এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • আমার গল্পদাদু

    π লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৭ মে ২০২২ | ৬৫৬ বার পঠিত | রেটিং ৫ (৩ জন)
  • আমার প্রথম গল্পদাদু চলে গেলেন।  প্রথম কেন শুধু,  একমাত্রও বলা চলে। 
    যদিও তাঁকে একবার বা দুবারই পেয়েছিলাম, এরপরে নতুন গল্পদাদু আসেন আর তাঁর আসরেই পরে আরো অনেক বেশি বার গেছি, গান করেছি, তবু আমার কাছে গল্পদাদু বলতে পার্থ ঘোষই ছিলেন।  
    রেডিওর এপার থেকে গলায় যে স্নেহ ভরসা উষ্ণতা  আর প্রশ্রয়ের আশ্রয়স্থল মনে হত, সামনে থেকেও মানুষটি অমনই বলে হয়তো।   আসরের প্রথম অনুষ্ঠানে গাওয়ার জড়তাও কেমন গল্প করে কাটাতে হয়, জানতেন!  কী মজাই যে পেয়েছিলাম, আর পরে ততটাই মিস করতাম। গল্পদাদূর আসরের সম্প্রচারের বাইরে রেকর্ডিং স্টুডিওতে ওই অনেকটা সময় ধরে কাটানো যে কত মজা হতে পারে, তা এক উনি আর তার আগে ইন্দিরাদি এই দুজনকে দেখে বুঝেছিলাম। 
    নইলে রেকর্ডিং স্টুডিও র ওই ঠান্ডা কনকনে ঘরে ঘ্ণটার পর ঘ্ণটা কাঁপতে থাকতাম আর খালি ভয়ে মরতাম এই বুঝে গলা বসে কি ভেঙ্গে গেল!  
    শিশুমহল থেকে গল্পদাদুর আসরের লাফটা,  এই দু'জন একরকম আপন করে নেওয়া,  ছোটদের সঙ্গে একরকমভাবে ভালবেসে মিশতে পারা দু'জনা ছিলেন বলেই হয়তো শৈশব থেকে কৈশোরে পা রাখাটা এত মোলায়েম, সহজ হয়েছিল!  ছোট থেকে 'বড়'দের আসরে গিয়ে গান রেকর্ডের টেনশনও উবে গিয়েছিল!   একবারেই রেকর্ড ওকে হয়ে গেছিল, মনে আছে। 
    শিশুমহলে তো মনে আছে, রেকর্ডিং স্টুডিও থেকে যখন বেরচ্ছি,  মা খুব টেনশন নিয়ে বাইরে বসে, আপিস একবেলা কামাই করে। ঠিক
    সময়ে হয়ে গেলে আমাকে নিয়েই আপিসে গিয়ে সেকেন্ড হাফ করবে।  
     ওহ হ্যাঁ, মা।  মনে আছে, এই একেকটা রেকর্ডিং এর কল আসত আর শুরু হত মায়ের পরীক্ষাসম চাপ, দৌড়াদৌড়ি। এক তো আমাকে দিয়ে গান প্র‍্যাক্টিস করাতে বসানোর জন্য মুখের ফেনা তোলা, গান বাছা নিয়ে সে কত ধুন্দুমার, শিশুমহলে প্রথম গান নিয়ে সে বিভ্রাট তো এখনো মনে আছে। বাড়িতে আকাশবাণী থেকে চিঠি এল, তুমি অডিশনে পাশ করেছ,  সে অডিশন ও ছিল এক বিশাল গল্প, পরে কখনো, তো প্রথম প্রোগ্রামের রেকর্ডিং এর জন্য বলা হল সাড়ে তিন মিনিটের নজরুলগীতি তৈরি করে আসতে,  আর সেটা হতে হবে 'BASHAS GAAN!  ' হ্যাঁ, এটাই লেখা ছিল। সে সময়ে এই চিঠিগুলো আসত টেলিগ্রামের মত। তো তখন কোথায় কী ফোন, যোগাযোগ মানে সেই মায়েরই দৌড়ানো, আকাশবাণী ভবন। অফিসের ফাঁকে ফাঁকে কয়দিন দৌড়াদৌড়ি করে অবশেষে উদ্ধার হল সে রহস্য।  একটা R টুপ করে খসে পড়েছেন। হবে 'বর্ষাস গান '!  
    কিন্তু সে জেনে তো মাথায় আরোই হাত। ওই ৮-৯ বছরে আমার জানা নজরুলগীতির ঝোলায় তখন সে অর্থে বর্ষার গান তো নেইই!   নজরুলগীতির ক্যাসেট বাড়িতে যা ছিল, তাতেও নেই। ইউটিউবও ছিল কই যে চালিয়ে তুলে শিখে নেব।  ফোনও নেই যে গানের মাস্টারমশাইকে নির্ধারিত দিনের আগে ডেকে নেব।
    আর এই চক্করে হাতে তখন আর রেকর্ডিং হতে ৩-৪ দিনই বাকি বা আরো কম। এত তাড়াতাড়ি যদিও বা তুলি, গাইতে গেলে সে গানে নতুনের জড়তা যদি না কাটে! অন্তত গানটা যদি চেনা শোনাও থাকে তো তুলে গাওয়া কিছু সহজ হবে 
    প্রথম রেকর্ডিং বলে কথা, সে কী টেনশন!  
    তারপর মা ঠাকুমা আর কে কে জানি সুদ্ধু বাড়ির সব নজরুলগীতিসমগ্র লাইন বাই লাইন পড়ে চলা ( তখন মনে হচ্ছিল কেন যে রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইলাম না!  অন্তত গীতবিতান খুলে সোজা প্রকৃতি পর্যায়ে তো চলে যেতে পারতাম! ),  হাতে গোণা যে কয়টা গান পাওয়া যাচ্ছে, পরদেশী মেঘ বা রিমঝিম ঘন দেয়া বরষে, যদিও বা কোনরকমে তুলতে পারি, আমার ওই আট ন' বছুরে গলায় মানাবে বা, শিশুমহলে গাওয়ার মতনও নয় বটে, তাই সব বাতিল! 
    অবশেষে ইউরেকার মত পাওয়া গেল এক  লাইন, ' আমি যার বরষার আনন্দ কেকা'!   না, সে গান শুনে এম্নিতে  কোথাও বোঝার উপায় নেই যে সে ''Bashas gaan'. আমি যার নূপুরের ছন্দ, বেণুকার সুর।  কিন্তু টেক্নিকালি ওই লাইনটির জন্য ফেলে দেওয়া তো যাবেনা 
      সে যা হোক, বাড়িতে অনেক মিটিং আলোচনার  পর এই গান গাওয়াই সাব্যস্ত হল,  এ গানটা আমার কিছুটা শেখা ছিল, সুরটা অন্তত কানে চেনা ছিল।  আমার মাস্টারমশায় তখন নানা গান সমান্তরালে শেখাতে শুরু করতেন,  তাই নানা গানের এক দুই তৃতীয়াংশ করে শেখা হয়ে থাকত। সে যা হোক, তখন কোনরকমে পরীক্ষা পাসের আগের পড়ার মত স্বরলিপি বই দেখে গানের পুরোটা তোলা, তারপর মাস্টারমশায় এলে সুরের ভুলভাল মেরামতি এসব পর্ব পেরিয়ে রেডিও আপিসে রেকর্ডিং স্টুডিও তে গিয়ে  রীতিমত তর্ক করে বুঝিয়ে বলা যে এটা কেন বর্ষার গান আর এটাই আমি গাইব,  আর তারপর  তো গানের পরে ইন্দিরাদির কোলে বসে আস্ত একখান বিশাল গল্পই বলে আসা।  যা বলছিলাম, হ্যাঁ, মা সেই বাইরে বসে। তো,  বেরতেই মার জিজ্ঞাসা, ঠিকঠাক গেয়েছিস?  তো,  আমি গানের কথা আর বলব কি, ইন্দিরাদির কোলে এতক্ষণ বসে থেকে বিশাল একটা গল্প বলে এসেছি, উনি কত্ত আদর করেছেন,  সেই উত্তেজনাতেই ফুটছি।  যতদিন না রেকর্ডিং সম্প্রচার হয়েছিল,  মা ঠাকুমারা পুরো টেনশনে ছিল, আমি আদৌ সেই বর্ষার গান গেয়ে এসেছিলাম নাকি খালি গল্প বলেই চলেই এসেছি!  

    গল্পদাদুর আসরে প্রোমোশন পেয়ে ইন্দিরাদিকে আর পাবনা ভেবে খুব দুঃখ হয়েছিল তো বটেই, কিন্তু গল্পদাদূর গলার আর বলার জাদুতেও ততদিনে আচ্ছন্ন।  এহেন গল্পদাদুকে,  যাকে শুনলেই রেডিওর ভিতর সেঁধিয়ে ঢুকে ওই আসরে বসে পড়তে ইচ্ছে করে, সেখানে সত্যিই তেমনটা যাব ভেবে সে যে কী উত্তেজনা!  আর গিয়ে দেখলাম,  আরে, সে গল্পদাদু মানুষটা আর তার আসর তো রেডিও র ভিতরদুনিয়ায় আসলেতে আরোই মজারভ, আরোই সুন্দর, আরোই ভাললাগার! 
     রেকর্ডিং এর কাটাকুটিতে,  সময়ের বাঁধাবাধিতে তার কতটাই যে হারিয়ে যায়!  

    গল্পদাদুর আসর, মনে হয়েছিল ভাললাগার আসর! 
    এই ভাললাগাটুকুনিই মনে থেকে গেছে দেখছি, খুঁটিনাটির উপর পরত পড়ে। আর পরে আমার আফশোসটুকুনি। এত কম কেন পেলাম। আরো আগে কেন গল্পদাদুর আসরে আসার মত বড় হলাম না!    উনি চলে যাওয়ার পর।  গল্পদাদু বদলে যাওয়ার পর৷ 

    আরো পরে বড় হয়ে তো ওঁদের সঞ্চালনা, শ্রুতিনাটক শোনা কত। বৌদির আবৃত্তির শিক্ষক ছিলেন, কত গল্প শোনা। 

    তারও অনেক পরে বড় হয়ে প্রবাসে বঙ্গ সম্মেলন উপলক্ষে যখন আলাপ হল, প্রথম কথাই বলেছিলাম, আপনিই আমার প্রথম, এক ও একমাত্র গল্পদাদু!  ঃ) 
    জেনে খুব হেসেছিলেন, সেই ছোটবেলার গল্পদাদুর মতই।  বলেছিলেন গান শোনাতে।
    সেবারের আলাপে আরো অনেকদিক চিনেছিলাম অবশ্য।  গৌরী ঘোষ পার্থ ঘোষ দুজনকেই।  শ্রদ্ধা বেড়েছিল।  জ্ঞানীগুণী বলেই শুধু না,  মানুষ হিসেবেও।    গল্পদাদুকে তখন বহু বিষয়ে শিশুর মত হয়ে যেতেও দেখেছি!  
    সে স্মৃতিও জমিয়ে রাখার।

    তবে, সেসবের পরেও, উনি আমার কাছে গল্পদাদুই ছিলেন।
     আমার প্রথম গল্পদাদু আর তার আসরের স্মৃতি  শুধুই জমিয়ে রাখার নয়, এ এমন জমানো,  যে ভাণ্ডারের ঢাকাটা মাঝেমধ্যেই খুলে দেখতে হয়, খুললেই একটুকরো রোদ্দুর ছড়িয়ে পড়ে।  পেটের ভিতর থেকে জোরে শ্বাস টেনে চোখ বন্ধ করে যার আঘ্রাণটুকু নিতে হয়।  মনখারাপ হলে নিতে হয়, নিলেই ধক করে সেই পুরানো ভাললাগাটুকুনি ঢুকে পড়ে! 

    আমার সেই গল্পদাদুই  চলে গেলেন। উনি আমার কাছে গল্পদাদুই ছিলেন। আর আমার গল্পদাদু উনিই ছিলেন।  প্রথম এবং একমাত্র।
    এবার থেকে ওই ভাণ্ডারটুকু খুললে একঝলক মনখারাপও ঝাপটা দেবে। এই তো। 

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ঝর্না বিশ্বাস | ০৭ মে ২০২২ ১৯:১২507356
  • খুব মন কেমনের এ স্মৃতিচারণা...ঐ ভান্ডারটুকু আমাদের সম্বল...ভালো থাকার রসদ।.. 
  • Abhyu | 47.39.151.164 | ০৭ মে ২০২২ ১৯:২১507359
  • বেশ লাগল।
  • aranya | 2601:84:4600:5410:3d6e:4cf9:c913:b49b | ০৮ মে ২০২২ ০৫:০২507385
  • সুন্দর লেখা। পার্থ ঘোষ চলে গেছেন, জানতাম না। 
    কিছু ভাল আড্ডার স্মৃতি আছে, পার্থ আর গৌরীর সাথে। বড়  মাপের মানুষ, দু জনই 
     
    শিশুমহল, গল্পদাদুর আসর - এগুলো রেডিওয় শুনেছি অনেক, ছোটবেলায়। সুখস্মৃতি 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন