এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • ভারত এবং ইন্ডিয়া দুটোই আমাদের উত্তরাধিকার 

    Eman Bhasha লেখকের গ্রাহক হোন
    ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ৪৯৪ বার পঠিত
  • ভারত এবং ইণ্ডিয়া দুটোই আমাদের উত্তরাধিকার
    ইমানুল হক



    সমাজমাধ্যমে একটা মিম খুব ঘুরছে--২০১৪তে ওরা সরকারি প্রকল্পগুলোর নাম বদলে ছিল, ২০১৯-এ বদলায় রাস্তা এবং শহরের নাম, এবার অরা দেশের নামই বদলিয়ে দিতে চায় ২০২৪এর লক্ষ্যে। 



    অনেক 'মিথ' দেখা যায় মিথ্যা। ছোটদের বিদ্যালয় পাঠ্য বই লেখানো উচিত সবচেয়ে জ্ঞানী পণ্ডিতদের দিয়ে। কিন্তু আমাদের দেশে হয় উল্টোটা। এবং প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতনক্রম এবং ডিগ্রি হওয়া উচিত সর্বোচ্চমানের। কিন্তু এ-দেশে হয় সেই উল্টোটা। ফলে ভুল শিক্ষায় কুশিক্ষিত হয় একটা জাতি। আমাদের ইতিহাস বইয়ে লেখা থাকতো, ভরত নামে এক রাজার নামে এই দেশের নাম 'ভারত'। কিন্তু ইতিহাস তা বলে না।
     
    ঐতিহাসিক রামশরণ শর্মা জানিয়েছেন ‘ভারত’ এসেছে ‘ভরত’ থেকে। ‘ভারত’ শব্দের আরেকটি নাম ‘ইন্ডিয়া’ ছাড়া যা আমাদের দেশকে অধিকতর পরিচিত করেছিল তা হল ‘ভারতবর্ষ’ তথা ‘ভরত’দের দেশ। উপজাতি বা ‘পরিবার’ অর্থে ভরতের উল্লেখ ঋকবেদ বা মহাভারতে পাওয়া যায়।
    (রামশরণ শর্মা-- ভারতের প্রাচীন অতীত, (অনুঃ গৌতম নিয়োগী-সত্যসৌরভ জানা, ওরিয়েন্ট ব্ল্যাক সোয়ান, কলকাতা—২০১১, পৃ-২)

    ঐতিহাসিক শর্মার মতে,     
    পৃথিবীর ন’টি ভাগের একটি ভাগ বোঝাতে ‘ভারতবর্ষ’ শব্দটি ব্যবহৃত হত। ‘বর্ষ’ কথাটির অর্থ পর্বতের দ্বারা পৃথকীকৃত পৃথিবীর অংশ বিশেষ।

    আর ঐতিহাসিক কে পি জয়সওয়াল ভারতীয় অতিকথন ভেঙ্গে জানিয়েছিলেন, প্রাচীন যুগে ভারতবর্ষে কিছু প্রজাতন্ত্র বর্তমান ছিল। মহাভারতে আমরা দেখি দুর্যোধনের মূল রাগ পাণ্ডবদের প্রতি, ওরা ভরত বংশের কেউ নন। ওরা ক্ষেত্রজ এবং অন্য রক্তের বাহক। ভরত বংশধারার নন। মহাভারতের কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধকে ঐতিহাসিক পরেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, ভারত যুদ্ধ। তিনি লিখছেন--
    “ভারত যুদ্ধের সময় পৌণ্ডবর্ধনে পৌণ্ড্রক বাসুদেব, কৌশিকীগুচ্ছে মহৌজা, বঙ্গে সমুদ্রসেন
        রাজত্ব করিতেছিলেন।
    [পরেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় -- বাঙ্গালার পুরাবৃত্ত, (১ম ভাগ), (সম্পাঃ কমল চৌধুরী), দে’জ, কলকাতা, ২০০৬]



    'ইন্ডিয়া' নামটি নাকি ব্রিটিশ অবদান বলে সমাজমাধ্যামে একটা মিথ্যা প্রচার শুরু হয়েছে। অক্সফোর্ড অভিধান অনুযায়ী 'ইণ্ডিয়া' এসেছে গ্রিক থেকে। প্রাচীন গ্রিকে সিন্ধুতীরের এলাকাকে বলা হতো 'ইণ্ডাস', হেলেনিয় গ্রিকে এটাই দাঁড়ায় ইণ্ডিয়া। গ্রিকরা  সিন্ধুসভ্যতার বাসিন্দাদের বলত 'ইণ্ডোই'। 'ইণ্ডোই' মানে সিন্ধু ভূমির বাসিন্দা বা জনগণ। 'ইণ্ডোই' থেকে ধ্রুপদী ল্যাটিনে হয় 'ইণ্ডিয়া'। মেগাস্থিনিসের ভারতবৃত্তান্তের নাম 'ইন্ডিকা'। পারসিকরা সিন্ধুকে উচ্চারণ করতেন 'হিন্দু'। এবং এর অধিবাসীরাও 'হিন্দু'। 'হিন্দু' শব্দটি আসলে ফার্সি। ঐতিহাসিক ইরফান হাবিব লিখছেন, স্তান বলতে, পারসিকরা বোঝাতেন, জায়গা বা ভূমি। যেমন,  সেইস্তান, গুর্জিস্তান, খুজিস্তান। হিন্দুস্তান মানে 'ইন্ডিয়ান ল্যান্ড',  'নট দি ল্যান্ড অফ হিন্দুজ'। আর হিন্দু মহাসভা ইত্যাদি বোঝাতে চাইছে, এটা হিন্দুস্থান।  মানে এটা হিন্দুদের দেশ। ফার্সিতে কিন্তু তা ছিল না। মুঘল যুগের দলিলপত্র যদি দেখেন, তাহলে দেখবেন, বলা হচ্ছে, হিন্দভি মুস্লিম। হিন্দভি খ্রিস্টান। অর্থাৎ হিন্দের মুসলমান বা হিন্দের খ্রিস্টান। মুঘল যুগের আগে তো 'হিন্দু' শব্দটাই সেভাবে ব্যবহার হতো না। আমির খসরু খিলজি যুগে 'হিন্দুস্তানি' শব্দ ব্যবহার করেন। আল বিরুনি লেখেন, তারিখ ই হিন্দ।  আপনারা জানেন কিনা জানি না, ভারত থেকে হজ করতে যাওয়া সব মুসলমান হাজিকে আরবে 'হিন্দু' বলা হয়। 'হিন্দ' একটা স্থান নাম,  আর 'হিন্দু জাতি নাম --আরবদের কাছে। 

    যেভাবে চলছে, কবে না দাবি ওঠে আর হিন্দুদের হিন্দু বলা চলবে না, ওটা ফার্সি। সবাইকে সনাতনী বলতে হবে। 



    ঐতিহাসিক রামশরণ শর্মা আরো লিখেছেন, 

    অস্ট্রিকদের এদেশে আসা নিয়ে ‘বলা হয়ে থাকে যে পঞ্চাশ হাজার বছর আগে অস্ট্রিক জনগোষ্ঠীর মানুষ ভারতবর্ষে এসেছিল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল দিয়ে। এদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ারও যোগ আছে। কিন্তু নৃতত্ববিদরা বলেন যে, অস্ট্রিক জনগোষ্ঠী  চল্লিশ হাজার বছর আগে অস্ট্রেলিয়ায় আসে। সুতরাং এটাই হয়তো অধিকতর সঙ্গত যে তারা আফ্রিকা থেকে পঞ্চাশ হাজার বছর আগে ভারতীয় উপমহাদেশের ভিতর দিয়ে  দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছেছিল।
    রামশরণ শর্মা-- ভারতের প্রাচীন অতীত, (অনুঃ গৌতম নিয়োগী-সত্যসৌরভ জানা), ওরিয়েন্ট ব্ল্যাক সোয়ান, কলকাতা—২০১১।



    আমাদের রক্ত মিশ্র রক্ত। অবিমিশ্র নয়। নানা জাতি নানা বর্ণ, নানা ভাষা নানা সংস্কৃতির মিশ্রণে গড়ে উঠেছে ভারত ভারতীয়ত্ব। নাম পরিবর্তন একটা নির্বাচনী গিমিক।  শুধু গিমিক বললে ভুল হবে, মূল সমস্যা থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা।  



    আমরা যেন এই খবরটা ভুলে না যাই,  ‘ইন্ডিয়া’র পরিবর্তে বাধ্যতামূলক ভাবে ‘ভারত’ নামে দেশকে চিহ্নিত করার আবেদন জানিয়ে দায়ের করা একটি জনস্বার্থ মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টে সাত বছর আগে। তা  খারিজ করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। আর তা করেছিল নরেন্দ্র মোদী সরকারের সম্মতিতেই।

    ঘটনা এ-রকম-- নিরঞ্জন ভটওয়াল নামে মহারাষ্ট্রের এক ব্যক্তি ২০১৫ সালে ‘ইন্ডিয়া’ নাম বাতিল করে কেবলমাত্র ‘ভারত’ নামটিকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে জনস্বার্থ মামলা করেন।  সেই সময়, সুপ্রিম কোর্টের তদানীন্তন প্রধান বিচারপতি টিএস ঠাকুর এবং বিচারপতি ইউইউ ললিত সেই আবেদন খারিজ করে দেন, কেন্দ্রীয় সরকারের মতামত জেনেই। 



    এখন একটা ধুয়ো উঠেছে--সবকিছু এক হতে হবে। এক দেশ এক নাম। আগে ছিল, এক দেশ এক ভাষা এক সংস্কৃতি। এখন এখন এক দেশ এক আইন এবং এক দেশ এক নাম।
    তা এক ফৌজদারি আইন কি কার্যকর হয় এইদেশে, এই শ্লোগান তোলাদের রাজত্বে? একজন বললেন   প্রকাশ্য মিছিলে 'গোলি মারো শালো কো"--তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী। আর একজন দিল্লি গণহত্যায় পীড়িতদের ত্রাণ দিচ্ছিলেন, তিনি তিন বছর ধরে জেলে। মণিপুর গুজরাটে কী হয়েছে? হচ্ছে? হায়দরবাদে ধর্ষণকারীদের বিচার না করেই গুলি ক্রে হত্যা, আর গুজরাটে গণধর্ষণকারীদের গলায় মালা পরিয়ে ঘোরানো হচ্ছে। উত্তরপ্রদেশে প্রকাশ্য রাস্তায় এক পুলিশ অফিসারকে খুন করা হয়েছে। তার অপরাধ তিনি আখলাখ নামে দাদরি জেলার এক বাসিন্দাকে ফ্রিজে গোরুর মাংস রাখার  খুন  করা হয়। পুলিশ অফিসার সুবোধ কান্ত সিং মাংস ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠান। তাতে দেখা যায়, মাংসটি খাসির মাংস। এই অপরাধ। 
    এক দেশ এক আইন আক দেশ এক নাম--- তা এক দেশ এক জাত কেন হবে না। ৬৪০০ রকম জাত কেন ধর্মের নামে। উঁচুজাত  নীচুজাত কেন? এক দেশ  এক কর বলে জিএস টি-র নামে হরেক রকম কর কেন?  হীরের কর ৩ শতাংশ আর অতি প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ২৮ শতাংশ।   শিক্ষাসামগ্রীর কর ১৮ শতাংশ। পেটড়ল ডিজেলে কিন্তু জি এস টি চালি হলো না। সেখানে  উৎপাদন খরচ ২৬ টাকা। আর বিক্রয়মূল্য ১০৬ টাআক। অথচ আমেরিয়াক নেপাল ইংল্যাণ্ড এসব দেশকে তেল বেচছে ৩২ টাকা দরে।
    এক দেশ এক আয়কর নয় কেন?
    মধ্যবিত্তকে দিতে হচ্ছে ২০-৩০ % কর আর দানি আম্বানিদের ন্মটো অতি অতি অতি ধনীদের জন্য কর ১৫%।
    আগে একসময় ওটা ছিল ৩০%।



    আসলে জিনিসের দাম বেড়েছে ২০০-৩০০ গুণ,  বছরে দুই কোটি চাকরির কথা ছিল, ১৪ কোতির স্থায়ী চাকরি গেছে, রেকর্ড বেকার, এক লাখ স্কুল বন্ধ হয়ে গেল,  দেশে নতুন কলকারখানা নেই। ২০২২-এর মধ্যে সবার মাথায় ছাদের কথা ছিল, এখন দিল্লিতেই চলছে বুল্ডোজার। গরিবদের বস্তি উচ্ছেদ, দিল্লিতে বিক্ষোভের ভয়ে চলছে আংশিক লক ডাউন।
    অর্থনীটির মিথ্যা গপ্পো ফাঁস অষক মোডির গবেষ্ণায়, তাই ভুয়ো একত্বের জিগির তোলা। এক দেশ এক ভোট, এক দেশ এক নাম।
    একাকার হওয়া ভালো, এক হওয়া সর্বনাশ।
    সংবিধানে তো লেখাই আছে, ইন্ডিয়া দ্যাট ইজ ভারত। রাহুল গান্ধী করেছেন ভারত জোড়ো। ওরা করছেন, ভারত তোড়ো। তাই জাতি ধর্মে এত হিংসার উস্কানি, এত বিদ্বেষ প্রচার।
    ইন্ডিয়া জোটের ভয়ে ভারতের নাম। 
    সাম্প্রতিক উপনির্বাচন দেখিয়ে দিয়েছে, ইন্ডিয়া জোট জিতছে--তাই আগডোম বাগডোম আওয়াজ এবং উস্কানি।
    ভারত এবং ইণ্ডিয়া দুটোই আমাদের উত্তরাধিকার। এবং সেটাই চাই।

    ঋণ: উত্তরবঙ্গ সংবাদ 
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন