• খেরোর খাতা

  • টোস্টার...

    বিপ্লব রহমান লেখকের গ্রাহক হোন
    ১০ অক্টোবর ২০২১ | ২৩৯ বার পঠিত | রেটিং ৩.৭ (৩ জন)
  • হাভাতে বুড়িটি ভাতের সন্ধানে কোনো এক আত্নীয় সঙ্গে ঢাকায় এসেছিলেন। 
     
    তার জন্ম এপারে উত্তরবঙ্গের বৃহত্তর রংপুরের মঙ্গা পীড়িত কোনো এক দূর্গম গ্রামে। তাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয় না, অনিবার্য এক অচিন ক্ষুধা আজন্ম চিটচিটে ঘামের মতো লেপ্টে থাকে তার জঠরে, গতরে এবং সর্বাঙ্গে।
     
    বুড়ির জীবনের গল্পটিও তাই মঙ্গা উপদ্রুত অন্চলের অন্যান্য বুড়ির মতো অতি সংক্ষিপ্ত এবং স্যাঁতসেঁতে টাইপের পুরনো। তাই আসুন, এই পর্বটুকু আমরা বরং এক বাক্যেই সেরে নেই :
     
    ১৫ বছর বয়সে এক ক্ষেতমজুরের সঙ্গে বিয়ে, বছর না ঘুরতেই বাচ্চা, পরের বছরগুলোতে আরো আরো আন্ডা-বাচ্চা, স্বামী আরেকটি বিয়ে করলে মেয়েটি পাঁচটি ছেলে-মেয়েকে একাই ক্ষেতমজুরী করে ও চেয়ে-চিন্তে বড় করে, মেয়ে-গুলোকে সাধ্যমত অন্যত্র বিয়ে দেয়, ছেলেরা বিয়ে করে মাকে ছেড়ে চলে যায়, এই শেষ বয়সে বুড়ির আর দিন চলে না, স্বামী খেদানো, ছেলেমেয়ে তাড়ানো বুড়ির এখন এক দফা এক দাবি– সামান্য এক মুঠো আহার।
     

     
    ঢাকায় বুড়ির নামমাত্র বেতন, তিন বেলা খাওয়া-পরার বিনিময়ে কাজ জুটে যায় আমার এক কর্পোরেট বন্ধুর বাসায়; আমরা ঘটনা বর্ণনার সুবিধার্থে বন্ধুটির নামে দেই অনামিকা। 
     
    তার বাড়িতে লোক বলতে মাত্র তিনজন, অনামিকা, বিধমা মা ও ঠাকুমা। তার বাবা গত হয়েছেন অনেক আগে। তাই তাদের বাসায় আমাদের আলোচ্য মঙ্গাঞ্চলের বুড়ির ঝি’য়ের কাজকর্ম তেমন কিছু নেই।
     
    বুড়ির প্রধান কাজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পাস করা কর্পোরেট চাকুরে টিপটপ অনামিকার ফুটফরমাশ খাটা, তার মেজাজের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খানিকটা অতিষ্ট হয়ে থাকা।
     
    বলতে নেই, তবু বলি, অনামিকার মন ভালো হলেও মেজাজ খুব চড়া। তাই আমাদের বুড়িটি একমাত্র এই আপাটিকে বেশ খানিকটা সমঝে চলতে হয়। সব সময় এক অজানা ভয় তাকে ঘিরে রাখে। কখন না জানি আবার পান থেকে চুন খসে পড়লে আপার তীক্ষ্ণ কথার ছুরিকাঘাতে তাকে বিদ্ধ হতে হয়! সে যে ক্ষুধার মতোই ক্ষুরধার ও বিষময়! 
     
    একই সঙ্গে পাষাণপুরী এই ঢাকা মহানগরীর অচেনা জগত-ভীতিও বোধকরি বুড়িটিকে বেশ খানিকটা বিপর্যস্ত করে রাখে।…
     

     
    এক সকালে বন্ধুবরেষু অনামিকা অফিস যাওয়ার জন্য ঝটপট তৈরি হচ্ছেন। 
     
    তার চিল-চিৎকারে পুরো বাড়ি তখন মাথায় উঠেছে: খালা, আমার সালোয়ার-কামিজ দাও, এটা না, দেখো আলমিরার ওপরের তাকে আছে নীল রঙের বুটিক করা! 
     
    খালা, আমার নীল চটিটা দেখো তো! আমার হেয়ার ক্লিপ? সানগ্লাসটা খুঁজে পাচ্ছি না, মাকে জিজ্ঞেস করো, সেটি কোথায়?
     
    এর পর অনামিকা স্নান ও হালকা প্রসাধন সেরে তার শোবার ঘর থেকেই আবার হাক মারেন, খালা, রান্নাঘরে টোস্টারে দেখো রুটি টোস্ট করতে দিয়েছি, সেগুলোকে ব্রেকফাস্টের জন্য ডাইনিং টেবিলে রাখো, ফ্রিজ থেকে জ্যাম নিয়ে খাবার টেবিলে দাও! আর চট করে আমার জন্য একটা ডিম পোচ করে দাও! …
     
    খাবার টেবিলে বসে অনামিকার ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙতে বসে। আমাদের বুড়ি কাম অনামিকার একান্ত কাজের ঝি রান্নাঘর থেকে আসেনই না। অনামিকা হাঁক ছাড়েন, খালা, কি হলো?…
     
    পরে তিনি নিজেই রান্নাঘরে গিয়ে যা দেখেন, তাতে তার মেজাজ ধরে রাখা সত্যিই কঠিন হয়ে পড়ে। 
     
    মেজাজের পারা চড় চড় করে সপ্তমে চড়তে থাকে, এরই মধ্যে অনামিকা দ্রুত বুঝে যান, ব্রেকফাস্ট না খেয়েই আজ তাকে অফিসে দৌড়াতে হবে। সময় মতো অফিসেও হয়তো পৌঁছানো আর হলো না।
     
    ওই সকালে মেজার চড়া হওয়ার মতো দৃশ্যই অনামিকা দেখেছিলেন বটে। 
     
    রান্নাঘরের মেঝেতে সেই গ্রামের হাভাতে বুড়ি খালা তখন ভাঙা টোস্টারের কয়েকটি টুকরো হাতে ধরে বসে আছেন। তার মুখে তখন পাগলের মতো বুলি,
     
    কই? উটি কই? হেথা তো কুনু উটি নাই! (কোথায়? রুটি কই? এখানে কোনো রুটি নাই!)…

     
    বাড়ির সকলে অনামিকার ভয়ঙ্কর চিৎকার-চেঁচামেঁচিতে রান্নাঘরে এসে জড়ো হন। নানান রকম প্রশ্নবান ও পুলিশি জেরার মুখে আমাদের মঙ্গা-বুড়ি চোখের পানিতে তার অপরাধটুকু স্বীকার করেন।
     
    অকপট সরল স্বীকারোক্তিতে তিনি জানান, বটি দিয়ে তিনি নিজেই নতুন কেনা টোস্টারটি টুকরো করে দেখতে চেয়েছেন, প্রতিদিন এই ‘আজব কল’ থেকে গরমা-গরম ধোঁয়া ওঠা পাউরুটির পিস বের হয় কী করে? 
     
    তার গোপন ইচ্ছে, বেতনের টাকা দিয়ে এইরকম একটি ‘আজব কল’ কিনে গ্রামের বাড়ি ফিরে যাওয়ার। তখন প্রতিদিন কল টিপলেই ভাপ ওঠা সুস্বাদু রুটির টুকরো…এই শেষ বয়সে এসে তখন বুড়িকে আর কাজের জন্য মানুষের দুয়ারে খাটাখাটনি করতে হবে না, মুখ ঝামটা খেতে হবে না। বুড়ির থাকবে না কোনো অন্নচিন্তা!…

     গল্পের চেয়েও নির্মম সত্য, আমাদের বুড়ি খালার বাস্তব এই কথনের সমাপ্তি পর্বে জানাই, সেদিন যথারীতি সকালে ব্রেকফাস্ট না করেই অনামিকা অফিসে যান এবং কম্পিউটারাইজড হাজিরা পদ্ধতির বোতাম টিপতে গিয়ে আভাষ পান– ৪৫ মিনিট বিলম্বে তিনি সেদিন অফিস পৌঁছেছেন।
     
    ওইদিন লাঞ্চ আওয়ারে কি এক দরকারি কাজে অনামিকাকে টেলিফোন করতেই তিনি নানা এলোমেলো কথার ফাঁকে আমাকে হরবর করে এই ঘটনাটি বলেন। 
     
    আমার মনছবিতে পুরো ঘটনাটি স্লাইড শো’র মতো একে একে ভেসে আসে; আমার হাত থেকে টেলিফোন খসে পড়তে চায়।...
     
    ~
    সংযুক্ত : বৃহত্তর রংপুরের মঙ্গা বা নিরব দুর্ভিক্ষ কবলিত চরাঞ্চলে তথ্য সাংবাদিকতার পেশাগত কারণে একদা বিস্তর ঘোরাঘুরি করতে গিয়ে সন্ধান পেয়েছি একটি প্রাচীন আঞ্চলিক লোকছড়া :
     
    "ভাত নেই তো তাড়াতাড়ি
    উটকানুতে পাকান দড়ি,
    ভোকের জ্বালায় মাথায় হাত
    দড়ি বেইচা খাইবেন ভাত!"... 
     
    (*পুনর্লিখিত)
     

     

     

  • ১০ অক্টোবর ২০২১ | ২৩৯ বার পঠিত | রেটিং ৩.৭ (৩ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কৌশিক ঘোষ | ১০ অক্টোবর ২০২১ ১০:৩৭499396
  • মন্তব‍্যে শব্দ ব‍্যয় করছি না। রেটিং দিলাম।
    কষ্টের চালচিত্র সব দেশেই এক।
    রাত্রে সব্বাই শুয়ে পড়লে গিন্নিকে পড়ে শোনাতে হবে।
  • কৌশিক ঘোষ | ১০ অক্টোবর ২০২১ ১০:৪৮499397
  • আরেকটু বড়ো হলে, রাঙামাটি এক্সপ্রেসের মতো বড়ো হলে, বেশি ভালো লাগতো। খিদে মিটলো না।
  • প্রতিভা | 182.66.149.124 | ১০ অক্টোবর ২০২১ ১২:২৫499398
  • কী মর্মান্তিক !  আচ্ছা, বুড়িকে একটু শিখিয়ে পড়িয়ে নেওয়া যায় না ? 
  • বাস্তবের সাথে অমিল | 2a04:52c0:2000:6787::2f0a | ১০ অক্টোবর ২০২১ ১২:৪৭499399
  • বঁটি দিয়ে ইলেকট্রিক টোস্টার কেটে  কুটি কুটি করে ফেলছে এ ত হারকিউলিয়ান টাস্ক। বঁটি ইলেকট্রিক টোস্টারের মডেল মেক জানতে মঞ্চায়। :-))
  • শক্তি দত্ত রায় | ১০ অক্টোবর ২০২১ ১৩:৫৩499400
  • কষ্টের ছবি সর্বত্রই এক রঙে আাঁকা হয়।আহা রে
  • সে | 2001:1711:fa42:f421:59cf:1d5b:ad6a:f82e | ১০ অক্টোবর ২০২১ ১৪:২৮499402
  • কিবরিয়া সরকারের স্টুডিও অফ ক্রিয়েটিভ আর্টসের অনুষ্ঠানগুলিতে, বিশেষ করে "আপন ঠিকানা" এবং "Life" দেখি নিয়মিত। প্রান্তিক মানুষদের দারিদ্র্যের কাহিনিগুলো অকল্পনীয়। পরিবার থেকে হারিয়ে যাওয়া শিশুরা কী নিদারুণ কষ্টের মধ্যে হাত বদল হতে হতে জীবন কাটায় তা না শুনলে বিশ্বাস করা যায় না। সমস্ত কিছুর মূল কারণ দারিদ্র্য এবং অমানবিকতা। ছোট ছোট শিশুদের মা বাবারা পাঠিয়ে দেন ঢাকায় বা কোনও বড়ো শহরে দুমুঠো খাবার বিনিময়ে কাজ করতে। শিশুরা মনিবদের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে এবং হোমসিক হয়ে পালায়, তারপর ঠিকানা হারিয়ে ফেলে। 
    কিবরিয়া আগে ঢাকা FM 90.4 এ "Lost and Found", "জীবন গল্প" নামক অনুষ্ঠান করতেন, এখন নিজেই ইউটিউব চ্যানেল খুলে হারিয়ে যাওয়া মানুষদের পৌঁছে দিচ্ছেন আপন ঠিকানায়। 
  • সে | 2001:1711:fa42:f421:59cf:1d5b:ad6a:f82e | ১০ অক্টোবর ২০২১ ১৪:৩৪499403
  • এই হচ্ছে লিংক
  • সে | 2001:1711:fa42:f421:59cf:1d5b:ad6a:f82e | ১০ অক্টোবর ২০২১ ১৪:৩৬499404
  • ফেসবুকে
  • বিপ্লব রহমান | ১০ অক্টোবর ২০২১ ১৪:৪৪499405
  • পাঠের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। 
     
    @বাস্তবতার .... অমিল, 
     
    আপনি ঠিক বলেছেন, আপনাকে ধন্যবাদ 
     
    @সে, 
     
    আরজে কিবরিয়ার "জীবনের গল্প" এপারে রেডিওতে তুমুল জনপ্রিয় অনুষ্ঠানগুলোর একটি ছিল, পরে নানান চক্করে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। দুঃখজনক
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন