এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ধর্ষণের শাস্তি কি মৃত্যুদন্ড?

    s
    অন্যান্য | ১৮ ডিসেম্বর ২০১২ | ৬৯৭২০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ishan | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ০২:৩৬581202
  • এবার অন্য একটা সেকশন। অ্যাডাল্টারি।

    Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both. In such case the wife shall not be punishable as an abettor.

    এটা ধর্ষণ নয়। অ্যাডাল্টারি। আইপিসির ধারা। ৪৯৭। পড়ে দেখুন কি প্রচন্ড অবমাননাকর।
    একটু খাপছাড়া হচ্ছে জানি। কিন্তু এভাবে না লিখে উপায় নেই। আমার মোদ্দা পয়েন্টটা শুধু লিখি। ভারতীয় আইন মহিলাদের শরীর ও মনের উপর তাদের সম্পূর্ণ অধিকার স্বীকার করেনা। অপ্রাপ্তবয়স্ক ভাবে। ভারতীয় আইনকে আগে ঘাড় ধরে মেয়েদের প্রাপ্তবয়স্ক স্বীকৃতি দেওয়ানো প্রয়োজন। নইলে আইনরক্ষকরাও বদলাবেনা, রেপিস্টরা তো নয়ই।
  • তবু | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ০২:৪৭581213
  • মন্দের ভালো দোষীরা মনে হয় কেউই নামানুসারে অহিন্দু নয়। নইলে শাস্তির কথাটুকু-ও আলোচনা হত কিনা সন্দেহ। এলসিএম Date:20 Dec 2012 -- 03:02 PM খুবই ঠিকঠাক অবসার্ভেশন "ভারতীয় সমাজে আগে, বহু বহু আগে, এমন ছিল না।" সনাতন ধর্মের আঁচলেই বাঁধা আছে এই অন্ধকার ঘরের বন্ধ দরজা খোলার চাবিকাঠিটি।
    ভাবতে ইচ্ছে করে, নিশ্চয়ই সবাই মাত্রই বছর ২০ আগেকার ডেটা বা অন্য দেশের নিয়ে তথ্য ভাট বকাতেই থেমে নেই; কেউ কেউ হয়ত অলরেডি নিজেদের সনাতন শাস্ত্রমুখী হয়ে চিন্তা-ভাবনা করছেন আমাদের আজকের এই মানসিকতার সংস্কারের জন্য।
  • ম্যাক্সিমিন | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ০৩:০১581224
  • অ্যাডাল্টারি আইন সমর্থন করি। অন্য লোকের সঙ্গে সম্পর্কে নিজের শরীরের ওপর অধিকার মেয়েরা যে বজায় রাখতে পারে সেটা এই আইন আছে বলেই পারে। বেশির ভাগ সময়ে সেই লোক নিজের সংসার ঠিক রেখে মজা করতে আসে। মেয়েটির কন্সেন্ট ছিল এরকম বলে টলে সেই বাজে লোক পার পাবে না, ভয়টুকু থাকা ভালো। (স্বামীর কন্সেন্ট ছিল, এটা দেখানো অত সহজ নয়।)
  • ম্যাক্সিমিন | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ০৩:১৭581235
  • গুড নিউজটা হল না। এখন দেখছি আসল লোক আইডেন্টিফিকেশন প্যারেডে যায় নি। আদৌ কোনও শাস্তি পাবে কিনা কে জানে।
  • Sibu | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ০৩:২৪581246
  • শুধু অন্য লোকটিই নিজের সংসার ঠিক রেখে মজা করতে আসে। আর মেয়েটি? সে কি কারনে এই রকম সম্পর্ক রাখছিল? যদি সে মজা না পেয়ে থাকে?

    অন্য লোকটি মেয়েটিকে কি করবে যদি এই আইন না থাকে? গিয়ে মেয়েটির বরকে বলে দেবে? সেটা তখনই ফ্রুটফুল যদি মেয়েটি নিজের সংসার ঠিক রাখতে চায় এবং লোকটি সংসারের পরোয়া না করে।

    তোমার অ্যাজাম্পশনটি অতি খাজা মক্ষিমিন।
  • ranjan roy | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ০৭:১৪581257
  • বিভিন্ন সংবাদপত্র ও অন্যান্য রিপোর্ট থেকে যা বেরিয়ে আসছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে ঃ
    এই উঠতি বয়সের ছেলেগুলোর হাতে নিজেদের পেশাগত আয়ের বাইরেও নানান চটজলদি আয়ের রাস্তা ধরে কিছু উপরি পয়সা এসেছে,কিছু পলিটিক্যাল যোগাযোগ হয়েছে। ফলে তারা নিশ্চিত ছিল যে ওদের শাস্তি হবে না,ওরা পার পেয়ে যাবে। তাই ওরা নিশ্চিন্ত হয়ে বাস-জামাকাপড় ধুয়ে দৈনন্দিন জীবনে ফিরে গেছল। প্রথমে কেউ পালায় নি। প্রথম দিন পুলিশ ও মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য থেকে মনে হয় ওদের কনফিডেন্স অমূলক নয়। কিন্তু পাব্লিক রি-অ্যাকশন সবকিছু পাল্টে দিল, ওদের অংক ভুল হয়ে গেল।
    দিল্লির জেসিকা লাল কেসেও মনু শর্মা মার্ডারের সাজা ফাঁসি জেনেও সবার সামনে খুন করল, কারণ ও কনফিডেন্ট ছিল যে সাক্ষীদের কিনে বা ভয় দেখিয়ে ও ব্যব্স্থায় পয়সা খাইয়ে ও ছাড়া পেয়ে যাবে। প্রথমে তাই হয়েছিল।
    এটাই আসল কথা। ধরা না পড়ার বা বিচারে দোষ প্রমাণিত না হওয়ার কনফিডেন্স। শাস্তির ডিগ্রি বাড়ানোর চেয়েও দ্রুত এবং প্রমাণিত হওয়ার চান্সটা বাড়ানো দরকার। যেমন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পুলিশ কম্প্লেন নিয়ে এফ আই আর করেনা, করলে দেরি করে, যতক্ষন না আক্রান্ত ও তার পরিজন ভয় পেয়ে নিষ্ক্রিয় হয়ে না যায়। তারপর ধারা পাল্টে দেয়।
    সবাই রেপ নিয়ে কথা বলছেন, খেয়াল করুন এই ঘটনায় জনরোষের ব্যাপক কারণ--BRUTALITY।
    নইলে গত দু'মাসে কোলকাতা ও দিল্লিতে ধর্ষণ ও গণধর্ষণের ঘটনার অনেক রিপোর্ট এসেছে। আমরা কেউ এত বিচলিত হইনি।

    আর সত্যি কথা। যেগুলো আমাদের রোজকার জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, যেগুলোতে নিজেদের রিলেট করতে পারি না, সেগুলোতে তীব্র প্রতিক্রিয়া কেন হবে? জোর করে হয় না। তার মানে এই নয় যে আমরা ধর্ষণকে সমর্থন করি। কিন্তু----।
    যেমন সোনি সোরি কেসে কোথায় আমাদের মনের কোনে থাকে সরকার যখন বলছে তখন সোনি নিশ্চয়ই মাওবাদীদের লোক, ওদের দমন করতে গিয়ে কিছু ভুলচুক হতেই পারে।
    মণিপুরের ইরম শর্মিলার কেসেও মনে হয় যে কয়েক দশক ধরে ওখানে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একাংশের বিদ্রোহ চলছে, থামেনি, তাই সরকার যদি আফস্পা লাগিয়ে থাকে তো সেটা সরকারের কাজ, আমি এই নিয়ে বলার কে! শর্মিলা যা ভাল বুঝেচেন করছেন। আমি এর মধ্যে নেই।
    কিন্তু দিল্লির ঘটনাতে আমরা কেঁপে উঠি। কারণ হঠাৎ বোধ হয় যে এবার ঘটনা আমাদের দোরগোড়ায়। আমাদের ঘরে। ওই মেয়েটি যে আমাদের ঘরের, আমাদের পরিবারের। নিজেদের বিপন্ন অনুভব করি।
    তাই রাষ্ট্রের কাছে দাবি করি ধর্ষণের জন্যে প্রাণদন্ড হোক।
    ( মেয়েটি যদি মারা যায়, তবে বর্তমান আইনে অন্ততঃ রাম সিং ফাঁসিতে চড়বে, জনা দুই যাবজ্জীবন, বাকিরা দশ থেকে সাত বছর। আমি চাই-- মেয়েটি বাঁচুক, সবকটার আজীবন কারাবাস হোক।)
    রাষ্ট্র যদি ধর্ষণের সাজা ফাঁসি বলে আইন বানায় তো আমরা নিশ্চিন্ত হয়ে ঘুমোতে যাব যে আমার ঘরের মেয়েটি খানিকটা নিরাপদ হল।
    না কমরেড, সব রাষ্টের হাতে ছেড়ে দিয়ে নিশ্চিন্ত হবেন না। এখান থেকেই কাজ শুরু। কোন সুদূর ভবিষ্যতে সমাজ পাল্টাবে সেই কথা নয়। সমাজ এক্ষুণি পাল্টাবে-- আসুন, আগে আমি আপনি নিজেরা পাল্টাই।
    ছোটবেলা থেকে নারী দামী জিনিসের মত পুরুষের আগলে রাখার এবং নিজের ইচ্ছানুসারে ভোগ করার জিনিস-- এই ধারণাকে আঘাত করা, দৈনন্দিন ব্যবহারে বেড়ে উঠতে না দেয়া।
    একটাই উদাহরণ দিচ্ছিঃ
    স্ত্রী বাপের বাড়ি গেলে, বা অন্তঃসত্ত্বা হলে বাড়ির কাজের মহিলাটির দিকে হাত বাড়ানো, তাকে লোভ দেখিয়ে সহমতি আদায় করা-- আদৌ বিরল নয়। অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ নির্বিশিষে।
    সেখানে অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা কাজের মেয়েটিকে ছাড়িয়ে দিই বা যে কদিন স্ত্রী বাপের বাড়ি থাকবেন সেই সময়ের জন্যে তাকে ছুটি দিয়ে দি।
    কিন্তু মেয়েটি যদি বলে-- বৌদি আমি থানায় যাব, তখন আমরা মেয়েটির নষ্টামি ও অন্য কোথাও কাজ পাবে না --এই ভয় দেখিয়ে তাকে নিরস্ত করি। শুধু একটা ঘটনার কথা জানি যেখানে স্ত্রী স্বামীকে মেয়েটির পায়ে ধরে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করেছেন।

    ডিঃ নীচের কথাটি খুব ভেবে লিখছি। ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে প্রাণদন্ডের যাঁরা বিরোধিতা করছেন(এই অধম সমেত) তাঁদের সম্বন্ধে কেউ কেউ নিরাপদ দুরত্বে বসে বাণী বিলোনো মানবতাবাদী বলে কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন। এটা আমার গায়ে লেগেছে।
    এই জন্যে যে আমার অতি ঘনিষ্ঠ প্রিয়জন দিল্লিতে ছোটবেলা থেকে পরিচিত কারো বাড়িতে আমন্ত্রিত হয়ে উইক এন্ডে যায়। গিয়ে দেখে বাড়ির মালিকের স্ত্রী (পেশায় বিমানসেবিকা) নাইট শিফটে কাজ করছেন ফলে পুরুষটি বাড়িতে একা।তখনো সে কিছুই ভাবে নি। খেয়েদেয়ে শোয়ার পর শুরু হয় পুরুষের আধিপত্য বিস্তার। একটা সময়ের পর মেয়েটি ভয় পায়, প্রাণের ভয়। অনেক দূর এলাকায় বাড়ি। বেরুনোর একটিই দরজা। সে বলে শরীর খুব খারাপ, জ্বর-জ্বর। আগামী সপ্তাহে বা কোন অন্য দিন। এইসব বলে কোনরকমে সে যাত্রা ছাড়া পায়। পরের দিন ছেলেটি স্কুটারে করে মেয়েটিকে ওর পাড়ায় ছেড়ে দিলে মেয়েটি নেমে ওকে ঠাটিয়ে চড় মারে, মাটিতে ফেলে লাথি মারে। ছেলেটি পালায়। দিল্লিতে ডিএসপি র‌্যাংকের অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করে কথা বলি। ছেলেটির বাড়ি ও অফিসে যাওয়া হয়। ও পলাতক। কয়েক মাস। ওর বাড়িতে পরিবারে জানানো হয়। কিছুদিন পরে প্রত্যাশিত ভাবেই ওর পরিবার থেকে জানানো হয় যে দোষ মেয়েটিরই, ও কেন ওখানে গিয়েছিল?
    উকিল ও পুলিসের সঙ্গে কথা বলে বুঝি কেস টিঁকবে না। কোন তৃতীয় সাক্ষী নেই। সারকামস্ট্যান্সিয়াল এভিডেন্স খুব স্ট্রং নয়।
    মেয়েটি ওর বন্ধুদের দিয়ে ছেলেটির হাত-পা ভেঙে দেয়ার বন্দোবস্ত করে। আমি ঘটনাচক্রে টের পেয়ে কোনরকমে আটকাই।
    বলি-- বাইরে যাই বলুক ওর স্ত্রী জানে যে কোনটা সত্যি। এটাই সারাজীবন ওকে জ্বালাবে।
    এর পরেও আমি ধর্ষণ প্রমাণিত হলে যাবজ্জীবনই চাইব।
    আর বলব যে এ আমার, এ তোমার পাপ। দিল্লির ওইসব ছেলেরা আকাশ থেকে ;পড়ে নি। আমাদের ঘরেই জন্মেছে। আমরাই ছোটবেলা থেকে ওদের শিখিয়েছি যে পুরুষ এই সমাজে যা-খুশি তাই করে পার পেয়ে যেতে পারে। ওদের গায়ে কলংক লাগে না। বরং চাঁদের মতন শোভা বাড়ায়।তারপর যদি পয়সা ও রাজনৈতিক খুঁটির জোর--
  • প্পন | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ০৮:৩৫581268
  • উঁহু, সব কটা সিনারিও কভার হল না। সেই লোকটির যদি কোন সংসার না থাকে? তালে সে আর দুষ্টু লোক না?
  • aranya | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ০৮:৫১581279
  • অ্যাডাল্টারি তো দুজন প্রাপ্তবয়স্কের সম্মতিক্রমে হচ্ছে, কোন বলপ্রয়োগের গল্প নেই, সেটা ক্রাইম হয় কি করে?
  • কল্লোল | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১০:১৭581290
  • একটা কথা মনে হচ্ছে। এখন এই সময় মৃত্যুদন্ড নিয়ে বিতর্কের ঠিক সময় নয়। সকলেই আমরা খুব আবেগী হয়ে আছি। যত না ধর্ষণের কারনে তার চেয়ে অনেক বেশী ঐভাবে মেয়েটিকে পেটানোর কারনে, চলন্ত বাস থেকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার কারনে। ধর্ষকদের চূড়ান্ত হিংস্রতা আমাদের বিহ্বল করে দেয়।
    তার ফলে আমরা কেউ কেউ তালিবানী শাস্তি পদ্ধতিকেও মান্যতা দিয়ে বসছি।
    এরকমই হয়। ধনঞ্জয় বা কাসভের বেলায়ও এরকমই হয়েছিলো। এখন যুক্তি কাজ করে না।
    আমি ব্যক্তিগতভাবে মৃত্যুদন্ড নিয়ে বিতর্ক চাইবো, যখন আমাদের সামনে এরকম কোন বিষয় থাকবে না। যখন শুধু আবেগ নয়, যুক্তিও কথা বলবে।
  • nari | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১০:৩৫581302
  • স্বয়ং ভিকটিম মৃত্যু শয্যায় প্রচন্ড কষ্টের মধ্যেও তার মাকে লিখে জানিয়েছে ধর্ষক দের ফাসি চাই। সেখানে এইসব 'মানবতাবাদী' দের শান্তির ললিত বাণী পরিহাসের মতই শোনায়। কুছ তো শরম করো
  • Treebeard | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১০:৪৯581313
  • অ্যাই মরেচে, আবার সেম আইপি। এইটা আমি নই মহায়রা।
  • dd | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১০:৫৩581324
  • শরমের কিসসু নেই।

    বহু ধর্ষিতা,নিহত ও তাদের পরিবারের মানুষ দোষীদের শাস্তি চেয়েছেন কিন্তু ফাঁসী চান নি। তাদেরো এই নিয়ে গর্ব ছিলো লজ্জা ছিলো না।

    nari আপনি যদি এই টইটা পড়ে থাকেন তো হয়তো দেখেছেন শাস্তি হিসেবে ফাঁসী নিয়ে আমার কোনো ছুৎমার্গ নেই। কিন্তু অন্যরা যারা নীতির কারনে ফাঁসী চান না তাদেরকে "এইসব মানবতাবাদী' বলে আবাজ দেওয়াটাও ভালো লাগে না।
  • kumu | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১১:১২581335
  • আওয়াজ দেয়ার ব্যাপারটা অতি অনুচিত।মতপার্থক্য থাকে,সর্বদাই সেটা মেনে নেয়েই আলোচনা এগোয়।
  • ranjan roy | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১১:১৩581346
  • নারীকে দুটো কথা বলতে চাইঃ
    এক, এখানে কেউ' মানবতাবাদী ' আহা রে দৃষ্টিকোণ থেকে মৃত্যুদন্ডের বিরোধিতা করছে না। করছে অপরাধ রোখার দীর্ঘস্থায়ী পরিপ্রেক্ষিতে কোন শাস্তি কতটা এফেক্টিভ-সেই পরিপ্রেক্ষিতে।
    দুই, যাবজ্জীবন কারাবাসের শাস্তির পক্ষে কথা বলা আর শাস্তি না দিয়ে ছেড়ে দেয়ার কথা বলা কি সমার্থক? সারাজীবন জেলে পাঠানোটায় শান্তি না কি ফাঁসি দিয়ে সব ল্যাঠা চুকে গেলে শান্তি?
    তিন, কাল টিভিতে রাম জেঠমালানীর মত আইনজ্ঞ ও বলেছেন যে উনি ফাঁসির চেয়ে আজীবন কারাবাসকে অনেক বেশি যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি মনে করেন। আবেগে সব গুলিয়ে দেবেন না।
    চার, ভিক্টিমের পাশে দাঁড়ানো মানে তাঁর ট্রমাপীড়িত যন্ত্রণায় যে শাস্তি চাইবেন তাই সমর্থন করা? তা না হলে 'বেশরম'? বেশ, তবে তাই সই।
    খালি ভেবে দেখবেন যে প্রতিদিন বীভৎস ভাবে যত শিশু-নারী-পুরুষ ব্রুটালাইজড হচ্ছে সেখানে ভিক্টিমরা কার কার বিরুদ্ধে কী কী শাস্তি চায়? সেখানে আপনি কী করবেন?
  • sosen | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১১:৫৬581357
  • "অমানবিক" এবং "মব মেন্টালিটিতে বিলং করা" নিয়ে আওয়াজ দেওয়াটাও আদৌ যুক্তিসঙ্গত ছিল কি?
  • siki | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১২:২১581368
  • আজ একটু আগে ষষ্ঠ অপরাধী ধরা পড়্ছে ওয়েস্টার্ন ইউপি থেকে।
  • siki | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১২:২৪581390
  • একটা জিনিস এবারে নতুন জানলাম। টিআই প্যারেডের জন্য নাকি কনভিক্টের কনসেন্ট লাগে। সম্ভাব্য কনভিক্ট কনসেন্ট না দিলে তাকে টিআই প্যারেডে দাঁড় করানো যায় না। রামসিং সহ তিন অপরাধী অপরাধ স্বীকার করেছে, কিন্তু টিআই প্যারেডে দাঁড়াতে চায় নি, তাই আইনের বলে তাদের ফোর্স করা যায় নি।
  • কৃশানু | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১৩:২৬581401
  • টি আই প্যারেডে দাড়ানো বা না দাড়ানোর ইমপ্লিকেশন গুলো কি?
  • কৃশানু | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১৩:৩৫581413
  • আমার কোথাও মনে হয় নি, এই আলোচনায় কেউ কাউকে মব মেন্টালিটি-র শিকার বলেছেন বা অমানবিক বলেছেন। যদিও এখন পিছিয়ে গিয়ে দেখতে পারছি না, আর কোনো কথায় কারুর এরকম মনে হতেই পারে। আমার কোনো কথায় যদি কারুর মনে হয়ে থাকে তাহলে ক্ষমাপ্রাথী।
    কিন্তু অন্য দিকে, আর একাধিকবার মনে হয়েছে, যারা ফাঁসির বিপক্ষে সওয়াল করছে তাদের বেশরম এবং 'মানবতাবাদী' বলে দাগানো হয়েছে। যদিও তাতেও আমার আপত্তি নেই, সি গ্রুপে বিলং করা স্বত্বেও।
    আর এ আমার সিলেক্টিভ দেখাও হতে পারে। তবে গতকাল থেকে ফেবুতে ক্রমাগত চার পাঁচটি ছেলের লাইট পোস্ট থেকে ঝুলিয়ে দেওয়া মৃতদেহেরে ছবি যারা দেখছেন, তাদের আমি মব মেন্টালিটি-র শিকার বলবই। কিন্তু যারা পিটিশন সাইন করছেন, তাদের বলব না। এটুকু ডিফারেন্স করতে যেন কোনদিন না ভুলি।
  • নেতাই | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১৩:৪২581424
  • রেডিফ থেকে
    As the young paramedical student battles for life bravely four days after her brutal gang-rape, the inmates of Tihar jail, where the rape accused have been lodged, are also giving the main accused a hard time.

    India Today cited a source that revealed that the main accused in the Delhi gangrape case was not only beaten up by the jail inmates but was also forced to consume human excreta and urine.

    Post the attack on rape case�s main accused, Mukesh, the jail authorities are planning to shift him to a separate cell.
  • siki | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১৩:৪৯581435
  • হ্যাঁ। কালকের কাগজে এটা বেরিয়েছিল। তিহাড় জেলের বন্দীরাও এদের খুবই নাস্তানাবুদ করেছে পৌঁছনোমাত্র।
  • কল্লোল | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১৪:৫১581446
  • এ হলো জেলের বহু পুরোনো কানুন।
    যদি জানা যায় আপনি খুনের দায়ে জেলে এসেছেন, তো আপনি সহকয়েদীদের কাছে সম্মানিত মানুষ। এর পরই আসে ডাকাতি কেস। পকেটমার, উঠাইবাজ ও চোরেরা শিল্পীর সম্মান পায়। রেপ কেস জানা গেলেই ধোলাই। ১৯৭১ আর ১৯৭৬এও একই কোড। এখনো দেখছি তাইই আছে।
  • pi | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১৪:৫৬581457
  • গুরুর ফেবু গ্রুপে একজন লিখেছেন। এখানে পোস্ট করতে পারছেন না, দিয়ে দিতে বল্লেন ঃ

    Pinak Biswasঃ আমি ক্রিমিনোলজির ছাত্র। যতটুকু বুঝি তাতে এটুকু জানি যে শুধু মাত্র, আই রিপিট শুধুমাত্র ফাসি দিয়ে কখোনোই রেপ আটকানো যাবেনা। এটা মুর্খামি। আর যারা লিংগচ্ছেদ ও আরো বীভতস শাস্তির নিদান দিচ্ছেন তারা ছেলেমানুষি আবেগের বশে বলছেন। তাদের আবেগ কে ছোট করছিনা, কিন্তু যেসব দেশে এই প্রকার সাজা চালু আছে তালিবানি অঞ্চলেও কিন্তু মহিলা দের ওপর নারকীয়তা বন্ধ হয়নি। শাস্তির ভয়ে এগুলো বন্ধ হয়না।
  • কল্লোল | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১৪:৫৭581468
  • এইমাত্র মেল পেলাম।
    This present complaint is based on our fact finding report in the matter of the victim Md. Hasan Gain from District-North 24 Parganas, West Bengal. The victim resides in village located near Indo-Bangladesh border. He is poor land-labourer and the only earning member in his family. On 13.11.2012 at about 4 pm he became victim of whimsical and torturous acts of one perpetrator BSF jawan who freed his dogs upon the victim when the victim was moving on road. The victim was severely injured under attack of the dogs. The perpetrator BSF jawan had no repent for the act and he was seen laughing upon the victim. The victim lodged written complaint before the Sub Divisional Police Officer (S.D.P.O.), Basirhat, North 24 Parganas demanding proper legal action against the perpetrator BSF jawan but till date no action was taken. The victim is presently unable to work properly due to the incident causing economical crisis on his livelihood.
    এর কি শাস্তি চাইবেন সকলে?
  • sosen | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১৫:৩৯581479
  • কৃশানু, এখানে খুঁজলে পাবে, ভাটে খুঁজলেও পাবে। না হয় একটু খুঁজে দেখলে? আমি কপি পেস্ট করতে চাইছি না। কেউ একজন তো নয় মাত্র, অন্তত চার থেকে পাঁচজন বলেছেন। মানবতাবাদী কাউকে বললে কিছু দাগানো হয় কিনা জানিনা। ভায়োলেন্ট এবং মব মেন্টালিটির শিকার বললে হয় বৈকি। বেশরম বললেও হয়, যদিও সেটা একটি মাত্র বিশেষ পোস্টে একজন বলেছেন, আমি সেটাকে সমর্থন করিনা। যদিও কেন এমন ব্যাপার যে একটি বিশেষ ইস্যুতে একদিকের লোকজন নিজস্ব জাজমেন্ট দিচ্ছেন বলে মানা হচ্ছে এবং অন্য দিকের লোকজনদের মব মেন্টালিটিতে ভুগছেন বলা হচ্ছে সেটা আমি বুঝিনি।

    এখানে কেউ কাউকে কনভিন্স করতে চেষ্টা করছে না, সবার নিজস্ব মতামত থাকাই স্বাভাবিক। সকলেই চান অপরাধীদের শাস্তি হোক, আর সম্ভব হলে মেয়েটি বেঁচে থাকুক। আরো এমন অনেক মানুষ যারা ভায়োলেন্সের শিকার হচ্ছেন, হবেন, সমাজ বদলানোর এই দীর্ঘ পরিসরে হতেই থাকবেন, তারা সুস্থ হয়ে উঠুন। এর বেশি কিছু বলে, চেয়ে কোনো লাভ নেই বলেই মনে হয়। নিজেকে, নিজের ঘরের শিশুকন্যাটিকে শক্ত করে তৈরী করা ছাড়া আর কিছুই করণীয়, গ্রহনীয় তত্ত্ব এই সুবিশাল আলোচনায় উঠে আসতে দেখিনি।
  • কৃশানু | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১৫:৪৮581490
  • সোসেন - প্রথম প্যারা নিয়ে এগোতে চাইছি না। কারণ এগিয়ে লাভ নেই - আমাদের কারুরই কিছু প্রমাণ অপ্রমাণ করার নেই, বা করলেও তাতে কোনো লাভ নেই।
    দ্বিতীয় প্যারা - একদম ঠিক। তবু আলোচনার পরিসরটা দরকার। হয়ত কিছুই হবে না, কিন্তু হতেও তো পারে।
  • ম্যাক্সিমিন | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১৫:৫২581501
  • কৃশানু জানতে চেয়েছ, টি আই প্যারেডে দাড়ানো বা না দাড়ানোর ইমপ্লিকেশন গুলো কি?

    আই উইটনেস দ্বারা সনাক্তকরণ যে কোনো মামলার একটা অতি গুরুত্বপূর্ন এলিমেন্ট। পুলিশ যাকে সন্দেহ করছে তাকে অনেকের মধ্যে মিলিয়ে দিয়ে সকলকে হেঁটে যেতে বলা হবে, আই উইটনেস তাকে অনেকের মধ্যে থেকে চিনে নেবে। এই কাজটা খুব তাড়াতাড়ি সেরে নিতে হয়। পুলিশ যাকে সন্দেহ করছে সেই লোকের ছবি কোনোভাবে প্রকাশ পেয়ে গেলে আই উইটনেস এমনিই চিনবে, তখন তার সাক্ষ্যের কোনো মূল্যই থাকবে না।
  • কৃশানু | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১৫:৫৭581512
  • অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ার পর টি আই প্যারেডে না দাড়ালে কিছু এসে যাবে কি?
  • ম্যাক্সিমিন | ২১ ডিসেম্বর ২০১২ ১৬:০১581524
  • অবশ্যই এসে যাবে। অপরাধ স্বীকার (কনফেশন) আইনের চোখে কোনও প্রমাণই নয়। রাম সিং লোকটা সেকথা ভালো-ই জানে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত প্রতিক্রিয়া দিন