এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কলতান আর চিউয়িং গাম - ১৮ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৬ জুলাই ২০২৩ | ৩৭৬ বার পঠিত
  • কলতানের কুন্তলকে ডাক দেওয়াটা সিদ্ধার্থ সিনহা
    বুঝতে পারলেন না।
    মিস্টার সিনহার শোরগোল থামলে কলতান আবার নিষ্পাপ মুখে বলল, ' জীবনকৃষ্ণ বেঁচে নেই!
    সেকি ! কিন্তু এই পরশুদিনই তো আমার সঙ্গে কথা হল .... ও-ই তো আমাকে বলল .... '
    এবার কলতান যেটা ঘটাতে চাইছিল সেটাই ঘটল।
    সিদ্ধার্থ সিনহার ধুরন্ধর মস্তিস্কে পুরো সিস্টেম তালগোল পাকিয়ে গেল।
    ক্রোধ, বিরক্তি, অবচেতনের পাপবোধ সব কিছুর মিলিত প্রতিক্রিয়ায় মিস্টার সিনহা আবার একবার পরিবেশ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিস্মৃত হয়ে উন্মত্তের মতো চেঁচিয়ে উঠলেন, ' আরে দূ..র ... সে তো বেঁচেই নেই .... '
    ----- ' কিন্তু স্যার,সেটা আপনি জানলেন কি করে ?'
    সিদ্ধার্থ সিনহার এখনও ঘোর কাটেনি। অবসেসিভ সাবজেক্টিভ ডিসঅর্ডারের খোলে ঢুকে আছেন। কলতানের এ প্রশ্নটা যেন গরম কড়াইয়ে তেল ঢালল। মিস্টার সিনহা উৎকট চিৎকার করে বলে উঠলেন ----- ' আরে .... স্টুপিড ...আমি জানব নাতো কে জানবে ? ফিফটিনথ জানুয়ারি রাঁচিতে আমিই তো ওকে .... '
    কথাটা শেষ হল না। ঠিক এই সময়ে ভিতরের ঘর থেকে এক নিতান্তই ঘরোয়া ভদ্রমহিলা, বোধহয় সিদ্ধার্থবাবুর স্ত্রী হবেন, প্রায় ছুটে বেরিয়ে এলেন। এসে তার বুকে পিঠে হাত বুলিয়ে বলতে লাগলেন, ' চুপ কর ... চুপ কর ... কি সব উল্টোপাল্টা বকছ ..... তোমার কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে ! '
    সিদ্ধার্থ সিনহা এবার চুপ করে গেলেন। কেমন গুম মেরে বসে রইলেন। তিনি সম্ভবত, আস্তে আস্তে নিজের মৌলিক সত্ত্বায় ফিরে আসছেন।

    ডোরবেল বেজে উঠল। কারও অপেক্ষায় না থেকে কলতান নিজে উঠে গিয়ে দরজা খুলে দিল। দরজার বাইরে বালীগঞ্জ থানার যুবক এস আই কুন্তল বসাক দুজন কনস্টেবলের সঙ্গে দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। কুন্তল কলতানকে দেখে টুপি হাতে নিয়ে বলল, ' গুড মর্নিং স্যার....'। কুন্তলের কোমরে বেল্টের খাপে রিভলবার। সে আজ ভালভাবে দেখল কলতানকে। সেদিন থানায় দেখেছিল মাস্ক পরা অবস্থায়। ইতিমধ্যেই ফ্যান হয়ে পড়েছে কলতানের।
    কলতান বলল, ' কোয়্যারির দরকার আছে। থানায় নিয়ে যেতে হবে। বাকি কথাবার্তা ওখানেই হবে .... অফিসিয়ালি তোমাদেরই বলবার কথা ... '
    কুন্তল ঘরে ঢুকল। মিসেস সিনহা পুলিশ দেখে আঁতকে উঠলেন। বললেন, ' একি ! আপনারা এখানে .... কি ... কি ব্যাপার ... '
    কুন্তল সিদ্ধার্থ সিনহার দিকে তাকিয়ে চাঁচাছোলাভাবে বলল, ' বালীগঞ্জ থানা থেকে আসছি। আপনি রেডি হয়ে নিন। থানায় যেতে হবে। '
    মিস্টার সিনহা এতক্ষণে স্ব ভাবে প্রত্যাবর্তন করেছেন। তিনি দৃঢ় স্বরে ভ্রু কুঁচকে বললেন,
    ' মানে ? '
    ----- ' আপনার নামে কিছু চার্জ আছে। থানায় চলুন। কিছু জিজ্ঞাসা করার আছে। '
    ----- ' কি জিজ্ঞাসা করার আছে ? চার্জটা কি ? '
    ----- ' সেটা থানায় গেলে আপনাকে সার্ভ করা হবে।'
    ----- ' অল বোগাস। ওয়ারেন্ট আছে ? '
    ---- ' ওয়ারেন্ট কি হবে ? আপনাকে তো অ্যারেস্ট
    করা হচ্ছে না। শুধু কিছু কথা জানার জন্য যেতে বলা হচ্ছে আপনাকে ... আপনি দশ মিনিটের মধ্যে রেডি হয়ে নিন .... কথাবার্তা ঠিকমতো হয়ে গেলেই
    আপনাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। '
    ----- ' আর ঠিকমতো না হলে ? '
    ----- ' সেটা তো মনে হয় আপনি ভালই বোঝেন ...'
    ----- ' কোন এফ আই আর হয়েছে আমার নামে ? '
    ----- ' শুধু কোঅপারেশান ইনভোক করার জন্য এফআইআর এসেনশিয়াল নয়। আই পি সি ফর্টি টু এ অর্ডারও লাগে না। নিন এবার চলুন চলুন ... '
    ----- ' আরে দাঁড়ান দাঁড়ান ... এটা কি মগের মুল্লুক নাকি ? আপনাদের ইন্টারোগেশানের ইস্যুটা কি ? কি এভিডেন্স আছে ? '
    ------ ' এভিডেন্স দরকার পড়লে আপনাকে অবশ্যই দেখানো হবে। আর ইস্যু আমার স্যারেরা
    প্রপারলি জানিয়ে দেবেন আপনাকে। এখন চলুন .... '
    ------ ' আরে গেলেই হল নাকি ? দাঁড়ান...আমার লইয়ারকে ফোন করছি। আপনি চেনেন না আমাকে .... '
    ------ ' এখান থেকে কোন ফোন টোন করা যাবে না ... যা করার থানায় গিয়ে করবেন ... কটা লোককে আর চিনি এ দুনিয়ায়। চেনা জানার জন্যই তো লোকের সঙ্গে কথা বলি আমরা। নিন চলুন .... আমি এখন ডিউটিতে আছি ... এটা আমার অ্যাসাইনমেন্ট। ফোর্স অ্যাপ্লাই করতে বাধ্য করবেন না। '
    কলতান একপাশে দাঁড়িয়ে ছিল। সে কুন্তলের দক্ষতা এবং পরিশীলতা দেখে মুগ্ধ হল।
    এই সময়ে শ্রীমতী সিনহা অত্যন্ত উৎকন্ঠিত কন্ঠে কাতরভাবে সিদ্ধার্থবাবুকে বললেন, ' তুমি যাও না.... এরা কি জানতে চায় .... কথা বলে এস না।
    তুমি তো কোন দোষ করনি .... '
    এ কথা শুনে মিস্টার সিনহা কি ভাবলেন কয়েক সেকেন্ড। তারপর 'একটু ওয়েট করুন ... আমি আসছি ... ' বলে ভিতরে গেলেন।

    সিদ্ধার্থ সিনহাকে নিয়ে কুন্তলরা লিফটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। নিরীহ নির্দোষ মিসেস সিনহা ভীত কিংকর্ত্তব্যবিমূঢ় অবস্থায় দাঁড়িয়ে রইলেন।
    কলতানের খুব মায়া হল ভদ্রমহিলার ওপর। ভাগ্যচক্রে কোনভাবে জড়িয়ে পড়েছে সিদ্ধার্থ সিনহার মতো লোকের সঙ্গে। নিয়তি যে কাকে কোথায় নিয়ে যায় ....। কলতান পিছন দিকে ঘুরে আবার ধীরে ধীরে এগিয়ে গেল ফ্ল্যাট নম্বর ফোর ডি-র দিকে। দরজার মুখে দাঁড়িয়ে করুণ নয়ন মেলে এদিকে চেয়ে তাকিয়ে আছেন মিসেস সিনহা। কলতানকে ফিরে আসতে দেখে অবাক হয়ে তাকানো মানুষটির সামনে দাঁড়িয়ে কলতান বলল, ' আপনি কিছু চিন্তা করবেন না ম্যাডাম। কোন অসুবিধে হলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন .... এই নিন ..... '
    কলতান তার ব্যক্তিগত কার্ডটা বাড়িয়ে দিল মিসেস সিনহার দিকে।

    জিপে ওঠার আগে কলতান একটু তফাতে গিয়ে ওসি গৌতম রক্ষিতকে একটা ফোন করল।
    ----- ' আমরা বেরুচ্ছি। তোলা হয়েছে। অশেষকে ডেকেছেন তো ? '
    ----- ' হ্যাঁ ডেকেছি। এগারোটা নাগাদ। আসবে বলেছে .... '
    ------ ' আচ্ছা ঠিক আছে। একটা কাজ করলে ভাল হয় ... আমি অশেষের বাড়ির ছবিটা আপনাকে পাঠাচ্ছি। আপনি টালিগঞ্জ থানায় অশেষের ডিটেইলসটা জানিয়ে ছবিটা ফরওয়ার্ড করে ওদের একটা ইনফরমেশন দিয়ে রাখতে পারেন। মানে, যদি অশেষ না আসে এবং অ্যাবস্কনডিং হয়, ওদের হেল্প দরকার হতে পারে। ওখানকার ওসি শরত নন্দী আমাকে চেনেন। আমার কথা বলতে পারেন .... '
    কথাটা বোধহয় গৌতমবাবুর অহমবোধে লাগল। তিনি বললেন, ' ঠিক আছে, দরকার হবে না। শরত আমার জুনিয়র .... '
    ----- ' ওকে...ওকে ... রাখছি গৌতমদা। '

    বেলা সাড়ে দশটা বাজে। সিদ্ধার্থ সিনহা বালীগঞ্জ থানায় বসে আছেন। একজন এসে সবাইকে চা বিস্কুট দিয়ে গেল। সিদ্ধার্থ সিনহার চা পড়ে রইল। তিনি ছুঁলেনই না।
    উষ্মা এবং বিরক্তি মেশানো কন্ঠে বললেন, ' আর কতক্ষণ বসিয়ে রাখবেন ? আধঘন্টা হয়ে গেল ...'
    গৌতম রক্ষিত বিস্কুটে কামড় দিয়ে চায়ে একটা চুমুক দিয়ে বললেন, ' এত তাড়াহুড়ো কিসের ? একটু বসুন না .... আমরা একজন অতিথির জন্য অপেক্ষা করছি ... '
    ----- ' সে আবার কে ? '
    ----- ' এলেই দেখতে পাবেন ... '
    কলতান চেয়ারটা সরিয়ে নিয়ে মিস্টার সিনহার মুখোমুখি বসল।
    বলল, ' ঠিকই বলেছেন আপনি। আর সময় নষ্ট করাটা ঠিক হবে না। আচ্ছা মিস্টার সিনহা ... আপনি কি করেন ... আই মিন, আপনার প্রফেশান কি ? '
    ----- ' বিজনেস '
    ----- ' ঠিক কি ধরণের বিজনেস ? '
    ----- ' ফিনান্সিয়াল '
    ----- ' একটু ক্যাটেগোরিক্যালি বললে ভাল হয় ... '
    ----- ' লোন পেমেন্ট ফার্ম '
    ---- ' কত টাকার লিমিট ? '
    ----- ' টেন ক্রোরস '
    ----- ' কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন আছে ? '
    ----- ' নিশ্চয়ই। রেজিস্ট্রেশন ছাড়া বিজনেস হয় ? '
    ----- ' ঠিক কথা। কোম্পানির রেজিস্টার্ড অ্যাড্রেস কি ? '
    ----- ' ফিফটি টু কদমতলা রোড, হাওড়া '
    ----- ' কোন ফ্লোরে ? '
    ----- ' ফার্স্ট ফ্লোরে '
    ----- ' আই সি। পার্টনারশিপ বিজনেস ? না, আপনি সোল প্রোপাইটার ... '
    ----- ' পার্টনারশিপ। আরও দুজন আছে। '
    ----- ' তাদের নামগুলো একটু বলুন .... '
    ----- ' তড়িৎ ব্যানার্জী আর শ্যামাশিস দত্ত। '
    ----- ' আই সি ... এদের রেসিডেন্সিয়াল অ্যাড্রেস দুটো বলুন ... '
    ----- ' অ্যাড্রেস জানি না '
    ----- ' সেকি ! পার্টনারদের অ্যাড্রেস জানেন না ? '
    ----- ' না ... ঠিক খেয়াল নেই। ওদের বাড়ি যাইনি কখনও... '
    ----- ' বাড়ি যাননি তাতে কি ... তা বলে পার্টনারদের অ্যাড্রেস জানবেন না ? '
    ----- ' জানার দরকার হয়নি। অফিস ফাইলে আছে .... '
    ----- ' বিজনেস রেজিস্ট্রেশন কি শুধু আপনার আছে, না তিনজনের নামে ? '
    ----- ' আমার একার নামে ... না না তিনজনের নামে .... আরে দূর দূর ... কি সব বলছি ... ঠিক খেয়াল নেই । '
    ----- ' বলেন কি মিস্টার সিনহা ! এটাও খেয়াল
    নেই ? '
    ----- ' আচ্ছা সিদ্ধার্থবাবু আপনার এডুকেশানাল
    কোয়ালিফিকেশান কি ? '
    ----- ' কমার্স গ্রাজুয়েট '
    ----- ' কোন ইউনিভার্সিটির ? '
    ----- ' ওই ইয়ে .... বর্ধমান ইউনিভার্সিটির ... '
    ----- ' কোন ইয়ারের ? '
    ----- ' এই যা : .... সেটা তো ঠিক খেয়াল নেই ... '
    ----- ' স্ট্রেঞ্জ ! এটাও খেয়াল নেই ? '
    ----- ' এইচ এস কোন ইয়ারে ? '
    ----- ' ওই তো নাইনটিন এইট্টি টু বোধহয়। '
    ----- ' মানে, ঠিক খেয়াল নেই আর কি ! তাই তো ? '
    ----- ' আসলে অনেকদিন হয়ে গেল তো .... '
    ---- ' ঠিক ঠিক। তাই স্কুলের নামটা আর জিজ্ঞেস করলাম না। ওটাও নিশ্চয়ই খেয়াল থাকবে না ... '
    যে চা দিয়ে গিয়েছিল সে এসে কাপ প্লেটগুলো তুলে নিয়ে চলে গেল। সিদ্ধার্থ সিনহা একটা চুমুকও মারেননি।
    মিস্টার সিনহা এই সময়ে বললেন, ' আমি এবার
    আমার লইয়ারকে একটা ফোন করতে পারি ? '
    ----- ' হ্যাঁ পারেন। কিন্তু লইয়ারের এখানে কাজ কি? আপনি তো অ্যারেস্টেড হননি যে কোর্টে প্রোডাকশানের দিন বেল প্লি করবে ... '
    সিদ্ধার্থবাবু কি ভেবে এখনই ফোনটা করলেন না।
    বললেন, ' হয়েছে আপনাদের ? এবার আমি যেতে পারি ? আমার মিসেস একা আছে ... '
    কলতান এ ব্যাপারে একমত হল।
    ----- ' হ্যাঁ সে তো একশবার। আমিও তো চাইছি আপনাকে তাড়াতাড়ি ছেড়ে দিতে। কিন্তু কিছুই তো জানা হল না আপনার কাছ থেকে। আপনার তো কিছুই দেখছি খেয়াল নেই। আমাদের এক অতিথি আসার কথা আছে কিছুক্ষণের মধ্যে। তার সঙ্গে আপনার আলাপ করাব বলে ওয়েট করছি। ওর সঙ্গে আলাপ করে আপনার ভাল লাগবে এটা আমি জোর দিয়ে বলতে পারি। '
    এসব কথা, কি জানি কোন ঝামেলার আগাম
    পূর্বাভাস তা চিন্তা করে সিদ্ধার্থবাবু কুলকুলে অস্বস্তি বোধ করতে লাগল সারা শরীরে। কোন কথা না বলে অর্ধনীমিলিত চোখে কলতানের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল ।

    সে যাই হোক অতিথি কিন্তু তার কথা রাখল। এগারোটা বেজে দশ মিনিটে তড়িঘড়ি বালীগঞ্জ থানায় এসে ঢুকল অশেষ পালিত।

    ( চলবে )
    ********************************************

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন