এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • (শুধুই) মেয়েদের জীবনের যন্ত্রণা ও আনন্দের অভিজ্ঞতা

    rimi
    অন্যান্য | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ | ১৮০৫৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aka | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২১:১৬484711
  • আমি তো বাধ্য হয়ে করি। :(
  • kc | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২১:১৯484712
  • আমিতো হোমমেকার, ঘরজামাই, আরও অনেক কিছু হতে চেয়েছিলাম। হতে দিল কই? :(
  • bb | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২১:২৭484713
  • পাই কে ক, আমার বাড়ীতে কেউই রান্না করতে ভালবাসিনা, কাজের লোক দারুন রাধেন তাই চেটেপুটে খাই। দায়ে পড়লে উনি রাঁধেন আমি বাসন মাজি। এছাড়া এখন হোম ডেলেভারী আছে, আর বিদেশে আমি একা একা যাই যখন তখন নিজেই রেঁধে নি। দাদু দিদিমার সময় এখন আর নেই। আমার মা চিরদিন চাকরী করেছেন যখন বা রিটায়ারমেন্টের পরে এখনও রান্না নিজে করেন না। আমরা কেউ তা চাইও না। তাই আমি মায়ের হাতের রান্না এই সিনড্রোমেও ভুগি না। বরং শ্বশ্রূমাতা এই ব্যাপারে অনেক দক্ষ আর তা নির্দ্বিধায় স্বীকারও করি।
    এই ধারণাগুলি এখন বদলে যাচ্ছে।
  • rimi | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২১:৩৭484714
  • পাই, সিকি, সেতো অবশ্যই। A যদি হয় রান্না করতে না চাওয়া ছেলেদের সেট,আর B ভালোবেসে রান্না করতে চাওয়া ছেলেদের সেট, তাহলে A আর B কখনৈ মিউচুয়ালি এক্সক্লুসিভ ইভেন্ট নয়। :-)
  • pi | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২১:৪২484715
  • ও আরেকটা কথা। অনেক সময়ই যেগুলো নিয়ম হিসেবে চলে আসছে, সেটা পুরুষতান্ত্রিক সমাজের চালু করা অপ্রেসিং নিয়ম হলেও ভাঙ্গতে হলে মেয়েদের নিজেদের উদ্যোগ নেওয়াটা আমার কাছে বেশি জরুরি। আমাদের মত 'প্রিভিলেজড' মেয়েরা সেটা করতেই পারে। তোমার ঐ বন্ধুর মত কেস আমিও দেখেছি। এক্ষেত্রে যে প্রশ্নটা তুমি তুলছো, সেটা তোমার বান্ধবীরই তোলা উচিত নয় কি ?
    আমার বাবা এককালে রান্নাবান্নার কিছু পারতো না। মা চাকরি করার পর আস্তে আস্তে শিখে গেল। দরকার মত করে নেওয়া। যাতায়াত মিলিয়ে মা র ওয়ার্কিং হাওয়ার্স বেশি ছিল। পরে ফাইনান্সিয়ালি যখন সম্ভব হয়েছে, লোকও রেখেছে।
    এবার যদ্দুর আমার মনে পড়ে, বাবা নিজে থেকেই উদ্যোগ নিয়ে শিখেছিল, এমনটা না। মা কে বলতে হয়েছিল। এই সিস্টেমটা চালু করতে হয়েহি্‌ছল। কিন্তু তাতে মহাভারতের কী অশুদ্ধ হয়ে গেল, আর হলেই বা কী ! :)
  • rimi | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২১:৫০484716
  • পাই,একদম একমত। প্রশ্নটা তোলাই আসল,কে তুলল বা কার তোলা উচিত, তা নিয়ে কোনো বক্তব্য নেই। যে যে জায়গায় সম্ভব, আমি নিজেই প্রশ্ন তুলি। আর মেয়েরা নিজেরা প্রশ্ন তুলুক,নিজেরা সমাধান খুঁজুক,সেটাও চাই। ছেলেদের উপরে এই দায়িত্ব দেওয়াটাও একরকমের ডিপেন্ডেন্সি তো,আমার একেবারে না পসন্দ।
  • siki | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২১:৫২484717
  • আমি আগে রান্না শিখেছি। বিয়ের পরে বৌকে শিখিয়েছি। এখন আমি পারতপক্ষে রান্নাঘরে ঘেঁষিই না, সন্ধ্যেবেলার চা বা রাতের দুপুরের ভাতটুকু করা ছাড়া।

    কারণ, রান্নাবান্না আমার পোষায় না। আমার ইন্টারেস্টের বিষয় নয়। না, রান্না মেয়েদের কাজ ফাজ টাইপের বোকাবোকা ফাণ্ডা মাথায় নিয়ে চলি না, পৃথিবীতে অনেক বড় বড় নামজাদা ছেলে কুক/শেফ আছেন।

    কিন্তু, সামহাউ, রান্না না করাটা আমার কাছে একটা চয়েস। বা র‌্যাদার, রান্না করাটা। ইচ্ছে করলে সমস্তই করতে পারি, কিন্তু পুরোটাই আমার কাছে ইচ্ছেনির্ভর। অন্যদিকে, আমার বৌয়ের কাছে এটা চয়েস থাকছে না। সেটা কম্পালশন। না রাঁধলে রাতে ঠিক সময়ে মেয়েকে খাইয়ে ঘুম পাড়ানো যাবে না, সকালে রুটি না বানালে টিফিন নিয়ে বেরনো যাবে না।

    এটা নয় যে এতদ্বারা আমি নিজেকে ভিলেন প্রতিপন্ন করছি। রান্না করি না, বদলে অন্য কাজ করে থাকি। অ্যান্ড ভাইসি ভার্সা।

    আবার যদি কখনও আপিসের কাজে আমাকে বাইরে চলে যেতে হয়, তখন ফুল সেট অফ কাজ আমাদের দুজনকেই আলাদা আলাদা করে ক'রে যেতে হবে। ঘরের কাজ, বাইরের কাজ। মেয়েকে তৈরি করা, রুটি বেলা, এই কাজগুলো আমাকে করতে হবে না, কিন্তু বাইরে আমাকে নিজেকেই প্রতিদিন রান্না করে খেতে হবে, ইচ্ছে করছে না বললেও তখন সেটা আর চয়েস থাকছে না, কারণ আমাকে অন্য কেউ রেঁধে খাওয়াবে না, না রাঁধতে চাইলে বাইরে গিয়ে বেশি খচ্চা করে খেতে হবে, যেটা আমার মতন কিপ্টে ছেলের পক্ষে খুবই চাপের ব্যাপার :)
  • Du | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২১:৫৬484719
  • রিমি, ঐ গ্লোরিয়ার কথাটাই (৮৩১) আমার মনে হয়। তাই তো বৌ ক্লোনিং এর চিন্তা আসে :)
  • Nina | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২১:৫৬484718
  • রিমি, বদলে যাচ্ছে নিয়ম বদলাতে হবেই সমাজের নিয়ম মানুষ বানায় "সেই সময়ের অনেক কিছুর সঙ্গে তাল রাখতে---তবে হ্যা সময় লাগে পুরোনো থেকে নতুনে যেতে।
    এখন অনেক মেয়েরা স্বাবলম্বী, বাবা মাকে তারা দেখে এবং তানিয়ে আস্তে আস্তে সবার মনোভাব বদলাচ্ছে।
    আমি বাবা মার একটি ই সন্তান, যখন যেমন দরকার পড়েছে আমি ই করেছি ---জামাই ও আমার বাবা মার 'সন্তান' ই হয়ে উঠেছে --এই ছেলে মেয়ে ট্যাগটা এবার ওঠার সময় এসেছে---সন্তান টা চালু হোক।
    আমার দিদার চার মেয়ে, মেয়েরাই তাঁকে দেখাশোনা করেছে ও দিদার জামাইরা ও।
    আমরা মেয়েরা একসনগে অনেককিছু করতে পারি (ডি:আমার ধারণা) আমাদের বোধহয় সহ্যশক্তিটা বেশি, ধৈর্য্যও বেশি ---তাই বোধহয় ধরিত্রিকে মেয়ে রূপে কল্পনা করা হয়।
    আমরা যখন কলেজে তখন তো এই উইমেন লিব্যারেশন it topic আমাদের কলেজে প্রিন্সিপাল Mother Lucile একটা খুব সুন্দর কথা বলেছিলেন :
    মানুষের ইটার্নাল প্রশ্ন who am I
    হেসে বলেছিলেন তার উত্তর তো মেয়েরাই দেয়
    Fatherhood is a probability, motherhood is a fact
    আমার এখন জীবনের অনেকটা রাস্তা হেঁটে আসার পর আজ মনে হয়
    ছেলে ও মেয়ে একে অপরের পরিপুরক, তারা তাদের ভিন্নতায় অভিন্ন--দুজন মিলিয়েই সৃষ্টি!
    ;-) দুজনেরই একে অপরকে পেলে life is beautiful
    নয়?
  • rimi | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২২:০২484721
  • নিনাদি :-)), আকা যখন আমার সঙ্গে ঝগড়া করে আমি এটাই বলি যে আমরা একে অপরের কমপ্লিমেন্ট, কম্পিটিটর না।
    তবে social equality in marriage টা আসা দর্কার। আমাদের দেশে এখনো এটা আসতে অনেক দেরী।

    ও দুদি, বৌ ক্লোনিংটা আবার কি জিনিশ?
  • siki | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২২:০৪484722
  • ছাঁচে ঢালা একটা বিশেষ প্রজাতি। লিঙ্গচিহ্নে মেয়ে, কিন্তু ঠিক নিজের মেয়ের মতন নয়। :)
  • Du | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২২:০৮484723
  • কিন্তু একেবারে সেই 'আসল' মেয়েদের মতন। মানে বই অনুযায়ী মেয়েদের যেমন হওয়া উচিত :)
  • dd | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২২:১০484724
  • এক নিতান্তো হতভম্বকর টই। মিরাকেল।

    এরম মাইনে( মানে ল্যান্ড মাইন, বিস্ফোরক, দুম ফটাশ) ভরা টইতে অগুন্তি লোকজন নিশ্চিন্তে হেঁটে চলে পোস্টিং করে যাচ্ছে, রক্তারক্তি তো দুরস্থান, একটা ভালো মতন ঠোঁট ফোলানো অভিমান ও হোলো না।

    এটা একটা তাজ্জোব ব্যাপার। গ্রেট।

    আর এসব টপিক নিয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই, থিওরীও নেই।
  • siki | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২২:১৭484725
  • কাল অনেকদিন বাদে সেই চিয়ারলিডার টই খুলে পড়ছিলাম। হায়, সেইসব স্বর্ণযুগ আজকের দিনে আর পাওয়া যায় না।

    ডিডিদা, সবাই কেমন বড় হয়ে গেছে, দেখছো?
  • rimi | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২২:২১484726
  • যাগ্গে, আমি এইখানে একটা কথা ক্লিয়ার করি, রান্না করা বা না করাটা বড় কথা নয়। কে কোন কাজ করছে সেটা আসল নয়, আসল হল ডিভিশন অফ লেবারটা ইকোয়াল হচ্ছে কি না।

    যে প্রিভিলেজড ক্লাসের কথা বলা হচ্ছে,সেই ক্লাসেও, ডিভিশন অফ লেবার সবসময় সমান সমান হয় না। এমনকি পশ্চিমী দুনিয়াতেও নয়। বাচ্চা হবার পরে এটা আরো ভালো বোঝা যায়। এদেশেও বাচ্চা হবার পরে বেশির ভাগ মেয়েকে কেরিয়ারে অনেকরকম কম্প্রোমাইজ করতে হয়। অনেকে স্বেচ্ছায় করে,অনেকে করতে চায় না, সমস্যা হয়।
  • Ishan | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২২:৩২484727
  • ডিভিশন অফ লেবারের ইকুয়ালিটি কিভাবে মাপা যায়?

    একটা প্যারামিটার হতে পারে মজুরির অঙ্কে। অনেক ফেমিরা যেটা করে থাকেন। এক্ষেত্রেও কি সেই প্যারামিটার ফলো করা হচ্ছে?
  • aka | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২২:৩৯484728
  • ডিডিদার এই নিয়ে কোন থিওরি নেই কিন্তু আমার আছে। সেইটা আমি খানিক বাদে লিখে দেব। :))
  • pi | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২২:৫৫484729
  • আরেকটা জিনিস দেখেছি, ছেলেরা কিছু করতে এলে সেটা 'ঠিকমত' হয়না বলে অনেক মেয়েরা হাঁ, হাঁ করে আসে। বলে তার থেকে না করা বেটার।

    আরেকটা জিনিস লক্ষ্য করেছি। অনেক কাজ আছে, যেটা একজন প্রয়োজনীয় মনে করতে পারে, অন্যজন না ই মনে করতে পারে। এবার ছেলেটি সেটা করলো না এবং মেয়েটিকে সেটি করতে হল বলে অপ্রেশন হল কি লেবারের অসম বন্টন হল এটাও আমি মনে করিনা।

    এবার কোন কাজগুলো ভীষণভাবে দরকার, কোনটা শখের, না করলেও চলে, লরলে ভাল, কিন্তু না করলেও ক্ষতি নেই এই ক্যাটেগরিগুলো ভীষণভাবে আপেক্ষিক, প্রত্যেক মানুষের জন্য বদলে যায়। খুব বেসিক কিছু জিনিস বাদে কোনোটাই আমার মতে অ্যাবসলিউট সেন্সে 'দরকার'' নয়।
    দরকারটা আসলে ব্যক্তিগত শখ, চাহিদা।
    আর সেক্ষেত্রে দুজনের মাইন্ডসেট, চাহিদাপত্তর খুব আলাদা হলে ঝামেলা বাধবেই। কিন্তু সেটাকেও অপ্রেশন বা ডিস্ক্রিমিনেশন বলে চালানো ঠিক নয়, আমার মতে।

    আমাকে এত এত রান্না করতে হ, বাসন মাজতে হল,

    শুধু ছেলেদের মেয়েরা বলে বলে নয়। এটা আমি নিজে ফিল করে বলছি। আমি নিজে প্রচুর কাজ করিনা, সেগুলো করা দরকার মনে করিনা, বা তার থেকে অন্য কাজ করা প্রেফার করি বলে। সে নিয়ে আমার মা, শাশুড়ি, বান্ধবী কার না লেগেছে ! বরের সাথে বরম সবচে কম লেগেছে। তবে সব ক্ষেত্রেই, আমাকে দিয়ে করানোর ব্যাপারে লোকজন হাল ছেড়ে দিয়ে নিজেরাই করে দিয়েছে :)

    এই যেমন রোজ রোজ জামা কাপড়, বিছানাপত্তর, বাসনপত্তর গুছিয়ে রাখা আমার দ্বারা হয় না। বরের দ্বারাও তেমন হয় না, যদিও আমার থেকে একটু বেশি হয়, এটা তার দাবি। তো, আমরা এভাবেই ফেলে ঝেলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকি।
    রোজ রোজ গাদা গুচ্ছ রান্না বান্না করতেও ভালো লাগেনা। ভালোমন্দ খাওয়া নিয়ে আমার নিজের তেমন দাবিদাওয়াও নাই।
    বরের আমার থেকে বেশি আছে। তো, সেটা সে দরকার মত নিজেই মিটিয়ে ন্যায়।
    আমার নিজের জন্য ও এমনি কিছু ব্যাপার আছে। যেগুলো আমি 'দরকার' বলে মনে করি, সে করে না, নিজে করে নি।
    মানে, নেবার চেষ্টা করি আর কি। গড়বড় কি আর হয় না :)

    তো, আমাদের কাছে এসে মা বাবা শাশুড়ির মনে হয়, এগুলো তো ঠিকঠাক করে করা 'দরকার'। তো, আদতে এগুলো তাদের শখ বা চাহিদা। র‌্যাদার আমার দিক থেকে 'দরকার' নেই, হলে ভাল, না হলে ক্ষতি নেই এইই ক্যাটেগরিতে পড়ে সেটা পষ্ট বলে দিয়েছি।

    তো এটা দেখতে অসুবিধে হলে তারা নিজেরাই করে ন্যায়। এটা তাদের দরকার।
    এই আমাদের ঘরদোর পরিপাটি করে গুছিয়ে রাখা, ছয় সাত রকম পদ রান্না।

    আমাদের জন্য ভালৈ :)

    ঐ তো বলেছিলাম, হলে ভালো ....

  • Nina | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২৩:০০484730
  • পাই
    গ্র্যাক্যা লেখাটা এখন যেমন "দক্কার চাইনা?"
    (আমার বাড়ীর শিশুটক, এককালের)
  • pi | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২৩:৩৭484732
  • :))
  • bibek | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০০:০৪484733
  • আকার থিওরি কোথায় গেল
  • Ishan | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১১:২৪484734
  • ডিভিশন অফ লেবারের মেজারমেন্ট ইউনিট কোতায় গেল? নাকি ওখানে ফেমিরা যা ঠিক করবেন, সেটাই বেদবাইক্য?
  • Indranil Basu | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১১:২৫484735
  • আমি একটা উল্টো ঘটনা বলি।

    এক মামনির সাথে বিয়ের ব্যাপারে কথা হয়েছিলো। মোটামুটি বালবিচি কথা বলে। দোষের মধ্যে ওর বাড়িতে কতজন "IITian" আছে, সেসব গল্প করে। এই "IITian" কথাটা আমি dislike করি। যখনই বলে, "Youdon'tactlikeIITian", আমি বলি, academicinstitute বাদ দিলেও আমার একটা পরিচয় আছে, সেটা দিয়ে আমাকে পছন্দ হলে তবেই বিয়ে করা উচিত। এইভাবে চলতে চলতে একদিন বললাম, "don'tyouseemyselfasahumanbeingoutofthatIIT, ISIstamp?" মামনি বলল, "ওগুলৈ তো তোমার biggestachievement". য্‌ৎপরোনাস্তি ঝাঁট জ্বলে গেল। বললাম, "thosearemyfailures, Itoldumanytimes". মামনির বোধশক্তি এত কম, বলে দিলো, "IIThasmadeyouaprizedcatch". মামনিকে ইমেল করে বলে দিলাম, "ourprioritiesandpointofviewsareentirelydifferent, let'snotcontinuethis".

    মামনির বাপ আমাদের বাড়িতে ফোন করে বলেছিলো, ছেলে egotist, এরকম ছেলের IITpassout হওয়া উচিত না etcetc. আপদ চুকল।

    পরে ভাবলাম, মামনিরা বিয়ের বাজারে prizedcatch ধরতেই আসে। এত বোধশক্তিহীন জীবরা সমাজে শিক্ষিত বলে পরিচয় দ্যায় কিকরে? এরা আবার আধুনিকা বলে নিজেদের দাবি করে। আরও যেটা আশ্চর্য লাগল, আমার বন্ধুদের এটা বলার পরে তারা কিছু আশ্চর্য হল না। তাদের কথায়, এরকম মেয়ে-ই তো ভাল। বিয়ের বাজারে IIT, ISI, IIM এসব brandsearch করাই তো উচিত। এটা কিরকম সমাজ? এইরকম ছেলে আর মেয়েরা যে complimentarytoeachother তা বেশ বোঝা যাচ্ছে।

    গুরুর সদস্যরা কি বলেন? এরকম হওয়াই উচিত?
  • Indranil Basu | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১১:৩৭484736
  • ইপ্সিতাদির (pi) সাথে সম্পূর্ণ একমত। Privileged মেয়েরা ঘরের কাজ ছেলেরা পারবে না বলে প্রমান করতে চায় কেন? সেটা কি নিজেদের monopoly রাখার জন্যই নয়? ছেলেরা বাড়ির কাজ করতে চাইলেও তাকে "সরে যাও, তোমাকে দিয়ে হবে না" বলে নিজে করবে, তারপর সমাজের কাছে কত sacrifice করছি বলে credit নেবে, এটা ভন্ডামি হচ্ছে না কি?
  • pi | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১১:৪৬484737
  • আমি কিন্তু বলিনি এটা সবাই করে, কিন্তু এটাও হতে দেখেছি।
    আর পারবে না, এটা হয়ত সত্যিই মনে করে। ভণ্ডামি না। কিন্তু পারার স্ট্যান্ডার্ডটা নিজেদের চাহিদামত সেট ক'রে করে।
  • Tim | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১১:৫১484738
  • ইন্দ্রনীলের প্রথম পোস্টটা পড়ে বিয়াপ্পক এন্টারটেইন্ড হলেম। :-)))
  • Tim | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১১:৫৪484740
  • ইয়ে এরকম ছেলের আইআইটি পাসাঅউট হওয়া উচিত না মানে? ইচ্ছে করে ফেল করা উচিত, না অ্যাডমিশন নেয়াই উচিত হয়নি? :-)

    এইসব ব্র্যান্ড সচেতন লোকেদের ঝাঁট জ্বালিয়ে যে হিংস্র আনন্দ পাওয়া যায়, অনন্ত স্বর্গবাসও তার কাছে তুশ্চু!
  • Nil | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১১:৫৪484739
  • স্বাবলম্বী মেয়েদের উচিত বেকার ছেলেদের বিয়ে করা। তাহলে আর ওপ্রেসন বলে চিল্লাতে হবে না। স্বাধীনতা প্রচুর থাকবে..... সমাজ-এর আনেক মিথ পালটাবে দ্রুত। নারী স্বাধিনতা ইভলুশন টা অনেক তাড়াতাড়ি হবে। কিন্তু হায় সাবলমবী মেয়েরা ৯৯% ক্ষেত্রে নিজের চেয়ে বেশী যোগ্যতার বর খোজে .... মাইনের দিক থেকে .... qualification এর দিক থেকেও। এবং নিজেদের অজান্তেই বর কে যোগ্যতর বলে স্বিকার করে নেয়। সমস্যা তৈরী হয় তারপর। আপন কি মনে করেন।
  • kd | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১২:০৫484741
  • ইন্দ্রনীল, একটু বেশী জেনারালাইজ করে ফেলেছেন। যে বাঙালী মেয়ে আর একজন বাঙালীর সঙ্গে সবসময় ইঞ্জিরিতে কথা বলে, সে আর যাই হোক, রান অফ দ্য মিল বাঙালী নয়। বেশীরভাগ বাঙালী মেয়ে দারোগা পেলেই খুশী।

    ডি: দু'টো জিনিস ধরে নিয়েছি - এক, মেয়েটি বাঙালী। কেননা দুই, প্রেমের ব্যাপার নেই - দেখেশুনে হ'লে বাঙালী-অবাঙালী বিয়ে দেখিনি। ধরাটা ভুল হ'লে পুরো পোস্টটাই ভুল, ইগনোরযোগ্য।
  • Tim | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১২:১১484743
  • কেডিদা,
    বেশিরভাগ বাঙালী মেয়ে বাংলায় কথা বলে এইটা কি তুমি জেনারেশন এক্স কে মাথায় রেখে বল্লে? এখনকার ""উচ্চশিক্ষিত"" বাঙালী (ছেলে বা মেয়ে) স্বল্প বা অপরিচিত বাঙালীদের সাথে মোটামুটি ইনজিরিতেই বাক্যালাপ করে থাকে। বেশ বড়ো একটা স্যাম্পল সাইজ ( দেশ ও বিদেশের) মিলিয়ে বলছি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে প্রতিক্রিয়া দিন