এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • যাদবপুর: কাঙালিদের হাতেও‌ রক্তের দাগ 

    Eman Bhasha লেখকের গ্রাহক হোন
    ২০ আগস্ট ২০২৩ | ২৯৬৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (৩ জন)
  • শিবপুর প্রেসিডেন্সি ধ্বংস প্রাতিষ্ঠানিক। তাতেও কাঙালিদের সায় । 
    শিবপুর কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে গেলে নাকি ভালো হবে।
    দেশের আইআইটিগুলো থাকা সত্ত্বেও শিবপুরের নাম ছিল দেশে সর্বোচ্চমানের।‌ দেশের দ্বিতীয় ভালো প্রতিষ্ঠান ছিল।
    এখন?
    প্রেসিডেন্সি কলেজ ছিল মানবিক বিদ্যায় দেশের সেরা প্রতিষ্ঠান।
    বিজ্ঞানে দ্বিতীয়।
    কোনওবার সেন্ট জেভিয়ার্স কোনওবার সেন্ট স্টিফেন্স হতো প্রথম বা দ্বিতীয়।
    লোকে, বললো, বিশ্ববিদ্যালয় ও স্বশাসিত হলে ভাল্লো হবে।
    এখন ১৫০-র মধ্যেও আসে না।
    বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যাদবপুর এখনও দেশের চার নম্বর প্রতিষ্ঠান।
     
    কিন্তু ragging বিরোধিতার নামে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কেই Ragging করে সংঘ পরিবারকে যাদবপুরের দখল নিতে বহু প্রগতিশীল, বহু তৃণমূল, কিছু বাম যেভাবে সহায়তা করলেন তা লজ্জার। যাদবপুর বাঙালির গর্ব। সারা দেশে বাঙালির গর্ব করার মতো আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোথায়? যাদবপুরকে বিশ্বভারতী বানানোর চেষ্টা হচ্ছে।
    তাতে আমার চেনা অচেনা বহু মানুষের হাতে রক্তের দাগ থাকছে।
    যাদবপুরে কিছু ছাত্রের অন্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক শিক্ষার্থী শিক্ষা সহায়ক কর্মীদের দায়ী করা কোন ধরনের শিক্ষাপ্রেম?
    বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে Ragging হয় না?
    দেশের আইআইটিগুলোতে আংশিক বেসরকারিকরণ হয়েছে।
    গরিবের ছেলেমেয়েরা আর পড়তে পারেন না। ৮-১২ লাখ টাকা লাগে।
    যাদবপুরে চার বছরে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে লাগে ১৮৪০০ টাকা।
    যাদবপুর বেসরকারিকরণে রাজি হয় নি।
    তাই তার বছরে মাত্র ৫ হাজার টাকায় একজন ছাত্র এম এ পাস করতে পারবেন।
    ওটাই অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গেলে ১০ লাখের বেশি লাগবে। শুধু টিউশন ফি।
    বাইরের লোক গিয়ে মদের বোতল, কন্ডোম ফেলে আসবে?
    আর ছবি তুলে বলা হবে, যাদবপুরের সবাই এমন?
    বলা হয়েছে, যাদবগাছি!
    জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে যা করা হয়েছে, এখানেও তাই ।
    শুধুমাত্র তফাৎ এই, জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রচার করেছিল সংঘ পরিবার।
    এখানে বাঙালি নামক কাঙালি সমাজ।
    তাদের অতৃপ্ত বাসনা, অসূয়া, ঈর্ষা আর দলাদলির প্রবণতা থেকে বাঙালির সবচেয়ে গর্বের এবং গরিবের শেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সংঘ পরিবারের হাতে তুলে দিয়ে নিজেদের সাফাই গাইছেন।

    একজন ছাত্র মারা গেছেন।
    খুব অন্যায়।
    আর একটা গর্বের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বহুজন  মিলে জেনে বুঝে ফাঁসিকাঠে চড়ানোও ক্ষমাহীন অপরাধ।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সিএস | 103.99.156.98 | ২১ আগস্ট ২০২৩ ১৬:৪০522795
  • কনসোলিডেটেড লেখা, সময় ও বোঝার ক্ষমত থাকলে পড়ে দেখুন।

    https://news.careers360.com/iit-bombay-christ-university-bangalore-cctv-surveillance-student-data-internet-protests

    With no policy protecting the rights and privacies of individual citizens against the collection and misuse of their data, there is growing concern in some parts of the student community about the tracking of their activities by universities.

    The increased surveillance has also come hand-in-hand with greater restrictions on protests and even communication. Several universities restrict access to the internet and different websites on campus; others, like JNU, shut down the internet to stall or scuttle student protests.

    “CCTV in the classroom controls students’ every action, making them cautious. Students might not know who is looking at them but there is a record,”

    The faculty, however, is not subjected to this type of monitoring and are exempt from biometric scanning, the RTI response said. “If the faculty have no biometric, then why are students asked?”

    Some universities, students are given little access to the internet. For instance, a private university in Bengaluru, Karnataka, is so restrictive, it is called a “mini China” by students. Undergraduate and postgraduate students are not given access to any entertainment or research websites other than LinkedIn, a business networking platform, on campus.Similar to IIT Bombay, faculty are exempted from such practices. “Faculty have access to the internet and websites on their phones and laptops. But for us, it’s not even accessible on phones,” added Raj.

    প্রাইভেসি, প্রাইভেসি সেসব তো কর্তৃপক্ষ আর ফ্যাকাল্টিদের থাকবে, কলেজ পড়ুয়াদের তো শিশু বানিয়ে রাখা হবে, ক্যামেরা ব্যবহার করে আর ইন্টারনেট কন্ট্রোল করে।
     
  • যুক্তি | 116.193.141.202 | ২১ আগস্ট ২০২৩ ১৬:৫৬522796
  • একই জিনিষ নিয়ে কচলিয়ে যাচ্ছেন। আই ডি কার্ড ,সিসিটিভি এগুলো নিরাপত্তার অংশ। হোস্টেল এর এন্ট্রি পয়েন্ট বা সিঁড়িতে সিসিটিভি থাকলে কি আপত্তি? ক্যাম্পাস এর চত্বরে বিভিন্ন পয়েন্টে বসলেই  বা কি আপত্তি? 
    এমন তো হতেই পারে, কোপ্রান শাহ এর মতন গণ পিটুনি আটকানো যেতো।যাদবপুরের ঘটনাও কি ঘটেছিল ,কিছুটা বোঝা যেত।
    ঘটনা ঘটে যাবার পর মরাকান্না জুড়বেন আর সমানে সিসিটিভি বসানোর  বা আই ডি কার্ড ইমপ্লিমেন্ট করার বিরোধিতা করবেন ;একসাথে দুই দিকের গোলপোস্ট সরাবেন - এটা নেওয়া যাচ্ছে না।
    বিকল্প ব্যবস্থা যা যা বললেন, তার একটিও কাজ করেনা গত দুই দশকে দেখা গেছে। র্যাগিঙ্গ কমেনি বরঞ্চ বেড়েছে। বহিরাগত দের উৎপাত বেড়েছে। হোস্টেল বাপ দের দাপট বেড়েছে।
    সুতরাং এই হাবিজাবি নজর ঘোরানো জিনিষ পত্রের আমদানি করে লাভ নেই। বরঞ্চ আখেরে ক্ষতি।
  • সিএস | 103.99.156.98 | ২১ আগস্ট ২০২৩ ১৭:১৫522797
  • এখানে একটা খবর আছে, মাস দুয়েক আগের, গোয়ার একটা engineering কলেজের। যা মনে হয়, এই একই ক্যাম্পাস থেকে এই GEC কলেজ, IIT Goa আর NIT Goa তিনটেই কাজ করে। এটা তথ্যমাত্র যদিও।

    https://www.heraldgoa.in/Goa/Police-suggest-CCTV-cameras-for-GEC-campus/206322

    খবরটায় বলা আছে যে বাইরের কিছু ছেলে GEC কলেজের এক ছাত্রকে পিটিয়ে টাকা হাতিয়েছে, ধরাও পড়েছে যদিও, এবং বাইরের লোকজন ক্যাম্পাসে ঢুকে মদটদ খেত। প্রচুর বাইরের ছাত্র আছে, তারা ভয় পেয়েছে, তো পুলিশ এসে গেটে সিসিটিভি বসাতে বলেছে।

    ব্যাস, সমস্যার সমাধান।

    এই ঘটনার সাথে যাদবপুরের ঘটনার মিল খুঁজে পেলাম, লেভেলের তফাত যদিও অনেকটা, এক ক্ষেত্রে একটি ছেলে মরে গেছে, অন্য জায়গায় মার খেয়েছে। কিন্তু গোয়ার ক্ষেত্রে কী কলেজ কর্তৃপক্ষ জানত না, কারা বাইরে থেকে ঢোকে, কোথায় তারা যায়, কী তারা করে ? একজন মার খাওয়ার পরে কী টনক নড়ল, সিসিটিভি নামক সর্বরোগহর্বটিকা ব্যবহার করে সমাধান খোঁজা হচ্ছে ? পুলিশকে আগে জানানো হয়েছিল, লোকজনের সাথে কথা বলার চেষ্টা করা হয়েছিল ?

    তো যাদবপুরেও একই। ডীন, সুপার ইত্যাদিরা কী করে ? হোস্টেলের ছাত্রদের ভয়ে গুটিয়ে থাকে ? নতুন সেশন শুরু হবে, আলাদা করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কিছু, কেউ জানে ? ঘটে যাওয়ার পরে সিসিটিভির অর্ডার দিয়েই দায়িত্ব মিটবে ?

    এইখানে যাদপুরের একটা সার্কুলারের ছবি আছে, ক্যাম্পাসে ঢোকা সংক্রান্ত। পাঁচ বছর আগে একবার সার্কুলারটা দেওয়া হয়েছিল,এখনকার ঘটনার পরে আবার দেওয়া হয়েছে।

    https://www.dailyo.in/news/8-days-after-jadavpur-ragging-death-university-to-get-cctv-cameras-for-main-hostel-41119

    এরকম সার্কুলার হোস্টেলে দেওয়া হয়, হয়েছে, কাজ করে কিনা দেখা হয়েছে ? কর্তৃপক্ষ কাজ করে না ছাত্রদের দোষ ধরার জন্য বসে আছে ? অথবা তিনোদের মতো, পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাধ্য হয়ে সিসিটিভির ব্যবস্থা করতে হয়েছিল বলে, এই সুযোগে হাইকোর্টে কেস করে উল্টো খেলা খেলছে ?
  • সিএস  | 103.99.156.98 | ২১ আগস্ট ২০২৩ ১৭:৩৪522798
  • এটা দিল্লীর স্কুলে , মূলতঃ সরকারি স্কুলে।

    https://www.edexlive.com/news/2022/jul/07/cctv-cameras-proposed-for-delhi-schools-again-parents-say-it-violates-right-to-privacy-29803.html

    সিসিটিভি বসবে, তারপর লাইভ স্ট্রিমিং করে ছেলেমেয়েরা কী পড়ছে, টীচাররা পড়াচ্ছে কিনা, বাবা মারা জানতে পারবে।

    পরবর্তী প্রজন্ম সুরক্ষিত থাকবে, শং্কা কমে যাবে।

    ২০১৯ এ প্রথম মনে হয় ভেবেছিল, তারপর হয়ত কাজে পরিণত করেনি, এখানে দেখছি ২০২২ এ নবরূপে ফিরে আসছে। অথচ শিক্ষক আর বাবা- মা দু'পক্ষেরই আপত্তি ছিল তখন, কেস হয়েছিল,এখনও আপত্তি নিশ্চয় আছে, তাই কনসেন্ট নিয়ে করবে। কিন্তু সেখানেও প্তভূত ফ্যাকরা আছে, একজন না মেনে নিলে কী হবে ? coercion ?

    তো, লোকজনের আপত্তিটা কী ?

    কী আবার !

    প্রাইভেসি প্রাইভেসি, সারভিলিয়েন্স, কার ছবি কে দেখবে ইত্যাদি। স্ট্যান্ডার্ড তর্ক।

    কিন্তু লোকজন বোঝে না কেন, সরকারের শিক্ষাব্যব্স্থার উন্নতির জন্য এই মহৎ চেষ্টা ?

    তো একক যেমন লিখল, আজকের প্রজন্মকে ক্যমেরার সামনে ছেড়ে দিন, কেজরীওয়ালের প্রকল্পটা মনে হয় সেটাই ? কিন্তু এ তো ৫ বছর থেকে ধরছে, তাহেল কে বলবে, হ্যাঁ রাজী আছি ? বাচ্চাগুলো না বাবা - মা ? বাচ্চাগুলোকে বলতে হলে তো ১৮ অবধি অন্তত অপেক্ষা করতে হবে, আর সেরকম হলে তখন গিয়ে তারাই হয়ত আপত্তি জানাবে, যেমন আগের সব লিংকে দেখলাম।

    (এ মানে ফুকো বেঁচে থাকলে, বইপত্তর সব গঙ্গায় বিসর্জন দিত।)
     
     
  • যুক্তি | 116.193.141.202 | ২১ আগস্ট ২০২৩ ১৭:৪১522799
  • আবার সেই একই ছকে খেলা শুরু হয়েছে। তিনোমুল,পঞ্চায়েত ইলেকশন অবধি এসে গেছে।পলিটিশিয়ান আগেই এনেছিল,কিন্তু সেটা এতোই পর্টিজান পোস্ট ,যে উত্তর দিই নি।
    ব্রামফ্রন্ট আমলে প্রচুর রিগিং, ছাপ্পা ভোট হতো।কেউ কেউ চার লাখ ভোটার ব্যবধানে লোকসভা সিট জিততেন।কোন কোন বুথ ভোট বিরোধী শূন্য হতো। কিছু পঞ্চায়েত আসন আন কনটেস্টএড হতো। অর্থাৎ সব ই হতো,খালি মিডিয়ায় ভিডিও দেখা যেতো না। এখন মিডিয়ায় বেশি দেখা যায়।
     
     সৌজন্য মোবাইল ক্যামেরা ,সিসিটিভি বা ভিডিও ক্যামেরা।
     
    যাই হোক বর্তমান যুগে সবার হাতেই এন্ড্রোয়েড ফোন। এমন কি যাদবপুরের স্টুডেন্ট দের মধ্যেও।
    সুতরাং প্রাইভেসির জলাঞ্জলি --এই যুক্তির ধার ও ভার কম। যার যখন ইচ্ছে,যা খুশি ক্যামেরা বন্দী করে রাখতে পারে।
    যাদবপুরের কান্ডতে কিন্তু কেউ কতৃপক্ষের দোষ লাঘব করার চেষ্টা করে নি।এমন কি মিডিয়া বা সোশ্যাল মিডিয়াও নয়।
    এখন সিসিটিভি বা আইডি কার্ড লাগু করে দু তিন মাস পর যদি দেখা যায়,সিস্টেম কাজ করছে না, তাহলে তো কতৃপক্ষের একচেটিয়া দোষ বলতে হবে।
    কিন্তু স্টুডেন্টরা যদি আন্দোলন করে সিসিটিভি বসতেই না দেয়, তাহলে তো শাক দিয়ে মাছ ঢাকা মুশকিল হবে।
  • যুক্তি | 116.193.141.202 | ২১ আগস্ট ২০২৩ ১৭:৪৭522800
  • আমি গার্জেন হলে বলবো প্রাইমারি স্কুলে সিসিটিভি বসানো হোক।কারণ অনেক সত্যি সামনে এসে।স্কুলের গেটে তো বসানো আবশ্যিক,মনে করি।
    আচ্ছা এ নিয়ে সুপ্রীম কোর্টের কিছু বক্তব্য ছিল কি?
     
  • সিএস | 2401:4900:7088:d485:f06a:4702:66c6:970a | ২১ আগস্ট ২০২৩ ১৮:০৭522801
  • লোকজন একা আর কত হবে ? যাদবপুরের প্রাক্তনীও হবে, প্রাইমরি স্কুল মাফিক গার্জেনও হবে !

    আর একটা কথা হল, এত এত লিংকের ছেলেমেয়েরা কিন্তু কেউ মলে যায় না বা কর্পোরেটের বকলস আঁটা চাকুরেও হবে না। সবাই ঘরে বসে থাকে ও থাকবে।
     
     
  • hu | 24.53.190.120 | ২১ আগস্ট ২০২৩ ২১:১৫522809
  • আজ থেকে পঁচিশ+ বছর আগে আমি লেডি ব্রেবোর্ন কলেজে ক্লাস ইলেভেনে ভর্তি হই এবং হোস্টেলে থাকতে শুরু করি। সেই সময় সেকেন্ড ইয়ারের মেয়েরা ইলেভেনের ডর্মে এসে যে র‍্যাগিং করেছিল তা আমার কাছে যেমন অবিশ্বাস্য, তেমনই আতঙ্কজনক ছিল। সিসিটিভি বসিয়ে ডর্মের ভিতরে হওয়া র‍্যাগিং আটকানো সম্ভব ছিল না। কিন্তু সিঁড়িতে যদি ক্যামেরা থাকতো তাহলে দেখা যেত সেকেন্ড ইয়ারের মেয়েরা রাত এগারোটার পর দল বেঁধে একতলায় নামছে যেখানে ইলেভেনের ডর্ম আর ডাইনিং হল ছাড়া বিশেষ কিছু নেই। যেসব হোস্টেলে ফ্রেশার ও সিনিয়রদের আলাদা রাখা সম্ভব নয় সেখানে আলাদা একটি ফ্লোরে বা উইংএ ফ্রেশারদের রাখা যেতে পারে এবং সেই আলাদা জায়গাটিতে দল বেঁধে অবাঞ্ছিত লোকজন ঢুকছে কিনা সেটা সিসিটিভির মাধ্যমে মনিটর করা সম্ভব। এই টইতে আই আই টি বম্বের কথা এসেছে দেখলাম।  সেখানেও আমি মেয়েদের হোস্টেলে দুবছর ছিলাম। র‍্যাগিং হয়নি। সিনিয়রদের হোস্টেল আলাদা ছিল। তখন তো সিসিটিভি ছিল না। তবে বাইরের কেউ হোস্টেলে ঢুকলে নাম লিখে ঢুকতে হত। হোস্টেলের গেটে সব সময়েই দারোয়ান থাকতো। হোস্টেলের করিডরে ক্যামেরা বসানো সমর্থন করি না। কিন্তু হোস্টেলের গেটে সিসিটিভি থাকলে আপত্তির কিছু দেখছি না। এবং লেডি ব্রেবোর্নের কথা ভাবলে মনে হয় সিঁড়িতে ক্যামেরা থাকলে ওই মেয়েগুলো র‍্যাগিং করার সাহস পেত না। প্রতিটি বিল্ডিংয়ের প্ল্যান আলাদা। সেটা না দেখে কোথায় ক্যামেরা বসবে সে বিষয়ে মতামত দেওয়া সম্ভব নয়। তবে ধরা পড়ার ভয় এবং কড়া শাস্তির ব্যবস্থা থাকলে র‍্যাগিং কমবে বলে মনে করি।
  • যুক্তি | 116.193.141.202 | ২২ আগস্ট ২০২৩ ০০:২৮522821
  • ওদিকে অন্য টই গুলোতে ধুন্ধুমার চলছে।গুরুর ভেটেরান জনতা দুর্দান্ত সব জবাব দিচ্ছে।
    সিসিটিভি কেন বসবেনা , জিগালে  ,অনুরাগ ঠাকুর কেন ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে।
     
  • শিশিটিভি | 107.189.13.253 | ২২ আগস্ট ২০২৩ ২৩:০৩522847
  • মঙ্গলবার বুদ্ধদেব সাউ একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি গেট, প্রতিটি হস্টেলে প্রবেশের মুখে এবং সব বিভাগের প্রতি তলায় বসানো হবে সিসি ক্যামেরা। তা ছাড়া করিডোরে সিসি ক্যামেরা রাখা যায় কি না, আলোচনা করা হচ্ছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন