এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • গোর্খাল্যান্ড ???

    Ananyo
    অন্যান্য | ০৪ আগস্ট ২০১৩ | ৪০৫৩৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • T | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৩৯616144
  • ঈশানবাবু, গাণিতিক সমস্যাটা আমার তৈরী করা নয়, ওটি আপনার উদাহরণের মধ্যে ছিল। 'এই ব্যাটা ভুল করেছিস', বলে পূর্ণকুম্ভপ্রদানের কোন ইচ্ছেই আমার ছিল না, আমি শুধু যাকে বলে পয়েন আউট করেছি। তো সেটিকে আপনি কুস্তি লড়ার আগে, যৎপরোনাস্তি গা ঘামানোর ছায়া হিসেবে ব্যবহার করলেন, তা দেখে একটু আশ্চর্য হলাম বৈকী।

    তা সে যাই হোক, একটু মূল বিষয়ে আসি। জাতিভিত্তিক বিভাজনের ক্ষেত্রে, শুধুমাত্র স্পেসিয়াল নয় এবং টেম্পোরাল অবস্থানটিও নিশ্চয়ই একটি মাণদন্ড। ক্রমাগত পরিকাঠামোগত উন্নয়ন চললে, এবং কানেক্টিভিটি বাড়লে পাহাড়ের মানুষের মধ্যে গোর্খাদের আনুপাতিক সংখ্যাগরিষ্টতা নিশ্চয়ই একটি ধ্রুব ব্যাপার থাকবে না। বহুমানুষ যেমন ইতিমধ্যেই ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছেন, ঠিক তেমনি আগামীতে আরো বেশী করে ছড়িয়ে পড়বেন বলে ধারণা করা নিশ্চয়ই আকাশকুসুম নয়। পুরীতে বাঙ্গালীদের সংখ্যাগরিষ্টতা, (সিকি উবাচ), মূল কলকাতায় অবাঙালী লোকের সংখ্যাগরিষ্টতা (খুব সম্ভবতঃ কলকাতায় বাঙলা ভাষাভাষী মানুষের সংখ্যা ৩৭ শতাংশের আশে পাশে) বা ব্যাঙ্গালোরে ক্রমবর্ধ্মান বাঙালী পপুলেশন এই ইঙ্গিত অবশ্যই দেয়। উদাহরণ মাত্র। বলতে চাইছি, ক্লাস্টারড জনগোষ্টীর টেম্পোরাল লোকেশন যেহেতু একটি ভেরিয়েবেল, সুতরাং কোনো ভুখন্ডেই কোনো জনগোষ্টীর চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত হতে পারে, এই ধারণা মোটের উপর সন্দেহজনক। ফলে গোর্খাদের সংখ্যাগরিষ্টতার টেম্পোরাল প্যাটার্ণ আজ না হলেও ভবিষ্যতে তাদের গণভোটে যেতে শঙ্কিত করবে সন্দেহ নেই। এবার মজার ব্যাপার দেখুন, কারণ হিসেবে এর পিছনেও একটি গাণিতিক মডেল নির্মাণ করাই যায়। স্পেক্ট্রাল গ্রাফ থিয়োরী। এবং এই ছড়িয়ে পড়া, মিশ খাওয়া ইত্যাদিই একটি প্রকৃত ভারতীয়ত্বের খুব কাছাকাছি একটি ব্যাপার, যা খুব সম্ভবত আপনিও মানবেন, ম্যাথামেটিকসও মানবে। অতএব গোর্খাদের ভারতীয়ত্ব যত বেশী ঘটবে তত স্বতন্ত্র গোর্খাল্যান্ডের প্রয়োজনও কমবে এই হ'ল প্রথম পয়েন্ট।

    এই অবধি পড়ার পর যদি বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করে থাকেন যে 'টি' একটু নির্লিপ্তির সাথে কিছু গাণিতিক আর্মার ব্যবহার করছে তাহলে একটু ভুল হবে। এ বক্তব্য আসতই স্রেফ সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু এইটুকুই, এর বেশী নয়, এবং এসব থাক। দুই নম্বর পয়েন্টে আসি। এই যে বিমল গুরুং জিটিএ চুক্তি মেনেছিলেন, তার নিশ্চয়ই কিছু কারণ ছিল। চুক্তির আগাপাশতলা না জানলেও গুরুং বাবুর সন্তুষ্টির যে কারণ ছিল তা একপ্রকার নিশ্চিত। এবং এই চুক্তি যখন উনি সই করেছিলেন তখন চুক্তির ফল ফলার জন্য একটু সময় যে দিতে হবে সে কথাও নির্ঘাত জানতেন। একইভাবে যাঁরা তাঁর ছত্রছায়ায় আন্দোলন করছেন তাঁরা, মানে সেইসব পাহাড়বাসীও নিশ্চয়ই জানতেন। খুশিও ছিলেন নিশ্চয়ই। নয়তো পাহাড়ে মমতার তুমুল সমাদর, তথা আদিখ্যেতা পেতেন না। আবাপর প্রথম পাতায় প্রচুর পাহাড়বাসীর ফুল বৃষ্টি মাড়িয়ে হাওয়াই চটির ফটাত ফটাত একেবারে শব্দ সমেত উঠে আসত না। তাহলে তেলেঙ্গানা ঘোষণার পরেরদিন থেকে গুরুঙ সমেত পাহাড়ী বিক্ষোভ একটু সন্দেহজনক নয়! মানে জিটিএ নামক সদ্যোজাতকে আরো একটু বড় হতে দেওয়ার দরকার কি ছিল না! ইনফ্যক্ট পাহাড়ে ঢালাও উন্নয়ন হলে পাহাড়বাসীর বিক্ষোভের পথ প্রশমিত হলেও হতে পারত। আফটার অল কোনো আন্দোলনই আরো উন্নয়নের আশা বা অরাজকতার অপসারণের দাবী ছাড়া হয় না। কামদুনির মেয়েদেরও রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়ে মূল দাবীর সাথে পানীয় জল রাস্তার কথা জানাতে হয়। তেলেঙ্গানার দাবীতেও বঞ্চনা একটা বিরাট অংশ জুড়ে থাকে। স্রেফ আমরা গোর্খা তাই আমরা আলাদা হতে চাই, এই দাবী কাউকে গেলানো মুশকিল, যদি না সেটা অনুন্নয়নের শরবতের সাথে খাওয়ানো যায়। এবং এই জিনিস তারানন্দের অনুষ্টানে রোশন গিরির বক্তব্য শুনলেই বুঝবেন।

    এবার যে গণভোটের প্রস্তাব আপনি করছেন সেখানেও আমি দুচারপয়সা দেব না তা কি হয়! রাষ্ট্রের সাথে দরাদরি আনকন্ডিশনাল তো আর চলতে পারে না। এইটা একটা প্রাথমিক অ্যাজাম্পশন। রেবেলরা এটা নাও ধরতে পারে, কিন্তু রেবেলদের কথা তো আর হচ্ছে না। কিছু জিনিস আপনাকে কম্প্রোমাইজ করতেই হবে। এবার ধরুন কোন একটি এলাকার কিছু লোক ঠিক করল তারা আলাদা রাজ্য তৈরী করবে। বামুনবাড়ীর উঠোন থেকে নস্করপাড়ার পুকুর অবধি দাঁড়াল প্রস্তাবিত রাজ্যের একপ্রস্থ সীমানা। যথাবিহীত আন্দোলনের পর সরকার তা মেনেও নিল। এখন এই টুকরো খানেক রাজ্যের মন্ত্রী হ'ল, সান্ত্রী হ'ল, রাজার মেয়ে কোটালপুত্তুরকে লাল কার্পেটে মোড়া রাস্তায় ঘোড়ার পিঠে চেপে আসতে দেখে টুক করে হেসেও নিল, কিন্তু, খেয়াল করুন রাস্তাটি কিন্তু অবিভক্ত হাড়িয়াবাদের লোকেদের ট্যাক্সের টাকায় বানানো। অর্থাৎ পাহাড়ের যদি কণামাত্রও উন্নয়ন ঘটে থাকে, তাহলে তাতে শুধুমাত্র পাহাড়ের লোক নয়, বাকীদেরও অবদান আছে। সুতরাং একতরফা ভাবে স্রেফ ঐ নির্দিষ্ট অঞ্চলের লোকের কথাই শুনতে হবে এমনটা কি হতে পারে? এছাড়া যে ভারতীয়ত্বের দাবী গোর্খারা ফেলতে পারছে না, স্রেফ কেন্দ্রের থেকে সুযোগ সুবিধে নেওয়া যাবে বলে (এছাড়া মাইরী ভারতীয়ত্ব কনসেপ্ট দাঁড়ায় না), সেই কেন্দ্রের টাকাও অন্যান্য বাকী রাজ্যের থেকে গৃহীত কর থেকেই তো আসে। ফলে ভারতীয়ত্বের পাকা কলাটি পরিত্যাগ না করলে, এই আন্দোলনে স্রেফ একপেশে অবস্থান কি নেওয়া যায়? ভারতীয়ত্ব বজায় রাখতে চাইলে, সেই ভারতীয়ত্বের ভাগটুকুও দিতে হবে বৈকী। রাষ্ট্র যদি দেখে যে, আলাদা রাজ্য হলে কোন প্রশাসনিক বেনিফিট নেই, তাহলে স্রেফ জাতিভিত্তিক আন্দোলন রাষ্ট্র কেন সাপোর্ট করতে যাবে? সেক্ষেত্রে গণভোটের জায়গা বা জনতার ফ্রি উইল কি আদপেই থাকে! রাষ্ট্রেরও কিছু বলা আছে নিশ্চয়ই। অতলান্তিকের ওপারে শুনেছিলাম ডিভোর্স হলে টাকাপয়সা সব সমান ভাগাভাগি হয়, অনেকটা ঐ অবদানের স্বীকৃতি জাতীয় ব্যাপার আর কি! এছাড়া আরো ফান্ডামেন্টাল যে বিষয় নিয়ে কৌতুহলী হয়েছি যেটা, সেটা হ'ল এলাকার মানুষের কিসে ভাল হবে সেটা কি প্রতিবারই গণভোটে স্থির হবে? পোস্টাপিস থেকে সিঙ্গুর অবধি! এবং এই পয়েন্টের আলোচনা শেষমেশ সেই খসড়ার বক্তব্যের দিকে টার্ণ নেবে এমন শঙ্কা বোধ করে একটু অস্থিরই হয়েছি বোধহয়।

    এছাড়া খুবই আশ্চর্যের সাথে মনে প্রশ্ন জাগছে যে, এই মানুষের কথা শুনতে হবে এইটা মানলে চার্ণকল্যান্ডের পসিবিলিটি দূর্লভ কেন? এখন না হয় পুরোটাই জাতিসত্ত্বা ভিত্তিক অনুন্নয়নের আন্দোলন (সে আপনারা যাই বলুন), ভবিষ্যতে সেটা অর্থনীতি ভিত্তিক না হওয়ার কি আছে! আর খুবই চিন্তিত হয়ে যে একমেবাদ্বিতীয়ম গাণিতিক ফর্মুলার খোঁজ করছিলেন যা কিনা গোর্খ্যাল্যান্ডের সাথে এক্সট্রীম চার্ণক্ল্যান্ড বা আটলান্টিসের যোগসূত্রের হদিস দেবে, সেটা জানতে হলে স্রেফ কাগজের পাতায় চোখ রাখাই কি যথেষ্ট নয়? বড়োল্যান্ড, সাঁওতাল পরগণা, গ্রেটার কোচবিহার, মহারাষ্ট্রর পুওর অংশ বাদে ধনী মুম্বাই ইত্যাদি কি ইঙ্গিত দেয়! এ তো বাস্তব ফ্যাক্ট স্যার।

    এইবার, ফাইনালি এইসব থিয়োরীর সটান এক্সট্রাপোলেশন করতে 'দি পাই' নিশ্চয়ই উশখুস করবেন, বা বিরিয়ানী সাহেব আমাকে আরো কিছু ষ্ণিক যুক্ত কিছু বানাবেন, আপনিও খাপ খুলবেন বৈকী, কিন্তু সিরিয়াসলি এগুলো আমার একটা অনুভূতি ব্যক্ত করলাম মাত্র। এবারেও নির্লিপ্তিটা লক্ষ্য করুন, ম্যাথমেটিক্যাল আর্মার ছাড়াই। ফলে বেকার খোঁচা না ঝেড়ে (মানে স্মাইলি সমেত কিছু স্ম্যাশ) যদি কিছু বলেন তো বলুন, শুনছি। অন্যথায় এসবই একটি ভৌতিক দেহের বুৎকার মাত্র ভেবে কাটিয়ে দিন।
  • PT | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৩৯616143
  • ভোটের আগে গ্রেটার কুচবিহার আর কামতাপুরির নেতাদের সঙ্গে মমতার দহরম-মহরমের কথা ভুলে যাবেন না।
  • b | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৪৫616145
  • কামতাপুরের দাবী বাংলা আসাম জুড়ে।
  • PT | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৪৯616146
  • ঠিকই তো-কিন্তু ভোটের আগে কেউই অচ্ছুৎ ছিল না।
  • cm | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৫০616147
  • পাগলা, খাবি কি ঝাঁঝে মরে যাবি।

    বিদ্ধিবদ্ধ ডিঃ ঐ বাক্যবন্ধটি একটি ভাব বোঝাতে ব্যবহৃত হইল। আমি কাউকে অসম্মান করে তুই বলছিনা।
  • PT | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৫৩616148
  • Political turmoil in Darjeeling hills has put two major hydropower projects in West Bengal under trouble. While one already commissioned 132 MW project had to close down its production, construction work of the other 160MW project got stalled at advanced stage.

    http://articles.economictimes.indiatimes.com/2013-08-05/news/41093646_1_darjeeling-bandh-tldp-iv-rs-1061-38

    রাজ্যভাগ হলে সত্যি সত্যি নয়াচরে পারমাণবিক বিদ্যুত-প্রকল্পের কথা ভাবতে হবে।
  • T | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৫৮616149
  • চান্দু স্যার কি আমারে ঠুকলেন!
  • cm | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৪:০৩616150
  • ঠুকলাম! মশাই পারলে আপনাকে কাঁধেতুলে নৃত্য করতাম। একেই আজ সকাল থেকে মেজাজ খুশ তার ওপরে এই সব পোস্তো।
  • j | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৪:১১616151
  • রোশন গিরিকে যারা খুব ভদ্র সভ্য বলছেন, নতুন অবতারে পেশ করছেন, ইন্টারভিউ দেখে মোহিত হচ্ছেন তারা কি মদন তামাং হত্যার পরে ওনার প্রতিক্রিয়া ভুলে গেছেন ?

    গোর্খা লিগের নেতা মদন তামাংকে প্রকাশ্য দিবালোকে দর্জিলিং ম্যালের পাশের রাস্তায় ভোজালি দিয়ে কুপিয়ে খুঁচিয়ে মারার পর মাছি তাড়ানোর ভঙ্গীতে উড়িয়ে দিয়েছিলেন, যে কজন মোর্চা সমর্থককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল তাদের ছাড়ানোর জন্য সে কি দাপাদাপি রোশনের !

    বলা যায় না, কোনদিন হয়ত নোবেল শান্তি টান্তি বা ম্যাগসেসে-টেসেও পেয়ে যেতে পারে
  • j | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৪:২৩616153
  • মদন তামাং হত্যা মামলায় এই অফিসিয়াল সেলফোন রেকর্ডের ভিত্তিতেই গিরি আর গুরুংএর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য কেস আছে, সরকারের সদিচ্ছা থাকলে এই দুজনকেই আজীবন ঘানি টানানো যায়

    http://www.ksnonline.org/forum/topics/bimal-gurung-and-roshan-giri

    The Financial Express reported last year of, “Official intercepts of phone conversations between top leaders of the Gorkha Janamukti Morcha (GJM) and local cadres…” clarifying “complicity of Gorkha leaders including GJM Supremo Bimal Gurung, general secretary Roshan Giri and some local leaders. Roshan Giri was gave detailed instructions to kill Tamang using a SIM card issued in the name of Suraj Limbu.

    http://isikkim.com/2011-12-madan-tamang-murderer-murdered-who-else-than-gjm-will-be-blamed-29-02/

    যে ফোন করে মানুষ খুন করায় আর মোবাইল রেকর্ডে সেগুলো ধরাও পরে, খোলাপাতায় তার অমায়িকতার প্রশস্তি করার আগে দুবার ভাববেন না ? এতটা নির্মম হওয়ার সময় বোধহয় এখনও আসে নি !
  • নিমো | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৪:২৭616154
  • এই দেখো, আবার হাইড্রোপ্রোজেক্ট বন্ধ হলো বলে কান্নাকাটি করছে! ওসব পাহাড়ি চাষার জমি কেড়ে নিয়ে বানিয়েছিল না? ওরা আপত্তি করেছে যখন, বন্ধ তো করতেই হবে! ৮০% সিভিল ওয়ার্ক কমপ্লিট তো কি, হেহে, ৮০% এর গল্প আমরা আগে শুনিনি নাকি!

    তাছাড়া আমরা তো বাড়িবাড়ি আচারের দোকান দেবো আর সাইকেল রিপিয়ারিং শপ খুলবো। ওতে আবার বিদ্যুত লাগে নাকি! দিনের বেলা আচার বানাও, রাত্তিরেতে তেড়ে ঘুম দাও। ব্যাস! ঐ ব্যাটা সিপিএম লিডার পাঠকের কানেকানে গিয়ে বলতে হবে, ঐ দ্যাখ মেধা আসছে, পেছনেই অনুরাধা! যা দৌড় লাগাবে না!
  • de | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৪:৩৬616155
  • T -- এতো ভালো লিখছেন -- সত্যি রোজকার ঘ্যানঘ্যান শোনার থেকে একটা অন্যরকম মুক্তির আবহাওয়া এই টইতে --

    "গোর্খাদের ভারতীয়ত্ব যত বেশী ঘটবে তত স্বতন্ত্র গোর্খাল্যান্ডের প্রয়োজনও কমবে" -- চেরি অন আইসিং -- এক্কেবারে খাঁটি কথা।

    এই রোশন গিরি নিজেই কি গোর্খা? দেখে তো অন্ততঃ তা মনে হয় না!
  • dd | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৪:৩৭616157
  • মাকু আর নকুটেদের খুব সহোজেই আলাদা করা যায়।

    এক্ষণে মাকুরা খুব ইন্ডাস্ট্রী চায়, নিউ আর ক্লিয়ার তো বটেই, সব রকোমের বিদ্যুৎ চায়, শিল্পো চায়। ইন্ডিয়ায় কোথাও কোনো এজিটেশন হলেই সাপোর্ট আরে করে না। এরম আগে ছিলো না।

    নকুটেদের এখন আর্লি কৈশোর। ওনারা নতুন পরিষ্কার তো দুরের কথা,কোনো পাওয়ার প্ল্যান্টই চান না। কোনো রকোম ইন্ডাস্ট্রী চান না। কোনো রকোমের বড়ো স্ট্রাকচার পসন্দো করেন না। সমস্তো আন্দোলনকেই সাপোর্ট করেন।

    ক্রমে এরাও ভাম হবেন। তখন উন্নতোতরো নবীনোতরো নকুরা এসবেন। তারা হয়তো ঘুড়ি আর আচার শিল্পোরও প্রতিবাদ করবেন।
  • PT | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৪:৩৭616156
  • নাঃ রাতে ঘুনু করার আগে রুটিআলুচচ্চড়ির শ্রমনিবিড় ব্যবসা-রাস্তার কোনায় কোনায়!!
  • PT | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৪:৪১616158
  • "গোর্খাদের ভারতীয়ত্ব যত বেশী ঘটবে তত স্বতন্ত্র গোর্খাল্যান্ডের প্রয়োজনও কমবে"

    তাহলে কি তেলেঙ্গনা হত? মানে এতদিনেও তেলেঙ্গনার মানুষের ভারতীয়ত্ব অর্জিত হয়নি?
  • de | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৪:৪৩616159
  • সেই "জাতিসত্ত্বার আত্মসম্মান" যা কিনা আলাদা রাজ্য না হলে পাওয়া যায় না, তা একটি কাঁঠালের আমসত্ত্ব বিশেষ -- ভারতের অসংখ্য উপজাতি কোল, ভীল, মুন্ডা, ওঁরাও, সাঁওতাল ইঃ বা আন্দামানের জারোয়া, সেন্টিনেল, গ্রেট আন্দামানিজ -- এদের প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা রাজ্য করা হোক তবে!
  • pinaki | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৪:৫৫616160
  • "গোর্খাদের ভারতীয়ত্ব যত ঘটবে, যত উন্নয়ন হবে, তত আলাদা হওয়ার প্রবণতা কমবে" - এই থিওরিটা তাহলে মেইনল্যান্ডের যে রাজ্যগুলো নতুন তৈরী হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে খাটছে কই? ছত্তিশগড়ের ভারতীয়ত্ব কি মধ্যপ্রদেশের থেকে কিছু কম পড়িয়াছিল?

    ভাষা আর জাতিসত্ত্বার প্রশ্নটা জরুরী। সেটার সাথে ভারতীয়ত্বকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর খুব একটা অর্থ নেই।

    আর আমার ট্যাক্সের টাকা তো শুধু গোর্খাল্যান্ড নয় ভারতের সব রাজ্যে খরচা হচ্ছে। সেজন্য অন্য সব রাজ্যের সিদ্ধান্তকে আমি কতটুকু নিয়ন্ত্রণের দাবী জানাতে পারি?
  • pinaki | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৫:০০616161
  • কোল ভিল মুন্ডারা যদি এক একটা অঞ্চল ধরে বসবাস করে আর তারা যদি আলাদা রাজ্য চায় আমাদের অসুবিধেটা ঠিক কোথায়? মানে বিহার ভেঙ্গে ঝাড়খন্ড হওয়াতে পঃবঙ্গের লোকেদের ঠিক কি অসুবিধে হয়েছে? বিহারের লোকেদেরই বা সমস্যা কি হয়েছে? উত্তরাঞ্চল বা ছত্তিশগড় হওয়ার সময় বা পরে তাদের তো ক্লেম করতে শুনি না যে রাজ্য ভাগ হয়ে বিশাল অসুবিধে হল আমাদের।

    গোর্খাদের দিক থেকে আলাদা রাজ্য হলে লাভ হবে না ক্ষতি হবে সেটা আলাদা আলোচনার ব্যাপার। সেটা প্রাথমিকভাবে তারাই বুঝুক। আমাদের আলোচনার বিষয় আমাদের বাকি অংশের মানুষের কি লাভ বা ক্ষতি হবে। রেফারেন্স ফ্রেমটা বদলানো হোক।
  • শ্রাবণী | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৫:০৯616162
  • দের পোস্ট দেখে টির লেখাটা পড়ে এলাম, সত্যি খুব ভালো লিখেছে, এখানের সব তরফের ইউজুয়্যাল গোল গোল আর হিট মার্কা লেখার বাইরে!
  • b | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৫:১০616164
  • ১। দে, রোশন গিরি গোর্খা উপজাতির লোক না হলেও ওখানকার লোক তো বটেই। আর অনেকসময় দেখে বুঝবেন না কারণ নেপালে একসময় শিশোদীয় রাজপুতদের বড় ইনফ্লাক্স হয়েছিলো। খাড়া নাক নেপালী অনেক আছেন।

    ২। আর অন্দোলনে শুধু গোর্খারাই নেই। একজন বড় স্পোকসপার্সন অর্জুন প্রসাদ। উনি জন্মসূত্রে বিহারী।
  • Pinaki | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৫:১১616165
  • আর টি এর টেম্পোরাল থিওরিকে আপাততঃ ঙ দিচ্ছি। তার কারণ কসমোপলিটন সিটিতে অন্য ভাষা ও জাতি গোষ্ঠীর আধিক্য সময়ের সাথে সাথে হয়েছে ঠিকই, কিন্তু একটা রাজ্যে সামগ্রিকভাবে কানেক্টিভিটি বাড়ার ফলে সেই রাজ্য যে ভাষা আর জাতিসত্ত্বার উপর বেস করে তৈরী তারা মাইনরিটি হয়ে গেছে - এরকম উদাহরণ আমার মাথায় আসছে না। টি এর মাথায় আসলে জানাক। তবে ক দেব।
  • RM | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৫:১৩616166
  • এই "ভারতীয়ত্ব" ব্যাপারটা কি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কাঁঠালের আমসত্ত্ব বিশেষ নয়? দেশের ভিতর সুরক্ষিত গণ্ডীর মধ্যে আত্মীয় পরিজন বন্ধু-বান্ধব পরিবেষ্টিত মোটামুটি নিশ্চিন্ত অবস্থায় নিজেকে বেশি ভারতীয় না বেশি বাঙালী ভাবি?
    অবশ্য ক্রাইসিস এর সময় যেমন কারগিল যুদ্ধ বা মুম্বাই এ সন্ত্রাসবাদী হামলা এবং প্রতি বছর ২৬ শে জানুয়ারী বা ১৫ই আগস্ট এর দিন নিয়ম করে ভারতীয়ত্ব চেগে ওঠে। অলিম্পিকে সাইনা বা মেরি কম কে মেডেল জিততে দেখলেও।
  • de | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৫:১৮616167
  • তাহলে আলাদা রাজ্য কেন? আলাদা দেশই হোক -- এ তো মুম্বই ফর মারাঠীস এর মতো হলো -- যেটার বিপক্ষে শোভা দে ইঃ বলছেন মুম্বই ফর মুম্বইকার্স --

    ভাঙ্গতে আরম্ভ করার কোন থ্রেশহোল্ডস নেই তো -- কতোখানি ছোট করে ভাঙ্গলে ঠিক জাতিসত্ত্বার আত্মনিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে তারও তো অংক কষে হিসেব করা যাবে না। ভারতবর্ষের সমস্ত জায়গাতেই সব জাতিসত্ত্বার লোক সমঘনত্ত্বে না হলেও মিলেমিশে থাকবে আর একে অপরকে ভারতীয় বলেই সম্মান করবে -- একই দেশের অধিবাসী হয়ে থাকতে গেলে এইটা দরকারী। নাহলে প ব তেও তো এক বাঁকুড়া -বীরভূমেরই অজস্র ডায়ালেক্ট, এবং সেই হিসেবে ভেঙ্গেচুরে আলাদা রাজ্য করতে গেলে -- এতো জাতি-উপজাতি সম্পন্ন দেশে কতগুলো রাজ্যের দরকার তার কি ঠিক আছে?
  • khilli | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৫:২৬616168
  • তিস্তা পাওয়ার প্লান্ট গোর্খাল্যান্ড এ হলেই বা ক্ষতি কি? ন্যাশনাল গ্রিড এ তো বিদ্যুত যাবে, সেটা থেকেই টানবে দরকার হলে। প ব তে এমনি ই তো বিদ্যুত উদ্বৃত্ত।
    পাহাড়ের উন্নতি তে তো সারা ভারতের লোক দের ট্যাক্স এর অবদান আছে, তেমন বাকি বাংলার উন্নতি তে গোর্খা দের ট্যাক্স এর অবদান ও আছে।
    বাঙালি রা লিজ নিয়ে ব্যবসা করে আর পাহাড়ের লোক কুলিগিরি করে আর চা বাগানে কাজ করে। ওদের তো রাগ হবেই।
    হিমাচল আর উত্তরাখন্ড রাজ্যে কত শতাংশ রেভিনিউ পর্যটন থেকে আসে আর কত শতাংশ কৃষি থেকে?"Agriculture contributes over 45% to the net state domestic প্রোডাক্ট" - বাকি ৫৫% ? আচ্ছা পর্যটন প্রধান স্টেট হিসেবে সিকিম কে ধরবেন তো ?
  • de | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৫:৩২616169
  • গোর্খাদের লিজ নিয়ে ব্যবসা করায় কোন নিষেধাজ্ঞা আছে ওখানে? গোর্খাল্যান্ড হয়ে গেলেও ওখানে অন্য জাতের লোকেই বেশী ব্যবসা করবে -- পুরো রাজ ঠাকরে লাইন -- মুম্বইয়ের চাকরী সব মারাঠীদের দিতে হবে --
  • শ্রাবণী | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৫:৩৫616170
  • কিন্তু আলাদা রাজ্যে খরচ নেই? কে জানে! যদি না থাকে তাহলে অবশ্য কোনো ব্যাপার নয়, করে দিলেই হল, এত লোকে এত বায়না করছে যখন। ছোট ছোট জেলা সাইজের রাজ্য।
    আর ভারতীয় বলে ভাবেনা লোকে যখন, তাহলে তো দে যা বলে, ভেঙে দেশ করলেই হয়। তবে এরকম লোক কজন আছে!
  • pinaki | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৫:৪৪616171
  • আমাদের যদি বলা হয় আজ থেকে পঃবঙ্গ রাজ্য আর রইল না, তাকে ঝাড়খডের মধ্যে ঢুকিয়ে নেওয়া হল - মেনে নিতে পারবেন?
  • de | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৫:৫২616172
  • বাকি সুযোগ-সুবিধে সব একই রকম থাকলে কেন আপত্তি করবো?
  • pinaki | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৬:০১616173
  • দেদি, তাহলে বাকী সুযোগসুবিধে (খুব সম্ভবতঃ অর্থনৈতিক বোঝাতে চাইছ) এক থাকলে ভাষা সংস্কৃতিগত স্বাতন্ত্রের কোনো ভ্যালু নেই বলতে চাইছ?
  • h | ০৭ আগস্ট ২০১৩ ১৬:০৮616175
  • আমার বক্তব্য নিম্নলিখিত, আমি জানি আপনারা নিঃশ্বাস বন্ধ করে অপেক্ষা করছিলেন ;-)

    গোর্খাল্যান্ড এর নাম বদলে যদি হয় পূর্ব হিমাচল, তাইলে ই আর, স্টেট ফর্মেশন এর ভিত্তি জাতি হবে না, ভাষা বা অঞ্চল ই থেকে যাবে, তাইলে বড় করে গোটা উত্তর বঙ্গ কেই একটা রাজ্য করে দেওয়া যাবে। সেটা কিন্তু খারাপ হবে না। অনেক লোক চাকরি টাকরি পাবে, নতুন সেক্রেটারিয়েট হবে ইত্যাদি। শিল্প পাহাড়ে বিশেষ হবে না। কৃষি ও হবার চান্স কম, বেশি টুরিজম/কৃষি/শিল্প কিসু হলেই পরিবেশ এর সমস্যা হবে, কারণ পরিবেশ নাজুক,বড় বড় ডিজাস্টার এর সম্ভাবনা।

    তাই কিছুটা সমতল সহ, বড় ট্রেড রুট সহ নতুন রাজ্য হলে সকলের ই সুবিধে হবে। তবে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার বার খেয়ে পাবলিক সেকটরে বিনিয়োগ করব না, আমি বড় হয়ে মন্টেক হব, এই সব বল্লে হবে না।

    বাই দ্য ওয়ে, আমি কিন্তু সিরিয়াস।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন