এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বুদ্ধিজীবী কে বা কারা এবং কেন ?

    Supriya Debroy লেখকের গ্রাহক হোন
    ১০ অক্টোবর ২০২২ | ৫৩৮ বার পঠিত
  • সম্প্রতি কয়েকটি বাংলা সংবাদপত্রে বেশ কিছু প্রতিবেদনের সম্মুখীন হচ্ছেন জনসাধারণ, ‘বাঙালি বুদ্ধিজীবীরা কি বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছেন’, ‘বুদ্ধিজীবীরা নীরব কেন ?’ প্রত্যেকটি প্রবন্ধেই উল্লিখিত একটি একই ধরণের বাক্য ‘স্বাভাবিক ভাবে বাঙালি যে লেখক, কবি, সাহিত্যিক, অভিনেতা, অভিনেত্রী, নাট্যকার এই শ্রেণিটার ওপর বাংলায় যে কোনও অনৈতিক ঘটনা ঘটলে অনেকটা তাকিয়ে থাকেন।’ কিম্বা ‘বুদ্ধিজীবী  বলতে একটি কাল্পনিক বন্ধনী তৈরি হয়েছে, যার মধ্যে আছেন শিল্পী, সাহিত্যিক, চলচ্চিত্রকার, নাট্যব্যক্তিত্ব, অভিনেতা প্রমুখ।’ অর্থাৎ বুদ্ধিজীবী বলতে সাধারণ বাঙালি এঁদের বোঝেন এবং আশা করেন এনাদের সরবতা অনৈতিক ঘটনার বিরুদ্ধে। বুদ্ধিজীবী বলতে আমার এই ক্ষুদ্র মস্তিস্কে যেটি বোধগম্য হয়, বুদ্ধিবলে যে বা যারা জীবিকা নির্বাহ করেন। সেই অর্থে ‘শিল্পী, নাট্যব্যক্তিত্ব, অভিনেতা, অভিনেত্রী’রা কী বুদ্ধিজীবীর পর্যায়ে পড়েন ? এনারা তাঁদের শিল্পকর্মের দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করেন। ওনাদের জীবিকা বুদ্ধিনির্ভর নয়। শিল্পকর্ম এবং বুদ্ধি’র মধ্যে একটি সূক্ষ্ম ভেদাভেদ আছে বলেই আমার বোধবুদ্ধি বলে। যদি এনারা বুদ্ধিজীবীর পর্যায়ে পড়েন, তাহলে একজন কৃষক অথবা দিনমজুরকেও বুদ্ধিজীবী আখ্যা দেওয়া উচিৎ। কারণ তারাও তাদের দক্ষতা অথবা শিল্পকর্মের দ্বারাই জীবিকা নির্বাহ করেন। বুদ্ধিজীবী একটি শ্রেণীকে নিয়ে নয়, তাহলে কৃষিজীবী অথবা মৎস্যজীবীদেরও বুদ্ধিজীবী বলা যেতে পারত। বর্তমান সমাজে আসলে বুদ্ধিজীবী একটি সুবিধাভোগী শ্রেণী বিশেষ, তারা কিছু লোককে সুবিধা পাইয়ে দেয় এবং নিজেরা সেই সুবিধা প্রদানের ফল ভোগ করে। চিরকালই এবং সাম্প্রতিককালে অধিক, দেখা গেছে যারা celebrity এবং বিখ্যাত তারাই বুদ্ধিজীবী হিসেবে গণ্য হচ্ছেন। বুদ্ধি তাঁদের জীবিকা নাও হতে পারে। একালে বুদ্ধিজীবী শব্দটির অর্থের অধঃপতন ঘটেছে, যেটা কাম্য নয়। প্রকৃত অর্থে বুদ্ধিজীবী বলতে বোঝায় – শিক্ষক, ডাক্তার, ইঞ্জিনীয়ার, উকিল, লেখক, কবি, সাহিত্যিক, কতিপয় মননশীল চলচ্চিত্র পরিচালক, নাট্যকার। কারণ বুদ্ধিই তাঁদের জীবিকা। এটা নিয়ে বিতর্ক অবশ্যই হতে পারে, কিন্তু আমার যুক্তি-বুদ্ধি তাই বোঝায়। কিন্তু এনাদের অধিকাংশই আজ ব্যাকফুটে পড়ে আছেন। আবার এক অংশ বুদ্ধিজীবী অর্থাৎ শিক্ষক নিয়োগেই তো ঘিরে আছে দুর্নীতির অভিযোগ।

    অসত্যের অন্ধকারে সত্যের মশাল তুলে বন্ধ চক্ষু খুলে দেওয়ার সাহসী স্ব-উচ্চারণ বুদ্ধিজীবিতার অন্যতম শর্ত। কবি ও ভাষাতাত্ত্বিক হুমায়ুন আজাদের বলিষ্ঠ উচ্চারণ, ‘যে বুদ্ধিজীবী নিজের সময় ও সমাজ নিয়ে সন্তুষ্ট, সে গৃহপালিত পশু।’ সুপরিচিত, নিকটাত্মীয় অথবা ঘনিষ্ঠজনের মনের গভীরে আঘাত দিলেও সত্য প্রকাশ থেকে যিনি বিরত হন না, সেই বুদ্ধিজীবীকে সমাজ দিয়েছে হৃদয়ে স্থান। এমনকি রাষ্ট্রশক্তি শত প্রতিবন্ধকতা তৈরী করতে পারে জেনেও তিনি সত্য প্রকাশের ঝুঁকি গ্রহণ করতে পিছপা হন না। রাষ্ট্রের আছে ক্ষমতা, সত্যকে ঢেকে দেয়। প্রকৃত বুদ্ধিজীবীরা জনসাধারণকে জাগিয়ে দেন।

    ভারতবর্ষে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন তুমুল শক্তিমান ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বুদ্ধিজীবী। ‘সভ্যতার সংকট’ লিখে তিনি তীক্ষ্ণ ভাষায় ইংরেজদের অন্যায়ের মুখোশ উন্মোচন করেছিলেন। বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে তিনি রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। জালিওয়ানাবাগ হত্যাকাণ্ডের পর ইংরেজ প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ করেছিলেন। ব্রিটিশ সরকার এত বড় অপমানের প্রতিশোধ নিতে, শান্তিনিকেতনের বরাদ্দ বাতিল করে দেয়। কবির ইংরেজ বন্ধুরা রুষ্ট হন। বুদ্ধিজীবিতার ইতিহাসে কবির নিরবচ্ছিন্ন লড়াই একটি দৃষ্টান্ত।

    আমরা সবাই জানি বিদ্যাসাগর, রামমোহন রায়, কবিগুরু রবিঠাকুর, বিবেকানন্দ, আম্বেদকর, ডাক্তার  বিধানচন্দ্র রায় প্রমুখদের অবদান আমাদের সমাজের প্রতি। নীলমণি মিত্র ছিলেন একজন সিভিল ইঞ্জিনীয়ার, মধুপুরে বাঙালি বসতি গড়ে তোলার পিছনে তিনি ছিলেন পথপ্রদর্শক। এইরকম অনেক মনিষীর উদাহরণ এখানে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার আবশ্যিকতা অবশ্যই নেই, আমাদের সবারই বিদিত এনাদের অবদান। নন্দীগ্রাম-সিঙ্গুর আন্দোলনের প্রতিবাদ মিছিলে যোগ দেওয়ার পূর্বে কবি শঙ্খ ঘোষ জানিয়েছিলেন, তিনি মিছিলে যোগ দেবেন যদি সেই মিছিল কোনো রাজনৈতিক মিছিল না হয়। কলকাতার ইতিহাসে এই শ্রেণীর মানুষের রাস্তায় নামার ঘটনা বারবার ঘটেছে – যুক্তফ্রন্ট, কংগ্রেস এবং বাম আমলে। সে সব মিছিলে কোনও রাজনৈতিক পতাকা থাকত না। স্বাধীনতা উত্তর এবং ১৪ মার্চ ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম গণহত্যা ব্যাতিত, ইতিহাস ঘাঁটলে এরকম অনেক গণহত্যার নিদর্শন পাওয়া যায় – ১৭ মার্চ ১৯৭০ সাইবাড়ি হত্যাকাণ্ড, ১৩ অগাস্ট ১৯৭১ কাশীপুর-বরানগর গণহত্যা, ২৪ জানুয়ারি ১৯৭৯ মরিচঝাপি গণহত্যা, ৩০ এপ্রিল ১৯৮২ বিজন সেতু হত্যাকাণ্ড, ২৭ জুলাই ২০০০ নানুর হত্যাকান্ড। এরপর এসেছে সারদা কেলেঙ্কারি, নারদা কেলেঙ্কারি, পোস্তায় ভেঙে পড়া বিবেকানন্দ সেতু। সম্প্রতি বাগটুই গনহত্যা এবং দুর্নীতিগ্রস্ত সমাজের এক অংশের উন্মোচন। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম জুড়ে থাকা খবরগুলির অধিকাংশই সরকারের বা সরকার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে এবং দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে। 

    সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি ব্যতিত, পূর্বোক্ত অতীতের ঘটনাগুলির একটা প্রতিবাদ দেখা গিয়েছিল – যেটির অভাব আজ সম্পূর্ণভাবে পরিলক্ষিত। পড়েছি আমরা মহাশ্বেতা দেবীর ‘হাজার চুরাশীর মা’, শক্তিপদ রাজগুরুর ‘দণ্ডক থেকে মরিচঝাপি’, সমরেশ মজুমদারের নানুর গণহত্যার উপর একটি উপন্যাস, এবং এরকম আরও অনেক উপন্যাস ও গল্প। আজ তো নজরে আসেনা সেইরকম কোনো প্রকৃত বুদ্ধিজীবী ব্যক্তির বর্তমান দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মশাল হাতে, যারা আজ আমাদের রাজনৈতিক সমাজ দ্বারা পরিচিত তথাকথিত বুদ্ধিজীবী হিসেবে। বর্তমানে সেই প্রচলিত বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে নিরপেক্ষতার অভাব বিশেষ রূপে পরিলক্ষিত। গত এগারো বছরে কলকাতা সে রকম কোনও মিছিল দেখেনি। তাই স্বাভাবিক ভাবেই সাধারণ জনতার মনে প্রশ্ন জাগছে, বুদ্ধিজীবীরা নীরব কেন ? বুদ্ধিজীবীরা কী এখন রাজানুগ্রহ লাভে নিজেদের বিকিয়ে দিয়েছেন ? কেউ কেউ ভাবছেন, রাজপ্রসাদ লাভেচ্ছায় সব মেনে নিচ্ছেন। কারণ বেশিরভাগই প্রকৃত বুদ্ধিজীবীরা আজ সমাজের অলক্ষ্যে এবং যারা আজ পরিচিত বর্তমান রাজনৈতিক সমাজে celebrity অর্থাৎ বুদ্ধিজীবী হিসেবে – হয় তাঁরা মেরুদণ্ডহীন অথবা সুবিধাভোগী। তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা তাঁদের বুদ্ধি ও বিবেচনা দিয়ে সঠিক কথাটা জনসাধারণকে জানাচ্ছেন না। তাঁরা কথা বলছেন নির্দিষ্ট ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর স্বার্থের জন্য।

    অনুশোচনার বিষয়, রাজনীতিকদের কতিপয় অংশের দৌলতে ক্রমশ অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে একটি রাজ্যের ভবিষ্যৎ। যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা যারা বিনিদ্র রজনী যাপন করছেন রাজপথে, তাদের পরিবর্তে অযোগ্য প্রার্থীদের জুটেছে সরকারি চাকরি – মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে। শিক্ষাব্যবস্থা যেটির ওপর একটি সমাজের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মেরুদণ্ডের অবস্থান, সেটিরই রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি। দুর্নীতিতে যুক্ত ব্যক্তিদের সমর্থন করার প্রবণতাও এক অতি বিপজ্জনক সংকেত বহন করছে। প্রকাশ পাচ্ছে কখনও সভায়, সমাবেশে বা বক্ত্যবে। যদিও সরকার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে পাশ কাটাতে চাচ্ছে, কিন্তু সেটা সাধারণ মানুষ ঠিক হজম করতে পারছে না। এই দুর্নীতি একদিনের ভুল নয়। বছরের পর বছর ধরে যেটা চলছে এবং সেটা সরকারের অলক্ষ্যে, সেটা কারুরই ঠিক বিশ্বাসযোগ্য নয়। যদি সরকার কিছু না জানে, তাহলে এই সরকারের ওপর আস্থা রাখা ঠিক হবে কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন জাগতে পারে।

    র্প্রশ্ন জাগে আর্থিক অনুদানের নামে নানাবিধ প্রকল্প নিয়ে। এগুলি অনেক ক্ষেত্রে ঘুষের নামান্তর নয় কী ! এই অর্থপ্রাপ্তি অথবা অনুদান কী আমাদের চেতনাগুলিকে নিস্তেজ করে রাখতে সাহায্য করে না ! এই অনুদানগুলি আমাদের বোধগুলির মৃত্যু ঘটায়, হাত পেতে নিতে শেখায় - পরিশ্রম করে অর্জনের পরিবর্তে। মনে ভাবের উদ্রেক হয় এই অনুদান যেন সরকারের বুলির সাথে নিজের বুলি মিলিয়ে দেওয়ার জন্য। অনেকটা যেন সেই ‘হীরক রাজার দেশে’র সিনেমার মতন। মানুষকে যেখানে করে দেওয়া হয় বোধবুদ্ধিহীন, চিন্তাশক্তিহীন – একটি ‘যন্তরমন্তর’ কক্ষে ঢুকিয়ে, যেখানে যে বুলি শেখানো হবে – সেটাই সে বলবে।      

    অনেকে অনেক কিছু দেখেও নীরব আছেন দেখে এমন মনে করার কারণ নেই যে, তাঁরা অর্থাৎ প্রকৃত বুদ্ধিজীবী যারা রাজপ্রসাদ লাভের অনুগ্রাহী নয় এবং সাধারণ মানুষ – তাঁদের ধৈর্য কিন্তু অপরিমিত নয়। সব কিছুতেই চোখ বুজে আছেন অথবা সমর্থন করছেন, এরকম মনে করার কোনো কারণ কিন্তু নেই। সবাইকে কিন্তু ‘যন্তরমন্তর’ কক্ষে ঢোকানো যায় না, যেটা ফ্যাসিবাদ কেন্দ্র সরকারও করতে পারেনি। কারণ সর্বযুগেই একজন ‘উদয়ন পণ্ডিত’এর আবির্ভাব হয় যথাসময়ে। সম্প্রতি ১৭ অগাস্ট এবং ২ সেপ্টেম্বর’এ প্রকাশিত ‘দেশ’ পত্রিকায় এই দেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কলম ধরেছেন সুপ্রিয় চৌধুরী, তিলোত্তমা মজুমদার, অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ লেখক -লেখিকারা। প্রকৃত বুদ্ধিজীবীদের কর্তব্য সত্য উদঘাটন করে সেটা জনসমক্ষে আনা, রাজপথে নেমে অথবা লেখার মাধ্যমে অন্যায়ের প্রতিবাদ করা, সমস্ত অন্যায় কাজের হেতু ও উদ্দেশ্যের দিকে লক্ষ্য রেখে কর্মকাণ্ডের বিশ্লেষণ করা। আজকের এই দুর্নীতির মেঘাচ্ছন্ন আকাশে বুদ্ধিজীবীরা  তাঁদের দায় নিয়ে এগিয়ে আসবেন, সেটাই সাধারণ জনগণের প্রত্যাশা।

    নোট : ১০/১০/২২ 'একদিন' পত্রিকায় প্রকাশিত 
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PM | 118.179.121.122 | ১০ অক্টোবর ২০২২ ১২:২২512677
  • ক্ষেমা দিন। নো মোর বুদ্ধিজীবী।  যথেষ্ঠ ক্ষতি করেছেন ওনারা --- আর নয়।  মানুষ নিজের ভাল নিজে বুঝুক নয়ত এভাবেই চলুক।  পরজীবীরা দূরে থাকুক 
  • হজবরল | 23.137.249.143 | ১০ অক্টোবর ২০২২ ১২:৪৪512678
  • বুদ্ধিজীবী কয়েনেজটা মিডিয়ার তৈরী। আসলে ট্রান্সলেশনটা 'রাজনৈতিকভাবে সচেতন ও চিন্তাশীল নাগরিক' হওয়া উচিত ছিল।
  • প্রীতম | 2a03:e600:100::26 | ১০ অক্টোবর ২০২২ ১৩:৩২512679
  • বুদ্ধিজীবী মানে তো আর্বান নক্সাল। প্রিয় মোদিজি সবকটাকে জেলে পুরবেন। কটা দিন ধৈর্য ধরুন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন