এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • byaang | ০৬ মে ২০১৪ ১১:৫৭232050
  • এইত্তো এইত্তো, সিকিও অপরাজিতার অসইব্যত্ব জানে না। দোষ হয় একা আমার।
  • j | ০৬ মে ২০১৪ ১১:৫৬232049
  • ডাঃ লোধ ও এম কাশেম কি এখনও দুনিয়ায় আছেন ?
  • সিকি | ০৬ মে ২০১৪ ১১:৫৫232048
  • ব্যাং আমার চাকরি খেয়েই ছাড়বে। আমি কি আপিসে বসে এইসব দিয়ে গুগল সার্চ করব? নিজে করে নাও না।

    অপরাজিতা কেসটা কী আমার জানা নেই। অন্যটা মোটামুটি জানি।
  • byaang | ০৬ মে ২০১৪ ১১:৪৯232047
  • সিকিটাও লক্ষ্মী ছেলে। এবার চাঁদসীর ক্ষত আর অপরাজিতাটা বলে দিলেই ল্যাটা চোকে।
  • সিকি | ০৬ মে ২০১৪ ১১:৪৬232046
  • স্বপ্নদোষ তো ব্যাঙাচিরই হবে আর কয়েক বছর পরে।

    এইটা পড়ে নাও। গুগল আছে কী করতে? অ্যাঁ?

    https://bn-in.facebook.com/jounojiggasa/posts/498417723539080
  • byaang | ০৬ মে ২০১৪ ১১:৪৫232045
  • এনিওয়ে এপাতায় ঐ লোকটার উল্লেখ আর একবারও হলে, আমি আর এপাতাতেই আসব না।
  • byaang | ০৬ মে ২০১৪ ১১:৪৩232044
  • বরের সঙ্গে সেই কবে থেকে কথা বন্ধ। আর এখন ইজ্জত কা সওয়াল হয়ে গেছে। যে কথা বলতে যাবে, সেই হেরো। তাই ঐ উপায়টি চলবে না।
  • byaang | ০৬ মে ২০১৪ ১১:৪২232043
  • ফুলের লিংয়ের পাতাটাটা দেওয়ার মানে কী? ফুল যে গাছের সেক্স অরগান সেকথা কে না জানে?ফুল না হলে পরাগ্মিলনই হবে না, তাও তো জানি। সেই যুক্তিতে অপরাজিতা ফুলও নাহয় অপরাজিতা গাছের সেক্স অরগান। তো? মানে স্পেশ্যালি অপরাজিতার উল্লেখ কেন? অসইব্য কথার প্রেক্ষিতে?
  • Sibu | ০৬ মে ২০১৪ ১১:৪১232042
  • উফ্‌ফ্‌, আর পারি না। তুই বরের কাছে শেখ। বর না শেখালে একটা প্রেমিক যোগাড় করে তার কাছে শেখ। আমি শুতে গেলাম।
  • byaang | ০৬ মে ২০১৪ ১১:৩৯232041
  • চাঁদসী হলে ওরকম ১৮০ডিগ্রী হয়, হ্যাঁ শিবুদা? নাকি স্বপ্নদোষ হলে হয়? এটা কোন রোগটার মানে বললে?
  • byaang | ০৬ মে ২০১৪ ১১:৩৮232040
  • উল্টো আবার কী রে দাদা? লিঙ্গের আবার সোজা উল্টো কী? শিথিলের উল্টো হল ১৮০ডিগ্রী ঘুরতে হয়, এদিকে আমার ধারণা ছিল ৯০ডিগ্রী, মেরেকেটে ১১০ডিগ্রীর বেশি সম্ভব নয়।
  • byaang | ০৬ মে ২০১৪ ১১:৩৫232038
  • অনুপমকে বড়হাতের ক দিলাম ঐ ফাইভ-সিক্সের সিলেবাসের ব্যাপারে। আইসিএসই বোর্ড মনে হচ্ছে। আমারও ঐ একই যন্ত্রণা কিনা। সমব্যথী পেয়ে ভাল্লাগলো।
  • Sibu | ০৬ মে ২০১৪ ১১:৩৫232039
  • দাদা ডাকিস, কি আর বলব। তবু চোখ বুঁজে একবার বলেই ফেলি। শিথিল তো জানিস। উল্টোটা কি জানিস?
  • byaang | ০৬ মে ২০১৪ ১১:৩১232034
  • আব্বে ব্যান কীসের রে? বললুম যে আমি ঋতুবন্ধ শীঘ্রপতন আর শিথিল লিঙ্গ তিনটেরই মানে জানি। একদম ঠিকঠাক। এরপর ব্যানের কথা ওঠে কেন?
  • | ০৬ মে ২০১৪ ১১:৩১232035
  • এটাই ভাবছিলাম। এইবার এই জ্ঞানটি আমি দিতে অপারগ।
    কেউ একটা জ্ঞানাঞ্জনশলাকা নিয়ে ব্যাঙের চোখে বিঁধিয়ে দাও তো।
  • Anupam Bhattacharjee | ০৬ মে ২০১৪ ১১:৩১232036
  • ক্লাস সিক্স, কর্পোরেট ষড়যন্ত্র, আর আমার দুঃখটা

    একটা ব্যাপার খেয়াল করলাম – বেশ ভাবাচ্ছে, হতাশও লাগছে। একটা গভীর ষড়যন্ত্র, একটা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা – ছবিটা ধীরে ধীরে চোখের সামনে ফুটে উঠছে – কিন্তু কিছু করতে পারছি না (কেউ হয়তো বলবেন করতে চাইছি না)।

    কর্পোরেট দুনিয়া কি চায়? চায় প্রচুর, প্রচুর শিক্ষিত, উচ্চ শিক্ষিত highly skilled labours (euphemized as professionals)। সাপ্লাই লাইনটা অবশ্যই মধ্যবিত্ত (কম্যুনিস্টরা অবশ্য এই পরজীবী শ্রেনীটি সম্পর্কে সততই সন্দিগ্ধ, তার কারণও বিস্তর; পুঁজিপতির বাচ্চা তো নিজেই ইন্ডাস্ট্রি চালাবে, তার আর চাকরীর দরকারটা কোথায়? নিম্নবিত্ত বাঁচতে হলে গতর খাটাবে)। এইসব জ্ঞানগম্যির কেজো, মানে knowledge workers শুধু মালিকের জন্যে খাটবে, খাটবে, আর খেটেই যাবে। বিনিময়ে তাদের দেয়া হবে আপাতদৃষ্টিতে লোভনীয়রকম মোটা মাইনে। বিনিময়ে অবিশ্যি যাবে তাদের রাতের ঘুম, উপরি পাওনা হিসেবে মিলবে অনন্ত টেনশন, নিত্যদিনের সঙ্গী হবে সব পেয়ে খোয়ানোর দুঃস্বপ্ন, চল্লিশের আগেই শরীরে বাসা বাঁধবে রাজ্যের লাইফস্টাইল ডিজিজ, সাময়িক মুক্তির জন্যে এরা শরণ নেবে নেশার তা সে হোক না কেন দিনে তিরিশটা কিংসাইজ ৫৫৫ বা সোনার দামে বিকোনো সোমরস – আর শেষ পর্যন্ত early burnout। শুধু নিশ্চিত করতে হবে এটা যে এরা যেন কোনো প্রশ্ন না করে। কি করছি, কেন করছি, এতে সমাজের লাভ কোথায়, বা, এর পরিণতি-ই বা কি – এসব জিজ্ঞাসা যেন কখনো প্রাণে না জাগে। মাইনে, জৈবিক সুখ, এবং social prestige-এর চক্করে ঘানি টানতে টানতে এরা যেন একটা অলীক জগতে বিচরণ করে, কাজ করে একটা intellectual vacuum-এ। অফিসে gym থাকা সত্বেও, Fitness বা স্বাস্থ্যের শর্তগুলো জানা সত্বেও এদের gym যাওয়ার ফুরসত বা মানসিকতা থাকবে না, হাতের সামনে সমস্ত তথ্য পরিসংখ্যান থাকা সত্বেও collective good-এর ভাবনা, বিচার এদের বিচলিত করবে না। সব মিলিয়ে KAP (Knowledge, Attitude, Practice).gap-এর অনন্তশয্যায় শায়িত থাকার জীবনভর গ্যারান্টী। কেউ যেন ভুলেও এডওয়ার্ড স্নোডেন না হতে চায় (আমিও ছাই চাই না কি?)।

    কিন্তু এগুলোকে নিশ্চিত করা যায় কিভাবে? গুলিয়ে দাও শিক্ষা (Education) আর বৃত্তিমূলক শিক্ষার (Vocational training) ফারাকটাকে। তালগোল পাকিয়ে দাও শিক্ষা আর প্রশিক্ষণ (training)-এর উদ্দেশ্যকে (a man can be educated while a dog can only be trained)। হাত করা চাই স্কুল পাঠক্রমের সিলেবাস-প্রণেতাদের, দখল নিতে হবে শিক্ষাব্যবস্থার। কাজটা সোজা নয়, সময়সাপেক্ষ তো বটেই। তাই চার-পাঁচ দশক ধরে আস্তে আস্তে গোটা শিক্ষাব্যবস্থাটাকে কুক্ষিগত করা হলো। সর্বত্র। এমন সিস্টেম তৈরী করা হলো যাতে ছাত্র-অভিভাবক সবাই একসাথে বলে কেজো শিক্ষা চাই, শিক্ষা হোক চাকরীমুখী।

    ছেলেকে পড়াতে বসে বুঝতে পারি কি সাংঘাতিক চালটাই না ওরা খেলেছে মেঘের আড়াল থেকে ইন্দ্রজিত মেঘনাদের মতো। অজস্র সাবজেক্ট, অল্পবয়েস থেকেই মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি। ক্লাস ফাইভ-এর সায়েন্সে ফিজিওলজি-অ্যানাটমির বহর দেখলে ডাক্তারীর ছাত্রের কম্পজ্বর আসবে। কম্প্যুটারের সিলেবাস বিকিরণকারী আবর্জনায় ভরা। ইংরিজি গ্রামারের পাঠ্যসূচী দেখলে বুক ধড়ফড় করে। কিন্তু অঙ্ক? না, অঙ্ককে করা হয়ে চলেছে সহজ থেকে আরো সহজ। ক্লাস ফাইভ-সিক্সে এরা যে ধরণের অংক করছে তা দেখলে হাসতে হাসতে চোখে জল এসে যায়। অংকের ভিতকে কাঁচা রেখে দাও। তার কারণ অংক তো শুধু একটা বিষয় নয় – অংক একটা অ্যাটিচিউড, যুক্তিবাদী চিন্তাধারার সবচেয়ে মজবুত থাম। আপনার মাথায় ঢুকবে না কি করে মাদার সায়েন্স অংককে দুয়োরাণী রেখে ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি এসবের কঠিন ধারণাগুলোকে বোঝানো যায়। এত কঠিন করে বাকি সবের সিলেবাস তৈরির নিগূঢ় উদ্দেশ্য – পৃথিবীকে, সমাজকে শিক্ষার আলোয় যেন বিচার না করতে শেখে, কার্য্যকারণ খুঁজতে যেন না চায়। “কি”টা জানলেই হলো, ভুলেও “কেন”র ভূত যেন মাথায় না চাপে – চাপলেই কর্পোরেটের বিপদ – আবিশ্ব ধোঁকাবাজি ধরা পড়ে যেতে পারে। আইনস্টাইন গণিতবেত্তা হয়েও প্রতিবাদ করেছিলেন আণবিক বোমা তৈরী/ব্যবহারের। সেরকমটি আর হতে দেওয়া তো যায় না।

    আরো আছে। ভাষা যোগাযোগের মাধ্যম। ভাষা দিয়ে মনের ভাব প্রকাশ আর মতের বিনিময় ভালো করে করতে পারলে ঐ আপাত সর্বশক্তিমানদের মূর্তিতে দড়ির টান লাগার ঝুঁকি থেকে যায়। অতএব ভাষাশিক্ষাটাকে এমনি ঘেঁটে দাও যেন এই প্রজন্ম টেকনিক্যাল বক্তব্য ব্যতীত অন্যত্র ভাষার ব্যবহারে পদে পদে হোঁচট খায়। কল্পনাপ্রবণতা potentially বিপজ্জনক - ওটার বিনাশ করো অঙ্কুরেই। সাহিত্য মানুষকে সংবেদনশীল করে তোলে। ছোট্টো বয়েস থেকেই এমন গুরূতর ধরণের সাহিত্য পড়াও যাতে ভীতি তৈরী হয়, ইশকুলের গণ্ডী পার করে যেন পড়ার বইয়ের বাইরে কোনো সাহিত্য-ফাহিত্য না পড়তে যায়। কবিতা, গদ্য, নাটক – পাঠ্যবইতে যা আছে তার কোনোটাতেই ভুলেও যেন মজা, আনন্দ না পায়। কিন্তু, কোনো শালা কিচ্ছুটি বলতে পারবে না – বললেই বলে দেবো “এই তো কতো বড়ো বড় লেখকের কতো বন্দিত লেখা পড়াচ্ছি (পড়ে বদহজম হলে দায় কর্তৃপক্ষের নয়)” – সাপও মরবে, লাঠিও ভাঙ্গবে না। বি এ-র পাঠ্য আর ক্লাস সিক্সের পিস-এ ফারাক নেই। সমস্ত বিষয়-কেই এমনভাবে পড়ানোর আয়োজন যেন পরীক্ষার খাতায় উগরে দিয়ে আসাতেই ভালোমন্দের সব বিচার হয়ে যায়। ইতিহাস আর রসায়নের কোনো আলাদা মানে নেই, ভূগোল আর হিন্দীতে নেই কোনো প্রভেদ।

    কি চমৎকার জাল বিছানো হয়েছে ভেবে দেখুন। আর মাঝের থেকে ছেলেকে আমার মতো করে পড়াতে গিয়ে আমি হচ্ছি তার চোখে সবচেয়ে বড়ো ভিলেন, পড়ার টেবিলে বাঁধছে ধুন্ধুমার, আর ছেলের মা-এর কাছে শুনছি বাছাই বিশেষণ-এর অমৃতভাষণ – পাগল, ইমপ্র্যাক্টিক্যাল। কি করি বলুন তো? আমি সত্যি-ই চন্দ্রাহত।

    পুনশ্চঃ ছেলে ঐকিক নিয়ম, আর শতকরা দু’টোই শিখেছে আগের ক্লাসে। আঁক কষাতে গিয়ে প্রশ্ন দিয়েছিলাম “উসেইন বোল্ট যে দূরত্ব ১৮ সেকেন্ডে দৌড়োয় সেই একই দূরত্ব দৌড়োতে অর্কদ্যুতির সময় লাগে ৩০ সেকেন্ড। উসেইন বোল্টের তুলনায় অর্কদ্যুতি কতো শতাংশ ধীরে দৌড়য়?” আর দিয়েছিলাম – একজন শাড়ী বিক্রেতা একটি শাড়ীর দাম এমন করে স্টিকারে লিখলো যাতে ২৫% ডিস্কাউন্ট দেবার পরেও মূল দামের ওপর ২৫% লাভ থেকে যায় বিক্রীর পরে। স্টিকারে লেখা দাম মূল কেনা দামের তুলনায় শতকরা কত বেশি? এমন অংক দেওয়ার ফলে আমার রাতের মিল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। না পড়ালে বলবে আমি ছেলের দায়িত্ব নিই না, আর পড়ালে ভুখা রেখে দেওয়া হবে। আমি যে কোনদিকে যাই?
  • Tim | ০৬ মে ২০১৪ ১১:৩০232033
  • গুরু ১৮+ প্ল্যাটফার্ম। পুতুল শোভিত ব্যাঙদিকে ব্যান করা হোক।
  • byaang | ০৬ মে ২০১৪ ১১:২৮232032
  • অপরাজিতা ফুল আবার বিলেতেও হয় নাকি? যে তার ইংরিজি থাকবে! যাই হোক, কথা হল আমি জানি না। আর অপরাজিতা ফুলে খেয়াল করার মতন আছে টা ই বাকী? দুর্গা না কালী কার একটা প্রিয় ফুল এবাদে আর কিচ্ছু জানা নেই। আর পুতুলের নীল শাড়ীর দরকার হলে অপরাজিতা ফুল কাজে লাগে, এবাদে আর কী জানার আছে?
  • সিকি | ০৬ মে ২০১৪ ১১:২৬232031
  • মাইরি, বাংলা ভাষাটা বুঝতে অনেকক্ষণ সময় লাগল। "এ"-র মাথায় মাত্রা দিয়ে একাকার করেছে।

    এইসময়ের প্রথম পাতা থেকে।

  • byaang | ০৬ মে ২০১৪ ১১:২৫232030
  • ঋতুবন্ধ, শীঘ্রপতন আর শিথিল লিঙ্গ এই তিনটের মানে আমি জানি। এগুলো নিয়ে ডাউট নেই।
    ডাউট আছে স্বপ্নদোষ নিয়ে। এটা কি মাস্টারবেশন? ভগন্দর টা জানতুম না। সেটা তো শেখা হয়ে গেল এক্ষুনি।। চাঁদ্সী মানে কী? চাঁদসীর ক্ষত না এরকম একটা কী যেন দেখেছি।
  • | ০৬ মে ২০১৪ ১১:২১232029
  • ব্যাঙ অপরাজিতা ফুলের ইংরাজী জানে? অপরাজিতা কখুনো খ্যাল করে দেখেছে?

    কিন্তু কত্ত কত্ত পাতা .... এ কি পুরোটাই কালকের মিনিময় নাকি? পড়ব? না কাটিয়ে দেব?
  • byaang | ০৬ মে ২০১৪ ১১:২০232028
  • আজ আমি সিলেবাস কমপ্লিট করবই করব। সেই কোন ছোটবেলায় কেজিটুয়ে পড়ার সময় যুক্তাক্ষর পড়তে শিখে স্কুল থেকে ফেরার সময়ে মানিকতলার মোড়ে, রাস্তায় পোস্টার পড়ে অর্পিতাকে ঋতুবন্ধর মনে বুঝিয়েছিলাম বলে মা এক থাব্ড়া মেরেছিল ঐ মানিকতলার মোড়েই, আজ আমি তার শোধ তুলব।

    যাদপ্পুরে লবিতে আমাকে সমবেত আওয়াজ দেওয়া হয়েছিল ওরল সেক্স মনে ফোনে /বা সামনাসামনি সেক্সবিষয়ক আলোচনা বলেছিলাম বলে। সেই আওয়াজেরও আজ আমি শোধ তুলব।

    আমি এর পরের পোস্টে আমার কোন শব্দের সম্পর্কে কী ধারণা লিখব, সেগুলো এইপাতার লোকজনরা কারেক্ট করে দেবে বলে আশা করি। আমার প্রতিশোধস্পৃহার উপশম হয় তাহলে।
  • Tim | ০৬ মে ২০১৪ ১১:১৯232026
  • এই নিয়ে বাউল শাহ আবদুল করিমের একখান গান আছে। মানে ব্যাঙদির প্রশ্ন করার ধরন দেখে মনে পড়লো। এর মধ্যে কবে যেন শুনছিলাম ইউটিউবে।

    পিনাকীদার ঐ পোস্টটা, যেখানে লিখেছে যে সে, হনুদা হুতো আর অরণ্যদা বাদে কেউ কিছু লেখেনি, সেটা ঠিক নয়। অনেকেই সময় সুযোগ মত লেখে। ভাট বা টই খুঁড়ে খুঁড়ে প্রমাণ করতে পারবনা, তবে আমি নিজেই দেখেছি বিভিন্ন সময়ে কেউ না কেউ লিখেছে। তাই প্রতিবাদ করে রাখলাম।
    আর, সব সময় সবার না লেখার কারণ হিসেবে স্রেফ সদিচ্ছার অভাবটা মনে হয় একটু ফার ফেচেড হয়ে গেল। পিনাকীদা কি গুরুর সাম্প্রতিক বিতর্কগুলোর অফলাইন চরিত্র সম্পর্কে ওয়াকিবহাল? তুমি নিজেই বলছো অফলাইন করোনা, তাই সম্ভবত জানোনা যে কি পরিমাণ বিতর্ক আছে। আমি জানিনা সেই বিতর্কের খুঁটিনাটি। তবে অতীতে না জেনে সরল মনে পোস্ট করে কেস খেয়েছি, আরো অনেককেই খেতে দেখেছি/শুনেছি। পরে মনে হয়েছে না জেনে লেখা উচিত হয়নি। এই ভাটসমুদ্র বলে যাকে ভুল হয় তা আসলে বহুদিন ধরেই এক আঁজলা ফিল্টার্ড জল। সমুদ্র অন্যত্র। সেই সমুদ্র সমান পড়া করে তবেই একটা স্ট্যান্ড নেওয়া সম্ভব। সে সময় এবং ইচ্ছে সবার থাকার কথা নেই।

    শেষে একটি কথা। গুরুর হাজার সমালোচনা করেও গুরুতেই আসি, আছি। নিশ্চই ভালো কাজও হচ্ছে, আলবাত হচ্ছে। সেজন্য তথাকথিত কোর গ্রুপের সাধুবাদ প্রাপ্য। সেইটা বলার জন্য সমুদ্রপ্রমাণ রিসার্চের দরকার নেই তাই বলতে পারলাম। কখনও কখনও চেনা বামুনেরো পৈতের দরকার হয় (হুতোদা উবাচ), তাই গোটা গোটা করে লিখলাম। ইহা পোসোংসা, সেটাও রেকর্ডেড থাক।
  • একক | ০৬ মে ২০১৪ ১১:১৯232027
  • মনীন্দ্র গুপ্তের সেই গল্পটা মনে পরে গ্যালো। "কুলটা" শব্দের মানে কী ? মাস্টারমশাই আমতা আমতা করে বললেন "খারাপ লোক"। বালক মনীন্দ্র ততক্ষনাত বাক্য রচনা করলো "দুর্যোধন বড়ই কুলটা ছিলেন "

    :(
  • Sibu | ০৬ মে ২০১৪ ১১:১৬232025
  • ঃ-))))
  • একক | ০৬ মে ২০১৪ ১১:১৫232024
  • সরলা বালিকার এত জীগিষা হলে কী করব :(
  • Sibu | ০৬ মে ২০১৪ ১১:১৪232023
  • উপ্‌প্‌স্‌। ঃ-) ভুলে গেছিলাম। কি বিপ্পদ।
  • Sibu | ০৬ মে ২০১৪ ১১:১১232022
  • ভগাঙ্কুর হল ক্লিটোরিস। একক সরলা বালিকাকে বিপথে নিয়ে যাচ্ছে।
  • pi | ০৬ মে ২০১৪ ১১:১০232021
  • এদিকে আমি বলিউডি নাম হিসেবে ভাগ্যেন্দ্র সাজেস্ট করবো ভেবেছিলুম, কিন্তু ঐ নামটার ধরমিন্দর ইক্যুভ্যালেন্টটা ভেবে পিছিয়ে এলুম ঃ)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত