এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • তুঘলকি শাসন

    mila
    অন্যান্য | ০৮ নভেম্বর ২০১৬ | ১১৭১২৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ekak | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০০:০১725491
  • আবার ও বলে যাচ্ছি এই পাতায় .. গরিব মানুষের অনেক সমস্যা হয়েছে হচ্ছে এটা ১০০ ভাগ সত্যি ধরে নিয়েও বর্তমান অর্থনৈতিক যে মডেল ইন্ডিয়া ফলো করে তাতে বর্তমান সিধ্ধান্তের কিছু প্রভাব থাকবে। মোমেন্টারিলি বেশ কিছু ব্ল্যাক মানি ওয়াইপ আউট হবে। আর রিসিট না নিয়ে না দিয়ে কাজ করার মধ্যবিত্ত প্রবণতা যেটা জাস্ট ইচ্ছাকৃত কোনো ক্ষমতার সমস্যা নয়, সেখানে কিছুটা আঘাত পর্বে। ডিজিটাইজেশন একটু বাড়বে। আর যে ভবিষ্যৎ সিস্টেম তৈরির চেষ্টা চলছে যেখানে ফোরে -দালাল শ্রেণীর প্রভাব কম সেটা কিছুটা এগোবে।

    আর রাজনৈতিক লোম যারা বিরোধিতা করছে একেবারেই রাজনৈতিক কারণে, তাদের পার্টি ফান্ডে চুলকে গেছে বলে। নইলে ওরা তো কেও মার্কেট ইকোনমির লোক নয়, ফোরে -দালাল এদের মার্কেট ইন্সট্রুমেন্টের পার্ট বলে মনে করে এমন ও নয়, নিজেরা হান্ড্রেড পার্সেন্ট সেন্ট্রিস্ট, জাস্ট পার্টি ফান্ড চুলকে দিলো বিজেপি নিজেদেরটা ঠিক রেখে, এটা সিরিয়াসলি বাজে লেভেলের হারামীপনা কাঁদবে তো বটেই :)):)
  • Ekak | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০০:০২725502
  • ও সরি, লোম না লোক।
  • Robu | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০০:৩২725513
  • ১। গরিব মানুষের 'অনেক' সমস্যা হয়েছে
    ২।বর্তমান সিধ্ধান্তের 'কিছু' প্রভাব থাকবে
    ৩।'মোমেন্টারিলি' 'বেশ কিছু' ব্ল্যাক মানি ওয়াইপ আউট হবে
    ৪। আর রিসিট না নিয়ে না দিয়ে কাজ করার মধ্যবিত্ত প্রবণতা যেটা জাস্ট ইচ্ছাকৃত কোনো ক্ষমতার সমস্যা নয়, সেখানে 'কিছুটা' আঘাত পর্বে
    ৫। আর যে ভবিষ্যৎ সিস্টেম তৈরির চেষ্টা চলছে যেখানে ফোরে -দালাল শ্রেণীর প্রভাব কম সেটা 'কিছুটা' এগোবে।
  • Robu | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০০:৩৪725524
  • আর সেকেন্ড প্যারা পড়েই তো নিজের পার্টির কথা ভেবে আমার লোম উঠে যাচ্ছে। ও নিয়ে আর কীই বা বলব।
  • Ekak | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০০:৪১725535
  • অঞ্জলি থেকে কাল ৪০ কেজি তুলেছে। খোঁজ নাও :)
    " কিছু " ই তো হবে, আল্টিমেট -আইডিয়াল অমন কিছু হয়না।

    এইযে হাত উল্টে বলে দেওয়া হচ্ছিলো যে বড়ো ফিশরা সোনা কিনে পার পেয়ে যাচ্ছে, সেটার পেছনেও সরকারের চোখ আছে। একটা একটা করে ঘিরেছে। এবার কেও যদি স্বপ্ন দেখে কোথাও আগুন দেওয়ার দরকার নেই, ধাওয়া করার দরকার নেই এমনিই হয়ে যাবে , সে তার চয়েস। সেক্ষেত্রে ব্ল্যাক মানি নিয়ে কথা বলা সম্পূর্ণ বন্ধ রেখে রাজনের প্রসেসে ইনসেনটিভ বাড়িয়ে যাওয়া উচিত যাতে লোকে এমনিতেই সোর্স ডিক্লেয়ার করে কিছুটা।
  • Ekak | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০০:৪৫725546
  • সেবির নতুন সার্কুলার পড়ে দেখো। গতকাল বেরিয়েছে। কেওয়াইসির ইমপ্লিমেন্টেশন এরিয়া বাড়াচ্ছে। মানি ক্লাস্টারিং প্যাটার্ন রীড করবে।

    যত লোক রাত জেগে সোনা কিনেছে, মিসম্যাচড সোর্স দিয়ে ; আর যত সোনার দোকান বেচেছে পুরোনো টাইমে বিল দেখিয়ে তাদের সবার হামপু হবে। প্রসেস স্টার্টেড।
  • sswarnendu | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০১:০২725557
  • সারাদিন না আসায় বহু পোস্ট পড়েছে...

    এক এক করে লিখি...

    প্রথমে কিন্তু কে,
    হাভার্ডের পেপারের কনক্লুশন ঘানায় প্রযোজ্য এটা আপনার কনক্লুশন হতে পারে, পেপারটার নয়। প্রত্যেকটা উদাহরণ পেপারটায় দেখলেই দেখা যাবে। ১০০০ সুইস ফ্রাঁ এর নোট, ৫০০ ইউরোর নোট এইসব নিয়েই বক্তব্য। ঘানার নামও দেখলাম না। অ্যাকাডেমিয়া নিক এ যারা পেপার দিয়ে পোস্ট করে যান, তাদেরকে অনুরোধ আগে প্যারাফ্রেজিং শিখে এসব করতে। পেপার পরে আপনার কি মনে হয়েছে আর পেপার কনক্লুশন সম্পুর্ণ ভিন্ন জিনিস আগে এইটে বুঝতে শিখুন, তারপর নাহয় হাভার্ড দেখাবেন, কেমন?

    দোকানি,
    স্ক্রিনে খুব ময়লা পড়েছে না চোখে ছানি? ২ তো ফুলকপি কিনতে বলি নি, পাঁচ পাল্লা বলেছিলাম, মানে ২৫ কেজি... পাইকারি বাজারে কাঁচালঙ্কাও পাল্লায় দেয় দাদা... দুটো ফুলকপি আপনি বাজারের বাইরে পাবেন, ভিতরে দুটো ফুলকপি চাইলে খিস্তি মারবে।

    আর ঘানা ক্যাশলেস হয়ে ঘানার কি চতুর্বর্গ লাভ হয়েছে... আর এককের ওই ল্যাদ মধ্যবিত্তের পিছনে ধুনো দিলেই বা ভারতের ঠিক কি হাতপা গজাবে এইটা সত্যিই জানতে উৎসুক। একককে অন্য যা বলার ছিল রোবুই লিখে দিয়েছেন... সেন্ট্রাল প্ল্যানিং এ আপত্তি ততক্ষণই যতক্ষণ বড় ক্যাপিটালের বাঁশ যাবে... স্টেট বড় ক্যাপিটালের দালালি করে জনগণের পিছনে ধুনোতে কুনো আপত্তি নাই- খাসা। :)

    নিও-লিবারাল ইকোনমি মানে এইতেই চমস্কি বহুদিন আগেই বলে দিয়েছেন, নতুন কিছু না। নিজেদের 'অ্যানার্কো-ক্যাপিটালিস্ট' বলা লোকজন স্পষ্টাক্ষরে লিখছে দেখে ভাল লাগে, এইটুকুই আর কি।
  • s | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০১:০৯725559
  • প্পন, আরে তা তো দেখেছি। কিন্তু আমার এনারো অ্যাকাউন্ট সেন্ট্রাল ব্যান্কে। তার বিদেশে ব্রাঞ্চ নেই।
    তবে নেট সার্চ করে দেখলাম উপায় আছে। ট্রাভেলেক্সকে নাম ঠিকানা আর নোটগুলো পাঠিয়ে দিলে ওরা ডলারে চেক বানিয়ে বাড়ী পাঠিয়ে দেবে। নিশ্চয়ই ভুলভাল এক্সচেঞ্জ রেট দেবে। কিন্তু নেই মামার চেয়ে ...
  • Arpan | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০২:২১725560
  • নতুন অ্যাকাউন্ট খুলে নিন যাদের ব্র্যাঞ্চ আছে, তারপরে টাকা কটি গিফট দিয়ে আসুন।
  • Arpan | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০২:২৪725562
  • (এটা পিপি নাকি বাই এনি চান্স?)
  • Arpan | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০২:২৫725563
  • না না, মিশ্টেক মিশ্টেক।
  • Ekak | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০২:৩৯725564
  • "সেন্ট্রাল প্ল্যানিং এ আপত্তি ততক্ষণই যতক্ষণ বড় ক্যাপিটালের বাঁশ যাবে... স্টেট বড় ক্যাপিটালের দালালি করে জনগণের পিছনে ধুনোতে কুনো আপত্তি নাই- খাসা। :)"

    একেবারেই তাই। বিগ ক্যাপিটাল ফানেলের হিসেবের বাইরে চলে গ্যাছে। ওখান থেকে ট্রিকল ডাউন করানোর রাস্তা আলাদা। লাঠিটা মাঝখানের লেয়ারে মারা দরকার যাতে ফারদার অপরদিকে সাইফোন হওয়াতে রাশ টানা যায়। এইযে বিগ ক্যাপিটালের টাকা কেড়ে বাঁটোয়ারা করার রবিন হুডি স্বপ্ন ভোটার আগে দেখানো হয় এগুলো ভাট কারন ওটা কোনোভাবেই সম্ভব না। কিন্তু মাঝখানে লাথি মেরে ওপরদিকে অস্থিরতা বাড়ানো সম্ভব যাতে ফারদার একুমুলেশন কম ঘটে।

    রিয়েল এস্টেটে চোখ রাখুন। সমস্ত রিয়েল এস্টেট বিগ ক্যাপিটাল সাদায় ব্যবসা করে এপারেন্টলি। এদের কালোর হিসেবে অন্যরকম যেটা আসে মাল্টিপল রিসোর্স ফলস ব্যাড ডেট শো করা থেকে। তাকে দেশের কোনো আইন ধরতে পারবে না যদ্দিন না সমস্ত ট্রান্স্যাক্সন হাইলি ডিজিটাইজ না হয় । কিন্তু এদের থেকেই প্রথম লপ্তে ফ্ল্যাট কিনে নিতো মাঝারি প্রোমোটাররা হোয়াইট এ। এবং তারপর তিনবছর বাদে প্রিমিয়াম স্ল্যাবে, ডেপ্রিসিয়েশন হিসেবে করে আল্টিমেটলি কেনা দামে হোয়াইট এ বেচতো আর বাকিটা ব্ল্যাকে নিতো খদ্দেরের কাছ থেকে। এই খদ্দেররা হলো ডাক্তার -উকিল-মাঝারি ব্যবসায়ী যাদের আবার ব্ল্যাক আছে মাঝারি লেভেলে। পুরো লোন করে ফ্ল্যাট কেনা জনতারা না।

    তাহলে লাথি টা কাকে মারলে কাজ দেবে ? মাঝের লেয়ারে। আগামী মিনিমাম ৬ মাস এরা ব্ল্যাক একুমুলেট করতেই পারবেনা যাতে আবার আগের ফ্লো তে ফিরে যাওয়া যায়। মাঝের প্রোমোটার রাও ব্ল্যাক পাবেনা। রিয়েল এস্টেট বেলুন চিপে চ্যাপ্টা হয়ে যাবে মাঝের লেয়ারে। এবার কারো গা জ্বলতেই পারে যে হিরানান্দানি বা গোদরেজ তো গায়ে লাগলো না ? লাগলোনা কারন ওরা বড়ো চোর। ওটাকে ধরার ইনস্ট্রুমেন্ট নেই এই মুহূর্তে। একটা প্রোমোটার ব্ল্যাক যেভাবে ডিল করে আর একটা বিগ কর্পোরেট দুটো তো এক না। এগুলো প্র্যাকটিকাল জায়গা, থিওরির না। কেও বিপ্লব করতে আসেনি যে পুরো স্ট্রাকচার ধ্বসবার কথা ভাববে। স্ট্র্যাটেজিক পজিশনেই চেপে ধরতে হবে। তারপর স্টেপ বাই স্টেপ ওপরের লেভেল কেও দুয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকবে। ওরকম জলের পাইপ ইন্ট্যাক্ট রেখে গাছের মাথা ছেঁটে লাভ হয়না, কারন ওর পক্ষে অনেক দ্রুত পাতা গজিয়ে নেওয়া সম্ভব।
  • Ekak | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০২:৪৬725565
  • এইযে দুহাজারের নোট, এতে তো ব্ল্যাক ডীল করা আরো সুবিধে করে দিলো। তাতে কী ? এটার বিরোধিতা করবো নাকি ? :):)

    এটাই হলো বেইটিং এন্ড কিলিং প্রসেস। লোকে দুহাজারের নোট একুমুলেট করতে করতে একটা পয়েন্টে গিয়ে এটাকে ইল্লিগাল টেন্ডার ঘোষণা করে দেবে। আবার ফ্ল্যাশ আউট। লোভ দেখিয়ে এগিয়ে দাও যাতে অতি বুধদ্ধিমানরা ভাবে আহা সরকার কী মূর্খ বোকাচোদা, তারপর টোপ গিললেই গাঁড় মারো। মোদী নেক্সট টার্মে ক্ষমতায় থাকলে এই ফ্ল্যাশ আউট টাও করে যাবে। এই সিস্টেমের এটাই গেম রুল। এটা তো কোনোভাবেই মার্কেট ইকোনোমি নয়, পাতি সেন্ট্রিস্ট কন্ট্রোল অল ওভার, কাজেই এখানে মার্কেট ইকোনোমি খাটছেন কেন প্রশ্নই বাতুলতা। এই মেজারগুলো এই মডেলের রেস্পেক্টে একদম ঠিকঠাক।
  • Arpan | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০৩:৪৩725566
  • নিন, গরীবের সেবায় সদা নিয়োজিত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের চেয়ারপার্সন কী বলেছেন পড়ে নিন।

    "অন্য দিকে দু’হাজার টাকার নতুন নোট পেয়ে চিন্তায় পড়েছেন অনেকে। বুঝে উঠতে পারছেন না, কী ভাবে ভাঙানো যাবে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক তাঁদের বলছে, আতঙ্কিত হবেন না। দিল্লির যুক্তি— বাজারে একশোর নোট যথেষ্ট। পাঁচশোর নতুন নোটও আসছে। এসবিআইয়ের চেয়ারপার্সন অরুন্ধতী ভট্টাচার্য মনে করেন, অনেক ক্ষেত্রে দু’হাজারি নোট ভাঙানোরই দরকার পড়বে না। ‘‘কারণ, এখন যে কোনও সংসারে মুদি দোকানের মাসকাবারি বিলই দু’হাজার টাকা ছাড়িয়ে যায়।’’— মন্তব্য তাঁর।"
  • Ranjan Roy | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০৭:১৩725567
  • ঠিকই বলেছে। অরুন্ধতীর যায়। অর্পণের যায়। আমারও যায়। গুরুর সব ভাইবোনেরও যায়।
    কিন্তু কাজের মাসিদের আর্টিজানদের চাষীদের যায় না।অথচ এদের অনেকেই মাসের রোজগার হবে মাল্টিপল এম্প্লয়ারদের থেকে মাল্টিপল ২০০০ নোট পেয়ে।
  • pi | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০৭:৩০725568
  • রোবু স্বর্ণেন্দু অনেক কিছু বলে দিয়েছে।

    আমার খালি, এই 'সবার' কাছে মোবাইল পৌঁছে যাওয়া লোকেদের নেমন্তন্ন করার ছিল, কেমন পৌঁছেচে একটু দেখার জন্য। গ্রাউণ্ড রিয়েলিটি বুঝতে গেলে গ্রাউণ্ডে একটু নামতে হয় বোধহয়।

    যাগ্গে, এসব নিয়ে তর্ক করে বোধয় লাভ নাই।
    গ্রামগুলোয় বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি, বা নামকাওয়াস্তে পৌঁছালেও ৮০-৯০% সময়ে থাকেনা, এ অবশ্যই গরীব লোকগুলোর দোষ।
    মোবাইলের টাওয়ারগুলোও এই গরীবলোকগুলো বসাতে পারেনি। সত্যিই তো কী দোষ! এতো গেল মোবাইল। যেখানে সিকি শহর আছে, সেখানে আজো টুজির বাইরে কোন কানেকশন নেই, সেও ঐ গরীবগুলোর দোষ। লাখ লাখ টাকা দিয়ে সোলার বসাতে পারেনি, সেও দোষ। যারা প্যানেল বসিয়েছে, নানাবিধ অসুবিধেয় তারা অর্ধেক সময় কিছু করে উঠতে পারেনা, এ তাদের দোষ।
    কিয়স্কগুলো নিজেরা বানিয়ে বসিয়ে নেয়নি, এও তাদের নিজেদের দোষ।
    সবাই যে শিক্ষিত নয়, এ যে তাদের নিজেদের দোষ এনিয়ে তো সন্দর অবকাশই নাই।
    কিম্বা ন্যাজে আগুন না লাগা মধ্যবিত্তের দোষ আগুন লাগার জন্য পোঁদ বাড়িয়ে দেয়নি বলে।
    ঐ যে সেদিন ভাটে কে নাক বাড়িয়ে এসে বলে গেলেন, এগুলো সব এই মানুষদেরঐ 'অক্ষমতা'। ইঁটভাটায় কজ করা মা বাবা ছেলেমেয়েকে দামি স্কুলে পাঠাতে না পারাটা একেবারেই তাঁদের 'অক্ষমতা'। অক্ষম মানে সারাদিন বসে বসে কাজ না করাই হবে ঃ)

    যাহোক, এসব ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, কিয়স্ক, মোবাইল, কানেকশন, ডাটা, সেসবের ব্যবহার, এসব হলে খুব ভাল হত, সন্দেহ নাই। কতটা কী হয়েছে, কী কী করা যায় না যায়, তা নিয়ে নিজের এম হেল্থের কাজের জন্যেই খোঁজ রাখি, বাংলাদেশের লোকজনের সাথে যোগাযোগও। হলে কী হত না হত সেই তর্কেই তাই যেতে চাইনা।

    কিন্তু কথা হল, এগুলো হয়নি। এবং হওয়ার আগে এধরণের মুভ, ঐ আবারো বলব, ঘোড়ার আগে গাড়ি জুতে দেওয়া।
  • Ranjan Roy | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:০১725569
  • একক,
    তোমার মডেলটা বেশ সেন্ট্রিস্ট কিন্তু লিনিয়র।
    দুঃখ হীরনন্দানির বা গোদরেজের কেন মারা গেল না --তা নয়।
    এবং বেশ কিছু এখানে ওখানে গুঁজে রাখা টাকা আজ কাগজ হয়ে যাবে তাও ঠিক। কিছু বস্তা বস্তা নোট জ্বলছে -দেখাই যাচ্ছে।

    কালো টাকার দুটো লেয়ার--হোর্ড করে রাখা টাকা (স্টক) আর সার্কুলেশনে (ফ্লো) ব্যাংকে মাল্টিপল অ্যাকাউন্টে, জমিতে, বেনামি শেয়ারে, সোনায় এবং অন্য ইনভেস্টমেন্টে আর বিদেশে রাখা ব্ল্যাক ইনকাম।

    প্রশ্ন হল--(১) যে টাকা হোর্ড করা থাকে মেঘলা দিনে কাজ দেবে ভেবে সে টাকা ইকনমিতে কতটুকু প্রভাব ফেলে?গুড অর ব্যাড?
    (২)আর যে টাকা ইন সার্কুলেশন তার ইমপ্যাক্ট?
    প্যারালাল ইকনমি কোন কম্পোনেন্টকে ধরব?

    (১)হোর্ডিংয়ের টাকা ছোট বিজনেসম্যান, ফড়ে, রিয়েল এস্টেটের দালাল আর ঘুষখোর সরকারি অফিসারদের ডোমেন। এটা বিশাল কালোটাকার একটা ছোট অংশ (ভল্যুমের বিচারে), যদিও সংখ্যায় বেশি।
    (২) এই সার্কুলেশনে থাকা ইন্ভেস্টেড অংশ অনেক বড় (ভল্যুমের বিচারে)। যদিও সংখ্যায় কম।

    মোদির এই ডিমনিটাইজেশন স্টেপ (১)নম্বরকে কিছুটা ঘায়েল করবে, সবটা না। ৩১ মার্চ, ২০১৭ র মধ্যে অন্য অ্যাকাউন্ট খুলে সিএ কে দিয়ে ২০১৬-১৭র ব্যালান্স শীট বানিয়ে রিজার্ভ ব্যাংকে রীতিমত স্টেটমেন্ট দিয়ে অনেকটা কালো সাদা হবে, সরকারের চোখের সামনে ওদের প্রত্যক্ষ অনুমোদনে।
    দু'নম্বরের কিছুই ছেঁড়া যাবে না। এই স্টেপের সেটা উদ্দেশ্যও নয়।
    ছোট ছোট মানুষ যারা নগদে লেনদেন করে এবং জমায়, ছোট ট্রেডার, ছোট দালাল,
    এক সরকারী কর্মচারি--এরা প্রভাবিত হবে। চুল ছিঁড়বে।
    অন্যরা মুচকি হাসবে।
    মোদী আগামী ইলেকশনে জিতলেও (জিতবেই; এখন অপোজিশন উইদাউট ইমাজিনেশন-- মোদি ইস্যু তৈরি করছে, অপোজিশন প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে। যেমন ইন্দিরা -রাজীবের প্রথম ফেজ; যেমন ট্রাম্প; যেমন ২০১১র মমতা) ২০০০ এর নোট ডিমনিটাইজ করবে না। এই খেলা ঘন ঘন খেলা যায় না। আপার-কাট কথায় কথায় মারা যায় না। খর্চা আছে।
    তাহলে কার কী লাভ হল?
    লাভ সরকারের ও ব্যাংকের। লোনেবল ফান্ড বাড়বে। লোকে বাধ্য হয়ে প্লাস্টিক মানি বেশি ব্যবহার করবে। বেশি করে আর্বান প্লেবিয়ান সেকশন। আর গ্রামীণ জনতার বড় অংশ উঠতে বসতে গাল পাড়বে।
    সবচেয়ে বেশি লাভ মোদীর। ইন্দিরা গান্ধীর গরীবি হটাও, আন্না হাজারের অ্যান্টি-করাপশন আন্দোলন প্লেবিয়ান জনতার, বিশেষ করে আর্বান সেকশনের বুকে দোলা দিয়েছিল। মোদীর এই কালোটাকার 'সার্জিক্যাল অপারেশনে'র ধুয়ো তাই করছে। হৃদয়ে দোলা দিচ্ছে।
    উগ্র দেশপ্রেম আর কালোটাকা পুড়িয়ে দেবার ছবির হেডি ককটেল লোককে বুঁদ করবে, স্বপ্ন দেখাবে, বিশ্বাস জাগাবে-- এক 'অধরা আচ্ছে দিনের '।
  • ট্রিডিঙ্গিপিডি | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:০৬725570
  • ভারতে মোবাইলের "রিচ" একটা মিথ, যেটাকে ডেটা দিয়্র আরো রসালো করা হয়। স্মার্টফোন বাদ্দিন, ওর কথা বলছি না। ফিচার ফোনও জেলাসদর বা মাঝারি টাউন ছাড়িয়ে ভিতরে ঢুকলে অল্পসল্প দেখা যায়। আর যাদের আছে, তারা একটা এসএমএস এর আগে দশবার ভাবে, কারণ প্রিপেইডে কত কাটবে...তারপর যেখানে কারেন্ট নেই সেখানে চার্জিংও নেই। মোবাইল মানি চালু করে দেওয়া উচিত বা কেন হচ্ছে না এইসব কান্নাকাটির আগে ভাবুন বেসিক ইনফ্রা না থাকলে এগুলো হবে কী করে? কে করবে? বেসরকারি কোম্পানি কেন করবে? সিএস`আর বলে একটা গ্রামে করবে, তারপর? অ্যাকাডেমিক রিসার্চ প্রোজেক্ট একটা গ্রামে হেলথ কিয়স্ক কারবে, তারপর তাদের ফান্ড শেষ হয়ে যাবে। এই তো টিসিএসের এমকৃষি প্ল্যাটফর্ম - শুধু মহারাষ্ট্রের অল্প কিছু গ্রামে আটকে আছে কেন? সে তো ফিচার ফোনের ওপরেই।
  • b | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:০৮725571
  • ফিচর ফোনে কারে কয় রে বাবা? স্মার্ট আর আনস্মার্ট এই তো জান্তুম।
  • b | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:০৯725573
  • *ফোন
  • Ranjan Roy | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:১২725574
  • আন্দাজে ঢিল ছুঁড়লাম-- বেসিক ফোন? আনস্মার্ট?
  • Robu | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:১৩725575
  • চা বাগানে আড়াই লক্ষ শ্রমিকের পোঁদ জ্বলছে। সাপ্তাহিক বেতন অনিশ্চিত।
  • Ekak | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:১৪725576
  • দেখুন লাভ ক্ষতির হিসেবে করলেই প্রথমেই মেনে নেওয়া ভালো যে সো কল্ড কালা ধনের পেছনে লেগে ইকোনমির কোনো লাভ নেই। এই কালা ধন ওয়াপসি করো জ্বালিয়ে দাও এসব হুজুগ সেই নেহেরু আমল থেকে ইন্ডিয়াতে খায় এখনো খাচ্ছে। মোদী সেটাকেই কাজে লাগিয়েছে।

    আর মোদির বা বিজেপির যে ইকোনোমিক রাস্তা সেই হিসেবে একটা লাভ আছে স্পষ্ট এই ছাগল তাড়ানো প্রজেক্টের। সেটা আগেও লিখেছি অন্যত্র। এদের উদ্দেশ্য ভারতের অর্থনীতিকে স্পষ্ট দুটো ভাগে ভেঙে ফেলা। একদল মাল্টিন্যাশনাল বা দেশীয় বিগ কর্প। আরেকদল চুক্তি চাষী। মাঝখানের দালাল-ফোরে দের হটিয়ে দাও। সেই দিক দিয়ে লাভ হবে মানে শুধু ডিমনিটাইজেশন না সব মিলিয়ে যেদিকে এগোতে চাইছে। রিয়েল এস্টেট থেকে চাষবাস থেকে ট্রেডিং সর্বত্র এই মডেল চাপানোর চেষ্টা। এখন এটাকে আপনি কী বলবেন ? ইন্ডিয়ান সোশালিস্ট রা তো "মধ্যস্বত্বভোগী " শুনলেই তেড়ে মারতে যায়। তো এরাই তো মধ্যস্বত্বভোগী যাদের মারা হচ্ছে। তাহলে আনন্দিত হয় উচিত তাই না ? ইলেক্ট্রনিক সাপ্লাই চেইনে চাস্সির ফসল আপনার ঘরে। যে সাপ্লাই চেইন টা চালায় সে একটা পার্সেন্টেজ। মাঝখান থেকে মাঝারি মাপের লাইন দিয়ে মহাজন সব উধাও। নাচুন মাল্টিপল মধ্যস্বত্বভোগী হটিয়ে !!

    এদেশের মানুষের অর্থনৈতিক চিন্তাকে নিয়ন্ত্রণ করে ঈর্ষা। একে হটিয়ে দাও তাকে হটিয়ে দাও দাম কমে যাবে। গোটা বাজার টা যে সবাইকে নিয়ে সেটা কোনো ইন্ডিভিজুয়াল কাউন্ট করে না। সেই ইন্সটিঙ্কট কেই রাজনীতির লোকেরা কাজে লাগায়। গ্রামীণ জনতার অসুবিধে হচ্ছে গাল পারছে একদম ঠিক করছে কিন্তু ওই সাময়িক অসুবিধেটুকু কেটে যাবে। যেটা একচুয়াল বাম্বু হবে সেটা ভবিষ্যতে। প্রথম প্রথম মহাজন -ফড়ে আত্মহত্যা করে চাষী আনন্দে নাচবে, পরে আর আনন্দ রাকজার জায়গা থাকবে না। ওয়েট এন্ড ওয়াচ মাড়ি :)
  • Ranjan Roy | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:১৮725578
  • ওয়ে একক! agreed, albeit grudgingly!
  • Ekak | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:১৮725577
  • আর, মোবাইল ও ইন্টারনেট ইনফ্রা কেন গ্রামে গ্রামে পৌঁছোচ্ছেনা এই নিয়ে দুশ্চিন্তিত হচ্ছেন যাঁরা, আবার বলি, প্রাইভেট চ্যানেল বাস্কেট আবার আসবে। এবার আর জুকেরবার্গ বিরোধী আন্দোলন ধোপে টিঁকবে না। নির্দিষ্ট সংখ্যক ফেসিলিটি দিয়ে পোর্টাল এবং সেখানে সীমিত একসেস। এটা করতে না দিলে কোনো প্রাইভেটের লাভ নেই গ্রামে কিযে খোঁটা পুঁতে। এবার যখন আসবে অন্য কোনো ফর্মে, গ্রামের লোক সাদরে গ্রহণ করবে। দেখুন আপনারা ফেসবুকে শেয়ার করে কদ্দুর আটকাতে পারেন।
  • ট্রিডিঙ্গিপিডি | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:২১725579
  • তারা আগে বয়ে আকার ল করেছিলো, আবারো তাই করবে - মানে ঐ প্রাইভেট বাস্কেট আরকি। অ্যাড আর বাস্তবে অনেক তফাত।
  • Ekak | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:২৪725580
  • প্রাইভেট ইন্টারনেট সার্ভিস বাস্কেট কোন কোম্পানিকে করতে দেওয়া হয়েছে ইন্ডিয়াতে যে এতো আশাবাদী ভবিষ্যৎবাণী ? :) এখনো তো লিগ্যাল নয়।
  • Ranjan Roy | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:২৬725581
  • সেদিক দিয়ে দেখলে মোদীদের মডেল ভয়ংকর ভাবে বিগ ক্যাপিটালিস্ট মনোপলিস্ট আরও কী কী!
    আর এস এস এর রাষ্ট্রবাদ হল এর খাপে খাপ পলিটিক্যাল এবং আইডিওলজিক্যাল মডেল।

    এক স্টেট, এক ভাষা, এক ধর্ম!

    সেদিক দিয়ে দেখলে মিডলম্যান হল মাল্টি-কালচারাল মাল্টি-লেয়ার মডেলের ব্যবহারিক এক্সপ্রেশন।ঃ)))
  • pi | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:৩১725582
  • এগুলো ঐ চা শ্রমিকেরই দোষ, এতো জানা কথা।

    ঘোড়ার আগে গাড়ি জোতার কোন জাস্টিফিকেশন কি নিদেনপক্ষে অজুহাতও পেলম না।

    গ্রামগন্জ ছেড়ে দিন ছোট ছোট শহরের নেট কানেকশন কেমন কী একটু এসে থেকে জেনে যান। যে পরিমাণ খরচা হয় সেটা কতজনের জন্য কতটা আফোর্ডেবল সেটাও।

    আর অন্য একটা প্রশ্ন।হাজারের জায়গায় দুহাজার এলে হোর্ডিঙ্গ এর সুবিধেমোতো বাড়বেনা ?
  • Ekak | ১১ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:৩২725584
  • মনোপলিস্ট তো অবস্যই। আবার কী। অটোমেশন এসে এমনিতেই প্রচুর লোক বেকার, তার ওপর এই আবহাওয়া যে মধ্যস্বত্বভোগী হটাও এই কমন ইন্সটিঙ্কট, এটাকে হাওয়া দেওয়া, এগুলো সবই মোদীর রাজনীতির পক্ষে যায়।

    সবচে নোংরা ব্যাপার যেটা, মার্কেট ইকোনোমিও মধ্যস্বত্বভোগীর ওপর চাপ সৃষ্টি করে যে, ভ্যালু এড না করে প্রাইস এড করতে পারো না, কম্পিটিশন দিয়ে সেই চাপটা রাখে .......কিন্তু মোদী জমানায় যে সব কর্পোরেট মধ্যস্বত্বভোগীরা তিনকে যাচ্ছে এরা কেওই বিশাল কোনো ভ্যালু এড করছেনা। জাস্ট সরকারি বদান্যতায় লেস কম্পিটিটিভ মার্কেট পেয়ে যাচ্ছে। এর ফলে, যেটা সবচে খারাপ তা হলো সার্ভিস কোয়ালিটি ফল করলে এক সময় গিয়ে সাধারণ মানসূহের হাতে কোনো অপশন থাকবে না। বিগ সার্ভিস প্রোভাইডার রা সব সরকারি সংস্থারই উনিশ বিশ হয়ে থাকবে। পায়ের ওপর পা তুলে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন