এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল -১ 

    Himadrisekhar Datta লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৩৩৬ বার পঠিত
  • (১)

    কেবলমাত্র যে শমন হাতে পেলেই কোর্ট-কাছারী করতে হয় তা নয়। অনেক সময় বৈষয়িক ব্যাপারের সমাধান নিতেও কোর্টের অনুগামী হতে হয়। স্বাধীন দেশে এমনটাই নিয়ম। সেই নিয়মের পাকচক্রে মাত্র চারদিনের ঝটিকা সফরে গত ৩১শে অক্টোবর একবার নিজভূমি দর্শনে, বঙ্গদেশের রাজধানী এবং আমার কৈশোর-যৌবনের লীলাক্ষেত্র (খারাপ অর্থে নেবেন না প্লিজ, পড়াশুনো, বড় হওয়া, জ্ঞানার্জন, বিবাহ, কন্যার পিতা হওয়া সবই এখানে), কোলকাতা ঘুরে গেলাম। টিকিটটা আসলে ৩১শের-ই ছিল, কিন্তু ৩০শের রাত্রিতে। রাত ১-১০এ। আর আমি যাবার একদিন আগে পর্যন্ত নিশ্চিন্ত ছিলাম, টিকিট আমার ৩১শের দুপুর একটায়। কি ভাগ্যি, ৩০ তারিখ সকালে টিকিটটা একবার চেক করতে মন গেল, আর তা দেখে চক্ষু ছানাবড়া হবার উপক্রম। একা মানুষ, মালপত্র নেব না, আগে থেকেই ঠিক ছিল, কিন্তু তাহলেও তো গোছ-গাছ লাগে। শেষ মুহুর্তের হৈচৈ-এর দরুণ দাঁত মাজার ব্রাশ, মাথার তেল, হাওয়াই চটি এমন অনেক কিছুই সঙ্গে যায় নি। শ্যালিকার বাড়িতে একটি নতুন ব্রাশ জুটে যায়। তারা পূজোতে সিকিম বেড়াতে  গিয়েছিল, সেখানকার হোটেলের কমপ্লিমেন্টারি দাঁতঝাড়ু আমায় প্যাকেট শুদ্ধ বের করে দিলে। সিকিম না গিয়েও সিকিমের বুরুশ আমার দন্ত কৌমুদী–র সেবায় নিয়োজিত হল। তেল আর চটি চারদিন স্রেফ বাদ। বয়স্ক মানুষের এইসব কিছু না হলেও চলে যায়, কিন্তু ওষুধ ছাড়া চলে না। সারাদিনে ছ’টি গুলি (হিন্দীতে গোলি, মানে ইংরাজীতে বুলেট!) গিলতে (খেতে) হয়। সেগুলি ছাড়া আমার অস্তিত্বই নেই। যেমন আজকাল মোবাইল ছাড়া আমরা সকলেই দিশাহারা। কারোর নম্বর, ঠিকানা কিস্যু মনে রাখি না, সব জ্ঞাতি গুষ্ঠি মোবাইলের ভেতোরে সেঁধিয়ে আছেন। যখন যার নামের বানান ধরে টেপাটিপি করি, তিনি সামনে উদ্ভাসিত হোন। তাই নিজেকে মোবাইল মানে চলমান রাখতে গেলে ওষুধ আর মোবাইল মেশিন – এই দুটো এখন মাস্ট। 

    বাবার করা বাড়িটি বিমানপোতের কাছাকাছিই, বরানগরে। কিন্তু আমায় যখন কোলকাতায় উড়ন্ত পক্ষীর পেট থেকে বের করে দিল, তখন সময় রাত সাড়ে তিনটে। পশ্চিমের মানুষের কাছে তখন ভোর রাত্রি- সকলেই ঘুমে অচেতন থাকে। কিন্তু পূবের দৃশ্য আলাদা। বললে পেত্যয় যাবেন না, মালপত্র নিয়ে, প্রি-পেইড ট্যাক্সি নিয়ে যখন আমি টালিগঞ্জের দিকে যতই এগোচ্ছি - তখন রাস্তায় উষাকাল। এমন মহালগ্নে আমার মতো অসুরের এই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ। কিন্তু রাস্তায়, ব্রিজের ওপরে মানুষ (নারী-পুরুষ নির্বিশেষে) প্রাতঃভ্রমণে, কেউ জোড়ায়, কেউ একা, কেউ পোষ্যটিকে নিয়ে বেরিয়ে পড়েছেন। ও এম জি। আমার স্বপ্নের শহর এখনও সেফ আছে দেখে মনটা আনন্দে ভরে গেল - নিজেই নিজের পিঠ চাপড়ালাম, আমি কোলকাতার ছেলে। এই বোধটার জন্যই কোলকাতা আসা, আর নামতেই কোলকাতা আমাকে তা দু-হাত ভরে দান করলে। এ শহর আমায় শিক্ষা দিয়েছে, জীবনসঙ্গী দিয়েছে, বাপ বানিয়েছে - কিন্তু আমি তাকে কিছুই ফিরিয়ে দিতে পারি নি - শুধু নিঃশর্ত ভালোলাগা আর গভীর ভালোবাসা ছাড়া। যদি জন্মান্তর বলে সত্যিই কিছু থাকে, আমার বিশ্বাস সেটা আছে, আবার যেন এই কোলকাতাতেই ফিরে আসি। উষাকালে এইটুকু আবদার গাড়িতে বসে, পাঠিয়ে দিলাম সেই মহা শক্তিমানের কাছে - যার শক্তির এক ছোট্ট কণামাত্র আমি। ‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে...’। আমার চালক মহোদয় ভোরের ফজরের আওয়াজ শুণে কানে এবং মাথায় অদ্ভুত কায়দায় হাত ঠেকালেন। সত্যিই তো, এই তো তাঁকে ডাকার উপযুক্ত সময়। সমগ্র গ্রহ (বৈজ্ঞানিক মতে নয়, জানি) ঘুমিয়ে আছে, আমি একা এতটা পথ উড়ে এলাম, এখনো চলেছি - আমার চলার সাথী কে?  আমার মনই তো। তার ভেতোরে এক অনির্বচনীয় বোধ জাগরিত হল, পৃথিবীর এমন রূপ দেখে- সারাটা জীবন ভাবের ঘরে চুরি করেই কেটেছে - এই প্রথম বোধহয় সত্যি ভাব এল। কি ভাব, বলতে পারি না, কিন্তু কিছু একটা আলাদা মনের মধ্যে ঘুরছে - যা আনন্দ দিচ্ছে। ভয় নেই, চিন্তা নেই। শুধু খুশীই বোধ হচ্ছিল। অনেক বছর আগে, আমি যখন ভোরের বিমানে আমার কর্মক্ষেত্র মুম্বাই ফিরতাম আমেদাবাদ থেকে, তখন আকাশের উচ্চতা থেকে লাল আলোর কিরণ বিমানের এক জানালায়, আর উল্টোদিকের জানালায় অন্ধকার দেখে আরেকবার এমন আনন্দের আভাষ মনের মধ্যে এসেছিল। সে যে অপূর্ব অ্পার্থিব আলো-অন্ধকার, যে নিজের চোখে না দেখেছে, তাকে ছাড়া অন্যকে বোঝানো খুব কঠিন। ৩৭০০০ ফুট ওপরে সব কিছুই ঈশ্বরীয়। বিশেষতঃ প্রাতঃকালে। 

    মহানায়ক উত্তমকুমারকে ডানদিকে দন্ডায়মান রেখে, কিশোরকুমারের পাশ দিয়ে আমি ঢুকে পড়ি কুঁদঘাটের রাস্তায়। আচ্ছা, আপনারা কেউ লক্ষ্য করেছেন কি’না জানিনা, আমার হঠাৎ মনে হল, উত্তমকুমারকে ভুলভাবে স্থাপিত করা হয়েছে। টালিগঞ্জের স্টুডিও পাড়ার দিকে পেছন করে তিনি যেন হেঁটে বেরিয়ে যাচ্ছেন - ভাল করে লক্ষ্য করবেন। তাঁর হাঁটার যে ভঙ্গিমা, সেটা যেন স্টুডিও পাড়া থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন - মহানগরীর দিকে। আমার মতে তিনিই তো একাধারে টালিগঞ্জের লক্ষ্মী-সরস্বতী ছিলেন, তাঁর মুখটা সেদিকে থাকলেই বোধহয় ভাল দেখাতো। বাঙ্গলা সিনেমায় লক্ষ্মী আর সরস্বতী দুয়েরই অটুট বাসস্থান হত হয়ত। এখন তো সব ননবেঙ্গলিরাই বাঙলা ছবির প্রযোজক। লক্ষ্মীর ভাঁড়ার শূন্য। পুরনো গল্প না নিলে সরস্বতীও খুবই দূর্বল। বুম্বাদার মূর্ত্তি বানালে আমার সাজেশনটা ভেবে দেখতে পারেন। দক্ষিণ ছাড়া আর কোথাও রিজিওনাল সিনেমার হাঁক ডাক নেই। বাহুবলী বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিলে। সেখানে আমাদের আমাজন ঘোরা নেহাতই বালখিল্য। 

    যাই হোক, সিনেমা পাড়া ছাড়িয়ে কুঁদঘাট মেট্রো স্টেশনের (বর্তমান নাম নেতাজী) নীচে দিয়ে আদি গঙ্গা (টলির নালা - যা এখন দেখা যায় না, কিন্তু গন্ধ পাওয়া যায়; শুনেছি একদা চাঁদ সদাগরের নাও এই গঙ্গা দিয়েই গিয়ে সাগরে পড়তো। আজ সাগর অনেক দূরে, আদি গঙ্গা নিমজ্জিত অগ্রগতি না কি যেন উন্নতির গহবরে) পার হয়ে গন্তব্যস্থলে এসে পৌঁছালাম। আমার অবতরনের খবর আধিঘরওয়ালীকে জানিয়েই দিয়েছিলাম, গেটের কাছে দাঁড়িয়ে এবার আবার মোবাইলের সাহায্য নিতে হল। দুটো তিনটে তালা আর গোটা দু-এক দরজা খুলে, আমার ভায়রা ভাই যখন বাইরের লোহার গেট খুলে দিলেন - তখন ঘড়িতে পৌনে পাঁচটা। ঊষাকাল বিদায় নিয়েছে - এখন ভোরবেলা। মান্না দের সেই গানটা, যদিও প্রসঙ্গ অন্য ছিল, ‘ভোরবেলা তার ডাকে(পড়ুন মোবাইলে) ঘুম ভাঙলো’ – একটু বদলে দিলুম। 

    চা খাবো না, বলে বাথরুমে ঢুকলাম। বেরিয়ে এসে সোজা বিছানায়। ঘুম হবে না জানি, কিন্তু বাকিদের আমার জন্য জাগিয়ে রেখে লাভ কি? তাদের তো ঘুম থেকে তুলেই বাড়িতে ঢুকেছি।  বরানগরের বাড়িতে তালা খুলে ঢুকতে হতো। সে বাড়িতে কেউ থাকে না। আমার ভুতের ভয় ছিল, এখন আর নেই যদিও, কিন্তু দুটো দরকারি জিনিস পাওয়া যাবে না বুঝেই, প্রিপেইডে টালিগঞ্জ যাওয়া মনস্থ করি। একটা হল খাবার জল, দু নম্বর হল পরিষ্কার বিছানা। বিছানায় শুয়ে এখন সকালের অপেক্ষা করা। আজ সকালে আমার অনুজও তার গিন্নীর সাথে ঐ একই কাজে রাঁচী থেকে আসছে। সে এসে পৌঁছাবে দুপুর বেলায়। তার সাথে আমার এপো করা আছে বিকেলে উকিলের চেম্বারে। আগামীকাল কোর্টে হাজিরা। মোবাইলে খবর পাঠানো গেল আমার নিজের গিন্নীর কাছে - আমেদাবাদে যে মাল যথাস্থানে পৌঁছে গেছে। পুরুষ মানুষের উপার্জন চলে গেলে সে মালে পরিণত হয়। উপার্জন আর উৎপাদন এই দুটি হল সাংসারিক জীবনের মূলমন্ত্র। আমার দুটিরই এখন ডিসএ্যাবলড স্টেটাস। কাজে লাগিনা, তাই প্রোডাকটিভ নই – আর কাজ করিনা, তাই উপার্জনও নেই। এখন কেবল মাল হিসেবে পচে যাতে না যাই, তারই চেষ্টায় জীবনপাত।

    ক্রমশ.. 
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন