এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বিস্ময় কারে কয়? 

    Kajal Sen লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ১০৩৮ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • বিস্ময়! খুব ছোট্ট শব্দ। কিন্তু শব্দটি যে কতটা গভীর ও ব্যাপক, তা আমরা মাঝে মাঝেই বিস্মৃত হই। এবং ইদানীংকালে নতুন ও নতুনতর প্রজন্মের কাছে শব্দটির গরিমা যে ক্রমশই হ্রাস পাচ্ছে, তাতেও কোনো সন্দেহ নেই। কখনও কখনও মনে হয়, আর কিছুদিন পর শব্দটিকে হয়তো বাতিল কাগজের ঝুড়িতে পাচার করে দেওয়া হবে। কেননা, আজকের ছেলেমেয়েরা কোনো ব্যাপারেই আর তেমন ভাবে বিস্মিত হচ্ছে না। বিস্ময়ের ঘনত্ব ও আপেক্ষিক গুরুত্ব দ্রুত কমে যাচ্ছে তাদের কাছে। আমরা, মানে তথাকথিত প্রবীণরা, ইদানীং যখন কোনো ব্যাপারে বা বিষয়ে বিস্মিত হই বা অবাক হই, তখন নবীনরা প্রায় ধমক দিয়েই বলে – ‘এতে এ্যাতো অবাক হওয়ার কী আছে? যত সব আদিখ্যেতা!’

    আজকের ঘোষিত বাক স্বাধীনতার যুগে অবাক হওয়ার সত্যিই কোনো মানে নেই। তবু ‘বিস্ময়’ শব্দটির মানে ও প্রতিশব্দ খুঁজতে বসে শ্রদ্ধেয় অশোক মুখোপাধ্যায়ের ‘সমার্থশব্দকোষ’এ অনেকগুলি শব্দ খুঁজে পেলাম, যেমন – চমকানো, হকচকানো, ভ্যাবাচ্যাকা খাওয়া, থতমত খাওয়া, আক্কেলগুরুম হয়ে যাওয়া, তাজ্জব মানা, গালে হাত দেওয়া, মুখে রা না কাড়া, হাঁ হয়ে যাওয়া, চোখ কপালে তোলা, চোখ ছানাবড়া হওয়া, চক্ষু চড়কগাছ হওয়া, চক্ষু স্থির হওয়া, ধাঁধিয়ে যাওয়া, ভেবড়ে যাওয়া এইরকম আরও কত কী! এছাড়াও আছে – অলৌকিকতা, অবাস্তবতা, যুক্তিহীনতা, ভেলকিবাজি, ভোজবাজি, আজগুবি, অবিশ্বাস্য, অভাবনীয় এবং সেইসঙ্গে আরও আছে – অবাক, হতবাক, নির্বাক, মূঢ়, বিমূঢ়, হতভম্ব ইত্যাদি ইত্যাদি। না, প্রতিশব্দ বাড়িয়ে আর লাভ নেই। মোদ্দা কথাটা হচ্ছে, আমরা আমাদের ছেলেবেলা থেকে প্রতি পদে পদে অনেক কিছু বুঝতে না পেরে, মানে খুঁজে না পেয়ে, সপ্রসঙ্গ ব্যাখ্যা লিখতে না পেরে চমকে চমকে উঠতাম, ঘাবড়ে যেতাম। আর বোকার মতো স্বপ্নমাখা চোখদুটো বড় বড় করে মেলে ধরে বলতাম – ‘তাই তো, কী করে হলো? এমনও কি হয়? কেমন করে হয়?’ আজকের ছেলেমেয়েরা কিন্তু আমাদের মতো ছেলেমানুষী করে না। তারা বলে – ‘হয়। এমনই হয়। কার্য-কারণ সূত্র মেনেই হয়। প্রকৃতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নিয়ম মেনে সব কিছু হয়। এতে অবাক হওয়ার তো কিছু নেই! চোখ কপালে তুলে চোখের অবস্থান পাল্টানোও ঠিক নয়। তাতে চোখ ও কপাল, দু’য়েরই বিড়ম্বনা।’

    খুব কম বয়সেই বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পথের পাঁচালি’ পড়ার সুযোগ হয়েছিল। কম বয়স মানে, অপুর থেকে খুব একটা বড় ছিলাম না তখন। তা সেই বয়সে অপুই ছিল আমার হিরো। অপুর মতো চোখ অবশ্য আমার ছিল না। ক’জনেরই বা থাকে! তাছাড়া আমি থাকতাম শহরে, অপুর মতো গ্রামে নয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও অপু যখন গ্রামের ও অরণ্যের সৌন্দর্য এবং রহস্যময়তা দেখে সমানেই বিস্ময়ে মুগ্ধ হয়ে যাচ্ছিল, আমিও তখন তা পড়তে পড়তে উপন্যাসটির আর কিছু বুঝতে না পারলেও কেমন যেন রোমাঞ্চিত, শিহরিত, সম্মোহিত হয়ে পড়তাম, সে কথা আজও মনে আছে। উপলব্ধি করতে পারি, ঠিক তখন থেকেই হয়তো বিস্মিত হওয়ার বা অবাক হওয়ার মনটা একটু একটু করে আমার বুকের ভেতর জায়গা করে নিয়েছিল। পরবর্তী জীবনে অবশ্য যেটুকু পড়াশোনা করেছি, যেটুকু জ্ঞান অর্জন করেছি, তাতে প্রকৃতি ও জীবনের অনেক রহস্যই জানা-বোঝা হয়ে গেছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও সেই অবাক হওয়ার বা চমকে ওঠার পালা শেষ হয়নি আজও। হয়তো হবেও না কোনোদিন। নবীন প্রজন্ম যতই খোঁটা দিক না কেন!

    একথা ঠিক যে, আমাদের জীবন প্রতিদিনই সমৃদ্ধ হচ্ছে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জয়যাত্রা এবং কল্যাণে। সাইবার যুগের এই কালখন্ডে বাস করে আমরা বিশ্ব ও ব্রক্ষ্মান্ডকে একটু একটু করে আমাদের মুঠোয় ধরতে পারছি। এবং এই সামগ্রীক ব্যাপারটাই আমাদের মনকে করে তুলছে আরও আধুনিক, আরও বস্তুনিষ্ঠ ও প্রাসঙ্গিক। যার স্বাভাবিক ও আন্তরিক প্রভাব পড়ছে আমাদের সাহিত্য, সংস্কৃতি, কলা, শিক্ষা, অর্থনীতি, রাজনীতি, সমাজনীতি সব কিছুর ওপর। তথ্য ও প্রযুক্তির সমকালীনতায় বাস করে তাই আর কারও কাছে কোনো উপায় থাকছে না কিছু না জানার, না বোঝার। যে চায়, সে নিজের জ্ঞানভান্ডার বাড়িয়ে নিতে পারে, যতটা সে চায়। আর তাই তো নবীনরা অনায়াসে বলতে পারে – ‘বিস্মিত হবার কী আছে? যা জানো না, তা জেনে নাও, তাহলেই তো হলো! অবাক হবে কেন?’

    একদম ঠিক কথা। বর্তমান জীবনযাত্রায় বিস্ময়বোধ ব্যাপারটাই কেমন যেন ব্যাকডেটেড হয়ে যাচ্ছে। কেউ আর অবাক হচ্ছে না, কারও চোখ আর চড়কগাছ হচ্ছে না, সব কিছু ঠিকই হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে, যেন এরকমই হয়, এটাই বাস্তব। সবচেয়ে বড় কথা – অসম্ভব বলে কিছু হয়, এটা মেনে নিতে পারছে না নতুন প্রজন্ম। তাদের কাছে সব কিছুই সম্ভব।

    কিন্তু কথা হচ্ছে, বিস্ময়বোধ যদি আমাদের জীবন থেকে একেবারেই বিদায় নেয়, তাহলে কি এমন একদিন আসবে, যেদিন একে একে বিদায় নিতে চাইবে এর আনুষঙ্গিক আরও কিছু বোধ, যেমন – সৌন্দর্যবোধ, রমণীয়তাবোধ, মুগ্ধতাবোধ ইত্যাদি? সেদিন কি ভাটার টান ধরবে না আমাদের কল্পনাপ্রিয়তায় ও রোমান্টিকতায়? এমন দিনও কি আসবে, যেদিন তরতাজা ছেলেমেয়েদের পরষ্পরের দিকে তাকিয়ে শরীরে জাগবে প্রেমের শিহরণ, কিন্তু মনে জাগবে না তার অনুরণন? সৃষ্টির সব রহস্য জেনে বুঝে আমরা কি তবে থাকব সৃষ্টির প্রতি একান্ত বিস্ময়বোধহীন এবং উদাসীন?

    কয়েক বছর আগে ঘুরে এলাম ভূস্বর্গ কাশ্মীর। অনেকদিনের স্বপ্ন ছিল, একদিন যাব, দু’চোখ মেলে দেখব তার অপরূপ রূপ ও সৌন্দর্য। কিন্তু শখ থাকলেও সব সময় সুযোগ হয় না। সুযোগ থাকলেও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি অনুকূল থাকে না। তাছাড়া পাহাড়ের রাজনৈতিক টানাপোড়েন তো ছিলই। তা গত ২০০৯ সালের মে মাসে হঠাৎই সপরিবারে যাওয়ার সুযোগ হলো আমার এক বিশিষ্ট বন্ধু পূর্ণেন্দুশেখর মিত্রর আমন্ত্রণে ও আতিথেয়তায়। পূর্ণেন্দু ছিল ‘Ircon’এর ফিনান্সের জেনারেল ম্যানেজার। এই ‘Ircon’ই কাশ্মীরে দীর্ঘতম রেলওয়ে টানেল তৈরি করেছে পাহাড়ের বুকের ভেতরে প্রবেশ করে। যাইহোক আমি ও প্রয়াত শিল্পী ভূদেব ভকত, সপরিবারে, কাশ্মীর গেছিলাম। আর গিয়েই উপলব্ধি করতে পারলাম, কেন কাশ্মীরকে ভূস্বর্গ বলা হয়। সবটা যে উপলব্ধি করতে পেরেছিলাম, তাও নয়। অনি:শেষ রূপ ও সৌন্দর্যের সম্পূর্ণ উপলব্ধি কেউ কি আদৌ করতে পারে! আমি শুধু দেখেছি, প্রাণ মন ভরে দেখেছি, আর বিস্ময়ে চমকে চমকে উঠেছি। এত রূপ, এত সৌন্দর্য – এও কি সম্ভব! কেমন করে সম্ভব!

    তা সেই ভূস্বর্গের রূপ ও সৌন্দর্যের কথা একদিন কথায় কথায় বিগলিত মনে বলেছিলাম নবীন প্রজন্মের এক প্রতিনিধিকে। সে আমার সব কথা শুনল, মন দিয়েই শুনল, তারপর নেহাৎই সাদামাটা গলায় বলল – ‘হ্যাঁ, শুনেছি কাশ্মীর খুব সুন্দর জায়গা। শুনেছি সুইৎজারল্যান্ডও খুব সুন্দর জায়গা। পৃথিবীতে এরকম অনেক সুন্দর সুন্দর জায়গা আছে। তা কোনো সুন্দর জায়গা দেখতে তো সুন্দর লাগবেই, তাতে অবাক হওয়ার কী আছে? সৌন্দর্য দেখে চমকানোর কোনো যুক্তি তো খুঁজে পাচ্ছি না আমি!’ যা: বাবা! আমার বিস্ময় ও বিহ্বলতার এপিসোড শুনে শেষপর্যন্ত এই প্রতিক্রিয়া! এবং এই যে নবীন প্রজন্মের এক প্রতিনিধি, যে আমার অভিজ্ঞতা শুনে একটুও বিস্মিত হলো না, চমকে উঠল না; তার এই বিস্মিত না হওয়া দেখে বা চমকে না ওঠা দেখে আমি খুব বিস্মিত হয়েছিলাম এবং চমকে চমকে উঠেছিলাম। মনে হয়েছিল, তাই তো, অনেকদিন হলো, অপুর সাথে দেখা হয়নি আমার। অপুর কাছে যাওয়া হয়নি বহুদিন। একবার যাওয়া দরকার। খুব দরকার। আমি ঘরে ফিরে কতদিন পর যে আবার ডুব দিলাম ‘পথের পাঁচালি’তে!

    জীবনে রেলগাড়ি তো কতই না দেখেছি। ছোটবেলা থেকেই দেখেছি। কিন্তু অপু আর দুর্গার হাত ধরে রেলগাড়ি দেখতে যাওয়ার রোমাঞ্চ ও আনন্দটাই তো আলাদা! আলাদা তার মাত্রা! সেখানে বিস্ময়ের প্রবল ঘনঘটা। বিস্ময়ে বারবার চমকে চমকে ওঠা। আমার সত্যিই ভেবে খুব কষ্ট লাগে, অপুরা যেন ক্রমশই হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের চারপাশ থেকে!

    কাজল সেন

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Biman Kumar Maitra | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২১:২২516797
  • বিনম্র বাস্তবতার সরল উপাখ্যানের অলিগলিতে শুধুই দীর্ঘশ্বাসের জন্ম হয়। অপূর্ব !
  • শিশির কুমার চ্যাটার্জি | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২১:২৪516798
  • অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনা। একটি শব্দের যে এতগুলি প্রতিশব্দ থাকতে পারে, আমার ধারণায় ছিল না! খুব ভালো লাগলো।
  • kk | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২২:৩১516800
  • ঐ তো, নতুন প্রজন্ম গুলো বড্ড পাজি হয়! বরাবরই। সেই মান্ধাতার আমল থেকেই শুনেছি এমনটা হয়ে আসছে।
  • dc | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২২:৪৮516802
  • নতুন প্রজন্মের মনেও বিস্ময় জাগে - পুরনো প্রজন্মকে দেখে।
  • lcm | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২৩:২৫516807
  • কারণ, নতুন প্রজন্ম অনেক দ্রুত অনেক কিছু জানছে, দেখছে, ... ১৫ বছরের বাচ্চা এত গাদা গাদা পাহাড়ের ছবি ফোনে/কম্পুতে দেখে ফেলেছে - দার্জিলিং, কাশ্মীর থেকে সুইজারল্যান্ড, পেরু... ... যে তারা --- আহা অপূর্ব! কি দেখিলাম! জন্মজন্মাতরেও ভুলিব না! পাহাড় দেখতে কি সুন্দর, তোরা তো জানিস না, দেখলে বুঝবি কি জিনিস, ব্লা, ব্লা, ব্লা... এই প্রবল শব্দবহুল ব্যাখা শুনলে বিস্ময়ে ফেটে তো পড়ছেই না, উল্টে বরং একটু বিরক্তই হচ্ছে।

    এটা সুস্থ, স্বাভাবিক রিঅ্যাকশন। তাছাড়া এত বিস্ময় দিয়ে হবেই বা কি!

    আর লেখকদের/কবিদের দৃষ্টিভঙ্গী, কল্পনাশক্তি আলাদা। তারা নেড়া তালগাছের সারির মধ্যে অপূর্ব সৌন্দর্য খুঁজে পান, আমি অনেক্ক্ষণ ধরে তাকিয়েও কিস্যু দেখতে পাই না, খুব বেশিক্ষণ তাকালে বড়জোর কাকের হাগুর দাগ।
  • প্রশান্ত গুহমজুমদার | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ০৯:৪৫516838
  • বিস্ময় হারিয়ে যাচ্ছে। কল্পনা গিয়ে ঠেকেছে 'অবতার'-এ। আরণ্যক এখন কেবল হারিয়ে যাওয়া গল্প। অবাক আজ আর কেউ হয় না। ভার্চুয়ালি বাঙ্ময় হতে চায় কেবলই। সেখানেই মুক্তি তাদের। সময় আমাদের এইসব উপহার দিয়েছে। আমাদের তো নিতেই হবে! বিকল্প কিছু নেই। আর একা একা আমরা বিস্মিত হতেই থাকবো। সে আমাদের একান্ত অধিকার।
    চমৎকার এক লেখা।
  • &/ | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১০:২৮516839
  • সেই যে বৃক্ষলোকে থাকতাম, কী বিস্ময় কী বিস্ময়!!!! তেমন আর হবেনা। নেমে পড়লাম তো! দুই পায়ে হাঁটা শুরু করলাম ছ্যা ছ্যা। সেই থেকে পতনের শুরু।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে প্রতিক্রিয়া দিন