এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৪)

    s
    নাটক | ২৩ মে ২০১৬ | ১৩১৫৩৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • lyala | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৮:১৯711861
  • সব ধর্মেই গাদাগুচ্ছের ঐতিহাসিক প্রিসিডেন্স থাকে। অস্পৃশ্যতা, সতীদাহ, তিন-তালাক, গরু-শুয়োর খাওয়া নিয়ে ঝাড়পিট, জিজিয়া সব কিছুরই। এসবের কোনটারই রাষ্ট্রীয় মান্যতা পাওয়া উচিত না। ছয় ইঞ্চি পারমিটেড হলে সবার জন্যই হওয়া উচিত। পাবলিক ন্যুডিটি পারমিটেড হলে সবার জন্যই হওয়া উচিত।
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৮:২৪711863
  • আরে রাষ্ট্রীয় মান্যতা তো অনেক পরের ব্যাপার, আপনাদের সমাজ সংস্কারকরাই তো সেগুলোর মান্যতা কেড়ে নিয়েছেন। :) রাষ্ট্র পরে তাতে একটা ছাপ লাগিয়েচে।
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৮:৩০711864
  • কি মুশকিল রামনবমী পালনের অধিকারও কাড়া হচ্ছে না, সে তাদের অধিকার নেইও বলা হচ্ছে না।

    প্রতিবাদটা হিডেন অ্যাজেন্ডার বিরুদ্ধে। রাজনৈতিক, কারণ এটা মেরুকরণের প্রচেষ্টার মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের আষ্ফালন। মরাল, কারণ আসল উদ্দেশ্যটা একটা ধর্মীয় এবং সামাজিক আগ্রাসনও বটে।
  • Ekak | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৮:৩২711865
  • আধুনিক সমাজ সন্সকরক রা আবার একটা নতুন মান্যোতার চার্টার তৈরী কচ্চেন ও রাস্ট্র কে চাপ দিচ্চেন ছাপ লাগাতে, তাহোলে আপোত্তি নেইআর ঃ)
  • Ekak | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৮:৩৫711866
  • তুমি জেগুলো সামাজিক রাজনইতিক বল্ছো ওগুলোধর্মের ই এরিয়া। শইবো,বর্ষ্নেয়ো সবাই রাজ্নৈতিক অধিকার ও সামাজিক মেরুকরনের জোন্যেই লোরেচে।

    এইভাবে বগল চেপে নাচা জায়্না।
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৮:৪৪711867
  • তাদের এই মান্যতার জন্য আন্দোলন তো তাদের সাংবিধানিক অধিকার, তাতে আমার ক্যানো আপত্তি থাকবে? কিন্তু তারা এই কাজটি করতে এলে আমিও পালটা প্রশ্নটি করব। আশা করি তখন ওও তো করে সেও তো করে বলে সরে পড়লে হবে না। এটুকুই তো দাবী।

    শৈব ইত্যাদি সবই রাজনৈতিক অধিকার ও মেরুকরণের জন্য লড়েচে কিনা সে তো বৃহৎ পরিসরে তর্ক হবে, আমি তো ভাবলাম বাবর, ইংরেজ ইত্যাদি আগ্রাসন করেছিল ফলে এই আমি বিজেপি, লুম্পেনদের পার্টি, আমাকেও আগ্রাসন করার অধিকার দিয়ে ইতিহাস রচনার সুযোগ দিতে হবে, এইরম কিছু যুক্তি শুনব।

    এনিওয়ে আমার যা বলার ছিল সবই বলে দিয়েছি। অন্যরাও বলুক।
  • lyala | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:০২711868
  • সতীদাহ বা বিধবা-বিবাহ বা হিন্দু বহুবিবাহের ব্যাপারে সংস্কারকেরা আইনের ওপর নির্ভর করেই সেগুলো হ্যান্ডল করেছেন। তাদের কথায় অধিকাংশ হিন্দু এসব প্রথার বিরোধিতা/সমর্থন করেছেন, তারপর আইন বদলেছে, এমন কোন প্রমান নেই। বরং আগে আইন বদলেছে, তারপর জনমত, এরকমই মনে হয়।
  • Ekak | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:০৩711869
  • কোস্চেন তো সিম্পল। এত কথার কিছু নেই। ধর্মের নামে সাঙ্গবিধানিক নুইস্যান্স রাইট দেওয়া বন্ধ হোক জদি সোত্তি রাস্ট্র আর ধর্ম আলাদা কর্তে হয়।

    রাস্ট্র ও ধর্ম আলাদা করার দাবি তোলা হলো বোলেই এত কথা বল্লুম। গালভরা কথার আরালে পছোন্দের লোক কে মদের লাইসেন্স পাইয়ে দেওআ জাবে না ঃ)
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:১২711870
  • নিশ্চয়ই, এত কথার কিই বা আছে। মন্দির ওহি বানায়েঙ্গে...

    লায়লা, সেরম কই লিখলাম। বলতে চাইছি প্রতিবাদটা সমাজের ভিতর থেকেই এসেছে প্রথমে। :)
  • de | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:৪৩711872
  • অস্ত্র নিয়ে মিছিল বন্ধ হোক, রামনবমী, মহরম, গুরু নানক জয়ন্তী সবার জন্য বন্ধ হোক। সভ্য দেশে এরকম রাস্তায় অস্ত্রের প্রদর্শনী হয় নাকি?

    আমি অবিশ্যি সেনাদের অস্ত্রের প্রদর্শনীরও বিরুদ্ধে - ঐ লালকিলায় নানা দিবসে যা হয়ে থাকে। সেসব চেঞ্জ করে শুধু নানা রাজ্যের সংস্কৃতির বিভিন্ন রকম ট্যাবলো আসুক।

    রামনবমীতে অস্ত্র নিয়ে মিছিলের বদলে অন্য কিছু করা যায় না, যাতে মানুষের একটু উপকার হয়? এই রাজনীতি আর ধর্মের ঘ্যাঁট আর সহ্য হয় না!
  • cm | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:৪৬711873
  • তার চেয়ে বলি কি, ওসব ধর্মটর্ম বাদ দিয়ে কাজের কথা হোক। রাজনীতির বিকল্প মোমবাতি বা ধর্ম নয়।
  • de | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:৪৮711874
  • হ্যাঁ, রাজনীতির বিকল্প উন্নততর রাজনীতি ঃ)))
  • lyala | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ২০:২১711875
  • টি-র কথা একটু পরিষ্কার হোক। সমাজের ভেতরে একটা প্রতিবাদ থাকলেই আইন বদলানো যাবে, নইলে যাবে না। তবে প্রতিবাদ থাকলেই হবে, কত শতাংশ প্রতিবাদ করছে তাতে কিছু এসে যায় না।

    সেরকম যদি হয় তো ভারতের মুসলমান সমাজে তিন-তালাক, দেনমোহর এসবের বিরুদ্ধে একটা ভয়েস আছে। কিছু মুসলমান মহরমে অস্ত্রের প্রদর্শনীর বিরোধিতা করেন। সাধু-সন্তদের (বা কারোরই) পাবলিক ন্যুডিটির বিরুদ্ধে অনেক হিন্দু আছেন। তাহলে এগুলো আইন করে বন্ধ হোক।
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ২০:২৭711876
  • যা লিখেছি আমার পক্ষে আর তার থেকে পরিষ্কার করে লেখা সম্ভব নয়। নিজেরা নিজেদের দাবী তুলুন।
  • "" | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ২২:০৩711877
  • আসুন স্যার আমাদের এই বাংলায় আপনাকে স্বাগত। জানি আপনার খুবই কষ্ট হচ্ছে,দম আটকে আসছে কিন্তু কিছু করার নেই এটাই এখন বাংলা। মানে আপনি এতদিন কুমড়ো ছেচকি খেয়ে চোঁয়া ঢেকুর তুলতে তুলতে মার্ক্সের আলোচনা করেছেন সেই বাংলা আর নেই কাজেই আপনাদের তো কষ্ট হবেই। কিন্তু কি করবেন বলুন বাংলা এগিয়ে চলেছে। মানে ধরুন রাশিয়া থেকে এগুতে শুরু করে, চায়না, পাকিস্তান ফাকিস্তান ছাড়িয়ে এসে এক্কেবারে অযোধ্যার দিকে এগিয়ে চলেছে। এই বাংলাতে তো আপনার কষ্ট হবেই।

    আপনি কিনা এতদিন দুপুরে বাড়ীতে কাচাকলা দিয়ে শিঙ্গি মাছের ঝোল খেয়ে মিছিলে গিয়ে বাংলায় গলার শিরা ফুলিয়ে বলেছেন, "ভুলতে পারি বাপের নাম, ভুলব নাকো ভিয়েতনাম"। কিন্তু কি করবেন বলুন বাংলার গরীবগুলো সেই অপদার্থই রয়ে গেল। তারা আপনাদের বুঝলনা। প্রথমে আপনাদের বাপের নাম ভুলিয়ে দিল, এখন আবার আপনাদের যিনি সার্বজনীন বাপ তার নামও ভুলে মেরে এক্কেবারে জয় শ্রী রাম বলছে। এরকম হলে কষ্ট তো হবেই স্যার। আপনি বাংলা, বাঙালির জন্য কি না করেছেন। মে দিবসকেও বাঙালি বানিয়ে ছেড়েছেন। বানিয়ে রোজ রোজ কারখানায় কারখানায় মে দিবস পালন করে কারখানাগুলোকেও বর্বরদের গুজরাট, হরিয়ানার দিকে এগিয়ে দিয়েছেন। বাঙালির কি ওসব কলকারখানার মতো যান্ত্রিক জিনিষ সহ্য হয় বলুন। বাঙালি মানেই তো হয় কাঁধে শান্তিনিকেতনি ব্যাগ ঝুলিয়ে, একমুখ দাঁড়ি রেখে, পায়ে সেপটিপিন আটা চটি পড়ে সারাদিন ঘুরে এসে একটু হুইস্কি বা স্কচ খাবে। বুঝতে পারি যে আপনি মে দিবস কে বাঙ্গালিয়ানার মোড়কে মুড়ে বাজারে ছেড়েছিলেন, সেই আপনিই যদি আজ দেখেন ছোটলোকগুলো রামের নামে নাচানাচি করছে। আবার শুধু নাচানাচিই করছেনা আপনার পেনের থোঁতা মুখ ভোঁতা করে হাতে অস্ত্রও তুলে নিচ্ছে।

    কি করবে বলুন স্যার অশিক্ষিত মানুষ সব এরা। এরা বুঝলনা, এই যে আপনি এতদিন রাশিয়া, প্যালেস্টাইন নিয়ে এত ব্যস্ত ছিলেন, চীনের চেয়ারম্যানকে বাঙালির চেয়ারম্যান বানাতে চাইছিলেন সে সবই এই বাঙালির জন্য, বাংলার জন্য। এরা বুঝলনা যে এতদিন যেহেতু আপনি ঠিক বুঝতে পারেছিলেননা ঠিক কতটা বাঙ্গালিয়ানা মেশালে পয়লা বৈশাখ বাঙালির উৎসব হতে পারে, ঠিক কতটা পরিমাণ বাঙ্গালিয়ানা মেশালে দূর্গা বেশ্যা মাগী না হয়ে বাংলার প্রতীক হতে পারে, তাই আপনি এগুলোতে মেতে উঠতে পারেননি। এক্কেবারেই অশিক্ষিত ছোটলোক সব। জানি স্যার এসব দেখলে তো আপনার কষ্ট হবেই। উচ্ছে ভাতে খাওয়া এই দুপুরে দাস ক্যাপিটাল খুলে বসলে তার পাতায় দুফোঁটা জল পড়বেই।

    খুবই কষ্ট হবে স্যার। কিন্তু মনে হচ্ছে আপনি বড় দেরী করে ফেললেন বাঙালি হতে স্যার। মানে আরেকটু আগে যদি বাঙালি হয়ে উঠতে পারতেন তাহলে আজ ছোটলোকগুলোর খোট্টা রামটাকে নিয়ে এই মাতামাতি আপনাকে দেখতে হতো না। ধুলাগড়,কালিয়াচক যখন হচ্ছিল তখন যদি আপনি বাঙালির কম্যুনিজম চর্চা নিয়ে রচনা লিখতে ব্যস্ত না হয়ে পড়তেন তাহলে আর আজ আপনাকে এই দিন দেখতে হতো না।

    আস্তে আস্তে শ্বাস প্রশ্বাস নিন স্যার। একটু জল খান। চান যদি একটু রাম মিশিয়েও দিতে পারি। নার্ভ ফিরে পেতে সুবিধা হবে। হ্যা এবার আস্তে আস্তে নিশ্বাস ছেড়ে বলুন, "হে রাম"। দেখুন কষ্ট অনেক কমে গেছে। গেছে কিনা। বাহ কমে গেছে তো? এবার ১০৮ বার জপ করুন "হে রাম"।
  • dc | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ২২:০৭711878
  • এটা কি আয়রনি পর্ন?
  • dc | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ২২:১১711879
  • "আমি অবিশ্যি সেনাদের অস্ত্রের প্রদর্শনীরও বিরুদ্ধে - ঐ লালকিলায় নানা দিবসে যা হয়ে থাকে"

    এক্কেবারে আমার মনের কথা বলেছেন :d ছোটবেলায় প্রজাতন্ত্র দিবস দেখতে বেশ ভাল্লাগতো, কামান টামান ট্যান্ক ফ্যান্ক কতো কি। মুশকিল হলো, স্কুলে ওপরের দিকে ওঠার পরই ওগুলো দেখে ভয়ানক হাসি পেত। মানে একটা রাস্তা দিয়ে প্রচুর ট্যান্ক কামান রকেট হাতি ঘোড়া বাচ্চাদের খেলনার মতো করে মার্চ করে যাচ্ছে, এই কনসেপ্টটাতেই ভয়ানক হাসি পেতো। আর তার ওপর বছরের পর বছর সেম জিনিস! প্রত্যেকবার ভাবি, বেচারারা বোর হয়ে যায়না?
  • PT | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ২২:১৪711880
  • "`ঠিক যেরকম ইন্দিরার বিরুদ্ধে অটলের হাত ধরেছিলো বামেরা।"
    কল্লোলদাঃ ঠিক জায়গাটা তুলে ধরেছ কিন্তু ভান করছ এমন যেন ফারাক নেই কিছু। বামেদের এই অবস্থানটা কারো ভালো বা খারাপ যাই লাগুক না কেন এই হাত ধরাধারির মধ্যে ক্ষমতার বদলের সম্ভাবনা ছিল। তুমি যার হয়ে জমায়েতের ডাক দিয়েছ তিনি প্রকাশ্যে জানচ্ছেন যে "I hate all the political parties. I am not left, not right,I am radical humanist"। অর্থাৎ কিনা কিছু ঘ্যানঘ্যানে বক্তব্য রাখা ছাড়া ক্ষমতা বদলের লড়াইয়ে ইনি কোন কাজে আসবেন না।
    তাহলে কি তুমি এনার সঙ্গ ধরে, কবির সুমনের ঘাড়ে চড়ে তিনোদের হাত শক্ত করার কথা বলছ?
    ঝোপে-ঝাড়ে বাঁশ পেটা না করে ঝেড়ে কাশত বাপু!!
  • s | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ২২:১৯711881
  • ঃ-) নাজুক।

    সেকু মাকুদের শীতঘুম এই এক ধাক্কায় কেটে গেছে।
  • T | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ২২:২২711883
  • চাট্টি ল্যাজ লাগিয়ে ঘুরলেই তো হয় বাছা।
  • Du | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ২৩:২৮711884
  • রামের জন্মদিনে কেন তরোয়াল নিয়ে নাচবে সেটা মনে হয় এক্সপ্লেন করা কঠিন। রাজার চাঁদের মত ছেলে হতে দেবতাতা পুষ্পবৃষ্টি করে আর লোকেরা নাচে গায় এইটাই তো লেখা আছে ঃ)
  • PT | ০৯ এপ্রিল ২০১৭ ০০:৪৪711885
  • ভাবছি যে কোন হিন্দু শাস্ত্রে বিধান দেওয়া আছে যে এই বিপুল পরিমাণ পশু বধ করতে হবে?



    <
  • PT | ০৯ এপ্রিল ২০১৭ ০০:৪৫711886


  • <
  • কল্লোল | ০৯ এপ্রিল ২০১৭ ০৬:৫৯711887
  • আমার অবস্থান তো বহুদিন ধরে খুব পরিস্কার। এ বিষয়ে আমিও সুমনের সাথে একমত। কোন কাজনৈতিক দলের উপর আমার আস্থা নেই। এরা ক্ষমতায় এলে সকলেই কমবেশী একইরকম।
    অনেক হয়েছে। এখন দরকার এই রাজনৈতিক দলগুলোর বাইরে থেকে প্রতিবাদ করা। ক্ষমতায় কে এলো কে গেলো আজকে আর তার কোন মানে নেই। কিচ্ছু এসে যায় না।
    তাই ক্ষমতা বদলের সম্ভাবনা থাকলে তবেই জোট নয়তো জোট নয় - এই অবস্থানে আমার মত নেই। জোট হয় নীতির ভিত্তিতে।
    এটা আমার মত।
  • cm | ০৯ এপ্রিল ২০১৭ ০৭:৫৬711888
  • অ্যাঁ, কবীরবাবুও সেরকমই বলছেন বুঝি! কোন রাজনৈতিক দলের সাথেই নেই।
  • SC | ০৯ এপ্রিল ২০১৭ ০৮:২৮711889
  • সব রাজনৈতিক দল মোটামুটি এক, এটা একদম ঠিক নয়। রাজনৈতিক দলের মধ্যে অনেক বিভেদ আছে। বিজেপি আর আসাদ ওয়াইসি একদম ভিন্ন মেরুর রাজনীতি করেন।

    সব রাজনৈতিক দল এক বলাটা এখানে একটা বিপজ্জনক কথা। বিজেপি একটা হিন্দুরাষ্ট্রের এজেন্ডা চালাচ্ছে। অন্যদিকে অন্যান্য বিরোধী দলগুলি, কং, টি এম সি, সি পি এম, তাদের দশ ত্রুটি সত্ত্বেও, দেশের সেক্যুলার কাঠামো তাকে ভাঙার রাজনীতি করেন। এটা বোল্ড আন্ডার লাইন ভীষণ ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।
    বিজেপি কে রাখার জন্য অন্য যে কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ নিতে রাজি আছি। বিজেপি অন্য সব দলের থেকে আলাদা সেটা বুঝতে হবে।

    আর হ্যাঁ, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই টা রাজনৈতিক ভাবেই লড়তে হবে। ভোটে দাঁড়িয়ে জিততে হবে। পরিষ্কার কথা। কবিতা লিখে, নাটক করে, পিপলস ডেমোক্রেসি তে কঠিন প্রবন্ধ লিখে, এই মায়াপাতায় ভীষণ বিপ্লব করে, অর্থনীতিবিদ দের কোট করে, ঐগুলো করে বিজেপি কে আটকানো যাবে না। রাজনৈতিক লড়াই করতে হবে। বুদ্ধিজীবী দের হয়তো কথাটা শুনে খুব গোঁসা হবে, বলবে SC, আপনি পোস্ট স্ট্রাটারালিজম বোয়েন, কিংবা আপনি পলিটিকাল পোয়েট্রি নিয়ে ক্লাস করেছেন কি না, কিন্তু গোঁসা হলে কিছু করার নেই। বিজেপি একটা রাজনৈতিক দল, আর ভারত একটা গণতন্ত্র, অতএব যা বলার ভোটে দাঁড়িয়ে বলবেন।

    পি টি দার কথা একদম ঠিক। অরাজনীতির রাজনীতি করবেন না। একদম সামনে থেকে রাজনীতি করুন। আর পি টি দা কেও বলি, এসব সারাদিন কবি কি বললো, নাট্যকার কি করলো, আর অর্থনীতিবিদ কোথায় হাঁচলো, এসব থেকে সরে আসুন। রাজনীতির ময়দানে কি করে রাখা যায় বিজেপি কে সেটা মূল ব্যাপার। আর সিপিএম বনাম তৃণমূল মারামারি করার দিন শেষ। পাখির চোখের দিকে সকলে নজর দিন।
    নইলে একদিন সকালে, খুব দেরি হয়ে যাবে।

    দিলীপ ঘোষের ভাড়াটে বাহিনী যেদিন মারতে আসবে, সেদিন কে সিপিএম, কে তৃণমূল, কে কোন বর্ণ গন্ধের নক্সাল করতেন, trotskyite না পোমো, এসব জিজ্ঞেস করবে বা। অতএব সাধু সাবধান।
  • SC | ০৯ এপ্রিল ২০১৭ ০৮:২৯711890
  • * "দেশের সেক্যুলার কাঠামো তাকে ভাঙার রাজনীতি করেন না" হবে।
  • PT | ০৯ এপ্রিল ২০১৭ ০৮:৩২711891
  • কল্লোলদা, সুমনের ঘাড়ে বন্দুক রেখে লড়তে যেওনা। সুমন সম্পুর্ণ তিনোপন্থী বলে নিজেকে দেগে দিয়েছেন। কাজেই যারা তাঁকে "রাজনৈতিক গুরু" হিসেবে মানে তাদেরকেও তিনোপন্থী ধরে নেওয়া ছাড়া আপাততঃ কোন উপায় নেই। আজ থেকে তাহলে তোমাকেও তিনোপন্থী ধরে নিয়ে রাজনৈতিক তক্ক করব।

    “Under such circumstances, I am willing to side with Mamata Banerjee. I am confident that she will fight them (BJP-RSS). Had Congress been in power in Bengal, I would have joined them too,” he added.
    http://indianexpress.com/article/cities/kolkata/kabir-suman-once-again-sings-mamata-tune/

    "আজ থেকে ৩০০ বছর পর মমতার নামে পুজোআচ্চা হবে, মন্দিরও হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উন্নয়ন নয়, কর্তব্য করছেন। টাকা খরচ করে দেখিয়ে দিয়েছেন, টাকা খরচ করাটাই কাজ।" ২১-এর মঞ্চে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সরকারকে এভাবেই ঢালাও প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন কবীর সুমন। সেইসঙ্গে তিনি সাফ জানালেন, 'মদনকে মিস করছেন'।"
    http://zeenews.india.com/bengali/kolkata/after-300-years-there-will-be-temples-in-name-of-mamata-banerjee-says-kabir-suman_144879.html
  • Pi | ০৯ এপ্রিল ২০১৭ ০৯:০১711892
  • আর সিপিএম বনাম তৃণমূল মারামারি করার দিন শেষ। পাখির চোখের দিকে সকলে নজর দিন।
    নইলে একদিন সকালে, খুব দেরি হয়ে যাবে।

    ্‌্‌্‌্‌্‌

    ক।
  • কল্লোল | ০৯ এপ্রিল ২০১৭ ০৯:০২711894
  • চিরকালীন শত্রু বা মিত্র বলে কিছু হয় না। সুমন কি ও কেন তা আমি অন্য অনেকের চাইতে কিঞ্চিত বেশীই জানি। ওকে জানি সেই ৭৭-৭৮ সাল থেকে।
    এই বিষয়টিতে সুমনের সাথে আমার মতে মিলছে, তাই এই বিষয়ে এই জমায়েৎ-এ আমি যাবো। যদি এই বিষয়ে পরে মতপার্থক্য হয় তো সরে আসবো। এটুকুই।
    আর রইলো বাকি তোমার আমার সম্পর্কে ভাবনা। কতো মানুষ তো কতোবার ভুল বুঝেছে, না হয় সেই মানুষদের কাতারে আর একটা নাম বাড়বে। কি আর করা, আমার দুর্ভাগ্য।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন