এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • সজনে ফুল (গল্প) 

    দীপালোক ভট্টাচার্য লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৭ আগস্ট ২০২৩ | ২১৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • খুব শীত করছে লিজার। রোমগুলো দাঁড়িয়ে গেছে। এই শৈত্য আর নেওয়া যাচ্ছে না। পকেট থেকে মোবাইল বের করে সময় দেখে লিজা। সবে সাড়ে তিনটে। আটটা বাজতে এখনো ঢের দেরি। অবশ্য আটটা বাজলেই যে একটা মিরাকেল ঘটবে এমনটা নয়। বাইরে বেরিয়ে তো সেই এঁদো গরম। কুলকুল করে ঘাম দখল নেবে গোটা শরীর। তারপর এক কামরার শেয়ারড ঘরে পৌঁছে স্টোভে রাতের রান্না। ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে সারাদিন পরে থাকা জামাকাপড় কাঁচা। খেয়েদেয়ে বিছানায় মোবাইল খুঁটখুঁট। মা আর বোনের সাথে গতানুগতিক ফোনালাপ। সবশেষে মাথার ওপর ঢিম তালে ঘুরতে থাকা ফ্যানের হাওয়া শুষে নিয়ে ঘুমের চেষ্টা করা।

    গ্রসারি সেকশনের অমিত হাত দিয়ে খেতে যাওয়ার ইশারা করল লিজাকে। বারো জন কর্মচারী ভাগে ভাগে দুপুরের খাওয়া সারে। সেই সময়টা অন্য কেউ ক্রেতা সামলায়। অবশ্য শনি রবি বাদ দিয়ে দুপুরবেলাটা ফাঁকাই থাকে। কম বয়সী ছেলে মেয়েরা শীততাপের আরাম নিতে আসে কখনো সখনো। গোটা স্টোর জুড়ে ঘুরে ঘুরে জিনিসপত্র ঘেঁটে প্রাইস ট্যাগ উল্টে হাঁটা লাগায় এক্সিট গেটের দিকে। এদেরকে 'হ্যালো ম্যাম, হাউ ক্যান আই হেল্প ইউ' বলতে হয় না লিজাদের।

    বাড়ি থেকে আনা স্টিলের টিফিন বক্সের মুখ এঁটে গেছে। স্টাফ রিফ্রেসমেন্ট রুমের বেঞ্চে বসে সেটা খুলতে গিয়ে লিজার কপালে জমেছে বিন্দু বিন্দু ঘাম। সুদীপা উল্টো দিকের বেঞ্চেই বসে আছে। খাওয়া হয়ে গেছে। আয়েস করে হাত চাটছে আর ভিডিও কলে গল্প করছে কলকল করে। লিজার দিকে তাকিয়ে ফোন কেটে দিল সুদীপা।

    "থোড়া রুক। ম্যায় ওয়াস রুম সে আরেহিহু", টিফিন বক্স নিয়ে লাগোয়া ওয়াস রুমের দিকে হাঁটা দিল সুদীপা লামা।

    লিজা টেবিল ধরে বসে আছে ঝিম মেরে। পেটে তীব্র খিদে। সামনে রাখা টিফিন বক্সে খাবার। কৌটোর ভেতরে রাখা ঝাল ঝাল ডিম কষার গন্ধ নেওয়ার চেষ্টা করল লিজা।

    পকেটে রাখা মোবাইল গোঁ গোঁ করে উঠল হঠাৎ। এ সময় আবার কে?

    "ডিউটিত আছিস নাকি দি?", ফোনের ওপাশ থেকে বলল লিজার বোন।

    "এলা খাইম। টিফিন আওয়ার চলেছে। কি কবু ক। আম্মু ভাল আছে তো?", উদ্বিগ্ন গলায় বলল লিজা।

    "হ্যাঁ হ্যাঁ, আম্মু ভালে আছে। শুন, তুই আঠারোশো টাকা পাঠেবার পাবু?", আমতা আমতা করে বলল লিজার বোন, "মোরটে সাতশো আছে, আম্মুরটে তিনশো হবে কইচে। কলেজের ভর্তির ফিস দিবার আজিয়ে লাস ডেট। হবে তোরটে?"

    কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে লিজা। মনে মনে ভাবার চেষ্টা করে, একাউন্টে কত আছে আর আঠারোশো টাকা বোনকে পাঠালে মাইনে পাওয়া অবধি চলবে কি না। মাথার ভেতর খুদে খুদে সংখ্যা দিয়ে কষা অঙ্কগুলো জট পাকিয়ে যায় এক সময়।

    "ঠিকাছে, মুই পাঠাছো তোর একাউন্টত ইউ পি আই করি। কষ্ট করি চলাবু এই কয় দিন, ঠিকাছে? ফোন রাখ এলা", লিজা বলে।

    সুদীপা কখন এসেছে ওয়াশ রুম থেকে , খেয়াল করেনি লিজা। নীরবে টিফিন বক্স খোলার চেষ্টা করতে করতে একসময় খুলে গেল ঢাকনাটা। লাল লাল ডিম কষা আর একটু হলেই চলকে পড়ত সুদীপার জামায়।

    "মুফত মে কুছ নেহি হোতা হ্যাঁ আজ। মুঝে ফিস চাহিয়ে, সামঝি?", মুচকি হেসে বলল সুদীপা, "ইয়ে স্পাইসি আন্ডে কারী মুঝে খিলানা পড়েগা লিজা, ইসি হপ্তা মে"।

    "ওকে ডান, এন্ড বাই ওয়ান গেট ওয়ান অফার ইস এভিইলেবেল অনলি ফর ইউ। এক আন্ডে কে সাথ এক ফ্রি", হাসতে হাসতে বলল লিজা, "প্লিজ ডোন্ট মাইন্ড সুদীপা, এক হাজার রুপিয়া দে সাকতি হো? ঘরমে ভেজনা পড়েগা। স্যালারি হোনে কে বাদ ম্যায় দে দুঙ্গি।"

    "ঠিক হ্যাঁ, ভেজ রাহি হুঁ", সুদীপা বলল, "টেনশন মত লে, সামঝি?"

    ভাতে হাত দিয়ে লিজা দেখল, বেশ ঠান্ডা। এতক্ষণ এ সি তে ছিল খাবার। অবশ্য প্রবল খিদের সময় ঠান্ডা গরমের বোধ থাকে না লিজাদের। ওরা নির্ধারিত তিরিশ মিনিট সময়ে কোনোরকমে খাওয়া সেরে ফিরে যায় নিজের নিজের ডিপার্টমেন্টে। তবে ঠায় দাঁড়িয়ে থেকে কাজ করে এই সময়টুকুই যা একটু বসতে পারে লিজারা। এটুকুই যা স্বস্তি।

    টুং করে মোবাইলে মেসেজ ঢোকে লিজার। বাঁ হাতে মোবাইলের লক খুলে দেখে টাকাটা পাঠিয়েছে সুদীপা। এবারে বোনকে পাঠাতে হবে। লিজা জানে, ওর বোন ঠায় দাঁড়িয়ে আছে এ টি এমের সামনে। মেসেজ পেয়েই টাকা তুলে সোজা দৌড় লাগবে কলেজের ক্যাশ কাউন্টারে।

    অজান্তেই একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো লিজার। হঠাৎ নিজের কলেজের দিনগুলোর কথা মনে পড়ে গেল। তখন আব্বু বেঁচে ছিল। আর্থিক স্বাছন্দ না থাকলেও কলেজের ফি নিয়ে ভাবতে হয় নি লিজাকে। বেশ ফুরফুরে ছিল দিনগুলো। গ্রামের স্কুল থেকে কলেজে ভর্তি হতে পারলেই বেশ কেউকেটা মনে হত নিজেকে। তখন মনে হত, ভালো করে পড়লে পরীক্ষা দিয়ে কিছু একটা সরকারি চাকরি হয়েই যাবে। লিজার মনে হয়, ওর বোনও তাই ভাবে। তার ওপর উচ্চ মাধ্যমিকে নিজেদের স্কুল থেকে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে ইংরেজি অনার্স নিয়ে ভর্তি হয়েছে। ওকেও হয়ত বছর কয়েক বাদে…

    ঘড়ির দিকে তাকালো লিজা। আরো দেরি হলে স্টোর ম্যানেজার ঝাড়বে। ঠেস দিয়ে কথা শুনিয়ে বলবে, লিজার থেকে কম মাইনেতে কাজ করার জন্য লাইন দিয়ে আছে ছেলে মেয়েরা। সুতরাং সাবধান।

    দিনের পর দিন নিজের পারদর্শীতার প্রমাণ দিতে দিতে মাঝে মাঝে খুব ক্লান্ত লাগে লিজার। তবুও দশ ঘন্টা প্রায় টানা দাঁড়িয়ে থাকতে খুব ক্লান্ত লাগলেও চাকরি টিকিয়ে রাখার এই আপ্রাণ চেষ্টা করা ছাড়া এই মুহূর্তে আর কোনো বিকল্প নেই ওর হাতে।

    "টাকাটা ঢুকি গেইসে দি", ফোনের ওপাশ থেকে বলল লিজার বোন, "তোর প্রব্লেম হবে না তো?"

    "আরে না না। মুই চলে নিম এলায়। আর শুন, তোর একখান ড্রেস নিম এইটে থাকি। এইটেকার স্টাফলাক স্পেশাল ডিসকাউন্ট দেয়। মুই ছবি পাঠাইম, তুই দেখি কইস, কোনখান পছন্দ", লিজা বলে।

    "আরে নানা, মোর ড্রেস আছে তো। মেলা খরচ হইল ভর্তির বাদে। ফির আরো বই কেনা আছে। টিউশনের হাজার টাকা করি দেওয়াও খাবে সামনের মাস থাকি", লিজার বোন বলে।

    "আরে, হবে এলায়। ঈদের দিন ঘুরবু না? পুরান ড্রেস পরি ঘুরলে তোর বন্ধুলা কী কবে?", লিজা বলল।

    "দি রে, ঈদের সময় আসবু না তুই?"

    "কায় জানে। আইসলে ছুটি নেওয়া খাবে। ঠিক আছে, বাই।"

    কোনোরকমে হাত মুখ ধুয়ে নিজের সেকশনে আসে লিজা। দেখে, অমিত এক বয়স্ক মহিলার পেছনে ঝুড়ি নিয়ে ঘুরছে। লিজাকে দেখেই অমিত ঝুড়ি ওর হাতে চালান করে দিয়ে ফিসফিস করে বলল, "এতক্ষণ আমি সামলালাম। এবারে তুই সামলা। বেশি কথা বলবি না, শুধু হ্যাঁ হুঁ করে যাবি।"

    অমিত চলে গেল নিজের সেকশনে। লিজা দেখল, বুড়ি ঢেঁড়স বাঁচছে একটা একটা করে।

    "কত করে কিলো গো? ও, দাম তো লেখাই থাকে। একটু যে দরদম করে কিনবো, সে উপায়ও নেই", নিজের মনেই বলে চলে বুড়ি, "নেহাত ভীড়ভাট্টা কম, এ সি আছে। নইলে ঘন্টা আসতাম তোমাদের দোকানে।"

    ঢেঁড়স গুলো প্যাকেটে ভরে ওজন করার মেশিনে চাপালো লিজা।

    "আন্টি, তেইশ গ্রাম বেশি হচ্ছে, দিয়ে দেব?", লিজা বলল।

    "আর কি? দিয়ে দাও। তোমাদের তো মুখে মুখে হিসাব করতে হয় না বাজারের দোকান গুলোর মত। খুটখুঁট করে বোতাম টেপো, ব্যাস, দাম ছেপে বেরিয়ে আসবে মেশিন থেকে। দাম হিসেব করতে হলে বুঝতে", বুড়ি বলল।

    ঢেঁড়স প্যাকেটে ভরে ঝুড়িতে রাখল লিজা। হঠাৎ দেখলো, বুড়ি কিছু একটা খুঁজছে। এদিক ওদিক তাকাচ্ছে ঘন ঘন।

    "এই মেয়ে, তোমরা সজনের ফুল রাখো না? ক' দিন ধরে খুব সজনে ফুলের বড়া বড়া করছে মন টা", বুড়ি বলল।

    মাথা নাড়লো লিজা। হঠাৎ নিজের বাড়ির সজনে গাছটার কথা মনে পড়ল। লিজাদের চাষের জমি মাঝখান দিয়ে যে আল চলে গেছে, সেখানেই একলা দাঁড়িয়ে থাকে সেই সজনে গাছটা। এই সময় গাছ ভর্তি থোকা থোকা ফুল।

    হঠাৎ স্টোরের ভেজিটেবল সেকশনটা বদলে গিয়ে হয়ে উঠল লিজাদের চাষের জমি। একপাশে নধর ঢেঁড়স গাছ। অন্যদিকে ঝিঙের জঙ্গি। ঝিঙে গাছে সদ্য ফোঁটা ফুল। চোখ বন্ধ করে লিজা দেখে, ছোট্ট লিজা ওর ফ্রকের কোচড়ে জমানো সজনে ফুল গুঁজে দিচ্ছে ছোট বোনের চুলে। একটু দূরে কাজ করতে করতে সে দৃশ্য দেখছে ওদের বাবা।

    হঠাৎ দমকা হাওয়া উঠল। গাছ থেকে ঝরে পড়ছে সজনে ফুল। অকারনে হাসতে শুরু করল দুই বোন মিলে। সে হাসি থামতেই চাইছে না।

    —----------------
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন