এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • santosh banerjee | ২১ অক্টোবর ২০২২ ২১:৫২513078
  • একজন ধর্ম নিরপেক্ষ , শান্তি প্রিয় নাগরিক হিসেবে আমার দাবী , এই বর্বর, উগ্র সাম্প্রদায়িক দলটির বিরুদ্ধে প্রত্যেক টি মানুষ এক হোক ,,, পরাস্ত করা হোক ঐ অসভ্য, অশিক্ষিত, কর্পোরেট দালাল দের পা চাটা কুত্তা টিকে!! সুজন, ভদ্র এবং শিক্ষিত গন হয়তো বলবেন "একজন প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে এই উক্তি "??? আমি বলবো,,,ঐ শুয়োরের বাচ্চা টা বহু মানুষের রক্ত পান করে, বহু নিরীহ শিশু, মহিলা, বৃদ্ধ, গুনী মানুষকে হত্যা করতে ইন্ধন জুগিয়েছেন , দেশের প্রতিটি মানুষ কে মিথ্যা কথা , প্রবঞ্চনা করে নির্লজ্জ বেহায়ার মত এই গান্ধীর দেশের মাটিকে কলুষিত করেছেন। No mercy!! Let this despot die a brutal death!!! 
  • Amit | 14.202.239.131 | ২২ অক্টোবর ২০২২ ০৩:৫২513086
  • পুরো হাস্যকর লেখা। এসব যাত্রা ফাত্রা নিয়ে কারোর বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই। টিভি ক্যামেরায় ওসব নাটুকে ফটো অপস এর পেছনেও দেখা যাচ্ছে মিছিলে আসলে কটা লোক হাটছে। 
     
    এসব আদতে রাহুল গান্ধীর মত স্পাইনলেস একটা নেতাকে বারবার লন্চ করার ব্যর্থ চেষ্টা। যেসব স্টেট্ এ ইলেকশন , সেখানে যাওয়ার সাহস নেই, সেফ উইকেট খুঁজে খুঁজে ব্যাটিং করা দেখানো চলছে। কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট ইলেকশন নিয়ে এক মাস ধরে হাস্যকর তামাশা হয়ে গেলো যাতে শেষে খাগড়ে র মত একটা বৃদ্ধ ভক্ত  পিয়ন খুঁজে পাওয়া গেলো  যে রাহুল গান্ধীর জন্যে চেয়ার টা ধরে রাখবে। ক্রিকেটে নাইট ওয়াচম্যান এর থেকে বেটার রেসপনসিবিলিটি নেয়। কংগ্রেস এখন ​​​​​​​ডাইনোসর- জাস্ট ​​​​​​​মরার ​​​​​​​অপেক্ষা। 
     
    লড়াই করতে হলে লোকে রাহুল গান্ধীকে কেন ভরসা করতে যাবে ? যেখানে রাহুল গান্ধী ল্যাজ গুটিয়ে পালায় , সেখানে  কেজরিওয়াল বা অন্যেরা অন্তত সামনে থেকে লড়তে জানে। এভন মমব্যান এডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে যতোই অপদার্থ আর করাপ্ট হোক কিন্তু লড়াই করতে জানে। যাবতীয় ফেলিওর আর ঘুগনি চপ শিল্প সত্ত্বেও এইটা বলতে হয়। পব পুরো জিজিতে যাচ্ছে সন্দেহ নেই যদিও। 
     
    যোগেন্দ্র যাদব এতো বেকার জ্ঞান দেওয়ার বদলে প্রপার লোকজনে দের সাথে কোলাবোরেট করছে না কেন ? একটা খোঁড়া ঘোড়ার পিঠে না চেপে ?
  • GG | 2a03:e600:100::88 | ২২ অক্টোবর ২০২২ ২৩:৫৪513102
  •  
    গত বারো বছরে পশ্চিমবঙ্গের ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৩১৩%— ২০১০-১১ অর্থবর্ষে ঋণের পরিমাণ ছিল ১৮৭৩৮৭ কোটি টাকা, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের বাজেটে অনুমান, এই বছরে ঋণের পরিমাণ হবে ৫৮৬৪৩৮ কোটি টাকা। কিন্তু, এই একই সময়কালে রাজ্যের জিএসডিপি বেড়েছে ৩৭১%, রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বেড়েছে ৪১৯%। যদি ২০১০-১১ থেকে ২০১৯-২০’র পরিসংখ্যান দেখি, অর্থাৎ অতিমারি আরম্ভ হওয়ার আগে পর্যন্ত, তা হলে সেই সময়কালে ঋণ, জিএসডিপি ও রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বেড়েছে ২৩১, ২৬২ ও ৩০২%।
    ঋণের সবচেয়ে মন্দ দিক হল, তার উপর সুদ গুণতে হয়! প্রতি বছর রাজ্যের হাতে ব্যয়যোগ্য যে টাকা থাকে, তার একটা অংশ সুদ মেটাতে চলে যাওয়ার অর্থ, সেই টাকা দিয়ে উন্নয়নের নতুন কোনও কাজ করা যায় না। ২০১০-১১ সালে রাজ্যে যত রাজস্ব আদায় হত, তার ২৯.২% যেত সুদ মেটাতে। এই পরিমাণটি ক্রমেই কমেছে। ২০১৯-২০’তে, অর্থাৎ অতিমারি আরম্ভ হওয়ার ঠিক আগে এই অনুপাতটি ছিল ২২.২%; তার পরের বছর দাঁড়িয়েছে ২২.৮%। অর্থাৎ, ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করার মতো রাজস্বের অনুপাতও বেড়েছে। রাজ্যের জিএসডিপি-র অনুপাতে সুদের পরিমাণও তাল মিলিয়ে কমেছে।
  • অখণ্ড ভারত | 138.199.29.223 | ০৬ নভেম্বর ২০২২ ২২:৩৮513555
  • বিষয়টা খুব সহজ।
    ভারতবর্ষ হিন্দুদের দেশ, আর অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের দেশ, যাদের ধর্ম এখানকার সনাতন, যেমন জৈন , শিখ, বৌদ্ধ, ইত্যাদি।
    ইসলাম আর খ্রিস্টান ধর্ম হল বাইরে থেকে আসা লুঠেরা, হানাদার আর নারীধর্ষকদের ধর্ম। অখণ্ড ভারতে তাদের কোন জায়গা নেই।

    মুসলমানদের আর খ্রিস্টানদের কেউ যেচে এদেশে নেমন্তন্ন করে আনেনি। এরা এসেছে এদেশকে ধ্বংস করতে। এদের একমাত্র regret যে ধ্বংসটা এখনও শেষ করে উঠতে পারেনি। তবে এদের মনে আশা আছে যে সামনে কয়েক দশকে বাকি হিন্দুগুলোকেও কুপিয়ে দেওয়া যাবে।

    এদের না তাড়ালে ভারত বলে কিছু থাকবে না।
    এটা আমাদের অস্তিত্বের প্রশ্ন।
     
    মুসলমানদের আরো গোটা পঞ্চাশেক দেশ আছে। খ্রীষ্টানদের কয়েকশো দেশ আছে। আর হিন্দুদের ভারতকেও নিজের দেশ বলার উপায় নেই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন