এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বিলুপ্তির পথে মাতৃভাষা 

    Mousumi GhoshDas লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ৬৫৬ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  •                       বিলুপ্তির পথে মাতৃভাষা 
                                    মৌসুমী ঘোষ দাস       

                             কলকাতা থেকে ফিরছিলাম কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে, সেই ট্রেনে আমার এক পরিচিতের সঙ্গে দেখা। আমার মুখোমুখি আসনে তারাও সপরিবারে সেই ট্রেনেই ফিরছে। কথায় কথায় ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া নিয়ে প্রসঙ্গ ওঠে। তাতে বেশ গর্বের সাথে সেই পরিচিতা  জানালো, “তার সন্তানেরা ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ে। সেখানে সব বিষয়ের সাথেই হিন্দি দ্বিতীয় আর বাংলা তৃতীয় ভাষা হিসেবে পড়ানো হয়। কিন্তু তাজ্জব ব্যাপার এই যে, পাঁচ-পাঁচটা প্রাইভেট টিউটর দেওয়া স্বত্বেও একমাত্র বাংলা ছাড়া বাকি সব বিষয়ে ছেলে নাকি আশানুরূপ নম্বর পায়নি! দাঁত কিড়মিড় করে ছেলেটির অভিভাবিকা  জানায় এই বিশ্বাসঘাতকতার মুলে নাকি তার শ্বশুরমশাই স্বয়ং! মা-বাবার আড়ালে নিষ্পাপ ওইটুকু ছেলেকে নাকি তিনি কি একটা “মোদের গরব মোদের আশা” না কি যেন একটা কবিতার মর্মার্থ বুঝিয়েছেন, যার ফলে ছেলে নাকি বাড়িতেও এখন মাঝে মধ্যে বাংলায় কথা বলে ফেলছে! যদি বাংলায়ই কথা বলবে তবে এত খরচ করে ছেলেকে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়িয়ে কি লাভ হল! নিজেদের জীবন না হয় কোনোমতে কেটে গেছে, তা বলে সন্তানদের তো সেভাবে কাটলে চলবে না? এ নিয়ে ভীষণ চিন্তিত মা-বাবা দুজনাই! আজকাল দেশে বা বিদেশে চাকরি করতে গেলে বা সেখানকার high status এ মেলামেশা করতে গেলে মাতৃভাষা তো আর চলবে না! একমাত্র ইংরেজি প্রয়োজন একথা কে বোঝাবে old type শ্বশুরমশাইকে”। 

                         এসব এক নিঃশ্বাসে বলে ছোটটিকে বেশ আদর করে খাবার মুখে তুলে দিতে দিতে মা বলছেন, “eat বেটা,  eat”। পরিবারটি কিন্তু পুরোপুরি বাঙালি,  ‘বেটা’ কথাটার মধ্যে একটা বেশ smartness  ব্যাপার আছে, যা “খাও সোনা বাবার” মধ্যে নেই, হয়তো তাই সে বলছে।  অবশ্য একথা আমরা অধিকাংশ অভিভাবকই মনে করি। তারপর তো আজকাল বাংলা সিনেমা, টিভি সিরিয়ালে তো আছেই খিচুরি ভাষায় ডায়লগ বলা, খিচুরি ভাষায় গান! অভিভূত হয়ে আমরা সেসব নকলও করি। 
      
                                            একবার ভাবুন তো আমাদের মত সেই অভিভাবকদের বাচ্চারা জানলই না মাতৃভাষায় কত মিষ্টি করে আদর করে খেতে বলা যায়! এই বাচ্চারাই যখন বড় হবে তখন তারা হিন্দি আর ইংরেজি মেশানো একটা খিচুড়ি ভাষায় কথা বলবে। না শিখবে ভাল করে মাতৃভাষা, না শিখবে ভাল করে ইংরেজি বা হিন্দিটা! এদের মুখে মুখেই তৈরি হবে একটা নতুন জগাখিচুড়ি ভাষা! আর মাতৃভাষায় কথা বলতে বা লিখতে না পারলে সেইসব ছেলেমেয়েদের পরবর্তী প্রজন্মগুলো জানবেই না যে তাদের মাতৃভাষাটা কেমন ছিল? 
                       
                                               একটু বেশীই বলে ফেললাম কি? না, হয়তো বেশী বলিনি। কারণ, ২০০৯ সালে ইউনেসকোর বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন, “একটি ভাষায় কথাবলা জনগণ যদি তার দৈনন্দিন ব্যবহারিক জীবনে সেই ভাষা প্রয়োগ না করে, সেই ভাষায় কথাবলা মানুষের সংখ্যা যদি প্রতিদিন কমতে থাকে এবং সেই ভাষায় কথা বলার ধারা যদি পরবর্তী প্রজন্মে হস্তান্তরিত না হয় তবে সেই ভাষাকে বিপন্ন ভাষা হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। আর কোনো ভাষায় কথা বলার জন্য যখন আর একটি লোকও অবশিষ্ট থাকবে না, তখন সেই ভাষাটির মৃত্যু ঘটবে বা বিলুপ্ত ভাষা বলা হবে”। 
     
                                       ২০১২ সালে লখনউতে ভাষা নিয়ে এক সেমিনারের প্রতিবেদন প্রকাশ কালে জানা যায়, ভারত বর্ষের চালু ৩৮০টি আঞ্চলিক ভাষার মধ্যে ৯৬ শতাংশ ভাষাই বিলুপ্তির পথে! ইউনেস্কোর তথ্যও তেমনি বলে।  বর্তমানে সারা পৃথিবীতে ৭৩৫৮ টি ভাষার মধ্যে ৯০% ভাষা নাকি বিলুপ্ত হয়ে যাবে ২০৫০সালের মধ্যে! ভাবুন তো কি ভয়ঙ্কর ব্যাপার! কিন্তু এমন ঘটেই চলেছে। আজ থেকে পাঁচ বছর আগে আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের ৮৫ বছরের এক নিঃসন্তান বৃদ্ধা নাম তাঁর “বো”। তিনি মারা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মারা যায় আন্দমান জনজাতির অন্যতম একটি বিশেষ ভাষা “আকা বো”। কারণ, “বো” ছিলেন সেই ভাষায় কথাবলা শেষ মানুষ! এভাবে আমরা যদি আমাদের মাতৃভাষাকে অবহেলা করি, অনাদর করি একদিন (আগামী দুশো বা পাঁচশো বছর পরে) হয়তো বা আমাদের মাতৃভাষা বাংলাও এভাবে বিলুপ্ত হয়ে যাবে বা অন্যান্য খিচুরি ভাষার মধ্যে হারিয়ে যাবে।
     
                                   তবে আমরা সাধারণ মানুষেরা ভাবতেই পারি যে, ভবিষ্যতে আমাদের মাতৃভাষা হারিয়ে গেলে হারিয়ে যাক!! আমরা তো আর সে সময় বেঁচে থাকবো না! কাজেই আমাদের অত দায় না নিলেও চলবে! কিন্তু আমাদের মত আমাদের পূর্ব পুরুষরাও যদি এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা ভেবে মাতৃভাষাকে অবহেলা করতেন, তবে কি আমরা আজ জানতে পারতাম যে আমাদের মাতৃভাষা কত মধুর! আমাদের মাতৃভাষায় এত বিশাল সাহিত্য সম্ভার আছে, যা ভারতের অন্য কোন ভাষায় নেই!! আন্তর্জাতিক ভাষা তালিকায় পঞ্চম স্থান অধিকার করে আছে আমাদের মাতৃভাষা বাংলা! আমরা গর্ব করে বলতে পারি যে বাংলা ভাষায় নিজস্ব বর্ণমালা আছে, যা পৃথিবীর অনেক ভাষায় নেই! 

                        আমাদের ভুললে চলবে না, এই মাতৃভাষা বাংলাকে মর্যাদা দেওয়ার জন্য, স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য হাজার হাজার বাঙ্গালী একদিন পথে নেমে আন্দোলন করেছিল। পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর এলোপাথাড়ি গুলিতে অনেক বাঙ্গালী প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিল। এই ভাষাতেই রবীন্দ্রনাথ, মধুসূদন, বঙ্কিমচন্দ্র, শরৎচন্দ্র আরও অনেকেই আমাদের বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। ইচ্ছে থাকলে মাতৃভাষা শেখার সঙ্গে সঙ্গেই ইংরেজি অথবা যে কোন বিদেশী ভাষাতেও জ্ঞানার্জন করা যায়, ঝরঝর করে বলা যায়, তা আমাদের দেশের সুসন্তানেরা বার বার প্রমান করেছেন। আমাদের এটা বুঝতে হবে যে, পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত কোনো জাতি বিদেশী ভাষাকে অবলম্বন করে তাদের মেধা সম্পদের সমৃদ্ধি ঘটাতে পারেনি। আমরাও পারবো না। 

                          একে তো ‘বিশ্বায়ন’ এর যুগে উন্নয়নশীল দেশগুলো ক্রমাগত তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর ভাষাগত বহুত্ববাদ ও সাংস্কৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা চায় বিশ্বের মানুষ তাদের পছন্দ মত মোট চার/পাঁচটি ভাষায় কথা বলুক। আর বাকি গুলো ধ্বংস হয়ে যাক। আর আমরাও যদি তালে তাল দিয়ে নিজের ভাষাকে অবহেলা করে দূরে ঠেলে দিই তাহলে এ আত্মহত্যার সমান! কাজেই শুধুমাত্র অন্যান্য বিশেষ দিবস পালনের মত বছরে একদিন মাত্র মাতৃভাষা দিবস পালন করেই আমাদের দায়িত্ব শেষ করা কি ঠিক হবে? না কি সারা বছর ধরে মাতৃভাষার গুরুত্ব ও তাৎপর্য নবীন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে? আপনারা কি বলেন?   

                               ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | 2401:4900:1cd0:945a:149e:19a4:e73b:756 | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২২:০১516702
  • "এদের মুখে মুখেই তৈরি হবে একটা নতুন জগাখিচুড়ি ভাষা! "
     
    তাতে ক্ষতি কি? ভাষা কখনো এক জায়গায় আটকে থাকা উচিত না, তাতে নতুন নতুন শব্দ, নতুন নতুন মানে আসা উচিত। এই যে নতুন জগাখিচুড়ি ভাষা তৈরি হবে, সেটাই দুয়েক জেনারেশান পরে তাদের মাতৃভাষা হয়ে যাবে, সেই ভাষাতেই কেউ কেউ কবিতা লিখবে। ভাষার বিবর্তন হবে। 
  • অমিত সেনগুপ্ত | 49.207.51.207 | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২২:৫০516707
  • এত চিন্তা করার কিছু নেই। পাঁচশো বছর আগে এই বাংলায় যে ভাষায় কথা বলা হত, তার সঙ্গে আজকের দিনে বাংলাভাষার কতটুকু মিল আছে? এইভাবেই সামাজিক, পারিপার্শিক ও অর্থনৈতিক কারণে ভাষার বিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। রামমোহনের আমলে ফারসী শিখলে জীবনে উন্নতি করা যেত, পরে সেটা ইংরেজীতে দাঁড়ায়। 
    তবে আপনার ট্রেনের সহযাত্রী পরিবার যে অশিক্ষিত (ডিগ্রীধারী বলছিনা) ছিল তাতে সন্দেহ নেই। 
  • kk | 2601:14a:500:e780:ad85:f2b5:5268:7da4 | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ০১:০২516710
  • ডিসি ও অমিত বাবুর সাথে একমত। সব জিনিষের মতই ভাষারও বিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। পৃথিবীতে কোনো কিছুই এক জায়গায় থেকে যেতে পারেনা, সবকিছুরই পরিবর্তন হবে। আর সেটাই স্বাভাবিক। এবার সেই পরিবর্তন আমার পছন্দসই না হতে পারে। কিন্তু সবকিছু আমার পছন্দ মতো হবে এই এক্সপেক্টেশন থাকলে তো মুশকিল। আমার মনের মত হলো বা না হলো তাতে খুব কিছু আসে যায়ও না। লেখকের পরিচিতার এই 'ইংরেজি বলতেই হবে' দাবিটা যেরকম, লেখকের 'বাংলা বলতেই হবে' দাবিটাও তার থেকে কিছু আলাদা লাগছে না। ভাষা একটা ভাব প্রকাশের মাধ্যম। যে যে ভাষায় ভাব প্রকাশ করছেন করুন না। অসুবিধা কি আছে? সবকিছুর মধ্যেই এত বেশি 'আমার-তোমার' ভাগ এনে ফেলার কারণটা আমি বুঝে উঠতে পারিনা।
  • &/ | 151.141.85.8 | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ০২:১০516715
  • "আহার করো, বৎস, আহার করো। চন্দ্রবদন বৎস আমার, আমার কনকপুত্তলিকা, অদ্য এই কল্যবর্তই আয়োজন করিয়াছি। সিদ্ধ অন্ড ও পক্ক রম্ভা সহযোগে গোধূমরোটিকা। লক্ষ্মীমন্ত হইয়া আহার করিয়া লও। মধ্যাহ্নে পলান্ন পাইবে। " ঃ-)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন