ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • ধোঁকা

    Shah Alam Ranzu লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৩ ডিসেম্বর ২০২১ | ১৩৬ বার পঠিত
  • আকাশ ফেটে বৃষ্টি পড়ছে। ফোঁটায় ফোঁটায় বৃষ্টি পড়ছে গাছের ডালে, টিনের চালে, সবুজ ঘাসে, ধুলিমাখা পথে। ভেসে যাচ্ছে খানা-খন্দ, নর্দমা। কালো পিচের রাস্তায় উঠে এসেছে ময়লা-আবর্জনা, নোংরা পানি। সেই পানি শরীরে লাগিয়ে হেঁটে যাচ্ছে একদল মানুষ। কই তাদের গায়ে তো পাপ লাগছে না, দাগ লাগছে না। জীবন চালোনার তাগিদে চালাতে হচ্ছে জীবিকা। তারা যদি পারে আমরা কেন পারব না! আমি কেন পারব না! আমাদেরও তো জীবন চালাতে হবে, আমারও চালাতে হবে। বুকের মধ্যে এক আদম্য ইচ্ছেকে, বাসনাকে, কামনাকে নিয়ে আর কত দিন এভাবে নিপীড়ন সহ্য করা যায়! শরীর যা চায় তা তাকে দিতে হবে। যেমন পেটের ক্ষুধা মেটাতে হয় তেমন শরীরের ক্ষুধা, মনের ক্ষুধাও মেটাতে হবে। ক্ষুধা তো ক্ষুধাই, হোক সে কামনার-বাসনার। মনের ভেতর যে হিংস্র বাঘ থাবা বসিয়েছে তাকে শান্ত করা দরকার। শরীর জুড়ে যে চর জেগেছে তা ভেজানো দরকার। না হয় কামনার কালো জল লাগলো শরীরে, তাতে তো আর দাগ বসে যাবে না। হ্যাঁ, পাপ হয়ত হবে যদি পাপ-পূণ্য বলে কিছু থাকে, তাহলে মাথা পেতে নেব সে পাপের সাজা। কিন্তু মনের ভেতরের এই তীব্র ক্ষুধা আর সহ্য করতে পারছি না। ইবলিস আদমের কাছে মাথা নত করে নি যদিও সে জানত তাকে অন্তহীন আগুনে পুড়তে হবে। না হয় আমিও পুড়বো। তবুও ক্ষুধা মেটাতে হবে আমাকে। এই অন্তহীন ক্ষুধার আগুন আর সহ্য হচ্ছে না। সেই ক্ষুধা মেটাতেই কামনার কালো জলে ভেসে যাচ্ছি আমরা, আমি। লাগলে লাগুক দাগ, হোক পাপ। কিন্তু এই মুহূর্তের এই পরম তৃপ্তি এই স্বাদে ভুলে থাকতে চাইছে আমাদের দেহ মন। তাই নিখুঁত কারিগরের মত গড়ে চলেছি একটি মধ্য বয়সী নারীর শরীর।
     
    আমি যেভাবে চাইছি সেই ভাবেই গড়ে উঠছে। আমি চাইলেই গলে যাচ্ছে আবার আমি চাইলেই শক্ত হচ্ছে। আমিই ভেঙেচুড়ে দিচ্ছি, আমিই গড়ছি। আমার প্রতিটি স্পর্শে সে পুলকিত হচ্ছে। আমিই করে দিচ্ছি অশান্ত আবার আমিই করছি শান্ত। আমিই তাকে দিচ্ছি স্বর্গের সুখ, নরকের যন্ত্রণা। আমি দেবতা। আমার ইচ্ছায় সে বেঁকিয়ে ওঠে, বিদ্রোহ করে, আবার আমার ইচ্ছায় সে নেতিয়ে পড়ে। কত বয়স হবে এই রমণীর ৩০/৩৫। যার একজন স্বামী আছে, সন্তান আছে। অনেকের মতে মধ্যবয়স্কা কিন্তু আমার কাছে রমণী, ২৫/২৮ বছরের রমণী কিংবা তারও কম। যারা শরীরে ভাঁজে ভাঁজে মধু, সংগ্রহ করে চলেছি দক্ষ আরোহীর মত। মুখ ঢেকে, প্রকন্ড ধোঁয়ার কুণ্ডলী পাকিয়ে ধোঁকা দিচ্ছি মৌমাছিদের। আকণ্ঠ পান করে চলেছি সেই সুরা। আমিই তাকে এঁকে চলেছি। আমি শিল্পী, আমি স্রষ্টা। আমার কাছেই তাঁর করুণ আকুতি - আমাকে মেরে ফেল, আমাকে ভেঙ্গেচুরে দাও, আমি মরে যাচ্চি আমাকে বাঁচাও। আমি তাকে এঁকে চলেছি উপর থেকে নিচে, নিচ থেকে উপড়ে। এঁকেবেঁকে নদীর মত! না, লাতার মত! না, সবুজ ধানের ক্ষেতে ঢেউ খেলানো বাতাসের মত। আমার নিশ্বাসের ছোয়ায় সে কিলবিল করে উঠছে সাপের মত। আমি তাকে বের করে আনছি আবার হারিয়ে যেতে দিচ্ছি দূরে। যার কোন শেষ নেই।
     
    আচ্ছা, এই যে সে কিলবিল করে উঠছে, তাঁর স্বামীর সাথেও কি বিছানাতে এমন করে করে বেকিয়ে ওঠে, এমন করে ঢেউ খেলে যায় তাঁর সবুজ ধানক্ষেতে। নিশ্চয়ই না। তা-নাহলে আমার হাতে ধরে দেবে কেন। মধ্য বয়স্কা রমণী স্বামী-সন্তান নিয়ে সুখেই তো ছিল। সন্তানের যত্নে আর স্বামীর অহেতুক আবদার পূরণ করে সুখেই তো ছিল। আমার ধোঁয়ার কুণ্ডলীতে ভুলবে কেন? ভদ্র মহিলার স্বামীটি বেশ। স্বাস্থ্য ভাল, একটু মেদও আছে। মেদটাতে তাকে মানিয়েছে। চেহারায় বেশ সুখি সুখি ভাব ফুটে উঠেছে। ফুটে উঠেছে কেন আসলেই সে সুখি। এমন বউ কয়জনের ভাগ্যে জোটে। স্বামী যার অন্তপ্রাণ। স্বামীর কথার বিন্দু মাত্র প্রতিবাদ কখনও তাঁর মুখে শুনি নি। স্বামী যদি বলে এখন দিন, তাহলে দিন। যদি বলে এখন রাত,  তবে সে বিছানায় নিজেকে মেলে ধরবে শুভ্র ফুলের মত স্বামীর পূজার জন্য। ভদ্রলোককে আমার ঈর্ষা হত প্রচন্ড, রাগ হত। এই একবিংশ শতাব্দীর বুকে যখন চারিদিকে নারী জাগরণের মন্ত্র, যখন সম-অধিকার আদায়ের লড়াই, যখন কানের তালা ভেঙ্গে দেয় পাষান্ড পুরুষের নিপীড়নে প্রতিবাদ করে ওঠা নারীর তীব্র ঝাঁঝালো কণ্ঠস্বর,  সেখানে কীভাবে একজন নারীকে করে রেখেছে দাসী। কেরে নিয়েছে তাঁর সমস্ত ক্ষমতা। অক্ষম করে ফেলে রেখেছে ঘরের কোণে কেবল ক্ষুধার স্বাদ মিটাবার জন্য।
     
    এক বিকেলে যখন সূর্য আত্মহত্যা করছে সমুদ্রের বুকে, ব্যাথাতুর আকাশ লাল হয়ে গেছে। ঘন আঁধার ধেয়ে আসছে শহরটাকে গিলে খেতে ঠিক তখন আমি বুনো শুয়োরের মত সমস্ত বাঁধ ভেঙ্গে ঢুকে পড়েছিলাম এই মধ্যবয়স্কা রমণীর বুকের ভেতরে, হৃদয়ের গহীনে। যেখানে আর কেউ কখনও যেতে পারে নি। সেই অন্ধকার হৃদয়ে আমিই জ্বেলে দিয়েছিলাম আলো, বলে দিয়েছিলাম সঠিক সত্য পথ। জানিয়ে দিয়েছিলাম কিভাবে একজন পুরুষ তাকে শোষণ করে চলছে দিনের পর দিন। জানিয়ে দিয়েছিলেম কিভাবে কেবল সঙ্গমের জন্য তাকে পুষে রেখেছে যেমন করে দুধের আশায়, মাংসের আশায় মানুষ ছাগল পোষে, গুরু পোষে। শুনিয়ে দিয়েছিলাম নারীবাদীর তির্যক সেই শব্দগুলো। বুঝিয়ে দিয়েছিলাম কেন সে একজন পুরুষের স্বত্বা হয়ে থাকবে, তাঁর নিজের আলাদা স্বত্বা আছে। সে একজন মানুষ। স্ত্রী, বউ, প্রিয়তমা শব্দগুলো নারীর মুক্তিতে বাঁধার বেরিকেড হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। শাড়ি, পেটিকোট, ব্লাউজ, চুরি, ফিতা গরুর গলার দড়ির মত ঘরের খুটির সাথে বেঁধে রেখেছে। আমার শাণিত শব্দ শুনে মধ্যবয়স্ক রমণীর বুকের ভেতর হৃদয়টা ফালা-ফালা হয়েছিল। তাঁর চোখে ভেসে উঠেছিল রাগ, ক্ষোভ, ঘৃণা। আর আমার মনের ভেতর বেজে ছিল সুখের মত ব্যথা (রবীন্দ্রনাথের লাইন চুরি করে বসে দিলাম, এ চুরি সবার চোখেই পড়বে - তাতে কি, সব কবি-সাহিত্যিকই চোর। অন্যের লাইন না হোক মনের ভাব তো চুরি করে।)
     
    আমি বিষিয়ে দিলাম মধ্যবয়স্কা রমণীর মন। সে আর সুখে থাকবে না - রাগে ফেটে পড়বে, ক্ষোভে দগ্ধ করে দেবে স্বামীকে। যে এতদিন তাকে অন্ধকারে রেখে ব্যাবহার করেছে নিজের প্রয়োজনে। ঘৃণায় মুখ ফিরিয়ে নেবে। ভদ্রলোকটিও আর সুখে থাকবে না। আমি বিষ ছড়িয়ে দিয়েছি। আমার জিহ্বা দিয়ে। সেই বিষ মধুর ধ্বনীর মত বাজবে মধ্য বয়স্কা রমণীর কানে। কিন্তু আমার কিছু করার নেই - আমি চাই ভদ্রলোক অসুখে থাক, অসুকে থাক। তার সুখ অসহ্য লাগে আমার। ঐ মধ্য বয়স্ক নারীর শরীর, শরীরের গন্ধ আমাকে ঘুমাতে দেয় না, জেগে থাকতে দেয় না। আমি ডাঙ্গায় পড়া মাছের মত তড়পাতে থাকি, আমি আহত সাপের মত কাতরাতে থাকি। আমি শিকারি ধূর্ত শেয়ালের মত ওঁত পেতে থাকি। ধর্ষণে আমার ঘৃণা লাগে, যারা ধর্ষণ করে তাদের আমার পুরুষ মনে হয় না। তারা শুয়োরের চেয়ে জঘন্য, নেড়ি কুত্তার মত ইতর। অমন করে নরম মাটির বুক খুবলে কি আর সৃষ্টির আনন্দ পাওয়া যায়। নারী দেবী, তাঁর বন্দনা গাইতে হয়। মন্ত্র জপে তুষ্ট করতে হয়। ভক্ত হয়ে পূজো দিতে হয়। আর সেই মন্ত্রের জোরে ভক্তের ভক্তিতে বিগলিত দেবী হাতের মুঠোয় চলে আসে।
     
    ভদ্রলোক যখন বাড়িতে থাকে না - আমি ঢুকে পড়ি বয়স্কা রমণীর বুকের ভেতরে, হৃদয়ের গভীরে। যেখানে কেউ পৌঁছোয় নি কোনো কালে। শুরু করি বন্দনা, মন্ত্র জপি। দেবী গলে যায়। আমি দেখতে পাই আমার বন্দনায় বয়স্কা রমণীর চোখ মুখ চিকচিক করে, পূর্ণিমা রাতে চাঁদ যেমন স্বচ্ছ দীঘির জলে চিকচিক করে। আমি দেবীর বন্দনা করি, এমন রূপ লাবন্য সব কি মিছে! ঐ হৃদয় কি চায় না পুরুষের ভালোবাসা! চায় না কোন পুরুষ উম্মাদ প্রেম প্রলাপে জুড়িয়ে দিক তৃষ্ণাক্ত কান!  শীতল করে দিক প্রাণ! কেন সে একটা ঘৃণিত, ইতর লোকের জন্য নিজের জীবন নষ্ট করে দেবে! যে তার শরীর খুচিয়ে, ডলিয়ে নেতিয়ে পড়েছে। কখনও কি সে তার কথা ভেবেছে! কখনও জানতে চেয়েছে সে কী চায়! কেন এমন লোকের জন্য সে নিজেকে কষ্ট দিচ্ছে, সেকি চায় না তার শরীর নতুন করে আবিষ্কার হোক ভালোবাসার ছোঁয়ায় - প্রেমের স্পর্শে। ঐ শরতের চাঁদ কি ব্যর্থই পড়ে থাকবে? সে কি যেন ভাবে, হয়ত ভাবে কই এমন করে কেউ কখনও বলে নি তো আগে, এমন ভেঙ্গেচুরে ভেতরে কেউ ঢুকেনি তো আগে। আমি বলি, দুহাত প্রার্থনার মত করে গোড়ায় মুখ ঠেকিয়ে করুণ করে বলি এই আকুল তৃষ্ণা আমার মেটাবে না! দেবী তৃপ্ত হয়। ভক্তিতে বিগলিত হয়ে ঐ ঠোট আমার ঠোটে পড়ে। আমার গরম নিঃশ্বাসে দেহ ভাসিয়ে দেয়। আমি জড়িয়ে ধরি আলতো করে, যেন এক মুঠো চাঁদ আমার হাতে। তারপর - তারপর বহু আকাঙ্ক্ষার আমার এই আজকের দিন। আমি লাঙ্গল চালিয়ে যাই নরম মাটির শরীরে। চাষ করি, প্রেমের? ভালোবাসার? না কামনার, বাসনার, আকাঙ্ক্ষার। বয়স্কা রমণী আমার জিভের ছোঁয়ায় গলে যায়, আমার কঠিন লাঙ্গলের ফলায় শক্ত হয়। আমি নরম মাটি চিরে ভেতরে ঢুকে যাই। ফেলে দেই বীজ। ভদ্রলোকের জন্য আমার মায়া হয়।
     
    এই সেই নারী, যে নারীর জন্য পুরুষ জীবন দিতে প্রস্তুত, এই সেই নারী যে নারীর কৃপাদৃষ্টি পেতে পুরুষ প্রভুভক্ত কুকুরের মত পায়ের কাছে কুন্ডলি পাকিয়ে বসে থাকে, এই সেই নারী যে নারীর জন্য কবি সাহিত্যিক সারা জীবন বন্দনা করে, এই সেই নারী যে নারী সৃষ্টি ও শক্তির রূপ। সেই নারী আমার হাতের মুঠোয় আমার শরীরের নীচে। আমিই তাকে ভাঙ্গি, আমিই তাকে গড়ি।
     
    এই গন্ডমূর্খ নারী কি জানে? কোনদিন বুঝবে? যে পুরুষ তাকে ঘরে বন্দী করে রেখেছিল নিজের প্রয়োজনে আবার সেই পুরুষই আয়জনে তাকে টেনে বের করে আনছে নিজেদের জন্যে। এই যেমন আমি এই মধ্য বয়স্ক নারীকে বের করে এনেছি ঘরের চৌকাঠ পেড়িয়ে পথের ধারে। সাজানো সংসার থেকে ধুলোর মাঝে। এক পুরুষের থাবা থেকে কেড়ে এনে ছেড়ে দিয়েছি লক্ষ পুরুষের থাবার নিচে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন