এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আমেরিকান প্রেশিডেনশিয়াল ইলেকশান ২০১৬

    Abhyu
    অন্যান্য | ১০ মার্চ ২০১৬ | ১০৩৮৫০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বিপ | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ০৪:৫৮699856
  • হ্যা ঈশান মনে হয় না কেউ বার্নি বনাম হিলারি ডিবেট গুলো দেখেছে। হিলারি যেসব উত্তর দিয়েছেন সেগুলো এই টইতে পেলাম না। সিএন এন সাইটের সব ভিডিওগুলো আছে। আপনারা দেখে নিতে পারেন।
  • S | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ০৫:১৭699867
  • বিপদা আউটসোর্সিঙ্গ আর এইচ ওয়ান বির বিরুদ্ধে আমেরিকার জনগণের কত শতাংশ বল আপনার মনে হয়। মধ্যবিত্ত তো গ্লোবালাইজেশনের বিরুদ্ধে বলেই মনে হচ্ছে।

    আর এই আউটসোর্সিঙ্গ ট্যাক্স ব্রেক নিয়ে কোনো ঠিকঠাক লিন্ক থাকলে দেবেন, পড়ে নেবো।

    আপনার মত অনুযায়ী যদি ইন্ডিয়ার আর আইটি কোম্পানির ইন্টারেস্ট দেখে ইন্ডিয়ানদের সমর্থন করতে হয় তাহলে তো রিপাব্লিকানদের সমর্থ্ন করা উচিত। বুশের আমলের প্রাথমদিকে ক্যাপ আরো বেশি ছিলো।
  • S | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ০৫:২১699889
  • আউটসোর্সিঙ্গ ট্যাক্স ক্রেডিট মানে এদিক ওদিক থেকে যা বুঝছিঃ কিছু রিলোকেশন এক্সপেন্সকে কস্ট হিসেবে ধরলে ট্যাক্স বেনিফিট পাচ্ছে, সেইটা তো বেশ কমই হওয়ার কথা। একটা ঠিকঠাক লিন্ক দিলে বুঝতে স্সুবিধে হয়।
  • lcm | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ০৫:২১699878
  • বিপ মেরেকো হেডলেস বোলা, চিকেন ভি বোলা। ম্যায় কেয়া করু।

    এইচ্‌ওয়ান/আইটি - এসব বাদে একটা দুনিয়া আছে। বেশ বড় দুনিয়া। তারা ভোট দেয়।
  • বিপ | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ০৬:২৬699900
  • আউটসোরসিং ক্রেডিট বলে কিছু নেই। লোকে আর এন ডি ক্রেডিটে তোলে। ১০০ ডলার গবেষনার জন্য কোম্পানী নিজে খরচ করলে,১০০ ডলার ক্রেডিট। যদি সেটা আউটসোর্স করে ৬০ ডলার হয়।

    এইসবের সাথে এইচ ওয়ান বি তুলে দিলে, আমেরিকান শিল্প ভালোই ঘাঁটবে।
  • S | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ০৬:৩৬699911
  • আপনার হিসেবটা বুঝলাম না।

    আর এইচ ওয়ান বি তুলবে না। কিন্তু প্র্যতেকটা দেশের জন্য লিমিট কমিয়ে দেবে। সেটাতে আমেরিকার সকলের উইন উইন হবে।
  • Arpan | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:২৮699922
  • মার্কো রুবিও এলে হেইচ ওয়ান বির কোটা বাড়িয়ে দিত। সে তো আর আপনেরস হতে দিলেন না। ঃ)
  • Abhyu | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:১৬699933
  • ল্যাদোশদা তার বদলে যদি পুরুষসিংহ বলত??
  • Rust belt can be decider | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:৫২699944
  • বিপ এর সঙ্গে পুরো একমত। ক এ ক্ক।
  • Rust belt can be decider | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৩৬699956
  • আমার তো মনে হয়- এই উটাহ, আইডাহ র সাদারা একেবারে উদ্বাহু হয়ে বার্নির আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে, ৮০-২০ মার্জিনে বার্নিকে জেতাচ্ছে এটা পুরো কষ্ট কল্পনা। ডেফিনিটলি একটা রেসিআল মেসেজ আছে মনে হচ্ছে।
    'গ্রামে গ্রামে সেই বার্তা রটি গেল ক্রমে
    দলে দলে কালো চলেছে হিলারি সঙ্গমে' (মাফ করবেন)
    অতএব হে সাদা লোকেরা, চলুন দলে দলে আমরাও বার্নিকে (পড়ুন জিউ - মনে হয় না জানে ) ভোট দিই।
  • S | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৪১699967
  • মিশিগান আর হাওয়াই বা ওয়াসিংটন?
  • lcm | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৪৫699978
  • দেখেছ, বার্নি একটা গোটা পেজ বানিয়ে দিয়েছে চাকরি নিয়ে,
    Creating Jobs Rebuilding America
    PUTTING 13 MILLION AMERICANS TO WORK
    A PLAN TO REBUILD AMERICA

    https://berniesanders.com/issues/creating-jobs-rebuilding-america/

    ওরে অভ্যু,
    চিকেন ইজ বেটার দ্যান সিংহ। আমি অবশ্য কখনও সিংহের ভিন্ডালু খাই নি। কিন্তু হেড না থাকলে খাবো কি করে। মুন্ডু নেই তো খাবো টা কি, মুন্ডু ছাড়া বাঁচব নাকি...
  • Rust belt can be decider | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৪৭699983
  • একটা সম্ভাবনা তো বটেই - হতেই পারে। আমেরিকার রেস রিলেসন আমাদের কাস্ট স্ট্রাকচারের মিরর ইমেজ।
  • bip | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ২১:৪৫699984
  • Those who are enamored by Bernie revolution, please think of these followings deeply

    (1) Suppose your wish is fulfilled, that Bernie gets the nomination ( chance is as remote as moon exploding tomorrow but assume for the sake of argument ), then do you think Bernie will be able to fulfill even 1% of his election promise?

    Answer is strictly no-because house and senate are GOP majority. There is no indication that is going to change either.So what would happen is-there will be 100% standoff in DC. No bill will be passed. It will be an administration of nothing, capable of doing nothing and will deliver nothing.

    Do you think after that Bernie will be able to go back to his supporters and tell them, He couldn't pull it because of GOP? And his followers will listen? His followers are political novitiate, who I doubt have any understanding of how senate, congress and president work as a system.

    That would be a tremendous roll back against progressive movement as they will lose hope. That would be a tremendous blow to democratic base as less people will turn up in next election. People not showing up is the greatest illness in democratic party and under this situation, democrats will loose further.

    In contrast, Hillary knows how to work with political opponents and she can get things done even in GOP majority congress and senate. Given where we are, she is a far better shot for delivering progressive agenda than Bernie-who in reality wont be able to deliver anything in a GOP majority house.

    (2) Now lets say Bernie wins and Dem wins back the house. That is for me can turn into even far more disasters. Just look at Obamacare. Ideologically it was a great reform. But practically it increased everyone's insurance and in general people are unhappy. I am a great supporter of Obama but my insurance went up from $360 a month to $1120. I am still a Obama supporter because overall, what he did is great for the nation. But many may not be liking Obamacare because it is hitting their pocket.

    Although proposals of Bernie are somewhat like Nordic, this will immediately mean every American has to spend a lot more on Tax and others to get free education and healthcare. Money doesn't grow on tree. Taxing rich people is fine, even Hillary will do so-but that wont save the day like Obamacare affected all of our pocket without delivering any tangible benefit. And freecare that he is promising which exists in Nordic countries, please have a check on their data and experience. Here I get a doctor's appointment within a week. In England and Canada, it may be eight weeks. Please do a fact check on how happy they are with their healthcare system. Of late there have been a lot on it in media.

    Overall Bernie is anti-business. How could he create job by killing business? By discouraging business to make money? Doesn't that sound a complete contradiction ?
  • ঈশান | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ০২:১১699985
  • ধুত বিপ ডিবেট দেখেনা, কিংবা ক্যাম্পেন টেক্সটগুলো এখানে পেস্ট করছে। এসব নিয়ে কত আলোচনা হয়ে গেল ডিবেটে।
  • ঈশান | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ০২:৩৪699986
  • ১। আউটসোর্সিং এবং H1B। ডেমোক্রাটিক এবং রিপাবলিকান ডিবেটে সব মিলিয়ে চিন আর মেক্সিকো এসেছে অগুন্তিবার। কিন্তু 'ভারত' নামটা এসেছে জাস্ট দেড়বার, ভিয়েতনামের (আধবার) এর পরেই। একবার, যখন ট্রাম্প গাল দিতে গিয়ে চিন আর মেক্সিকোর সঙ্গে অকারণেই ভারত আর ভিয়েতনামের নামটা জুড়ে দিয়েছিলেন, অকারণেই। আর, আধবার, যখন কনসাল্টিং কোম্পানিদের জালিবাজির কথা বলতে গিয়ে টেড ক্রুজ টিসিএস এর নাম উল্লেখ করেন (সেটা ঠিক ভারতবর্ষের নাম নয় বলে হাফ ধরলাম)। এ ছাড়া সফটওয়্যার আউটসোর্সিং এবং হাইস্কিল জব নিয়ে ক্যান্ডিডেট এবং মানুষের আগ্রহ শূন্য। যা কথা হচ্ছে, সবই কোর সেক্টর এবং ম্যানুফ্যাকচারিং জব নিয়ে। বিপের জন্য দুঃসংবাদ, যে, ভারত এবং হাই স্কিল জব নিয়ে বিশেষ কেউ চিন্তিত না। সুসংবাদ এই, যে, সেই জন্যই সফটোয়্যার ইত্যাদিতে পরিস্থিতি খুব বদলাবেনা।

    ২। বিপ ১০০% ঠিক, যে, বার্নি ট্রেড এগ্রিমেন্টের (যাকে মোটা দাগে বললে মুক্ত অর্থনীতির জয় এবং গ্লোবালাইজেশনের জয় বলা যেতে পারে) বিরুদ্ধে। এবং হিলারি পক্ষে। ট্রাম্পও অন্তত মুখে বিপক্ষে। (বস্তুত হিলারিই ক্রমশ বাঁদিকে হেলছেন, এবং যেকোনোদিন আগের অবস্থান বদলে ফেলে বিপের বুকে বান হানবেন)। পাবলিক ওপিনিয়ন গ্লোবালাইজেশনের বিরুদ্ধে।

    আমরা যারা ছোটো থেকে থ্যাচার আর রেগন জমানা দেখে বা শুনে এসেছি, আমেরিকায় বা ভারতে বসে, তাদের একরকম করে ব্রেনওয়াশ হয়ে গেছে, যে, পশ্চিম, সমৃদ্ধি আর মুক্ত অর্থনীতি গ্লোবালাইজেশন সমার্থক। আমেরিকায় রেগন, বিলাতে থ্যাচার জমানা থেকে ওটা কিরকম স্বতঃসিদ্ধ হয়ে গেছে। এখন বিপ বা অন্যদেরও ভাবতে কিরকম একটা ধাক্কা লাগছে, সে কি, অন্যরকম কথা বলছে? পশ্চিমে বসে? সে কি সম্ভব? লোকটা হয় মূর্খ কিংবা আহাম্মক।

    কিন্তু খ্যাল করে দেখবেন, এমনটাই হবার ছিল। আশা করি ব্রিটেনেরও খবরাখবর রাখেন। সেদেশেও অবিকল একই জিনিস চল্ছে, যদিও ইলেকশন দূরে আছে বলে তেমন হট্টগোল নেই। সব জায়গায় উল্টোপুরাণ কেন? একটু খোঁজ নিলেই জানবেন, মুক্তকচ্ছ গ্লোবালাইজেশনে এবং মুক্ত অর্থনীতিতে অসাম্য ক্রমশ বেড়েছে, গোটা পশ্চিম জুড়েই। সামাজিক নিরাপত্তায় ছাঁটকাট হয়েছে, কাজের নিরাপত্তা কমেছে। ফলে আমাদিগের ওয়াশড ব্রেনে যেটাকে স্বতঃসিদ্ধ মনে হচ্ছে, সেটা বহু লোকের কাছেই ঠিক তেমন স্বতঃসিদ্ধ নয়। ব্রিটেনেও নয়, আমেরিকাতেও না। কাজেই বিপের জন্য দুঃসংবাদ হলেও ইউরোপ এবং আমেরিকা জুড়ে এই জিনিস ঘটবে এই দশক জুড়ে। বার্নি জিতুক বা হারুক। আর সুসংবাদ এই, যে, এই প্রেশার ভালভটা আছে বলেই, মানে পলিসি বদলানোর ফ্লেক্সিবিলিটি আছে বলে, আমেরিকার অর্থনীতির অনিবার্য পতন, এখনই ঘটবেনা।
  • S | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ০৪:৩৭699987
  • আমি একজন ডেমোক্র্যাটিক লীডারের সাথে কথা বললাম। ইনি ভোটে লড়েন। তিনি বললেন যে বিগত ২০ বছরে গ্লোবালাইজেশনের ফলে অনেক সাধারণ লোকের ক্ষতি হয়েছে। আরেক সেন্ট্রাল রাইট সাদা ছেলের সাথে কথা বলছিলাম। এ পড়াশুনা করা ছেলে, মোটামুটি সেন্সিবল কথাবার্তা বলে, মেইন ইস্যু গুলো বোঝে। আমি ডিরেগুলাইজেশন নিয়ে তক্ক করছিলাম, যুক্তি দিচ্ছিলাম যে ক্যাপিটালিজমে তো ডিরেগুলারাইজ করতেই হবে। তাতে সে বললো যে ক্যাপিটালিজম তো চাইনা, আমরা তো টেস্ট করলাম, চললো না তো। আমি তো অবাক। এর বামপন্থী হওয়ার কোনই কারণ নেই। আজকাল দক্ষিন পন্থীরাও টেডি রুজভেল্টের রেগুলেশনের কথা বলছেন। হিলারি ক্লিন্টনও তো এই কদিন আগে বার্ণীর অ্যাকসেন্ট ছাড়া সবই নকল করছিলেন। অতেব আমেরিকার রাজনীতির চরিত্র পাল্টাচ্ছে। একজন লোক নিজেকে ডেমো সোশাল ডিক্লেয়ার করে প্রেসিডেনশিয়াল ইলেক্শন লড়বে আর ১৩-১৪ টি রাজ্যে হিলারি ক্লিন্টনের মতন হেভিওয়েটকে ধরাশায়ী করবে - এই ব্যাপারটাকে ছোটো করে দেখলে বা ভোটারদের নাদানী ভাবলে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির হালও রিপাব্লিকানদের মতন হবে। এর থেকে অনেক কিছু বোঝার আছে। ইয়ঙ্গ জেনারেশন স্পষ্ট বুঝতে পারছে যে কি চলছে আর তারা কি সময়ের মধ্যে প্রবেশ করতে চলেছে। এ ভবি সহজে ভোলার নয়।
  • S | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ০৪:৩৮699988
  • ডিরেগুলেশন
  • S | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ০৫:৩৫699989
  • যদি না দেখে থাকেনঃ


    ঃ))
  • nabanita | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ০০:৪৪699991
  • বিপ,

    কেউ ডিবেট দেখে নি, আপনি ছাড়া, এমন ধারণা কেন হল?
    এদেশে রয়েছি সতেরো বছর - প্রথম এক বছর যখন গাড়ি ছিল না, সেই সময়টা বাদে এদের রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছি অনেকটাই।
    কয়েকটা কথা - হ্যাঁ ডিবেট ইত্যাদি শুনে ও পড়ে - কারণ যে দেশ টাকে নিজের দেশ করে নিয়েছি সে ডুবলে আমার ভেসে থাকারও উপায় নেই- তাই না?
    বেইল আউট ব্যাপারটা ইকোনমি কে কিছুটা ধ্বসের থেকে আটকেছিল, কিন্তু সাধারণ আমেরিকান নাগরিকের কোনো সুবিধা হয়েছে বলে জানিনা। অটো ইন্ডাস্ট্রি একটু ঘুরে দাঁড়িয়েছে তা বেইল আউটের জন্যে নয়, অবশেষে নিজেদের শিয়রে সংক্রান্তি দেখে oil lobbyর কথা না শুনে এফিসিয়েন্ট টেকনোলজী এনেছে বলে। বেইল আউটে ডেট্রোয়েটে একটি চাকরীও হয়েছে বলে জানা নেই।
    ফাইনানসিয়াল কোম্পানীরা ঐ টাকাকে কম সুদে ক্যাপিটাল বলে ট্রীট করেছে। ফেড যেই অডিট করতে চেয়েছে সঙ্গে সঙ্গে টাকা শোধ করে দিয়েছে এমন কোম্পানীও আছে।
    ঐ টাকা বড় কোম্পানীকে না দিয়ে ইনফ্রাস্টাকচারে লাগালে হয়তো সাধারণ নাগরিকের বেশি কাজে আসতো। বারাক ওবামাকে একটুও দোষ দিচ্ছি না কিন্তু, ওয়াল স্ট্রীটের দাদাগিরি সামলিয়ে উনি যা করেছেন তার তুলনা হয় না। প্রেসিডেন্ট লিঙ্কন কে দেখি নি কিন্তু এখন পর্যন্ত আমার দেখা সেরা প্রেসিডেন্ট উনি। কিন্তু এখন সাধারণ মানুষ আর নিজের দাবী তুলতে ভয় পাচ্ছে না, এই paradigm changeটা যখন হয়েই গেছে তখন ঐ দাদাগিরি আটকাতে আরো বেশি ব্যবস্থা করাই যায়।
    গ্লোবালাইজেশান - খুব গাল ভরা কথা, এক সময় এদেশের খুব সুবিধাও হয়েছে সস্তায় অন্যদেশ থেকে কাজ করিয়ে এনে। কিন্তু সেই হিড়িকে যে জিনিসের কোনো গ্লোবালাইজেশানের দরকার ছিল না তাও গ্লোবালাইজেশানের গুঁতোয় কিছু মানুষের পকেট ভারী করেছে। উল্টিয়ে বিদেশে কাজ করানোর খরচা বেড়ে চলেছে - শত্তুরেও বলবে না Bengaluru যথেষ্ট সস্তা। কিন্তু ইনফ্রা স্ট্রাকচার বেটার হওয়াতে দেখা যাচ্ছে যে এদেশের ছোটো শহর গুলোতে এমনকি ম্যানুফ্যাকচারিঙ করালেও খরচাটা comparable থাকছে। মানুষ কাজ পাচ্ছেন আর কোয়ালিটি কন্ট্রোল অনেক বেটার হচ্ছে। বাচ্চা প্রোডাক্টে বিপদজনক কেমিকালের জন্যে যখন হাজার হাজার প্রোডাক্ট রি-কল করতে হয় তখন গ্লোবালাইজেশানের লাভের গুড় পিঁপড়েতে খায় কিন্তু। কাজেই গ্লোবালাইজেশান খুব একটা লোভনীয় যুক্তি নয় এবারের ভোটে।
    আর H1-B? কজন H1-B যে এদেশে লোক পাওয়া যায় না এমন কাজ করেন আর কজন সস্তা মজদুরী তা আমরা সবাই জানি। এখন টেকনোলজী কলেজ, কমিউনিটি কলেজ সর্বোপরী যদি হিলারী বার্নির কথা অনুযায়ী ব্যাচেলার্স ডিগ্রী পর্যন্ত ফ্রী এডুকেশান হয় তবে কিন্তু এত টেক ওয়ার্কার লাগবেও না বাইরে থেকে। দরকার হবে মৌলিক কাজ করেন যে সমস্ত মানুষেরা তাঁদের। যাতে নতুন ভাবনা চিন্তা, নতুন রিসার্চ হতে পারে। দরকার হবে নতুন রিসার্চার, কিন্তু প্রোগ্রামারের দরকার ক্রমশ: কমবে। কাজেই এটা খুব কোনো ইস্যু নয় এবারের ভোটে।
    আসলে ক্যাপিটালিজম, কমিউনিজম, হিন্দুইজম, ইসলামইজম - যে কোনো মতামতের মুশকিল একটাই। আমরা তাদের রিলিজিয়ন বানিয়ে ফেলি। যখন all paths lead to fanaticism তখন খোলা মনের ভাবনা চিন্তাটাই চলে যায়!
    BTW বার্নি যদি না নমিনেশান পান, হিলারীকে ভোট দিতেও একটুও দু:খ পাব না। প্রথমে জানতাম যে হিলারীকেই ভোট দেব - অত্যন্ত এফিসিয়েন্ট, কর্মঠ মহিলা যিনি কাজ করিয়ে নিতে জানেন। কিন্তু ঐ যে নিজের সোজাসাপটা কথা - যা দিয়ে বার্নি সাপোর্ট টেনে নিলেন। হয়তো এবারে জিতবেন হয়তো জিতবেন না - কে জানে? কিন্তু আমেরিকান মানুষের ভাবনা চিন্তার এক বিরাট বদলের কান্ডারী হয়ে থাকা - এটাও কিন্তু এক huge achievement।
  • S | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ০১:১৬699992
  • কয়েকটা কথাঃ
    ১) ইনফ্রাস্ট্রাকচারেও ঢালা হয়েছিলো টাকা - অনেক জায়্গায় অহেতুক ভাবে - খুবেকটা কাজে দেয়নি। সেই মানির ভেলোসিটি নাকি 1.1 এর আশে পাশে ছিলো (এখন এক্জ্যাক্টলি মনে পড়ছে না)।
    ২) ওয়াল স্ট্রীট বেইলাউটের যারা পক্ষে, তারা যুক্তি দেয় এ আই জি বাঁচানোর দরকার ছিলো। এই কথার কোনো কাউন্টার আর্গুমেন্ট দেওয়া যায়্না।
    ৩) গ্লোবালাইজেশন আর আউটসোর্সিঙ্গ ইজ ক্যাপিটালিস্ট আইডিয়া। ক্যাপিটালিজম থাকলে হবেই - কেউ আটকাতে পারবেনা। জোড় করে আটকালে কিন্তু হিতে বিপরীত হবে। মানে একই সাথে ক্যাপিটালিস্ট সোসাইটি আবার গ্লোবালাইজেশন বন্ধ - ফল খুবেকটা সুখদায়ক হবেনা। ইকনমি ট্রেড বন্ধ হয়ে গেলে ইকনমি কন্ট্র্যাক্ট করতে পারে। আমার মনে হয় খুব র‌্যাপিড প্রাইস চেন্জও হতে পারে।

    আরেকটা কথা এটা ২০১৬। এখন গ্লোবাল ট্রেডে যতটা না আমেরিকার উপরে নির্ভর করছে, আমেরিকা গ্লোবাল ট্রেডের উপরে তার থেকে বেশি নির্ভর করছে।
  • ঈশান | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ০৩:০৬699993
  • গ্লোবাল ট্রেড এই ফর্ম্যাটে চললে আমেরিকা অবশ্যই ডুববে। সব্বাই জানে আমরিকা পৃথিবীর সবচেয়ে ঋণী দেশ। চিন ইত্যাদিদের সঙ্গে বিপুল ট্রেড ডেফিসিট। ইকনমিক জার্গন বাদ দিয়ে ভাবলে ব্যাপারটা অ্যাবসার্ড লাগে। যেন দুটো বসতি, একটা বসতির লোকে শুধু জিনিস কেনে, আরেকটা বসতির লোক শুধু জিনিস বানায়। যারা কেনে, তারা টাকা পায় কোথা থেকে? না, যারা বানায় তারা ধার দেয়। যারা বানায় তারা ধার দেয় কেন? না, নিজেদের জিনিস বেচতে হবে বলে।

    এইরকম একটা অদ্ভুত আনস্টেবল ব্যবস্থা, স্রেফ, ডলার আন্তর্জাতিক কারেন্সি, এই কৃত্রিম শ্রেষ্ঠত্ব দিয়ে টিকিয়ে রাখা যায়না। ডোনাল্ড ট্রাম্প চিনকে টাইট দেবেন বলে যখন প্রবল হম্বিতম্বি করছিলেন, এই প্রশ্নটা তখন এমেসেনবিসিতে করা হয়েছিল, যে, এত যে চিল্লাচ্ছেন, চিন যদি আমাদের পেপার (অর্থাৎ কিনা ইকুইভ্যালেন্ট টু কারেন্সি), গুলো বাজারে ছেড়ে দেয়, তখন কী হবে? আশ্চর্যের কিছু না, যে, ট্রাম্প উত্তর দিতে পারেননি। ট্রম্পের ক্ষমতার বাইরে, কারণ, উত্তরটা কেউই জানেনা। পুরোটাই চলছে, উপরে যেমন লিখলাম, সেই যুক্তিপরম্পরা নিয়ে। পুরো ওয়ার্ল্ড অর্ডার না বদলালে, পুরো পরম্পরাটাই যেকোনোদিন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। তখন আমরা চাকরি বাকরি হারিয়ে ক্যাপিটালিজমের সেশ দেখে নেব। :-)
  • S | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ০৪:০৯699994
  • "যারা কেনে, তারা টাকা পায় কোথা থেকে? না, যারা বানায় তারা ধার দেয়। যারা বানায় তারা ধার দেয় কেন? না, নিজেদের জিনিস বেচতে হবে বলে।"
    ঈশান বাবু, এই কথাগুলো আপনার তুলনায় একটু নাইভ হয়ে গেলো। ছোটোবেলায় এইসব ইমেল পেতাম। এখন বুঝি যে এগুলো খুবেকটা কাজের কথা নয়। আমেরিকা তো পৃথিবীর সেকেন্ড লার্জেস্ট এক্সপোর্টারও বটে। ব্যালেন্স অব ট্রেড -৫৫০ বিলিয়নের মতন হবে। ইন্ডিয়ারই তো -১০০ বিলিয়ন।

    চায়্নারও প্রায় 5.5 ট্রিলিয়ন ডলারের ডেট আছে।

    চায়্নার কাছে 1.2 ট্রিলিয়ন ডলারের ডেট আছে বটে। কিন্তু এটা তো চায়্নারও প্রবলেম। মানে চায়্না ইউএসেকে ধার দিয়েছে। এখন চায়না যদি এই পেপারগুলো বাজারে কম দামে ছাড়ে তাহলে অবস্যই ইউএস ডলারের প্রবলেম হবে। কিন্তু এই মুহুর্তে ওটি রিজার্ভ কারেন্সি ফলে সবারই প্রবলেম। মানে আপনি একটি কোম্পানিতে ইনভেস্ট করলেন। এইবারে সিইওর উপরে রাগ করে শেয়ারগুলো সস্তায় বিক্কিরি করলেন। কোম্পানির অবস্থা খারাপ হলো। কিন্তু আপনারও গ্যাঁট ফাকা হলো। সেরকমই চায়্না তো ইউএসেতে ইনভেস্ট করেছে। আর এখন তো চায়্নার নিজের হালই খারাপ। "চিন যদি আমাদের পেপার গুলো বাজারে ছেড়ে দেয়" এগুলো আমার মনে হয় একধরনের স্কেয়ার মঙ্গারিঙ্গ।
  • dc | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:৪১699995
  • "আসলে ক্যাপিটালিজম, কমিউনিজম, হিন্দুইজম, ইসলামইজম - যে কোনো মতামতের মুশকিল একটাই। আমরা তাদের রিলিজিয়ন বানিয়ে ফেলি।"

    অসাধারন কথা, সত্যি ভালো লাগল।

    তবে নবনীতাদি যেখানে লিখেছেন "গ্লোবালাইজেশানের লাভের গুড় পিঁপড়েতে খায়" সেখানে কিছুটা একমত হয়েও বলব এই গ্লোবাল ম্যানুফ্যাকচারিং প্রসেসটা বেশ জটিল। এর অনেক কন্ট্রোল ইস্যু আছে, ডিপ সাপ্লাই চেন ইস্যু আছে, ফোরকাস্টিং ইস্যু আছে যেগুলো ম্যানেজ করতে না পারলে সত্যি লাভের গুড় পিঁপড়ে খাবে, কিন্তু ঠিকমতো প্ল্যান করতে পারলে কিন্তু লাভ হয়। এই নিয়ে অনেক কেস স্টাডি আছে, কিছু কিছু গ্লোবালাইজড কোম্পানি কিকরে প্রফিট করে আর কিছু কিছু কোম্পানি প্রফিট করতে পারেনা, সেসব নিয়ে অন্য কোন টইতে হয়তো বিস্তারিত আলোচনা করা যেতে পারে।

    আর এটাও নিশ্চয়ই জানেন যে গত কয়েক বছর অ্যামেরিকাতে রিশোরিং মুভমেন্টও শুরু হয়েছে, কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে রিশোরিং করে যতটা লাভজনক হওয়া যেতে পারে বলে ভাবা গেছিল আসলে তা হচ্ছে না। এর বেশ ভালো একটা উদাহরন অ্যামেরিকার অ্যাপারেল ইন্ডাস্ট্রি, যার প্রায় পুরোটাই আউটসোর্সড হয়ে গেছিল। রিসেন্টলি কিছু রিশোরিং ইনিশিয়েটিভ নেওয়া হলেও নানান ইস্যু উঠে আসছে, যাতে দিনে শেষে দেখা যাচ্ছে সেই এন্ড টু এন্ড সাপ্লাই চেনই ভরসা (মানে ধরা যাক এক দেশ থেকে এক দেশ থেকে মালের সাপ্লাই এলো, আরেক দেশে তৈরি হলো, আরেক দেশে বিক্রি হলো)। এটার একটা ভালো কেস স্টাডি পড়ছিলাম, হয়তো আপনিও জানেন, অ্যামেরিকা জায়েন্ট ( কে নিয়ে। এই কোম্পানির মালিক রিশোরিং এর প্রবক্তা, কিন্তু রিশোরিং করতে গিয়ে যেসব অসুবিধে হচ্ছে সে নিয়ে বেশ কয়েকটা বিস্তারিত লেখা আছে।

    এতোটা লিখলাম এজন্যই যে গ্লোবালাইজড ট্রেড, মানে গ্লোবালাইজড মুভমেন্ট অফ গুডস আর লেবার, এতে অ্যামেরিকা শুধু না, পুরো পৃথিবীরই বাণিজ্যিক লাভ হচ্ছে। কিন্তু তার মানে এই না যে সব সময়ে সবারই লাহ হবে, কারন সাপ্লাই চেন ঠিকমতো ম্যানেজ না করতে পারলে ক্ষতি হবেই আর সাপ্লাই চেন ম্যানেজ করাটা খুবই জটিল একটা সাবজেক্ট। তবে ট্রাম্প, স্যান্ডার্স বা অন্য যে কোন ক্যান্ডিডেট যদি ভাবে যে প্রোটেকশানিস্ট পলিসি ইমপ্লিমেন্ট করে অ্যামেরিকার ইকনমি চাঙ্গা করবে তো আসলে তার ঠিক উল্টোটাই হবে।
  • S | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:৪৭699996
  • "তবে ট্রাম্প, স্যান্ডার্স বা অন্য যে কোন ক্যান্ডিডেট যদি ভাবে যে প্রোটেকশানিস্ট পলিসি ইমপ্লিমেন্ট করে অ্যামেরিকার ইকনমি চাঙ্গা করবে তো আসলে তার ঠিক উল্টোটাই হবে।"

    সহমত। বিশেষ করে আজকের দিনে যেখানে বেশিরভাগ ইকনমিই ধুঁকছে। এখন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড বন্ধ করলে হঠাত করে অনেক গুলো সেক্টর (যেগুলোতে এতোদিন ধরে ইনভেস্টমেন্ট হয়েছে, লোকে কাজ করছে) ঝামেলায় পড়বে।
  • ঈশান | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:৫৪699997
  • আমার অ্যানালজিটি নিঃসন্দেহে সরল ও গোলগাল। কিন্তু সে তো সরল করে বলার জন্যই। বস্তুত পৃথিবী টু প্লেয়ার গেম না। আরও অনেক প্লেয়ার আছে। এবং আমেরিকা শুধু চিনের কাছে ওই পরিমান ধারে তাই না, জাপানের কাছেও প্রায় সমপরিমান ধার। ডেটা আমার মুখস্থ নেই, কিন্তু উনিশ বিশ হবে আর কি। এবং আপনার অ্যানালজি ধরেই বলি, এই পরিমান শেয়ার যদি আমার কোনো কোম্পানিতে থাকে, তাহলে সত্যি সত্যিই আমি কোম্পানির লালবাতি জ্বালাবার চেষ্টা করবনা। বরং কোম্পানিতে আমার প্রতিপত্তি বাড়াব। বোর্ড অফ ডায়রেক্টর্সে ঢুকব। এবং আমার স্বার্থ ফলানোর চেষ্টা করব। চিন বা জাপান বোকা নয়, মুক্ত বাজারও মিথোজীবিতার উপযুক্ত আবাসভূমি না, ফলে এটা তারা করবেনা ভাবার কোনো কারণ নেই। এবং আমেরিকার বাড়বৃদ্ধি সুনিশ্চিত করাই তাদের মোক্ষ ও লক্ষ্য এটা ভাবারও কোনো কারণ নেই। :-)

    আপনার বা আমার ছোটোবেলায় এটা বললে জোক মনে হত। কারণ ডলার ছাপার মালিক আমেরিকার অর্থনীতি, যাকে বলে 'টু বিগ টু ফেল' বলে ধরা হত। এখন অনেক মিথই ভাঙছে, এটাও। দেশটির ডেট-টু-জিডিপি রেশিও ১০০% ছাড়িয়েছে। অন্য যেকোনো দেশ হলে অনেক আগেই একে ঋণের ফাঁদ বলা হত। বিগত দশ বছরে ঋণের পরিমান, না দেখেই বলছি, কমবেশি দ্বিগুণ হয়েছে। ঋণের চোটে কোনো কোনো মহলে সোশাল সিকিউরিটি তুলে দেবার ভাবনাচিন্তা চলছে। ফলে কোনো কিছুই আর জোক না। আমেরিকা এখনও খুব বড়ো ইকনমি, বিরাট সুপার-পাওয়ার। কিন্তু একই সঙ্গে যদি ঋণ বাড়তেই থাকে এবং কোর সেক্টর যে গতিতে আউটসোর্সড হচ্ছে, সেভাবে বাইরে যেতে থাকে, তবে স্রেফ 'আমরা ডলার ছাপি' আর 'আমাদের ইকনমি খুব বড়ো' এই দিয়ে পতন ঠেকানো যাবেনা, এটা সব মহলই বুঝছে। নইলে এবারের ইলেকশনে এত বাওয়াল হতনা।
  • ঈশান | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:০৭699998
  • "গ্লোবালাইজড ট্রেড, মানে গ্লোবালাইজড মুভমেন্ট অফ গুডস আর লেবার, এতে অ্যামেরিকা শুধু না, পুরো পৃথিবীরই বাণিজ্যিক লাভ হচ্ছে।" --

    ১। গ্লোবালাইজড মুভমেন্ট অফ লেবার? হচ্ছে কোথায়? দিকে দিকে তো ইমিগ্রেশনের বেড়াজাল। ভিসায় কাট। আমেরিকা মেক্সিকানদের 'ইল্লিগালি' ঢোকা কিকরে বন্ধ করা যায়, চেষ্টা করছে। ভারত যেমন করছে 'বাংলাদেশী অনুপ্রবেশ' আটকানোর। ফ্রি লেবার মুভমেন্ট কোথায়? কীভাবে?

    ২। মুভমেন্ট অফ গুডস? সেটা এতদিন মনে হচ্ছিল ধ্রুবসইত্য। কিন্তু ব্রিটেন আর আমেরিকা নিজেই এখন অন্তর্দ্বদ্বে জর্জরিত, বিষয়টা নিয়ে। পরিস্থিতি যেদিকেই যাক, ফ্রি মুভমেন্ট অফ গুডস থেকে সরে আসতে হবে বলেই মনে হচ্ছে। এবং পরবর্তী দশকে (ক্যাপিটালিজমকে যদি বাঁচাতে হয়), বাজওয়ার্ড হবে 'নেগোশিয়েশন'। আর কিছুই 'ফ্রি' নয়, সবই নেগোশিয়েটেড, এইরকম একটা গপ্পো দাঁড়াবে।
  • S | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:০৯699999
  • জাপান তো ইউএসের বন্ধু দেশ। কোনো দ্বেষ তো থাকার কথা নয়। তাছাড়া জাপানের নিজের অর্থনীতির কোনো গ্রোথ নেই - উল্টে কন্ট্র্যাকশান করছে। অতেব নিজের ইকনমিতে ১০০ টাকা ঢাললে এক বছর পরে তার ভ্যালু কমে ৯৯ টাকা হচ্ছে। অন্যদিকে আমেরিকা এখনো ১-২% গ্রোথ দিচ্ছে, হয়তো কখনো কখনো একটু বেশিই দেবে। সেই আশায় ওরা আমেরিকাতে ইনভেস্টেড। এতো টাকা আর কোথায় ইনভেস্ট করবে? অতেব আমেরিকাতেই ভরসা। অন্য অনেক দেশের ক্ষেত্রেই এইটা প্রযোজ্য।

    চীন হয়তো প্রতিপত্তি বাড়াতে চাইবে। সবসময়ই চাইছে। আর চায়না রাশিয়ার সাথে মিলে গন্ডগোল করতেই পারে। যদিও এইটা শুনতে অনেকটা ইংরাজি সিনেমার মতন, তবু যদি ধরেও নিই সেইতা করে, আমেরিকা কি চুপচাপ বসে থাকবেন ভাবছেন। অনেক অন্য রকমের বন্দোবস্ত আছে - খোলা পাতায় না লিখলেও চলে।

    তবে আমেরিকার ডেট লেভেল সত্যিই চিন্তার ব্যাপার। (অন্য অনেক দেশের ডেট লেভেলও চিন্তার ব্যাপার)। ট্যাক্সো বাড়াবো না, এদিকে খরচ তো আর কমছে না। তবে এটার অনেকটাই পলিটিকাল - সেইটা আমরা সবাই বোঝেন।
  • S | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:১৪700000
  • হ্যাঁ ফ্রি মুভমেন্ট অব লেবার তো হচ্ছেই না। অন্যদিকে বাকি সবকিছুরই ফ্রি মুভমেন্ট হচ্ছেঃ ক্যাপিটাল, গুডস, আর টেকনলজি। একটা জগাখিচুড়ি হয়ে আছে।

    সে যাই হোক আমার কেন জানি মনে হচ্ছে কিচ্ছুটি বদলাবে না। শুধু সাধারণ লোকেদের আর গরীবদের হাল খারাপ থেকে খারাপতর হবে।
  • dc | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:২৬700002
  • খানিক পরে লিখছি। ফ্রি মুভমেন্ট অফ লেবার খুব কম হচ্ছে, আর "ফ্রি" মুভমেন্ট অফ গুডস" তো কখনোই ছিল না, কিছু ট্যারিফ বা কিছু ট্রেড ব্যারিয়ার সবসময়েই ছিল, তবে গত তিরিশ বছরে এই ব্যারিয়ারগুলো অল্প অল্প করে কমানো হয়েছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন