এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৪)

    s
    নাটক | ২৩ মে ২০১৬ | ১৩১৭১২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PM | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১১:১৭711995
  • ১৯৯১ তে বিজেপী কে ১১ % এ আটকে রাখা বামেদের ৩৪ বছরের কিছু সাফল্যের অন্যতম। ১৯৯১-৯২ হলো বাবরী মসজিদ ধংস আর তার জন্য সলতে পাকানোর বছর--- সামান্য পড়শোনা করলে তিনো জামানাতেও ফৌজদারী মামলা হয় না এখনো পর্যন্ত্য
  • sm | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১২:২৫711996
  • গোলপোস্ট সরাতে হতোই। অমোঘ উক্তি ৩৪ বছর পব তে বিজেপি কোথাও দাঁড়াতেই পারেনি।
    এবার ভোট পার্সেন্টেজ দেখা যাক ১৯৯৬ তে সাড়ে ৬ পার্সেন্ট ও ৯১ তে সাড়ে 11 পার্সেন্ট।৯১ তে বাড়ার কারণ নাকি বাবরি -অযোধ্যা হাওয়া।
    বেশ -তার মানে সিপিএম তথা বামেরা হাওয়া আটকাতে পারেনি। কি তাইতো !
    দুই, ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছে সাড়ে ১৬ পার্সেন্ট মতো (সৌজন্যে মোদী হাওয়া )আর ২০১৬ এসেম্বলি ইলেকশনে মোদী হাওয়া সত্বেও কমে সাড়ে ১০ শতাংশ!
    তাহলেই বুঝুন পড়াশোনায় ঘাটতি কেমন হচ্ছে।
    তবে এঁরা ভাঙবে তবু মচকাবে না।
    এক্ষুনি গোলপোস্ট কিছুটা সরিয়ে অন্য স্বাদের পোস্ট আসবে।-))
  • PT | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১২:৩২711997
  • SC
    "তখন পি টি নীরব"
    মানে আপনি বলতে চাইছেন যে আমি নীরব থেকে "আলোয়ারে গৌ রক্ষক রা যখন সংখ্যালঘু ভাইবোন দেড় পিটিয়ে মেরে" ফেলাটাকে সম্র্থন করেছি? এবারে তো তাহলে আপনার বোঝার ক্ষমতাকেই প্রশ্ন করতে হয়। কিন্তু এইসব লেখার কোন মানে হয়?

    বেশ, বেশ!! সিঙ্গুরের সময়ে কৃষক নেত্রী যখন বাবরি নিন্দিত বিজেপির রাজনাথ সিংএর সঙ্গে মিটিন করছিলেন তখন আপনার ও সুমনপন্থী তিনোপ্রেমীদের অবস্থান কি ছিল যদি একটু জানান। আমি কন্সিস্টেন্টলি তিনো-বিজেপির লাভ-হেট সম্পর্কের বিরোধীতা করেছি। এখনো করে যাচ্ছি।

    Arpan
    ইন ফ্যাক্ট এই সম্পর্কের জন্যেই খর্গপুর থেকে দিলীপ ঘোষ জিতেছে বা কংগ্রেসের ভোট কেটে তাকে জেতানো হয়েছিল। এ সব সংখ্যাতত্ব দিয়ে বোঝা যাবেনা। সিপিএম কোনকালেই খরগ্পুর থেকে জেতার অবস্থায় ছিল না। কিন্তু তখন চোখ কান খোলা থাকলে শুনতে পেতেন যে যখন একদিকে সিপিএম-কং বিজেপি বিরোধী অবস্থান নিয়েছিল তখন তিনো আর বিজেপি "বুড়া মরতে বসেছে, বুড়াকে হারা" জাতীয় হুইস্পারিং ক্যাম্পেন চালিয়েছে। দিলীপ ঘোষ না জিতলে (না জেতালে) আজকে পব-তে বিজেপির এই রমরমা হত কিনা সন্দেহ আছে।
  • sm | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১২:৩৯711998
  • চমৎকার !আদ্যোপান্ত সরেস বিশ্লেষণ!কোথায় লাগে প্রণয় রায়!
    আজকে দিলীপ ঘোষ না জিতলে বিজেপির এই রমরমা হতোনা-বাঁধিয়ে রাখার মতন উক্তি!
    আর সেদিন দমদম লালদুর্গ থেকে তপন শিকদার কে জিতিয়ে বিজেপির কনফিডেন্স টা কে বাড়িয়েছিল কমরেড?
    গাড়ির চাকার স্রষ্টা কে?
    চালিয়ে যান মহায়।
  • Arpan | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১২:৪৩711999
  • ঠিক আছে, সংখ্যাতত্ব দিয়ে বোঝা যাবে না। আমি আর বাইরে থেকে চোখ কান কী করে খোলা রাখব, আপনি বললেন তাই জানলাম।

    আবাপ অবশ্য আসল খবর চেপে গেছিল, বলেছে পুরোটাই তিনোদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। দেবাশিস চৌধুরীদের পুরো টিমটাই টিকিট না পেয়ে বসে গেছিল। তা ধরে নিচ্ছি ওরাও চোখ কান খোলা রাখেনি।
  • S | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১৩:০২712001
  • * ব্যারিয়ার না হয়ে দাঁড়ায়
  • S | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১৩:০২712000
  • মাইনরিটি তোষন আগেও হতো, এখনো হয়। এখন হয়তো একটু/অনেক বেশিই হয়। এই মাইনরিটি তোষন ব্যাপারটা যতক্ষন আর্থিক সাহায্যের মধ্যে সীমিত থাকে আর যদি ক্রাইম বা উগ্রপন্থাকে না বাড়ায় বা একটা কমিউনিটিকে এগিয়ে আসার ক্ষেত্রে ব্যারিয়ার হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে আমার ব্যক্তিগত ভাবে তেমন কোনো আপত্তি নেই। তসলিমা বা ঐধরনের ক্ষেত্রে অবশ্যই আপত্তি আছে।

    দেখুন দিদি দুটো কারণে মোদিকে তেমন চটাতে পারছেন না। এক, কেন্দ্রিয় সরকারের টাকা না পাইলে রাজ্য চলিবেক নহে। দুই, মোদির মন খারাপ হলেই এখনো চিটফান্ড নিয়ে সিবিআই লেলিয়ে দেয়। ফলে দিদিকে খুব সাবধানে খেলতে হচ্ছে। একটু এদিক ওদিক হলেই গন্ডগোল হয়ে যায়/যাচ্ছে/যাবে। তবে দিদি যে খেলাটা খেলছেন সেটা মারাত্মক। বেকায়দা হয়ে গেলে অর্থাৎ বিজেপি যদি পবে মুল বিরোধী শক্তি হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে কিন্তু এইসব মাইনরিটি তোষন দেখিয়ে মানুষ ক্ষেপিয়ে যেকোনোদিন দিদিকেও গদিচ্যুত করে দেবে বিজেপি। তখন অনেক অনেক দেরী হয়ে যাবে। অনেকেই কিন্তু সেই অপেক্ষা করছে।

    পবে বিজেপি আসুক - একেবারেই চাইনা।
  • SC | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১৩:১৭712002
  • আপনি কেন নীরব সে তো আপনিই জানেন। প:ব: কেন্দ্রিক সে ঠিক আছে, কিন্তু এ রাজ্যটা দেশের বাইরে নয়। আজকের মূল দ্বন্দ্ব টা, দেশের রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে, একটা উগ্র হিন্দুত্ববাদী শক্তি ও তার প্রায় নিশ্চিহ্ন বিরোধীদের। তরোয়াল নিয়ে মিছিল সেই আলোয়ার এর ভাই দের শক্তি প্রদর্শন, এটা না বুঝলে ওই প:ব: কেন্দ্রিক ভাবে বোঝাটা ভুল।
    বললাম তো, রাজনীতি তে গ্রেটার ইভিল কে নিয়ে ভাবতে হবে। কেউই ধোয়া তুলসীপাতা নয়, অনেকের অনেক দোষত্রুটি আছে। সে আর কি করা যাবে। আমি তো জাদুদন্ড ঘুরিয়ে দেবতুল্য রাজনীতিবিদ বানাতে পারবো না।
    আপাতত, মোদী আর হিন্দুরাষ্ট্র কে কি করে রোখা যায়, সেটা মূল কথা।
    অমিতের কথা সম্পূর্ণ ভুল নয়, কিছু রাজনীতিবিদ অবশ্যই প্রোগ্রেসিভ ইসলাম এর বিরোধিতা করেছেন। শাহবানও মামলাতে করেছে, তাসলিমা নাসরীন এর ক্ষেত্রে করেছে। সিপিএম, টিএমসি, কংগ্রেস এরাই করেছে। তার ফলে একটা হিন্দুদের মনে হয়েছে যে তারা অপাংতেয়। বিজেপি যে এই বিভিন্ন কারণে প্রচুর ভোট পেয়েছে, অস্বীকার করে তো লাভ নেই। আর আমি অস্বীকার করারই বা কে। মোদীর সাফল্য তো ভোটের বাক্সেই প্রমাণিত।
    কিন্তু আমার মূল কথাটা হচ্ছে, সেই হিন্দু সেন্টিমেন্ট টা কে কাজে লাগিয়ে ধীরে ধীরে রাম মন্দির কে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে, আরএসএস কে মেইনস্ট্রিম করে দেওয়া হচ্ছে। সেটাকে আমি, কোন ইমাম ভাতা পেলো, বা অনুব্রত তপন শুকুর, এসব ব্যাপারে থেকে অনেক বেশি ডেঞ্জারাস মনে করি।
    আর ধর্ম কে রাজনীতি থেকে আলাদা করে ভারতে ভাবা যায় কিনা জানিনা। সংখ্যালঘু দের জন্য সম্পূর্ণ নরমাল একটা সমাজ যদি তৈরী না হয়, তাদের কে প্রটেক্ট করার জন্য, তাদের কে টেনে তোলার জন্য সরকার কে স্টেপ নিতেই হবে আলাদা করে। ঠিক যেমন দলিতদের ক্ষেত্রে নেওয়া হয়েছে। আমার তো মনে হয় মুসলিম দের সংরক্ষনও দেওয়া উচিত (যদিও ভারতের সংবিধান অনুযায়ী সেটা সম্ভব নয়, তাই বাতিল হয়ে যাবে)। তাই এখানে যে ঘটনা গুলি কে সংখ্যালঘু তোষণ বলছে অনেকে, সেগুলোর প্রয়োজন আছে বলেই মনে করি। তবে এটা ঠিকই, রিগ্রেসিভ যে অংশ টা কে তোল্লাই দেওয়া হয়েছে, তাসলিমার বই/সিরিয়াল ব্যান করে, বা তাকে তাড়িয়ে দিয়ে, সেটা সমর্থন করি না। তবে সেটা একটা আলাদা আলোচনা। ইসলাম এর রিফর্ম কে করবে, কেন হয়নি এসব অন্যদিকে চলে যাবে।
  • sm | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১৩:২৬712003
  • সংখ্যালঘু ফর্মুলা ইউপি তেও চলতো।কিন্তু এবারে ভোটব্যাংক অখিলেশ এর দিকেই না গিয়ে বহুবিভক্ত হয়ে গেছে। আর তাতেই বিজেপির কেল্লা ফতে।ধরে নিচ্ছি ইভিএম ঠিক ঠাক ছিল।
    পব তে সংখ্যা লঘু ভোটার দের ইম্পর্টেন্স আরো বেশি।প্রায় এক চতুর্থাংশ।
    বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোট ভাগের বড়ো শরিক তৃণমূল আর কচি দুজন হলো বাম ও কংগ্রেস।
    বামেদের ওপর নানা কারণেই সংখ্যালঘু সমাজ হতশ্রদ্ধ।
    অবস্থা আরো খারাপ হয়েছে কংগ্রেস এর সঙ্গে জোট বেঁধে।এতে বহু নিচুতলার কর্মী ও ডেডিকেডেড ভোটার হাতছাড়া হয়ে তৃণমূলে ভিড়েছে।
    যতো বিজেপি, দিলীপ ঘোষের মতো নেতা দের মতো চলবে, ততো তিনোদের সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংকে সুবিধা হবে।
    খালি বিজেপি কে চারটি গালি দিয়ে পাঁচিলে বাদাম ভাজা খেলেই হলো।
    মনে করুন 2011 সালে এসেম্বলি ইলেকশনের আগে দিদি মোদী দ্বৈরথ।খালি মোদী ও বিজেপি তিরস্কারের মাধ্যমেই ভোট বাক্স ভরে গেছিলো। সিপিএম কে জন সভায় আলোচনাতেই আনতোনা। এটা ঝানু রাজনীতিবিদের লক্ষণ।
    ২০১৬ তে ছিল খালি কন্যাশ্রী,দু টাকার চাল ও উন্নয়নের প্রচার।
    আপাতত বিজেপি কে নিয়ে তৃণমূলের অন্তত বিশেষ চিন্তা নাই।
  • PT | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১৩:৪৩712005
  • "সেটাকে আমি, কোন ইমাম ভাতা পেলো, বা অনুব্রত তপন শুকুর, এসব ব্যাপারে থেকে অনেক বেশি ডেঞ্জারাস মনে করি।"
    আমি তিনোর জন্মলগ্ন থেকে তাদের বিজেপির সঙ্গে মাখামাখিকে বামেদের রিজায়ুন-পশুখামার-উইংকিল-টুইংকল-সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম ইত্যাদি প্রভৃতির চাইতেও অনেক বেশী "ডেঞ্জারাস" মনে করেছি। আমার ধারণা ছিল বিজেপি কালসাপের মত বাইরে অপেক্ষা করছে। কখন তিনোরা চাপের ঠ্যালায় বাসরঘরে একটা ছিদ্র তৈরি করে দেবে।
    আমি এখনো মনে করি যে যারা তিনোকে সামনে রেখে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে চাইছে তারা সম্পুর্ণ ভুল করছে। তিনোরা মোট্টে বিজেপি বিরোধী নয়। তারা আপাততঃ মোদী-বিরোধী। অবস্থা বদলালেই তারা আবার বিজেপির সঙ্গে যাবে।
    তা আমার কথা আগেই বা কে শুনেছে আর এখনই বা কে শুনছে বলুন?

    " আজকের মূল দ্বন্দ্ব টা, দেশের রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে, একটা উগ্র হিন্দুত্ববাদী শক্তি ও তার প্রায় নিশ্চিহ্ন বিরোধীদের।"
    এটাকে এভাবেও বলা যায়ঃ "আজকের মূল দ্বন্দ্বটা, রাজ্যের রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে, একটা উগ্র লুম্পেনবাদী শক্তি ও তার প্রায় নিশ্চিহ্ন বিরোধীদের।"
    এই রাজনীতিহীন লুম্পেন শক্তির হাত ধরেই বিজেপি মাথাচাড়া দিচ্ছে। তিনো আমলেও না পাওয়ার অসন্তোষ কিছু কম নেই। তিনোরা ২ টাকা দিলে বিজেপি এখন ১০ টাকা ছড়াতে পারে। মিটিনে দাঁড়িয়ে চন্ডীপাঠ করে বা ঘরে ঘরে হনুমানের পূজো করিয়ে এই বিজেপিকে ঠেকানো যাবে না।
  • PM | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১৪:০০712006
  • SC, প্রান্তিক সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষন একটা রাজনৈতিক দাবী--- করা যেতেই পরে, তার বিরোধীতাও কেউ রাজনৈতিক ভাবে করতে পারেন।

    কিন্তু প্রশাসনিক প্রধানের ভেল পড়ে --আমি তোমাদেরি লোক প্রমান করার আকুল চেষ্টা আর সেটাকে রাজনীতি বলা সেকুলারিস্ম এর রুট -কে দুর্বলই করে, ধর্মের নামে উশৃঙ্খলতা, দাঙ্গা কে প্রশাসানিক নিরপেক্ষতার সাথে দমন না করা গেলে সেটাও একই ভাবে সেকুলারিস্ম কে দুর্বল করে।

    ৯২ অত বড় ঘটনাও পঃবঃ এ র মত রাজ্যে কোনো প্রভাব ফেলে নি--বা ফেলতে দেওয়া হয় নি ---- কোথাও বড় কোনো গোলমাল হয় নি। অথচ আজ সামান্য ঘটনাতেও আমরা শংকিত হচ্ছি, সামান্য ঘটনাতেও আজ লাঠালাঠি হয়ে যাচ্ছে!!! কেনো ?? আমাদের রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ফ্যাব্রিকে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটানোর চেষ্টা হচ্ছে সেটাকে স্বীকার করতে অসুবিধা কোথায়।
  • PT | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১৪:২০712007
  • "দেবাশিস চৌধুরীদের পুরো টিমটাই টিকিট না পেয়ে বসে গেছিল।"
    যারা বসে গিয়ে বিজেপির সুবিধে করে দেয় তাদের থেকে চাওয়ার কি থাকতে পারে?
    তবে দেবাশিস মমতার চাইতে বেশী জনপ্রিয় সেটা মেনে নিতে বিস্তর অসুবিধে আছে। দিলীপ ঘোষকে আটকে চাচাকে জেতাতে পারলে কেউ আজকে তিনোর রাজনৈতিক সততা নিয়ে প্রশ্ন তুলত না।

    তিনোরা আসলে প্রায় ২০% ভোট কেটে চাচার ভোট ২০১১-র ৫৫% থেকে ২০১৬-তে ৩৫%-এ নামিয়ে দিয়েছিল। আর আমাদের ছোট বাবুরাও কম যায়্নাঃ
    সুসি+বিএসপি+নির্দল+নোটা = ১৩০৮+১০৫৮+৯৫৯+২৩৯২!!
    অর্থাৎ কিনা চাচা-দিলীপের ফারাকের ৫,৩০৯ ভোটের বেশী ভোট (৫৭১৭) এনারাই কেটে নিয়েছে!!
    এখন এই সব সুসী ও নোটাবাদীরা তিনোর ন্যাজ পাকড়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ার জন্যে নাচতে লেগেছে!!
    ন্যাক্কা বললে তাদেরকে খুব কম গাল দেওয়া হয়।
  • Arpan | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১৪:৫২712008
  • আপনি সংখ্যাতত্ব দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন, ভালোই তো ছিলেন। হঠাৎ আবার সংখ্যা নিয়ে নাড়াচাড়া করার ভূত চাপল কেন?

    এনিওয়ে, চাচার ২০১১ সালের ৫৫% ভোটে তিনোদেরও ভোট যুক্ত ছিল, সেটা বেরিয়ে যাওয়ায় ৩৫% এ নেমে আসাই স্বাভাবিক। চাচার ভোট ওর থেকে বাড়ত না কিছু। যেটা হয়েছে সেটা হল তিনোদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলে ওদের আনুমানিক প্রায় ২০% মত ভোট গিয়ে পদ্মফুলে জমা পড়ে। (আবাপর হিসেব অনুযায়ী)

    এখন এটা আপনি বলতেই পারেন এটা তিনোকর্ত্রীর ইচ্ছে অনুযায়ী হয়েছে। কোন অসুবিধা নাই। সেক্ষেত্রে এটাও মেনে নিন দমদমে তপন শিকদারও দুবার জিতেছিলেন আলিমুদ্দিনের ইচ্ছায় !

    আর অদ্ভুত কথা তো। বিএসপি, সুসি, নির্দল এরা ভোটে লড়বে না !
  • sm | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১৫:০৩712009
  • গুলপ টা চমৎকার হয়েছে।
  • PT | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১৫:২৭712010
  • "তিনোদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলে ওদের আনুমানিক প্রায় ২০% মত ভোট গিয়ে পদ্মফুলে জমা পড়ে"
    আপনে সংখ্যার ব্যাপারে এক্ষ বলে অন্যেরা কেউ তা নেড়েচেড়ে দেখবে না এমনটি কি করে হয়? কিন্তু বেলাশেষে বিজেপি জিতেছে তিনোর সহায়তায়-তাই তো দাঁড়াল?

    "সেক্ষেত্রে এটাও মেনে নিন দমদমে তপন শিকদারও দুবার জিতেছিলেন আলিমুদ্দিনের ইচ্ছায় !"
    এইসব গাধায় হাসা তত্ব নিয়ে কি আর বলব বলুন!!

    " বিএসপি, সুসি, নির্দল এরা ভোটে লড়বে না !
    নিশ্চিত লড়বে। কিন্তু কার স্বার্থ রক্ষার জন্যে লড়ছে? বহিনজী এখন তাহলে কান্নাকাটি করছেন কিসের অন্যে?
  • sm | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১৫:৪৯712011
  • পিটি কোনোদিন দমদম গেছেন? চেনা পরিচিত স্থানীয় বয়স্ক লোকজন থাকলে জিগাবেন।এর বেশি কিছু বললুম না।
    না হয় কমরেড ভাই দের থেকে পুছে নিন।
    নাটকের/গানের পোস্ট লিখুন না কেন।
  • Arpan | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১৭:৪৯712012
  • গাধায় হাসা তত্বই বটে। হেসে যান, হেসে যান। ঃ)
  • PT | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১৮:১৩712013
  • উঃ কি চালাক.....!!
    কিন্তু আমার হাসি পায়নি। আমার দুঃখ হচ্ছে গাধা হাসানো তত্বের প্রবক্তাদের সকরুণ অবস্থা দেখে।।
    দুঃখ হচ্ছে এই ভেবে যে এই সব পন্ডিতেরা এমন একটা দলকে সামনে রেখে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ার জন্য হাওয়া গরম করছে, যাদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব হলে ২০% এর কাছাকাছি ভোট বিজেপির ঝুলিতে চলে যেতে পারে!!
  • dc | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:০৬712014
  • অ্যাঁ, এক জায়গায় তিনোরা ভোট কেটে জেতালে তিনোদের ঘাড়ে দোষ, আরেকজায়্গায় ভোট কেটে বিজেপি জিতলে গাধায় হাসা তত্ব? বেশ।
  • প্রবঞ্চক পানকৌড়ি | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:২০712016
  • আমার একটাই কনফিউজন আছে। গাধাটা কি রামধনের?
  • dc | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:২৬712017
  • কিন্তু আমার কোন কনফিউশান নেই। পিটিদা যেভাবে সিপিএমকে ট্রোল করে, একেবারে দেখার মতো :d
  • Du | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ২০:১৭712018
  • এইজন্যই তো জ্যোতিবাবু বিজেপি কে বর্বর দল বলেছিলেন। তারা সংবিধানের কাঠামোটাই ভেংএ দেবে।

    একটা লিস্ট দিন পার্টিদের যাদের এম এল এ এম্পিরা জিতে বিজেপিকে সমর্থন করবে না, যোগ দেবে না বা পার্টিটা কোয়ালিশনেও যাবে না।
  • PT | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ২১:২৫712019
  • এদের নেতৃত্বে নাকি বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই হবে?
    " ........ রামনবমীর দিনই নিজের ওয়ার্ডের এক মন্দিরে তরোয়াল হাতে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে খড়্গপুরের পুরপ্রধান তৃণমূলের প্রদীপ সরকারকে। প্রদীপ তৃণমূলের খড়্গপুর শহর সভাপতিও।"
    http://www.anandabazar.com/district/mednipore/tmc-municipality-chairman-seen-with-arms-1.593941?ref=mednipore-new-stry#
  • Arpan | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ২২:৩৬712020
  • আম্মাকে দেখুন। এদিকে বহুবার বিজেপিকে সমর্থন দিয়েছেন, ওদিকে আবার করাতবাউ ওনার নেতৃত্বে তৃতীয় জোট বানাতে বরাবরই আগ্রহী ছিলেন।

    দ্বিচারিতা কি আর গাছে ফলে?
  • Du | ১১ এপ্রিল ২০১৭ ০০:১১712021
  • আম্মাকে নিতে হলে যাকে বাদ দিতে হয় তিনিও বিজেপির ব্যাপারে ঐ ঐ ঐ। তাই বর্তমান প্রস্তাবে দ্বিচারিতার এই পার্টিকুলার ইন্স্ট্যান্সটা দরকারী কেন বোঝা যাচ্ছে না।
  • S | ১১ এপ্রিল ২০১৭ ০৩:৩৬712022
  • বিজেপির সাথে কোনোদিন যায়নি এরকম বড় পার্টিগুলোর নাম কেউ লিখে দেবেন পিলিজ।
  • PT | ১১ এপ্রিল ২০১৭ ০৬:৪০712023
  • এই তক্কে প্রি-বাবরি আর পোস্ট-বাবরি নিয়েও একটু ভাববেন.......
  • Arpan | ১১ এপ্রিল ২০১৭ ০৭:৩২712024
  • প্রস্তাবের একটা গ্রহণযোগ্য বাস্তবিক দিক তো থাকবে? আম্মার জায়গায় মায়াবতীকে বসালেও প্রশ্নটা একই থেকে যায়।
  • dc | ১১ এপ্রিল ২০১৭ ০৭:৩৬712025
  • বা মুলায়মকে। এরা সবাই কিন্তু একেকজন নামকরা সেকুলার নেতা।
  • PT | ১১ এপ্রিল ২০১৭ ০৭:৫৫712027
  • এসব কি তিনো-বিজেপি মাখামাখি জাস্টিফাই করার জন্যে লেখা হচ্ছে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন