা সিকিউরিটির কাজটা  করলে করবে। এতে লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই। কোনো কাজই  ছোটো নয়। আমাদের ক্লাসে  অর্পিতা ম্যাম বলেন,  আ প্লাম্বার অর  আ ম্যাসন  ইজ অ্যাজ নেসেসারি টু আ  সোসাইটি অ্যাজ আ  ডক্টর। ইউ রিয়ালাইজ দিস হোয়েন ইউ ডেসপ্যারেটলি নিড দেম। আমার  অর্পিতা ম্যামকে খুব ভালো লাগে। মনে হয়  উনি প্রপারলি গাইড করেন আমাদের । আচ্ছা ডাক্তার হতে হবে কেন? অর্পিতা ম্যামের মত টিচার হতে পারলেও তো খুব ভালো হয়। খুব কনফিউজড লাগে মাঝে মাঝে। তখন পুকুর পারে গিয়ে বসি যদি সময় পাই। বিকেলের আলো এসে পড়ে গাছের ফাঁক দিয়ে । একটু হাওয়া দেয়। দু একটা পাতা খসে পড়ে। আমি কেঁদে উঠি , মা তুমি মদ খেয়ো না। আমি বুঝতে পারি। আমি আর ছোটো নই মাগো।



    আমি টুয়েলভ পাস করে গেছি। নিট ক্র্যাক করতে পারি নি। মা গেছিলো আমার  বায়োলজি টিচারের কাছে দেখা করতে। উনি বলেছেন আমার পরিশ্রমে ঘাটতি নেই , কিন্তু মেধা কম। কীসব জিন টিনের ব্যাপার বলেছেন, মা বাড়ি ফিরে মুখ হাঁড়ি করে বসেছিলো । যেন মা বাবাই অপরাধী । ওদের মেধা কম বলেই আমার মেধা কম।
    আমি মায়ের কাছ ঘেঁষে দাঁড়িয়ে বললাম, ছাড়ো তো।  বোটানি অনার্স নিয়ে পড়বো এখানকার কলেজে।  তারপর এস এস সি,  ফেস এস সি  দিয়ে দেখবো।
    মা আমার দিকে ফিরে তাকালো। চোখে যেন আগুন জ্বলছে। বললো, তুই  সামনের বার আবার বসবি। আমি কলকাতায় কোচিং নেওয়ার ব্যবস্থা করছি।
    আমি বললাম, তুমি কি খেপে গেছো মা ? কত টাকা লাগে জানো ?
    টাকা নিয়ে তোকে ভাবতে হবে না। আমি ব্যবস্থা করবো।
    রাত্রিবেলা ঝগড়ার আওয়াজে ঘুম ভেঙ্গে গেলো।  বাবাকে এত জোরে কথা বলতে কখনো দেখিনি। মনে হল বাবা যেন চাইছে কথাগুলো আমার কানেও যাক। আমিই শুনতে চাইছিলাম না।উপুড় হয়ে বিছানায় শুয়ে চাদরটা মাথায় ঢেকে নিচ্ছিলাম।
    যেটুকু বুঝলাম বাবা  চাইছে না আমি আর নিটের পেছোনে দৌড়াই। বাবা মাকে কলকাতার কাজটা ছেড়ে দিতে বলছে। ছি ছি, বাবা বলছে, আর শরীর বেচতে হবে না। মা কী বলছে আমি বুঝতে পারছি না। মা মাঝে মাঝে আর্তনাদ করছে। বাবা কি মাকে কামড়ে দিচ্ছে গলার কাছে? টুঁটিটা ছিঁড়ে নিতে চাইছে ?
    বাবা শেষ বাক্যটা কেটে কেটে উচ্চারণ করলো। বোধহয় আমাকে শোনাতে চেয়েই। প্রত্যেকটা শব্দ জ্বলন্ত কয়লার মত আমার বুকের মাঝে  যেন চেপে ধরছিলো -- ‘ আমি জানি মামণির কোচিং টোচিং অজুহাত। তুমি টাকার নেশায় পড়ে গেছো তাই ছাড়তে পারছো না। তুমি এখন বাজারের মেয়েছেলে  পুরোপুরি।“
    মা, মাগো, তুমি আমার কাছে এসো। আমি তোমাকে গলা ছেড়ে ডাকতে পারছি না কিন্তু  চাইছি তুমি কাছে এসো। আমার পিরিয়ডের  সময় তুমি প্রতিবার আমাকে দুধ খাওয়াতে। আমার নাকি অনেক রক্ত বেরিয়ে গেছে  শরীর থেকে। আমি দুর্বল হয়ে যাবো ।  এখন তো তোমার গলা থেকে রক্ত পড়ছে মা কত। ভীষণ রাগী  একটা বেড়াল তোমার টুঁটিটা কামড়ে দিয়েছে। তোমার শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যাচ্ছে মা।
     


    আমরা ওপাড়া ছেড়ে অন্য পাড়ায় চলে গেছি বাসা ভাড়া নিয়ে। এখানে কোনো মজা পুকুরও নেই। আমার এখন জল দেখলে ভয় করে। মাকে পেছনের ওই পুকুরের জল থেকেই তুলেছিলো কিনা। ওই পুকুরে যে ডুবে মরা যায় তার আগে বোধহয় কেউ জানতো না। থানার ওসিটার ইচ্ছে ছিলো বাবাকে  থানায় নিয়ে গিয়ে কেস ফেস দেওয়ার। বাবা মরা বেড়ালছানার মত দৃষ্টি নিয়ে  চেয়ে ছিলো শুধু।  আমাকে দিয়ে একটা  ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের  স্টেটমেন্ট করাতে চেয়েছিলো ওসি। আমি দিই নি। আমি শুধু বলেছিলাম,  দে আর বোথ ভিকটিমস।
      সিভিক ভলান্টিয়ারটা ওর কানের কাছে কিছু বলতে মাথা নেড়ে ওসি  বললো,এই বামন হয়ে চাঁদ ধরতে গিয়েই সমাজে সব্বোনাশ হচ্ছে।

    আমি অনার্স পাশ করে এস এস সি একবার দিয়েছি।চাকরি হয় নি। আপাতত টিউশন শুরু করেছি। টিউশন  সেরে ফেরার সময় ঘেমে যাই। খুব গরম লাগে। হঠাৎ মনে পড়ে আমার আজ জন্মদিন।  মা  ঠিক মনে করে পায়েস রাঁধতো আমার জন্য।  হাঁটতে হাঁটতেই টের পাই ঝড় উঠবে। আকাশের দিকে তাকাই । সেখানে মেঘের খেলা । বৃষ্টি নামবে।নদী,নালা,পুকুর সব জলে ভরে উঠবে। ওই মজা পুকুরটার খবর কী কে জানে যেটার তলায় মা শুয়ে ছিলো। পুকুরটা কি আর আছে না বুজিয়ে ফ্ল্যাট উঠে গেছে কে জানে।  না থাকলেই ভালো । আমি আর জল সহ্য করতে পারি না। জোরে পা চালাই আমি বাড়ির দিকে।
     
    সেখানে আমার অপেক্ষায় আছে একটা প্রায়ান্ধ বেড়াল।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন