বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • দুটো অনুগল্প 

    Supriya Debroy লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৮ জানুয়ারি ২০২২ | ৪৪৫ বার পঠিত
  • অনুগল্প -  
    সবার উপরে মানুষ সত্য
    সজল অফিস যাওয়ার সময় বলে যায় তাপসীকে, যদি সম্ভব হয় একবার ব্যাংকে যেতে আজ। ব্যাংকের ম্যানেজার ত্রিদিব মুখার্জীর সাথে দেখা করতে। সজল একটা ফিক্সড ডিপোজিটের জন্য আবেদন পত্র জমা দিয়েছে, তাপসীকে সই করতে হবে ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের সামনে। তাপসীর কাজ আর শেষ হয় না সংসারের। সেই সকালে উঠে তাড়াহুড়ো করে সজলের জন্য কিছু রান্না করে অফিসে পাঠানো, বড় মেয়ে বুলি'র জন্য কিছু জলখাবার। সকালের চা'টা অবশ্য করে আজকাল সজল। এখন কোলের সাতমাসের শিশু টুকাই'কে পরিষ্কার করিয়ে খাওয়াতে হবে দুধ। যদিও মুখেভাত হয়ে গেছে কয়েকদিন আগে, কিন্তু টুকাই এখনো শুধু দুধই খায়, মাঝে মাঝে সেরেয়াল-এর সাথে মিশিয়ে দেয় একটু কলা অথবা একটু ভাতের দানা গলিয়ে নরম করে। এই আবাসনের প্রত্যেক তলাতে আছে দুটো করে ফ্ল্যাট। কিছুদিন আগে ওদের সামনে এসেছে নতুন বাসিন্দা, এক বাংলাদেশী মুসলিম পরিবার। এখনও সেভাবে আলাপ হয়নি। একদিন অল্পবয়সী বউটার সাথে আলাপ হয়েছিল, নাম বলেছিল শেফালি বেগম - আর সোয়ামির নাম জানিয়েছিল হারিত। আলাপ হওয়ার সময় দেখেছিল, শেফালির কোলেও একটা শিশু - মাস  চারেকের হবে বোধহয়।
    কেন জানি না, টুকাই কিছুতেই খেতে চায় না আজ। কোনোরকমে একটু বুকের দুধ খাইয়ে, জোর করে ঘুম পারিয়ে, টুকাই'কে ছয় বছরের বুলি'র কাছে রেখে -  তাপসী বেরিয়ে যায় ব্যাংকের উদ্দেশে। আধ ঘন্টাও হয়নি, ঘুম থেকে উঠে টুকাইয়ের কী কান্না! বুলি নানারকম খেলনা দেখিয়ে, হাতের ঝুনঝুনি বাজিয়ে চেষ্টা করতে থাকে ভাইয়ের কান্না থামাতে। কিন্তু কিছুতেই ভাইয়ের কান্না থামে না, বুলি পড়ে যায় রীতিমতো চিন্তায়। হঠাৎ শোনে দরজায় কলিং বেলের আওয়াজ, আর তার সাথে এক মহিলার গলার আওয়াজ। দরজার কাছে এসে শুনতে পায়, বাইরে থেকে এক মহিলা বলছেন দরজা খুলতে। বুলির মনে হলো, বোধহয় সামনের ফ্ল্যাটের শেফালি আন্টির গলার আওয়াজ। কিন্তু মা'তো দরজায় তালা লাগিয়ে গেছেন। অবশ্য আরেকটা চাবি আছে ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ারে, বুলি জানে। সেটা দেয় শেফালি আন্টিকে দরজার ফাঁক দিয়ে গলিয়ে। শেফালি আন্টি জিজ্ঞেস করে, 'বৌদি কই গেছে ?' বুলি বলে, 'মা তো একটু কাজে ব্যাংকে গেছেন। বুঝতে পারছি না ভাইটা হঠাৎ এরকমভাবে কাঁদছে কেন ?'
    টুকাই'কে কোলে তুলে নিয়ে শেফালি আন্টি বলে বুলি'কে,'তুমি দরজায় তালা মেরে আমাগো বাসায় আসো।'
    বুলি দরজায় তালা মেরে আসে শেফালি আন্টির ফ্ল্যাটে। দেখে টুকাই চুপটি মেরে শেফালি আন্টির বুকের দুধ খাচ্ছে। কান্না, চিৎকার একদম বন্ধ। শেফালি আন্টি বলে,'ওর খিদা পাইছিলো।'
    একটু পরে তাপসী ব্যাংকের কাজ সেরে ফিরলে, বুলি বলে সব আদ্যোপান্ত ঘটনা মাকে। তাপসী গিয়ে জড়িয়ে ধরে শেফালিকে, বোন বলে। বলে ওঠে,'তুমি যে আমার ছেলেটাকে নিজের বুকের দুধ পান করতে দিলে, তোমার কী একবারও মনে হয়নি ওর কী জাত ?'
    শেফালি বলে,'এখানে জাতের কী আছে! ও তো একটা দুধের বাচ্চা, আমার পোলাটার মতো। আমিও তো একটা মা, কেমন কইরা দেখতে পারি একটা ক্ষুধার্ত শিশুর কান্না! সবার আগে আমরা তো মানুষ, সৃষ্টির সেরা জীব।'      
     
    অনুগল্প -  
    নেই কোনো আক্ষেপ
    করোনা সংকট এখন অনেকটাই কেটে গেছে। ধীরে ধীরে জনজীবন স্বাভাবিকে ফিরে আসছে। রূপমের কলেজ খুলে গেছে কয়েকমাস আগে। গত পরশু সারা রাত নাছোড় বৃষ্টি হয়েছে, আবার পরেরদিন সারাবেলা বাদল ছাড়ার নাম নেই। প্রথম শীতের এই অকাল-বর্ষা। এই বৃষ্টি হঠাৎ আসেনি কিন্তু। এসেছে এক হারিয়ে-যাওয়া ঘূর্ণিঝড়ের বার্তা হয়ে। কেউ এ ঝড়ের নাম দিয়েছেন 'জাওয়াদ', আবার কেউ এই ঘূর্ণিঝড়কে 'উদার' নামে ডেকেছেন। অনেক রাত্রে, শীতের অকাল বর্ষণের মধ্যে, হঠাৎ সিমু মারছে উঁকিঝুঁকি রূপমের মনের ভাবনায়। মনে এলো এই ভাবনাটিও - এই বৃষ্টি মহামারীর শেষে নতুন শুরুর পবিত্র বর্ষণ বোধহয়। মনপ্রাণ যেন ভরিয়ে দিলেন চিরদিনের অনন্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - 'আমার নিশীথরাতের বাদলধারা, এসো হে গোপনে / আমার স্বপনলোকে দিশাহারা। / ওগো অন্ধকারের অন্তর্ধান, দাও ঢেকে মন / পড়ান মন - / আমি চাইনে তপন, চাইনে তারা। / আমার নিশীথরাতের বাদলধারা।
    দু'দিন ধরে রূপম শুয়ে আছে তার হোস্টেলের ঘরে, কম্বলের উষ্ণতায়। যাচ্ছে না কলেজ ও দু'দিন ধরে। আজ সূর্যিদেবতা অনেক কষ্টে উঁকি মারছেন মেঘের আড়াল থেকে। রূপমের ইচ্ছে করে বাড়ি গিয়ে শীতের নরম রোদ গায়ে লাগিয়ে উঠোনে বসে চিতই পিঠে আর নলেন গুড়ের আস্বাদ নিতে। আর মনের গভীরে একটা ইচ্ছে তো আছেই, সুমির সাথে এই সুযোগে দেখা করার। যেই ভাবা সেই কাজ। কিন্তু বাড়ি এসে জানতে পারে রূপম, সিমু গিয়েছে ওর মামার বাড়ি। হুট্ করে একদিন সকালে পৌঁছে যায় রূপম, জিরানিয়া'র থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে রাসু কামি গ্রামে, সিমুর মামাবাড়িতে। মামা বলেন সিমুকে গাঁটা ঘুরিয়ে দেখাতে রূপমকে।
    শীতের নরম রোদে দোআঁশলা মাটির রাস্তা ধরে হেঁটে চলেছে দু'জন, রূপম ও তার ক্ষণসময়ের ছাত্রী সিমু। সিমুকে করিয়েছিল কিছুদিন অংক স্কুলে পড়াকালীন। দেখতে পায় দু'একটা মনোহারি, মুদির দোকান। খড়ের ছাদ। একটি চায়ের দোকান - কয়েকটা পুরোনো বাঁশের খুঁটির উপর তালপাতার ছাউনি। হেলে পড়া ধুলোমাখা নড়বড়ে বেঞ্চি, বসে আছে কিছু গাঁয়ের লোক। গনগনে আঁচের উত্তাপে হচ্ছে চা। সস্তা বিস্কুট  চায়ে ডুবিয়ে - ছোট ছোট দুঃখব্যাথা, নিত্যদিনের নুন-তেল-হলুদের আলোচনায় মগ্ন তারা। রাস্তার দু-পাশে দীর্ণ ছোট ছোট কুটির। কয়েকটি শিশু খেলে বেড়াচ্ছে নিকানো উঠোনের প্রাঙ্গণে - আঙিনায় ভরা খড়ের স্তুপের পাশে, মায়েরা ব্যাস্ত ঘর-কন্নার কাজে, কেউ ব্যাস্ত ধান মাড়াইয়ের কাজে। মেরে-কুটে ১৮-২০ টি পরিবারের বসবাস এখানে। 
    হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছে যায় ওরা গ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চলে, রিং কুয়ার পাশে।
    - জানেন রূপম-দা এই রিং-কুয়ার জল কখনও শুকায় নি এখনও পর্যন্ত, এটা কাটার পর থেকে। যখন গরমে যায় সমস্ত জল শুকিয়ে, আশেপাশের গ্রাম থেকেও - সবার ভরসা তখন জলের জন্য এই রিং-কুয়া। দারুন আশ্চর্য্যের বাপ্যার না!
    - যিনি এটা খনন করিয়েছেন অনেক গভীরতা পর্যন্ত, বিরাট বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছেন। বেশ দূরদর্শী ছিলেন, বোঝা যায়।
    - এই গ্রামের 'রাসু কামি' নামকরণও হয়েছে, রাজকুমার দেববর্মার নামে। আগে এই গ্রামের নাম ছিল 'হরিজয় কামি' - ওনার ঠাকুরদার নামে। আপনি তো জানেন, ত্রিপুরার অনেক গ্রামেরই নামকরণ হয় গ্রামের প্রধানের নামে।
    শিশিরভেজা মেঠো পথ ধরে হাঁটতে থাকে গ্রামের জনবসতি ছাড়িয়ে। দেখা যায় অদূরে কৃষকরা ব্যাস্ত সোনালী ফসল তুলতে। আসছে পৌষ-সংক্রান্তি। মাঠের দিকে তাকাতেই চোখ জুড়িয়ে যায় সবুজের মাঝে সোনালী ফসলের রূপের ঝলকানিতে। সবুজের সমারোহে দামাল হাওয়া যেন করে খেলা সিমুর বাসন্তী রঙের ওড়না আর চুল এলোমেলো করে দিয়ে। সবুজের সমুদ্রে শীতের নরম মিঠে রোদের হলুদ আভা ছড়াচ্ছে সিমুর মুখমন্ডল জুড়ে।
    হঠাৎ সিমু জিঞ্জেস করে রূপমকে - আচ্ছা রূপম-দা, আপনার ক্লাশে নিশ্চয়ই মেয়েরাও পড়ে। বন্ধুত্ব হয়েছে কারুর সাথে?
    - পড়ে কিছু মেয়ে আমাদের সাথে। আমি একটু মুখচোরা, লাজুক বলে হয়নি হয়তো সেরকমভাবে বন্ধুত্ব কারুর সাথে। হঠাৎ এ প্রশ্ন?
    - আপনি যখন আমাকে অংক করাতেন, তখন থেকেই দেখেছি আপনি খুব সোজা-সরল। শহরের মেয়েরা হয় খুব চালাক-চতুর। আপনি যাতে ওদের খপ্পরে না পড়েন, তাই এ প্রশ্ন।
    - তুমি দেখছি আমার জন্য বেশ চিন্তা করো। কেন?
    - আপনি একটি যা-তা। সবকিছু বলে বোঝাতে হয় নাকি!
    লজ্জায় মুখ অবনত সিমুর রাঙা মুখ নিয়ে।
    দুপুরের খাওয়া সেরে, শীতের অলস রোদ্দুরে বেরিয়ে পড়ে রূপম জিরানিয়া'র  উদ্দেশে। সাথে সিমু আর মামার বড় ছেলে। বাস ছাড়ার মুহূর্তে জানালা থেকে হাত নাড়তে নাড়তে, রূপমের হয় খেয়াল - হল না বলা সেই কথাটা সিমুকে, যার জন্যে তার আসা এখানে। অবশ্য নেই আক্ষেপ তার জন্য, সিমু আছে তার হৃদয়ের অন্তঃস্থলে - যেমন মিশে থাকে শ্রাবণের ধারা মাটির কোষে-কোষে, ঘাসে, গাছে।  
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে প্রতিক্রিয়া দিন